Dr Tas'min Zar'a 05

Dr Tas'min Zar'a 05 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr Tas'min Zar'a 05, Doctor, Dhaka.

↪️পাইলস বা হেমোরয়েডস মধ্য বয়সে তাজা মলদ্বারের রক্তপাতের অন্যতম কারণ। এক্ষেত্রে, প্রথম অন্ত্রের গতিবিধির পরে, তাজা রক্ত...
14/09/2024

↪️পাইলস বা হেমোরয়েডস মধ্য বয়সে তাজা মলদ্বারের রক্তপাতের অন্যতম কারণ। এক্ষেত্রে, প্রথম অন্ত্রের গতিবিধির পরে, তাজা রক্ত ফোটাতে বা পড়তে পারে, কিছুক্ষণ পরে, এটি মলের সাথে গোলাকার গলদা বা মাংস হিসাবে বেরিয়ে আসতে পারে, যা প্রথমে অন্ত্রের গতিবিধির পরে ভিতরে যেতে পারে, বা এটি হতে পারে আঙুল দিয়ে ঠেলা.!

সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ☺️☑️

👉পাইলস এনালফিসার এবং ফিস্টুলা কে অবহেলা না করে। স্থায়ী সমাধান এর জন্য সঠিক চিকিৎসা নিন। কেননা দেখা যাচ্ছে যে অপারেশন করে...
14/09/2024

👉পাইলস এনালফিসার এবং ফিস্টুলা কে অবহেলা না করে। স্থায়ী সমাধান এর জন্য সঠিক চিকিৎসা নিন। কেননা দেখা যাচ্ছে যে অপারেশন করেও পাওয়া যাচ্ছে না স্থায়ী সমাধান। তাই সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিজেকে রাখুন সুস্থ। ঠিক আছে নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

👉 লজ্জা বা সংকোচন নয় অবহেলা থেকেই পাইলস এনালফিসার এবং ফিস্টুলা হয়। তাই সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখুন।🥰🥰🥰👉আবার...
14/09/2024

👉 লজ্জা বা সংকোচন নয় অবহেলা থেকেই পাইলস এনালফিসার এবং ফিস্টুলা হয়। তাই সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখুন।🥰🥰🥰
👉আবার অনেকেই লজ্জা বা সংকোচের কারণে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে টোটকা ওষুধ, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করেন। আর ক্রমশ অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ মানুষ সার্জারি বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই হয়তো ভালো হতে পারবেন। কারণ অস্ত্রোপচার করেও অনেকে স্থায়ী সমাধান পায় না। ১ থেকে ২ বছর পর আবার দেখা দিচ্ছে। তাই সঠিক চিকিৎসা সঠিক সময় গ্রহন করুন সুস্থ থাকুন। ☑️

অতি"'রিক্ত ও-জন  মে-দ ভুঁড়ি নিয়ে অহেতুক ভাবনা!মে"দ ভুঁ-ড়ি ও চ"র্বি কমিয়ে আনুন সম্পূর্ণ ১ মাসেই! ডক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী ...
14/09/2024

অতি"'রিক্ত ও-জন মে-দ ভুঁড়ি নিয়ে অহেতুক ভাবনা!
মে"দ ভুঁ-ড়ি ও চ"র্বি কমিয়ে আনুন সম্পূর্ণ ১ মাসেই!
ডক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন এই প্রাকৃতিক জুস।
যে সকল সমস্যার স্থায়ী সমাধান পাবেন :-

১/- হরমোন থাইরয়েড এর ব্যালেন্সিং এ চলে আসবে।
২/- অতিরিক্ত মেদ ভুঁড়ি কমাবে মাত্র ১০দিনেই।
৩/- সিজা"রের পর অতিরিক্ত মেদ জমে যায়,তা থেকে চিরস্থায়ী সমাধান পাবেন।
৪/- অনিয়মিত পিরি-য়ড এর সমস্যার সমাধান হবে।
৫/- ডায়াবেটিস কন্ট্রোলিং এ চলে আসবে।
৬/- হাত,পায়ের,কোমরের ব্যথা চিরস্থায়ীভাবে দূর করবে।

নিজের সকল সমস্যা বলে উপযুক্ত কোর্স সাজেশন নিতে সেন্ড মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন আমরা যথাযথ সেবা প্রদান করব

✅গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য, আইবিএস এবংপুরাতন আমাশয় দূর করার মহা ঔষধ✅অনিয়মিত জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অনিদ্রা ই...
14/09/2024

✅গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য, আইবিএস এবংপুরাতন আমাশয় দূর করার মহা ঔষধ

✅অনিয়মিত জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অনিদ্রা ইত্যাদির করণে হজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রিক/কোষ্ঠকাঠিন্য এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে। বয়স যা-ই হোক না কেন, গ্যাস্ট্রিক অথবা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন বেশিরভাগ মানুষ। কোষ্ঠকাঠিণ্যকে আপতদৃষ্টিতে তেমন সমস্যা বলে মনে না হলেও এ থেকে কিন্তু হতে পারে ভয়ানক এবং বড় ধরনের শারিরীক সমস্যা। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হোন...

✅কৃত্রিম ওষুধপত্রের চেয়ে প্রকৃতিতে থাকা (ভেষজ) ওষুধই সবথেকে বেশি কাজে দেয় এক্ষেত্রে।

✅আমাদের প্রতিটি বাছাইকৃত পন্য অত্যন্ত যত্নসহকারে এবং পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নভাবে নিজ হাতে তৈরী করা। যেটা খেলে গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিণ্য, পুরাতন আমাশয় নির্মূল হবে চিরতরে (আইবিএস নিয়ন্ত্রণে থাকবে)।পাশা-পাশি হজম শক্তি এবং খাওয়ার রুচি বেড়ে যাবে বহুগুণ।

✅যাদের গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য, আইবিএস এবংপুরাতন আমাশয় আছে তাদেরকে বলবো আমাদের এই ভেষজ পাউডারটি একবার শুধু খেয়ে দেখুন।
আমাদের নিয়মগুলো মেনে যদি খেতে পারেন আপনার সমস্যা সমাধান পাবেন ইনশাল্লাহ সবাই পাশে থাকবেন ☺️☑️

এলার্জি হচ্ছে অতি সাধারণ একটি রোগ। এলার্জি হচ্ছে,আমাদের দেহের কোন খাবার বা বস্তুর প্রতি যে প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটাই এলা...
14/09/2024

এলার্জি হচ্ছে অতি সাধারণ একটি রোগ। এলার্জি হচ্ছে,আমাদের দেহের কোন খাবার বা বস্তুর প্রতি যে প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটাই এলার্জি। শিশুদের সাধারণত বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে এলার্জি। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এলার্জি সাধারণত সেরে যায় তবে অনেকের আবার সারা জীবন এলার্জিতে ভুগতে হতে পারে।আগে এলার্জি ছিল না এমন কোন খাবার বস্তুর প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা এলার্জি তৈরি করতে পারেন। এটা খুবই স্বাভাবিক ।প্রতিটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকে একে বলা হয় ইমিউনিটি সিস্টেম ।আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ঠিক ভাবে কাজ করে না বা আমাদের শরীরের প্রতি ক্ষতিকর নয় এমন জিনিসের প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে তখন অ্যালার্জি হয় ।অর্থাৎ আমরা যে খাবার খাই বা বস্তুর সংস্পর্শে আসি সেটা ক্ষতিকর কিনা সেটা অনেক সময় আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বুঝতে পারে না। সেসব খাবারের প্রতি এক ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে যা আসলে অ্যালার্জি । আমাদের দেশে এলার্জিতে ভোগেন এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। এলার্জিতে আসলে হাঁচি থেকে শুরু করে চুলকানি এমনকি শ্বাসকষ্ট হতে পারে ।কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্য অসুবিধা করে আবার কারো কারো ক্ষেত্রে সারাজীবন দুর্বাভাস তৈরি করে। যে বস্তুর প্রতি আপনার অ্যালার্জি আছে সাধারণত সে বস্তু সংস্পর্শে আসলে কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনার শরীরে এলার্জি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে, এটি অনেক সময় কয়েক ঘন্টা ধরে থাকতে পারে ।আসল কথা হল, বেশিরভাগ এলার্জি মৃদু এবং নিয়ন্ত্রণে থাকে। মাঝে মাঝে এলার্জির কারণে মারাত্মক ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে একে বলা হয় এ্যনাফিলাক্সিস। এছাড়াও এলার্জির কারণে প্রধানত যে জাতীয় উপসর্গগুলো দেখা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হাঁচি, চুলকানি, সর্দি এবং বন্ধ নাক।চোখ চুলকাতে চুলকাতে লাল হয়ে যায় এবং পানি পড়া এগুলো সাধারণত দেখা যায় ।এছাড়াও আছে শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে শব্দ হওয়া বা বুক ভারী হয়ে যাওয়া। শরীর ও ত্বকে লাল লাল হয়ে ফুলে যাওয়া ।আমার মনে হয় এটা সবারই হয় এমন কেউ নেই যে এর অভিজ্ঞতা হয়নি কখনো। এছাড়াও ঠোঁট, চোখ, জিহ্বা ফুলে যাওয়া এটি এলার্জির বড় ধরনের লক্ষণ ।এছাড়াও আছে ত্বক শুকিয়ে যাওয়া বা লাল হয়ে কেটে যাওয়া। তবে আপনার কোন বস্তুতি অ্যালার্জি রয়েছে এবং আপনি কিভাবে তার সংস্পর্শে আসছেন সেটার উপর নির্ভর করে আপনার এলার্জি প্রতিক্রিয়া

মানসিক সমস্যা বুঝবেন কিভাবে?‘কনভার্সন ডিজঅর্ডার’ একটি মানসিক রোগ। তবে, এ রোগের উপসর্গগুলো শারীরিক। আক্রান্ত ব্যক্তির হাত...
14/09/2024

মানসিক সমস্যা বুঝবেন কিভাবে?

‘কনভার্সন ডিজঅর্ডার’ একটি মানসিক রোগ। তবে, এ রোগের উপসর্গগুলো শারীরিক। আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পা অবশ বা অনুভূতিহীন হয়ে যেতে পারে, খিঁচুনীর মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। আরও যেসব উপসর্গ দেখা যায় সেগুলো হচ্ছে - কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখে দেখতে না পাওয়া, কানে শুনতে না পাওয়া, অস্বাভাবিক কাঁপুনি, খাবার গিলতে সমস্যা, প্র¯্রাব আটকে যাওয়া ইত্যাদি। রোগের উপসর্গ দেখে মনে হতে পারে, রোগী শারীরিক, বিশেষত বড় কোন স্নায়ুরোগে আক্রান্ত যেমন, স্ট্রোক, খিঁচুনী, পারকিন্সন্স ডিজিজ ইত্যাদি। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শারীরিক কোন রোগ ধরা পড়ে না। ফলে, রোগী ও তার আত্মীয়স্বজনরা বিভ্রান্ত হন। অনেকে মনে করেন, এটি এতই জটিল একটি রোগ যে, কোন ডাক্তার তা ধরতে পারছেন না বা পরীক্ষায় ধরা পড়ছে না। আবার অনেকে রোগী ভান বা ঢঙ করছে মনে করে তিরস্কার বা অবহেলা করেন। অনেকে আবার জ্বীন-ভূতের আছর মনে করে ওঝা-কবিরাজের শরণাপন্ন হন।

মনে রাখতে হবে, কনভার্সন ডিজঅর্ডার জ্বীন-ভূতের আছর যেমন নয়, তেমনি এটি ভান-ও নয়। অবচেতন মনের দ্বন্দ্বের প্রেক্ষিতে জটিল মানসিক প্রক্রিয়ায় রোগীর অজান্তেই এসব উপসর্গ তৈরী হয়। রোগী যখন মানসিক চাপ বা দ্বন্দ্বের কথা মুখে প্রকাশ করতে পারেন না, তখন অবচেতন মন দ্বন্দ্বজনিত উদ্বেগ-উৎকন্ঠা প্রশমনের উপায় খুঁজে নেয়, প্রকাশ পায় শারীরিক উপসর্গ। পরীক্ষা, পারিবারিক অশান্তি, কর্মক্ষেত্রের সমস্যা, সামাজিক অশান্তি, চাওয়া-পাওয়ার অমিল প্রভৃতি দ্বন্দ্ব ও চাপ থেকে এ রোগ দেখা দিতে পারে।

এ ধরণের উপসর্গ দেখা দিলে প্রথমে সার্বিক ইতিহাস জেনে ও যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে আসলেই শারীরিক রোগের কারণে এ সমস্যা হচ্ছে কি না। যদি শারীরিক কোন কারণ না থাকে তাহলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীকে যেমন অবহেলা-তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা যাবে না, তেমনি রোগের উপসর্গ নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা বা অস্থির হওয়াও যাবে না। উপসর্গের চেয়ে বরং নেপথ্যের দ্বন্দ্ব নিরসন বা চাপ কমানোর ব্যাপারে বেশী মনোযোগী হতে হবে। এ রোগের চিকিৎসায় সাইকোথেরাপীর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ সেবনেরও প্রয়োজন হতে পারে☑️☺️

জন্ডিস কী, কেন হয়‘আমাদের মেডিক্যাল টার্মে যখন চোখ এবং প্রশ্রাব হলুদ হয়, তখন এটাকে জন্ডিস বলা হয় এবং জন্ডিস যখন খুব বেশি ...
14/09/2024

জন্ডিস কী, কেন হয়

‘আমাদের মেডিক্যাল টার্মে যখন চোখ এবং প্রশ্রাব হলুদ হয়, তখন এটাকে জন্ডিস বলা হয় এবং জন্ডিস যখন খুব বেশি হয়ে যায় তখন চামড়া বা স্কিনের মধ্যেও হলুদ রংটা চলে আসে।’
বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে জন্ডিস নতুন কোনো রোগ নয়। এ রোগে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। জন্ডিস রোগটি কী, এটি কেন হয়, তা এক ভিডিওতে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হেপাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হোসাইন মোহাম্মদ শাহেদ। তথ্যগুলো তার ভাষায় উপস্থাপন করা হলো পাঠকদের সামনে।

জন্ডিস কী

আমাদের মেডিক্যাল টার্মে যখন চোখ এবং প্রশ্রাব হলুদ হয়, তখন এটাকে জন্ডিস বলা হয় এবং জন্ডিস যখন খুব বেশি হয়ে যায় তখন চামড়া বা স্কিনের মধ্যেও হলুদ রংটা চলে আসে।

সাধারণত বিলিরুবিন নামক একটা পিগমেন্টের কারণে এ জন্ডিসটা হয় এবং এটা রক্তের একটা নরমাল লেভেল আছে, ওয়ান মিলিগ্রাম বা ওয়ান পয়েন্ট ওয়ান মিলিগ্রাম ধরা হয়। এর বেশি হলে এটাকে জন্ডিস বলা হয়।

জন্ডিস কেন হয়

জন্ডিসের অনেকগুলো কারণ আছে। আমরা সহজভাবে বলি, হেপাটাইটিস কিছু ভাইরাস আছে, যেগুলো শরীরে জন্ডিস সৃষ্টি করে। যেমন: হেপাটাইটিস-এ ভাইরাস, বি ভাইরাস, সি ভাইরাস, ডি ভাইরাস, ই ভাইরাস। এ ভাইরাসগুলো শরীরে জন্ডিস করে। এ ভাইরাসটা ছোট বাচ্চাদেরকে জন্ডিস করে। ই ভাইরাসটা বড়দের জন্ডিস করে। বি এবং সি ভাইরাসজনিত হেপাটাইটিস সবারই হতে পারে।

সাধারণত জন্ডিস বিভিন্নভাবে হতে পারে। জন্ডিসের জীবাণুটা শরীরে দুইভাবে ঢুকতে পারে। একটা হলো খাওয়া-দাওয়ার মাধ্যমে ঢুকতে পারে। আরেকটা রক্তের মাধ্যমে বা সিরিঞ্জ এগুলোর মাধ্যমে ঢুকতে পারে। বি এবং সি নিডল/সিরিঞ্জ, রক্তের মাধ্যমে ঢুকতে পারে বা সেক্সের মাধ্যমে ঢুকতে পারে। আর হেপাটাইটিস এ এবং ইটা খাওয়া-দাওয়ার মাধ্যমে, হোটেলে খাইলাম বা কোথাও দাওয়াত খাইলাম, তখন এই জন্ডিসটা শরীরে ঢোকে।

কিছু রোগের কারণে জন্ডিস হয়। যেমন: থ্যালাসেমিয়া বা এক ধরনের অ্যানিমিয়া। অনেক সময় কোনো ওষুধ বা ড্রাগসের কারণে। আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র খাই। এগুলো থেকে অনেক সময় জন্ডিস হয়। যেমন: পেইন কিলার এনএসএডি বা প্যারাসিটামল বা অ্যাস্টেরয়েড ওরাল পিল, ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল। তারপরে বিভিন্ন রকম অ্যান্টিরিউমেটিক ড্রাগ, অ্যান্টি সাইকোটিক ড্রাগ বা অ্যান্টি টিবি ড্রাগ, এসব কারণে জন্ডিস হতে পারে। আবার অনেক সময় পিত্তথলিতে বা পিত্তনালিতে পাথর হইছে বা টিউমার হইছে বা ওয়ার্মস ☑️☺️

মাইগ্রেন কী?মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত কপালের এক পাশে হয়ে থাকে। আর এই ব্যথা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে বম...
14/09/2024

মাইগ্রেন কী?

মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত কপালের এক পাশে হয়ে থাকে। আর এই ব্যথা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে বমিভাব কিংবা বমি, আলো বা শব্দে খারাপ লাগা। ৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যথা থাকতে পারে।

মাইগ্রেন সমস্যা হলে চোখের সামনে আলোজাতীয় কিছু দেখা, শরীরের এক পাশ ঝিনঝিন করার সমস্যা হতে পারে।

পনির, চকলেট, কফি, অনিদ্রা, দুশ্চিন্তা, দুর্গন্ধ, দীর্ঘসময় খালি পেটে থাকা, অতিরিক্ত আলো বা রোদ কিংবা খুব কম আলো, অতিরিক্ত শব্দ কানে এলে এ সমস্যা হতে পারে।

মাইগ্রেনের উপসর্গ

মাইগ্রেনের সমস্যা হলে মাথার ভেতরে ব্যথা হয়। এই ব্যথা সাধারণত মাথার একদিকে হয়, ডান অথবা বাঁ। তবে অনেক সময় মাথার দুদিকেই ব্যথা হতে পারে ও বমি ভাব থাকতে পারে।

মাইগ্রেনের ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় হয় না। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে এ ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ব্যথা কেন হয়?

চোখ, কান, নাক ও চোয়ালের জয়েন্টে সমস্যা, দুশ্চিন্তা, ব্রেইন টিউমার, মাইগ্রেন, ঘুম কম হওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে বসে থাকাসহ অনেক কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। তবে মস্তিষ্কের পর্দা বা মেনিনজেসে কোনো সমস্যা হলে মাথার হাড়ের মধ্যকার সাইনাসে প্রদাহ (সাইনোসাইটিস) হলে কিংবা মস্তিষ্কের রক্তনালিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে মাথাব্যথা হয়ে থাকে।

করোনা রোগীও নানা কারণে মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। শরীরে নানা জীবাণুর সংক্রমণেই হতে পারে মাথাব্যথা।

মাইগ্রেনের ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় হয় না। মাইগ্রেনের ব্যথা সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাইগ্রেনের যন্ত্রনা খুবই কষ্টদায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী।মাইগ্রেন কী?

মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত কপালের এক পাশে হয়ে থাকে। আর এই ব্যথা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে বমিভাব কিংবা বমি, আলো বা শব্দে খারাপ লাগা। ৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যথা থাকতে পারে।

মাইগ্রেন সমস্যা হলে চোখের সামনে আলোজাতীয় কিছু দেখা, শরীরের এক পাশ ঝিনঝিন করার সমস্যা হতে পারে।

পনির, চকলেট, কফি, অনিদ্রা, দুশ্চিন্তা, দুর্গন্ধ, দীর্ঘসময় খালি পেটে থাকা, অতিরিক্ত আলো বা রোদ কিংবা খুব কম আলো, অতিরিক্ত শব্দ কানে এলে এ সমস্যা হতে পারে।

মাইগ্রেনের উপসর্গ

মাইগ্রেনের সমস্যা হলে মাথার ভেতরে ব্যথা হয়। এই ব্যথা সাধারণত মাথার একদিকে হয়, ডান অথবা বাঁ। তবে অনেক সময় মাথার দুদিকেই ব্যথা হতে পারে ও বমি ভাব থাকতে পারে☑️☺️

ডায়াবেটিস কী?ডায়াবেটিস হল শরীরের এমন একটি গুরুতর অবস্থা, যখন আমাদের শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা তৈরি হ...
14/09/2024

ডায়াবেটিস কী?
ডায়াবেটিস হল শরীরের এমন একটি গুরুতর অবস্থা, যখন আমাদের শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা তৈরি হওয়া ইনসুলিন দক্ষতার সঙ্গে (কার্যকরভাবে) ব্যবহার করতে পারে না। এর ফলে রক্তে শর্করার বা গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়।

ইনসুলিন মানুষের শরীরের কোষগুলি তে শর্করা প্রবেশ নিয়ন্ত্রন করে। অর্থাৎ একটি "চাবি" হিসাবে কাজ করে। এর দ্বারা আমাদের খাবার থেকে যে চিনি বা শর্করা (গ্লুকোজ) পাওয়া যায়, তা রক্তের মধ্য দিয়ে বাহিত হয়ে কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। তারপর, কোষ শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তির জন্য সেই গ্লুকোজ ব্যবহার করে। ইনসুলিন তৈরি হয় অগ্ন্যাশয়ের বিশেষ কোষ দ্বারা তৈরি হরমোন আইলেটস (আই-লেটস) থেকে। ডায়াবেটিস-জনিত ইনসুলিনের তারতম্যের জন্য আমাদের রক্তে শর্করার মাত্রার তারতম্য ঘটে। শরীরে বেশ কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।

ডায়াবেটিসের ধরণ:
টাইপ 1
টাইপ 2
টাইপ 1 এবং টাইপ 2 হল ডায়াবেটিসের দুটি সাধারণ রূপ। এছাড়া অন্যান্য ধরণেরও ডায়াবেটিস হতে পারে, যেমন গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, নিওনাটাল ডায়াবেটিস, জেসটেসানাল ডায়াবেটিস ইত্যাদি।

ডায়াবেটিস এর লক্ষণ
টাইপ 1 ডায়াবেটিসের লক্ষণ:
টাইপ 1 ডায়াবেটিস-এর সূত্রপাত খুব দ্রুত ঘটে এবং নিম্নলিখিত উপসর্গ গুলি হঠাৎ দেখা দিতে পারে:

তীব্র তৃষ্ণা
অতিরিক্ত প্রস্রাবের প্রবণতা
দ্রুত ওজন হ্রাস
প্রচণ্ড ক্ষুধা
দুর্বলতা বা ক্লান্তি
অস্বাভাবিক বিরক্তি
ঝাপসা দৃষ্টি
বমি বমি ভাব
পেটে ব্যথা
অপ্রীতিকর গন্ধের অনুভূতি
চুলকানি


টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ :
ডায়াবেটিসের সবচেয়ে সাধারণ রূপটি কে টাইপ 2 ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন-অনির্ভর ডায়াবেটিস বলা হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায় 90% লোকের টাইপ 2 ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। টাইপ 2 ডায়াবেটিস কে প্রাপ্তবয়স্ক সূচক (adult-onset) ডায়াবেটিস-ও বলা হয়, কারণ এটি সাধারণত 35 বছর বয়সের পরে প্রকাশ পায়। তবে, ইদানিং ক্রমবর্ধমান সংখ্যক অল্পবয়স্ক মানুষদের-ও টাইপ 2 ডায়াবেটিস হচ্ছে।

টাইপ 2 ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিজস্ব ইনসুলিন তৈরি করতে সক্ষম। কিন্তু প্রায়শই, এটি পরিমাণে যথেষ্ট নয় বা কোষ যথাযথ ভাবে প্রতিক্রিয়া করে না। অর্থাৎ ইনসুলিন শরীরের কোষগুলিকে খোলার জন্য চাবি হিসাবে সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না ফলে শর্করা কোষে প্রবেশ করতে পারে না একে বলা হয় ইনসুলিন-রেজিস্ট্যান্স☑️👍

অপারেশন ছাড়া মলদ্বারের কঠিন ও জটিল রোগের স্থায়ীভাবে স-মাধান করুন সম্পর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে আসুন...
14/09/2024

অপারেশন ছাড়া মলদ্বারের কঠিন ও জটিল রোগের স্থায়ীভাবে স-মাধান করুন সম্পর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে আসুন☑️☺️

✳️নিয়মিত প্রোটিন গ্রহণ করলে তা পেশি তৈরি থেকে শুরু করে ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখা, চুল পড়া বন্ধ করাসহ...
14/09/2024

✳️নিয়মিত প্রোটিন গ্রহণ করলে তা পেশি তৈরি থেকে শুরু করে ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখা, চুল পড়া বন্ধ করাসহ আরও অনেক উপকার করে। এ ছাড়া শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের ঘাটতি তৈরি হলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন: মনোযোগ কমে যাওয়া, পেশির দুর্বলতা, ওজন বৃদ্ধি, অলসতা, বিভ্রান্তি ইত্যাদি।
বিস্তারিত জানতে এবং সেবা নিতে সেন্ড মেসেজে ক্লিক করুন☑️☺️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Tas'min Zar'a 05 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category