Dr. Amit Biswas

Dr. Amit Biswas Dr. Amit Biswas,
MBBS (KMC),
FCPS Part II Trainee
Dept Of Radiology & Imaging. Dhaka Medical College Hospital. Mentor & Clinical Researcher.

05/12/2025

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

আমার দ্বিতীয় বই নিয়ে একটি প্রতিবেদন। বইটি কোলকাতার প্রখ্যাত অভিযান পাবলিশার্স প্রকাশ করে।
06/11/2025

আমার দ্বিতীয় বই নিয়ে একটি প্রতিবেদন। বইটি কোলকাতার প্রখ্যাত অভিযান পাবলিশার্স প্রকাশ করে।

এক্সরে তে Salt & Pepper Appearance কখন থাকে?Hyper Parathyroidism- এ শরীরে অতিরিক্ত Parathyroid Horomone এর তৈরি হওয়ার জন...
06/11/2025

এক্সরে তে Salt & Pepper Appearance কখন থাকে?
Hyper Parathyroidism- এ শরীরে অতিরিক্ত Parathyroid Horomone এর তৈরি হওয়ার জন্য বেশি বেশি Bone Resorption এবং Bone Demineralization হয়।

হাড়ের ম্যাট্রিক্স ক্ষয় হয়ে যাওয়ায় Skull Bones এ ছোট ছোট Focal Lesion তৈরি হয়, যেখানে Bony Matrix এর পরিমাণ আশপাশ থেকে কম থাকে। ফলে অন্য অংশের চেয়ে সেই ক্ষয়ে যাওয়া এরিয়া More Radio Lucent হবে।

তাই এই পেশেন্টের মাথার এক্সরে করলে সেখানে কালো কালো ফোটা পাওয়া যাবে, খানিকটা লবণ আর গোলমরিচ গুড়া একসাথে মিশিয়ে ঝাঁকালে যেমন দেখা যায়; তেমন আর কি!

এটাকেই Salt & Pepper Appearance বলে।

পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম বুক রিভিউ । অমিতাভ অরণ্য । লাশ কাটা ঘরে টালমাটাল অবস্থায় বুদ্ হয়ে থাকা পরাণ ডোম এখন ওই পাড়ার মালত...
06/11/2025

পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম বুক রিভিউ । অমিতাভ অরণ্য ।

লাশ কাটা ঘরে টালমাটাল অবস্থায় বুদ্ হয়ে থাকা পরাণ ডোম এখন ওই পাড়ার মালতীকে নিয়ে আর ঘোরের মধ্যে থাকে না। হাসপাতালের নতুন ফরেনসিক মেডিকেলের ডাক্তার স্নেহা কাজীকে এখন তার বেশ মনে ধরেছে। প্রেম প্রেম অনুভূতি কাজ করলেও সমাজ, পেশা আর অবস্থান একে তো বাধা, তার উপরে স্নেহা ম্যাডামও মন দিয়ে বসে আছে আরেকজনকে। এদিকে প্রফেসর খান মৃত্যুবরণ করার পর থেকে পরাণেরও দিনকাল খুব একটা সুবিধার যাচ্ছে না। মনঃপীড়ন নাকি ক্ষোভ, কিসের জ্বালে কব্জা করেছে পরাণকে?

মানুষের শখের শেষ নেই। জীবনের মতো শখের আছে সাতকাহন। বাবার কাছে শখের মাত্রাটা যেন একটু বেশিই। কিন্তু বাবারা সেই আবদার পূরণ করার সাথে সাথে সময়ের অন্তরালে আমাদের নিজেদের অজান্তে লুকিয়ে ফেলেন সবচেয়ে আকাঙ্খিত ও মূল্যবান বস্তু। আমরা কতজন তার কাছ থেকে তা চেয়ে নিতে সুযোগ পেয়েছি?

তরী আর শৌনকের দাম্পত্য জীবনে কোনো কিছুর অভাব নেই। বিত্ত-বৈভব আর নিত্যদিনের আবদারের সাথে এতো বছরের সাংসারিক জীবন অতিবাহিত হয়ে গেলেও তরীর মনে অনেক প্রশ্ন, আর শৌনকের মনে অবধারিত শংকা, ভয় আর দুর্বিসহ স্মৃতি? কোন পর্দা সরালে বেরিয়ে আসবে অজানা সত্যি? সম্পর্কের টানাপোড়নে ভালোবাসা, প্রেম আর মোহ কোন প্রভাবকের কাজ করে?

জীবনটা খুব ছোট বলে মনে হয় যখন আপনাকে বলা হবে, শেষ সিদ্ধান্ত নিতে, আর শেষ স্বপ্ন দেখতে। কেমন বুকের বা পাশে একটা মোচড় দিয়ে উঠে ব্যাপারটা ভেবে দেখলেই। ‘শেষ সিদ্ধান্ত’ ও ‘শেষ স্বপ্ন’ দুটি আলাদা গল্প, আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। সম্পূর্ণ আলাদা জীবন থেকে। কিন্তু বার্তা ও মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনা খুব কাছাকাছি।

জ্যোতির বাবা মায়ের সম্পর্কে ক্রমশ অবনতি ঘটছে। ছোট্ট জ্যোতি নিজের মতো খেয়ে দেয়ে বিচরণ করে নিজের জগতে। পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষন্নতা কাটাতে বয়ে চলা ছোট নদীর পাশে গিয়ে বসে থাকতো সে। সেখানেই পরিচয় হয় রূপমের সাথে।

বেশ অনেকদিন হয়ে গেলেও রূপম জ্যোতির ব্যাপারে সবকিছু জানলেও, জ্যোতি জানে না রূপমের পরিচয়। যখন সব সত্য সামনে ধরা দিলো স্বচ্ছ আয়নার মতো, তখন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি অবাস্তবতার প্রচ্ছদে। জ্যোতি কি পারবে সবটা সামলে উঠতে?
১০টি আলাদা গল্পে সাজানো ‘পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম’ একটি একক গল্প সংকলন।

পাঠ পর্যালোচনা:
প্রথমেই বলে রাখা উচিত যে নহলী প্রকাশনী খুব চমৎকার কাজ করেছেন বইয়ের বাধাই, মুদ্রণ, প্রচ্ছদ এর কাজের ক্ষেত্রে। নহলীকে নিয়ে বরাবর আশা করা যায়, কারণ এর যুগোপযুগী প্রুফ রিডিং। কিন্তু এ প্রসঙ্গে আমার এই বইটির ক্ষেত্রে কিছু বলার আছে। সে কথা বিস্তারিত আলোচনা পরে করবো। আগে লেখকের কাজ নিয়ে কিছু কথা বলি।

গল্পগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও আলোড়ন সৃষ্টি করে এমন সব গল্পকে এক মলাটের মধ্যে আবদ্ধ করতে গিয়ে লেখক বেশ চমৎকার কিছু কাজ আমাদের উপহার দিয়েছেন।

নিঃসন্দেহে তিনি লিখেন ভালো। ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি বেশ কয়েক স্থানে আঞ্চলিকতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন, তা তিনি নিজের গ্রামকে ভালোবাসার বলে তার ফল হিসেবে ধরে নিচ্ছি। তা বাদ দিলে, আমার মতে, কোনো গল্পই ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্যকে পূরণ করতে পারেনি। কারণ, ছোট গল্পের শেষ বাক্য এমন হওয়া উচিত যে শেষ হয়েও যেন কিছু শেষ হলো না। অনেক গল্পেই আর নতুন করে পাঠকের ভেবে নেওয়ার মতো দুটি অপশন ছিল না।

গল্পগুলো কিছুটা উপন্যাসের মিনি ভার্সন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কাহিনী পড়লে এইটুকু বোঝা যায় নতুন লেখক হিসেবে তার ভেতরে অনেক কাহিনী জমা আছে। কিন্তু তাকে সেইভাবে গড়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। ব্যক্তিগত মতামত হলেও, এই বই থেকে ১০টি গল্প পড়েছি। আর লেখককে ভালো করে বোঝার জন্য ১০টি গল্প কম কিছু নয়।

অন্যান্য গল্পগুলো কিছুটা সমসাময়িক, ভিন্ন ধারার নয় বলা যায়। অনেকাংশে পূর্বে অনুমেয়। কিন্তু ‘শেষ স্বপ্ন’ একদম বাক্সের বাইরে চিন্তাভাবনার অনন্য সংযোজন। এইভাবে তো ভেবে দেখিনি, এই কথাটা শুধু এই গল্পের বেলাতেই খাটে।

মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দে ভুগতে, সাসপেন্স, থ্রিল, রহস্য, রোমাঞ্চ যাই বলেই উত্তেজনার রাইডের গল্প বলি না কেন, এর আবেশ থাকা চাই অনেক দিন। প্রথম গল্পটিই হতে পারতো একটি উপন্যাস। অনেক ইনিয়ে বিনিয়ে গল্পগুলোকে বড় করা যেতে পারতো। তাতে যে আবেশের সৃষ্টি হতো তা ৫টি গল্প বললেও যথেষ্ট ছিল।

যারা প্রচুর থ্রিলার পড়েন, তাদের জন্য খুব সাদামাটা গল্প মনে হতে পারে। কিন্তু আবেগের স্থান থেকে কিছু কথা হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে।

মেডিকেল কলেজে অধ্যয়ন করার জন্য লেখকের ভাষার ব্যবহারে চিকিৎসা বিদ্যার বেশ কয়েকটি বিশেষ তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছি। তবে সকল গল্পের মাঝে সেই বিষয়গুলো বারবার চলে আসাতে পুরো সংকলনটি কোথাও যেন মেডিক্যাল মিষ্ট্রি ঘরানার বই বলে প্রতিপন্ন হচ্ছিলো।

ইতিবাচক ফলাফল এই যে, কিছু গল্প শুধু থ্রিলের জন্য নয়, বরং সামাজিক বিপর্যয় থেকে মানুষকে বের করে পারিবারিক ও আত্মসচেতন করে গড়ে তুলতে অনেকাংশে সাহায্য করবে। এতে আমরা একটি সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে আরেকটু গোছাতে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখার সুযোগ করতে পারব। শুভ কামনা।
-রূপন্তী শাহরীন

09/10/2024

জন হপফিল্ড লোকটা অদ্ভুত। যিনি ফিজিক্সে নোবেল পেলেন।

এই লোক ব‍্যাচেলর এবং পিএইচডি করছেন ফিজিক্সে। কিন্তু পরে প্রচুর পড়াশুনা করছেন কেমেস্ট্রি এবং বায়োলজি নিয়ে। প্রিন্সটনের মতো ইউনিভার্সিটিতে “মলিকিউলার বায়োলজির” প্রফেসর ছিলেন। ফিজিক্স পড়ে মলিকিউলার বায়োলজিতে এক্সপার্ট! বুঝেন অবস্থা! এবং ক‍্যালটেকে “কম্পিউটেশন এন্ড নিউরাল সিস্টেম” নামে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করছেন।

এরা যে কি নিয়ে পড়ে, কি নিয়ে কাজ করে—বুঝাই যায় না। এরা সকালে পড়ে একটা। বিকালে পড়ে আরেকটা। ব‍্যাচেল করে এক বিষয়ে। পিএইচডি করে আরেক বিষয়ে। পোস্টডক করে আরেক বিষয়ে। নোবেল পায় আরেক বিষয়ে। এমন বহু উদাহরণ আছে।

রয়েল সোসাইটির প্রাক্তন চেয়ারম‍্যান এবং নোবেল বিজয়ী ভ‍েঙ্কট রামাকৃষ্ণন ও এমন ছিলেন। পিএইচডি করেছেন ফিজিক্সে। পরে তার ইচ্ছে হইছে, ফিজিক্স ভালো লাগে না। পড়লেন বায়োলজি নিয়ে। গবেষক হয়ে গেলেন RNA নিয়ে। এবং নোবেলও পেয়েছেন সে বিষয়ে।

আমার পোস্টডক সুপারভাইজর একবার দুইটা বায়োলজির পিএইচডি’কে পোস্টডক হিসেবে ল‍্যাবে নিলেন। তারপর এসে আমাদের বললেন, এই দুইজনকে তোমরা অর্গানিক কেমেস্ট্রি শিখাবা। আর ওরা আমাকে বায়োলজি শিখাবে। (মনে মনে কইলাম, তোমার বয়সী মানুষদের বাংলাদেশে বলে “এক পা কবরে চলে গেছে”)

কিছু মানুষ যে ক‍্যামনে এতো কিছু পড়ে আর ভাবে—সেটাই বুঝি না। আমিও ট্রাই করি। কিন্তু ঘুম চলে আসে।

খোদা দুনিয়াতে এক শ্রেণীর লোকই পাঠায় যারা শুধু পড়বে, ভাববে আর সৃষ্টি করবে। আমরা তাদের কাজ মুখস্থ করে পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি করবো।
-রউফুল আলম।

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষ একই জেনেটিক তথ্য বহন করে। সবার মাঝেই বাবা ও মায়ের কাছ থেকে আসা একই ২৩ জোড়া ক্রোমোজম আছে। প্রতি...
08/10/2024

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষ একই জেনেটিক তথ্য বহন করে। সবার মাঝেই বাবা ও মায়ের কাছ থেকে আসা একই ২৩ জোড়া ক্রোমোজম আছে। প্রতিটি কোষেই ডিএনএ এর তথ্য একই। তাহলে কেন শরীরের বিভিন্ন কোষ আলাদা? কেন কাজ আলাদা? কেন মাংসপেশীর কোষ আর মস্তিষ্কের কোষ একই ডিএনএ বহন করা সত্ত্বেও দেখতে একেবারে আলাদা, কাজে আরও বেশি আলাদা? কেন একটিমাত্র ভ্রুণ কোষ লক্ষ লক্ষ বিচিত্র বৈচিত্রময় কোষের সম্ভার তৈরি করে এই জটিল শরীর যন্ত্র গঠন করে?

এই প্রশ্নের উত্তর খুজছিলেন আমেরিকান বিজ্ঞানী ভিক্টর এম্ব্রোস ও গ্যারি রাভকেন। ১৯৮০ সালের দিকে তারা পোস্ট ডক্টরেট করার সময়ে একটি গোল কৃমির নানা কোষ নিয়ে গবেষণা করছিলেন। তারা আবিষ্কার করেন lin-4 নামের একটি মাইক্রো RNA, ঐ গোল কৃমির ডিএনএ এর lin-14 নামের একটি জিনকে কন্ট্রোল করে, প্রকাশে বাধা দেয়। ফলে গোল কৃমির কোষে কিছু ভিন্ন বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়। এই ঘটনা তারা ১৯৯৩ সালে পাবলিশ করেন বিখ্যান Cell জার্নালে।

পরবর্তীতে তাদের এই কাজ জীববিজ্ঞানের গবেষণার নতুন দুয়ার তৈরি করে দেয়। দেখা যায় সব প্রাণীতেই নানা ধরনের মাইক্র আরএনএ বিদ্যমান। কিছু আরএনএ বিবর্তনের লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সংরক্ষিত। যেমন lin-7 মাইক্রোআরএনএ প্রণীজগতে ৫০০ মিলিয়ন বছর ধরে সংরক্ষিত এবং এটি মানুষ, ইদুর, ক্যাঙ্গারু, মাছ, তারা মাছ সহ বহু প্রাণীতে বিদ্যমান। এইসব মাইক্রোআরএনএ শরীরর গঠন, বিশেষায়িত জৈবিক কার্যক্রম এবং অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার সৃষ্টির জন্যেও দায়ী। চিকিৎসাবিজ্ঞানে মাইক্রোআরএনএ এর ব্যবহার নিয়ে চলছে গবেষণা। ক্যান্সার, ALS, সোরিয়াসিস, হার্ট ফেইলিওর সহ নানা রোগে মাইক্রোআরএনএ চিকিৎসার ট্রায়াল চলছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে।

এই দুজন বিজ্ঞানী এ বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন।

~ডা. মো: মারুফুর রহমান
চিকিৎসক ও গবেষক
দ্যা ইউনিভার্সিটি অফ শেফিল্ড, যুক্তরাজ্য

07/10/2024
01/10/2024

গন্তব্য নয়, পথচলাতেই আনন্দ। যেদিন চলার পথ ফুরিয়ে যাবে, সেদিন থমকে যাব আমরা।

তাকাবো ইতিউতি, কি করব বুঝতে না পেরে ধপ করে বসে পড়ব। স্থবির হয়ে যাব, জড়তা গ্রাস করবে; ক্ষয় হয়ে মিলিয়ে যাব আমরা।

তাই পথেই হোক দেখা, পথেই কুড়াই ঝিনুকপাথর আর বুনোফুল। পথের সৌন্দর্য দেখতে দেখতেই বাজুক কালের বাশি, ঈশ্বরের হুইসেল।

-ডা. অমিত বিশ্বাস

01/10/2024

Welcome to the path to Infinity.
Let's have the taste of success together in the field of Higher Studies & Research Methodology.

-Dr. Amit Biswas,
MBBS(Khulna Medical College),
FCPS (Part 1, Radiology & Imaging),
BMDC: A-107412.

Clinical Researchers & Mentor,
Synapse Medical Academy.

Address

Shahbagh
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Amit Biswas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram