03/05/2026
পাইলস বা হেমোরয়েডস হলো মলদ্বারের চারপাশের শিরাগুলো ফুলে যাওয়া। এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা হলেও সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে জটিলতা বাড়তে পারে। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:১. পাইলসের লক্ষণ (Symptoms)পাইলস মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরে হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:রক্তপাত: পায়খানার সাথে বা পরে উজ্জ্বল লাল রক্ত যাওয়া (ব্যথাহীন রক্তপাত বেশি হয়)।ব্যথা ও অস্বস্তি: মলদ্বারে ব্যথা, জ্বালাপোড়া বা চুলকানি হওয়া।পিণ্ড বা ফোলা: মলদ্বারের মুখে মাংসপিণ্ড ফুলে থাকা যা স্পর্শ করলে অনুভব করা যায়।রস নিঃসরণ: মলদ্বার দিয়ে শ্লেষ্মা বা মিউকাস বের হওয়া।২. কেন হয়? (Causes)পাইলস হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য: পায়খানা ক্লিয়ার না হওয়া এবং মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া।খাদ্যভ্যাস: খাবারে পর্যাপ্ত আঁশ বা ফাইবার (শাকসবজি) না থাকা।অতিরিক্ত ওজন: শরীরের ওজন বেশি হলে মলদ্বারে চাপ পড়ে।দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা: বিশেষ করে টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস।গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় জরায়ুর চাপে মলদ্বারের শিরা ফুলে যেতে পারে।৩. চিকিৎসা (Treatment)পাইলসের পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসা ভিন্ন হয়:প্রাথমিক পর্যায়: জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে ওষুধ ছাড়াই ভালো হওয়া সম্ভব। চিকিৎসক কিছু মলম বা সিটজ বাথ (উষ্ণ জলে বসা) দিতে পারেন।আধুনিক পদ্ধতি (লেজার): বর্তমানে লেজার সার্জারি সবচেয়ে জনপ্রিয়। এতে কোনো কাটাছেঁড়া লাগে না, রক্তপাত হয় না এবং রোগী ওই দিনই বাড়ি ফিরতে পারেন। অধ্যাপক ডা. আবু সায়েদ এম.এম রহমান এই পদ্ধতিতে চিকিৎসার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।অন্যান্য পদ্ধতি: ব্যান্ড লাইগেশন (ব্যান্ড পরিয়ে দেওয়া), ইনজেকশন (স্ক্রেরোথেরাপি) বা প্রয়োজনে ওপেন সার্জারি।৪. প্রতিরোধ করার উপায় (Prevention)জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আনলে পাইলস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব:আঁশযুক্ত খাবার: প্রতিদিনের তালিকায় প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল এবং ইসবগুলের ভুষি রাখুন।পর্যাপ্ত পানি: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।নিয়মিত ব্যায়াম: শারীরিক পরিশ্রম কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।টয়লেট অভ্যাস: দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে মোবাইল ব্যবহার বা বই পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। চাপ দিয়ে পায়খানা করার চেষ্টা করবেন না।
আপনি কি অধ্যাপক ডা. আবু সায়েদ এম.এম রহমানের কাছে এই চিকিৎসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে চাচ্ছেন?
information
01339-810565