Dr.Abdullah Nayon

Dr.Abdullah Nayon ডা.আবদুল্লাহ নয়ন
MBBS(DU)
Mymensingh medical College
M-55
Visit my Blog:
https://abdullahnayon.blogspot.com/

30/03/2026

হাম প্রাদুর্ভাব বা Measles outbreak সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য:

কিভাবে হয় (causative agent)?

-হাম Measles virus দিয়ে সংঘটিত এবং অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ।

কিভাবে ছড়ায়?

-আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। এই রোগটি খুবই সংক্রামক (Highly contagious)।

*এ রোগ যা অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, তাই আক্রান্ত অবস্থায় শিশুকে স্কুলে বা জনসমাগমে পাঠানো যাবে না।

বর্তমান বাংলাদেশে হামের পরিস্থিতি কি?

-বাংলাদেশে ২০২৩ সালে প্রাদুর্ভাব এর পর ২০২৬ সালে আবার ব্যাপকভাবে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এ লেখাটি পর্যন্ত ২১ হতে ৪৬ এর মধ্যে বলা হচ্ছে।
হামের (Measles outbreak) প্রাদুর্ভাব বিশেষ করে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হামের লক্ষণসমূহ কি কি ?

শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো খেয়াল করুন:

১. প্রাথমিক লক্ষণ: প্রচণ্ড জ্বর (High fever), অনবরত কাশি (Persistent cough) এবং নাক দিয়ে পানি পড়া (Runny nose)।

২. চোখের সমস্যা: চোখ লাল হয়ে যাওয়া (Red eyes) এবং আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি বোধ করা।

৩. র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি: কয়েক দিন পর মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি (Reddish skin rash) ছড়িয়ে পড়া।

হাম প্রাদুর্ভাব কালীন কি কি করণীয়?

১) টিকা নিশ্চিতকরণ (Vaccination):

-শিশুকে এমআর (MR) বা এমএমআর (MMR - Measles, Mumps, Rubella) টিকা দেওয়া নিশ্চিত করুন। এটিই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। হাম প্রতিরোধে ২ ডোজ টিকা (৯ মাস এবং ১৫ মাসে) সবচেয়ে কার্যকর।

*যদি কোনো শিশু ইপিআই এ টিকা দেওয়া থেকে বাদ পড়ে থাকে, তবে দ্রুত নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে বা বেসরকারি সংস্থা যেখানে এমএমআর টিকা পাওয়া যায় সেখানে নিয়ে টিকা দেওয়া।‌

২) রোগী আইসোলেশন (isolation):
হামে আক্রান্ত শিশুকে অন্যান্য শিশু ও পরিবারের সদস্যদের থেকে অন্তত ৪-৫ দিন আলাদা রাখতে হবে ।

৩) ভিটামিন 'এ' সেবন:
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে, যা জটিলতা কমায়।

৪) পুষ্টি ও তরল খাবার:
হামে আক্রান্ত শিশুকে পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি, এবং পুষ্টিকর তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

৫) পরিচ্ছন্নতা:
আক্রান্ত রোগীর ব্যবহৃত কাপড়, বিছানা নিয়মিত গরম পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

** ৬) দ্রুত চিকিৎসা (Early Treatment):
জ্বরের সঙ্গে শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Pediatrician) পরামর্শ নিন।

হাম কেন বিপজ্জনক?

- হামকে কেবল সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে ভুল করা জীবনঘাতী হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হামের ফলে শিশুদের শরীরে নিম্নলিখিত জটিলতা দেখা দিতে পারে:

-তীব্র নিউমোনিয়া (Severe Pneumonia): ফুসফুসের সংক্রমণ যা শ্বাসকষ্ট তৈরি করে।

-মস্তিষ্কের প্রদাহ (Encephalitis): যা শিশুর স্নায়বিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

-ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতা (Diarrhea and Malnutrition): শরীর দ্রুত পানিশূন্য ও দুর্বল হয়ে পড়ে।

কেন এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যাচ্ছে?

- ইপিআই টিকা দান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এম আর ভ্যাকসিন বাদ পরে যাওয়া।

ইপিআই ছাড়া টিকা দেওয়া যায় কি?

-বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে হামের টিকা পাওয়া যায়। সাধারণত এমএমআর (মিজেলস, মাম্পস, রুবেলা) টিকা দেওয়া হয়, যা হামের পাশাপাশি মাম্পস ও রুবেলা থেকেও সুরক্ষা দেয়।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ:

-সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৬০০ কোটি টাকার টিকা ও এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যকলাপের উদ্যোগ নিয়েছে।অতি সংক্রমণ ব্যাধি হিসাবে আলাদা আইসিইউ এর ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে।

(লেখাটি জনস্বার্থে কার্টেসিসহ কপি পেস্ট করে নিজ ওয়ালে শেয়ার করতে পারেন)

লেখক: ডা. Afroza Akbar
(ডা. আফরোজা আকবর সুইটি)
সহযোগী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।
৩০/০৩/২০২৬ইং

22/02/2026

#রোজায় যেসব #চিকিৎসা #নেয়া যায়:
১.চোখের #ড্রপ, কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে।
কানের ওয়াশ(wash) ব্যবহার করা যাবেl
তবে কোনো অংশ গিলে ফেলা যাবে না।
২.
#হার্টের ব্যাথার জন্য নাইট্রোগ্লিসারিন Tab./ Spray জিহ্বার নিচে ব্যবহার করা যাবে।
৩.
দাঁত পরিষ্কার করা, দাঁত তোলা, drilling করা এবং মিসওয়াক ও #টুথব্রাশ ব্যবহার করা যাবে কিন্তু কোন কিছু গিলে ফেলা যাবে না, অর্থাৎ পাকস্থলীতে যেন না যায়।
৪.
শিরায়, মাংসে, জয়েন্টে/ ত্বকে #ইনজেকশন দেয়া যাবে,যার কোন খাদ্য গুন নেই।
#ইনসুলিন ও দেয়া যাবে।

তবে পুষ্টিকর তরল (সিরাম) বা ইনফিউশন ব্যবহার করা যাবে না।
৫.
#রক্তদান করা যাবে।
তবে
রক্ত সঞ্চালন( রক্ত গ্রহন) করা যাবে না, কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে ।
মতভেদ আছে।
৬.
পরীক্ষা করার জন্য #রক্তের স্যাম্পল/নমুনা দেয়া যাবে।
৭.
ত্বকের মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেও যেকোন
#মলম Cream, Ointment, Medicated plaster, ওষুধযুক্ত রাসায়নিক প্যাচ ব্যবহার করা যাবে।
৮.
#অক্সিজেন
এবং চেতনানাশক গ্যাস(Anesthetic gas) ব্যবহার
করা যাবে।
তবে এতে যেন কোনো পুষ্টিকর তরল ইনজেকশন না দেওয়া হয়।
৯.
হার্টের বা অন্য কোন অঙ্গের Arteriogram( #এনজিওগ্রাম) dye( media) সহ করা যাবে।
১০.
রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার প্রয়োজনে Endoscopy( #এন্ডোস্কপি) করা যাবে।
১১.
#মাউথওয়াশ, গার্গল (গড়গড়া), মুখে spray ব্যবহার করা যাবে কিন্তু কোন কিছু গিলে ফেলা যাবে না, অর্থাৎ পাকস্থলীতে যেন না যায়।।
১২.
লিভার বা অন্য কোন অঙ্গ থেকে Biopsy( বায়োপসি) নেয়া যাবে।
১৩.
যৌনিপথে কোন pessary, medical ovules ব্যবহার,vaginal wash দেয়া এবং Pelvic examination এর জন্য speculum
অথবা ডাঃ বা #ধাত্রী Finger test করতে পারবেন।
১৪.
#মূথ্রনালী দিয়ে Urethroscope/ এক্সরে করার জন্য radio opaque media(contrast) ব্যবহার এবং Bladder irrigation ( ওয়াশ) দেয়া যাবে।
১৫.
হিস্টেরোস্কপি ( Hysteroscopy) এবং #জরায়ুতে কোন ডিভাইস (Device) ব্যবহার করা যাবে।
১৬.অ্যাজমার/ #হাঁপানির ইনহেলার রোজার বৈধতায় কোনো প্রভাব ফেলে না, কারণ এটি শ্বাসযন্ত্রে কাজ করে এবং এর ওষুধ সামান্য পরিমাণে, অনিচ্ছাকৃতভাবে এবং খুবই অল্প পরিমাণে পেটে পৌঁছায়, যা ওযুর সময় মুখ ধোয়ার পর অবশিষ্ট পানি বা মিসওয়াক ব্যবহারের ফলে পেটে যাওয়ার তুলনায় কম তাই এতে রোজা ভাঙ্গে না।
তবে
শুকনো গুঁড়াযুক্ত অ্যাজমা ইনহেলার #ক্যাপসুল, যার একটি অংশ পেটে পৌঁছে যায় ফলে রোজা ভেঙে যাবে।

শ্বাসযন্ত্রের গ্যাস ( #নেবুলাইজার)আর্দ্রীকরণ রোজা ভঙ্গ করে, কারণ এটি যে পরিমাণ পেটে প্রবেশ করে, তা অনুমোদিত সীমার চেয়ে অনেক বেশি।
১৭.
মলদ্বারের মাধ্যমে প্রবেশ করা যে কোনো কিছু, যেমন ইনজেকশন, #সাপোজিটরি, এন্ডোস্কোপ বা মলম, তবে পুষ্টি সরবরাহকারী ইনজেকশন ছাড়া ব্যবহার করা যাবে।
১৮.
লিপোসাকশন (চর্বি অপসারণ প্রক্রিয়া) করা যাবে, যদি তা পুষ্টিকর তরলের সঙ্গে না হয়।
১৯.
এন্ডোস্কোপ বা আঙুল দ্বারা চিকিৎসাগত পরীক্ষা করা যাবে।
২১.
রক্ত বের করা এবং #হিজামা (কাপিং থেরাপি) করা যাবে।
২২.
সাধারণ #অ্যানেস্থেশিয়ার কারণে দিনের কিছু অংশে সংজ্ঞাহীন থাকা, এমনকি যদি তা দিনের বাকি সময়েও স্থায়ী থাকে, এবং যদি অ্যানেস্থেশিয়া রোজা অবস্থায় দেওয়া হয় তাতে রোজা ভাঙ্গবে না ,
তবে তা যেন পুষ্টিকর তরলের সঙ্গে না হয়।
২১.
কিডনি #ডায়ালাইসিস(Machine/ Intraperitoneal) করা যাবে।
আরেকটি মত হল
হেমোডায়ালাইসিস এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস- যার মাধ্যমে শরীরে প্রচুর পরিমাণে পানি, লবণ এবং সুক্রোজ প্রবেশ করে, তাই এতে রোজা ভঙ্গ হয়।
মতভেদ আছে।
২২.
#মস্তিষ্কে কোনো যন্ত্র বা পদার্থ প্রবেশ করালে রোজা ভাঙ্গে না।
CSF ( মেরুদন্ডের রস) পরীক্ষা করা যায়।
২৩.
যে কোনো কিছু যা #হজমতন্ত্রে প্রবেশ করে, মুখ ও গলনালি অতিক্রম করে এবং হজম প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেমন খাদ্যনালী ও অন্ত্র। এতে রোজা ভেঙে যাবে।
২৪.
যে কোনো কিছু যা স্বাভাবিক পথে শরীরকে #পুষ্টি জোগায়, যেমন পুষ্টিকর ইনজেকশন, কারণ এটি পুষ্টি গ্রহণের পর্যায়ে পড়ে এবং রোজার প্রধান উদ্দেশ্যের বিপরীত এবং এতে রোজা ভেঙে যাবে।
*
উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে আন্তর্জাতিক ফিকহবিদগন সম্মত হয়েছেন।
*
অনেকেই ডাক্তারদের কাছে বিষয়গুলো জানতে চান।
আমি বাংলায় সহজভাবে লিখার চেষ্টা করেছি।
আপনাদের ও পরিচিত জনদের জানানোর ব্যবস্থা করলে নিশ্চয়ই সবাই উপকৃত হবেন।
*
মুসলিম চিকিৎসক তার রোগীকে উপরে উল্লেখিত যে কোনো চিকিৎসা ইফতার পর্যন্ত বিলম্বিত করার পরামর্শ দেওয়া উচিত, যদি এ ধরনের বিলম্ব তার স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি না করে।
*
উল্লেখ্য যে, ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করলে এবং মাসিকের কারনে রোজা ভঙ্গ হয়
*
সাধারণের বুঝার সুবিধার্থে উপরোক্ত তথ্য গুলো বাংলায় লিখেছি মাত্র, এখানে ব্যক্তিগত কোন মতামত দেয়ার সুযোগ নেই।

*
মাহে রমজানে সবাই আধ্যাত্মিক এবং শারীরিক ভাবে উপকৃত হোন, এই কামনায়-

#তথ্য সূত্র:

১৯৯৭ সালের ১৪-১৭ জুন মরোক্কোয় অনুষ্ঠিত ৯ম ফিকহ-মেডিকেল সেমিনার ও
পরবর্তীতে ১০ম সেমিনারের সিদ্ধান্ত
এবং
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (OIC) অন্তর্ভুক্ত আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমির পরিষদ এর ২৩তম অধিবেশন ,আল-মদিনা আল-মুনাওয়ারা,
২৮ অক্টোবর - ১ নভেম্বর ২০১৮
এর সিদ্ধান্ত সমূহ।
Majmoo’ al‑Fatawa এবং সৌদি আরবের Permanent Committee for Scholarly Research and Ifta (Saudi Arabia) — যাদের সাথে প্রখ্যাত আলেম Ibn Baz যুক্ত ছিলেন — এসব উৎসের আলোচনায় ও প্রায় একই রকম মতামত আছে।
কারো কাছে আরো আপডেট তথ্য থাকলে আমাকে জানাবেন দয়া করে।
Collected

আল্লাহ সহায় হোক,এর আগে এমন প্রচন্ড ভূমিকম্প পাইছি বলে মনে পড়ছে না।
21/11/2025

আল্লাহ সহায় হোক,এর আগে এমন প্রচন্ড ভূমিকম্প পাইছি বলে মনে পড়ছে না।

সহ্য করার মতো না😢😢
21/07/2025

সহ্য করার মতো না😢😢

শিক্ষানগরী ময়মনসিংহে পাশের হার ৫৮.২২%!!!
10/07/2025

শিক্ষানগরী ময়মনসিংহে পাশের হার ৫৮.২২%!!!

সবার ধারণা আমি নাকি শুধু মেয়ে স্টুডেন্ট পড়াই।ছেলেদেরও যে আমি পড়াই, আপনারা নিজ চোখে দেখে নিন।😀 সেই শুরু থেকে তোমাদের পড়াচ...
22/06/2025

সবার ধারণা আমি নাকি শুধু মেয়ে স্টুডেন্ট পড়াই।ছেলেদেরও যে আমি পড়াই, আপনারা নিজ চোখে দেখে নিন।😀
সেই শুরু থেকে তোমাদের পড়াচ্ছি,আজকে বিদায় দিতে হচ্ছে,তোমাদের প্রতি অন্যরকম এক মায়া জন্মে গেছে,দোয়া করি সবার এক্সাম ভাল হোক।
এতোদিন মেয়েদের সফলতা নিয়ে পোস্ট দিয়ে আসছি,তোমাদের সফলতা নিয়ে পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছাটা রয়ে গেল।❤️❤️

কর্মব্যস্ততায় ভুলেই গেছিলাম আজকে বিবাহের চার মাস চলে কিন্তু উনি ঠিকই মনে রেখে সারপ্রাইজ রেডি করে বসে ছিল।বাসায় এসে দিল খ...
21/06/2025

কর্মব্যস্ততায় ভুলেই গেছিলাম আজকে বিবাহের চার মাস চলে কিন্তু উনি ঠিকই মনে রেখে সারপ্রাইজ রেডি করে বসে ছিল।বাসায় এসে দিল খুশ্‌ হু গিয়া🤗

Proud MMCian🥰
12/06/2025

Proud MMCian🥰

07/06/2025

No Need background music.
Best Music ever.☺️

🥩 কুরবানির ঈদে গরুর মাংস: খাওয়ার আনন্দে যেন না হয় স্বাস্থ্যহানি!কুরবানির ঈদে গরুর মাংস আমাদের খাবারের টেবিলে গুরুত্বপূর্...
07/06/2025

🥩 কুরবানির ঈদে গরুর মাংস: খাওয়ার আনন্দে যেন না হয় স্বাস্থ্যহানি!

কুরবানির ঈদে গরুর মাংস আমাদের খাবারের টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নেয়। প্রোটিনসমৃদ্ধ এই খাবারটি পুষ্টিকর হলেও অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নিই কিছু জরুরি স্বাস্থ্য টিপস:

🛑 অতিরিক্ত গরুর মাংস খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি:
১.হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে
– গরুর মাংসে উচ্চমাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়িয়ে দিয়ে হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়।
✅ দিনে সর্বোচ্চ ২–৩ পিস (প্রায় ১০০–১৫০ গ্রাম) গরুর মাংস খাওয়া নিরাপদ।
👉 যদি একেক পিস গড়পড়তা ৫০ গ্রাম ধরা হয়, তাহলে ২–৩ পিসই যথেষ্ট।

২.উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension)
– অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত, লবণ ও মসলা দেওয়া মাংস রক্তচাপ বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যাদের হাইপ্রেশারের প্রবণতা আছে।
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের দিনে ১–২ পিস খেতে পারেন, তাও কম তেলে ও চর্বিমুক্ত অংশ বেছে নিয়ে।

৩.হজমের সমস্যা ও অ্যাসিডিটি
– অতিরিক্ত মাংস খেলে গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালা, পেটে গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হতে পারে।

৪.কিডনির উপর চাপ
– অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ কিডনির কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে যাদের কিডনি দুর্বল বা সমস্যা আছে।

৫.গাউট বা ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া
– লাল মাংসে থাকা পিউরিন উপাদান থেকে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। যাদের গাউট বা জয়েন্টে ব্যথা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেড়ে গিয়ে ব্যথা বাড়াতে পারে।

৬.ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিক সিনড্রোম
– চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে ফ্যাট জমে ওজন বাড়ে, যা থেকে ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হতে পারে।

৭.কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি
– কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, লাল মাংস নিয়মিত ও অতিরিক্ত খাওয়া কোলন বা রেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🍽️ আরও কিছু পরামর্শ:
✅ সঠিকভাবে রান্না করুন:
খুব বেশি তেলে ভাজা বা মসলাযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা করতে পারে। ঝাল-চর্বিযুক্ত রান্না এড়িয়ে চলুন। গ্রিল/সেদ্ধ/কম তেলে রান্না করা মাংস তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর।

✅ সবজির সঙ্গ দিন:
শুধু মাংস নয়, প্রতিদিনের খাবারে প্রচুর সবজি, সালাদ ও আঁশযুক্ত খাবার রাখুন। এতে হজমের গতি বাড়বে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না।

✅ পানি পান করুন পর্যাপ্ত:
মাংস খাওয়ার পর দেহে অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে পারে, তাই দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান করুন।

✅ যাদের রোগ আছে, সাবধান:
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা কিংবা হৃৎপিণ্ডের রোগে ভোগা ব্যক্তিদের জন্য চর্বিযুক্ত মাংস বিপজ্জনক হতে পারে। তাঁদের কম পরিমাণে ও বিশেষভাবে রান্না করা মাংস খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

✅ শরীরচর্চা করুন:
ঈদের ছুটিতে অলস না থেকে হালকা হাঁটা বা কিছু ব্যায়াম চালিয়ে যান, যাতে অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন হয়।
শেষ কথা:
ঈদে আনন্দে গরুর মাংস খাবেন, কিন্তু যেন খাওয়ার আনন্দ অসুস্থতার কারণ না হয় — সেদিকে খেয়াল রাখুন।

সবাই বলে ডাক্তার হয়েই নাকি আমি উচ্চবিত্ত হয়ে গেছি কিন্তু বাস্তবে আমার আসল পরিচয় হতদরিদ্র ☺️
02/06/2025

সবাই বলে ডাক্তার হয়েই নাকি আমি উচ্চবিত্ত হয়ে গেছি কিন্তু বাস্তবে আমার আসল পরিচয় হতদরিদ্র ☺️

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Abdullah Nayon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category