15/09/2025
“৬ মাসে শুধু দুধ নয়, চাই শক্ত খাবারের প্রথম ধাপ! 🌸 শিশুর মজবুত ভবিষ্যতের শুরু সঠিক খাবার দিয়েই।”
✅ ৬–৭ মাস বয়সে প্রথম খাবার
পাতলা ভাত-ডাল খিচুড়ি (অল্প ঘি/তেল মিশিয়ে)।
সুজির পায়েস/খিচুড়ি – মায়ের দুধ/ফর্মুলা বা পানি দিয়ে রান্না করা।
সেদ্ধ আলু বা মিষ্টি আলু – ভালো করে মেখে।
ঋতুভিত্তিক ফলের মেশানো – কলা, পেঁপে, আম, সাপেদা (চিকু)।
সেদ্ধ শাকসবজি – কুমড়া, গাজর, লাউ, শাক (ভালো করে সেদ্ধ ও চটকে দেওয়া)।
---
✅ ৭–৮ মাস বয়সে
ডিমের কুসুম (সেদ্ধ, ছোট পরিমাণে শুরু করতে হবে)।
মাছ – ভালো করে সেদ্ধ, কাঁটামুক্ত (রুই, তেলাপিয়া), ইলিশ এড়িয়ে চলা।
মুরগি বা লিভারের মাখা – প্রোটিন ও আয়রনের জন্য।
রুটি/পাউরুটি নরম করে – দুধ বা ডালে ভিজিয়ে।
---
✅ ৯–১২ মাস বয়সে
খানিকটা শক্ত খাবার যেমন – ঘন খিচুড়ি ও ছোট টুকরো সবজি।
ফিঙ্গার ফুড – কলার টুকরো, সেদ্ধ গাজরের স্টিক, ছোট রুটির টুকরো।
পারিবারিক খাবার – ঝাল/মশলা কমিয়ে, ভালোভাবে নরম করে।
সম্পূর্ণ ডিম (অ্যালার্জি না থাকলে)।
দুধজাত খাবার – দই, চিজ (স্বল্প পরিমাণে)।
---
⚠️ যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে
মধু (১ বছর বয়সের আগে দেওয়া যাবে না)।
গরুর দুধ প্রধান পানীয় হিসেবে (১ বছরের আগে নয়, তবে দুধজাত খাবার দেওয়া যাবে)।
বাদাম পুরোপুরি (চোকিং-এর ঝুঁকি আছে; পেস্ট আকারে দেওয়া যায় ৯–১০ মাসের পর)।
অতিরিক্ত লবণ, চিনি, ঝাল-মশলা।
প্যাকেটজাত খাবার, ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড।
---
💡 টিপস
বুকের দুধ চাহিদা অনুযায়ী চলবে।
৬–৮ মাসে দিনে ২–৩ বার খাবার, ৯ মাসের পর থেকে ৩–৪ বার + ১–২ বার নাস্তা।
স্থানীয়, ঋতুভিত্তিক ও সহজলভ্য খাবার ব্যবহার করুন।
খাবার তৈরিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।