Ruqyah Zone

Ruqyah Zone জ্বীন-যাদু, বদনজর, হাসাদ এবং এগুলোর কারনে সৃষ্ট শারীরিক ও মানসিক রোগের শরঈয়াহ সম্মত চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

16/04/2026

আগামী ১৮ এপ্রিল (শনিবার) সারাদিন...রুকইয়াহ হোম সার্ভিস নিয়ে আমরা থাকবো "নাটোর এবং রাজশাহী "।

নাটোর ও রাজশাহী বা এর আশেপাশের জেলার কেউ রুকইয়াহ হোম সার্ভিস নিতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

15/04/2026

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

"যখন কোনো মু'মিন মুওয়াহহিদ বান্দা-যে আল্লাহর পথ এবং তাঁর রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসরণ করেছে, কিন্তু এরপরও কোনো গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায়-তখন আল্লাহ তা'য়ালার আরশ বহনকারী ফেরেশতারা এবং আরশের চারপাশে উপবিষ্ট ফেরেশতারা তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করতে থাকেন।"

📚 আদ-দা ওয়াদ-দাওয়া (২৫৪ পৃষ্ঠা)

13/04/2026

আগামী ১৮ এপ্রিল শনিবার সারাদিন...রুকইয়াহ হোম সার্ভিস নিয়ে আমরা থাকবো নাটোর।

নাটোর বা তার আশেপাশের জেলার কেউ রুকইয়াহ হোম সার্ভিস নিতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

13/04/2026

➡️৫ ভাবে শরীর থেকে জ্বীন-যাদু,হাসাদ বদনজরের প্রভাব বের হয়।

✅১- ইস্তিফরাগ: মানে বমির মাধ্যমে প্রভাব বের করে দেওয়া... রুকইয়াহ'র সময় বা রুকইয়াহ'র সাজেশন ফলো করার সময় ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভাবে বমি করার মাধ্যমে পেটের,বুকের,গলার যাদু বের হয়।

✅২- ইসহাল: যাদের যাদু কোলন,তলপেট,মুত্রথলি,আওরাহ তে থাকে সেগুলো রুকইয়াহ'র সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো মাধ্যমে প্রস্রাব অথবা টয়লেটের মাধ্যমে বের হয়।

✅৩- কান্না: রুকইয়াহ অথবা দুআ'র সময় চোখের পানির মাধ্যমে চেহারায় থাকা বদনজর-যাদু,ক্বলবে থাকা কষ্টের বদনজর/যাদুর প্রভাব বের হয়ে যায়।

✅৪- উত্তাপ/ঘাম- রুকইয়াহ'র সময় অনেক পেশেন্ট এসি রুমেও ঘেমে যান...রুকইয়াহ'র সময় ঘামের সাথে অলসতা,দুর্বলতা,টায়ার্ডনেসের সমস্যা বের হয়ে যায়।

✅৫- রক্ত/হিজামা: জ্বীন যেহেতু রক্তে চলাচল করে তাই জ্বীনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে রক্তের মধ্যে..আর হিজামা রক্ত থেকে জ্বীন,যাদু,হাসাদ-বদনজরের প্রভাব বের করে রক্তকে পরিশুদ্ধ করে।

12/04/2026

কেউ জ্বীন দিয়ে কাজ করবে অথচ জ্বীনের গোলামি করবে না এইটা কখনোই সম্ভব না।

জ্বীনের গোলামি করা ছাড়া জ্বীন কখনোই সাহায্য করবে না।

মা'ফ করব না... ভাইয়ের উদ্দেশ্যে বোন। যারা বোনের হক মেরে খেয়েছেন। অথবা যারা খাওয়ার ইচ্ছা আছে তারা ছবিটা একবার দয়া করে...
12/04/2026

মা'ফ করব না... ভাইয়ের উদ্দেশ্যে বোন।

যারা বোনের হক মেরে খেয়েছেন। অথবা যারা খাওয়ার ইচ্ছা আছে তারা ছবিটা একবার দয়া করে দেখবেন।

৭৫ বছর বয়সে বড় বোন যখন মৃ'ত্যুশয্যায় তখন তিন ভাই মিলে এসে বোনের কাছে মাফ চেয়েছে। এর আগের দীর্ঘ একুশ বছর তাদের ভেতরে কোন কথা হয়নি। ঝামেলা হয়েছে সম্পত্তি নিয়ে। স্থানীয়ভাবে যতটুকু শোনা গেছে ওই তিন ভাই আসলেই ওই বোনের প্রতি অবিচার করেছে। প্রাপ্য যে সম্পত্তি ছিল সেটা দেয়নি। বোনকে দিতে চেয়েছিল বাড়ির পুকুরের ভেতরে, তাও সেটা ন্যায্য অংশ নয়। এই কারণে বোন রাগ করে কোন সম্পত্তি আর নেয়নি।

বোনের যখন অবস্থা খারাপ তখন তিন ভাই একসাথে মিলে এসে বোনের কাছে মাপ চেয়েছে। বলে রাখা ভালো উনাদের বংশগত এজমার সমস্যা রয়েছে। তাদের পরিবারের সবাই মৃত্যুর আগে এরকম শ্বাসকষ্ট হয়। এখন বোনের যখন এই অবস্থা তিন ভাই মিলে এসে মাফ চেয়েছে বোন অক্সিজেন মাস্ক পরা অবস্থায় কাগজে লিখে দিয়েছে," মাফ করব না।"

এই দুনিয়াতে লেখাটা হয়তোবা তিন শব্দের মনে হতে পারে। সৃষ্টিকর্তার কাছে এই তিন শব্দ তিন দুনিয়ার ওজনের চাইতেও বেশি মনে রাখবেন।

তাই বোনের হক মারবেন না। যেখান দিয়ে যতটুকু পায় তার ন্যায্য হোক তাকে জীবিত থাকতে বুঝিয়ে দেবেন।

নাম দিয়ে হাজিরা দেখা!আজকেও ৩-৪ জন নক দিয়েছেন তাদের নাম দিয়ে হাজিরা দেখার জন্য..মানে নিজের নাম,বাবা-মায়ের নাম দিয়ে তাদের ...
12/04/2026

নাম দিয়ে হাজিরা দেখা!

আজকেও ৩-৪ জন নক দিয়েছেন তাদের নাম দিয়ে হাজিরা দেখার জন্য..মানে নিজের নাম,বাবা-মায়ের নাম দিয়ে তাদের সমস্যা বলে দেওয়ার জন্য।

গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত মানুষ হলেও এক কথা ছিলো...শহরের হায়ার এডুকেটেড ব্যক্তিরাও বলে হাজিরা দেখার জন্য!

এই নিয়ে আজকে কয়েকটা কথা বলবো ইনশাআল্লাহ...

১➡️ আপনি যেমন আমার নাম শুনে আমার ব্যাপারে কিছু বলতে পারবেন না..ঠিক তেমনি আমিও আপনার নাম শুনে কিছু বলতে পারবো না।

নামের সাথে সমস্যার কি সম্পর্ক?
সমস্যার সাথে সম্পর্ক তো লক্ষণের!

২➡️ তাহলে যারা নাম শুনে সমস্যা বলে তারা কিভাবে বলে? মূলত তারা শাইত্বনের সাহায্য নেয়...প্রত্যেকের সাথে যেহেতু কারিন জ্বীন রয়েছে.. তাই আপনার নাম ঠিকানা নেয় আপনার কারিন জ্বীনকে খুঁজে বের করার জন্য..আপনার কারিন জ্বীন থেকে তার শাইত্বনের মাধ্যমে কন্টাক্ট করে আপনার ব্যাপারে পূর্বে ঘটে যাওয়া কিছু তথ্য নেয়ার জন্য।

যখন আপনার ব্যাপারে পূর্বের কিছু তথ্য পেয়ে যায়... তখন কবিরাজ সেগুলোই আপনাকে বলে।তখন আপনি ভাবেন উনি যেহেতু এগুলো জানেন তাহলে তার কোন পাওয়ার আছে।এভাবেই আপনার বিশ্বাস অর্জন করেন।

৩➡️ আমাদের জন্য জ্বীনদের কাছে সাহায্য চাওয়া হারাম...কারন এইটা একমাত্র মুজিযা যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা নবি সুলাইমান আলাইহিসসালাম কে দিয়েছিলেন।এইটা শুধুমাত্র উনার জন্যই খাস ছিলো..এরপর থেকে কোন নবী,সাহাবী কেউ জ্বীনদের কাছ থেকে সাহায্য নেন নাই।

৪➡️ জ্বীন প্রচুর মিথ্যা কথা বলে এই কথা সকলেই জানেন..জিনেরা সত্যের সাথে মিথ্যাকে এমনভাবে মিশ্রিত করে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাও তাদের ধোঁকায় পড়ে যায় ..তাহলে কিসের ভিত্তিতে আপনি কবিরাজ/যাদুকরের কথা ওহির মতো বিশ্বাস করতেছেন?

৫➡️ তারা নাম শুনে যেই কথাগুলো বলে(১০ জন যাদু করেছে,১০০০০০ জ্বিন আছে হেন তেন) এগুলোর হাক্বিকত কি? বাস্তবতা কি?

এবার প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে আমরা কিভাবে বুঝবো আমাদের সমস্যা কি?

উত্তর: প্রত্যেকটা প্রবলেমে স্পেসিফিক কিছু সিম্পটমস থাকে.. যেমন- জ্বর,জন্ডিস,ক্যান্সার,ডায়াবেটিস অথবা প্রেশার..
ঠিক তেমনি প্যারানরমাল সমস্যা যেমন- জ্বীন যাদু,হাসাদ,বদনজর এবং ওয়াসওয়াসার ও কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ রয়েছে..
যা পেশেন্টের সাথে মিললে বুঝা যায় তার কি সমস্যা।

সমস্যা সেটাই যেটা আপনি ফেস করেন...

আন্তাজে কেউ কিছু একটা বলে দিলো আর আপনি সেটা মেনে নিবেন এটা কিভাবে হতে পারে?

দলিল কমেন্টে

11/04/2026

➡️স্বপ্নে খাবার খেতে দেখা মানে কি যাদু নাকি নরমাল❓

প্রথমেই আমরা যেনে নেই স্বপ্ন হচ্ছে ৩ প্রকার..
১- আল্লাহ'র পক্ষ থেকে।
২- শাইত্বনের পক্ষ থেকে।
৩-সারাদিনের চিন্তাভাবনা,কল্পনা থেকে।

প্রত্যেকটার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে..যেটা নিয়ে আমরা অন্য পোস্টে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ...

আজকের টপিক স্বপ্নে "স্বপ্নে খাওয়া খাবার যাদু নাকি নরমাল" বুঝবো কিভাবে?

নিচে কয়েকটা লক্ষণ দেওয়া হচ্ছে যেগুলো দেখলে বুঝা যাবে স্বপ্নে খাওয়া জিনিস যাদু কিনা!

১- স্বপ্নে এমন খাবার খাওয়া যেটা বাস্তবে কেউ খাওয়ার কথা ভাবে না(কাচা মাছ-মাংস,রক্ত,মৃত মানুষ,সাপ,টয়লেটের ময়লা,পঁচা খাবার ইত্যাদি)।
২- ঘুম থেকে উঠার পরেও মুখে টেস্ট লেগে থাকা(মুখ তিতা ভাব হয়ে থাকা)।
৩-ঘুম থেকে উঠার পর পেট ভরা ভরা লাগা।
৪- স্বপ্নে খাবার খাওয়া দেখার পর বমি আসতে চাওয়া।
৫- স্বপ্নে খাওয়ার পর লুজ মোশন হওয়া।
৬- খাবারের স্বপ্ন দেখার পর অসুস্থতা বৃদ্ধি পাওয়া।
৭-আপনি খেতে চাচ্ছেন না কিন্তু কেউ জোর করে খাওয়াচ্ছে এমন স্বপ্ন দেখা।

এগুলো হচ্ছে স্বপ্নে যাদু খাওয়ার লক্ষণ।এখান থেকে ১ টা লক্ষণ মিললেও বুঝতে হবে আপনাকে স্বপ্নে যাদু খাওয়ানো হয়েছে।

#খাওয়ানো_যাদু #স্বপ্ন #রুকইয়াহ

09/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ একটা সুসংবাদ..

"এক বোন বিয়ে বন্ধের যাদুতে আক্রান্ত ছিলেন..এরপর এই রমাদানে আমাদের ৩ দিনের অনলাইনের ম্যাস সেশন গ্রহণ করেন.. আল্লাহ'র ইচ্ছায় এই মার্চ মাসেই উনার বিয়ে হয়ে যায়"।

09/04/2026

➡️পড়াশোনা নষ্টের যাদুতে আক্রান্ত এক পেশেন্টের রুকইয়াহ....

★ঐদিন মিরপুর গিয়েছিলাম এক ফ্যামেলির রুকইয়াহ করতে... পেশেন্টদের মধ্যে একজন ছেলে, বয়স ২১-২২ হবে।

কেসটেকিং করেই বুঝলাম উনি পড়াশোনা নষ্টের যাদুতে আক্রান্ত আর উনার বাবা-মা বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত।
পড়াশোনা নষ্টের যাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তি যেসব স্বপ্নে দেখেন উনার সাথে সেগুলো বাস্তবে ঘটেছে..

উনি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে এডমিশন পরীক্ষা দিতে গিয়ে উনি হলেই ঘুমিয়ে যান(প্রশ্ন কমন পরা সত্ত্বেও উনি না লিখে ঘুমিয়ে যান)... এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ টি mcq এর মধ্যে উনি মাত্র ৪২ দিতে পারেন এরপর ওনার মাথার কাজ করে না। উনি এক্সাম না দিয়ে চুপচাপ করে বসে থাকেন।
যদিও ৪২ টা থেকে উনার ৩৮ টা হয়েছিলো।

এরপর রুকইয়াহ শুরু করলাম...প্রথমেই উনার আম্মুর জ্বীন এক্সপোজ হয়ে কান্না করতে থাকে..

একটু পর উনি জোরে চিৎকার করতে থাকেন আবার অট্টহাসি হাসতে থাকেন...একবার হাসেন আরেকবার কান্না করেন।

যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার আগে উনি অনেক এক্টিভ ছিলেন..প্রচুর খেলাধুলা করতেন..কিন্তু অসুস্থ হওয়ার পর ৮০ বছরের বৃদ্ধদের মতো হয়ে গেছেন..

আল্লাহ সবাইকে হিফাজত করুন।

Send a message to learn more

08/04/2026

যেসব নামধারী রাক্বি অথবা রুকইয়াহ'র পেইজ থেকে ফিমেল পেশেন্ট অথবা মেয়েদের ছবি,ভিডিও আপলোড করা হয়...সেখানে রুকইয়াহ করা থেকে বিরত থাকুন।

07/04/2026

⚠️জরুরি ঘোষণা

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সকল প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় উত্তেজনা বাড়তে পারে, তাই সবাই সাবধানে চলাফেরা করুন।
অনুগ্রহ করে পরিচিতদেরও বিষয়টি জানিয়ে সচেতন করুন।

আর বেশি বেশি এই দুআ করুন

اللَّهُمَّ احْفَظْنَا وَاحْفَظْ جَمِيعَ الْمُسْلِمِينَ فِي كُلِّ مَكَانٍ، وَاجْعَلْهُمْ فِي أَمَانٍ وَسَلَامٍ، وَاصْرِفْ عَنْهُمُ الْفِتَنَ وَالْبَلَاءَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আহফাজনা ওয়া আহফাজ জামি‘আল মুসলিমীন ফি কুল্লি মাকান, ওয়াজ‘আলহুম ফি আমানিন ওয়া সালাম, ওয়াসরিফ ‘আনহুমুল ফিতান ওয়াল বালা’ মা জাহারা মিনহা ওয়া মা বাতান।

অর্থ:
হে আল্লাহ! আমাদের এবং পৃথিবীর সকল মুসলমানকে হেফাজত করুন, তাদেরকে নিরাপত্তা ও শান্তিতে রাখুন, এবং প্রকাশ্য ও গোপন সব ধরনের ফিতনা ও বিপদ থেকে রক্ষা করুন।

কালেক্টেড

Address

Demra
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share