06/01/2026
অনেক মানুষ পেটের পীড়া আইবিএস সমস্যায় ভোগেন কিন্তু বুঝতে পারেন না।
আমাশয় মনে করে চিকিৎসা চলে।
ফলে অসুখ সারে না।
? কি করে বুঝবেন?
⛔আপনার কি গাভীর দুধ খেলে সহ্য হয় না?
⛔বারবার পায়খানার চাপ দেয়?
⛔কিন্তু পায়খানা ক্লিয়ার হয় না?
⛔বহুদিন থেকে আমাশয়ের মত?
⛔আমাশয়ের ঔষধ খেলেও কাজ হয় না?
⛔মন মেজাজ ভাল থাকে না?
⛔ সম্ভবত আপনি আই.বি.এস. সমস্যায় ভুগছেন।
🥯🥯🥯🥯🥯🥯🥯🥯
IBS= ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম
যে রোগটি চিনতে অনেক
নবীন চিকিৎসকের ভুল হতে পারে ।
ফলে রোগী সুস্থ হয় না।
আমাশয় মনে করে চিকিৎসা
চলতে থাকে বছরের পর বছর।
সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে লিখলাম।
🔵১। ফেনাযুক্ত বা গুটি গুটি পায়খানা হয়।
🔵২।তল পেটে চিন চিন করে লাগাতার ব্যাথা করতে থাকে।
🔵৩।তারপর বারবার মলত্যাগের জন্য পায়খানায় যান।
🔵৪। কিন্তু টয়লেট থেকে ফিরে আসার পর মনে হয় পেটের ভিতর আরো মল আছে।
🔵৫।এভাবে পায়খানায় বারবার যেতে হয়।
🔵৬। কেউ ভাল কথা বললেও ভাল লাগে না। খাবার অরুচি।
🔵৭। মেজাজ খিটখিটে।
🔵৮ । ওজন কমে যেতে পারে।
🔵৯। একটু খেলেই মনে হয় কতগুলো খেলাম।
🔵১০। সবসময় পেট ফুলে থাকে।
🔵১১। রাতে ভাল ঘুম হয় না।
🔵১২। **দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার সহ্য করতে পারেন না।
🔵১৩।** যেমন দুধচা, শিমাই, পায়েস, সুজি, মিস্টি, শাক :: ইত্যাদি খেলেই পেটের ভিতর যুদ্ধ শুরু হয় মানে প্রচন্ড ভাট ভুট করে।
🔵১৪. ওজন কমে যাওয়া, জ্বর জ্বর লাগে। একটুতেই ক্লান্তি লাগে।
🔵১৫. যৌন সমস্যা (ইচ্ছে ওধারন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।)
🔵১৬. রক্ত বা পুঁজ ছাড়া প্রায়ই পাতলা পায়খানা হয়।
🔵১৭. খাবার অরুচির সাথে বমি বমি ভাব।
🔵১৮. একটু খেলেই মনে হয় কতগুলো খেলাম।
🔵১৯. পেট ফুলে যাওয়ায় প্যান্টের হুক
ও চেন খুলে অফিসে বসে থাকতে হয়।
🔵২০. মেট্রো বড়ি খেলেও ভাল হয় না।
🔵২১। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গন বলেন এই রোগটি অর্ধেক শারীরিক ও অর্ধেক মনের রোগ।
🔵২২। অনেক জুনিয়র চিকিৎসক বা গ্রাম্য চিকিৎসক বছরের পর বছর আমাশয় ভেবে চিকিৎসা করতে থাকেন।
🔵২৩। অনেক চিকিৎসক শুধুমাত্র শরীরের চিকিৎসা দেন কিন্তু মনের চিকিৎসক দিতে ভুলে যান। ফলে রোগী সুস্থ হয় না।
🔵২৪. 🧧এই রোগের কারণ কি?🧧
ক. আসল কারণ অজানা।
খ. জিন গত বা পারিবারিক
গ. শরীরের দুর্বল ইমিউন সিস্টেম।
বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম
🔵২৫। দয়া করে আমার ও আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।
🔵২৬। আমি এই পোস্টে ভুল কিছু লিখে থাকলে তা যে কেউ সংশোধন বা
সংযোজন করলে খুশি হবো।
🔵২৭. 🧧করনীয় /চিকিৎসা 🧧
ক) যে খাবার গুলো খেলে রোগ বাড়ে সেগুলো বর্জন করতে হবে।
খ। অযথা বা অকারণে চিন্তা করা চলবে না।
গ) এক্ষেত্রে অবশ্যই একজন গ্যাস্ট্রোইন্টেরলজিস্ট চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।
ঘ) চিকিৎসক প্রয়োজনে রোগের ও দুশ্চিন্তার ঔষধ দিবেন।
ঙ) আই বি এস রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি গ্যাস্টিক, আমাশয় বদহজম এর চিকিৎসাও করতে হবে।
চ) নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
ছ) যে কোনো দুধ বা দুধ আছে এমন খাবার ও শাক খাবেন না।
জ) ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন।
ঝ) নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন।