As Shifa Quranic Cure

As Shifa Quranic Cure Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from As Shifa Quranic Cure, Alternative & holistic health service, কুতুবখালি বড় মাদরাসার অপজিটে নূর মসজিদের ডান পাশের গলি, এলাহি হাউজের নিচ তলায়, Dhaka.

আসসালামু আলাইকুম! স্বাগত As-Shifa Quranic Cure -এ।আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি রুকইয়া,যা কুরআন ও হাদীসের আলোকে আধ্যাত্মিক শান্তি,সুরক্ষা এবং নিরাময় প্রদান করে।আমাদের লক্ষ্য হল,আধ্যাত্মিক সুস্থতা অর্জন করা আল্লাহর রহমত ও বরকতের মাধ্যমে শান্তি লাভ করুন।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের যাদুর সেল্ফ রুকইয়াহপ্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট সংগ্রহপ্রথমে নিচের সাপ্লিমেন্টগুলো সংগ্রহ করুন।...
22/04/2026

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের যাদুর সেল্ফ রুকইয়াহ
প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট সংগ্রহ

প্রথমে নিচের সাপ্লিমেন্টগুলো সংগ্রহ করুন।

দুটি পাত্রে ৫ লিটার করে পানি নিন।
একটি ৫ লিটার পাত্রে গোলাপ জল বা কেওড়া জল ৭ থেকে ১১ টা বোতল মিশিয়ে নিন।

এবং আলাদা করে সর্বনিম্ন ২৫০ মি.লি. থেকে ৫০০ মি.লি. এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল নিন।

৫০০ গ্রাম বা পরিমাণমতো ভালো মধু নিন।

১০০ গ্রাম কালোজিরা নিন।

অতঃপর ওযু করে দুই রাকাআত সালাতুল হাজত নামাজ আদায় করুন।

এরপর পবিত্র স্থানে বসে রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করুন।

নিয়ত করবেন:

ইয়া আল্লাহ তায়ালা, আমাদের স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র সম্পর্কের মাঝে যত বিচ্ছেদের যাদু আছে, যে যাদুর প্রভাবে আমাদের সম্পর্ক শত্রুতা ও বিচ্ছেদে রূপান্তরিত হচ্ছে, এবং আমাদের সম্পর্কের মধ্যে যাদুকর, যাদুর খাদিম জিন-শয়তান ও ইন্ধনদাতা মানুষ শয়তানদের চক্রান্ত সক্রিয় রয়েছে, ইয়া রব, আপনি এই রুকইয়াহর উসিলায় স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের সকল ষড়যন্ত্র ধ্বংস করে দিন। আমাদের সম্পর্ককে এতটাই মজবুত করে দিন, যেন দুনিয়ার জীবনের পর জান্নাতে আবার একসাথে হতে পারি। সকল চক্রান্ত আপনি ধ্বংস করে দিন। আমিন।

অতঃপর সমস্ত সাপ্লিমেন্ট সামনে রেখে এগুলোর উপর নিচের আয়াত ও সূরাগুলো পাঠ করবেন এবং কিছুক্ষণ পরপর ফুঁক দিবেন।

প্রথমে দুরুদে ইব্রাহিম ৭ বার পড়বেন।

সূরা ফাতিহা ১১ বার পড়বেন।

وَاتَّبَعُوْا مَا تَتْلُوا الشَّیٰطِیْنُ عَلٰی مُلْكِ سُلَیْمٰنَ ۚ وَمَا کَفَرَ سُلَیْمٰنُ وَلٰكِنَّ الشَّیٰطِیْنَ کَفَرُوْا یُعَلِّمُوْنَ النَّاسَ السِّحْرَ وَمَا أُنزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُوْتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ ۚ وَمَا هُمْ بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا بِهِ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২, ২১ বার।

يَأْتُوكَ بِكُلِّ سَاحِرٍ عَلِيمٍ، وَجَاءَ السَّحَرَةُ فِرْعَوْنَ قَالُوا إِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ الْغَالِبِينَ، قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ لَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ، قَالُوا يَا مُوسَىٰ إِمَّا أَن تُلْقِيَ وَإِمَّا أَن نَّكُونَ نَحْنُ الْمُلْقِينَ، قَالَ أَلْقُوا فَلَمَّا أَلْقَوْا سَحَرُوا أَعْيُنَ النَّاسِ وَاسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَاءُوا بِسِحْرٍ عَظِيمٍ، وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ، فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ، فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانقَلَبُوا صَاغِرِينَ، وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ، قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ، رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ
সূরা আ’রাফ, আয়াত ১১২-১২২, ৭ বার।

فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ، وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ
সূরা ইউনুস, আয়াত ৮০-৮২, ৭ বার।

قُلْنَا لَا تَخَفْ إِنَّكَ أَنتَ الْأَعْلَىٰ، وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا، إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ، وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ، فَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سُجَّدًا قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ هَارُونَ وَمُوسَىٰ
সূরা ত্বহা, আয়াত ৬৮-৭০, ৭ বার।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
সূরা ইখলাস ৭ বার।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
সূরা ফালাক ৭ বার।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ إِلَٰهِ النَّاسِ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
সূরা নাস ৭ বার।

আবার দুরুদ শরীফ ৭ বার পাঠ করবেন।

অতপর
সূরা ত্বহা ১ বার
সূরা সফফাত ১ বার
সূরা দুখান ১ বার
সূরা জ্বিন ১ বার
সূরা লোকমান ১ বার
সূরা আন-নূর ১ বার
সূরা যিলযাল ৭ বার
সূরা দুহা ৭ বার
সূরা হুমাযাহ ৭ বার
সূরা ফালাক ৩ বার
সূরা নাস ৩ বার
সূরা ফাতিহা ৩ বার
আবার দুরুদ শরীফ ৭ বার পাঠ করে সাপ্লিমেন্টগুলোর উপর ফুঁক দিন।

ব্যবহারের নিয়ম

যে পানিতে গোলাপ জল মিশ্রিত করা হয়েছে, তা সকাল-সন্ধ্যা রুম, বাড়ি, দরজা, জানালা, বিছানাসহ সর্বত্র বিসমিল্লাহ বলে স্প্রে করবেন। সময়সীমা ৪১ দিন, প্রয়োজনে বাড়ানো যাবে।

অন্য পানিটি স্বামী-স্ত্রী উভয়ে নিয়মিত পান করবেন, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এবং রাতে ঘুমানোর আগে পেট ভরে যাদু ধ্বংসের নিয়তে। পানি শেষ হওয়ার আগেই পুনরায় প্রস্তুত করবেন। সর্বনিম্ন ৪১ দিন ব্যবহার করবেন।

উক্ত পানিটি গোসলের সময় অল্প পরিমাণ মিশিয়ে গোসল করবেন।

গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে শরীরে অলিভ অয়েল মালিশ করবেন।

কালোজিরা ও মধু নিয়মিত সেবন করবেন।

পাশাপাশি আরো কিছু সাজেশন ফলো করুন।

স্বামী স্ত্রী বিচ্ছেদের রুকইয়াহ অডিও নিয়মিত শুনবেন উভয়ে।

নিয়মিত দান-সদকা করবেন।

ফরজ নামাজ ও সুন্নাহ আমলের প্রতি যত্নশীল হোন।

তাহাজ্জুদ নামাজে অভ্যস্ত হোন।

হারাম কাজ থেকে বিরত থাকুন।

সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন আমল নিয়মিত করুন।

প্রচুর ইস্তিগফার পড়ুন।

সর্বশেষ, দুআকে গুরুত্ব দিন।

দুআ কবুলের সময়গুলো যেন মিস না হয়।

মহান আল্লাহ তায়ালা আপনার স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আরও মজবুত ও স্থায়ী করে দিন।

As Shifa Quranic Cure
01974-118931

22/04/2026

রাতের কিছু আমল:

সুরাহ মুলক।
সুরাহ ওয়াক্বিয়াহ।
সুরাহ আলিফ লাম মিম সিজদাহ।
আয়াতুল কুরসি।
সুরাহ ইখলাস, ফালাক্ব, নাস।
সুরাহ কাফিরুন।

সুরাহ বাকারাহ'র শেষ ৩ আয়াত।
সুরাহ আল ইমরান শেষ ১০ আয়াত।

ফিতনাময় যুগে নিরাপত্তার জন্য:

খাস করে সুরাহ কাহাফ প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত।

Taw Haa Zin Nurain Islamic Center

কবিরাজরা কেন শনিবার ও মঙ্গলবারকেই বেছে নেয়? চিকিৎসার নামে ঈমান চুরির এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!আমাদের গ্রামবাংলায় একটি দৃশ্য খু...
19/04/2026

কবিরাজরা কেন শনিবার ও মঙ্গলবারকেই বেছে নেয়? চিকিৎসার নামে ঈমান চুরির এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!

আমাদের গ্রামবাংলায় একটি দৃশ্য খুব পরিচিত। কারও জিনের সমস্যা বা জাদুগ্রস্ত হওয়ার সন্দেহ হলে যখন কোনো কবিরাজ, তান্ত্রিক বা তথাকথিত হুজুরের কাছে যাওয়া হয়, তখন তারা একটা নির্দিষ্ট দিন বেঁধে দেয়। তারা বলে, "রোগীকে আগামী শনিবার বা মঙ্গলবার নিয়ে আসবেন, ওই দিন ছাড়া কাজ হবে না" বা "শনি-মঙ্গলে তাবিজ কাটতে হবে।"

দীর্ঘদিন ধরে কুরআন, সুন্নাহ এবং ইসলামি আকিদা নিয়ে পড়াশোনা ও রুকইয়াহ শারইয়াহর গবেষণার আলোকে আজ আমি অত্যন্ত সহজ ও সরল ভাষায় এই শনি ও মঙ্গলবারের পেছনের আসল রহস্যটা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। এটি পড়ার পর ইনশাআল্লাহ আপনাদের আর কোনো সংশয় থাকবে না এবং বুঝতে পারবেন কীভাবে এরা সাধারণ মানুষের ঈমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।

প্রথমেই আমাদের বুঝতে হবে, এই শনিবার আর মঙ্গলবারের ধারণাটি ইসলামে কোথা থেকে এলো? সত্যি বলতে কী, ইসলামি শরিয়ত, কুরআন বা হাদিসের কোথাও শনি বা মঙ্গলবারকে জিনের চিকিৎসা বা জাদুটোনার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়নি। তাহলে এরা এই নিয়ম পেল কোথায়?

এর শেকড় লুকিয়ে আছে প্রাচীন হিন্দু তান্ত্রিক বিদ্যা এবং গ্রহ-নক্ষত্রের পূজার (Astrology/কাহানাত) মধ্যে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ কবিরাজি বা তান্ত্রিক বিদ্যা মূলত হিন্দু ধর্ম, প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র এবং বেদের প্রভাব দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র (Vedic Astrology) অনুযায়ী, সপ্তাহের সাতটি দিন সাতটি গ্রহের নামে নামকরণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রহের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য ও দেবতা রয়েছে।

যেমন ধরুন মঙ্গলবারের কথা। হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী মঙ্গলবার হলো ‘মঙ্গল গ্রহ’ (Mars)-এর দিন। এই গ্রহটিকে তারা যুদ্ধ, রক্তপাত, ধ্বংস, ক্রোধ এবং উগ্র শক্তির প্রতীক মনে করে। এই দিনে তারা কালী বা হনুমানের মতো উগ্র দেবতাদের পূজা করে। তান্ত্রিক ও জাদুকররা বিশ্বাস করে যে, মঙ্গলবারে উগ্র শক্তি বা খারাপ আত্মারা (শয়তান জিন) খুব বেশি সক্রিয় থাকে। তাই স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটানো, বান মারা বা জিন বশ করার মতো ধ্বংসাত্মক কাজগুলো তারা মঙ্গলবারে করে থাকে।

একইভাবে শনিবার হলো ‘শনি গ্রহ’ (Saturn)-এর দিন। হিন্দু বিশ্বাসে শনি গ্রহ হলো দুঃখ, কষ্ট, বাধা, অমঙ্গল এবং অন্ধকারের প্রতীক। শনিবারকে তারা সবচেয়ে ‘অশুভ’ বা কঠিন দিন মনে করে। জাদুকররা বিশ্বাস করে যে, এই দিনে কালো জাদু (Black Magic) বা শয়তানি সাধনা করলে তা সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হয় এবং দ্রুত কাজ করে।

এবং আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন সমাজে কিন্তু এই কথাটি প্রচলিত রয়েছে যে, "তোর কপালে আজকে শনি আছে!" এই কথাটাও মূলত সেই হিন্দুয়ানি বিশ্বাস থেকেই এসেছে।

সুতরাং, কবিরাজরা যে শনিবার ও মঙ্গলবারকে বিশেষ দিন মনে করে, এটি মূলত ইসলামি কোনো আকিদা নয়, বরং এটি সরাসরি হিন্দু তান্ত্রিক বিদ্যা এবং গ্রহ-নক্ষত্রের উপাসনা (Astrology/কাহানাত) থেকে ধার করা একটি শিরকি আকিদা। যে কবিরাজ বা হুজুর আপনাকে শনি বা মঙ্গলবারের ডেট দিচ্ছে, সে আসলে ইসলামি পদ্ধতিতে কোনো কাজ করছে না। সে টুপি-পাঞ্জাবি পরে ভেতরে ভেতরে ওই হিন্দু তান্ত্রিক বিদ্যা এবং গ্রহ-নক্ষত্রের কুফরি নিয়মেরই অনুসরণ করছে।

এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, শয়তানের সাথে এই দিনগুলোর সম্পর্ক কী? জাদুকররা তো শয়তান বা কাফের জিনদের সাহায্য নিয়েই এসব কাজ করে, তাই না?

বিষয়টি একদম পানির মতো পরিষ্কার করে দিচ্ছি। ইসলামে সপ্তাহের প্রতিটি দিনই আল্লাহ তাআলার সৃষ্টি। শুক্রবার (জুমআ) হলো মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বরকতময় দিন। এছাড়া সোমবার ও বৃহস্পতিবার হলো নফল রোজা রাখার এবং আল্লাহর কাছে বান্দার আমল পেশ করার দিন। বুধবার, রবিবার—সব দিনই আল্লাহর দিন, কোনো দিনই অশুভ নয়। আমাদের সমাজে অনেকে বুধবার নিয়েও কুসংস্কার মানে (যেমন বুধবারে যাত্রা না করা বা বাঁশ না কাটা), যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

কিন্তু শয়তানের কাজই হলো আল্লাহর নিয়মের উল্টো দিকে হাঁটা (Pact with the Devil)। শয়তান চায় মানুষ যেন আল্লাহর রহমতের দিনগুলোর চেয়ে ওইসব দিনের ওপর বেশি ভক্তি ও বিশ্বাস স্থাপন করে, যেগুলোকে অন্য ধর্মে ‘অশুভ’ বা ‘উগ্র’ মনে করা হয়। একজন জাদুকর যখন শয়তানের সাথে চুক্তি করে জাদু শেখে, তখন শয়তান তাকে শর্ত দেয় যে— "তোমাকে গ্রহ-নক্ষত্রের নিয়ম মেনে শনি ও মঙ্গলবারেই এই কুফরি কাজগুলো করতে হবে।" এবং এই বিষয়গুলো বিভিন্ন তাবিজ কবজের বইয়ে এভাবেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আর সমাজের কবিরাজ ও হুজুররা শয়তানের এই শর্তই জেনে হোক অথবা না জেনে হোক তারা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যাচ্ছে।

যখন একজন সাধারণ মুসলমান নিজের রোগ ভালো করার জন্য ওই কবিরাজের কথায় বিশ্বাস করে শনিবার বা মঙ্গলবার যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে, তখন তার অন্তরের বিশ্বাস (তাওয়াক্কুল) আল্লাহর ওপর থেকে সরে গিয়ে ওই নির্দিষ্ট দিন এবং কবিরাজের ওপর চলে যায়। আর শয়তান ঠিক এটাই চায়! শয়তান চায় চিকিৎসার বাহানা দিয়ে মানুষের ঈমানটা চুরি করে নিতে। এটি শয়তানের একটি সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক ধোঁকা (Psychological Trap)।

ইসলামি আকিদায় কোনো দিন বা ক্ষণকে নিজের জন্য অশুভ, কঠিন বা জাদুর জন্য বিশেষ দিন মনে করা সম্পূর্ণ হারাম এবং এটি ‘তাতাইয়্যুর’ বা কুলক্ষণ বিশ্বাসের অন্তর্ভুক্ত, যা সরাসরি শিরক। রাসূলুল্লাহ ﷺ স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন:

الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، الطِّيَرَةُ شِرْكٌ

অর্থ: "কুলক্ষণ বা অশুভ বিশ্বাস করা শিরক, কুলক্ষণ বিশ্বাস করা শিরক।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং: ৩৯১০)

যে ব্যক্তি কুরআন ও সুন্নাহ মেনে ‘রুকইয়াহ’ করে, তার কাছে শনি, মঙ্গল বা শুক্রবার বলে আলাদা কোনো কথা নেই। যখনই মানুষ অসুস্থ হবে, তখনই সে আল্লাহর কালাম পড়ে চিকিৎসা শুরু করবে। কারণ শেফা বা আরোগ্য দেওয়ার মালিক আল্লাহ, কোনো দিন বা ক্ষণ নয়।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, জেনেশুনে এসব গণক, তান্ত্রিক বা দিন-ক্ষণ নির্ধারণকারী কবিরাজদের কাছে যাওয়া এবং তাদের কথা বিশ্বাস করা ইসলামে কত বড় অপরাধ, তা কি আমরা জানি?

রাসূলুল্লাহ ﷺ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় উম্মতকে সতর্ক করে গেছেন:

مَنْ أَتَى عَرَّافًا أَوْ كَاهِنًا، فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ، فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ

অর্থ: "যে ব্যক্তি কোনো গণক বা জাদুকরের (কাহিন) কাছে গেল এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ ﷺ এর ওপর যা নাজিল হয়েছে (অর্থাৎ পবিত্র কুরআন ও ইসলাম), তার সাথে কুফরি করল।"
(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ৯৫৩২)

একটু ভেবে দেখুন! শরীর সুস্থ করার জন্য গিয়ে যদি আপনার ঈমানটাই ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায়, তবে এর চেয়ে বড় ক্ষতি আর কী হতে পারে?

তাই আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আমাদের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা এই শনি-মঙ্গলবারের কবিরাজদের মিষ্টি কথায় ধোঁকা খাবেন না। এরা ইসলামের লেবাস গায়ে জড়ালেও এদের মূল শেকড় ওই প্রাচীন জাদুটোনা এবং শিরকের সাথেই যুক্ত।

অসুস্থ হলে নিজে নিজে কুরআনের আয়াত ও মাসনুন দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান, অথবা যারা সঠিক আকিদা নিয়ে দিন-ক্ষণের পরোয়া না করে কেবল শরীয়ত সম্মতভাবে রুকইয়াহ করে, তাদের শরণাপন্ন হোন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ধরনের সূক্ষ্ম শিরক ও কুসংস্কার থেকে ঈমানকে হেফাজত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

19/04/2026

একের পর এক অসুস্থতায় আক্রান্ত হওয়া অসুস্থতার জা-দুর অন্যতম লক্ষণ।

19/04/2026

মেধাশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধির জন্য কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক দোয়া ও আমল
মানুষের জীবনে জ্ঞান ও মেধাশক্তি আল্লাহ তাআলার এক মহান নিয়ামত। জ্ঞান অর্জনের জন্য যেমন অধ্যবসায় ও সাধনা প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন আল্লাহর সাহায্য ও অনুগ্রহ। কারণ প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহর পক্ষ থেকেই দান করা হয়। তাই একজন মুমিন বান্দার কর্তব্য হলো চেষ্টা ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে সাহায্য কামনা করা।
নিচে কোরআনের আয়াত, হাদিসে বর্ণিত দোয়া এবং পরীক্ষিত যিকিরের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল তুলে ধরা হলো, যা নিয়মিত পালনে ইনশাআল্লাহ মেধাশক্তি বৃদ্ধি, স্মরণশক্তির উন্নতি এবং অন্তরের প্রশান্তি লাভ সম্ভব।
নিয়ত
যেকোনো ইবাদত ও নেক আমলের মূল ভিত্তি হলো নিয়ত। আমল শুরু করার আগে মনে মনে এই নিয়ত করা উত্তম—
“হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে দিন, আমার স্মরণশক্তি ও বোঝার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দিন এবং আমাকে উপকারী জ্ঞান দ্বারা সমৃদ্ধ করুন।”

নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়; অন্তরের দৃঢ় সংকল্পই যথেষ্ট।
কোরআনের বরকতময় আয়াতসমূহ
সূরা আল-ইনশিরাহ (১–৮)
এই মহিমান্বিত সূরাটি অন্তরের সংকীর্ণতা দূর করে, মানসিক অস্থিরতা প্রশমিত করে এবং জ্ঞান অর্জনের পথে প্রশস্ততা এনে দেয়।
আলম নাশরাহ লাকা সদরাক…
সম্পূর্ণ সূরাটি

একবার অথবা তিনবার পাঠ করা উত্তম।
সূরা ত্ব-হা : আয়াত ২৫–২৮
এই দোয়াটি হজরত মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর দোয়া, যা জ্ঞান, বোধশক্তি এবং স্পষ্টভাবে কথা বলার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরবি:
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي
وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي
يَفْقَهُوا قَوْلِي
অর্থ:
হে আমার প্রতিপালক!
আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন,
আমার কাজ সহজ করে দিন,
আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দিন,
যাতে তারা আমার কথা সঠিকভাবে বুঝতে পারে।
এই দোয়াটি
তিনবার পাঠ করা উত্তম।
হাদিসে বর্ণিত জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া
রাসূলুল্লাহ ﷺ জ্ঞান ও উপকারিতা কামনায় নিয়মিত যে দোয়াটি পাঠ করতেন, তা মেধা ও প্রজ্ঞা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।
আরবি:
اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي
وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي
وَزِدْنِي عِلْمًا
অর্থ:
হে আল্লাহ!
আপনি আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন, তা দ্বারা আমাকে উপকৃত করুন,
আমাকে উপকারী জ্ঞান শিক্ষা দিন,
এবং আমার জ্ঞান আরও বৃদ্ধি করে দিন।
এই দোয়াটি
তিনবার অথবা সাতবার পাঠ করা যেতে পারে।
বিশেষ যিকির (মেধা ও অন্তরের প্রশান্তির জন্য)
يَا فَتَّاحُ، يَا عَلِيمُ
(হে সকল দরজা উন্মুক্তকারী, হে সর্বজ্ঞ)
এই যিকিরটি
৩৩ বার পাঠ করা উত্তম।
এটি অন্তরের বন্ধ দরজা খুলে দেয় এবং জ্ঞান অর্জনের পথ সহজ করে।
আমল করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. এই আমলগুলো ফজরের নামাজের পর অথবা পড়াশোনার আগে করা সর্বোত্তম।
২. প্রয়োজনে পানিতে ফুঁ দিয়ে সেই পানি পান করা যেতে পারে—ইনশাআল্লাহ এতে বরকত রয়েছে।
৩. হারাম কাজ ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা অত্যন্ত জরুরি; কেননা গুনাহ জ্ঞানের আলো নিভিয়ে দেয়।
৪. নিয়মিত, ধৈর্য ও একনিষ্ঠতার সঙ্গে আমল করা আবশ্যক। ফল ত্বরান্বিত করার জন্য অস্থির হওয়া উচিত নয়।

মুলাখ্খাছ কথা হচ্ছে

জ্ঞান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক বিশেষ দান। বান্দা চেষ্টা করবে, আর আল্লাহ ফল দেবেন। এই দোয়া ও আমলগুলো যদি দৃঢ় বিশ্বাস, নিষ্ঠা ও ধারাবাহিকতার সঙ্গে পালন করা হয়, তবে আল্লাহর ইচ্ছায় মেধাশক্তি বৃদ্ধি পাবে, স্মরণশক্তি প্রখর হবে এবং জ্ঞান অর্জন সহজ হয়ে উঠবে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে উপকারী জ্ঞান দান করুন। আমিন।

রাগের জাদুর লক্ষণ (সিহর আল-গাদাব)কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, একজন মানুষের মধ্যে অস্বাভাবিক ও হঠাৎ রাগের প্রবণতা তৈরি হয়, যার...
18/04/2026

রাগের জাদুর লক্ষণ (সিহর আল-গাদাব)
কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, একজন মানুষের মধ্যে অস্বাভাবিক ও হঠাৎ রাগের প্রবণতা তৈরি হয়, যার পেছনে সিহর (জাদু) বা অশুভ প্রভাব থাকতে পারে বলে অনেকে ধারণা করেন। এমন অবস্থায় কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়—
• হঠাৎ অকারণে তীব্র রাগ উঠে যাওয়া, বিশেষ করে নির্দিষ্ট ব্যক্তি (স্বামী/স্ত্রী বা পরিবারের কারো) সামনে এলে
• খুব ছোট বিষয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া দেওয়া, যা স্বাভাবিক আচরণের সাথে মিল থাকে না
• রাগের সময় নিজেকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন মনে হওয়া, পরে বলা বা করা কথা মনে না থাকা বা আফসোস করা
• ভালোবাসার মানুষদের প্রতিও অকারণ বিরক্তি, ঘৃণা বা দূরত্ব তৈরি হওয়া
• স্বামী-স্ত্রীর মাঝে অশান্তি, ঝগড়া ও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া
• কুরআন তিলাওয়াত, যিকির বা নামাজের সময় অস্থিরতা, বিরক্তি বা হঠাৎ রাগ অনুভব হওয়া
• মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক স্বপ্ন দেখা—ঝগড়া, আগুন, আক্রমণ বা ভয়ংকর কিছু
• শরীরে অস্বস্তি, বুক ধড়ফড়, মাথা গরম হয়ে যাওয়া—বিশেষ করে রাগের সময়।

আপনার সাথেও কি এমন হচ্ছে.? জানাতে ভুলবেন না৷

As Shifa Quranic Cure
01974-118931

18/04/2026

⚠️শারীরিক মানসিক অসুস্থতার জন্য বেশিরভাগ সময় পেটের যাদুই সব থেকে বেশী ভূমিকা রাখে।
আর পেটের যাদু থাকার অন্যতম লক্ষণ হলো বারবার খাবার স্বপ্ন দেখা।

17/04/2026

দ্রুত বিয়ের জন্য কার্যকর আমল

✅ ১. ইস্তিগফার: প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার "আস্তাগফিরুল্লাহ" বলুন। গুনাহ থেকে মুক্তি মিললে বরকত আসে।

✅ ২. তাহাজ্জুদ: শেষ রাতে দু'রাকাত নামায পড়ে আল্লাহর কাছে ভালো জীবনসঙ্গীর জন্য দোয়া করুন।

✅ ৩. দরুদ শরিফ: প্রতিদিন অন্তত ১০০-৩০০ বার দরুদ পাঠ করুন। নবী ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার উপর বেশি দরুদ পাঠ করবে, তার চিন্তা-দুশ্চিন্তা দূর হবে।"

✅ ৪. সুরাহা আদ্-দুহা ও আলাম নাশরাহ: প্রতিদিন একবার করে পড়ুন, ইনশাআল্লাহ্ দেরি দূর হবে।

✅ ৫. বিশেষ দোয়া:
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
(উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির)
📖 (সূরা কাসাস: ২৪) – এই দোয়ার পর হযরত মূসা (আ.)-এর বিয়ে হয়!

✅ ৬. সাদাকা দিন: গোপনে কিছু দান করুন, কারণ সাদাকা বিপদ দূর করে।

✅ ৭. মা-বাবার দোয়া নিন: তাদের দোয়া বরকতময়, দ্রুত কবুল হয়।

🔹 ভরসা রাখুন: আল্লাহর নির্ধারিত সময়েই আপনার জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী আসবে, ইনশাআল্লাহ্!

উপকারি পোস্ট মনে হলে শেয়ার করুন৷

As Shifa Quranic Cure
01974118931

17/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ দীর্ঘদিনের জীন জাদুতে আক্রান্ত এক বোন ২য় শেষনের পর জানালেন উনি পুরোপুরি সুস্থ৷ আলহামদুলিল্লাহ

সৌদি প্রবাসি এক ভাই নানান সমস্যা ফেইস করছিলো৷ অনলাইনে রুকইয়াহ করালাম। দেখা যায় কঠিন ভাবে জাদুতে আক্রান্ত৷ আল্লাহ শেফা দা...
16/04/2026

সৌদি প্রবাসি এক ভাই নানান সমস্যা ফেইস করছিলো৷ অনলাইনে রুকইয়াহ করালাম। দেখা যায় কঠিন ভাবে জাদুতে আক্রান্ত৷ আল্লাহ শেফা দান করুন৷

As Shifa Quranic Cure
01974118931

16/04/2026

পেসেন্ট একজন বুয়েটের স্টুডেন্ট। বাবা একজন আর্মি৷ একসময় পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিলো৷ বর্তমানে পড়াশোনার নাম শুনলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়৷ পরিক্ষায় আগে ফাস্ট হতো এখন ফেইল করে৷ পরিক্ষা দিতে মন চায় না৷ হলরুমের বাহিরে সময় কাটিয়ে চলে আসে৷ প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াগনোসিস করে দেখলাম। আইন, হাসাদ, সেহের, করা হয়েছে। বুকে হালকা খোঁচা দিতেই খবিস শয়তান এক্টিভ।

আল্লাহ প্রত্যেক জীন জাদুতে আক্রান্ত ভাইবোন কে শেফা দান করুন৷ জালেমদের ধ্বংস করুন৷

As Shifa Quranic Cure
01974-118931 (সিরিয়াল নিতে)

14/04/2026

জ্বীন-জাদুগ্রস্থদের জন্য ঘরে শান্তি থাকে না—শয়তান তাদের মানসিক ও শারীরিক কষ্ট বাড়ায়। আল্লাহ জাদুকর ও তাদের সহযোগীদের ধ্বংস করুন।

Address

কুতুবখালি বড় মাদরাসার অপজিটে নূর মসজিদের ডান পাশের গলি, এলাহি হাউজের নিচ তলায়
Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As Shifa Quranic Cure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share