Dr Ahammad Rubaiyat

Dr Ahammad Rubaiyat Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr Ahammad Rubaiyat, Medical and health, Dhaka.

নবজাতক,শিশু ও কিশোর রোগে অভিজ্ঞ
ডা. আহম্মদ রুবাইয়্যাত

এমবিবিএস (সিইউ),পিজিটি (শিশু)
এফসিপিএস-এফপি (শিশু হৃদরোগ)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
এক্স রেজিস্ট্রার (শিশু),আদ-দ্বীন মোমিন মেডিকেল কলেজ।

চেম্বার
দাউদকান্দি: ০১৭১১৯৪৭৪১৮
ঢাকা,হাসনাবাদ: ০১৩২১২১২১১

02/05/2026
30/04/2026

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে উপকারী খাবার:

​১. ফাইবার বা আঁশযুক্ত ফল-
​সব ফলের রস না দিয়ে সরাসরি ফল খাওয়ানো বা পিউরি করে দেওয়া বেশি উপকারী।
​পেঁপে: পাকা পেঁপে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। এটি চটকে শিশুকে খাওয়াতে পারেন।
​নাশপাতি ও আপেল: খোসা ছাড়ানো নাশপাতি বা আপেল সেদ্ধ করে পিউরি বানিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
​কলা: তবে মনে রাখবেন, খুব ভালো করে পাকা সাগর কলা উপকারী। আধা-পাকা কলা অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে দেয়।

​২. শাকসবজি-
​মিষ্টি কুমড়া: এতে প্রচুর জলীয় অংশ এবং আঁশ থাকে যা মল নরম করতে সাহায্য করে।
​ব্রকলি ও পালং শাক: এসব সবুজ শাকসবজি হালকা সেদ্ধ করে খিচুড়ির সাথে মিশিয়ে দিতে পারেন।

​৩. পর্যাপ্ত তরল খাবার-
​পানি: শিশু যেহেতু এখন শক্ত খাবার খাচ্ছে, তাই সারাদিন অল্প অল্প করে চুমুক দিয়ে পানি খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।
​বুকের দুধ বা ফর্মুলা: এটি বন্ধ করা যাবে না, কারণ এটি শিশুকে হাইড্রেটেড রাখে।ফর্মুলা অবশ্যই সঠিকভাবে বানাতে হবে।

​৪. শস্যজাতীয় খাবার-
​ওটস বা বার্লি: চালের সুজির বদলে ওটস বা বার্লি খাওয়ালে পেটের হজম প্রক্রিয়া ভালো হয়।
​খিচুড়ি: চালে-ডালে খিচুড়ি বানানোর সময় তেলের পরিমাণ ঠিক রাখুন এবং সাথে প্রচুর সবজি দিন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যের জন্য সাথে থাকুন।

"Where expertise meets empathy. Dedicated to keeping our little ones safe and smiling."
28/04/2026

"Where expertise meets empathy. Dedicated to keeping our little ones safe and smiling."

শিশুদের জন্য একটি "ট্রাফিক লাইট ডায়েট প্ল্যান" (Traffic Light Diet Plan), যা মূলত শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডাক্...
26/04/2026

শিশুদের জন্য একটি "ট্রাফিক লাইট ডায়েট প্ল্যান" (Traffic Light Diet Plan), যা মূলত শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডাক্তাররা বাবা-মাকে পরামর্শ হিসেবে দিয়ে থাকেন। লাল, হলুদ এবং সবুজ রঙের মাধ্যমে খাবারকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
​নিচে সহজভাবে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
​মূল লক্ষ্য: সুষম ও পরিমিত ক্যালরি গ্রহণ
​শিশুর বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১৮০০ ক্যালরি খাবার নিশ্চিত করতে হবে।
​১. সবুজ রঙের খাবার (Green Foods): প্রাণভরে বা বেশি করে খাওয়া যাবে
​এই খাবারগুলো সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। এগুলো শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করে কিন্তু ক্যালরি অনেক কম থাকে।
​নিয়ম: নিশ্চিন্তে (Freely) খাওয়া যায়।
​খাবারগুলো: সব ধরণের তাজা ফলমূল, শাকসবজি, ডাল বা শিম জাতীয় খাবার (Legumes), ফ্যাট-ছাড়া দুধ (Low-fat milk) এবং চর্বিহীন মাংস।
​বৈশিষ্ট্য: এই গ্রুপের গড় ক্যালরির তুলনায় প্রতি সারভিং-এ ২০ ক্যালরির কম থাকে।
​২. হলুদ রঙের খাবার (Yellow Foods): বিচার-বুদ্ধি করে বা পরিমিত খাওয়া যাবে
​এই খাবারগুলো প্রয়োজনীয়, তবে অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে। তাই এগুলো সাবধানে খেতে হবে।
​নিয়ম: বিচার-বুদ্ধি খাটিয়ে (Judiciously) পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
​খাবারগুলো: ফুল-ফ্যাট দুধ বা ডেইরি পণ্য, আস্ত দানা শস্যের রুটি (Whole-grain bread), এবং সিরিয়াল।
​বৈশিষ্ট্য: এই গ্রুপের গড় ক্যালরির সমান বা কাছাকাছি (২০ ক্যালরির কম-বেশি) শক্তি থাকে।
​৩. লাল রঙের খাবার (Red Foods): খুব কম বা কদাচিৎ খাওয়া যাবে
​এই খাবারগুলোতে ক্যালরি এবং ফ্যাট অনেক বেশি থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
​নিয়ম: মাঝেমধ্যে বা খুব কম (Rarely) খেতে হবে। একদম বাদ দিতে পারলে আরও ভালো।
​খাবারগুলো: মিষ্টি জাতীয় খাবার (Sweets & Desserts), কোল্ড ড্রিংকস বা বেভারেজ, ফাস্ট ফুড (যেমন- ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার), চর্বিযুক্ত মাংস এবং বেশি লবণাক্ত খাবার।
​বৈশিষ্ট্য: এই গ্রুপের গড় ক্যালরির তুলনায় প্রতি সারভিং-এ ২০ ক্যালরির বেশি শক্তি থাকে।

​ডা. আহম্মদ রুবাইয়্যাত
এমবিবিএস, পিজিটি (শিশু)
এফসিপিএস-এফপি (শিশু হৃদরোগ)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

কোন এক সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।
25/04/2026

কোন এক সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।

24/04/2026

হ্যাঁ—অনেক ক্ষেত্রে রিলস বা অতিরিক্ত স্ক্রলিং আচরণটা মাদকের মতোই “আসক্তিমূলক” এটাকে "Behavioural addiction" বলা যায়।

#জনস্বার্থে

24/04/2026

Dyslexia

২০০৭ সালের একটি মুভি Taare zameen par আমির খান অভিনীত।সেখানে প্রধান চরিত্রে দেখা যায় ঈশান নামের একজন ছেলেকে।মুভির শুরুতেই দেখা যায় ঈশানের ম্যাম তাদের ক্লাস পরীক্ষার রেজাল্ট কার্ড পাবলিশ করছে আর সে প্রতিটিতে ফেল করেছে।তাদের হোয়াইট বোর্ডের লেখা গুলো জিগজ্যাগ মোশনে ড্যান্সিং করছে।

এরপরেই ঈশানের দূরন্ত শৈশবকে দেখানো হয়।যেখানে স্বাভাবিক সবার মতই অন্যদের সাথে খেলাধুলা, মারামারি, দুষ্টামি একদম প্রাণচঞ্চল একজন স্কুল ছাত্র।
এই মুভির কথা বলার প্রয়োজন এটাই যে ঈশান ল্যাংগুয়েজ ডিফিকাল্টিতে ভুগছিল।মেডিকেলের ভাষায় যাকে আমরা Dyslexia বলি।একটু পরেই আমরা Dyslexia নিয়ে টুকটাক জানার চেষ্টা করব।তার আগে কয়েকজনের নাম জানা প্রয়োজন যারা এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং পৃথিবী বিখ্যাত ছিলেন।তারা হলেন লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, সেন্ট টেরেসা, নেপোলিয়ন, উইনস্টন চার্চিল, কার্ল জাং, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, টমাস এডিসন, স্টিভ জবস সহ বর্তমানকালের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ।

"How Dyslexic Benny Became A Star: A story of hope for dyslexic children and their parents' (1996) বইটির মার্কিনি লেখক জো গ্রিফিথ (Joe Griffith) তার নিজের জীবনকাহিনীকে কেন্দ্র করে একজন ডিসলেক্সিয়া-আক্রান্ত মানুষের অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাতে চেষ্টা করছিলেন একটি কাল্পনিক চরিত্র 'বেনি'র মাধ্যমে।

জো গ্রিফিথ'র জন্ম বেড়ে ওঠা টেক্সাসে। ডিসলেক্সিক হওয়া সত্ত্বেও তিনি একাধারে একজন সফল রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, লেখক, কৌতুক অভিনেতা এবং দুর্দান্ত পাবলিক স্পিকার। তাঁর জীবন আমাদের সবার জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক বার্তা যা সাফল্য অর্জনে আমাদের অপারগতাকে পাশ কাটিয়ে আমাদের সুপ্ত সম্ভবনাগুলোর দিকে মনযোগী হতে উৎসাহ দেয়।

Dyslexia মূলত জিনগত সমস্যা। পিতা-মাতার এই সমস্যা থাকলে সন্তানদের হওয়ার সম্ভাবনা ৫০%।এটাতে ছেলে-মেয়ে উভয়েই সমানভাবে আক্রান্ত হতে পারে।আমাদের জনসংখ্যার প্রায় ২০% এই রোগে আক্রান্ত।আক্রান্তের ৮০% এরই শেখার অক্ষমতা প্রধান সমস্যা হিসাবে পাওয়া যায়।এদের মূলত পড়তে,লিখতে,শব্দের উচ্চারণে সমস্যা হয় কিন্তু স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তা ঠিক থাকে।এই সমস্যা গুলোকে বলা হয়-
phonological dyslexia, rapid naming dyslexia, double deficit dyslexia, surface dyslexia, and visual dyslexia.
সাধারণত ছোট বাচ্চাদের এই সমস্যা বোঝা কষ্টকর। স্কুলের যাওয়ার পর যখন সে অন্যদের তুলনায় শেখার ক্ষেত্রে লক্ষণীয় ভাবে পিছিয়ে যায় তখনই Dyslexia অনুমান করার সুযোগ হয়।এই জন্য প্রাইমারী স্কুল লেভেলের শিক্ষকদের Dyslexia সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার।বেশীর ভাগ শিশুর ক্ষেত্রেই আমরা না বোঝেই তার একাডেমিক দূর্বলতা নিয়ে পীড়াপীড়ি করে তাকে আরো বিপদে ফেলে দেওয়া হয়।
৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের Dyslexia লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

১)অক্ষরের নাম এবং শব্দ শেখার সমস্যা।
২) বানানের সমস্যা যা অপ্রত্যাশিত এবং অসঙ্গত।
৩) যে অক্ষরগুলি একই রকম দেখায় এবং অক্ষরগুলিকে ভুল পথে বসানো (যেমন "d" এর পরিবর্তে "b" লেখা)।
৪)শব্দে অক্ষরের ক্রম বিভ্রান্তিকর।
৪)প্রচুর সিদ্ধান্তহীতা ও একাকী থাকার প্রবণতা।

আমাদের ব্রেনের ৩টি এরিয়া কথা বলতে,লিখতে সাহায্য করে।কোন শব্দ শুনার পরে আমাদের ব্রেন সেটা প্রসেস করে একটার সাথে আরেকটা লিংক করে সঠিক ম্যাচিংটা বের করে।
Broca's Area বর্ণ সংযুক্তকরণ ও এনালাইসিসের কাজ করে।পিছনের দুইটি অংশ occipitotemporal ও occipitoparietal এরিয়া শব্দ তৈরী,শব্দের এনালাইসিস করে দ্রুততা,স্বয়ংক্রিয়তা ও ফেন্ট শনাক্তকরণ করে।Dyslexia আক্রান্তদের এই এরিয়া গুলোতে জন্মগত ভাবে অথবা জন্মগ্রহণের সময় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে সমস্যা হয়।সাধারণত ব্রেইন ইমাজিং এ পার্থক্য করা সম্ভব হয় না।এই রোগ নির্ণয় করা হয় ক্লিনিক্যাল লক্ষণগুলো যাচাই করে।তাই কোন বাচ্চার লক্ষনীয়ভাবে পড়া ও লেখার সমস্যা মনে হলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে প্রথমত চোখের,বুদ্ধিমত্তার ও অন্য কোন ত্রুটি আছে কিনা যাচাই করা দরকার।

পরিশেষে,এটা জীবনব্যাপী সমস্যা।Dyslexia এর কোন নিরাময় যোগ্য চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই।ছোটবেলায় এটা ডায়াগনোসিস হলে পড়ার পদ্ধতি ও নির্দেশনাগত পরিবর্তন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই জীবন এগিয়ে নিতে পারে।এই বাচ্চা গুলো কিছু বিষয়ে অন্যদের থেকে যোগ্যতা সম্পন্ন হয়।তাদের এই গুণ গুলোকে বের করে উৎসাহ দিলে সমস্যাগুলোকে কাটিয়ে উঠা সম্ভব।ভয়েজ রেকর্ডের মাধ্যমে পড়া গুলো মুখস্থ করানো,বারবার একই গল্প বা অনুচ্ছেদ রিডিং পড়ে তাদের শোনালে দ্রুত তাদের ব্রেন ক্যাচ আপ করে আর আস্তে আস্তে ভূলের পরিমাণ কমে যায়।তাই বাচ্চাদের পড়াশোনার দূর্বলতাকে অবহেলা না করে তাকে অলস বা গোবর গণেষ উপমা না দিয়ে আরো যত্নবান হওয়া উচিত।

ডা:আহম্মদ রুবাইয়্যাত
এমবিবিএস (সিইউ),পিজিটি (শিশু)
এফসিপিএস -এফপি (শিশু হৃদরোগ)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

20/04/2026

আমাদের প্রথম বেবির সময়টাতেই আমরা নরমাল ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি৷ সর্বোচ্চ চেষ্টা বলতে নিয়মিত চেকআপে থাকা, খাবারদাবার, হাঁটাচলা, সেবাযত্ন ইত্যাদি।

ডেলিভারির সময়ে যখন হসপিটালে নিয়ে গেলাম, ডাক্তার চেক করে বললেন পানির পরিমাণ অনেক কম। এমন অবস্থায় নরমাল ডেলিভারি কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সিজারেই যেতে হবে।

আমরা ডাক্তারের সাথে কোনোরকম বাদানুবাদ করিনি। নরমালেই করতে হবে এমন গোঁ-ও ধরিনি। শুধু বলেছি—‘একটু ভাবতে দিন।’

এই ‘একটু ভাবনার’ সময়ে আমরা কী করেছি?

সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেকটা হসপিটালে গিয়ে, পুনরায় চেকআপ করালাম। আগের ডাক্তারের কোনো বক্তব্য তাদের জানাইনি আমরা। সেখানেও একই কথা—পানি বেশ কম৷ নরমালে সম্ভব নয়, সিজার করতে হবে।

এবার আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হলো৷ আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে, সিজারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম এবং প্রথম হসপিটাল, যে হসপিটালে নিয়মিত আমরা চেকআপে ছিলাম, সেখানেই অপারেশান হয়।

প্রথমবার সিজার হলে, পরেরবারগুলোতেও সিজার করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবুও, শুভাকাঙ্খীদের কাছে এমন একজন গাইনি ডাক্তারের সন্ধান পেলাম যিনি প্রথমবার সিজার হলেও, দ্বিতীয়বারে সাকসেসফুলি নরমাল ডেলিভারি করাতে চেষ্টা করেন। আমরা তার দ্বারস্থ হলাম। তার তত্ত্বাবধানে মেয়ের মা’কে রাখা হলো পুরোটা সময়। ডেলিভারির সময় যখন উপস্থিত, তিনি টেস্ট করে বললেন, প্রথম সিজারের স্কার থিকনেস (Scar Thickness) খুব কম৷ নরমাল ডেলিভারিতে গেলে সমস্যা হতে পারে। না যাওয়াটাই রিস্ক-ফ্রি।

ব্যস, আমরা আলহামদুলিল্লাহ বলে চলে এলাম। প্রথমবার যে হসপিটাল আর যে গাইনি ম্যাডামের তত্ত্বাবধানে সিজার হয়েছিল, তার কাছে এসে অপারেশানের ডেইট নিলাম। পরেরদিনই অপারেশান হয় আর আমাদের দ্বিতীয় রাজকন্যা দুনিয়ায় আসে, আলহামদুলিল্লাহ।

এতকিছু বলার কারণ হলো, চারপাশে কিছু ভাইদের দেখি নরমাল ডেলিভারির জন্য গোঁ ধরে বসে থাকে। ডাক্তাররা যতই বলে—যা কন্ডিশান তাতে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব না কোনোভাবেই, কিন্তু তারা তা মানতে নারাজ। তারা নরমালেই করাবে, তাতে যা হয় হবে!

যা হয় হবে মানে??

মানে, যদি এতে স্ত্রীর জীবনহানি হয়—তবুও।
যদি এতে গর্ভের বাচ্চাটার ক্ষতি হয়—তবুও।

আমি জানি যে, সিজার করাতে অনেক টাকা খরচ হবে কিন্তু সবসময় যে সবখানে টাকার ব্যাপার থাকে তা তো না। একজন ডাক্তারের কথা আপনার অবিশ্বাস হলে, অন্য একজনের কাছে যান। ক্রসচেক করেন। রিপোর্টগুলো বেশ কয়েকটা জায়গায় পাঠিয়ে যাচাই করে, তারপর সিদ্ধান্ত নেন। যদি আপনার সিদ্ধান্তই হয় যে, দুনিয়া উল্টে গেলেও আপনি নরমাল ডেলিভারি ছাড়া কিছু মানবেন না, তাহলে তো হয় না।

একটু আগে একজন ভাইয়ের ঘটনা শুনলাম। তিনি খুবই গোঁ ধরেছিলেন যে, নরমাল ডেলিভারি ছাড়া অন্য কোনো অপশনে উনি যাবেনই না। ঠিক তাই করলেন৷ উনার স্ত্রীর নরমাল ডেলিভারির অবস্থা না থাকলেও, উনি জোর করে নরমাল ডেলিভারির দিকে গেলেন।

ফলাফল?

স্ত্রীর অবস্থা করুণ হয়ে পড়ে।
বাচ্চাটার অটিজমের মতো সমস্যা হয়ে যায়।

পরে যদিও তিনি ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু ততক্ষণে তো অনেক দেরি হয়ে গেল!

অনেকগুলো বাচ্চাকাচ্চায় ঘর ভরে থাকবে—এমনটা অনেকে চায়। কিন্তু, আমি তো আমার স্ত্রীর জীবন, নতুন অনাগত ভ্রুণটার জীবন নিয়ে বাজি ধরতে পারি না একটা শখ পূরণ করতে।

সবকিছু আল্লাহর কাছে চাইছি, যদি তিনি কল্যাণ রাখেন তাহলে দিবেন৷ কল্যাণ না থাকলে দিবেন না—সিম্পল অ্যাস দ্যাট।

অধিক বাচ্চাকাচ্চার বাবা হওয়ার জন্য কারও জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা—এটা কোনো দায়িত্ববান পুরুষের কাজ হয় কখনো?

লেখক : আরিফ আজাদ

I solemnly pledge to dedicate my life to the service of humanity.
18/04/2026

I solemnly pledge to dedicate my life to the service of humanity.

উড়নার পুথি বেশ বড় সাইজের।ইজহান, ৩ বছরের বেবী নাকের ভিতরে ঢুকিয়ে চেম্বারে আসল।আলহামদুলিল্লাহ ফরেন বডি বের করে দেওয়া হয়েছে...
17/04/2026

উড়নার পুথি বেশ বড় সাইজের।ইজহান, ৩ বছরের বেবী নাকের ভিতরে ঢুকিয়ে চেম্বারে আসল।আলহামদুলিল্লাহ ফরেন বডি বের করে দেওয়া হয়েছে।বাচ্চাদের থেকে এই জাতীয় জিনিস যতটুকু পারেন দূরে রাখবেন। পয়সা,ব্যাটারি এমন কিছু নেই যেটাতে এদের আগ্রহ নেই🥰

চেম্বার: Nazmul Modern Hospital

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Ahammad Rubaiyat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Ahammad Rubaiyat:

Share