Medical Pathology - মেডিকেল প্যাথলজি

Medical Pathology - মেডিকেল প্যাথলজি Pathology is the study of the causes and effects of disease or injury.

The word pathology also refers to the study of disease in general, incorporating a wide range of biology research fields and medical practices. A pathologist is a physician who examines tissues, checks the accuracy of lab tests, and interprets the results in order to facilitate the patient’s diagnosis and treatment. He or she works closely with the patient’s other doctors and is a vital member of

the patient’s primary health care team. Pathologists work in many areas of the medical laboratory and often serve as the Lab Director. Contrary to popular depictions of this career, the task of performing autopsies constitutes just a small part of the typical pathologist’s practice.

অতিরিক্ত ওজন থেকে হতে পারে যেসব রোগব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়ন্ত্রিত খাবার আর শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে আজকাল অনেকেই অল্প বয়স...
15/11/2025

অতিরিক্ত ওজন থেকে হতে পারে যেসব রোগ
ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়ন্ত্রিত খাবার আর শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে আজকাল অনেকেই অল্প বয়সেই ওজন বাড়িয়ে ফেলছেন। এই বাড়তি ওজন শরীরে ডেকে আনে নানান জটিল রোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- ওজন স্বাভাবিক মাত্রার বাইরে গেলে শরীরের প্রায় সব অঙ্গেই প্রভাব পড়ে।
হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ
বাড়তি চর্বি ধীরে ধীরে রক্তনালীতে জমতে থাকে। এতে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিওর ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে যাদের পেটের চারপাশে মেদ জমে, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
টাইপ-২ ডায়াবেটিস
স্থূলতার সঙ্গে ডায়াবেটিসের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ। শরীরের অতিরিক্ত মেদ ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, স্থূলতায় আক্রান্ত অধিকাংশ মানুষই একসময় টাইপ-২ ডায়াবেটিসে ভোগেন।

স্ট্রোক
ওজন বেশি হলে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল বাড়ে। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়ে স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

শ্বাসকষ্ট ও স্লিপ অ্যাপনিয়া
অনেকের ক্ষেত্রে ওজন বেশি হলে রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। একে স্লিপ অ্যাপনিয়া বলা হয়। এতে শুধু ঘুম ব্যাহত হয় না, হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।

হাড় ও জয়েন্টের ব্যথা
অতিরিক্ত ওজনের ভার বহন করতে গিয়ে হাঁটু, কোমর ও পিঠে চাপ পড়ে। এতে ব্যথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস কিংবা হাড় ক্ষয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ক্যানসার
বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্থূলতা স্তন, কোলন, কিডনি এবং জরায়ুর ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

লিভারের রোগ
অতিরিক্ত চর্বি জমে লিভারে ফ্যাটি লিভার তৈরি হয়। অবহেলা করলে এটি সিরোসিস বা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে।

মানসিক প্রভাব
স্থূলতা অনেকের মধ্যে হীনমন্যতা, ডিপ্রেশন ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি করে। ফলে এটি সামাজিক জীবনকেও প্রভাবিত

ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হওয়ার পেছনে দায়ী যে অভ্যাস দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ল্যাপটপে ঝুঁকে থাকার ফলে দেহভঙ্গি বা posture নষ্ট হয়ে গে...
15/11/2025

ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হওয়ার পেছনে দায়ী যে অভ্যাস

দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ল্যাপটপে ঝুঁকে থাকার ফলে দেহভঙ্গি বা posture নষ্ট হয়ে গেছে। এমনটা হলে মানুষ কিছু সমস্যার মধ্য দিয়ে যায়। যেমন-

১) টেক্সট নেক সিনড্রোম (Text Neck Syndrome)

২) সারভাইক্যাল পেইন (Cervical Pain)

৩) ফ্রোজেন শোল্ডার (Frozen Shoulder)

৪) মেরুদন্ডের ডিস্কে সমস্যা

চিকিৎসক আরো জানান দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে ঝুঁকে থাকার কারণে শরীরে সাধারণত যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়, সেগুলো হচ্ছে —

১) ঘাড় ব্যথা বা ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া

২) পিঠ বা কোমর ব্যথা

৩) কাঁধে টান

৪) হাত-পায়ে ঝিঁ ঝিঁ বা অবশ ভাব

৫) চোখের ক্লান্তি

৬) মাথা ব্যথা

৭) শরীরে দূর্বলতা

৮) ঘুমের ব্যাঘাত

৯) মুড সুইং

এক্ষেত্রে চিকিৎসক তাকে কিছু পরামর্শ দেন। যেগুলো বেশ সহজ কিন্তু কার্যকর। চলুন জেনে আসি সেগুলো কী।

ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে করণীয় কী?
১। শরীরের অবস্থান ঠিক রাখা

কাজ করার সময় চেয়ার-টেবিলের উচ্চতা ঠিক রাখুন।

মোবাইল বা ল্যাপটপ চোখের সমান উচ্চতায় রাখুন।

২। নিয়মিত বিশ্রাম নেয়া

প্রতি ৩০-৪০ মিনিট কাজের পর ১-২ মিনিট চোখ বন্ধ করুন বা দাঁড়িয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।

৩। নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন

ঘাড়, পিঠ, কাঁধ, কোমড় এবং হাত ও পায়ের সহজ স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করুন।

বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম করবেন।

৪। গরম বা ঠান্ডা সেক নিন

ব্যথা হলে উষ্ণ বা ঠান্ডা পানির সেক নিতে পারেন।

৫। পর্যাপ্ত পানি পান ও ঘুমের প্রয়োজন

দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

রাতে যেন পর্যাপ্ত ঘুম হয় সে ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করুন।

৬। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা

প্রয়োজন অনুযায়ী আলট্রাসাউন্ড থেরাপি,ম্যানুয়াল থেরাপি বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী বিশেষ এক্সারসাইজ করতে পারেন।

৭। মানসিক চাপ কমানো

মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান, মেডিটেশন বা নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন।

03/10/2022
গরমে মাথায় ঘাম বসে চুল ঝরছে? জানুন সমাধানের উপায়এক টানা ঘামে ভিজে চুলের গোড়া হয়ে পরে দূর্বল। ফলে সহজেই চুল উঠতে শুরু কর...
21/07/2022

গরমে মাথায় ঘাম বসে চুল ঝরছে? জানুন সমাধানের উপায়
এক টানা ঘামে ভিজে চুলের গোড়া হয়ে পরে দূর্বল। ফলে সহজেই চুল উঠতে শুরু করে।
নিজস্ব প্রতিবেদন: একে অস্বস্তিকর গরম। তার উপর আর্দ্রতা। ঘেমে নেয়ে আপনার সাধের চুলের দফা রফা। রোজই ঘুম থেকে উঠে বালিশ ভর্তি ঝরে পরা চুল পাচ্ছেন? অথবা চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনি ভর্তি ঝরে পরা চুল? তাহলে এখনই সাবধান হোন।

গরমকালে অতিরিক্ত উষ্ণতার পাশাপাশি থাকে অস্বস্তিকর আর্দ্রতা। ফলে ঘাম হয় বেশি। সেই ঘাম বসতে পারে আপনার চুলের গোড়াতেও। এক টানা ঘামে ভিজে চুলের গোড়া হয়ে পরে দূর্বল। ফলে সহজেই চুল উঠতে শুরু করে।
এ ছাড়াও ঘাম ও মাথার ত্বক বা স্কাল্প-এর স্বাভাবিক তেলের ফলে চুলে তৈলাক্ত ভাব এসে যায়। চুলে জট পড়ে যায়। ফলে চুল আঁচড়াতে গেলেই চিরুনিতে চুল জড়িয়ে যায়। চুলের ফুরফুরে ভাবও নষ্ট হয়ে যায়। আপনার স্টাইলের দফারফা।

আপনার সুন্দর চুলের বারোটা বাজার আগেই তার যত্ন নিন। রোজ মেনে চলুন কিছু সহজ ঘরোয়া টোটকা। জীবনযাত্রায় আনুন ছোট ছোট পরিবর্তন। আর তাহলেই পাবেন সুন্দর ঘন চুল।
গরমে চুল সুন্দর রাখতে কি করবেন?

১) একদিন অন্তর অবশ্যই শ্যাম্পু করার চেষ্টা করুন। শ্যাম্পু করার সময়ে আঙুল দিয়ে হালকা হাতে মাথায় মাসাজ করুন। শ্যাম্পুর পর ব্যবহার করুন কোনো ভাল কন্ডিশনার।

২) একটি পাত্রে তিন-চার চামচ পাতিলেবুর রস নিন। তাতে অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে নিন। চুলের গোড়ায় আলতো হাতে মাসাজ করুন। ৩০ মিনিট রাখুন। তার পরে তিন-চার চামচ নারকেল তেল বা আমন্ড তেল মাথায় মাসাজ করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুই দিন স্নান করার আগে এটি করার চেষ্টা করুন। চুলের গোড়া মজবুত হবে।
৩) অ্যালোভেরার রস যে কোনও ধরনের চুলের জন্য বেশ উপকারি। সপ্তাহে এক-দুই দিন স্নানের এক ঘন্টা আগে স্ক্যাল্প-এ অ্যালোভেরা-এর রস লাগান। এক মাস করলেই উপকার টের পাবেন।

৪) চুলে মেহেন্দি বা কলপ ব্যবহার কম করাই ভাল। একান্তই করতে হলে নামী সংস্থার ভাল মানের কলপ ব্যবহার করুন। কলপ ব্যবহারের পর অবশ্যই চুলে ভাল করে শ্যাম্পু করুন।

৫) বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। টুপি পরলে পরিস্কার এবং সঠিক মাপের টুপি পরুন।

৬) চুলে জেল, ওয়াক্স, হেয়ার স্প্রে-এর ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ব্যবহার করলেও বাড়ি ফিরে ভাল করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।

৭) হেয়ার স্পা করা খুবই উপকারি চুলের পক্ষে। মাসে এক-দু'বার হেয়ার স্পা করতে পারলে চুল ভাল থাকবে।

৮) রোজ প্রচুর পরিমাণে জল খান। খাবারের পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণ শাক-সবজি ও ফল। নিয়মিত খান কাঁচা আমন্ড। টাটকা ছোট মাছ বেশি করে খান। রোজ সকালে খান এক চামচ মধু।

৯) স্নান করে বেরিয়েই জোরে জোরে চুল মুছবেন না। এতে চুলের গোড়া দূর্বল হয়ে যাবে। চুলে তোয়ালে জড়িয়ে শুকিয়ে নিন।

১০) চুলে হেয়ার ড্রায়ার বা হেয়ার স্ট্রেটনার ব্যবহার না করাই ভাল। এতে চুল সাময়িকভাবে দেখতে ভাল লাগলেও আখেরে ক্ষতি হয়।

দাঁতের শিরশিরানি হবে দূর, ঝকঝকে করবে তেজপাতা, জানুন উপায়দাঁতের যত্ন নেওয়া ক্ষেত্রে যে পদ্ধতিগুলি আমরা মেনে চলি, সেগুলি ক...
21/07/2022

দাঁতের শিরশিরানি হবে দূর, ঝকঝকে করবে তেজপাতা, জানুন উপায়
দাঁতের যত্ন নেওয়া ক্ষেত্রে যে পদ্ধতিগুলি আমরা মেনে চলি, সেগুলি কতটা সঠিক জানেন কি?
নিজস্ব প্রতিবেদন: ছোটবেলা থেকেই দাঁতের যত্ন নেওয়ার কথা আমরা সকলেই অনেকবার শুনেছি। বড়দের দেখাদেখি দাঁতের যত্ন নেওয়ার নানা রকম উপায়ও শিখেছি। কিন্তু দাঁতের যত্ন নেওয়া ক্ষেত্রে যে পদ্ধতিগুলি আমরা মেনে চলি, সেগুলি কতটা সঠিক জানেন কি?

দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য কত কিছুই না করেন আপনি! দামি টুথপেস্ট থেকে শুরু করে দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়মিত যাওয়া, শুধুমাত্র হলদে দাঁতগুলোকে সাদা ঝকঝকে করার জন্য। তবে এ সব প্রয়োজনই হবে না, যদি একটি ঘরোয়া উপাদান দাঁত ঝকঝকে সুন্দর করার কাজে ব্যবহার করেন। উপাদানটি হল তেজপাতা। সাধারণত, এই উপাদানটি রান্নাতেই ব্যবহৃত হয়। তবে এই তেজপাতা দিয়েই প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর ঝকঝকে করে নিতে পারবেন আপনার দাঁতগুলোকে! কী ভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক, দাঁত সুন্দর ঝকঝকে করতে তেজপাতা ব্যবহারের পদ্ধতি...
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী। তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোনও টক ফলের সঙ্গে। যেমন, কমলা লেবু বা পাতি লেবুর খোসার সঙ্গে।
উপকরণ:
তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে),

কমলা লেবু বা পাতি লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ),

মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২-৩টি।
প্যাক তৈরির পদ্ধতি:

• প্রথমে তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।

• কমলা লেবু বা পাতি লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সঙ্গে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।

• এ বার এই সব উপকরণের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে নিন।

মনে রাখবেন, ফলের খোসা অবশ্যই শুকিয়ে নিতে হবে। কারণ, কাঁচা অবস্থায় এগুলি দাঁতের ক্ষতি করতে পারে।

ব্যবহার বিধি:

এই গুঁড়োটি সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন অন্তত এক বেলা দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করবে, সপ্তাহে দু’দিন না তিন দিন ব্যবহার করবেন। ব্যস, একেবারে সামান্য খরচে পেয়ে যান সাদা ঝকঝকে, সুন্দর দাঁত।

Hing Side Effects: ডাল- তরকারিতে হিং খাচ্ছেন বেশি করে? জানেন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?বাসনার সেরা বাসা রসনায়—এ কথা আমরা ছোট...
20/06/2022

Hing Side Effects: ডাল- তরকারিতে হিং খাচ্ছেন বেশি করে? জানেন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?

বাসনার সেরা বাসা রসনায়—এ কথা আমরা ছোট থেকে শুনে আসছি। কিন্তু যে সব মশলাপাতির গুণে রান্না স্বাদু হয়ে ওঠে, তার যথাযথ ব্যবহার করতে না পারলে ক্ষতি হয় অনেকটাই। কোন মশলার কী পুষ্টিগুণ, কী ভাবে রান্নায় ব্যবহার করলে তা অক্ষুণ্ণ থাকবে— সে সব ভেবে অনেকেই রান্না করেন না। রোজকার জিরে-ধনে-আদা-রসুনে কী গুণ বা হিং ফোড়নের কী উপকার, তা জেনে নিয়ে ব্যবহার করলে রান্নায় স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টির দিকটাও বজায় থাকবে। মাছ-মাংসের গন্ধ কাটাতেও কিন্তু হিং দেওয়া হতো। কিন্তু বলা হয়ে থাকে যে কোনো কিছুর বেশিই খারাপ। এমন অবস্থায় হিং বেশি সেবন করলে এর ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা যায়। বেশি হিং খেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে দেখে নিন-

গ্যাস এবং ডায়রিয়া

হিং হজমের জন্য খুবই ভালো। পাকস্থলীর অম্লত্ব-ক্ষারত্ব রক্ষা করে হিং হজমের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। হিং সাধারণত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু হিং পরিমাণ মতো না খেলে গ্যাস, ডায়রিয়া এমনকি পেটে জ্বালাপোড়াও হতে পারে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত গ্যাস হলে হার্টও বমি বমি ভাব শুরু করে। এই পরিস্থিতি এড়াতে হিং যুক্ত খাবার খাওয়ার আগে হালকা খাবার খান। হিং ঠোঁট ফোলা, মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, গ্যাস, রক্তচাপ ইত্যাদির মতো অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।
গর্ভবতী মহিলাদের বেশি হিং খাওয়া ভালো নয়

গর্ভাবস্থায় বেশি হিং খেলে গর্ভপাত হতে পারে। হিং জরায়ু সংকোচনকে উদ্দীপিত করতে পারে এবং এটি গর্ভপাতের দিকে নিয়ে যেতে করে। মনে রাখবেন যে কোনও অবস্থাতেই ৫ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের হিং-যুক্ত খাবার দেওয়া উচিত নয়।

​উচ্চ এবং নিম্ন রক্তচাপ

অতিরিক্ত হিং খাওয়ার কারণে উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। এই দুই সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের হয় এটি থেকে দূরত্ব বজায় রাখা উচিত, নয়তো তাদের এটি সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। যাঁদের হাই ব্লাড প্রেসার রয়েছে তাঁদের রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হিং এর ভ্যাসোরিলাক্সান্ট উপাদানের জন্য রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাধে না।

​মাথাব্যথা এবং মাথা ঘোরা

আপনি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে হিং খান তবে এর ফলে মাথাব্যথা হতে পারে। এছাড়াও, অনেক মানুষ আছেন যাঁরা হিং-এর তৈরি খাওয়ার পরে মাথা ঘোরার সমস্যায় পড়ে যান। হিং এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত কয়েক ঘন্টা স্থায়ী হয় এবং তার পরে সেরে যায়। কিন্তু যদি এটি না হয়, তবে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত এবং এটি পরীক্ষা করা উচিত।

​অ্যালার্জি হতে পারে

হিং খাওয়ার কারণে ত্বকে লাল দাগ বা ফুসকুড়িও তৈরি হতে পারে। এটি সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু যদি এই অবস্থা দীর্ঘকাল স্থায়ী হয় এবং ফুলে যেতে শুরু করে, তাহলে সময় নষ্ট না করে অবিলম্বে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এমনকিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে মানুষের অ্যালার্জির সমস্যায় পড়ার হার বেশি। তবে সেটি যে সবার ক্ষেত্রেই ঘটবে এমন নয়। রান্নায় ব্যবহৃত বেশির ভাগ মশলাতেই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস রয়েছে ভরপুর। খাবার হজম করতে সাহায্য করা প্রধান কাজ মশলার। পরিপাকের সময়ে বিভিন্ন খাবারের খাদ্যগুণ বিশ্লেষিত হয়ে শরীরে তার যে আত্তীকরণ ঘটে, এর নেপথ্য ভূমিকা কিন্তু বিভিন্ন মশলারই। কিন্তু বেশি হয়ে গেলে তা থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

​ঠোঁট ফুলে যেতে পারে

হিং খুবই উপকারী একটি মশলা। এটি সেবনের ফলে কারো কারো ঠোঁটে ফোলাভাব দেখা দিতে শুরু করে। যদিও এই ফোলা মাত্র কয়েক ঘন্টা বা দিন স্থায়ী হয়। এর পর নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু যদি তা না হয় এবং ঘাড় ও মুখে ফোলাভাব বাড়তে থাকে, তাহলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের কাছে পরীক্ষা করাতে হবে। এ ছাড়া অতিরিক্ত হিং খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া ও গ্যাসের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

​পক্ষাঘাত

আপনার যদি প্যারালাইসিস হয়ে থাকে, তাহলে আপনাকে হিং-এর থেকে দূরত্ব রাখতে হবে। হিং স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় হিং সেবন করলে অম্বল, মাথাব্যথা, বেলচিং এবং ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে। একজন ব্যক্তিকে শুধুমাত্র ১০ মিলিগ্রাম থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হিং খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিদিন হিং খেলে অনেক রোগ এড়ানো যায় বটে। তবে বেশি খেলে হিতের বিপরীতও হতে পারে।

মানব দেহ : 1: হাড়ের সংখ্যা: 2062: পেশী গণনা: 6393: কিডনি কাউন্ট: 24: দুধের দাঁতের সংখ্যা: 205: পাঁজর সংখ্যা: 24 (12 জোড...
15/06/2022

মানব দেহ :
1: হাড়ের সংখ্যা: 206
2: পেশী গণনা: 639
3: কিডনি কাউন্ট: 2
4: দুধের দাঁতের সংখ্যা: 20
5: পাঁজর সংখ্যা: 24 (12 জোড়া)
6: হার্ট রুম নম্বর: 4
7: বৃহত্তর ধমনী: আর্তা
8: সাধারণ রক্তচাপ: 120/80 mmhg
9: ফোন রক্ত: 7.4
10: মেরুদন্ডে ভারটেব্রা সংখ্যা: 33
11: ঘাড়ে ভেরটেব্রে সংখ্যা: 7
12: মাঝ কানে হাড়ের সংখ্যা: 6
13: মুখের হাড়ের সংখ্যা: 14
14: মাথার খুলিতে হাড়ের সংখ্যা: 22
15: বুকের হাড়ের সংখ্যা: 25
16: হাতে হাড়ের সংখ্যা: 6
17: মানুষের হাতের পেশীর সংখ্যা: 72
19: সবচেয়ে বড় অঙ্গ: ত্বক
20: সবচেয়ে বড় খাবার: লিভার
21: বৃহত্তম সেল: মহিলাদের ডিম
22: ক্ষুদ্রতম কোষ: শুক্রাণু কোষ
23: সবচেয়ে ছোট হাড়: মধ্য কানের যাত্রী
24: প্রথম সদস্য ইমপ্ল্যান্ট: কলেজ
25: পাতলা অন্ত্রের গড় দৈর্ঘ্য: 7 m
26: বড় অন্ত্রের গড় দৈর্ঘ্য: 1.5 মি
27: নবজাতকের মধ্য ওজন: 3 কেজি
28: এক মিনিটে পালস রেট: 72 গুন
29: শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা: 37°c
30: গড় রক্ত আকার: 4 থেকে 5 লিটার
31: লাল রক্ত কোষ বয়স: 120 দিন
32: সাদা রক্ত কোষ বয়স: 10 থেকে 15 দিন
33: গর্ভাবস্থার সময়কাল: 280 দিন (40 সপ্তাহ)
34: মানুষের পায়ে হাড়ের সংখ্যা: 33
35: প্রতিটি কব্জিতে হাড়ের সংখ্যা: 8
36: হাতে হাড়ের সংখ্যা: 27
37: বৃহত্তম এন্ডোক্রিন: থাইরয়েড
38: বৃহত্তম লিম্ফাটিক অঙ্গ: স্প্লিন
40: সবচেয়ে বড় হাড় এবং শক্তিশালী হাড়: নারী
41: ক্ষুদ্রতম পেশী: স্টেপডিয়াস (মধ্যম কান)
41: ক্রোমোজোম সংখ্যা (রাজবংশ): 46 (23 জোড়া)
42: হাড়ের সংখ্যা বেবি নাসেন্ট: 306
43: রক্ত স্ত্রী: 4.5 থেকে 5.5
44: রক্তের গ্রুপ গ্লোবাল ডোনার
45: ব্লাড ওয়ার্ল্ড রিসেপশন গ্রুপ: এবি
46: সবচেয়ে বড় সাদা বল: মনোসাইট
47: সবচেয়ে ছোট সাদা বল: লিমফোসাইট
48: লাল রক্তকোষ বৃদ্ধিকে বলা হয়: পলিগ্লোবুলি
49: শরীরে ব্লাড ব্যাংক হচ্ছে: স্প্লিন
50: জীবন নদীকে বলা হয়: রক্ত
51: সাধারণ স্তরের রক্ত কোলেস্টেরল: 100 মিলিগ্রাম / ডিএল
52: রক্তের তরল অংশ হল: প্লাজমা

Chest Pain: বুকে ব্যথা? আগেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কায় ভুগবেন না! ব্যথার উৎস খুঁজুনবুকে ব্যথা হলেই ভয় পেলে চলবে না। এক্ষেত...
08/06/2022

Chest Pain: বুকে ব্যথা? আগেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কায় ভুগবেন না! ব্যথার উৎস খুঁজুন
বুকে ব্যথা হলেই ভয় পেলে চলবে না। এক্ষেত্রে একটু পর্যবেক্ষণশীল হতে হবে। ঠিক কীসের জন্য বুকে ব্যথা, সেটা আগে 'লোকেট' করতে হবে।
হৃদযন্ত্রের সমস্যা ঘরে-ঘরে। বুকে ব্যথা হলেই মানুষের ভয় ধরে যায় মনে। খুব স্বাভাবিক কারণেই ধরে। কিন্তু, এক্ষেত্রে একটু চিন্তাশীল হতে হবে, হতে হবে একটু পর্যবেক্ষণশীলও।
1. বুকে ব্যথার আসল কারণ
ঠিক কীসের জন্য বুকে ব্যথা, সেটা আগে 'লোকেট' করতে হবে। আর সেটা আইডেন্টিফাই করতে পারলেই অযথা আতঙ্কের জায়গাটা তৈরি হবে না। বুকে ব্যথার আসলে অনেক কারণ হয়। শুধুই ব্লকেজ বা তজ্জনিত হার্ট-অ্যাটাক নিয়েই ভাববার কোনও দরকার নেই।
2. 'অ্যাসিড রিফ্লাক্স'
বুকে ব্যথার আসলে অনেক কারণ হয়। শুধুই ব্লকেজ বা তজ্জনিত কারণে হার্ট-অ্যাটাক নিয়েই ভাববার কোনও দরকার নেই। অনেক রকম অসুস্থতাই ঘটতে পারে। তারই একটা হল 'অ্যাসিড রিফ্লাক্স'। যখন স্টম্যাকের বস্তুনিচয় খাদ্যনালীর দিকে ঠেলে ওঠে তখন হঠাৎ করে বুকে ব্যথা হতে পারে। খাদ্যনালীর পোশাকি নাম হল ইসোফ্যাগাস। এটি অন্ত্র ও গলাকে সংযুক্ত করে।
3. বুকের পেশিতে স্ট্রেন
বুকের পেশিতে স্ট্রেন পড়লে বা পাঁজরের টেনডনগুলিতে প্রদাহ হলে তার ফলেও নন-কার্ডিয়াক চেস্ট পেইন ঘটতে পারে। ধরনের দিক থেকে এটা মূলত 'মাসল স্ট্রেনে'র পর্যায়ে পড়ে।
4. কস্টোকনড্রাইটিস
আর একটি আছে-- কস্টোকনড্রাইটিস। আমাদের ব্রেস্টবোনে কতগুলি কার্টিলেজ থাকে। এগুলি রিব বা পাঁজরগুলিকে ধরে রাখে। এই কার্টিলেজ বা তরুণাস্থিতে অনেক সময়ে প্রদাহ হয়। এর ফলেও এমন কষ্ট হয় যেটাকে অনেকে হার্ট অ্যাটাকের কষ্ট বলে মনে করে বসেন।
5. অতিরিক্ত মিউকাস
অ্যাজমার সঙ্গে আমরা অল্পবিস্তর সকলেই পরিচিত। এই রোগটিতে আমাদের শ্বাসযন্ত্রের এয়ারওয়েজগুলি সংকীর্ণ হয়ে পড়ে বা ফুলে যায়। এর ফলে সেখানে অতিরিক্ত মিউকাস তৈরি হয় ও তা জমতে থাকে। এর ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কাশি হয়। গলার আওয়াজ ফ্যাঁসফেঁসে হয়ে যায়।
6. 'পেরিকার্ডাইটিস'
'পেরিকার্ডাইটিস' হল এই জাতীয় আর এক ধরনের সমস্যা। আমাদের বুকে কতগুলি 'স্যাক' বা থলি থাকে। এই থলিগুলিতে সংক্রমণ হলে এখানেও প্রদাহ অনুভূত হয়। আর তা থেকে বুকে ব্যথা হয়।

kidney: খিদে কম হচ্ছে, ক্লান্তি লাগছে? সাবধান! বড় ধরনের শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন!অনেক সময়ে শরীরের এমন অংশে ব...
07/06/2022

kidney: খিদে কম হচ্ছে, ক্লান্তি লাগছে? সাবধান! বড় ধরনের শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন!

অনেক সময়ে শরীরের এমন অংশে ব্যথা হয়, যা থেকে অনুমান করা কঠিন আসল সমস্যা কোথায়! ফলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া ছাড়া গত্যন্তর থাকে না।
কিডনি ফেলিওর ঘটলে একজন মানুষের জীবন অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে বাঁধা পড়ে। তিনি আগের মতো জীবন যাপন করতে পারেন না। কিডনি মানবদেহের অতি বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ এক অঙ্গ। এটি আমাদের শরীরে ফিল্টারের মতো কাজ করে। তাই কিডনির যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।

জানেন, কিডনি ফেলিওরের কারণে শরীরের কোন অংশে ব্যথা হয়?
কিডনির জন্য পরম যত্ন প্রয়োজন। কিডনি শরীরে পটাশিয়াম, লবণের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে। কিডনির প্রধান কাজ হল লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করা। কোনো কারণে যদি কোনো ব্যক্তির একটি কিডনি নষ্ট হয়ে যায়, তা হলে তাঁকে খুবই সঙ্কটে পড়তে হয়। অপর একটি কিডনির সাহায্যে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে গেলে সেই ব্যক্তিকে পরবর্তী কালে নিজের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হতে হয়।

কিডনির ব্যর্থতার প্রাথমিক লক্ষণ:
যদি আপনার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে প্রথমেই যেটা হবে সেটা হল আপনার খিদে কম হবে। যা আপনার বডি ওয়েট কমিয়ে দেবে, পা ফোলা এবং ত্বকে শুষ্কতার সঙ্কট টেনে আনবে এবং চুলকানির সমস্যার জন্ম দেবে। এছাড়াও সব সময় দুর্বল লাগবে, ক্লান্তি বোধ হবে। পাশাপাশি ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যাও দেখা দেবে।

ফলে এরকম ঘটলে আগে সাবধান হন।

রক্তের গ্রূপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা || Details Of Blood Group                                 BLOOD GROUPরক্তের Group...
19/05/2022

রক্তের গ্রূপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা || Details Of Blood Group

BLOOD GROUP
রক্তের Group সম্পর্কে অনেকেরই বিভিন্ন ভুল ধারণা রয়েছে,সেই জন্যই আমাদের এই আলোচনা বা বর্ণনা।
রক্ত যে শরীরের জন্য কতটা উপযোগী আমরা তা সবাই জানি।তবে প্রতিজনের বা প্রত্যেকের রক্তের Group এক নয়।যদি কোনো ব্যক্তিকে তার রক্তের Group অনুযায়ী রক্ত না দেওয়া হয় তাহলে সেই ব্যক্তির বিভিন্ন অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেবে এবং তিনি মারা যাবেন।

এবার আসল কথায় আসি।
রক্তের Group সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বিজ্ঞানী Karl Landsteiner ,1900 খ্রিস্টাব্দে।
Karl Landsteiner
কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার Austria তে 14 জুন,1868 সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২6 শে জুন,1943 সালে পরলোক গমন করেন।

তিনি ছিলেন একজন অস্ট্রিয়ান জীববিজ্ঞানী(Austrian biologist),চিকিৎসক (physician) এবং immunologist ।

তিনি 1900 সালে রক্তের গ্রূপকে বিশিষ্ট করেন। 1909 সালে পোলিও ভাইরাস আবিষ্কার করেন। তিনি 19২6 সালে অ্যারোনসন পুরস্কার পান। 1930 সালে তিনি ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

রক্তের মধ্যে দুই ধরনের কণিকা থাকে।যথা :-
1.লোহিত রক্ত কণিকা (Red Blood Corpusels) এবং
2.শ্বেত রক্ত কণিকা (White Blood Corpusels)

আমরা 'Corpusels'-কে 'Cell' থাকি,কিন্তু আসলে এটা Cell না Corpusels

আমাদের রক্তের রং লাল হয়। কারণ, আমাদের রক্তে হিমোগ্লোবিন নামক উপাদান থাকার জন্য।

রক্ত প্রধানত আট ধরণের হয়ে থাকে,অর্থাৎ রক্তের প্রধানত আটটি গ্রূপ আছে।
যথা :- 1. A+
2. B+
3. A-
4. B-
5. AB+
6. AB-
7. O+
8. O-
Ag A ( Antigen Alfa), Ag B (Antigen Bita) এবং Rh (Rhesus) এই তিনটি উপাদান পরীক্ষার মাধ্যমে Blood Group নির্ণয় করা হয়।

নিম্নে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেওয়া হলো :-

Ag A. Ag B. Rh Blood Group

1. √ √ √ AB+
2. √ √ × AB-
3. √ × √ A+
4. √ × × A-
5. × √ √ B+
6. × √ × B-
7. × × √ O+
8. × × × O-
★ যাদের Blood Group 'O-' তারা প্রত্যেককেই রক্ত দিতে পারে।অর্থাৎ এই ব্যক্তিরা প্রত্যেক ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারবে।

★ আর যাদের Blood Group 'AB+' তারা প্রত্যেকের কাছ থেকেই রক্ত নিতে পারে।অর্থাৎ এই ব্যক্তিরা প্রত্যেকের (A+,A-,AB+ etc) কাছ থেকেই রক্ত নিতে পারবে।

Important Notice :- রক্ত পরীক্ষা বা Blood Test সঠিক ভাবে করা প্রয়োজন।কারণ একটা ব্যক্তির জন্মের সময়েও যে Blood Group থাকবে আর তার মৃত্যু পর্যন্তও সেই একই Blood Group থাকবে।
তাছাড়া,ধরুন কোনো ব্যক্তির Blood Group A+ আর তাকে যদি A- রক্ত দিয়ে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তি মারা যাবে।

■ একটি বিশেষ তথ্য :-
মায়ের রক্তের গ্রূপ A+ আর বাবার B+ ।এদের মিলনের ফলে যে সন্তান সৃষ্টি হবে তার রক্তের গ্রূপ(Blood Group) যদি মায়ের বিপরীত যেমন B+ হয়,তাহলে প্রথম সন্তান যেটা জন্মগ্রহণ করবে সে ঠিক থাকবে।কিন্তু দ্বিতীয় বারে সেই একই জিনিস হলে সেই সন্তানটি তার মাতৃগর্ভে বা জন্মগ্রহণের সময়ই মারা যাবে।

তবে এখন আমাদের এই উন্নত বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার মাধ্যমে একটা ইনজেকশন তৈরি করা হয়েছে।যেটার দ্বারা বাচ্ছাটিকে সুস্থ রাখা যাবে।সেই ইঞ্জেকশনটার নাম হলো -"Rhogam"...

Paracetamol: জ্বর হলেই খান Paracetamol? অজান্তেই ক্ষতি করছেন নিজের শরীরের!Paracetamol-র অত্যধিক ব্যবহারের কারণে যে ক্ষতি...
19/05/2022

Paracetamol: জ্বর হলেই খান Paracetamol? অজান্তেই ক্ষতি করছেন নিজের শরীরের!
Paracetamol-র অত্যধিক ব্যবহারের কারণে যে ক্ষতি হয় তা হেপাটাইটিস, ক্যান্সার এবং সিরোসিসের রোগীদের শারীরিক ক্ষতির মতোই। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রির কোনও সম্ভাবনা নেই।

আমরা বিভিন্ন সময় শুনেছি কোনও কিছুই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ভালো নয়। প্রয়জনের তুলনায় বেশি কিছু হলে তা আসলে সকলের ক্ষতি করে। ওষুধের ক্ষেত্রেও এই কথা সত্যি।

সাধারণত প্যারাসিটামল এমন একটি ওষুধ যা ভারতে কোনও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই সাধারণ মানুষ ব্যবহার করে। জ্বর হলে সাধারণ মানুষ নিজেরাই এই ওষুধ খান। এখানেই সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার বলে জানানো হচ্ছে। খুব বেশি মাত্রায় অথবা অসাবধানে এই ওষুধ খেলে তা বিভিন্নভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, প্যারাসিটামল জ্বর এবং শরীরের ব্যথা কমাতে কার্যকর হলেও এর ডাবল ডোজ খাওয়া উচিত নয়। ডবল ডোজের ফলে কিডনি এবং যকৃতের ক্ষতির সম্ভাবন বৃদ্ধি পায় বলে জানা গেছে।
প্যারাসিটামল জ্বর এবং ব্যথার চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি সাধারণ এবং সস্তা ওষুধ। কিন্তু এর ডোজ সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে ডাক্তারদের তরফে। তাদের মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের ৫০০ মিলিগ্রাম প্যারাসিটামলের একটি অথবা দুটি ট্যাবলেট দিনে চারবার দেওয়া যেতে পারে। এর বেশি ওষুধ শরীরের ক্ষতি করতে পারে।

ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস জানিয়েছে প্যারাসিটামলের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ফলাফল আরও মারাত্মক হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায়, মানুষ ও ইঁদুরের লিভারের কোষে প্যারাসিটামলের প্রভাবের বিষয় গবেষণা করা হয়। দেকাহ গেছে যে লিভারের উপর এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এটি অঙ্গে উপস্থিত কোষগুলির মধ্যে কাঠামোগত সংযোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

Address

Dhaka Medical College & Hospital
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medical Pathology - মেডিকেল প্যাথলজি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medical Pathology - মেডিকেল প্যাথলজি:

Share