08/10/2025
আসসালামু আলাইকুম
আমি ক্যান্সার গবেষক ডাক্তার এস.এম সরোয়ার
আসলে ক্যান্সার এমন একটা রোগ সারা পৃথিবীর ডাক্তারদের বক্তব্য ক্যান্সার রোগ ভালো হয় না। আপনি যেকোন দেশের বা বাংলাদেশের যে কোনো ডাক্তার কে প্রশ্ন করুন আপনার যে ক্যান্সার টা হইছে সে ক্যান্সার টা কী ভালো হবে? তারপর ডাক্তাররা সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিবে যে ক্যান্সার টা ভালো হবে না। আপনার সাময়িকভাবে চিকিৎসা চলবে এক সময় আপনার মৃত্যু হবে এটাই আপনাকে মেনে নিতে হবে। বিশেষ করে আপনি যে যে জায়গায় চিকিৎসা করেছেন তার রেজাল্ট না পেয়ে থাকেন। আপনি যদি আপনার একজন প্রতিনিধিকে আমাদের চেম্বারে পাঠান।
আমাদের স্যার শনি রবি সোম ঢাকাতে মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি হবিগঞ্জে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। এখানে যে রোগী গুলা আসে তারা ১-৪ মাস ঔষধ খাইছে আবার যখন রোগীগুলা ঔষধ নেওয়ার জন্য আসে। তাদের কে প্রশ্ন করুন? আমাদের যে রোগীগুলা ৪ মাসে সুস্থ হয় আপনি এই রোগীগুলোকে যখন প্রশ্ন করবেন। তারা বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর চিকিৎসা করে সুস্থ হয় নাই সেই রোগী গুলাই ১-২ মাস ঔষধ খাওয়ার পর সম্পূর্ন রুপে স্যারের কাছে সুস্থ হয়েছেন। যেটা আপনারা প্রাকটিক্যালী রিপোর্টেই দেখতে পারবেন। বিশেষ করে ডাক্তার এস. এম সরোয়ার লিখে (Facebook, YouTube, Tik Tok, Instagram) এ সার্চ করলে সাড়ে ৫ হাজারের ও অধিক ক্যান্সার, কিডনি, থ্যালাসেমিয়া, এইডস রোগীর সাক্ষাৎকার পাবেন। যারা সুন্দর ভাবে সুস্থ হয়েছেন। বিশেষ করে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের ব্যারিস্টার সুমনের চাচি, এডভোকেট তুহিনের আম্মা, চুনারুঘাট বাগবাড়ি হান্নান মিয়া সাহেবের ওয়াইফ। তার প্রথম গ্যাস্ট্রোলজিতে ক্যান্সার হয়, তারপর ইউরোলজিতে ক্যান্সার ছড়ায়, তারপর কোলনে ক্যান্সার ছড়ায়, তারপর খাদ্যনালীতে ক্যান্সার ছড়ায়। সেই ক্যান্সারের সাথে আবার ক্রিয়েটিনিন পয়েন্ট ৩০ এর উপর চলে যায়। তিনি বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, সিঙ্গাপুর চিকিৎসা করে সুস্থ হননি। তার ক্যান্সার ছড়াতে ছড়াতে সারা বড়িতে চলে যায়। সেখানে তিনি আল্লাহর রহমতে আমাদের স্যার চিকিৎসা করার পরে সম্পূর্ন ভাবে সুস্থ হয়। আজ থেকে ২০ বছর আগে সুস্থ হয় এখনো সুস্থ আছে। তার পাশের বাড়ি চুনারুঘাট বাগবাড়ি সিদ্দিক মিয়া সাহেবের ওয়াইফ তিনি চুনারুঘাট যে সয়ামিল টা আছে তার মালিক উনার ওয়াইফের জরায়ু ক্যান্সার হয়। আল্লাহর রহমতে যখন কোনো ডাক্তারের চিকিৎসায় সুস্থ হয় নাই, এরপর আমাদের স্যার চিকিৎসা করার পরে সুন্দরভাবে সুস্থ হয়। এটাও ২০ বছর আগে। তার পাশের বাড়ির আল্লাহর অশেষ রহমতে ব্যারিষ্টার সুমন সাহেবের পিছনে তিন জন আত্মীয় তিনজনেরই ক্যান্সার হয় আল্লাহর রহমতে স্যারের কাছে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়। আরেকজন রোগী মরণাপন্ন অবস্থায় একদম প্লাট বিছানায় ছিলো তিনিও স্যারের চিকিৎসা নিয়ে তিনজনই সুস্থ হয়। এটাও ২০ বছর আগে। আমাদের সিলেটের স্বনামধন্য ডাক্তার ক্যান্সার স্পেশালিস্ট কামাল উদ্দিন সাহেব তার চাচী শিলাউড়া জামে মসজিদের সভাপতি বুরহান উদ্দিন সাহেবের ওয়াইফ কাচাঁমালা তার ব্রেস্ট ক্যান্সার হয়। সিলেটের ক্যান্সার স্পেশালিস্ট কামাল উদ্দিন সাহেব তার চিকিৎসা করে ব্যার্থ হয় তখন বলেন এই রোগী চিকিৎসা করে লাভ নাই উনার বয়স হয়েছে বেশী উনি হয়তো আর বাচবে না আর কিছুদিনের মধ্যে তিনি মারা যাবেন আপনারা বাড়িতে নিয়ে যান। তারপর আমাদের স্যারের শরণাপন্ন হয় আমাদের স্যার চিকিৎসা করেন। এরপর সম্পূর্ন রুপে সুস্থ হয়। আল্লাহর রহমতে ২০ বছর যাবৎ তিনি ক্যান্সার মুক্ত হায়/সূত্র আছেন। শিলাউড়া গ্রামে মনু মিয়া চাচা বড় মাতব্বর উনার ওয়াইফের জরায়ু ক্যান্সার হয় সেই ক্যান্সার রোগী বাংলাদেশে চিকিৎসা করে যখন সুস্থ হয় নাই। আল্লাহর অশেষ রহমতে স্যারের চিকিৎসা নিয়ে সন্ত হয়। মজিদপরের সিরাজ মিয়া মেম্বার বাংলাদেশের স্বনামধন্য বড় বড়।
ডাক্তারদের কাছে চিকিৎসা নিয়ে যখন ব্যর্থ হয় একদম মরণাপন্ন বিছানায় পড়ে গেছে তখন আমাদের স্যার চিকিৎসা করেন এবং সম্পূর্ন সুস্থ হন। শুধু তাই নয় হবিগঞ্জ সদরের সন্ধ্যা রানী মেম্বার তার হাজবেন্ডের ক্যান্সার ছিলো সেটা ও বাংলাদেশের স্বনামধন্য ডাক্তারের চিকিৎসায় যখন সুস্থ হয় নাই আমাদের স্যারের চিকিৎসায় সুস্থ হয়। এমনিভাবে আপনারা কয়েক হাজার রোগী পাবেন স্যারের চিকিৎসায় সুন্দরভাবে সুস্থ হয়েছেন। ঢাকার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিজাম উদ্দিন মিরপুর উনি ও ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন। আমাদের স্যারের চিকিৎসায় সুন্দরভাবে সুস্থ হন। আমাদের সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক সাহেবের প্রধান গার্ড মোস্তাফিজুর রহমান তাদের পরিবারে ও ১০ জন এমবিবিএস ডাক্তার আছে। তাদের ভাই শেরপুর সদরেরে হাসু মিয়া যখন তিনি স্যারের কাছে আসছেন তখন একেবারে কাপনের কাপড় গলায় নিয়া আসছে আমি ত এর বাঁচবো না স্যার আপনি চিকিৎসা দিয়ে লাভ কী? আমি কাপনের কাপড় গলায় নিয়া আসছি ডাক্তার বলছে আমি আর বাঁচবো না। স্যার আপনি এই টাই বলবেন স্যার ঔষধ দেন যতদিন বাঁচি খাই আল্লাহর রহমতে তিনি ও সুস্থ হন। আজ থেকে ২০ বছর ধরে সুস্থ। আমাদের স্যারের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে ২০ বছর আগে যে রোগীগুলা সুস্থ হয়েছেন এখনো সুস্থ আছেন তাদের কথাগুলা আপনাদের শুনাচ্ছি। ঢাকার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় দপ্তর হেলাল সাহেব তিনি ২টা টেলিভিশন ও ২টা পত্রিকার দায়িত্বে আছেন ওনার থাইরয়েড ক্যান্সার হয়। পিজির পাল গোপাল সাহেব থাইরয়েড ক্যান্সার অপারেশন করেন। উনার কানের এক লতি থেকে আরেক লতি পর্যন্ত থাইরয়েড ক্যান্সার হয় সেই রোগীটা আবার বোবা হয়ে যায় মুখ থেকে জবান বন্ধ হয়ে যায়। মুখ দিয়ে লালা পড়া শুরু করে। এরপর ডাক্তার বলছেন আর কোনো চিকিৎসা নাই। সেই অবস্থায় আমাদের স্যার চিকিৎসা শুরু করে এবং আজ থেকে দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ হেলাল সাহেব সুন্দর ভাবে সুস্থ আছেন। ভোলা মাস্টার এসোসিয়েশনের সভাপতি আলম সাহেব উনার ক্যান্সার হওয়ার পরে ৮৫ কেজি থেক ওজন ২৫ কেজি হয়ে যায়। শরীরে শুধু হাড়গুলো আছে মাংস নেই। এম্বুলেন্সে একেবারে ফ্ল্যাট অবস্থায় আমাদের স্যার চিকিৎসা করেন তখন পায়ের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার পরে পা দুই টুকরা হয়ে যায়। ডাক্তাররা চাইলেন পা টা কেটে ফেলবেন। আমাদের স্যার বললেন পা টা কে ব্যান্ডেজ করে নিয়ে আসেন চিকিৎসা করে দেখি কী হয়। আল্লাহ কী করে, ডাক্তাররা বলছেন এটা কোনো ভাবেই সম্ভব না পা টা কেটে ফেলতে হবে। আল্লাহর কী অশেষ রহমত পা কাটতে গিয়ে উনার শারীরিক কন্ডিশন নাই বলে ডাক্তাররা অপারেশন করতে পারেন নাই, তারপর আমাদের স্যারের কাছে ব্যান্ডেজ করে নিয়ে আসছেন। এবং তিনি আজ থেকে ২০ বছর আগে সুন্দর ভাবে সুস্থ হন এবং উনার ওজন এখন ৮৫ কেজির উপরে আগের থেকে স্ট্রং আছেন। কুমিল্লার লাকসাম সিয়াং গ্রামে একদম কালভার্টের পাশেই যে বাড়িতে পাঁচ ভাইয়ের এক সন্তান জন্ম নিছে যেদিন জন্ম নিছে ঔদিনই দেখা যায় তার শরীরে ব্লাড নাই। মেডিকেল টেস্ট করে দেখা যায় তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে। স্কয়ারে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখা প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ করছে তারপরে ও সুস্থ হয় নাই। ডাক্তার বলছেন শরীরের সমস্ত রগ শুকিয়ে গেছে এর কেমোথেরাপি দেওয়া সম্ভব না। উনাকে বাড়িতে নিয়ে যান আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। দুই এক দিনের ভিতর আপনার বাচ্চার মৃত্যু হবে। এ অবস্থায় স্যারের কাছে নিয়ে আসেন স্যারের কাছে চিকিৎসা করেন এবং স্যারের চিকিৎসা নিয়ে সম্পূর্ন ভাবে সুস্থ হয়। এখন বর্তমানে বাচ্চার বয়স ৮ বছর লেখাপড়া করতেছে সুন্দর ভাবে। কুমিল্লার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের মুজিবুর রহমান সাহেব তার ক্যান্সার হয়। তার পা টা ভেঙ্গে আলাদা হয়ে যায়, তারপর স্যারের কাছে নিতে আসেন। আমাদের স্যার চিকিৎসা করেন আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ হয়। উনি সুস্থ হওয়ার পরে বৃদ্ধ মানুষ যুবকদের মত কাজ করে। তেমনিভাবে আপনি ডাক্তার এসএম সরোয়ার লিখে (Facebook, YouTube, Tik Tok, Instagram) সার্চ করেন রোগীর মাথার চুল থেকে শুরু করে পায়ের নক্ পর্যন্ত পুরুষদের গলা থেকে একেবারে পেনিস পর্যন্ত এবং মহিলাদের গলা থেকে জরায়ু পর্যন্ত। পিটে বা সামনে পিছনৌও থেকে ৫ টা অপারেশন করা হইছে একেবারে ফ্ল্যাট বিছানায় সুয়ে আছে এসব রোগীগুলা সুন্দর ভাবে সুস্থ হয়েছে। এইসব রোগীর সাক্ষাৎকার পেয়ে যাবেন। আরেকজন
রোগী চট্টগ্রামের এডভোকেট আব্দুল্লাহ সাহেব উনি হাই কোর্টে আছেন। উনার বোনের পিটের মধ্যে একদম একটা বড় গর্ত হয়ে পিঠের মধ্যে মেরুদন্ডের হাড় দেখা যেতো, বিছানায় কাতরাতো গন্ধে ঘরে প্রবেশ করা যাইতো না। স্যারের কাছে আসে এবং ৪ মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনিও সুস্থ হন। ১০ বছর যাবৎ সুস্থ আছেন। আরেকজন রোগী ঢাকার শাহজাদপুরে থাকতেন বর্তমানে চুনারুঘাটে থাকেন উনি ১০ বছর আগে স্যারের কাছ থেকে চিকিৎসা নেন এবং সুস্থ হন। উনি এখনো সুস্থ আছেন ১০ বছর যাবৎ এবং উনার স্ত্রীর ক্যান্সার হয়েছে স্যারের কাছেই চিকিৎসা করতে নিয়া আসছে। স্যারের জন্য কয়েক কার্টুন মিস্টি নিয়া আসছে বিশেষ করে আপনারা দেখবেন ডাক্তাররা বলেছে এই রোগীর চিকিৎসা করে লাভ নাই উনি আর বাচবে না। এরপরে স্যারের কাছে আসছে এমন হাজার হাজার রোগী স্যারের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। যখন বড় বড় ডাক্তাররা বলে ক্যান্সারের কোনো আন্সার নাই ক্যান্সার মানেই মৃত্যু, তখন স্যার দ্বীপ্ত কন্ঠে বলেন
ক্যান্সারের কোনো আন্সার নেই এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। যে ডাক্তাররা বলেন ক্যান্সার হলে কোনো আব্দার নাই তাদের ৫০ টা ডকুমেন্ট পাবেন না যে ক্যান্সারের রোগী সুস্থ হয়েছে যদি ৫০ তা ডকুমেন্ট দিতে পারেন (Facebook YouTube, Tik Tok, Instagram) থেকে। তাহলে আপনারা ঐ ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে পারেন। আপনারা আমাদের স্যারের যদি প্রমান খোঁজেন সাড়ে ৫ হাজারের অধিক ক্যান্সার রোগীর ডকুমেন্ট বা রোগীর সাক্ষাৎকার (Facebook, YouTube, Tik Tok, Instagram) পেয়ে যাবেন যারা স্যারের কাছে চিকিৎসা নিয়ে সুন্দর ভাবে সুস্থ হয়েছেন। আপনাকে বিশেষ করে বলব অযথা টাকা পয়সা নষ্ট না করে আপনি আমাদের স্যারের কাছে আসুন। আপনি যদি নিয়মিত ৪ মাস চিকিৎসা করেন ইনশাআল্লাহ সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে যাবেন। এই রোগের জন্য প্রথম মাসের খরচ আসবে ৩৫ হাজার টাকা। পরবর্তী মাস থেকে ১০ হাজার টাকা করে নিয়মিত ৪ মাস চিকিৎসা করার পর আপনারা টেস্ট করবেন। ইনশাআল্লাহ রিপোর্ট' সব ভালো আসবে। নিয়মিত এক বছর চিকিৎসা করলেই সুন্দর ভাবে সুস্থ হয়ে জীবন যাপন করতে পারবেন। আমাদের স্যারের চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় আপনারা প্রয়োজনে এলোপ্যাথিক, ইউনানী, আয়োবেদিক ঔষধ সেবন করতে পারবেন। আপনি যদি আমাদের স্যারের থেকে চিকিৎসা নিতে চান তাহলে কমপক্ষে ২/৩ দিন আগে সিরিয়াল কনফার্ম করতে হবে আমাদের প্রতিদিন ৩০০/৪০০ এর উপরে রোগীর সিরিয়াল থাকে। যেদিন আসবেন ঐদিন সারা দিনের টাইম নিয়ে আসতে হবে। কারন অনেকগুলা পেসেন্ট হওয়ার কারনে আপনার সিরিয়াল টা মেইন্টেইন করতে কিছু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার আছে। রোগীর নাম, ঠিকানা, বয়স কোনদিন আসবেন উল্লেখ করে WhatsApp নাম্বারে পাটাবেন। আমি আপনার জন্য একটা সিরিয়ালের ব্যবস্থা করে রাখতেছি। আমাদের স্যার রোগী দেখেন শনি, রবি, সোমবার পুরানা পল্টন বাইতুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইটের বিপরীত পাশে বায়তুল ভিউ টাওয়ারের লিফটের ১১ তলায় মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি হবিগঞ্জ নতুন বাস স্ট্যান্ড পপুলার জেনারেল হসপিটালে। স্যারের সাথে আরো ৪০ জনের একটা ক্যান্সার চিকিৎসকের টিম স্যারের সহকারী হিসাবে কাজ করেন। এমবিবিএস ডাক্তার, হোমিও সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী বিএইচমএস, ডিএইচএমএস ডাক্তার গোল্ড মেডলিষ্ট ডাক্তার সহকারী ক্যান্সার চিকিৎসক হিসাবে স্যারের সংঙ্গে কাজ করেন। বিশেষ করে রোগী সুস্থ হওয়ার ভিডিও আমি আপনার WhatsApp এ পাটাচ্ছি। আচ্ছা টিক আছে আমি এখন আপনার কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি। আপনি যখন সিরিয়াল দিবেন তখন আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। কমপক্ষে ২/৩ দিন আগে সিরিয়াল কনফার্ম করবেন। ধন্যবাদ।