মিলনতত্ত্ব Network

মিলনতত্ত্ব Network Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মিলনতত্ত্ব Network, Medical and health, Dhaka, Dhaka.

মিলনতত্ত্ব Network is a professional collaboration platform under MilonTotto, facilitating quality partnerships and promotions with selected brands, institutions, and communities.

30/10/2025

প্রতিদিন বাংলাদেশে প্রায় ৪১২ জন করে মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন (রেফারেন্স কমেন্টে)।

পুরুষদের মধ্যে ৭২.৯% ধূমপায়ী। মহিলাদের মধ্যে তামাক ব্যবহারকারীর ৬০.৩% এবং পান/সুপারি জর্দা খাওয়া মানুষরা ৬৮.১%।

©Sabbir Ahmed

বাংলাদেশে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের পরও অনেক অপরাধী শাস্তি পাবে না।এমন ধারণা মানুষের মধ্যে দিনদিন যেন গেঁড়ে বসছে। সাম্প্...
28/09/2025

বাংলাদেশে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের পরও অনেক অপরাধী শাস্তি পাবে না।

এমন ধারণা মানুষের মধ্যে দিনদিন যেন গেঁড়ে বসছে। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ২৭ শতাংশ আসামি মনে করে তারা কোনোভাবেই সাজা পাবে না।

কিন্তু আমার নিজের অনুভূতিতে মনে হয় এই সংখ্যা কাগজে কলমে যতটা কম, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের বিচার ব্যবস্থার ধীরগতি, মামলার দীর্ঘসূত্রতা আর প্রমাণের জটিলতায় অপরাধীরা যে কতটা সুবিধা পায়, তা আমরা প্রতিদিনের খবরে দেখেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ফলে অনেকের চোখে এটি শুধু ২৭ শতাংশের ব্যাপার নয়!

প্রায় শতভাগের মতোই মনে হয়, যেন শাস্তি এড়ানোই নিয়মে পরিণত হয়েছে।

ধর্ষণের মতো অপরাধে ন্যায়বিচার পেতে ভুক্তভোগীদের লড়াই শুরু হয় প্রথম দিন থেকেই। থানায় মামলা নেওয়ার ঝামেলা, প্রমাণ সংগ্রহের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া, এবং বছরের পর বছর কোর্টে কোর্টে ঘুরতে ঘুরতে হতাশা।

সবকিছুই অপরাধীর পক্ষে যায়। আইন আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন যেখানে দুর্বল, সেখানে অপরাধীরা সহজেই ফাঁকফোকর খুঁজে নেয়। অনেক সময় প্রভাবশালী আসামি বা অর্থবলশালী পরিবার সবকিছু ধামাচাপা দিয়ে দেয়। আবার সাক্ষীর নিরাপত্তার অভাব, চিকিৎসা প্রতিবেদনের দেরি, আর সামাজিক লজ্জার ভয়।

সব মিলে ন্যায়বিচার যেন এক প্রকার অসম্ভব স্বপ্নে পরিণত হয়।

এই বাস্তবতায় সাধারণ মানুষও ধীরে ধীরে বিশ্বাস হারাচ্ছে। যারা ধর্ষণের মতো ভয়ংকর অপরাধ করে, তাদের চোখে যখন শাস্তির ভয় থাকে না, তখন সমাজে অপরাধের হারও বেড়ে যায়।

এভাবে আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারালে শুধু ভুক্তভোগী নয়, পুরো সমাজই বিপদের মুখে পড়ে। তাই জরিপে যে ২৭ শতাংশের কথা বলা হয়েছে, সেটি হয়তো কাগজে লেখা সংখ্যা, কিন্তু আমাদের চারপাশের অভিজ্ঞতা যেন চিৎকার করে বলে এটা শুধু এক টুকরো পরিসংখ্যান নয়, এর ভেতরে লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর বাস্তবতা।

যৌন সমস্যার কার্যকর সমাধান: কেগেল ব্যায়াম (Kegel exercises)মানুষ এবং প্রতিটি প্রাণীর স্বাভাবিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম হলো...
18/08/2025

যৌন সমস্যার কার্যকর সমাধান: কেগেল ব্যায়াম (Kegel exercises)

মানুষ এবং প্রতিটি প্রাণীর স্বাভাবিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম হলো মিলন/ সহবাস। নারী ও পুরুষের মিলনের মাধ্যমেই সংসারে আসে পরম আদরের সন্তান। তবে শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের জন্যই শারীরিক সম্পর্ক নয় এটি মানুষের মৌলিক চাহিদার একটি, যা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শারীরিক মিলন যেমন শরীরকে সুস্থ রাখে, তেমনি মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে প্রফুল্ল রাখার দাওয়াই হিসেবেও কাজ করে। তবে সবার যৌনক্ষমতা একরকম নয়। নারী-পুরুষ উভয়েরই বিভিন্ন কারণে যৌন দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। কিছু অভ্যাস যৌনক্ষমতা কমিয়ে দেয়, আবার কিছু উপায় রয়েছে যা নিয়মিত চর্চা করলে যৌনক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হয়।

এর মধ্যে অন্যতম হলো কেগেল এক্সারসাইজ, যা বিশেষভাবে পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত ও অন্যান্য যৌন সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে পারে।

আজকের আলোচনা ক্যাগেল এক্সারসাইজ বা পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ নিয়ে। এটা খুব চমৎকার একটি ব্যায়াম। যাদের প্রস্রাবের সমস্যা আছে, যেমন প্রস্রাবের একটু পরই আবার বেগ পাওয়া, অল্প সময়ও প্রস্রাব আটকে রাখতে না পারা, হাঁচি বা কাশির সময় প্রস্রাব বের হওয়া থেকে শুরু করে, বিবাহিতদের দ্রুত বীর্যপাত, লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা ইত্যাদির জন্য এটি উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।

বয়স বাড়লে, মহিলাদের সন্তান প্রসবের পরে, স্থুলতা বা ওজন বৃদ্ধি হলে, পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন সার্জারীর পরে, দীর্ঘমেয়াদী কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রায়ই ভারী বোঝা বহন করলে, অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ইত্যাদি নানা কারণে এই সমস্যাগুলো হতে পারে।

আপনি এই সমস্যাগুলোর কোন একটি বা কয়েকটিতে ভুগলে ক্যাগেল ব্যায়াম করতে পারেন। বর্তমানে কোন ডাক্তারের চিকিৎসাধীন থাকলে ডাক্তারকে জানিয়ে পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করতে পারেন। যারা পর্ণোগ্রাফিতে আসক্ত ছিলেন তাদের অধিকাংশের দ্রুত বীর্যপাত, লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা বেশ কমন। তারা তাওবা তো করবেনই, এরপর এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ক্যাগেল ব্যায়াম করতে পারেন।

অনেক মানুষ এই ব্যায়াম ঠিকমতো করতে পারেন না তাদের পেলভিক মাসল খুজে না পাওয়ার কারণে। তাই প্রথমে আপনাকে সঠিক মাসল বা পেশী খুঁজে বের করতে হবে। এমনিতে এই পেশী খুঁজে বের করা অসম্ভব কিছু না।

✅কিভাবে সঠিক পেশী খুঁজে পাবেন?
প্রথমে বাতকর্ম(পাদ) আটকানোর চেষ্টা করুন। এখানে যে মাসলটি আপনাকে হেল্প করছে সেটাই কাঙ্খিত পেশী। অথবা প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাব আটকিয়ে ফেলুন (তবে বার বার এমনটা করবেন না)।

পেটের নিম্ন ভাগে পিছনের দিকে যে পেশীগুলো আঁটসাঁট হয়ে গেলো সেগুলোই পেলভিস ফ্লোর মাসল অর্থাৎ শ্রোণী মেঝের পেশী। ইউটিউবে এই পেশী চিহ্নিত করা নিয়ে অনেক ভিডিও পাবেন। যদি সঠিক পেশী চিহ্নিত করতে পারেন তাহলে দেখবেন শ্রোণীর সামনের চেয়ে পেছনের দিকে বেশি অংশে চাপ অনুভব করছেন।

তবে এটি একটু কঠিন কাজ। ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে করার চেষ্টা করবেন। ভুল পেশীর ব্যায়াম করলে ফল পাবেন না।

✅কিভাবে করবেন ক্যাগেল?
ক্যাগেল দুই প্রকার- ক্লাসিক ক্যাগেল, পালস ক্যাগেল। অ্যাপে এসব বিস্তারিত পাওয়া যাবে। ব্যায়াম করার আগে ঠিকমতো প্রস্রাব করে মুত্রথলি খালি করে নেবেন। প্রথম দিকে উচিত হবে মেঝেতে শুয়ে শুয়ে এই ব্যায়াম করা।

✅ক্লাসিক ক্যাগেলের জন্য শুয়ে পেলভিস ফ্লোর মাসল ৩ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখুন, তারপর ৩ সেকেন্ড স্বাভাবিক। এভাবে টানা ১০বার চেপে রাখবেন আর ১০বার সংকুচিত করবেন। ট্রেইনার অনুযায়ী এই সংখ্যা দিনদিন বাড়াবেন। সংকোচন বা চেপে ধরা বলতে প্রসাব/পাদ আটকানোর মত অবস্থা সিমুলেট করতে বলা হচ্ছে।

✅আর পালস ক্যাগেলের জন্য একবার খুব দ্রুত চেপে ধরবেন/সংকুচিত করবেন আর তারপরেই শিথিল করবেন। এভাবে অ্যাপে দেখানো সময় অনুযায়ী করতে থাকবেন। মাসল ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে শুরু করলে বসে, দাঁড়িয়ে বা যেকোনো অবস্থায় করতে পারবেন।

✅কখন ফলাফল পাবেন?
নিয়মিত ক্যাগেল ব্যায়াম করলে ৩ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাবের সমস্যা দূর হয়ে যেতে পারে। লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা সমাধান হতে ৩ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দ্রুত বীর্যপাতের ক্ষেত্রে ৪ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। টানা সুবিধা লাভ করার জন্য পরামর্শ হল নিয়মিত ব্যায়াম করে যাওয়া।

✅কতবার করে করবেন?
অ্যাপের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন ২/৩ সময়ে (যেমন সকালে দুপুরে বিকেলে) চেষ্টা করবেন। তবে অ্যাপে দেখানো সময়ের চেয়ে বেশি করবেন না, এতে আপনার টিস্যুতে ইনজুরি হতে পারে অতিরিক্ত ব্যায়ামের জন্য।
লেভেল ১০ এর পরে প্রতিদিন ১ বার করে করলেই হবে মেইনটেইনের জন্য। লেভেল ১০ এর আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ সময়ে করতে পারেন। মাঝে মাঝে অন্য কাজের সময় এটা প্র্যাকটিস করে নিতে পারেন।

⭕সতর্কতাঃ
১। ক্যাগেল একবার শুরু করলে নিয়মিত করে যেতে হবে। নাহলে ফলাফল পাবেন না।

২। সত্যি সত্যি প্রস্রাব করার সময় এ ব্যায়াম করবেন না। প্রসাবের চাপ থেকে সম্পূর্ণ খালি হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় কাল্পনিক প্রস্রাব আটকানোর চেষ্টা করবেন।

৩। ২ মাস ক্যাগেল করার পরেও কোন ফল না পেলে আর করবেন না। আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

৪। ভালো ফলাফলের জন্য যখন পেশি সংকোচন করবেন তখন গভীর ভাবে মনোযোগ দিয়ে করবেন। অনেকেই ভুল করে পেটের বা তলপেটের, উরু, এবং নিতম্বের পেশী সংকোচন করে ফেলেন। সব সময় মনে রাখবেন ব্যায়ামের সময় শুধু পেলভিক মাসল সংকোচন করবেন, অন্য সকল পেশী একদম স্বাভাবিক থাকবে।

৫। ব্যায়ামের সময় দম বন্ধ বা ধরে রাখবেন না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখবেন। যদি ব্যায়াম করার সময় ব্যাথা অনুভব করেন তাহলে বুঝবেন সঠিক পেশীতে হচ্ছে না ব্যায়াম। আর কখনো অতিরিক্ত করবেন না তাহলে পেশীগুলো ক্লান্ত হয়ে লক্ষ্য সাধনে ব্যর্থ হবে।

৬। ব্যায়াম শুরু করার পুর্বে অবশ্যই সকল প্রকার পর্ণোগ্রাফি এবং হস্তমৈথুন থেকে নিজেকে মুক্ত করবেন। ব্যায়াম করে ফল লাভ হল কিনা সেটা দেখার জন্য কখনোই হস্তমৈথুন করবেন না। বাস্তব যৌনতা এবং হস্তমৈথুন এক বিষয় নয়। ব্যায়ামের বিষয়ে সতর্কতা অ্যাপের ইনফো জোনে দেয়া আছে।

৭। ব্যায়াম করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে সাহায্য চাইতে কার্পণ্য বা লজ্জা করবেন না। নিকটস্থ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করবেন যাতে তারা আপনাকে সঠিক পেশী সনাক্তকরণ এবং ব্যায়ামের পদ্ধতি শিখিয়ে দিতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে বায়োফিডব্যাক প্রশিক্ষণ সাহায্য করতে পারে। এই ধরণের সেশনে, ডাক্তার বা অন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা মলদ্বার দিয়ে একটি মনিটরিং প্রোব প্রবেশ করিয়ে পুরো ব্যাপারটা মনিটরে পর্যবেক্ষণ করেন। পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকোচন করার পর একটা মনিটরে দেখা যাবে যে আপনি সঠিক পেশী সংকুচন করতে পারছেন কিনা, এবং পারলে কতক্ষণ পারছেন।

Main⭕video Tutorial- 1- https://www.youtube.com/watch?v=HpzxdFW9e3w
[Extra] ⭕video Tutorial- 2- https://www.youtube.com/watch?v=llfAgrJxUf8

⭕নিম্নের ব্যায়ামগুলো বিবাহিতরা সম্ভব হলে করবেন, ভালো রেজাল্টর জন্য সহায়ক হবে।

1️⃣গোছলের আগে লিঙ্গটিকে তৈল দিয়ে কিছুক্ষণ মালিশ করুন। ফলে লিঙ্গ দৃঢ় ও উত্তেজিত হয়ে পড়বে, এই বার উত্তেজিত লিঙ্গের মাথায় অন্তত ১ ফুট উপর থেকে মগে করে ঠান্ডা পানি ঢালতে থাকুন।
পানির চাপে লিঙ্গ অবনত হতে চাইবে কিন্তু আপনি লিঙ্গটিকে পূর্বের দৃঢ় অবস্থায় রাখার চেষ্টা করুন। এই ভাবে অন্তত এক দুই লিটার পানি ঢালুন। আপনি প্রতিদিন গোছলের সময় এটি করবেন। পানি বেশি ঢালা যাবে না, তাতে বীর্যপাত হতে পরে।

বিঃদ্রঃ সময় বৃদ্ধির জন্য এটি খুবই কার্যকারি, তবে এটি সবার জন্য নয়, যাদের মুটামুটি সক্ষমতা আছে তারা করবে, অবশ্যই স্ত্রীর সাথে বসবাস করতে হবে, অন্যথায় এটি ট্রাই করবেন না।

2️⃣প্রস্রাব করার সময় কখনই জোরের সঙ্গে চাপ প্রয়োগ করবেন না। প্রস্রাব চলাকালিন মাঝে মাঝে 1/2 সেকেন্ডের জন্য বিরতি দিয়ে আবার করবেন। এতে ধারণ ক্ষমতা বাড়তে সাহায্য করবে। তবে প্রস্রাব কখনই চেপে রাখবেন না।

3️⃣দুই পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে দুই হাত দিয়ে দুই হাঁটুকে স্পর্শ করুন। আমার নামাজে রুকু যেভাবে করি। এইবার আপনার পেটের পেশীকে সঙ্কুচিত করে ভিতরের দিকে মেরুদন্ডের সঙ্গে লাগতে চেষ্টা করুন।

একই সঙ্গে মলদ্বারকেও সঙ্কুচিত করুন দেখবেন Pelvic- এর সমস্ত মাংসপেশীগুলি সঙ্কুচিত হচ্ছে। এইভাবে সঙ্কুচিত অবস্থায় 2 সেকেন্ড থাকুন ও ৬ সেকেন্ড প্রসারিত করুন। এইভাবে প্রতিদিন ৫/৬ মিনিট করুন। ধারণ ক্ষমতা অনেক অনেক বৃদ্ধি পাবে।

4️⃣চেয়ারে পিঠ লাগিয়ে সোজা হয়ে বসবেন, দুহাত দুই উরুর উপর রাখবেন, এবার জোরে শ্বাস নিবেন এবং ছাড়বেন, শ্বাস নেয়ার সময় মলদ্বারের মাংস পেশিকে সংকোচিত করে ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। এভাবে প্রতিদিন ৩/৪ মিনিট করে কয়েক বার করবেন।

দ্রুত বীর্যপাতের কার্যকর সামাধন আসতে হলে আপনার ৪ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। ক্যাগেল একবার শুরু করলে নিয়মিত করে যেতে হবে। নাহলে ফলাফল পাবেন না। ব্যায়াম শুরু করার পুর্বে অবশ্যই সকল প্রকার পর্ণোগ্রাফি এবং হস্তমৈথুন থেকে নিজেকে মুক্ত করবেন।

মেয়েদের ক্ষেত্রে কেগেল ব্যায়াম যোনিকে শক্ত করে তোলে এবং প্রচণ্ড উত্তেজনার তীব্রতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট এই ব্যায়াম আমাদের শরীরের ফিটনেস ধরে রাখতে অনেকটাই সাহায্য করে। কেগলের প্রাথমিক ও সবচেয়ে সহজ এক্সারসাইজ়টি কোনও জায়গায় বসে বা শুয়ে দম ধরে রাখা ও ছাড়ার মাধ্যমেই করা যায়। প্রস্রাবের বেগ নিয়ন্ত্রণ করার মতো করে পেলভিক মাসলগুলি শক্ত করে ধরে রাখতে হবে ও ছেড়ে দিতে হবে। আপনার মুত্রাশয় খালি করে কেগেল এক্সারসাইজ শুরু করবেন।

অনেক সময় দেখা যায়, যাঁদের ওজন অত্যধিক বেশি, তাঁরা ওজন না কমিয়েই এই এক্সারসাইজ় শুরু করেন। যার ফলে আপনার কোমরে অতিরিক্ত চাপ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোমরে কোনও চোট বা ব্যথা থাকলেও এই এক্সারসাইজ় করা উচিত নয়।

খাবার হোক রোগের সমাধান- মিলনতত্ত্বআমরা অনেক সময় শুনি, রসুন খেলে উপকার, আলকুশি বীজ খেলে শরীর ভালো হয় কিংবা মেথি খেলে নানা...
17/08/2025

খাবার হোক রোগের সমাধান- মিলনতত্ত্ব

আমরা অনেক সময় শুনি, রসুন খেলে উপকার, আলকুশি বীজ খেলে শরীর ভালো হয় কিংবা মেথি খেলে নানা রোগের প্রতিকার মেলে। তখন কেউ রসুন খেতে শুরু করি, কেউ আবার আলকুশি বা মেথি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতে কি আমাদের শরীরের প্রতিদিনের পূর্ণ পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়? আসলে হয় না। কারণ প্রতিদিন শরীরকে সুস্থ রাখতে যে বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, ফাইবার, ভালো ফ্যাট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রয়োজন।

সেগুলো কোনো একক খাবার দিয়ে পাওয়া সম্ভব নয়। এজন্যই কয়েকদিন চেষ্টা করার পর ফল না পেয়ে আমরা হতাশ হয়ে যাই এবং মাঝপথে থেমে যাই। আসলে সুস্থ থাকতে হলে আমাদের নিয়মিতভাবে এসব খাবার ও অভ্যাস মেইনটেইন করতে হবে।

খাবার হোক রোগের সমাধান
🔘সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ চামচ চিয়া সিড ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খাবেন, সাথে মধু নেয়া যেতে পারে।

🔘প্রতিদিন সকালে ৪টি করে ডিম খাবেন, সাথে টমেটো, গাজর, শসা নিবেন অথবা কিছু সবজি রাখতে পারেন। সকালে আর কিছু খাবেন না।

🔘দুপুরে ভারি খাবার খাবেন। ভালো ক্ষুধা লাগার পরে খাবেন, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। মাছ, গোছ, শাকসবজি বেশি নিবেন, ভাত কম নিবেন।

🔘রাতে হালকা খাবার গ্রহন করবেন। চেষ্টা করবেন যত দ্রুত খাওয়া যায় এবং ঘুমের অন্তত এক ঘন্টা আগে।

🔘প্রতিদিন বিকাল বেলা ৫০/৭০ গ্রাম করে আখরোট খাবেন। সামর্থ্য না থাকলে চীনা বাদাম খাবেন, এটি রাতের হলকা খাবারের সাথেও রাখা যেতে পারে।

🔘প্রতিদিন ১টি বা অর্ধেক করে নাসপাতি খাবেন। মাল্টা, কমলা, আনার, লাল কালো আঙ্গুর যে কোন একটি নিতে পারেন অথবা দেশি সিজনের ফল।

🔘গ্রিন টি চিনি ছাড়া প্রতিদিন ৩/৪ বার পান করবেন, সাথে মধু নেয়া যেতে পারে।

শুধু ডিম, চিয়া সিড বা গ্রিন টি নয়, আমাদের চারপাশে এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে।

🥦 সবজি – ব্রকোলি, পালং শাক, লাল শাক, ঢেঁড়স শরীরকে ভিটামিন, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেয়। বিটরুট রক্ত বাড়ায় আর রক্তপ্রবাহ উন্নত করে।

🍎 ফল – আপেল হজম ও হার্টের জন্য ভালো, কলা এনার্জি ও মুড ঠিক রাখে, পেঁপে হজমে দারুণ কাজ করে, আমলকি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

🌰 বাদাম ও বীজ – কাঠবাদাম, কাজু, পিস্তাচিও মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। ফ্ল্যাক্সসিড ও কুমড়ার বীজ হরমোন ব্যালান্স করে এবং ওমেগা-৩ সরবরাহ করে।

🐟 প্রোটিন উৎস – ইলিশ, রুই, স্যামন বা সার্ডিন মাছ ওমেগা-৩ এ সমৃদ্ধ, যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য অসাধারণ। ডাল, ছোলা ও মুগ হলো প্রাকৃতিক ভেজিটেরিয়ান প্রোটিন।

🥛 দুগ্ধজাত খাবার – দই ও কেফির গাট হেলথ ভালো রাখে, দুধ ও চিজ হাড়ের জন্য ভিটামিন D ও ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।

🌿 ভেষজ ও মসলা – হলুদ প্রদাহ কমায়, আদা হজম ও রক্তসঞ্চালন উন্নত করে, আর দারুচিনি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

❌Fast Food / Jhal Muri / Burger / Pizza /Soft Drinks / Energy Drinks/ Very Spicy/ Processed Food like chipes, chanachur + Suger

এগুলো সম্পুর্ন বাদ দিতে হবে।

+ Sleep 7/8 Hours ( রাত ১১ টার মধ্যে ঘুমাতে হবে)

প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্টও গ্রহণ করা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা যৌন দুর্বলতায় ভুগছেন তাদের জন্য (Shilajit , Korean Red Panax Ginseng Supplement, Ashwagandha Root, Maca) প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট খুব কার্যকর। এগুলো দামি হলেও শরীরের প্রকৃত পুনর্গঠন ও রিকভারি করে। উন্নত দেশগুলোতে এগুলো নিয়মিত খাদ্যের অংশ হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। তাই যাদের আর্থিক সমস্যা নেই তারা আজ থেকেই সঠিক সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার শুরু করতে পারেন।

সাজেশন + আপনার জন্য পারফেক্ট সাপ্লিমেন্ট কোনগুলো হবে তা জানতে আমাদের অফিশিয়াল DesireShopbd.com পেইজে/ তাদের WhatsApp-01811501234 নাম্বারে যোগাযোগ/ সরাসরি কথা বলে জেনে নিতে পারবেন।

পাশাপাশি আমাদের মেম্বাররা কেমন উপকার পাচ্ছে + আমাদের শপ রিলেটেড সার্ভিস কেমন তা জানতে শপের রিভিউ গ্ৰুপে Desire Shop [Sale, Discount & Review] জয়েন হয়ে নিন।

Shop Page= DesireShopbd.com
Review Group= Desire Shop [Sale, Discount & Review]

শুধু উপরের খাবার নিয়ম ফলো করলেই হবেনা। সুস্থ লাইফস্টাইল মেনে চলতে হবে। খাবার, ঘুম, ব্যায়াম ঠিক রাখতে হবে।

সেইফ পিরিয়ড বলতে আমরা যে সময়টিকে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম বলে ধরে নিই, তা আসলে একটি ধারণা মাত্র এটি কোনো মেডিক্যাল স্বীকৃত...
16/08/2025

সেইফ পিরিয়ড বলতে আমরা যে সময়টিকে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম বলে ধরে নিই, তা আসলে একটি ধারণা মাত্র এটি কোনো মেডিক্যাল স্বীকৃত বা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নয়। এই ধারণা ক্যালেন্ডার মেথডের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে মাসিক চক্রের নির্দিষ্ট দিনগুলোকে 'নিরাপদ' বলে ধরা হয়।

কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি নারীর হরমোন, ওভুলেশন টাইম এবং চক্রের দৈর্ঘ্য ভিন্ন হয়। তাছাড়া, শুক্রাণু নারীর শরীরে ৫ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। তাই সামান্য হেরফের হলেই তথাকথিত সেইফ পিরিয়ডে কনসিভ হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

আফগানিস্তানে মার্কিনিরা ২০০১ সালের পর থেকে সামরিক হস্তক্ষেপের পাশাপাশি উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের নামে একটা প্রজেক্ট চালিয়েছিল।...
27/07/2025

আফগানিস্তানে মার্কিনিরা ২০০১ সালের পর থেকে সামরিক হস্তক্ষেপের পাশাপাশি উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের নামে একটা প্রজেক্ট চালিয়েছিল।

আম্রিকা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে আফগানিস্তানে সয়াবিন তেল উৎপাদন ও খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ওখানে ভালো সয়াবিন হয় নাই, আর আফগানরা সয়াবিন খায়ওনি। পুরা প্রজেক্টটাই লস গেছে!
ঐখানে USDA (United States Department of Agriculture), ASA (American Soybean Association) ও বিভিন্ন NGO মিলে ২০১০ সালে SARAI (Soybeans in Agricultural Renewal of Afghanistan Initiative) নামে এক প্রজেক্ট শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিল আফগানদের দিয়ে সয়াবিন চাষ করান, প্রক্রিয়াজাত সয়াবিন তেল ও ময়দা উৎপাদন এবং ফুড সাপ্লাইয়ে সয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করা।

সয়াবিন পরিপক্ব হতে আড়াই থেকে চার মাস সময় নেয়।

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে এই সময়ের মধ্যে ঠাণ্ডা ও তুষারপাত শুরু হয়ে যায়। ফলে সয়াবিন পুরোপুরি পরিপক্ব হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে কৃষকদের অনেক ক্ষতি হয় এবং তারা সয়াবিন চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

চাষ ভালো না হওয়ায় আম্রিকা পরবর্তীতে ৪,০০০ মেট্রিক টন সয়াবিন নিজ দেশ থেকে আফগানিস্তানে পাঠায়। এই সয়াবিন দিয়ে প্রসেসড তেল ও খাদ্য তৈরি করে বিতরণ করা হয়। কিন্তু স্থানীয় জনগণের টেস্টবাডে সয়াবিন‑ভিত্তিক খাদ্য গ্রহণযোগ্যতা পায় নাই!

আফগানদের ডায়েটে কখনোই সয়াবিন ছিল না। তারা সাধারণত মাংস, গমের রুটি (নান), চাল ও দুধজাত খাবার খেয়ে অভ্যস্ত। যখন সয়াবিন দিয়ে তৈরি খাবার, যেমন সয়াবিন আটা দিয়ে নান, সয়াবিন তেল দিয়ে রান্না খাবার এসব খাওয়ানো হয়, তখন তারা স্বাদ অপছন্দ করে আর খাইতে রাজি হয় নাই।

এভাবেই আফগানিস্তানে আম্রিকার ব্যাপকভাবে সয়াবিন উৎপাদন ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরির বিগ বাজেট প্রজেক্ট ফেল করে! এই প্রজেক্টে ওদের প্রায় ৩৪.৪ মিলিয়ন ডলার জলে গেছিলো!
প্রকৃতিতে সয়াবিন কখনই মানুষের খাদ্য হিসেবে সৃষ্টি হয়নি। প্রকৃতিতে সয়াবিনের কাজ মাটির স্বাস্থ্য ভাল করা। সয়াবিন মাটির সাথে সিমবায়োটিক সম্পর্ক গড়ে নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen Fixation) করে। এর শিকড়ে বসবাসকারী রাইজোবিয়া ব্যাকটেরিয়া বাতাসের নাইট্রোজেনকে মাটিতে বেঁধে ফেলে, যা পরবর্তী ফসলের জন্য জমিকে উর্বর করে তোলে।

এছাড়াও, সয়ে প্রাকৃতিকভাবেই কীটনাশক উপস্থিত! পোকামাকড়, ছত্রাক ও রোগবালাই থেকে বাঁচতে সয়াবিনের মধ্যে ফাইটোইস্ট্রোজেন, লেকটিনস, গয়ট্রোজেন ও ট্রিপসিন ইনহিবিটর তৈরি হয়েছে।
প্রাচীন এশিয়ায় চীন ও জাপানে সয় খাওয়া শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ১১ শতাব্দীতে। ইতিহাস বলছে, প্রাচীন এশিয়ায় সয়াবিনের অত্যন্ত সীমিত ও সতর্ক ব্যবহার ছিল। চীনা ও জাপানি সংস্কৃতিতে এটা দীর্ঘ গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ার পরই (মিসো, সস, নাট্টো ইত্যাদি বানিয়ে) শুধুমাত্র খাওয়ার প্রচলন ছিল। অর্থাৎ গাঁজনের মাধ্যমে এর টক্সিন কমিয়ে খাওয়া হতো। আর তা পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে না, বরং মশলা বা কন্ডিমেন্ট হিসেবে।

পৃথিবীর কোনো ঐতিহ্যবাহী কালচারই সয়কে প্রধান প্রোটিন উৎস হিসেবে ব্যবহার করেনি। কিন্তু পাশ্চাত্যের ফুড ইন্ডাস্ট্রি এই সতর্কতাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছে।

২০ শতাব্দীর শুরুতে ১৯২০-৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সয়াবিন চাষ বৃদ্ধি পায়, বিশেষত পশুখাদ্য ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল তেলের (ভোজ্যতেল নয়!) উৎস হিসেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন প্রোটিনের বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছিল, তখন কৌশলে সস্তা প্রোটিন হিসেবে মানুষের ডায়েটে সয়াবিন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

ধীরে ধীরে কর্পোরেট লবিস্ট ও মার্কেট স্ট্রাটেজিস্টরা একে মানুষের খাদ্য হিসেবে চালিয়ে দিতে সক্ষম হয়। ১৯৭০-৮০ সালে 'সুপারফুড' প্রপাগাণ্ডা সয় ইন্ডাস্ট্রির মার্কেটিংয়ে বিপ্লব আনে। তারা এমন প্রপাগাণ্ডা চালালো যে, মানুষের মাঝে সয়াবিন 'সুপারফুড' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো। অথচ এর পেছনে কেবলমাত্র বাণিজ্যিক স্বার্থ ছাড়া কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছিলনা।

"সয় হার্টের জন্য ভালো", "ক্যান্সার রোধ করে" এসব অপ্রমাণিত দাবিও ছড়ানো হয়! ভেগান ও ভেজিটেরিয়ান মুভমেন্ট-কে কাজে লাগিয়ে সয়কে প্রোটিনের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মার্কিন সরকার সয়াবিন চাষকে ব্যাপক ভর্তুকি দেয়, ফলে এটি সস্তা ও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। সয়া প্রোটিন আইসোলেট আবিষ্কার করে প্রসেসড ফুডে যোগ করা শুরু হয়।
মনসান্টো ১৯৯৬ সালে জেনেটিকালি মডিফায়েড রাউন্ডআপ-রেডি সয়াবিন চালু করে। ফলে, সয়বিন চাষ আরো লাভজনক ও ব্যাপক হয়। বর্তমানে বিশ্বের সয়াবিন উৎপাদন প্রায় পুরোটাই জিএমও।

প্রকৃতির নিয়ম উপেক্ষা করে, কান্ডজ্ঞান হারিয়ে ও সস্তা পেয়ে মানুষ এমন একটি খাদ্যকে প্রোটিন ও ফ্যাটের উৎস বানিয়ে ফেলেছে যা তাদের হরমোনাল সিস্টেমকে বিগড়ে দিচ্ছে, প্রজনন ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নানা মেটাবলিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।

এটা জীবনের সাথে এক ধরনের তামাশা করা, যার পরিণতি কেউ এখনই বুঝতে পারছে না। কিন্তু সয়াবিনের এই উত্থানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভয়াবহ মূল্য গুনতে হতে পারে!
নিউট্রিশন সায়েন্টিস্ট ও এন্টি-এজিং এক্সপার্ট ড. কায়লা ড্যানিয়েল তাঁর বই The Whole Soy Story-তে বিশদভাবে রিসার্চ ও এনালাইসিস সহকারে সয়াবিনের ভয়াবহতা বর্ণনা করেছেন। তিনি সয়াবিনকে মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য হিসেবে প্রচারের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে সতর্ক করেছেন।
ড. কায়লা ড্যানিয়েলের গবেষণা ও বিশ্লেষণ সয় ইন্ডাস্ট্রির প্রপাগান্ডার বিপরীতে পাল্টা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বক্তব্য হিসেবে স্বীকৃত।
ড. ড্যানিয়েলের মতে, সয়াবিনে বিদ্যমান বিভিন্ন কেমিক্যাল, যেমন ফাইটোইস্ট্রোজেন (বিশেষত আইসোফ্লেভোন জেনিস্টেন ও ডেইডজেইন), গয়ট্রোজেন, ফাইটিক অ্যাসিড এবং ট্রিপসিন ইনহিবিটর মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর! এই যৌগগুলো শরীরের হরমোনাল ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করে, হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে এবং পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়।

তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে, সয়াবিনে থাকা ফাইটোইস্ট্রোজেন যৌগ জেনিস্টেন (Genistein) মানবদেহের এস্ট্রোজেন রিসেপ্টরের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আকৃষ্ট হয়। ফলে এটি সহজেই কোষে প্রবেশ করে এবং এস্ট্রোজেন হরমোনের রিসেপ্টরের সাথে এমনভাবে বন্ধন তৈরি করে যা স্বাভাবিক হরমোনাল কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটায়!

এছাড়াও, সয় খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার হেলথের জন্যও হুমকি! এটি ধমনীতে কোলেস্টেরল জমার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে!
নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যের উপর সয়ের প্রভাব অত্যন্ত বিপজ্জনক!
জেনিস্টেন নারীদের প্রজননক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) এবং লুটিনাইজিং হরমোন (LH) এর স্বাভাবিক নিঃসরণ ব্যাহত করে। এর ফলে ডিম্বস্ফোটন অনিয়মিত হয়ে পড়ে, ডিম্বাণুর গুণগত মান কমে যায় এবং মাসিক চক্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি নারীর উর্বরতা হ্রাসে সরাসরি ভূমিকা রাখে।

গর্ভাবস্থায় সয়বিন খেলে তা ভ্রূণের হরমোনাল বিকাশে বিপজ্জনক প্রভাব ফেলতে পারে!

জেনিস্টেন ডিম্বাণুর ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা (অ্যানিউপ্লয়ডি) বাড়ায়, যা গর্ভধারণে ব্যর্থতা বা গর্ভপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে!
পুরুষদের ক্ষেত্রে সয়ের প্রভাব আরও ভয়াবহ!

জেনিস্টেন টেস্টোস্টেরন হরমোনকে এস্ট্রোজেনে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে পুরুষের হরমোনাল ভারসাম্য সম্পূর্ণ বিগড়ে দিতে পারে! জেনিস্টেন টেস্টোস্টেরনকে এস্ট্রাডিওলে রূপান্তরিত করে। ফলে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে এস্ট্রোজেনের আধিক্য দেখা দেয়। তখন শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমে, যৌন সমস্যা (যেমন ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, যৌনক্রিয়ায় উদ্দীপনা হ্রাস) দেখা দেয় এবং প্রোস্টেটের উপরও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে!

শিশুদের জন্য সয়-ভিত্তিক খাদ্য অত্যন্ত ক্ষতিকর!
ড. ড্যানিয়েলের মতে, খাদ্যের মাধ্যমে সয় ফাইটোইস্ট্রোজেনের সংস্পর্শে আসা মেয়েশিশুদের অকালেই বয়ঃসন্ধি শুরু হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে!
আর ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে এটি সুস্থ-স্বাভাবিক যৌন বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে!!

(বর্তমান প্রজন্মে একটি বিশেষ সমস্যা প্রকট হচ্ছে। কেন তাহলে এবার বুঝুন।)

ড. ড্যানিয়েল বলেছেন যে, আধুনিক ফুড ইন্ডাস্ট্রি সয়কে একটি সুপারফুড বা হেলদি অপশন হিসেবে মার্কেটিং করলেও প্রকৃতপক্ষে প্রসেসড সয় প্রোডাক্ট (যেমন সয়া প্রোটিন আইসোলেট, সয়া দুধ, টোফু ইত্যাদি) স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর! এমনকি ফার্মেন্টেড সয় প্রোডাক্ট (মিসো, টেম্পেহ, নাট্টো) তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সেগুলো বেশি পরিমাণে খেলে বিপদ ডেকে আনতে পারে!

সয়াবিন একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফসল। যা কখনই মানুষের খাদ্য হওয়ার জন্য প্রকৃতিতে তৈরি হয়নি। আধুনিক বিশ্বে সয়ের ব্যাপক ব্যবহার একটি ভয়ানক হেলথ ক্রাইসিস তৈরি করেছে। মানুষের মাঝে থাইরয়েড ডিসঅর্ডার, অটোইমিউন রোগ, হজমের সমস্যা এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের এত অবনতির পেছনে সয়ের ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক!
সয়াবিন প্রাকৃতিকভাবে বি/ষা/ক্ত। সয়াবিনের ফাইটোইস্ট্রোজেন এক শক্তিশালী এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টর।

যে মা-বাবা সন্তান নিবে তারা যদি নিয়মিত সয়াবিন তেল খায় তাদের সন্তানরা এটার বাজে ফ্যাট দিয়ে তৈরী হবে। অর্থাৎ মায়ের গর্ভ থেকেই শিশু রোগগ্রস্থ হয়ে জন্মাবে এবং মোটামুটি পৃথিবীর এমন কোন রোগ নেই যা তাদের হবেনা! একটা বিল্ডিং তৈরীতে সিমেন্টের সাথে মাটি মিশিয়ে দিলে বিল্ডিং যেমন দূর্বল হবে, সয়াবিনের বাজে ফ্যাট দিয়ে তৈরী শরীর, মস্তিষ্কেরও একই অবস্থা হবে!

আপনি জানলে অস্থির হবেন যে, বিশ্ব মোড়ল আবদার করছে, শর্ত চাপাচ্ছে আমরা যেন সয়াবিন তেল খাই!

এই বছর বাংলাদেশকে দেওয়া আম্রিকান অর্গানাইজেশন USTR এর চিঠিতে বিভিন্ন মার্কিন মানসনদ বাংলাদেশকে বিনাপ্রশ্নে মেনে নিতে বলা হয়েছে! আর যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো আইন প্রণয়ন কিংবা স্ট্যান্ডার্ড স্থাপন করতে পারেনি, সেসব ক্ষেত্রে মার্কিন স্ট্যান্ডার্ড প্রতিস্থাপন করতে বলা হয়েছে। যাতে মার্কিন পণ্য অবাধে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

বাংলাদেশকে দেওয়া USTR এর ৬ টা বাণিজ্যিক শর্তের একটা হলো- সামরিক বাহিনী ও সরকারি সংস্থার জন্য মার্কিন সয়াবিন তেল আমদানি বাড়াতে হবে এবং সয়াবিন সংরক্ষণের জন্য মার্কিন কোম্পানির অংশীদারিত্বে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।
ফ্যাক্টরিতে সয়াবিন তেল নিষ্কাশনে হেক্সেন ব্যবহৃত হয়। হেক্সেন এক্সট্রাকশন প্রক্রিয়ায় সয়াবিন বীজ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ তেল নিষ্কাশন হয়। এখানে সয়াবিন গুঁড়ো করে হেক্সেনে ভেজানো হয় যাতে ৯৯% পর্যন্ত তেল নিষ্কাশন করা যায়। এই হেক্সেন হলো অক্টেনের মতো পেট্রোলিয়ামজাত যৌগ, যা সরাসরি বি/ষা/ক্ত।

এই তেল মানুষের পাকস্থলীর জন্য উপযুক্ত না। যার কারণে দীর্ঘদিন খেলে গাট লাইনিং/পাকস্হলীর প্রাচীর নষ্ট হয়ে যায়। যেখান থেকে শুরু হয় পেটের যত সমস্যা। একবার এই প্রাচীর নষ্ট হলেই শুরু হবে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, আইবিএস, এসিড রিফ্ল্যাক্স, জার্ড ইত্যাদি। এরপর আরো আছে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ট্রান্স ফ্যাট থেকে প্রদাহ, হৃদরোগ ও লিভারের যত সমস্যা!

এজন্যই ত বর্তমানে গ্যাস্ট্রো-লিভারের ডাক্তারদের সিরিয়াল পাওয়া কঠিন।
আর বাকী সব বাদ, এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ঔষধের বাজারই প্রতিবছর ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ কোটি টাকার!
বাঙালির জন্য নিত্যদিনের রান্নাবান্নায় বর্তমানে সবচেয়ে উত্তম তেল হলো দেশি সরিষার তেল। কথা শেষ!
স্বাস্থ্যকর ও সহজলভ্য এই সরিষার তেল পরিমিতভাবে নিয়মিত খেলে কোনো সমস্যা নাই।

আর যাদের আরো ভালো অপশন দরকার তাদের জন্য রয়েছে:
- অলিভ অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও হালকা আঁচে রান্নার জন্য)
- কোকোনাট অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও রান্নার জন্য)
- তিলের তেল (রান্নার জন্য)
- ঘি (উচ্চ তাপে ভাজাপোড়ার জন্য)

Aeon Technic the whole soy story
ড. কায়লা ড্যানিয়েল

প্যাশেন্ট এর প্রিভিয়াস ২ টো কন্যাসন্তানই সিজারিয়ান।আগে একাধিক এবোরশন করেছেন।মেনস্ট্রুয়েশন বন্ধ প্রায় ১২ সপ্তাহ ধরে।এইবার...
08/07/2025

প্যাশেন্ট এর প্রিভিয়াস ২ টো কন্যাসন্তানই সিজারিয়ান।আগে একাধিক এবোরশন করেছেন।মেনস্ট্রুয়েশন বন্ধ প্রায় ১২ সপ্তাহ ধরে।

এইবারো নষ্ট করবেন সেই ইচ্ছেই ছিল।বিশেষজ্ঞ ফার্মেসিওয়ালার পরামর্শ মোতাবেক উনি এমএম কিট(গর্ভনিরোধক) খান।হয়ত বুঝতে পেরেছিলেন বাচ্চা নষ্ট হয় নি;তাই কাঠি দিয়ে এবোরশন করানোর ট্রাই করেন।(ম্যাম অপারেশন করার সময় জরায়ুর এর অবস্থা দেখে বুঝতে পেরেছিলেন)।ব্লিডিং হচ্ছে দেখে প্যাশেন্ট হাসপাতালে এডমিট হন।

কিন্তু তিনি আন্দাজ ই করতে পারেন নি,সৃষ্টিকর্তা তার জন্য অন্য কিছু প্ল্যান করে রেখেছিলেন।নরমালি জরায়ুর মধ্যেই প্রেগন্যান্সি হয়।কিন্তু তার প্রেগন্যান্সি হল ফেলোফিয়ান টিউব এ।আল্ট্রা তে দেখা গেল ফিটাস এর এখনো হার্ট বিট আছে।অতিরিক্ত ব্লিডিং এবং অন্যান্য লক্ষণ দেখে বুঝা গেল Ruptured ectopic pregnancy!ইমিডিয়েট ওটি করা হল।ল্যাপারোটোমি করার সাথে সাথে ক্লটেড ব্লাড এবং বেরিয়ে এল হাত,পা,হার্ট গঠন হয়ে যাওয়া ফিটাস।

মা কে দেখানো হল।চোখ এর পানি গড়িয়ে বালিশ ভিজে যাচ্ছিল।তিনি একটা পুত্রসন্তান ই চাচ্ছিলেন।সৃষ্টিকর্তা দিলেন পুত্রসন্তান কিন্তু পূর্ববর্তী পাপের ফলস্বরূপ কেড়ে নিলেন।

মা চিৎকার করে কাদছিলেন আর বলছিলেন "আমার কি হবে এখন; এ পাপের ফল সারাজীবন বইতে হবে"

২৩.০৬.২০২৫
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে।

27/05/2025

সতর্ক থাকুন ❌

ভিডিও সংগ্রহীত

কোষ্ঠকাঠিন্যকে একেবারে হালকাভাবে নেয়াটা এক ধরণের ক্রাইম। দুই সপ্তাহ ধরে পায়খানা না হওয়ার পর অবশেষে এক্সরে করিয়েছে। এখন দ...
21/05/2025

কোষ্ঠকাঠিন্যকে একেবারে হালকাভাবে নেয়াটা এক ধরণের ক্রাইম। দুই সপ্তাহ ধরে পায়খানা না হওয়ার পর অবশেষে এক্সরে করিয়েছে। এখন দেখুন অবস্থা...

বাচ্চাদের তো বটেই, আপনার নিজেরও কোষ্ঠকাঠিন্য হলে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎকের পরামর্শ নেবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকার জন্য কিছু খাবারের নাম বলে দিচ্ছি। শেয়ার করে রাখতে পারেন।

শাকসবজি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আঁশযুক্ত খাবারের কোনো বিকল্প নেই। আর শাকসবজি হলো আঁশের সবচেয়ে ভালো উৎস। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় তাজা মৌসুমি শাকসবজি রাখুন। সবজির মাঝে লাউ, পেঁপে, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, ঢ্যাঁড়স রাখুন।

কলা: কলায় প্রচুর আঁশ রয়েছে। তাই যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা সকালের নাশতায় একটি করে পাকা কলা রাখুন।

আপেল: কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খোসাসহ আপেল খান। আপেলের খোসায় পর্যাপ্ত আঁশ রয়েছে, যা মল নরম করে।

নাশপাতি: প্রতিদিন একটি নাশপাতি খেলে আমাদের দৈনন্দিন আঁশের চাহিদা ২২ শতাংশ পূরণ হয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।

ইসবগুলের ভুসি: ইসবগুলের ভুসি প্রাকৃতিকভাবেই মল নরম করতে, মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে ও সহজে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ অদ্রবণীয় আঁশ রয়েছে, যা প্রচুর পানি শোষণ করে। সকালে খালি পেটে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একইভাবে ইসবগুলের ভুসি খেলে সকালে মলত্যাগে কোনো সমস্যা হয় না। তবে ইসবগুলের ভুসি খেলে সারা দিন প্রচুর পানি পান করতে হবে। না হলে ইসবগুলের ভুসি শরীর থেকে পানি শোষণ করে মলত্যাগ আরও কষ্টসাধ্য করে তুলবে।

শিশু চিকিৎসক ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান বাঁধন

🎯Hypothyroidism🎯আপনার ওজন ৮৫ কেজি। হঠাৎ মনে হলো অনেক হয়েছে। এইবার কমাতে হবে। শুরু হলো ডায়েটের উপর জুলুম। ইউটিউব, ফেসবুক,...
05/05/2025

🎯Hypothyroidism🎯

আপনার ওজন ৮৫ কেজি। হঠাৎ মনে হলো অনেক হয়েছে। এইবার কমাতে হবে। শুরু হলো ডায়েটের উপর জুলুম। ইউটিউব, ফেসবুক, গুগুল নানাবিধ অখাদ্য কুখাদ্য বস্তা পচা সেলেব্রিটির অপরিকল্পিত ডায়েট চার্ট দেখে শুরু হলো একশন। এই ডায়েট লিস্ট এ সারাদিন ব্যাপি যা আছে তা যোগার করা বা মনে রাখতে আরো দুই জন এসিস্ট্যান্ট লেগে যায়।।সেই সাথে ডুবাই এর খেজুর, উগান্ডার বাদাম, ইউএসএর সাপ্লিমেন্ট তো আছেই।

কিন্তু না হচ্ছেনা। ওজন খুব বেশি কমছেনা। উলটো আরো মারাত্মক ক্লান্তি। সাড়াদিন ঝিমঝিম ভাব।
শীত শেষ। গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ। তবুও গায়ে কাথা জড়িয়ে নাক ডেকে ঘুম। মন মেজাজের বারোটা বাজা অবস্থা। মুড টুইস্টেড। পিরিয়ড এলোমেলো।

এই অবস্থা গুলো হর হামেশাই ঘটছে। আর এইটাকে হাল্কা করে নেয়ার কোন সুযোগ নেই।

তার মানে থায়রয়েড গ্ল্যান্ড। আমাদের গলার সামনের দিকে একটা গ্ল্যান্ড থাকে। যা আমাদের শরীরের অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। কোন কারনে যদি এই গ্ল্যান্ডে এর এক্টিভিটি কমে যায় তাহলে থায়- রয়েড নামের একটা হরমোন কম তৈরি হয়।

আল্টিমেটলি এই হরমোন কম জনিত উপসর্গ গুলো চলে আসে। এই অবস্থা তাকে বলে হাইপোথায়রইডিজম।

✅এর লক্ষন গুলো কি?

👉অল্প খাচ্ছেন কিন্তু অস্বাভাবিক মোটা হয়ে যাচ্ছেন
👉ক্লান্তি,অবসাদ, অল্পতেই হাপিয়ে উঠা
👉সাড়াদিন ঘুম ঘুম লাগা
👉ঠান্ডা আবহাওয়া সহ্য করতে না পারা। যেমন গা এ শীত শীত লাগা আর গরমেও গায়ে কাথা জড়িয়ে থাকা
👉শরীরে চর্বি জমে যাওয়া
👉মুড ভালো না থাকা। মানে ডিপ্রেসন এ যাওয়া
👉গা এর চামড়া শুকনা শুকনা লাগা
👉পিরিয়ড এলোমেলো হয়ে আসা( অনিয়মিত ও বেশি ব্লিডিং হওয়া)
👉প্রেশার বেড়ে যাওয়া
👉হার্ট বিট কমে আসা
👉কাজে কর্মে স্লো হয়ে আসা
👉মেমোরি কমে আসা
👉গলার স্বর হাস্কি হয়ে আসা
👉সেক্সুয়াল ড্রাইব কমে যাওয়া
👉গর্ভধারণ এ সমস্যা হওয়া
আরো অনেক ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে।

✅কিভাবে রোগ নির্নয় করস হয়ে থাকে?

🎯উপরিউক্ত উপসর্গ গুলো থাকলে আর সেই সাথে

🎯কিছু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করা হয়ঃ

১. গলায় থাইরয়েড গ্ল্যান্ড বড় হয়ে যেতে পারে
২. মুখ ফোলা ফোলা লাগা( পাফি ফেইস)
৩. মাংশ পেশী দুর্বল হয়ে যেতে পারে যার ফলে বসা থেকে দাড়াতে কষ্ট হতে পারে
৪. পা এর জার্ক( বিশেষ ধরনের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা) দেখা হয়ে থাকে

🎯ব্লাড টেস্টঃ

১. থায়রোয়েড ফাংশন টেস্ট( TSH, FT3, FT4)
২. থায়রয়েড এন্টিবডি টেস্ট

🎯ইমেজিংঃ

১. আল্ট্রাসনোগ্রাম থায়রয়েড গ্ল্যান্ড

✅চিকিৎসা?

💊এন্টি থায়রয়েড ড্রাগ যেমন থায়রক্সিন
মানে বাইরে থেকে কমে যাওয়া হরমোন ট্যাবলেট আকারে খেতে হয়।

✅কত দিন খেতে হয়?

সারাজীবন ই ওষুধ খেতে হবে। মাঝে মাঝে হরমোন লেভেল মেপে দেখতে হয়। সচরাচর ৬-১২ মাস পর পর। এবং ওষুধ এর ডোজ এদিক সেদিক করতে হয়।

✅সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না নিলে কি হবে?

১. হার্ট এর সমস্যা যেমন হার্ট বড় হয়ে যাওয়া, হার্ট ফেইলুর, হার্ট এর পর্দায় পানি আসা
২. নার্ভ এর সমস্যা যেমন নিউরোপ্যাথি
৩. বন্ধাত্ব্য
৪. মানসিক সমস্যা যেমন ডিপ্রেসন
৫. বিকালংগ সন্তান এর জন্ম দেয়া যেমন ক্রিটিন বেবি
৬. ফ্যাটি লিভার
৭. মাংসপেশি সমস্যা যেমন মায়োপ্যাথি

আসুন জানি, জানাই। সচেতন হই, করি।
থায়রয়েড এর সমস্যা অনেক অনেক হারে বেড়ে গিয়েছে। সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে এই রোগ নির্নয় করে চিকিৎসা নেই ও সুস্থ ভাবে বেচে থাকি।

Dr. Sahariar Ruvon
এমবিবিএস, বিসিএস
এম আরসিপি(ইউকে)
এমডি(নিউরোলজি)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

বজ্রপাতের আঘাতে হৃৎপিণ্ড কাজ বন্ধ করে দেয়, নিউরোলজিক্যাল ড্যামেজ, শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ ও রক্তনালীর ক্ষতি হতে দেখা যায়। ...
01/05/2025

বজ্রপাতের আঘাতে হৃৎপিণ্ড কাজ বন্ধ করে দেয়, নিউরোলজিক্যাল ড্যামেজ, শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ ও রক্তনালীর ক্ষতি হতে দেখা যায়। আসলে বজ্রপাতের কারণে মানুষ সরাসরি মারা যায় না বরং অজ্ঞান হয় বা হার্ট বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু দ্রুত চিকিৎসার অভাবে ব্যক্তি মারা যায়। বজ্রপাতের শিকার হওয়া 10% মানুষ মারা যায় আর যারা বাঁচে তাদের 75% মানুষ পরবর্তীতে কোনো না কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন যেমন: চোখের ছানি, শ্রবণ শক্তি কমে যাওয়া।

বজ্রপাতের শিকার হলেও মানুষ তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পেলে বেঁচে যেতে পারে। দ্রুত সিপিআর (CPR) বা হৃদপিণ্ডে চাপ ও কৃত্রিম শ্বাস দিলে এবং পরে হাসপাতালে দ্রুত নেওয়া হলে জীবন রক্ষা সম্ভব হয়।

১. তাৎক্ষণিক চিকিৎসা (Immediate First Aid):

বজ্রপাতের পর প্রথম কয়েক মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ।

যদি Elnaz অচেতন হন বা শ্বাস নিচ্ছেন না, সাথে সাথে CPR (হার্ট ম্যাসাজ + মুখে-মুখে শ্বাস) দিতে হবে।

শরীর থেকে আগুন বা পোড়া থাকলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখবে।

২. দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া (Rapid Medical Help):

এমন আঘাতে হার্ট, কিডনি, ব্রেন ইত্যাদি অর্গান ড্যামেজ হতে পারে।

তাকে দ্রুত এমার্জেন্সি মেডিকেল টিমের কাছে পৌঁছাতে হবে।

চিকিৎসকরা অক্সিজেন, ফ্লুইড, ব্যথা কমানোর ইনজেকশন এবং ইনটেনসিভ কেয়ার দিতে পারে।

৩. শরীরের স্থায়ী ক্ষতির যত্ন (Long Term Recovery):

ব্রেন, নার্ভ, শ্রবণশক্তি বা ত্বকের স্থায়ী সমস্যা হতে পারে।

Elnaz কে নিয়মিত ফিজিওথেরাপি, সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং লাগতে পারে।

সঠিক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম তাকে পুরোপুরি বা প্রায় পুরোপুরি সুস্থ করতে পারে।

বাস্তব পরিসংখ্যান বলছে:

বজ্রপাতের শিকার প্রায় ৯০% মানুষ বেঁচে যায় যদি দ্রুত সাহায্য পায়।

অনেক সময় শুধু সামান্য পোড়া বা নার্ভাল শক হয়, প্রাণঘাতী না-ও হতে পারে।

মোট কথা:

Elnaz Ebrah যদি বজ্রপাতের পর দ্রুত CPR, মেডিকেল কেয়ার এবং পরবর্তী রিহ্যাব পায়, তাহলে তার বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।

বজ্রপাতের কারণে শরীরের বাইরের অংশ চামড়া বা কাপড় পুড়ে গিয়ে গিয়ে ধোঁয়া উঠতে পারে। তবে অনেক সময় বজ্রপাতের তাপের কারণে শরীরের আর্দ্রতা মানে ঘাম বা ভিজা কাপড় বাষ্প হয়েও এমন ধোঁয়া হয়। আর বজ্রপাতের পর শরীরে বিদ্যুৎ জমে থাকার কোনো চান্স নেই। তাই আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ধরতে সমস্যা নেই। তবে পাশে পানি বা ভেজা মাটি থাকলে সাবধান থাকা ভালো।

Address

Dhaka
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিলনতত্ত্ব Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram