Wellness With Tilottama

Wellness With Tilottama ✨ Tilottama Dutta | Your Trusted Dietitian ✨

Transform your health with personalized nutrition plans tailored just for you!

Whether it’s weight management, a healthier lifestyle, or specific health goals, I’m here to guide you every step of the way. 🌱

🦴 Sarcopenia — “বয়স না, নীরব ক্ষয়”শান্তা আপা আগে একাই বাজার করতেন। ভারী ব্যাগ নিয়ে তিন তলা সিঁড়ি উঠতেন, কারও সাহায্য লাগ...
16/02/2026

🦴 Sarcopenia — “বয়স না, নীরব ক্ষয়”
শান্তা আপা আগে একাই বাজার করতেন। ভারী ব্যাগ নিয়ে তিন তলা সিঁড়ি উঠতেন, কারও সাহায্য লাগত না। কিন্তু এখন মাঝেমধ্যে বলেন, “হাতের জোরটা কেমন যেন কমে গেছে… হাঁটলেই হাঁপিয়ে যাই।” তিনি ভাবেন— বয়স হয়েছে, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সবটাই কি বয়সের দোষ? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের পেশী ধীরে ধীরে কমতে থাকে।এই নীরব ক্ষয়ের নামই সারকোপেনিয়া।
ওজন একই থাকতে পারে, এমনকি একটু বেড়েও যেতে পারে— কিন্তু ভেতরে ভেতরে পেশী গলে যায়, শক্তি কমে যায়, ভারসাম্য নষ্ট হয়। অনেক সময় আমরা শুধু ক্যালসিয়াম নিয়ে ভাবি, হাড় নিয়ে ভাবি— কিন্তু পেশীর কথাটা ভুলে যাই। যথেষ্ট প্রোটিন না খাওয়া, দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম না করা, অসুস্থতার পর বিশ্রামে বেশি সময় থাকা— এগুলো পেশী ক্ষয়কে দ্রুত করে দেয়।
বয়স মানে দুর্বল হওয়া না।
বয়স মানে শরীরকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া।
প্রতিদিনের প্লেটে যদি পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে, হালকা রেজিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ থাকে, রোদে হাঁটার অভ্যাস থাকে—তাহলে পেশীকে ধরে রাখা সম্ভব।
শরীরকে অবহেলা করলে সে আস্তে আস্তে ক্ষয়ে যায়।
বয়সকে দোষ দেবেন না।
শরীরের পাশে দাঁড়ান, সুস্থ থাকুন নিজে কিভাবে সুস্থ থাকবেন তার দিকে যত্নবান হন। ব্যক্তিগত ডায়েট প্লান এর জন্য যোগাযোগ করুন-01712634077
— Dietitian Tilottama Dutta
Wellness With Tilottama 💚

GLP-1 কী? GLP-1 (Glucagon-Like Peptide-1) হলো আমাদের শরীরের একটি প্রাকৃতিক হরমোন।খাওয়ার পর এটি অন্ত্র থেকে নিঃসৃত হয়ে ...
08/02/2026

GLP-1 কী?
GLP-1 (Glucagon-Like Peptide-1) হলো আমাদের শরীরের একটি প্রাকৃতিক হরমোন।
খাওয়ার পর এটি অন্ত্র থেকে নিঃসৃত হয়ে শরীরকে জানায়
👉 “খাবার হয়েছে, এখন ব্যালান্সে থাকো।”
GLP-1 শরীরে কী করে?
• রক্তে শর্করা বাড়লে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়।
• পাকস্থলী থেকে খাবার ধীরে নামায় → পেট ভরা লাগে।
• অতিরিক্ত ক্ষুধা ও খাবারের ক্রেভিং কমায়।
• মস্তিষ্ককে সিগন্যাল দেয়—আর খাবার দরকার নেই
এই কারণেই GLP-1 গুরুত্বপূর্ণ—
👉 টাইপ-২ ডায়াবেটিস কন্ট্রোল।
👉 ওজন কমানোর ক্ষেত্রে।
GLP-1 মেডিসিন কীভাবে কাজ করে?
কিছু ওষুধ আছে যেগুলো GLP-1 এর মতো কাজ করে।
এগুলো ক্ষুধা কমায়, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ধীরে ধীরে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
ব্যবহৃত GLP-1 মেডিসিনগুলো—
• Semaglutide (Ozempic, Wegovy)
• Liraglutide (Victoza, Saxenda)
• Dulaglutide (Trulicity)
• Exenatide (Byetta, Bydureon)
• Tirzepatide (Mounjaro – GLP-1 + GIP)
দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
GLP-1 মেডিসিন উপকারী হলেও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি—
• পাকস্থলীর খাবার নামার গতি বেশি কমে গেলে
➡️ বমি ভাব, গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য।
• ক্ষুধা খুব কমে গেলে
➡️ প্রোটিন ও ভিটামিন-মিনারেল ডেফিসিয়েন্সি।
• দ্রুত ওজন কমলে
➡️ মাংসপেশি কমে যাওয়া
➡️ দুর্বলতা ও ক্লান্তি
• ডায়াবেটিসের অন্য ওষুধের সাথে-
➡️ লো ব্লাড সুগারের ঝুঁকি
• দীর্ঘদিন নির্ভরশীল হলে।
➡️ ওষুধ বন্ধ করলে আবার ওজন বেড়ে যাওয়া।
কারা অবশ্যই সতর্ক থাকবেন?
• যাদের গ্যাস্ট্রিক বা GI সমস্যা আছে।
• থাইরয়েড বা গলব্লাডার সমস্যা।
• গর্ভবতী বা ব্রেস্টফিডিং মা।
• নিজে নিজে ওজন কমানোর ওষুধ নিতে চান যারা।
এই ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শুরু করা ঠিক নয়। এবং এই সময় সঠিক ডায়েট খুব বেশি জরুরী। তা না হলে মাসেল লস থেকে শুরু করে শারীরিক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। সব কথা শেষ কথা কোন কিছুই নিজে নিজে করা উচিত নয় বিশেষ করে যখন স্বাস্থ্যটা আপনার এবং এ স্বাস্থ্যের উপর আপনার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
মনে রাখবেন-
GLP-1 কোনো
❌ ম্যাজিক ইনজেকশন নয়
❌ শর্টকাট সমাধান নয়
এটা একটি সাপোর্ট সিস্টেম—
যার সাথে থাকতে হবে সঠিক খাবার, ঘুম ও লাইফস্টাইল।

আমার বাচ্চাটা এত অসুস্থ হয় কেন?”🌱 “খাবার দেখলেই মুখ ঘুরিয়ে নেয় কেন?”🌱 “সব বাচ্চা যেভাবে বড় হচ্ছে, আমারটা কেন না?”অনেক সম...
05/02/2026

আমার বাচ্চাটা এত অসুস্থ হয় কেন?”
🌱 “খাবার দেখলেই মুখ ঘুরিয়ে নেয় কেন?”
🌱 “সব বাচ্চা যেভাবে বড় হচ্ছে, আমারটা কেন না?”
অনেক সময় উত্তরটা খুব ছোট একটা জায়গায় লুকিয়ে থাকে—ZINC
Zinc এমন একটা nutrient, যেটা না থাকলে শিশুর শরীর ভেতর থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
শিশুর শরীরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ নতুন কোষ তৈরি হয়। এই কোষগুলো ঠিকমতো তৈরি না হলে শিশুর বৃদ্ধি থেমে যায়। Zinc সেই কোষ তৈরির চাবিকাঠি।
শিশু বারবার সর্দি, কাশি, জ্বর বা ডায়রিয়ায় ভুগছে?
এটা শুধু “ইমিউনিটি কম” না—অনেক সময় Zinc কম থাকলে শরীর নিজের সুরক্ষা গড়তেই পারে না।
যে বাচ্চাটা সারাক্ষণ ক্লান্ত, মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, পড়াশোনায় আগ্রহ কম—
তার ব্রেইনের ভেতরও Zinc দরকার।
👉 Zinc ছাড়া brain ঠিকভাবে develop করতে পারে না।আর সেই পরিচিত অভিযোগ— “ও খেতেই চায় না!”
Zinc ক্ষুধা জাগানোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অনেক picky eater শিশুর পেছনে Zinc deficiency নীরবে কাজ করে। ছোট ঘা শুকাতে দেরি হচ্ছে?চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে? ত্বক রুক্ষ লাগছে?
শরীর তখন আসলে বলে দিচ্ছে— “আমার Zinc দরকার।”
🍽️ Zinc এর ভালো উৎস আসলে খাবারেই পাওয়া যায়- ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল, ছোলা, বাদাম—
সঠিক পরিমাণে, সঠিকভাবে দিলে শিশুর শরীর নিজেই শক্ত হয়ে ওঠে।
⚠️ মনে রাখবেন সব শিশুকে supplement নয়।
💚 শিশু বড় হয় শুধু বয়সে না—সঠিক nutrition-এ।
সঠিক বয়সের জন্য সঠিক ডায়েট চার্ট নিতে যোগাযোগ করুন- 017126340770 Wellness With Tilottama

Adaptive Thermogenesis কী?Adaptive thermogenesis হলো শরীরের একটি survival mechanism।যখন আপনি দীর্ঘদিন ক্যালরি কম খান, হঠ...
02/02/2026

Adaptive Thermogenesis কী?
Adaptive thermogenesis হলো শরীরের একটি survival mechanism।
যখন আপনি দীর্ঘদিন ক্যালরি কম খান, হঠাৎ ওজন কমান বা বারবার ডায়েট করেন—
তখন শরীর ভাবে 👉 “খাবার কম পাচ্ছি, এনার্জি বাঁচাতে হবে।”
ফলাফল হিসেবে শরীর নিজের থেকেই
✔️ ক্যালরি খরচ কমিয়ে দেয়।
✔️ মেটাবলিজম স্লো করে।
✔️ ফ্যাট ধরে রাখার চেষ্টা করে।
এটাই Adaptive Thermogenesis।
এটা কেন হয়? (বডির দৃষ্টিকোণ থেকে)
আমাদের শরীরের মূল লক্ষ্য ওজন কমানো না—
👉 বেঁচে থাকা (Survival)
দীর্ঘদিন কম খেলে শরীর মনে করে-
🔹 দুর্ভিক্ষ চলছে
🔹 ভবিষ্যতের জন্য এনার্জি জমাতে হবে
তাই শরীর বলে—
“এই ওজনে থাকাই নিরাপদ।”
শরীর ও স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব Adaptive thermogenesis হলে আপনি যেসব লক্ষণ অনুভব করতে পারেন—
▪️ আগের মতো খাওয়া না বাড়ালেও ওজন কমে না
▪️ খুব অল্প খেতেই ওজন বেড়ে যায়
▪️ সবসময় ক্লান্ত লাগে
▪️ ঠান্ডা বেশি লাগে
▪️ হরমোনাল ইমব্যালান্স (বিশেষ করে থাইরয়েড, লেপটিন)
▪️ Mood swing, irritability
▪️ PCOS, ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সে সমস্যা বাড়ে অনেকেই বলেন—
“আমি তো কিছুই খাই না, তাও ওজন কমে না!”
এর পেছনে অনেক সময় এই কারণটাই কাজ করে।
বারবার ডায়েট করলে সমস্যা কেন বাড়ে?
Crash diet → দ্রুত ওজন কমে
কিন্তু শরীর শেখে 👉 ক্যালরি বাঁচাতে হবে
ফলে পরের বার-
🔁 মেটাবলিজম আরও স্লো।
🔁 ওজন কমানো আরও কঠিন।
এটাকেই বলা হয়
👉 Yo-yo dieting cycle
এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার উপায়
সমাধান আরও কম খাওয়া না ।
সমাধান হলো শরীরকে আবার বিশ্বাস করানো ।
✔️ পর্যাপ্ত ক্যালরি
✔️ পর্যাপ্ত প্রোটিন
✔️ Strength training
✔️ পর্যাপ্ত ঘুম
✔️ Stress control
✔️ ধীরে ওজন কমানো।

সমস্যা আপনার মধ্যে না।
সমস্যা সেই ডায়েট কালচার,
যা শরীরকে শত্রু বানিয়ে ফেলে।
Body কে বোঝা মানেই Sustainable Weight Loss।
Wellness with Tilottama আপনার স্বাস্থ্য অনুযায়ী ডায়েট চার্ট প্ল্যান করার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-01712634077

“ডায়েট শুরু করতে না করতে আমি ক্লান্ত…”বারবার নতুন করে শুরু করা—নতুন প্ল্যান, নতুন নিয়ম, নতুন আশ্বাস।কিন্তু কিছুদিন পর ...
01/02/2026

“ডায়েট শুরু করতে না করতে আমি ক্লান্ত…”
বারবার নতুন করে শুরু করা—
নতুন প্ল্যান, নতুন নিয়ম, নতুন আশ্বাস।
কিন্তু কিছুদিন পর আবার একই জায়গায় ফিরে আসা।
কখনো ওজন কমে,
কখনো কমে না।
কখনো শরীর দুর্বল লাগে,
কখনো মনটাই ভেঙে যায়।
তখন নিজের উপর রাগ হয়।
“আমার দ্বারা হবে না।”
“আমি ডিসিপ্লিনড না।”
“আমার ইচ্ছাশক্তি কম।”
কিন্তু একটু থামুন।
একটা সত্য কথা বলি?
সমস্যা আপনি না।
সমস্যা সেই ডায়েট—যা আপনাকে বোঝে না।
যে ডায়েট
আপনার হরমোনের কথা শোনে না,
আপনার স্ট্রেস, ঘুম, কাজের চাপকে হিসেব করে না,
আপনার অসুখ, ওষুধ, বয়স, জীবনের বাস্তবতাকে এড়িয়ে যায়—
সে ডায়েট আপনাকে ক্লান্ত করবেই।
কারণ
শরীর কোনো মেশিন না,
আর ওজন কমানো কোনো শাস্তি না।
বারবার শুরু করতে ক্লান্ত হওয়া মানে
আপনি দুর্বল না—
এর মানে আপনি ভুল পদ্ধতিতে চেষ্টা করছেন।
যে দিন ডায়েট
আপনার শরীরকে শোনে,
আপনার জীবনের সাথে মানিয়ে চলে,
আপনাকে না খাইয়ে নয়—সুস্থ করে তোলে,
সেদিন আর “starting again” লাগবে না।
সেদিন শুরুটা হবে—
শেষবারের মতো।
নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন।
সঠিক বোঝাপড়া থেকেই সুস্থতার শুরু।

আজকাল অনেকেই ভাবেন—👉 Apple Cider Vinegar, Chia seed, Cinnamon, Beet powder, Moringa (সজনে পাতা), Green teaএগুলো যেহেতু “...
28/01/2026

আজকাল অনেকেই ভাবেন—
👉 Apple Cider Vinegar, Chia seed, Cinnamon, Beet powder, Moringa (সজনে পাতা), Green tea
এগুলো যেহেতু “ন্যাচারাল”, তাই যে কেউ যেকোনো সময় খেতে পারে। বাস্তবটা কিন্তু একটু আলাদা।এই সব খাবার ও হার্বস অনেক সময় ওষুধের সঙ্গে ইন্টারেকশন করে এবং শরীরের অবস্থার উপর প্রভাব ফেলে।
🌿 Apple Cider Vinegar (ACV)
রক্তে শর্করা ও পটাশিয়াম কমাতে পারে। ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন নিলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে।
ডাইইউরেটিক বা হার্টের ওষুধে পটাশিয়াম আরও কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
➡️ খালি পেটে বা দীর্ঘদিন রোজ খাওয়া নিরাপদ নয়।
🌿 Chia Seed
ফাইবার খুব বেশি হওয়ায় ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। ব্লাড থিনার নিলে অতিরিক্ত রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে। লো BP বা লো সুগার হলে সমস্যা বাড়তে পারে।
➡️ ওষুধ খাওয়ার অন্তত ১–২ ঘণ্টা পরে খাওয়া ভালো।
🌿 দারচিনির গুঁড়া (Cinnamon)
রক্তে সুগার কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে নিলে সুগার হঠাৎ কমে যেতে পারে।অতিরিক্ত পরিমাণে লিভারের উপর চাপ পড়তে পারে।
➡️ “ডোজ” না জেনে নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।
🌿 Beet Powder
নাইট্রেট বেশি থাকায় ব্লাড প্রেসার কমাতে পারে।
BP-এর ওষুধের সঙ্গে নিলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা হতে পারে।‌কিডনি স্টোনের রোগীদের জন্য সব সময় নিরাপদ নয়।
➡️ সবার জন্য প্রতিদিন নয়।
🌿 সজনে পাতা / সজনে গুঁড়া (Moringa)
রক্তে সুগার ও প্রেসার দুটোই কমাতে পারে। ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে ইন্টারেকশন হতে পারে।
প্রেগন্যান্সিতে সতর্কতা জরুরি।
➡️ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত নয়।
🌿 Green Tea
আয়রন ও ক্যালসিয়াম শোষণ কমায়। আয়রন ট্যাবলেট বা থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে একসাথে খাওয়া ঠিক নয়। হার্টের ওষুধ ও ব্লাড থিনারের সঙ্গেও ইন্টারেকশন হতে পারে।
➡️ খাবার বা ওষুধের সাথে নয়, আলাদা সময়ে।
👉 হেলথ অনুযায়ী খাবারই আসল হিলিং।
নিজের শরীর ও মেডিসিন বুঝে তবেই যেকোনো হার্বস বা “সুপারফুড” বেছে নিন।
কোন খাবারগুলো মেডিসিনের সঙ্গে আপনি খেতে পারবেন এবং কতটুকু পরিমাণে খেতে পারবেন সেটা আপনার ডক্টর অথবা ডাইটিশিয়ানের সাথে পরামর্শ করে নিবেন। সঠিক ডায়েট মানে সুস্থ শরীর। আপনার নিয়মিত ডায়েট প্ল্যানের জন্য যোগাযোগ করুন-01712634077

IBS না IBD—দুটো কি এক?অনেকেই ভাবে, পেটের সমস্যা মানেই এক জিনিস।কিন্তু বাস্তবে IBS আর IBD একেবারেই আলাদা।🌿 IBS (Irritable...
25/01/2026

IBS না IBD—দুটো কি এক?
অনেকেই ভাবে, পেটের সমস্যা মানেই এক জিনিস।
কিন্তু বাস্তবে IBS আর IBD একেবারেই আলাদা।
🌿 IBS (Irritable Bowel Syndrome)
এটা হলো অন্ত্রের কাজের সমস্যা।
অন্ত্রে কোনো ক্ষত বা ইনফ্ল্যামেশন থাকে না।
স্ট্রেস, অনিয়মিত খাবার, লাইফস্টাইল—সবচেয়ে বড় ট্রিগার।
লক্ষণ হতে পারে—
পেট ব্যথা, গ্যাস, ফাঁপা ভাব
কখনো ডায়রিয়া, কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য
👉 সাধারণত রক্তপাত বা ওজন কমে না।
🌿 IBD (Inflammatory Bowel Disease)
এটা একটি সিরিয়াস মেডিকেল কন্ডিশন।
অন্ত্রের ভেতরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ ও ক্ষত তৈরি হয়।
লক্ষণ—
দীর্ঘদিন ডায়রিয়া
রক্ত ও মিউকাসসহ পায়খানা
ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা।
👉 এখানে সঠিক মেডিকেল চিকিৎসা জরুরি।
⚠️ মনে রাখবেন
সব পেটের সমস্যা IBS নয়।
রক্ত, ওজন কমা বা দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া হলে
নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
🌱 সঠিক ডায়েট + লাইফস্টাইল + সময়মতো চিকিৎসাই সুস্থতার চাবিকাঠি।
✍️ DT Tilottama Dutta
Wellness With Tilottama

21/01/2026

✨ মাত্র ৩ মাসে ৮ কেজি ওজন কমিয়েছেন!
খাবার খেয়ে, না খেয়ে নয়।
এই ফলাফল সম্ভব হয়েছে সঠিক খাদ্য পরিকল্পনা ও লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে। আপনি কি পরবর্তী সফলতা হতে চান?

📞 যোগাযোগ করুন এখনই — 01712634077
📩 অথবা ইনবক্স করুন “Weight Loss” লিখে.

হরমোনের রেঞ্জ বদলালেই শরীর বদলে যায়—কেন?আমরা অনেক সময় ভাবি—“রিপোর্টে হরমোন একটু বেশি বা কম, তাতে কী এমন হবে?”আসলে হরমো...
21/01/2026

হরমোনের রেঞ্জ বদলালেই শরীর বদলে যায়—কেন?
আমরা অনেক সময় ভাবি—
“রিপোর্টে হরমোন একটু বেশি বা কম, তাতে কী এমন হবে?”
আসলে হরমোন হলো শরীরের কেমিক্যাল মেসেঞ্জার।
একটা নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে থাকলেই শরীর ঠিকভাবে কাজ করে।
এই রেঞ্জের বাইরে গেলেই শুরু হয় বিপাকীয় চেইন রিঅ্যাকশন।
সহজ করে বুঝি (Chemical → Metabolic Pathway)
Stress বাড়লে →
Cortisol বাড়ে →
রক্তে glucose বাড়ে →
Insulin বেশি নিঃসৃত হয় →
অতিরিক্ত glucose চর্বি হিসেবে জমে যায়।
👉 এটা কোনো ম্যাজিক না, এটা pure body chemistry।
মেয়েদের শরীরে কী হয়?
Estrogen ও progesterone-এর ভারসাম্য নষ্ট হলে—
পেট ও কোমরে চর্বি জমে,
PCOS-এর ঝুঁকি বাড়ে,
মাসিক অনিয়মিত হয়,
mood swing ও anxiety বাড়ে।
অনেক মেয়ে বলেন,
“আমি আগের মতোই খাই, তবু শরীর ভারী হয়ে যাচ্ছে।”
সমস্যা খাবারে না—সমস্যা হরমোনের রেঞ্জে।
ছেলেদের শরীরে কী হয়?
Testosterone কমে গেলে—
muscle mass কমে,
পেটের মেদ বাড়ে,
শক্তি ও stamina কমে,
insulin resistance বাড়তে থাকে
এ কারণেই একই খাবার খেয়েও
ছেলে ও মেয়ের শরীর আলাদা রকম প্রতিক্রিয়া দেখায়।
তাই হরমোন মানে শুধু রিপোর্ট না
হরমোন মানে—
আপনার ঘুম
আপনার ক্ষুধা
আপনার মেটাবলিজম
আপনার শরীরের fat storage system
সবকিছুর কেমিক্যাল কন্ট্রোল।
কম খাওয়া সবসময় সমাধান না। বরং শরীরকে বুঝিয়ে দিতে হয়—“তুমি নিরাপদ, stress-free, balance-এ আছো।”
হরমোন শান্ত হলে—
শরীর নিজেই ঠিক হতে শুরু করে।
ব্যক্তিগত ডায়েট প্ল্যানের জন্য যোগাযোগ করুন-01712634077








🥛 দুধ খেলেই কি ক্যালসিয়াম শরীরে শোষিত হয়?অনেকেই বলেন— “দুধ খাও মানেই ক্যালসিয়াম শরীরে ঢুকে গেল”।আসলে এই কথার পিছনে বৈ...
18/01/2026

🥛 দুধ খেলেই কি ক্যালসিয়াম শরীরে শোষিত হয়?
অনেকেই বলেন— “দুধ খাও মানেই ক্যালসিয়াম শরীরে ঢুকে গেল”।
আসলে এই কথার পিছনে বৈজ্ঞানিক কারণ আছে 👇
1.দুধে ক্যালসিয়াম থাকে সবচেয়ে Bioavailable Form-এ
দুধের ক্যালসিয়াম এমন এক রূপে থাকে, যা আমাদের অন্ত্র খুব সহজে চিনতে পারে এবং শোষণ করতে পারে।
তাই দুধের ক্যালসিয়াম আলাদা করে ভাঙার ঝামেলা কম।
2. দুধে আছে Vitamin D (প্রাকৃতিকভাবে বা ফোর্টিফায়েড)
Vitamin D ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
🦴 Vitamin D না থাকলে ক্যালসিয়াম থাকলেও শরীর তা কাজে লাগাতে পারে না।
👉 দুধে Vitamin D থাকায় শোষণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহজ হয়। যদি কোন কারনে ভিটামিন ডি শরীরে ঘাটতি থাকে তাহলে দুধের ক্যালসিয়াম শরীরে শোষণ হবে না।
3. দুধের Lactose ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায়
দুধের প্রাকৃতিক চিনি Lactose অন্ত্রে ক্যালসিয়ামের দ্রবণীয়তা বাড়ায়।
এর ফলে ক্যালসিয়াম সহজে রক্তে প্রবেশ করতে পারে।
4. দুধে Calcium–Phosphorus Ratio আদর্শ
হাড়ের জন্য শুধু ক্যালসিয়াম নয়, ফসফরাসও দরকার।
👉 দুধে এই দুইটির অনুপাত এমনভাবে থাকে, যা হাড়ে জমা হতে সাহায্য করে।
5.দুধে এমন উপাদান নেই যা ক্যালসিয়াম শোষণ বাধা দেয়
অনেক খাবারে Oxalate বা Phytate থাকে, যা ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয়।
✔️ দুধে এই বাধাদানকারী উপাদান নেই।
🧠 সংক্ষেপে বলা যায়
🥛 দুধ = ক্যালসিয়াম + Vitamin D + Lactose + Ideal Mineral Balance
এই কম্বিনেশনই দুধকে ক্যালসিয়ামের সবচেয়ে কার্যকর উৎস করে তোলে।
⚠️ দুধ খেলেও ক্যালসিয়াম কাজ না করার কিছু কারণ-
🔸 Vitamin D ঘাটতি।
🔸 দীর্ঘদিন স্টেরয়েড বা অ্যান্টাসিড ব্যবহার।
🔸 অন্ত্রের সমস্যা (IBS, Colitis)।
🔸 অতিরিক্ত চা-কফি বা সফট ড্রিংক।
🔸 বেশি বয়স বা মেনোপজ পরবর্তী অবস্থা।
👉 দুধ ক্যালসিয়াম দেয়,
কিন্তু শরীর প্রস্তুত না থাকলে ক্যালসিয়াম হাড়ে পৌঁছায় না।
📌 ক্যালসিয়াম শুধু খাবার থেকে নয়,
👉 সঠিক শোষণ ও ব্যবহার থেকেই আসে।

Health with Wellness
Dt Tilottama Dutta

17/01/2026

🤰 গর্ভধারণের আগে সুস্থতা কেন জরুরি?
একজন নারীর গর্ভবতী হওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তার শারীরিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগত অবস্থা। শরীর যদি দুর্বল থাকে, রক্তস্বল্পতা, হরমোনাল সমস্যা বা পুষ্টির ঘাটতি থাকে—তাহলে প্রেগনেন্সি জার্নি সহজ হয় না।
👉 তাই গর্ভধারণের আগে
✔ ওজন, হিমোগ্লোবিন, সুগার, থাইরয়েড ঠিক করা।
✔ সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড নিশ্চিত করা।
✔ জীবনযাপনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা
এরপর প্রেগনেন্সি প্ল্যান করলেই মা ও শিশুর জন্য হয় নিরাপদ ও সুস্থ ভবিষ্যৎ।
👉 মনে রাখবেন, Healthy mother = Healthy baby 🌱 ব্যক্তিগত ডায়েট প্ল্যানের জন্য যোগাযোগ করুন-01712634077

Address

Zigatala
Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wellness With Tilottama posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram