Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان

  • Home
  • Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان

Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان, Medical and health, .
(4)

কারণ ছাড়াই কি আপনার দাম্পত্য জীবনে হঠাৎ ঝগড়া, অশান্তি ও দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে?ছোট বিষয়েই বিরক্তি, ভালোবাসা কমে যাওয়া, কথা ব...
03/02/2026

কারণ ছাড়াই কি আপনার দাম্পত্য জীবনে হঠাৎ ঝগড়া, অশান্তি ও দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে?
ছোট বিষয়েই বিরক্তি, ভালোবাসা কমে যাওয়া, কথা বললেই মনোমালিন্য—শুরু হয়ে যায়।

⚠️ এটা কি শুধুই পারিবারিক সমস্যা, নাকি বিচ্ছেদের যাদুর প্রভাব?

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, দাম্পত্য জীবনে এমন অস্বাভাবিক ও হঠাৎ পরিবর্তনের পেছনে জীন যাদু ও বদনজরের কারণ সক্রিয় থাকে। বিশেষ করে যখন কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সম্পর্ক দ্রুত খারাপের দিকে যেতে থাকে।

👉 যদি আপনার সংসারে এমন পরিবর্তন দেখা দিয়ে থাকে,
⏳ দেরি না করে একবার রুকইয়াহ্ ডায়াগনোসিস সেশন করে নিশ্চিত হোন।
সঠিকভাবে যাচাই করে, অভিজ্ঞ রাকির পরামর্শ অনুযায়ী শরীয়াহসম্মত চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

💔স্বামী–স্ত্রীর বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণ ৩টি লক্ষণ।

১️⃣ হঠাৎ অস্বাভাবিক রাগ ও ঘৃণা,আগে সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকা স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে হঠাৎ তীব্র রাগ, বিরক্তি ও ঘৃণার সৃষ্টি হয়। একে অপরকে দেখতে না পারা, কথায় কথায় ঝগড়া, সামান্য বিষয়েই ডিভোর্সের কথা বলা—এগুলো স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়।

২️⃣ সহবাসে অনীহা ও অনুভূতি নষ্ট হয়ে যাওয়া,পূর্বে যেখানে স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক সুন্দর ছিল এবং সহবাসে স্বাভাবিক আকর্ষণ ও অনুভূতি কাজ করত, সেখানে আক্রান্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সেই ফিলিংস নষ্ট হয়ে যায়।
স্পর্শে বিরক্তি, সহবাসকে বোঝা বা ভয়ংকর মনে হওয়া, অহেতুক ঘৃণা অনুভব করা—এমনকি মারামারি পর্যন্ত হতে পারে।
বিশেষভাবে লক্ষণীয় বিষয় হলো—ঘরের বাইরে আকর্ষণ অনুভব হলেও, স্ত্রীর কাছে গেলেই সব অনুভূতি নষ্ট হয়ে যাওয়া। একই অবস্থা অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর দিক থেকেও দেখা যায়।

৩️⃣ ডিভোর্সের চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাওয়া,সমস্যা বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে সারাক্ষণ ডিভোর্সের চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে। ঘর বের হয়ে দূরে কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে, আবার অনেজ সময় আত্মহত্যার প্রবণতা সৃষ্টি হয়, এই লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে চূড়ান্ত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।

যে ক্ষেত্রে জ্বীন বা যাদুর প্রভাব থাকে, সময়ের সাথে সাথে সমস্যা আরও শক্ত অবস্থানে চলে যায়।
এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে রুকইয়াহ ছাড়া স্থায়ী সমাধানের কার্যকর কোনো বিকল্প নেই।

📖 কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক বিশ্বস্ত রুকইয়াহ সেবার জন্য
Quranic Cure Ruqyah Center আপনার পাশে আছে, ইনশাআল্লাহ।
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল পরিবারকে হেফাজত করুন, দাম্পত্য জীবনকে শান্তি ও ভালোবাসায় ভরে দিন। আমিন।

📍চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে সরাসরি কল করুন এই নাম্বারে ✆ 01991-663988 Call imo WhatsApp

✍ওস্তাদ : Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
সিনিয়র রাকি : Quranic Cure Ruqyah center (M.1)

বাচ্চা কন্সিভ হচ্ছে না বা বারবার মিসক্যারেজ হচ্ছে—তাদের জন্য কার্যকর কিছু আমলআল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে নিচের আমলগুলো ন...
03/02/2026

বাচ্চা কন্সিভ হচ্ছে না বা বারবার মিসক্যারেজ হচ্ছে—তাদের জন্য কার্যকর কিছু আমল

আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে নিচের আমলগুলো নিয়মিত অনুসরণ করুন—ইনশাআল্লাহ 🤲

১⃣সেল্ফ রুকইয়াহ্ আমল:
"হে আল্লাহ! আমার বাচ্চা কনসিভ না হওয়া বা মিসক্যারেজ হওয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, উক্বদ, শরীরের ভিতরে ও বাহিরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাব গুলো আপনি ধ্বংস করে দিন।

এভাবে নিয়মিত ফজর ও মাগরিবের নামাজের পরে বাংলা দুআ করুন ১০/১৫ মিনিট।

২⃣ সূরা মারইয়্যামের আমল:
রুকইয়ার নিয়তে সূরা মারইয়্যাম তিলাওয়াত করে পানিতে ও অলিভ অয়েলে ফুঁ দিন।
▪️ পানি পান করবেন
▪️ অলিভ অয়েল তলপেটে নিয়মিত মালিশ করবেন

৩⃣ সালাতুল হাজত ও দুআ:
প্রতিদিন ২ রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করে আল্লাহর কাছে সন্তান লাভের জন্য দুআ করুন।

বিশেষভাবে স্বামী–স্ত্রীর ইন্টিমেট সম্পর্কের পর পবিত্র হয়ে ২ রাকাত নামাজ পড়ে দুআ করা অত্যন্ত উপকারী।
“যে ব্যক্তি উত্তমভাবে ওযু করে, অতঃপর পূর্ণ মনোযোগে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে, আল্লাহ তাআলা তাকে তার প্রার্থিত বিষয় দান করেন—শীঘ্রই অথবা কিছু সময় পর।”
(— মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ২৭৪৯৭ —)

৪⃣ শেষ রাতের দুআ (সবচেয়ে কার্যকর আমল)
প্রতিদিন শেষ রাতে কমপক্ষে ৫–১০ মিনিট কাকুতি-মিনতিসহ দুআ করুন।

নিয়মিত করলে ইনশাআল্লাহ এ আমলেই ফল দেখা যাবে।
নবী জাকারিয়া (আ.) গোপনে আল্লাহকে ডেকেছিলেন সন্তানের জন্য—আল্লাহ তাঁকে বার্ধক্যেও সন্তান দান করেছিলেন।
“শেষ রাতের দুআ এমন তীর, যা কখনো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।”
(— ইমাম শাফেঈ (রহ.)

৫⃣ নিয়মিত সাদাকাহ:
সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিদিন বা নিয়মিত সাদাকাহ আদায় করুন।

“সাদাকাহ কখনো আটকে থাকা রিযিক নামিয়ে আনে,
কখনো ঝুলে থাকা বিপদ দূর করে,
কখনো লেগে থাকা রোগ নিরাময় করে,
কখনো পাপ ও শাপ মোচন করে।”
[— শাইখ আতীক উল্লাহ —]

🔹 উল্লেখ্য: উপরোক্ত আমলগুলো একটানা ৩০ দিন নিয়মিত অনুসরণ করুন।
পূর্ণ বিশ্বাস, ধৈর্য ও তাওয়াক্কুলের সাথে আমল করুন—নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম ফয়সালা করবেন।

✍️লিখেছেন ওস্তাদ : Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️সিনিয়র রাকি — Quranic Cure Ruqyah center

অনেক সময় দেখা যায় যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির উপর কন্ট্রোল নিয়ে জ্বীন শয়তান কথা বলে। কখনো সে যাদুর স্থান সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়, ক...
03/02/2026

অনেক সময় দেখা যায় যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির উপর কন্ট্রোল নিয়ে জ্বীন শয়তান কথা বলে। কখনো সে যাদুর স্থান সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়, কখনো যাদুকরের নাম বা যে ব্যক্তি যাদু করিয়েছে তার কথাও প্রকাশ করে দেয়।

কিন্তু এ সত্ত্বেও যাদুগ্রস্ত ব্যক্তি ও তার আশপাশের লোকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নসিহাত হলো—শয়তানের প্রতিটি কথাকে কখনোই অন্ধভাবে বিশ্বাস করা যাবে না।

কারণ শয়তানের প্রকৃতি হলো মিথ্যা বলা, ধোঁকা দেওয়া, কূটকৌশল করা, ফিতনা সৃষ্টি করা, অপবাদ দেওয়া এবং অভিনয়ের মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করা। তাদের মধ্য থেকে খুব অল্পসংখ্যকই কোনো কোনো ক্ষেত্রে সত্য কথা বলে, তাও বিশেষ পরিস্থিতিতে।

মূলনীতি হিসেবে শয়তানের কথার ভিত্তি হলো মিথ্যা। এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত, কারণ তারা আসমান থেকে খবর চুরি করে এনে তার সাথে অসংখ্য মিথ্যা মিশিয়ে দেয়। রাসূল ﷺ বলেছেন—“সে একটি সত্যের সাথে একশটি মিথ্যা যুক্ত করে।”
আর অন্য হাদিসে এসেছে—“সে তোমাকে সত্য বলেছে, অথচ সে চরম মিথ্যাবাদী।”

এই কারণেই শয়তান কখনো সত্য বললেও, তার কথার ওপর নির্ভর করা যায় না।

শয়তানরা তাদের মিথ্যার মাধ্যমে মানুষের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টি করতে চায়। অনেক সময় তারা নির্দোষ মানুষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে—যারা হতে পারে নিকট আত্মীয়, বন্ধু কিংবা পরিচিত কেউ। এর উদ্দেশ্য হলো রোগী ও তার পরিবারকে আরও বড় সমস্যায় ফেলা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা এবং অসংখ্য ঝামেলায় জড়িয়ে দেওয়া।

এছাড়াও তারা রোগী ও তার সঙ্গীদের মূল লক্ষ্য থেকে সরিয়ে দিতে চায়। মূল লক্ষ্য হলো—কুরআনের মাধ্যমে চিকিৎসা ও আরোগ্য লাভ। শয়তান চায় রোগী যেন রুকইয়াহর প্রকৃত চিকিৎসা থেকে বিমুখ হয়ে যায়, কারণ নিয়মিত ও গভীর রুকইয়াহ তাদের জন্য কষ্টকর এবং শেষ পর্যন্ত তাদের বের করে দেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, আল্লাহর অনুমতিতে।

অনেক ক্ষেত্রে যাদুকর শয়তানদের পরিবারের কাউকে জিম্মি করে রাখে এবং হুমকি দেয়—যদি তারা যাদু ছেড়ে দেয় বা যাদুকর ও যাদু করানো ব্যক্তিকে ফাঁস করে, তাহলে তাদের ক্ষতি করা হবে। এজন্য শক্তিশালী পাহারাদার শয়তান নিয়োজিত থাকে, যারা যাদু পাহারা দেয়—তা মাটিতে পোঁতা হোক, কোথাও লুকানো হোক বা গিঁট দিয়ে বাঁধা হোক।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, কোনো শয়তান সত্য প্রকাশ করলে অনেক সময় তাকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় আরও শক্তিশালী শয়তান বসিয়ে দেওয়া হয়।

তবে খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে শয়তান সত্য বললে তার কিছু আলামত থাকে—

🔸প্রথমত: সে যাদুর সঠিক স্থান বলে দেয়, এবং বাস্তবেই সেই স্থান থেকে যাদু বের করা সম্ভব হয়। যাদু ভাঙার পর রোগীর সমস্ত উপসর্গ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়ে যায়।

🔸দ্বিতীয়ত, তার বক্তব্য প্রতিবার একই থাকে। প্রতিবার জিজ্ঞাসাবাদে ভিন্ন ভিন্ন গল্প বা ভিন্ন অভিযুক্তের নাম বলে না।

🔸তৃতীয়ত: তার কথার সাথে শক্ত প্রমাণ ও বাস্তব আলামত মিলে যায়—যেমন এমন কাউকে অভিযুক্ত করা, যার সাথে শত্রুতা স্পষ্ট, যে যাদুকরের কাছে যাতায়াত করে বা নিজেই যাদুতে পরিচিত।

তবে এসবের পরও যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য সর্বোত্তম পথ হলো—সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া। এমনকি যদি সে নিশ্চিতভাবেও জানতে পারে কে যাদু করেছে, তবুও সরাসরি মোকাবেলায় যাওয়া অধিকাংশ সময় উল্টো ক্ষতির কারণ হয়। বাস্তবে দেখা গেছে, এতে অস্বীকার, মিথ্যা শপথ এবং আরও ভয়াবহ যাদুর আশঙ্কা তৈরি হয়।

যে ব্যক্তি এই ঘৃণ্য ও মহাপাপ কাজ করে, সে মিথ্যা কসম করতেও দ্বিধা করে না এবং আরও ক্ষতি করার চেষ্টা করে।

অতএব: যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির উচিত—আল্লাহ তাআলার সাহায্য গ্রহণ করা। কারণ তার শত্রু যদি শয়তানের আশ্রয় নেয়, তবে সে যেন সর্বশক্তিমান আল্লাহর আশ্রয় নেয়। সে যেন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—আল্লাহ ফাসাদকারীদের কাজ সফল করেন না, বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্র সফল হয় না, আর যাদুকর কখনো সফল হয় না।

শয়তান ও যাদুকে মোকাবেলার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো কুরআন। যে কুরআন পাহাড়ের ওপর নাজিল হলে তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যেত। তাই রোগী যেন কুরআনের মাধ্যমেই চিকিৎসা করে, গোপনীয়তা রক্ষা করে, ধৈর্য ধারণ করে এবং নিশ্চিত থাকে—পরিণাম মুত্তাকীদের জন্যই।

আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞানী।

পোস্ট: ০৩/০২/২৬
✍️লেখা: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️সিনিয়র রাকি : Quranic Cure Ruqyah center (M.1)

⚠️গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা⚠️_______বিচ্ছেদের যাদু ও তালাক এর যাদু আক্রান্ত স্বামী স্ত্রীর জন্য।যারা স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে...
01/02/2026

⚠️গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা⚠️
_______বিচ্ছেদের যাদু ও তালাক এর যাদু আক্রান্ত স্বামী স্ত্রীর জন্য।

যারা স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত, তাদের কখনোই এই ভুল ধারণা পোষণ করা উচিত নয় যে তালাক বা ডিভোর্স চাওয়ার মাধ্যমে তারা এই যাদু থেকে মুক্তি পেয়ে যাবে। একইভাবে, যে স্বামী / স্ত্রী এই যাদুর প্রভাবে আক্রান্ত-তারও উচিত নয় নিজের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শত্রুদের উদ্দেশ্য কে বাস্তবায়ন করা। কারণ তালাক মানে শুধু স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া নয়; বরং একটি পরিবার ধ্বংস হওয়া, সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া এবং শয়তানকে সবচেয়ে বেশি খুশি করা।

স্ত্রীর পক্ষ থেকে তালাক বা ডিভোর্সের দাবি জানানো মূলত পরাজয় মেনে নেওয়ার নাম। এটি এক ধরনের আত্মসমর্পণ, যার মাধ্যমে শয়তান নিজের লক্ষ্য অর্জনে সফল হয়। কারণ বিচ্ছেদের যাদুর মূল উদ্দেশ্যই হলো স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে ঘৃণা, রাগ, দূরত্ব ও বিভাজন সৃষ্টি করে সংসার ধ্বংস করা। যাদুর প্রভাবে যখন কেউ সেই পথেই হাঁটে, তখন যাদুর প্রভাব আরও গভীর ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

দুঃখজনক হলেও সত্য—অনেক নারী সমস্যার প্রকৃত কারণ জানার পরও তা উপেক্ষা করেন। তারা সতর্কবার্তা ও উপদেশকে গুরুত্ব না দিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে আপস করে চলতে থাকেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, তালাক কার্যকর হয়ে যাওয়ার পরই তাদের হুঁশ ফেরে এর আগে নয়। তখন অনুশোচনা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না, বিশেষ করে যখন তারা আগে থেকেই নসিহত কারীদের উপদেশ উপেক্ষা করে থাকেন।

আরও দুঃখজনক বিষয় হলো—অনেক ক্ষেত্রে পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজন না বুঝে বা আবেগের বশবর্তী হয়ে শয়তানের পক্ষেই দাঁড়িয়ে যান। তারা স্ত্রীকে বা স্বামীকে তালাক বা ডিভোর্সের দিকে উৎসাহ দেন, বিদ্রোহ ও অবাধ্যতাকে সমর্থন করেন, যার ফলে একটি সংসার ধ্বংসের দিকে আরও দ্রুত এগিয়ে যায়।

যা অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি জানেন না তা হলো—বিচ্ছেদের যাদুর সঙ্গে নিয়োজিত শয়তানি শক্তি ধীরে ধীরে আক্রান্ত নারী /পুরুষ কে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা স্বামী বা স্ত্রীর জায়গা দখল করে, তাকে মানসিক ও আত্মিকভাবে বেঁধে ফেলে এবং ভবিষ্যতে স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন থেকেও বঞ্চিত করে। কখনো কখনো এই অবস্থা মানুষকে ভয়ংকর নৈতিক অবক্ষয়, বিচ্যুতি ও ধ্বংসের দিকেও ঠেলে দেয়।

এ কারণে স্বামী বা স্ত্রী—যে-ই বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত হোক না কেন—উভয়েরই দায়িত্ব হলো শরিয়ত ও সামাজিক দায়িত্ব অনুযায়ী নিজেদের দাম্পত্য কর্তব্য পালন করা। যাদুর লক্ষণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, সেগুলোর সঙ্গে তাল না মেলা এবং সচেতনভাবে সেগুলো ভেঙে দেওয়া জরুরি। পারস্পরিক ভালোবাসার কথা বলা, সৌন্দর্য বজায় রাখা, সাজগোজ ও পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ প্রকাশ করা, একসঙ্গে সময় কাটানো, পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা—এসবই যাদুর বন্ধন দুর্বল করার কার্যকর উপায়।

এ ছাড়া একে অপরের ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা, যাদুর প্রভাবে সৃষ্ট আচরণকে বুঝে ধৈর্য ধারণ করা এবং সুযোগ পেলেই শয়তানের পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যাদু কখনোই দাম্পত্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির অজুহাত হতে পারে না। বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত হলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়—এমন কোনো বিধান নেই।

যাদুর উপস্থিতি নিশ্চিত হলে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উচিত একসঙ্গে তার বিপরীত পথে কাজ করা, বিশেষ করে নিয়মিত ও গভীরভাবে #রুকইয়াহ_চিকিৎসা গ্রহণ করা #অভিজ্ঞ_রাকির নিকট এবং ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া—যতক্ষণ না যাদু সম্পূর্ণভাবে বাতিল ও নির্মূল হয়।

বাস্তবতা হলো—বিচ্ছেদের যাদুর বহু ঘটনা শেষ পর্যন্ত তালাকেই পরিণত হয়। এর প্রধান কারণ হলো-আক্রান্তদের একজন যাদুর লক্ষণগুলোর সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়, তার নির্দেশ অনুসরণ করে এবং বিপরীত পথে চলার চেষ্টা করে না। অনেক সময় এটি ঘটে চিকিৎসায় ক্লান্ত হয়ে পড়া, ধৈর্য হারানো বা পরিস্থিতির ভার বহন করতে না পারার অজুহাতে।

কিন্তু এসব আসলে শয়তানের কৌশল, যা আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ দিয়েই প্রকাশ পায়। এর মাধ্যমে শয়তান ধাপে ধাপে যাদুর চূড়ান্ত লক্ষ্য—তালাক ও চিরবিচ্ছেদ—বাস্তবায়ন করে।

এই অবস্থায় দেখা যায়—দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, একসঙ্গে থাকা এড়িয়ে চলা হয়, সৌন্দর্যচর্চা ও দাম্পত্য সম্পর্ক উপেক্ষিত হয়, সন্দেহ-অবিশ্বাস ও কল্পনার আশ্রয় নেওয়া হয়, রূঢ় আচরণ, অসম্মান, অভিযোগ ও ঝগড়া বাড়তে থাকে। এভাবেই একটি সংসার ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়।

তবে যদি অপর পক্ষ যাদুর বাস্তবতা স্বীকার না করে, চিকিৎসায় সহযোগিতা না করে, দুর্বল অবস্থায় সহানুভূতি না দেখায় এবং সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়—তাহলে শেষ উপায় হিসেবে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে আক্রান্ত ব্যক্তি শরিয়তসম্মতভাবে দায়মুক্ত হতে পারে।

কারণ সবচেয়ে বড় সত্য হলো—ইবলিস ও তার বাহিনীর কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ।

🤲হে আল্লাহ, আমাদের সংসারগুলোকে সব ধরনের যাদু, জীন, বদনজর ও শয়তান মানুষের ষড়যন্ত্র থেকে সম্পূর্ণভাবে হেফাজত করো এবং ভালোবাসা ও প্রশান্তিতে ভরিয়ে দাও—আমীন।

📃তারিখ: ০১/০২/২৬
✍️লেখা: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️ সিনিয়র রাকি: Quranic Cure Ruqyah center (M.1)

পরিপূর্ণ সুস্থ হওয়ার পরেও কি জীন, যাদু ও বদ নজরের অবশিষ্ট প্রভাব থেকে যায়?অনেক সময় কিছু রাকি—আল্লাহ তাদের হেদায়েত দিন—অভ...
01/02/2026

পরিপূর্ণ সুস্থ হওয়ার পরেও কি জীন, যাদু ও বদ নজরের অবশিষ্ট প্রভাব থেকে যায়?

অনেক সময় কিছু রাকি—আল্লাহ তাদের হেদায়েত দিন—অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা অথবা রোগীর মনোবল বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বাস্তবতার চেয়ে সহজ ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। তারা রোগীকে আশ্বস্ত করেন যে সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছে, জীন বের হয়ে গেছে, যাদু ও বদ নজর নষ্ট হয়ে গেছে। এর উদ্দেশ্য সাধারণত রোগীকে মানসিকভাবে শক্ত করা হলেও, বাস্তবে এই বক্তব্য অনেক সময় সত্যের সাথে পুরোপুরি মিলে না।

পরবর্তীতে যখন রোগী জানায় যে বড় ধরনের উন্নতির পরও এখনো কিছু সমস্যা বা উপসর্গ রয়ে গেছে, তখন বলা হয়—এগুলো শুধু আগের সমস্যার অবশিষ্ট প্রভাব, সময়ের সাথে সাথে আপনা-আপনি চলে যাবে। কিন্তু এই ধরনের ব্যাখ্যা রোগীকে প্রকৃত চিকিৎসা থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। রোগী মনে করে, যেহেতু এগুলো শুধু অবশিষ্ট প্রভাব, তাই আর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

এখানেই শুরু হয় বড় বিপদ। কারণ রোগী চিকিৎসা বন্ধ করলে জীন ও শয়তানরা সুযোগ নেয়। তারা কিছু সময়ের জন্য নীরব থাকে, যাতে রোগীর ধারণা আরও দৃঢ় হয় যে সে পুরোপুরি সুস্থ। এরপর ধীরে ধীরে আবার শক্তি সঞ্চয় করে নতুন করে আঘাত শুরু করে। উপসর্গ ফিরে আসে আগের মতোই, কখনো কখনো আরও শক্তভাবে। তখন আবার বলা হয়—নতুন করে সমস্যা হয়েছে। অথচ বাস্তবতা হলো, আগের সমস্যাই পুরোপুরি শেষ হয়নি।

অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পর্যবেক্ষণ স্পষ্টভাবে বলে—জীন, যাদু ও বদ নজরের সমস্যা আবেগ, অনুমান বা সাময়িক স্বস্তি দিয়ে শেষ হয় না। সব উপসর্গ সম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে শেষ হওয়াই পরিপূর্ণ সুস্থতার প্রকৃত মানদণ্ড।

অনেক রোগী রুকইয়াহ চলাকালে বড় ধরনের উন্নতি অনুভব করেন। আগের মতো চিৎকার, অজ্ঞান হওয়া, তীব্র প্রতিক্রিয়া আর দেখা যায় না। কিন্তু এটাকে কখনোই নিশ্চিতভাবে পরিপূর্ণ সুস্থতা বলা যায় না। কুরআন ও সহিহ হাদিসে সুস্থতার যে দৃষ্টান্তগুলো এসেছে, সেখানে দেখা যায়—সুস্থতা মানে হলো কোনো কষ্ট, দুর্বলতা বা উপসর্গ একেবারেই অবশিষ্ট না থাকা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন যাদুর প্রভাব থেকে সুস্থ হন, তখন তিনি উঠে দাঁড়ান এমনভাবে যেন কোনো বাঁধনই খুলে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, তার শরীর ও মনে যাদুর কোনো প্রভাব একটুও অবশিষ্ট ছিল না। একইভাবে সুরা ফাতিহা পড়ে রুকইয়াহ করার ঘটনায় দেখা যায়—আক্রান্ত ব্যক্তি উঠে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে শুরু করে, তার শরীরে কোনো ব্যথা বা দুর্বলতা কিছুই থাকে না। বদ নজরের ঘটনায়ও সাহাবায়ে কেরাম সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন, কোনো উপসর্গ অবশিষ্ট না রেখেই।

এগুলো আমাদের স্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয় যে, পরিপূর্ণ সুস্থতা মানে শুধু ভালো লাগা নয়, বরং সমস্যার সব লক্ষণ ও উপসর্গ পুরোপুরি শেষ হওয়া।

অতএব “এগুলো শুধু অবশিষ্ট প্রভাব” সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে”—এই ধরনের কথা কুরআন-হাদিস ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে সুস্থতার সঠিক মানদণ্ড নয়। রোগী ও রাকি উভয়েরই উচিত বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখা, তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং সব উপসর্গ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসা ও আত্মরক্ষামূলক আমল চালিয়ে যাওয়া।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে জীন, যাদু ও বদ নজরের সব প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ, স্থায়ী ও নিরাপদ সুস্থতা দান করুন। আমিন।

✍️লেখা ভালো লাগলে শেয়ার করুন জাযাকাল্লাহ 💐

📃তারিখ:০১/০২/২৬
✍️লেখা: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️ সিনিয়র রাকি Quranic Cure Ruqyah center (M.1)

31/01/2026

জাদুর বাস্তবতা ও এর কার্যপ্রণালী সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে অনেক মানুষ আজকাল একে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে বসে। তাদের সীমিত জ্ঞান ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি এই বাস্তবতাকে ধারণ করতে পারে না—যে বাস্তবতা কুরআন, সুন্নাহ, যুক্তি ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে সাংঘর্ষিক নয়। ফলে তারা যা বুঝতে পারে না, সেটাকেই অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে তারা জাদুগ্রস্ত রোগীদের কষ্ট, যন্ত্রণা ও দীর্ঘদিনের ভোগান্তিকেও অস্বীকার করে বসে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ ধরনের মানুষ শুধু অস্বীকারেই থেমে থাকে না; বরং তারা রুকইয়াহকারী (রাকি) দের উপর অপবাদ দেয়, রোগীর প্রকাশিত লক্ষণকে নাটক বলে মনে করে, চিকিৎসকদের নিয়ত ও আমানতদারিতার ওপর প্রশ্ন তোলে এবং সাক্ষ্যপ্রমাণকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করে। সত্য অনুসন্ধানের কোনো চেষ্টা না করে তারা চোখ বন্ধ করে বসে থাকে। বাস্তবে তারা বুঝতেও পারে না—এভাবে অস্বীকার করার মাধ্যমে তারা শয়তানের কাজকেই সহজ করে দিচ্ছে।

আবার এমন কিছু লোকও রয়েছে, যারা জাদুর অস্তিত্ব স্বীকার করলেও ‘পেটে প্রবেশ করানো জাদু’ বা سِحْرٌ مَأْكُولٌ এর জাদু–এর বাস্তবতাকে মানতে চায় না। আশ্চর্যের বিষয় হলো—এমন অস্বীকার কখনো কখনো কিছু রুকইয়াহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যেও দেখা যায়। তারা নিজের অভিজ্ঞতার বাইরে কিছু দেখলেই তা অস্বীকার করে বসে, অথচ এতে তারা না বুঝেই শয়তানের পক্ষেই সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আমাদের কাছে চিকিৎসাধীন বহু বাস্তব ঘটনা এর স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। এমন রোগী আমাদের কাছে এসেছেন, যারা বহু বছর ধরে অসহনীয় কষ্ট ভোগ করার পর রুকইয়াহ সেশনের সময় সবার সামনে নিজের পেট থেকে জাদুর বস্তু বের করে দিয়েছে। কেউ বমি করে তা বের করেছে, কেউ দীর্ঘ যন্ত্রণার পর স্বাভাবিকভাবে তা ত্যাগ করেছে। এমন রোগীও রয়েছে, যাদের শরীর থেকে লোহার পেরেক ও সুঁই বের হয়েছে। কারো পেট থেকে সম্পূর্ণ ৪০ সেন্টিমিটার লম্বা চুলের বিনুনি বের হয়েছে। আবার কারো শরীর থেকে এমন তাবিজ ও তান্ত্রিক বস্তু বের হয়েছে, যেগুলো পানিতে ভিজে না—এমন বিশেষ আবরণে মোড়ানো ছিল এবং সাত বছর পর্যন্ত পেটে অবস্থান করেছিল। সাধারণ ওষুধ বা পায়খানা বৃদ্ধিকারী ওষুধ দিয়েও এগুলো বের হয়নি, কারণ শয়তান এগুলো শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রেখেছিল।

কিছু ক্ষেত্রে এসব বস্তু এক্স-রেতেও দেখা গেছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে শয়তান কৌশলে সেগুলো আড়াল করে রেখেছে। এই ঘটনাগুলোর বিষয়ে আমাদের কাছে একাধিক চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য রয়েছে। তারা নিজের চোখে রুকইয়াহ চলাকালীন এসব বস্তু বের হতে দেখেছেন, রোগীর তীব্র যন্ত্রণা ও পরবর্তী জটিলতা প্রত্যক্ষ করেছেন এবং নিজেরাই বিষয়টি দেখে বিস্মিত হয়েছেন।

তবুও দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এতসব চোখে দেখা ও হাতে ধরা প্রমাণ থাকার পরও কিছু মানুষ অস্বীকার করেই যাবে। তারা জ্ঞানী সেজে তর্ক করবে, উপহাস করবে, রোগী ও সাক্ষীদের মিথ্যাবাদী বলবে এবং আল্লাহর কাছে সুস্থতা কামনা করার পরিবর্তে মানুষের কষ্ট নিয়ে তামাশা করবে।

এমন লোকেরা সাধারণত তখনই সচেতন হয়, যখন আল্লাহ নিজেই তাদের এমন পরীক্ষায় ফেলেন—যা তারা এতদিন অবাস্তব বলে অস্বীকার করে এসেছে।

সবশেষে, এই জাদুগ্রস্ত বোনটির জন্য সবাই আন্তরিকভাবে পূর্ণ ও দ্রুত সুস্থতার দোয়া করবেন—আল্লাহ যেন তাকে সম্পূর্ণ আরোগ্য দান করেন, আমিন।

📃 পোস্ট : 30/01/26
✍️ লিখেছেন : Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️ সিনিয়র রাকি: Quranic Cure Ruqyah center
📍যোগাযোগ : 01991-663988 Call imo WhatsApp

#জাদুর_বাস্তবতা
#রুকইয়াহ_শরইয়াহ




#রাকীআবুরায়হান

জাদুর বাস্তবতা ও এর কার্যপ্রণালী সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে অনেক মানুষ আজকাল একে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে বসে। ...
30/01/2026

জাদুর বাস্তবতা ও এর কার্যপ্রণালী সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে অনেক মানুষ আজকাল একে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে বসে। তাদের সীমিত জ্ঞান ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি এই বাস্তবতাকে ধারণ করতে পারে না—যে বাস্তবতা কুরআন, সুন্নাহ, যুক্তি ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে সাংঘর্ষিক নয়। ফলে তারা যা বুঝতে পারে না, সেটাকেই অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে তারা জাদুগ্রস্ত রোগীদের কষ্ট, যন্ত্রণা ও দীর্ঘদিনের ভোগান্তিকেও অস্বীকার করে বসে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ ধরনের মানুষ শুধু অস্বীকারেই থেমে থাকে না; বরং তারা রুকইয়াহকারী (রাকি) দের উপর অপবাদ দেয়, রোগীর প্রকাশিত লক্ষণকে নাটক বলে মনে করে, চিকিৎসকদের নিয়ত ও আমানতদারিতার ওপর প্রশ্ন তোলে এবং সাক্ষ্যপ্রমাণকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করে। সত্য অনুসন্ধানের কোনো চেষ্টা না করে তারা চোখ বন্ধ করে বসে থাকে। বাস্তবে তারা বুঝতেও পারে না—এভাবে অস্বীকার করার মাধ্যমে তারা শয়তানের কাজকেই সহজ করে দিচ্ছে।

আবার এমন কিছু লোকও রয়েছে, যারা জাদুর অস্তিত্ব স্বীকার করলেও ‘পেটে প্রবেশ করানো জাদু’ বা سِحْرٌ مَأْكُولٌ এর জাদু–এর বাস্তবতাকে মানতে চায় না। আশ্চর্যের বিষয় হলো—এমন অস্বীকার কখনো কখনো কিছু রুকইয়াহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যেও দেখা যায়। তারা নিজের অভিজ্ঞতার বাইরে কিছু দেখলেই তা অস্বীকার করে বসে, অথচ এতে তারা না বুঝেই শয়তানের পক্ষেই সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আমাদের কাছে চিকিৎসাধীন বহু বাস্তব ঘটনা এর স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। এমন রোগী আমাদের কাছে এসেছেন, যারা বহু বছর ধরে অসহনীয় কষ্ট ভোগ করার পর রুকইয়াহ সেশনের সময় সবার সামনে নিজের পেট থেকে জাদুর বস্তু বের করে দিয়েছে। কেউ বমি করে তা বের করেছে, কেউ দীর্ঘ যন্ত্রণার পর স্বাভাবিকভাবে তা ত্যাগ করেছে। এমন রোগীও রয়েছে, যাদের শরীর থেকে লোহার পেরেক ও সুঁই বের হয়েছে। কারো পেট থেকে সম্পূর্ণ ৪০ সেন্টিমিটার লম্বা চুলের বিনুনি বের হয়েছে। আবার কারো শরীর থেকে এমন তাবিজ ও তান্ত্রিক বস্তু বের হয়েছে, যেগুলো পানিতে ভিজে না—এমন বিশেষ আবরণে মোড়ানো ছিল এবং সাত বছর পর্যন্ত পেটে অবস্থান করেছিল। সাধারণ ওষুধ বা পায়খানা বৃদ্ধিকারী ওষুধ দিয়েও এগুলো বের হয়নি, কারণ শয়তান এগুলো শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রেখেছিল।

কিছু ক্ষেত্রে এসব বস্তু এক্স-রেতেও দেখা গেছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে শয়তান কৌশলে সেগুলো আড়াল করে রেখেছে। এই ঘটনাগুলোর বিষয়ে আমাদের কাছে একাধিক চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য রয়েছে। তারা নিজের চোখে রুকইয়াহ চলাকালীন এসব বস্তু বের হতে দেখেছেন, রোগীর তীব্র যন্ত্রণা ও পরবর্তী জটিলতা প্রত্যক্ষ করেছেন এবং নিজেরাই বিষয়টি দেখে বিস্মিত হয়েছেন।

তবুও দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এতসব চোখে দেখা ও হাতে ধরা প্রমাণ থাকার পরও কিছু মানুষ অস্বীকার করেই যাবে। তারা জ্ঞানী সেজে তর্ক করবে, উপহাস করবে, রোগী ও সাক্ষীদের মিথ্যাবাদী বলবে এবং আল্লাহর কাছে সুস্থতা কামনা করার পরিবর্তে মানুষের কষ্ট নিয়ে তামাশা করবে।

এমন লোকেরা সাধারণত তখনই সচেতন হয়, যখন আল্লাহ নিজেই তাদের এমন পরীক্ষায় ফেলেন—যা তারা এতদিন অবাস্তব বলে অস্বীকার করে এসেছে।

সবশেষে, এই জাদুগ্রস্ত বোনটির জন্য সবাই আন্তরিকভাবে পূর্ণ ও দ্রুত সুস্থতার দোয়া করবেন—আল্লাহ যেন তাকে সম্পূর্ণ আরোগ্য দান করেন, আমিন।

পোস্ট তারিখ : 30/01/26
✍️ লিখেছেন: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️ সিনিয়র রাকি: Quranic Cure Ruqyah center
📍যোগাযোগ: 01603-249280 Call imo WhatsApp
🏥 চেম্বার: উত্তরা, কমলাপুর, যাত্রাবাড়ী, রায়েরবাগ, ঢাকা।

29/01/2026

বিচ্ছেদের যাদুর খাদেম! যে শয়তান শরিরে লুকিয়ে রয়েছে ঐ শয়তান প্রকাশ পাবে আল্লাহ অনুগ্রহে

🎙️ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان

হোম সার্ভিস রুকইয়াহ্ চিকিৎসা সেবা নিয়ে আমরা যাচ্ছি ধানমন্ডি! রুগিদের সুস্থতা ও আমাদের নিরাপত্তার জন্য সবার কাছে দুআ চাই।...
28/01/2026

হোম সার্ভিস রুকইয়াহ্ চিকিৎসা সেবা নিয়ে আমরা যাচ্ছি ধানমন্ডি! রুগিদের সুস্থতা ও আমাদের নিরাপত্তার জন্য সবার কাছে দুআ চাই।

📿চিকিৎসার প্রয়োজনে আপনিও যোগাযোগ করুন ✆ 01991-663988 Call imo WhatsApp
🎙️সাথে আছেন ওস্তাদ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
সিনিয়র রাকি Quranic Cure Ruqyah center

#এডমিন

23/01/2026

বিয়ে হচ্ছে না😰

কাবিনের টাকা আদায়ের আশায় নিজের উপর নিজেই বিচ্ছেদের যাদু করেছিল এক তরুণী। অল্প বয়সেই নিজের হাতে নিজের জীবন ধ্বংসের পথে ঠে...
23/01/2026

কাবিনের টাকা আদায়ের আশায় নিজের উপর নিজেই বিচ্ছেদের যাদু করেছিল এক তরুণী। অল্প বয়সেই নিজের হাতে নিজের জীবন ধ্বংসের পথে ঠেলে দেয় সে। এর পরিণতিতে আজ সে প্যারালাইসড—বিছানায় শয্যাশায়ী, বাবার বাড়িতে পড়ে আছে।

ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিকে আমরা হোম সার্ভিস রুকইয়াহ্ চিকিৎসা সেবা নিয়ে গিয়েছিলাম। ঘটনাটি ছিল সত্যিই হৃদয়বিদারক ও চিন্তা জাগানিয়া।

ডায়াগনোসিস সেশন চলাকালীন রোগীর মধ্যে একাধিক তীব্র রিয়েকশন প্রকাশ পায়। প্রচণ্ড কান্নাকাটি, বারবার বমি হওয়া, হাত ও শরীরের অস্বাভাবিক বিভিন্ন ইশারা—সব মিলিয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে সমস্যাটি গভীর এবং দীর্ঘদিনের।

রুকইয়াহ্ সেশন চলমান থাকতেই আল্লাহর অনুগ্রহে একটি বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটে—যে পা দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসড ছিল, লং সেশন শেষ হওয়ার আগেই সেটি সচল হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ। এই মুহূর্তটি উপস্থিত সবার চোখে পানি এনে দেয়। 🥰

ডায়াগনোসিসের এক পর্যায়ে রোগীর শরীরে জ্বীন একটিভ হয়। সে নিজেই স্বীকার করে বলে—“আমি রুগির শরীরে নিজে আসিনি, ও নিজেই আমাকে ডেকে এনেছে। কবিরাজের কাছে গিয়ে নিজের উপর বিচ্ছেদের যাদু করেছে, যেন তার স্বামী দ্রুত তালাক দেয় এবং কাবিনের টাকা সে তাড়াতাড়ি পায়।”☹️

আমরা রোগীকে সরাসরি জিজ্ঞেস করি—ঘটনাটি সত্য কি না।
নীরবে মাথা নত করে সে স্বীকার করে নেয়—“হ্যাঁ হুজুর, কথাগুলো সত্য।”

জ্বীন আরও জানায়—এই যাদুর প্রভাবে সে তার পা প্যারালাইজড করে রেখেছে, স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে বাধা দিচ্ছে এবং সন্তান ধারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
রোগীকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন—তার কোনো সন্তান নেই। দুইবার গর্ভধারণ হয়েছিল, কিন্তু দু’বারই সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে, এরপর আর কখনো কনসিভ হয়নি।
এই বোনটি আজ নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। গভীর অনুশোচনায় আল্লাহর কাছে তাওবা করেছে। আমরা আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি—তিনি যেন তার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং তাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন।

এই ঘটনাটি শুধু একটি কেস নয়—এটি আমাদের জন্য এক কঠিন শিক্ষা। অল্প দুনিয়াবি লাভের আশায়, আবেগের বশবর্তী হয়ে, শরীয়তবিরোধী পথে হাঁটার পরিণতি কত ভয়াবহ হতে পারে—এটি তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

👉 যারা দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক অস্থিরতা, সংসারিক অশান্তি, সন্তান না হওয়া, হঠাৎ প্যারালাইসিস বা চিকিৎসায় কাজ না করা সমস্যায় ভুগছেন,তারা অন্তত একবার রুকইয়াহ্ ডায়াগনোসিস সেশন করে দেখুন। আপনার সমস্যার মূল উৎস স্পষ্ট হলে চিকিৎসার পথও সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।

👉 আর বিশেষভাবে অনুরোধ—এই বোনটির মতো কেউ যেন কখনো নিজের উপর, নিজের জীবনের উপর যাদু বা হারাম কোনো প্রক্রিয়া প্রয়োগ না করেন। দুনিয়ার কোনো লাভই ঈমান, স্বাস্থ্য ও জীবনের এমন ধ্বংসের মূল্য হতে পারে না।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, সঠিক বুঝ দান করুন এবং কুরআন ও সুন্নাহর পথে দৃঢ় রাখুন।

📿হোম সার্ভিস ২২/০১/২৬/ বসুন্ধরা আবাসিক ঢাকা।
✍️ কেস স্টাডি: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
📿 Quranic Cure Ruqyah center

রামাদান অনলাইন রুকইয়াহ প্রজেক্ট ২০২৬দীর্ঘদিন ধরে যারা জ্বিন-শয়তানের আছর, যাদু (সিহর), বদনজর (আইন), হাসাদ, অতিরিক্ত ওয়াসও...
19/01/2026

রামাদান অনলাইন রুকইয়াহ প্রজেক্ট ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে যারা জ্বিন-শয়তানের আছর, যাদু (সিহর), বদনজর (আইন), হাসাদ, অতিরিক্ত ওয়াসওয়াসা, বিয়েতে বাধা, সন্তানহীনতা, পারিবারিক অশান্তি কিংবা ব্যবসা ও ক্যারিয়ারে অদৃশ্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন—তাদের জন্য এই রামাদান হতে পারে মুক্তি ও সুস্থতার একটি বাস্তব সুযোগ।

আর্থিক সীমাবদ্ধতা, দূরত্ব কিংবা সময়ের অভাবে যারা নিয়মিত রুকইয়াহ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না—তাদের কথা বিবেচনা করেই কুরআনিক কিউর রুকইয়াহ্ ও হিজামা সেন্টার আয়োজন করেছে এই বিশেষ অনলাইন রামাদান রুকইয়াহ প্ল্যান।

সাধারণভাবে একটি ব্যক্তিগত রুকইয়াহ সেশনের খরচ ৩,০০০–৬,০০০ টাকা। সে হিসেবে ২০টি সেশনের স্বাভাবিক খরচ হতো প্রায় ৬০,০০০ থেকে ১,২০,০০০ টাকা। কিন্তু রামাদানের বরকতে আমরা মাত্র ১,৫৩০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফিতে দিচ্ছি ২০টি লাইভ অনলাইন রুকইয়াহ সেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ।

☑️এই প্ল্যানে কি থাকছে⁉️

প্রতিদিন ১টি করে মোট ২০টি লাইভ রুকইয়াহ সেশন, অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে। জ্বিন, যাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসা ও মানসিক অস্থিরতা—প্রতিটি সমস্যার জন্য আলাদা ফোকাস থাকবে। পাশাপাশি থাকবে রুকইয়াহ দুআ ও কুরআন মাশক্ব সেশন, প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর, সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ প্রেসক্রিপশন, ব্যক্তিগত কাউন্সিলিং এবং পুরো রামাদান জুড়ে সাপোর্ট।

☑️এই প্রোগ্রামটি যাদের জন্য উপযোগী⁉️

যারা ঢাকার বাইরে বা প্রবাসে থাকেন, যারা দীর্ঘদিন সেল্ফ রুকইয়াহ করেও উপকার পাচ্ছেন না, যারা সারা বছর সময় পান না কিন্তু রামাদানে টানা ২০ দিন নিয়মিত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা রুকইয়াহ করতে চান, এবং প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও মহিলা যারা দীর্ঘদিন ধরে জ্বিন, যাদু, বদনজর ও ওয়াসওয়াসার সমস্যায় ভুগছেন।

☑️অংশগ্রহণের জন্য কি প্রয়োজন⁉️

একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল বা কম্পিউটার, তাতে Zoom App ইনস্টল করা এবং একটি ইয়ারফোন বা স্পিকার থাকলেই যথেষ্ট।

☑️কেন এই প্রোগ্রামটি কার্যকর⁉️

ঘরে বসেই সহজে অংশগ্রহণ করা যাবে, অল্প খরচে ধারাবাহিক রুকইয়াহ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। আলাদা আলাদা শর্ট রুকইয়াহর চেয়ে টানা ২০ দিন নিয়মিত রুকইয়াহ ইনশাআল্লাহ গভীর ও স্থায়ী উপকার এনে দেয়।

🚨রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া⁉️

এক হাজারা পাঁচশত ১,৫৩০ টাকা (Send Money) পাঠিয়ে পেমেন্টের স্ক্রিনশট অথবা ট্রানজেকশনের শেষ ৪টি ডিজিট আমাদের ইনবক্স বা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠালে আপনার আসন নিশ্চিত হবে। 👉কনফার্ম অংশগ্রহণকারীদের জন্য 🔗নতুন একটি প্রাইভেট টেলিগ্রাম গ্রুপের লিংক প্রদান করা হবে
💰পেমেন্ট নাম্বার: 01743230645 (বিকাশ,নগদ(পার্সোনাল)

আসন সংখ্যা সীমিত। তাই দেরি না করে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার অনুরোধ রইল।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ
শর্তাবলী (অবশ্যই পড়ুন)
🔸 একজনের রেজিস্ট্রেশন দিয়ে একাধিক ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে পারবেন না
🔸 রেজিস্ট্রেশন ফি আমানত হিসেবে গণ্য হবে
🔸 ফি (অফেরতযোগ্য)
🔸 রেজিস্ট্রেশন ছাড়া লাইভ সেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই
📢 আপাতত আপডেট পেতে এখনই জয়েন করুন:https://t.me/+_pShNu7lQwg5YmNl
👉১ম কমেন্ট দেখুন

✍️প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক:
Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
Quranic Cure Ruqyah center
🩺আরো বিস্তারিত জানতে সরাসরি কল করুন:
📞 01603-249280 (Call / IMO / WhatsApp)

আল্লাহ তা'আলা আমাদের এই উদ্যোগ কবুল করুন এবং এই রামাদানকে আমাদের সবার জন্য শিফা ও কল্যাণের মাস হিসেবে কবুল করুন। আমীন।

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram