Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh

Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh শিক্ষা চিকিৎসা সমন্বয় সম্প্রীতি অধিকার আমাদের মূলনীতি

নতুন এক প্যাথি দেখলাম।
27/01/2026

নতুন এক প্যাথি দেখলাম।

20/01/2026

ডিএইচএমএস পরীক্ষা টিভি নিউজ করা হয়েছে এর জন্য দায়ী আমাদের হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ব্যবস্থা, ডিপ্লোমা কলেজগুলো এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও শিক্ষা কাউন্সিল (সাবেক বোর্ড)। কারন এর পিছনে রয়েছে কোটি কোটি টাকার 💰 খেলা। বাংলাদেশের সবচেয়ে মেধাবী স্টুডেন্ট হোমিওপ্যাথিক কলেজের শিক্ষাব্যবস্থার কারনেই নকলবাজ হিসেবে পরিচিত হয়। হোমিওপ্যাথিক কলেজের অধিকাংশ শিক্ষকের মানসম্মত বেতন কাঠামো না হওয়ায় তাদের সবোর্চ্চটা দিতে পারেন না। অপরদিকে উপযুক্ত শিক্ষককে নিয়োগ না দেওয়ার কারণে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে। অপরদিকে হোমিওপ্যাথিক সংগঠনগুলো ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে দেখা এক অপরের মুখোমুখি হয়ে সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি করে এবং হোমিওপ্যাথিক সংগঠনগুলো তাদের দাবি দাওয়া সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয় না। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার অনেক চিকিৎসক অপচিকিৎসায় লিপ্ত হয়ে রোগীদের পকেট কাটা শুরু করে বোর্ড বা কাউন্সিলের ছত্রছায়ায়।

17/01/2026

আজ থেকে শুরু হচ্ছে DHMS পরীক্ষা ২০২৫ সকল পরীক্ষার্থীর জন্য দোয়া, ভালোবাসা এবং শুভকামনা রইল🤲

11/01/2026
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন.বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া'র ইন্তেকাল...
30/12/2025

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন.
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া'র ইন্তেকালের খবরে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। দেশের রাজনীতিতে তাঁর অবদান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আমরা তাঁর মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

30/11/2025

ডা. শ্যামল কিশোর বর্মন দাদার মা পরলোক গমন করেছেন। উনার মায়ের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং উনার সপরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি😭🙏

28/11/2025

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা একটা শুদ্ধ চিকিৎসা পদ্ধতি এটা নিয়ে যে বা যারা ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত করতে চেষ্টা করে তারা সালফারের রোগী এবং মনস্তরে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভন্ড, এমন ভন্ড প্রতারক থেকে সাবধান থাকুন।

06/11/2025

রক্ত সংবহন তন্ত্রের আবিষ্কারক কে : উইলিয়াম হার্ভে, নাকি ইবনুন নাফিস? একটি ঐতিহাসিক প্রমাণ - (পর্ব -২)

ডক্টর মুহিউদ্দিন যখন এই থিসিস তৈরি করে বোর্ডের কাছে পেশ করে তখন ইবনুন নাফিসের সাথে সম্পৃক্ত করে এই ধরনের অভিনব দাবি দেখে তারা হতবুদ্ধি হয়ে যায়। ব্যাপারটা ঠিক তারা পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারে না।

সে সময় বিখ্যাত জার্মান প্রাচ্যবিদ মাইরহোফ কায়রোতে থাকতেন৷ শিক্ষকবোর্ড এই থিসিস সম্পর্কে তাঁর মতামত জানতে চায়। তিনি বেশ দৃঢ়ভাবেই ডক্টর মুহিউদ্দিনকে সমর্থন করেন। জার্মান প্রাচ্যবিদ ব্যাপারটা বিখ্যাত ইতিহাসবিদ জর্জ সার্টনকে জানিয়ে দেন। ফলে তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘তারিখুল ইলম’-এর শেষে এই বিষয়টাও যুক্ত করে দেন। ডক্টর মুহিউদ্দিন তার গুরুত্বপূর্ণ থিসিসের মাধ্যমে আধুনিক বিশ্বে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা এমন একজন আবিষ্কারককে স্বীকৃতি দেয়নি বলে তাদের বিরুদ্ধে নানা বিতর্ক তৈরি হতে থাকে। এই থিসিসের ফলে আধুনিক বিশ্ব নতুন ইবনুন নাফিসকে চিনতে পারে।

রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াটির প্রথম আবিষ্কারক ইবনুন নাফিস, এটি একটি চূড়ান্ত সত্য। পনেরো শতকের ইতালিয়ান চিকিৎসাবিজ্ঞানী ‘আলবাজু’ ল্যাটিন ভাষায় ইবনুন নাফিসের ‘তাশরিহু শরহি কানুন’ গ্রন্থটি অনুবাদ করেন। আলবাজু প্রায় ৩০ ছরের মতো রুহায় ছিলেন। এবং বেশ ভালো আরবি শিখে ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আলবাজুর কাছ থেকে এই গ্রন্থের ‘রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া’ নিয়ে আলোচনার অংশটুকু হারিয়ে যায়।

অন্যদিকে মাইকেল সারভেদো তখন ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতেন। আলবাজুর করা এই অনুবাদ একসময় তার হস্তগত হয়। এভাবে মাইকেল সারভেদো রক্ত সঞ্চালনের এই আবিষ্কার সম্পর্কে জানতে পারেন। ইতোমধ্যে সারভেদো বিশ্বাসগত কোনো এক কারণে ইউনিভার্সিটি থেকে বহিষ্কৃত হোন। পরবর্তীতে বিভিন্ন শহরে ঘুরে ঘুরেও স্থির হতে পারেননি; নানা জায়গা থেকে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। শেষপর্যন্ত তাকে আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়।

তার সমস্ত বই আগুনে পুড়িয়ে জ্বালিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ মানুষেরা। ঘটনাক্রমে আলবাজুর করা অনুবাদটুকু অক্ষত থাকে। গবেষকরা মনে করেন, মূলত এই অনুবাদের মাধ্যমেই মাইকেল সারভেদো নিজের মত বলে প্রচার করতে থাকেন। এরপরই উইলিয়াম হার্ভে জানতে পারেন। এবং তার পক্ষে পূর্ণাঙ্গভাবে আবিষ্কার সম্ভব হয়। ডক্টর মুহিউদ্দিনের থিসিস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে গবেষকদের কাছে৷ জার্মান প্রাচ্যবিদ মাইরহোফ ইবনুন নাফিসের বক্তব্য পড়ে বিস্মিত হয়ে বলেছিলেন—“আমি যখন ইবনুন নাফিসের বক্তব্য পড়লাম তখন একধরনের দ্বিধা-সন্দেহে পড়ে গেলাম। কারণ হুবহু একই রকম কথা মাইকেল সারভেদোও বলেছেন। অথচ মাইকেল সারভেদো আদতে চিকিৎসাবিজ্ঞানী ছিলেন না। আবার ইবনুন নাফিস তার থেকে বেশ আগের মানুষ।”

কাজেই প্রথম আবিষ্কার যে ইবনুন নাফিসের হবে এত কোনো সন্দেহ নেই। আলদু মিলী বলেন—“ইবনুন নাফিস আর মাইকেল সারভেদোর বক্তব্য হুবহু এক। কাজেই এখান থেকেই স্পষ্ট বুঝা যায়, প্রথম চিন্তা ও আবিষ্কার ইবনুন নাফিসের; মাইকেল সারভেদো বা উইলিমায় হার্ভে প্রথম আবিষ্কারক নয়।

১২১০ খ্রিস্টাব্দে, ৬০৭ হিজরিতে সিরিয়ার দামেশক শহরে ইবনুন নাফিস জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরোনাম, আবুল হাসান আলাউদ্দিন আলি ইবনে আবিল হাজাম। খুব অল্প বয়সেই কুরআন হিফজ করেন। বাইশ বছর বয়স পর্যন্ত ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় অধ্যয়ন করে চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে মগ্ন হয়ে পড়েন ইবনুন নাফিস। মুসলিম সভ্যতার অন্যতম ইউনানী চিকিৎসাবিজ্ঞানী চক্ষুবিশেষজ্ঞ মুহাযযাবুদ্দিনের কাছে প্রাথমিক তালিম নেন। নুরুদ্দিন যিনকির প্রতিষ্ঠিত আননুরি হসপিটালেও তিনি চিকিৎসাশাস্ত্র চর্চা করেন। ইবনুন নাফিস ৬৩৩ হিজরিতে মিশরের কায়রো চলে আসেন। আন নাসিরি হসপিটালে চিকিৎসক হিসেবে নিযুক্ত হন।

পরবর্তীতে সুলতান কালাউনের প্রতিষ্ঠিত আল মানসুরি হসপিটালেও নিযুক্ত হন। একসময় এই হসপিটালে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের প্রধান হয়ে উঠেন। তার মজলিসে প্রতিভাবান চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত থাকতেন। ইবনুন নাফিসের যোগ্যতা দেখে সুলতান বাইবার্স তাকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে নিযুক্ত করেন। খুব অল্প সময়েই ইবনুন নাফিস সমস্ত মিশরের প্রধান চিকিৎসাবিজ্ঞানী হয়ে উঠেন। ইবনুন নাফিস ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি একইসঙ্গে চিকিৎসক, সাহিত্যিক, হাদিস বিশারদ ও ফিকহবিদ ছিলেন। হাদিস বিষয়ে তার মৌলিক গ্রন্থ রয়েছে। তিনি কায়রোর আল মাসরুরি মাদরাসায় ফিকহে শাফেয়ির দরস দিতেন।

গত পর্বের লিংক
https://www.facebook.com/share/p/1HZJfJosCv/

প্রচারে
ডা. মোঃ আম্মার আব্দুল্লাহ
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক।

05/11/2025

রক্ত সংবহন তন্ত্রের আবিষ্কারক কে : উইলিয়াম হার্ভে, নাকি ইবনুন নাফিস? একটি ঐতিহাসিক প্রমাণ - (পর্ব -১)

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে রক্ত সংবহন তন্ত্র (Blood circulatory system) বা রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। আমাদের শরীরের রক্ত প্রথমত হৃৎপিণ্ড থেকে পালমোনারি ধমনীর মাধ্যমে ফুসফুসে যায়। এবং পালমোনারি শিরার মাধ্যমে আবার হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। পরবর্তীতে তা আবার ধমনী, উপধমনীর মাধ্যমে সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে৷ রক্ত সংবহন তন্ত্রের কাজের বিশদ বিবরণ আমাদের কাছে বিরক্তিকর মনে হলেও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াকে কেন্দ্রিয় সূত্র হিসেবে বিবেচনা করেন।

নানা ধরনের আধুনিক অস্ত্রোপচার এমনকি আমাদের শরীরের ঠিক কোন জায়গায় কোন রক্তপ্রবাহে ইঞ্জেকশন দিতে হবে সেটিও এই প্রক্রিয়া যথার্থভাবে জানার ওপর নির্ভর করে।

এই তত্ত্বের প্রধান আবিষ্কারক হিসেবে ধরা হয় বিখ্যাত চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্ভেকে। ইংল্যান্ডের ফোকস্টোন শহরে ১৫৭৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন উইলিয়াম হার্ভে। তিনি শরীর-বিদ্যা ও চিকিৎসাশাস্ত্রে নানা অবদান রেখেছেন, বলাই বাহুল্য। মানুষের দেহ আর রোগ নিয়ে যারা গবেষণা করে গেছেন তিনি তাদের মধ্যে উইলিয়াম হার্ভে অন্যতম। বলা হয়—এর আগে রক্ত চলাচল সম্পর্কে কারও সঠিক ধারণা ছিল না। শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তশিরা পথে হৃৎপিণ্ডে আসে এবং হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়, এটা সর্বপ্রথম হার্ভেই বলেছিলেন।

কিন্তু ঐতিহাসিক সত্যতা প্রমাণ করে, উইলিয়ার হার্ভের আগেও রক্ত সঞ্চালনের ব্যাপারে ভিন্ন ধারণা প্রচলিত ছিল চিকিৎসকদের কাছে। হার্ভের চৌদ্দশো বছর পূর্বে বিখ্যাত ইউনানী চিকিৎসাবিজ্ঞানী গ্যালেন রক্ত সঞ্চালনের ব্যাপারে বলেছিলেন—“খাদ্য যখন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তখন তা রক্ত উৎপাদন করে। এই রক্ত যকৃত বা লিভার থেকে হৃৎপিণ্ডে পৌঁছায়। হৃৎপিণ্ড রক্তকে গরম করে এবং অবশেষে কেবলমাত্র শিরার মাধ্যমে রক্ত সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে।”

যদিও গ্যালেনের এই ভুল মতবাদ অনুযায়ী দীর্ঘকাল ধরেই চিকিৎসা চলে আসছিল। গ্যালেনের এই মতটি চিকিৎসকদের কাছে মহাসত্যের মতো সুস্পষ্ট ছিল। উইলিয়াম হার্ভে এই মতবাদ খণ্ডন করে তার ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করলেও সেটি প্রতিষ্ঠিত হতে প্রায় দুইশো বছরের মত সময় লেগে যায়। গ্যালেনের সুপ্রতিষ্ঠিত তত্ত্বের বিরোধিতার জন্য উইলিয়াম হার্ভে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। হার্ভের আগে ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে ইতিহাসবিদ মাইকেল সারভেদো গ্যালেনের অকাট্য তত্ত্বের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। ১৬১৬ সালে সারভেদো প্রকাশ্যে গ্যালেনের মতবাদের বিরোধিতা করেন। সারভেদোর কাছে সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা ছিল না। ফলে এর ফলাফল হলো ভয়াবহ। গ্যালেনের মতবাদের অনুসারীরা নিষ্ঠুরভাবে সারভেদোকে পুড়িয়ে মেরে ফেলে।

ইতিহাসে দেখা যাচ্ছে, রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ১৫০ খ্রিস্টাব্দের সময়কার চিকিৎসাবিজ্ঞানী গ্যালেনের মতামতের বিরোধী তত্ত্ব দাঁড় করান পনেরো শতকের উইলিয়াম হার্ভে। ফলে উইলিয়াম হার্ভেই আজকের আধুনিক রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির প্রথম আবিষ্কারক। এর আগে মাইকেল সারভেদোকে কোনো যুক্তিব্যাখ্যা ছাড়া গ্যালেনের বিরোধিতা করতে দেখা যায়। কিন্তু সর্বপ্রথম যুক্তিযুক্তভাবে গ্যালেনের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন হার্ভে।

পাঠকদের জানা দরকার, এই ইতিহাসে খানিকটা ফাঁক রয়ে গেছে। উইলিয়াম হার্ভের ৩০০ বছর আগে ১৩ শতাব্দিতে ইবনুন নাফিস নামের একজন প্রতিভাবান মুসলিম ইউনানী চিকিৎসাবিজ্ঞানী প্রচণ্ড দৃঢ়তার সাথে গ্যালেনের একচ্ছত্র তত্ত্বের বিরোধিতা করেন।

বলাবাহুল্য, ইবনুন নাফিসের আগে সমস্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানীই খুব দৃঢ়ভাবে গ্যালেনের বক্তব্য সমর্থন করেন। এমনকি বিখ্যাত ইউনানী চিকিৎসক ইবনে সিনা এই মতবাদকে সমর্থন করে তার ‘আল কানুন’ গ্রন্থে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাখ্যাও দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ইবনুন নাফিস আল কানুন গ্রন্থের ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখতে গিয়ে গ্যালেনের মতবাদের ক্ষেত্রে ইবনে সিনার সঙ্গে একমত হননি; বরং নানাভাবে সাহসের সঙ্গে এই মতবাদের ভ্রান্তি প্রমাণ করেছেন।

দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ইবনুন নাফিসের এই অভিনব ও একক আবিষ্কারের ব্যাপারে বিস্মৃত ছিল। হঠাৎ করেই ১৯২৪ সালে বার্লিনের একটি লাইব্রেরিতে ‘শরহু তাশরিহিল কানুন’ (আল কানুন ফিত তিব্ব এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ) এর একটা পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়। এই ব্যাখ্যা গ্রন্থে ইবনুন নাফিস রক্ত সঞ্চালনের ব্যাপারে বিস্তারিত লিখেছিলেন। তিনি কয়েক জায়গায় বেশ শক্তভাবে ইবনে সিনা ও গ্যালেনের বিরোধিতা করেছেন। মিশরের চিকিৎসাবিজ্ঞানী মুহিউদ্দিন এই পাণ্ডুলিপির ওপর থিসিস করে বেশ বড়সড় একটা ধাক্কা দিয়েছেন আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানী সমাজকে।

প্রচারে
ডা. মোঃ আম্মার আব্দুল্লাহ
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক

04/11/2025

সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে আপনারা আপনাদের অবস্থানে শক্তিশালী হোন। খুব শীঘ্রই সংগঠনের রেজিষ্ট্রেশন করা হবে।

লসিকাতন্ত্র (লসিকা, লসিকানালী এবং লসিকা গ্রন্থি এনাটমি এবং ফিজিওলজির এই অঙ্গতন্ত্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকলে হোমিওপ্...
03/11/2025

লসিকাতন্ত্র

(লসিকা, লসিকানালী এবং লসিকা গ্রন্থি এনাটমি এবং ফিজিওলজির এই অঙ্গতন্ত্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়া অসম্ভব)

মানব দেহে রক্ত একটি অন্যতম পরিবহন মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন কোষ কলায় (Tissue)
পৌঁছে এবং বিভিন্ন বিপাকীয় পদার্থ রেচনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গে বাহিত হয়। অন্যদিকে দেহের সমস্ত কলা (Tissue) রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালির প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে । এ উপাদানগুলোকে লসিকা (Lymph) বলে।

কৈশিক জালিকা ছাড়াও কিছু পরিমাণ কলারস এক ধরনের বদ্ধ নালি দিয়ে গৃহীত ও পরিবাহিত হয়ে পুনরায় রক্তে ফিরে আসে। এ সব নালিকে “লসিকা নালি” (Lymph vessels) বলে। অতএব লসিকা, লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি সমন্বয়ে গঠিত অন্ত্রকে “লসিকাতন্ত্র” বলে।

লসিকা: এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল
কোষকে সিক্ত করে। এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার ।

লসিকা নালি (Lymph vessels): লসিকা জালিকা থেকে কতকগুলো নালি একত্রে মিলিত হয়ে লসিকা নালি গঠিত।

লসিকা নালি দু'ধরনের।
যথা- (১) অন্তর্মুখী লসিকা নালি ও
(২) বহির্মুখী লসিকা নালি ।

অন্তর্মুখী লসিকা নালিঃ যে নালি লসিকাকে লসিকা গ্রন্থির দিকে বহন করে তাকে অন্তর্মুখী লসিকা নালি বলে ।

বহির্মুখী লসিকা নালি: যে নালি লসিকা গ্রন্থি হতে লসিকা বহন করে, তাকে বহির্মুখী লসিকানালি বলে ।
সাধারনত পেশি সঞ্চালন, শ্বাস কাজ ও ধমনির কাঁপনে দেহে লসিকা প্রবাহিত হয়। অন্ত্রের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লসিকাকে ল্যাকটিয়াল বলে।

লসিকা গ্রন্থি (Lymph Gland) : লসিকা নালিতে বেশ কাছাকাছি অবস্থিত গোলাকার বা ডিম্বাকার ফোলা অংশগুলোকে “লসিকা গ্রন্থি” বলে। যান্ত্রিক ছাঁকুনি হিসেবে কাজ করে বিভিন্ন জীবাণু ও ক্ষতিকর কোষের হাত থেকে এগুলো দেহকে রক্ষা করে। ঘাড়ে, বগলে ও কুঁচকিতে লসিকা গ্রন্থি থাকে।

মানুষের শরীরে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০টি লসিকা গ্রন্থি থাকে, যা ঘাড়, বগল, বুক, কুঁচকি এবং পেটের মতো অংশে গুচ্ছাকারে অবস্থান করে। এই গ্রন্থিগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লসিকা থেকে ক্ষতিকর জীবাণু ছেঁকে আলাদা করে।

সংখ্যা: প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০টি লসিকা গ্রন্থি থাকে।
অবস্থান: এই গ্রন্থিগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে থাকে, যেমন ঘাড়, বগল, বুক, কুঁচকি এবং পেট।
কাজ: লসিকা গ্রন্থি অনেকটা ছাঁকনির মতো কাজ করে, যা লসিকা থেকে জীবাণু ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লসিকার কাজ

প্রোটিন পরিবহন: কলার ফাঁকা স্থান থেকে প্রোটিন লসিকার মাধ্যমে রক্তে ফিরে আসে।

স্নেহ পরিবহনঃ যে সব স্নেহ কলা কৈশিক নালির বাধা অতিক্রমে অক্ষম সেগুলো লসিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।

পুষ্টি সরবরাহ: দেহের যে সব কলা কোষে রক্ত পৌঁছাতে পারে না সেখানে লসিকা অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে ।

শোষণ: স্নেহ পদার্থ অন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে লসিকার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়।

প্রতিরক্ষাঃ লসিকায় অবস্থিত প্রচুর শ্বেত কণিকা দেহের প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে ।

প্রতিরোধ: B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

দেহ রসের সংবহন: রক্ত সংবহনের এক অংশ থেকে অন্য অংশে তরল পদার্থের পরিবহনে অংশ নেয়।

লসিকা গ্রন্থিগুলো আলোচনা করা হলো।

১। প্লীহা বা ব্লাড ব্যাংক (Spleen) ঃ প্লীহা হলো মানবদেহের সবচেয়ে বড় লসিকা গ্রন্থি। ইহা পাঁজরের নিচে এবং পাকস্থলীর উপরে অবস্থান করে। ইহা নরম এবং কালচে বর্ণের। একে রক্তে রিজার্ভার বা ব্লাড ব্যাংক বলা হয়। ইহা দুই ধরনের প্লীহা মজ্জা নিয়ে গঠিত। লাল মজ্জা ও সাদা মজ্জা। ইহা ৩০০ মিলি রক্ত জমা রাখতে পারে। প্লীহার আয়তন ১৩×৭×৩ ঘন সেমি এবং ওজন ১৫০ গ্রাম। প্লীহা রক্তের প্রধান ছাঁকুনী হিসেবে কাজ করে। অধিকাংশ লোহিত রক্তকণিকা প্লীহায় ধ্বংস প্রাপ্ত হয় বলে একে লোহিত রক্তকণিকার কবরস্থান বলা হয়। ইহা জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ করে।

২। টনসিল (Tonsil)ঃ মুখ গলবিলের ভিতরে ডান ও বাম দিকে ছোট বলের মতো যে গঠন দেখা যায় তাকে টনসিল বলে। মানবদেহে তিন ধরনের টনসিল থাকে। প্যালেটাইন, অ্যাডেনয়েড (ফ্যারিঞ্জিয়াল) ও লিঙ্গুয়াল। ইহা অ্যান্টিবডি ও লিম্ফোসাইট উৎপন্ন করে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। অনেক সময় টনসিল ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। একে টনসিলাইটিস (tonsillitis) বা টনসিলের প্রদাহ বলে। অপারেশন করে টনসিল অপসারণকে টনসিলেকটমি (tonsillectomy) বলে।

৩। লিম্ফনোড (Lymph node)ঃ লিম্ফনোড হলো লসিকা বাহিকায় অবস্থিত ক্যাপসুলোর মতো একটি অংশ। মানবদেহে লিম্ফনোডের সংখ্যা ৪০০–৭০০। ইহা ম্যাক্রোফেজ ও লিম্ফোসাইট দ্বারা পূর্ণ থাকে। ইহা অণুজীব ও বহিরাগত পদার্থকে অপসারণ করে। নোডগুলো লসিকা পরিষ্কার করে।

৪। থাইমাস (Thymus)ঃ শ্বাসনালি ও স্টার্ণামের মাঝে হৃৎপিন্ডের উপরে অবস্থিত পিরামিড আকৃতির অঙ্গকে থাইমাস বলে। ইহা নরম ও দ্বিখন্ডিত। শিশুদের থাইমাস বড় ও সক্রিয় থাকে। থাইমাস থেকে থাইমোসিন ও থাইমোপোয়েটিন হরমোন নিঃসৃত হয়। হরমোনগুলো লিম্ফোসাইটের পরিপক্কতা নিয়ন্ত্রণ করে। থাইমাস বয়ঃসন্ধিকালে ক্রমশ ফ্যাট টিস্যুতে পরিনত হয়। তবে প্রাপ্ত বয়সে অদৃশ্য হয়ে যায়। লাল অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন শে^ত রক্তকণিকা থাইমাসে পৌছে T–লিম্ফোসাইটে পরিনত হয়। এরা যে কোন প্রতিরোধী কোষ T–ইফেক্টার, T–কিলার ও T–হেলপার–এ পরিনত হয় এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াকে শনাক্ত করে।

৫। লাল অস্থিমজ্জা (Reb Bone marrow)ঃ লাল অস্থি মজ্জা হলো স্পঞ্জের মতো, অর্ধকঠিন ও লাল বর্ণের টিস্যু। লাল অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও প্লেটলেট উৎপন্ন হয়। শিশুদের অধিকাংশ হাড়ে লাল অস্থিমজ্জা থাকে। বয়স্কদের পেলভিস, কশেরুকা, স্টার্ণাম, করোটি, ক্ল্যাভিকল, কন্ঠাস্থি, পর্শুকা, হিউমেরাস, ফিমার প্রভৃতিতে লাল অস্থিমজ্জা থাকে।

প্রচারে

ডা. মোঃ আম্মার আব্দুল্লাহ
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram