Health Tips/স্বাস্থ্য টিপস

Health Tips/স্বাস্থ্য টিপস Bangladesh. স্বাস্থ্য টিপস

26/10/2025
অল্প বয়সে বড়ো হবেন না..? বয়সে ছাপ দূর করুন। প্রকৃতি উপায়। শরীরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি হবে। যেসবন খাবার খেলে।শরীরের চেহারার সৌ...
09/10/2025

অল্প বয়সে বড়ো হবেন না..? বয়সে ছাপ দূর করুন। প্রকৃতি উপায়। শরীরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি হবে। যেসবন খাবার খেলে।
শরীরের চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি হবে
☘️আমলকি পরিমাণ মতো।
☘️ জিরা এক চামচ।
☘️সাজনা পাতা পরিমাণ মতো।
☘️থানকুনি পাতা পরিমাণ মত।
☘️আদা পরিমাণ মতো।
এক সাথ নিয়ে এক গ্লাস পরিমাণ জুস করে খাবেন।

🌿 থানকুনি পাতার উপকারিতা১.  লিভার পরিষ্কার করে ও লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।২.পেটের গ্যাস, অম্বল ও হজমের সমস্যা দূর করে।৩....
09/10/2025

🌿 থানকুনি পাতার উপকারিতা
১. লিভার পরিষ্কার করে ও লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
২.পেটের গ্যাস, অম্বল ও হজমের সমস্যা দূর করে।
৩. প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কমায় এবং প্রস্রাবের সমস্যা দূর করে।
৪. মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন কমায়।
৫. স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মনোযোগ উন্নত করে।
৬. ঘা, ফোড়া, একজিমা, চুলকানি ও ত্বকের রোগ ভালো করে।
৭. শরীরের প্রদাহ (inflammation) কমায়।
৮. রক্ত পরিষ্কার রাখে ও ব্রণ-ফুসকুড়ি দূর করে।
৯. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
১০. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়।
১১. যৌন দুর্বলতা দূর করে ও দেহে শক্তি বাড়ায়।
১২. রক্ত সঞ্চালন ভালো করে, ফলে ত্বকে উজ্জ্বলতা আসে।
১৩. শরীর ঠান্ডা রাখে এবং জ্বর কমাতে সাহায্য করে।
১৪. পাকস্থলীর আলসার নিরাময়ে সাহায্য করে।
১৫. ঘুমের সমস্যা দূর করে।

---

🍽 থানকুনি পাতা খাওয়ার নিয়ম

১. রস করে খাওয়া:
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৫–৬টি তাজা থানকুনি পাতা ১ গ্লাস পানির সাথে ব্লেন্ড করে রস তৈরি করে খেতে পারেন।

2. পাতা চিবিয়ে খাওয়া:
৪–৫টি পাতা সরাসরি ভালোভাবে ধুয়ে চিবিয়ে খেতে পারেন।

3. ভর্তা করে খাওয়া:
থানকুনি পাতা, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ মিশিয়ে ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

4. গুঁড়া করে খাওয়া:
শুকিয়ে গুঁড়া করে সকালে আধা চা চামচ গরম পানির সাথে খাওয়া যায়।

---

🔬 কেন থানকুনি পাতায় এসব উপকার হয় (কারণ)

থানকুনি পাতায় রয়েছে বহু প্রাকৃতিক উপাদান, যেমন—

উপাদান কাজ ও উপকার

Asiaticoside, Madecassoside, Centelloside ঘা শুকায়, ত্বকের কোষ পুনর্গঠন করে, প্রদাহ কমায়
Flavonoids ও Antioxidants রক্ত পরিষ্কার রাখে, ব্রণ দূর করে, ত্বক সুন্দর করে
Triterpenoids স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও মানসিক চাপ কমায়
Vitamin A, B, C, K শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
Magnesium, Calcium, Iron রক্ত সঞ্চালন ও হাড়ের শক্তি বাড়ায়
Antimicrobial ও Antifungal গুণ জীবাণু ও ফাঙ্গাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে
Anti-inflammatory উপাদান প্রদাহ, ব্যথা ও ফোলা কমায়

---

⚠️ সতর্কতা

অতিরিক্ত পরিমাণে (প্রতিদিন ১০ পাতার বেশি) খাওয়া উচিত নয়।

গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীরা চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়া উচিত।

বেশি পরিমাণে খেলে মাথা ভার লাগা বা তন্দ্রা আসতে পারে।

26/09/2025
08/05/2025
বর্তমানে বাংলাদেশে স্ক্যাবিস রোগটি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। স্ক্যাবিস, যাকে বাংলায় খোষপাচড়া বলা হয়, একটি অত্যন্ত ছোঁয়া...
08/05/2025

বর্তমানে বাংলাদেশে স্ক্যাবিস রোগটি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। স্ক্যাবিস, যাকে বাংলায় খোষপাচড়া বলা হয়, একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে চর্মরোগ। এটি মূলত সারকোপটিস স্ক্যাবিয়া (Sarcoptes scabiei) নামক এক ধরনের পরজীবী জীবাণুর কারণে হয়ে থাকে।

রোগটির প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র চুলকানি ও শরীরে গুটি গুটি র‍্যাশ হওয়া, যা সাধারণত কবজি, আঙুলের ফাঁক, কোমর এবং শরীরের অন্যান্য অংশে দেখা যায়। রাতে এই চুলকানির তীব্রতা বেড়ে যায়। স্ক্যাবিস সহজেই এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তিতে ছড়ায়, বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কাপড়, বিছানার চাদর, গামছা বা তোয়ালে ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে।

এই রোগটি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এবং ঘনবসতিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ছড়ানোর প্রবণতা বেশি। প্রথমবার আক্রান্ত হলে উপসর্গ দেখা দিতে দুই থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগে, কিন্তু দ্বিতীয়বার সংক্রমণে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লক্ষণ দেখা দেয়।

স্ক্যাবিসের চিকিৎসায় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পারমিথ্রিন ক্রিম, যা গলা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের সব জায়গায় মেখে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা রাখতে হয় এবং পরে কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে হয়। সাত দিন পর একইভাবে আবার ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া প্রোমেট্রিন এবং সালফার ক্রিমও পাঁচ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে শিশু, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ ব্যবহার করা উচিত।

17/04/2025

৪০ বছর পর থেকে শরীরে বিভিন্ন রোগ অজান্তে বাসা বাঁধতে শুরু করে,,
এই জন্য যে সকল মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী।
প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।
(১).কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-Lipid Profile.
(২).রক্তের ডায়াবেটিস আছে কিনা জানতে হবে।
যেমন-GTT.
(৩). থাইরয়েডের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-TSH.
(৪).কিডনির ফাংশান টেস্ট করতে হবে।
যেমন-S.Creatinine.
(৫).লিভার ফাংশন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-S.BILIRUBIN, SGPT, SGOT.
(৬).রক্তে কোন রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে
যেমন-CBC.
(৭).প্রোস্টেট নির্দিষ্ট এন্টিজেন পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-PSA.
(৮).উচ্চ রক্তচাপের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-ECG.
(৯). পেটের ভিতরে যে কোন সমস্যা থাকলে পরীক্ষা করতে পারেন। যেমন-USG OF WHOLE ABDOMEN.
(১০). বুকের যেকোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-X-RAY CHEST P/A VIEW.
(১১). প্রস্রাবের যে কোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-URINE RE/ME.

12/11/2024

আপনার শরীরের ওজন যত KG, তাকে ৪০ দিয়ে গুণ করে ১০০০ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফলের সমপরিমাণ (লিটার) পানি প্রতিদিন পান করুন!

04/06/2024

কিছু স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস, মানলে উপকার আপনার ই হবে...

১) সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠা উচিত। মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি খাওয়া ভাল। এতে সহজে কোন পেটের রোগ হয় না।

২) সকালের বিশুদ্ধ বাতাস শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।তাই হাটা উচিত।

৩) খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক না।

৪) খাবার যতদূর সম্ভব নিয়মিত খাওয়া উচিত।

৫) আমাবশ্যা বা পূর্ণিমাতে উপবাস করলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে।

৬) খাবার সময় বেশি পানি খাওয়া ঠিক না। খাবার শেষ করার অন্তত ১ ঘন্টা পরে পানি খাওয়া উচিত তবে দিনে যত বেশি পানি পান করা যায় ততই ভাল। বেশি পানি পান করলে কোন ক্ষতি নেই।

৭) খাবার ভালমত চিবিয়ে খাওয়া উচিত।

৮) দুপুরে খাবার সময় ১২টা-১টা এবং রাতে খাবার সময় ৯টার আগে হওয়া উচিত। কেননা বেশি রাতে খেলে খাবার ঠিকমত হজম হয় না, তাই রাতে হালকা খাওয়া উচিত। অধিক রাতে দুধ ছাড়া কিছু খাওয়া ঠিক না।

৯) রাতে খাওয়ার অন্তত আধ ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যাওয়া উচিত।

১০) অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর বিশ্রাম না নিয়ে খাওয়া ঠিক নয়, তেমনি খাবার পর অবশ্যই কিছুক্ষন বিশ্রাম নেওয়া দরকার।

১১) রোদ থেকে এসে বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি খাওয়া ঠিক না।

চিয়া সিডে রয়েছে✅ দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম,✅ কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি✅ পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রণ ✅ ...
11/03/2024

চিয়া সিডে রয়েছে
✅ দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম,
✅ কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি
✅ পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রণ
✅ কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম
✅ মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন
✅ এতে আছে স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩
তাই খাদ্য তালিকায় চিয়া সিড রাখুন।

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Tips/স্বাস্থ্য টিপস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Health Tips/স্বাস্থ্য টিপস:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram