Biplob Hira

Biplob Hira হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে, শিখতে ও যেকোনো রোগের চিকিৎসা নিতে পেজটিকে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।

01/05/2026
ডায়াবেটিস মানেই সব শেষ না — এবার শুরু হোক নতুন করে!ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অনেক সময় ইনসুলিন দিয়ে ট্রিটমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ...
22/04/2026

ডায়াবেটিস মানেই সব শেষ না — এবার শুরু হোক নতুন করে!

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অনেক সময় ইনসুলিন দিয়ে ট্রিটমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ হলেও মূল যুদ্ধটা জয় করতে হলে দরকার বডি ফ্যাট কমানো ও মাসল বিল্ডিং!

অনেক সময় দেখা যায়, ইনসুলিন নেওয়ার পরেও রক্তে গ্লুকোজ কমছে না। তখন ডোজ বাড়ানো হয় — কিন্তু জানেন কি, এতে সাময়িক সুফল হলেও ভবিষ্যতে তা বিপদ ডেকে আনে!

বাড়তি গ্লুকোজ শরীর এমনসব জায়গায় জমে, যেখানে গ্লুকোজ বা ফ্যাট জমার কথা না — যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে গড়ায়।

বাংলাদেশিদের বডি ফ্রেম ছোট, লিন মাসল কম — তাই আরও বেশি সতর্ক হতে হবে আমাদের।
সারা বিশ্বের অসংখ্য রিসার্চ বলছে —
ফ্যাট লস = ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ানো

যার ফলে,
৩৫% বডি ফ্যাট থাকা একজনের দিনে ৫০ ইউনিট ইনসুলিন লাগলেও
৩০% ফ্যাটে চলে এলে অনেক কম ইনসুলিনেই গ্লুকোজ কন্ট্রোলে আসবে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে

06/03/2026

👩‍🎤 #ওষুধ খেয়ে রোগ বেড়ে গেলে করণীয় কি দেখুনঃ-(প্রথম পর্ব)

💁‍♂ #ডাঃকেন্টের বারোটি পর্যবেক্ষণ
ডঃ জে. টি. কেন্টের বারোটি পর্যবেক্ষণ হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত একটি চিকিৎসাগত নির্দেশিকা। একটি সুনির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগ করার পর, চিকিৎসককে অবশ্যই রোগীর অবস্থার পরিবর্তনগুলো সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। এই পর্যবেক্ষণগুলি চিকিৎসককে ঔষধের ক্রিয়া বুঝতে, রোগীর জীবনীশক্তি মূল্যায়ন করতে, রোগের ভবিষ্যৎ (প্রোগনোসিস) নির্ধারণ করতে (অর্থাৎ রোগী আরোগ্যের পথে আছে কি না), এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে যেমন, অপেক্ষা করতে হবে, ঔষধের মাত্রা পুনরাবৃত্তি করতে হবে, শক্তি (পোটেন্সি) পরিবর্তন করতে হবে, নাকি নতুন একটি ঔষধ নির্বাচন করতে হবে।

💁‍♂ #কেন্টের দ্বাদশ পর্যবেক্ষণ
এখানে ডঃ জে. টি. কেন্টের বারোটি পর্যবেক্ষণ, তাদের ব্যাখ্যা, আরোগ্য সম্ভাবনা এবং চিকিৎসকের করণীয় সহ দেওয়া হলো।

১. #দীর্ঘকালব্যাপী বৃদ্ধি এবং অবশেষে রোগীর অবস্থার অবনতি

💁‍♂ #পর্যবেক্ষণ:
ঔষধ সেবনের পর রোগীর লক্ষণগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বাড়তে থাকে এবং তারপর তার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে শুরু করে।

💁‍♂ #আরোগ্য সম্ভাবনা:
প্রতিকূল। এটি নির্দেশ করে যে জীবনীশক্তি আরোগ্য লাভের মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। রোগটি সম্ভবত আরোগ্য অযোগ্য এবং সঠিকভাবে নির্বাচিত ঔষধটিও রোগীর অবস্থাকে দ্রুত খারাপের দিকে নিয়ে গেছে।

💁‍♂ #করণীয়:
রোগটি সম্ভবত আরোগ্য অযোগ্য। রোগীর কষ্ট লাঘবের জন্য প্রতিষেধক (Antidote) প্রয়োজন হতে পারে।
উপশমমূলক চিকিৎসার উপর জোর দিতে হবে।

২. #দীর্ঘ বৃদ্ধি কিন্তু অবশেষে ধীর উন্নতি
পর্যবেক্ষণ: রোগী লক্ষণগুলির একটি উল্লেখযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী বৃদ্ধি অনুভব করে, কিন্তু অবশেষে একটি ধীর ও স্থির উন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

💁‍♂ #আরোগ্য সম্ভাবনা:
অনুকূল, তবে আরোগ্য ধীরে হবে। এটি প্রায়শই গভীর ও পুরাতন রোগে ঘটে যেখানে শারীরিক ক্ষতি অনেক বেশি, কিন্তু জীবনীশক্তি প্রতিক্রিয়া করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী।

💁‍♂ #করণীয়:
ঔষধের পুনরাবৃত্তি করবেন না। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। ঔষধটি গভীরভাবে কাজ করছে।

৩. #দ্রুত, স্বল্পস্থায়ী ও শক্তিশালী বৃদ্ধি এবং এরপর দ্রুত উন্নতি

💁‍♂ #পর্যবেক্ষণ:
ঔষধ সেবনের পরেই বর্তমান লক্ষণগুলির একটি সংক্ষিপ্ত এবং তীব্র বৃদ্ধি ঘটে, যার পরে রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যে দ্রুত এবং লক্ষণীয় উন্নতি হয়। এটিই ক্লাসিক "হোমিওপ্যাথিক বৃদ্ধি"।

💁‍♂ #আরোগ্য সম্ভাবনা:
অত্যন্ত অনুকূল। এটি সবচেয়ে আকাঙিক্ষত প্রতিক্রিয়া। এটি দেখায় যে ঔষধটি নিখুঁত সদৃশ (Similimum) এবং জীবনীশক্তি শক্তিশালী।

💁‍♂ #করণীয়:
হস্তক্ষেপ করবেন না। ঔষধের পুনরাবৃত্তি করবেন না। আরোগ্য প্রক্রিয়া চলছে।

৪. #কোন প্রকার বৃদ্ধি ছাড়াই রোগীর আরোগ্য লাভ।

💁‍♂ #পর্যবেক্ষণ:
ঔষধ সেবনের সাথে সাথেই রোগী উন্নতি করতে শুরু করে, লক্ষণগুলির কোনো লক্ষণীয় বৃদ্ধি ছাড়াই।

💁‍♂ #আরোগ্য সম্ভাবনা:
অত্যন্ত অনুকূল। এটি সাধারণত তরুণ রোগে বা পুরাতন রোগে ঘটে যেখানে ঔষধ এবং শক্তি (Potency) রোগীর অবস্থার সাথে নিখুঁতভাবে মিলে গেছে।

💁‍♂ #করণীয়:
ঔষধের পুনরাবৃত্তি করবেন না। আরোগ্য প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্নে চলতে দিন।

৫. #প্রথমে উপশম এবং পরে বৃদ্ধি।

💁‍♂ #পর্যবেক্ষণ:
রোগী অল্প সময়ের জন্য ভালো বোধ করে, কিন্তু তারপরে মূল লক্ষণগুলি ফিরে আসে এবং আরও খারাপ হয়।

💁‍♂ #আরোগ্য সম্ভাবনা:
প্রতিকূল। ঔষধটি প্রকৃত সদৃশ ছিল না; এটি কেবল একটি উপরিভাগের ঔষধ ছিল যা লক্ষণগুলিকে সাময়িকভাবে উপশম বা চাপা (Suppress) দিয়েছে। রোগী এখন আরও খারাপ অবস্থায় আছে।

💁‍♂ #করণীয়:
কেসটি অবশ্যই সাবধানে পুনরায় গ্রহণ করতে হবে। প্রথম ব্যবস্থাপত্রটি একটি ভুল ছিল। একটি নতুন, আরও উপযুক্ত ঔষধ খুঁজে বের করতে হবে।

৬. #লক্ষণের অতি স্বল্পস্থায়ী উপশম
পর্যবেক্ষণ: রোগী ভালো বোধ করে, কিন্তু উন্নতি খুব অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়।

💁‍♂ #আরোগ্য সম্ভাবনা:
অনিশ্চিত। এর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে:

💁‍♂ #আরোগ্য অযোগ্য রোগ:
মারাত্মক প্যাথলজিতে, ঔষধ শুধুমাত্র অস্থায়ী উপশম দিতে পারে।

💁‍♂ #আরোগ্যের পথে বাধা:
রোগীর জীবনযাত্রার কিছু অভ্যাস (যেমন, কফি, ভুল খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ) ঔষধের ক্রিয়াকে নষ্ট করে দিতে পারে।

💁‍♂ #ভুল শক্তি: গভীর পুরাতন রোগের জন্য নির্বাচিত শক্তি (Potency) খুব কম হতে পারে।

💁‍♂ #করণীয়: আরোগ্যের পথে কোনো বাধা আছে কিনা তা অনুসন্ধান করুন। যদি না পাওয়া যায়, তবে উচ্চতর শক্তিতে ঔষধ পুনরাবৃত্তির কথা বিবেচনা করুন।

🛑 দাঁতে যন্ত্রণার হোমিও ঔষধ 🛑⛔Chamomilla   – অসহ্য ব্যথা, শিশুরা বেশি কাঁদে     – ব্যথার সাথে খিটখিটে মেজাজ     – গরমে ব...
26/02/2026

🛑 দাঁতে যন্ত্রণার হোমিও ঔষধ 🛑

⛔Chamomilla
– অসহ্য ব্যথা, শিশুরা বেশি কাঁদে
– ব্যথার সাথে খিটখিটে মেজাজ
– গরমে বা গরম জিনিসে আরাম পায়

⛔Belladonna
– হঠাৎ তীব্র ব্যথা, মুখের এক পাশে লাল হয়ে যায়
– স্পর্শ করলে ব্যথা বাড়ে
– ধকধক বা স্পন্দিত ব্যথা

⛔Mercurius Solubilis
– দাঁত নাড়া দেয়, মাড়ি ফুলে যায়
– মুখে দুর্গন্ধ, লালা ঝরে
– গরম-ঠান্ডা দুটোতেই খারাপ লাগে

⛔Hepar Sulph
– পচা দাঁতে সংক্রমণ হয়ে ব্যথা
– ঠান্ডা হাওয়ায় বা পানিতে ব্যথা বাড়ে
– খুব স্পর্শকাতর

⛔Plantago Major
– দাঁত থেকে কান পর্যন্ত ব্যথা ছড়ায়
– ঠান্ডা পানিতে সংবেদনশীলতা

⛔Staphysagria
– দাঁত ভেঙে যাওয়া বা ক্যাভিটি থেকে ব্যথা
– রাতে অথবা খাবার চিবালে ব্যথা বাড়ে।রোগীর মাঝে কাম এবং ক্রোধ দুটোই সমানভাবে কাজ করে।

⛔ Kreosote
শিশুদের দুধ দাঁত ক্ষয়ে যায়।শিশু প্রচন্ড রাগী। এর মাদার টিংচার দাঁতের গোড়ায় লাগিয়ে সুফল পাওয়া যায়।

20/02/2026

[[ কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের তরুণ রোগের লক্ষণ ]]
===============================
>> জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, পেটের গোলমাল,ইত্যাদি, রোগ যাই হোক না কেন যদি দেখেন -----জিভটা পুরো মোটা সাদা কোটিং, যেন মোটা দুধের সর লেপে দেওয়া----- চোখ বন্ধ করেই এন্টিম ক্রুড দিবেন। ৩০ কয়েকটি ডোজ, না হলে ২০০, ২ ডোজ।

>> রোগ যাই হোক না কেন---- জিভটা যদি
পরিষ্কার এবং লাল টকটকে থাকে, সাথে non stopping বমি বমি ভাব, পানি পিপাসা নেই,-----চোখ বন্ধ করে ইপিকাক দিবেন।

>> ডায়েরিয়া, ডিসেন্ট্রি, পেটের গন্ডগোল, ঘা পাঁচড়া, শুকাচ্ছে না , জিভ ভিজা, মোটা, থলথলে, পাশে দাঁতের দাগ, মুখ দিয়ে লালা গড়িয়ে পড়ছে, পিপাসা বেশি, ----- মার্ক সল,

>>ব্লাড ডিসেন্ট্রী, যার আসল নাম - ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রী, ---মার্ক সলের মতন সব সিমপটমস আছে , কিন্তু মলে রক্তের পরিমান খু্ব বেশী ----- মার্ক কর,

>> বাচ্চাদের বা বড়দেরও----পাতলা পায়খানা, বা ডায়েরিয়া, বা ডিসেন্ট্রি , বা সামান্য জ্বরেও পায়খানাতে অসম্ভব পচা গন্ধ , মুখে অসম্ভব পচা গন্ধ, জিভে ঘা, জিভ বের করলে মুখের গন্ধে পাশে থাকা যাচ্ছে না, --- চোখ বন্ধ করে ব্যাপটিসিয়া ,

>> যেখানেই আঘাত লাগুক না কেন, সর্বপ্রথমেই আর্নিকা ৬, বা ৩০, বা ২০০,

>> অার্নিকা দেওয়ার কয়েকদিন পরে মাংসপেশীর ব্যথা কমে গেল, কিন্তু তারপরে হাড়ের মধ্যে ব্যথা অনুভব করলে ----রুটা ৬ বা ৩০, আর তাতেও পুরোপুরি না গেলে কিছুদিন পরে সিমফাইটম ৬ বা ৩০,

>> চোখের মধ্যে যে কোন আঘাতে যদি খোঁচা লেগে হয়--- লিডাম, অার যদি খোঁচা না লেগে অন্যভাবে অাঘাত লাগে, তাহলে ----সিমফাইটাম,

>> জ্বরে, বা মাথাব্যথায় চোখ মুখ লাল দেখাচ্ছে, হাসিখুশি আমোদের বাচ্চা ছিল, কিন্তু এখন কি রকম ভীত-সন্ত্রস্ত, ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাচ্ছে---- বেলেডোনা,

>> হঠাৎ ফিটের রোগে বা অন্য যে কোন কারনে অজ্ঞান হয়ে গেলে অর্থাৎ সেন্সলেস হয়ে পড়ে গেলে সেই অচৈতন্য রোগীকে দুই ভ্রুর উপরে কপালে বাইরে থেকে ভিতরের দিকে দুটো বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে জোরের চাপবেন দেখবেন --- রোগী সাথে সাথে লাফিয়ে উঠবে, এবং তার জ্ঞান ফিরে আসবে। আর যদি সম্ভব হয় এমিল নাইট্রেট মাদার হ্যাপকো বা জার্মান কোম্পানির কিনে রাখতে হবে৷। দাম বেশী। আলোতে নষ্ট হয়। দেখবেন কোম্পানি থেকে যখন ওষুধটা কিনবেন ভালো করে লাইট না লাগে সেইরকম কাগজে মুড়িয়ে দেবে। ১০ মিলি কিনে রাখলেই হবে। একটু তুলাতে ২/৩ ফোঁটা লাগিয়ে নাকে ধরবেন, দেখবেন রোগী লাফিয়ে উঠে পড়বে।

>> যে কোন এ্যাপেনডিক্সের ব্যথা মনে হলে , অর্থাৎ নীচ পেটের ডান দিকে, বা নাভি বরাবর মাঝখানে ব্যথা হলে, প্রথম ঔষধ ---- আর্নিকা, অর্থাৎ সর্বপ্রথম আর্নিকা প্রেসক্রিপশন করবেন । কারন মনে করতে হবে , বাচ্চা লাফালাফি বা খেলাধুলা করতে গিয়ে বা দুই বাচ্চাতে মারামারি করতে গিয়ে তলপেটে আঘাত লেগে থেকে হতে পারে । নরেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় লেখা আছে---- অ্যাপেন্ডিসাইটিসের তরুণ অবস্থায় আর্নিকা খুবই ভালো, তারপর রোগীর চরিত্র মিলাইয়া ধাতুগত দোষের চিকিৎসা করাই সমুচিত ।

>> যে কোন খিঁচুনি, বা তড়কায় , হাত পায়ের আঙুলগুলি যদি ভিতরের দিকে ঢুকে যায় ----কুপ্রাম মেট,

>> যে কোনো খিঁচুনি, বা তড়কায় রোগী যদি একবার এদিক, একবার ওদিক, একবার মাথাটা সামনে, একবার মাথাটা পিছনদিকে নিয়ে যাচছে , শরীর একেবারে বাঁকিয়ে চুরিয়ে ফেলছে---- সিকুটা ভিরসা,

>> পেট ব্যাথা পিছনে হেলে বসলে বা শুয়ে থাকলে যদি কমে ---- ডায়োস্কোরিয়া , হাই পোটেনসি দিতে হবে।

>> পেটব্যথা সামনে ঝুঁকে বসলে কমলে কলোসিন্থ , 30, 200 তে কমবে না, হাই পোটেনসি দিতে হবে 10 M, 50 M, C M.

>> পেট ব্যথায় কি করবে বুঝে পাচ্ছে না,পাগলের মতন একবার এদিক, একবার ওদিক, একবার হাত তুলছে, একবার পা তুলছে, একবার একটা পা ভাঁজ করছে, অন্য পা ছড়িয়ে দিচ্ছে, ইত্যাদি ---- ইংরেজিতে বলা হয় বিজার পোশচার , ----প্লাম্বাম মেটালিকাম ,

>> অন্য সময় হয় না, কিন্তু খিঁচুনি বা তড়কার সময় মুখ দিয়ে খুব লালা বের হলে --- ওনেন্থা ক্রোকেটা,

>> রাতের পর রাত জাগার পর থেকে যে কোন রোগ হলে ----ককুলাস ইন্ডিকা, অন্য ২/১ টি সিমপটমস দেখতে হবে, কারন নাক্স ভমও অাছে।

>> ছেলেদের অন্ডকোষে কোনরকম আঘাত লাগলে প্রথম ঔষধ--- কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম।

>>মেয়েদের ব্রেস্টে কোন রকম আঘাত লাগলে প্রথম ওষুধ --- বেলিস পেরেনিস, পরে জায়গাটা যদি শক্ত হয়ে যায়, তাহলে--- কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম।

>> বাচ্চার তড়কা, জ্বর, খিঁচুনি, পেট খারাপ, ইত্যাদি হলে --- জানতে হবে এসব আরম্ভ হওয়ার আগে তার মা কারো সাথে খুব ঝগড়া গন্ডগোল করেছিল কি না, আর সেরকম কিছু করার পরে তাঁকে বুকের দুধ দিয়েছিল কি না, আর তারপর থেকে এইসব উপসর্গ দেখা দিয়েছে কি না, যদি তাই হয়, তাহলে বাচ্চার মাকে দিতে হবে ---ক্যামোমিলা।

🎍জরুরী ২০টি ঘরোয়া হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত লক্ষন।শেয়ার করে রেখে দিন কাজে দিবেই। 🌿 Aconitum napellus (অ্যাকোনাইট)১. হঠাৎ শুর...
30/01/2026

🎍জরুরী ২০টি ঘরোয়া হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত লক্ষন।শেয়ার করে রেখে দিন কাজে দিবেই।
🌿 Aconitum napellus (অ্যাকোনাইট)
১. হঠাৎ শুরু হওয়া রোগে প্রথম মনে আসে।
২. শীতল শুকনো বাতাসে আক্রান্ত হলে।
৩. জ্বর খুব দ্রুত ওঠে।
৪. ত্বক শুষ্ক ও গরম।
৫. প্রবল অস্থিরতা।
৬. তীব্র মৃত্যুভয়।
৭. ভয় পেলে উপসর্গ বাড়ে।
৮. মাঝরাতে রোগ শুরু।
৯. মাথাব্যথা তীব্র।
১০. মুখ শুকনো।
১১. তৃষ্ণা থাকে।
১২. হার্টবিট দ্রুত।
১৩. দুশ্চিন্তা প্রবল।
১৪. আলো সহ্য হয় না।
১৫. শব্দে বিরক্ত।
১৬. ঠান্ডা লাগার পর।
১৭. শক অবস্থায় উপকারী।
১৮. হঠাৎ আতঙ্কে।
১৯. শিশুদের তীব্র জ্বর।
২০. জরুরি অবস্থার ঔষধ।

🪴 Belladonna (বেলাডোনা)
১. হঠাৎ তীব্র জ্বর।
২. মুখ লাল টকটকে।
৩. চোখ উজ্জ্বল।
৪. মাথা খুব গরম।
৫. ধকধক ব্যথা।
৬. আলোতে কষ্ট।
৭. শব্দ অপছন্দ।
৮. গলা শুকনো।
৯. গিলতে কষ্ট।
১০. হঠাৎ ঘাম।
১১. ঠান্ডা সহ্য হয় না।
১২. ছটফট করে।
১৩. বিভ্রম দেখা।
১৪. শিশুদের জ্বর।
১৫. রাতের দিকে বাড়ে।
১৬. গরমে কষ্ট।
১৭. প্রদাহে কার্যকর।
১৮. চোখ লাল।
১৯. স্পন্দনযুক্ত ব্যথা।
২০. দ্রুত কাজ করে।

🎋 Bryonia alba (ব্রায়োনিয়া)
১. ধীরে শুরু রোগ।
২. নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে।
৩. সম্পূর্ণ বিশ্রাম চায়।
৪. চুপচাপ থাকতে চায়।
৫. কথা অপছন্দ।
৬. মুখ শুকনো।
৭. তীব্র তৃষ্ণা।
৮. একবারে বেশি পানি।
৯. গরমে বাড়ে।
১০. কোষ্ঠকাঠিন্য।
১১. মাথাব্যথা নড়াচড়ায়।
১২. শুষ্ক কাশি।
১৩. বুকে চাপ।
১৪. রাগী স্বভাব।
১৫. রাতে ব্যথা।
১৬. ঠান্ডায় আরাম।
১৭. ফুসফুসে উপকারী।
১৮. জয়েন্ট পেইন।
১৯. পানি না পেলে অস্থির।
২০. শুষ্ক প্রকৃতি।

🌿 Arnica montana (আর্নিকা)
১. আঘাতের প্রথম ঔষধ।
২. পড়ে গেলে।
৩. মারধরের পর।
৪. শরীর ব্যথা।
৫. বিছানা শক্ত লাগে।
৬. বলে আমি ভালো আছি।
৭. স্পর্শ অপছন্দ।
৮. নীলচে দাগ।
৯. রক্তক্ষরণ।
১০. অপারেশনের পর।
১১. ভাঙাভাব।
১২. ঘুম অস্থির।
১৩. শক অবস্থা।
১৪. মানসিক ট্রমা।
১৫. মাথায় আঘাত।
১৬. দাঁতের চিকিৎসার পর।
১৭. পেশির ব্যথা।
১৮. খেলাধুলার আঘাত।
১৯. দুর্ঘটনা পরবর্তী।
২০. জরুরি প্রয়োজনে অপরিহার্য।

🪴 Rhus toxicodendron (রাস টক্স)
১. ভেজা ঠান্ডায় অসুখ।
২. শুরুতে নড়াচড়ায় ব্যথা।
৩. চললে আরাম।
৪. বিশ্রামে কষ্ট।
৫. জয়েন্ট শক্ত।
৬. পিঠ ব্যথা।
৭. রাতে বাড়ে।
৮. ঠান্ডায় খারাপ।
৯. গরমে ভালো।
১০. ফুসকুড়ি।
১১. চুলকানি।
১২. স্যাঁতসেঁতে সমস্যা।
১৩. ঘুম ভাঙে ব্যথায়।
১৪. পেশির টান।
১৫. বাতব্যথা।
১৬. ফ্লুর পর।
১৭. স্টিফনেস প্রধান।
১৮. সকালে বেশি।
১৯. হাঁটলে উন্নতি।
২০. ভেজা কাপড়ে বসলে বাড়ে।

🎋 Nux vomica (নাক্স ভমিকা)
১. অতিরিক্ত কাজের পর।
২. মানসিক চাপ।
৩. রাগী স্বভাব।
৪. সামান্য শব্দে বিরক্ত।
৫. বদহজম।
৬. গ্যাস।
৭. কোষ্ঠকাঠিন্য।
৮. ঘুম কম।
৯. ঠান্ডায় কষ্ট।
১০. গরমে কিছু আরাম।
১১. সকালে খারাপ।
১২. রাতে জাগে।
১৩. কফি-পছন্দ।
১৪. অতিরিক্ত ওষুধে।
১৫. অফিসকর্মীদের জন্য।
১৬. অলসতা নেই।
17. তাড়াহুড়া স্বভাব।
১৮. হজমে সমস্যা।
১৯. মাথাব্যথা।
২০. জরুরি মানসিক ক্লান্তিতে।

🌿 Pulsatilla nigricans (পালসাটিলা)
১. নরম স্বভাব।
২. কাঁদুক প্রকৃতি।
৩. সান্ত্বনায় ভালো।
৪. একা থাকতে চায় না।
৫. গরমে কষ্ট।
৬. ঠান্ডা বাতাসে আরাম।
৭. তৃষ্ণা কম।
৮. পরিবর্তনশীল উপসর্গ।
৯. হরমোনজনিত সমস্যা।
১০. শিশু ও নারী উপযোগী।
১১. রাতে কষ্ট।
১২. দিনে কমে।
১৩. হজম দুর্বল।
১৪. তেল-চর্বিতে সমস্যা।
১৫. মাথাব্যথা।
১৬. বন্ধ নাক।
১৭. স্রাব ঘন।
১৮. আবেগপ্রবণ।
১৯. লাজুক স্বভাব।
২০. সান্ত্বনায় আরাম।

🪴 Apis mellifica (এপিস)
১. হঠাৎ ফোলা।
২. লালচে রং।
৩. জ্বালাপোড়া।
৪. মৌমাছির কামড়ের মতো।
৫. ঠান্ডায় আরাম।
৬. গরমে কষ্ট।
৭. পানি চায় না।
৮. ফোলা শক্ত।
৯. চোখ ফোলা।
১০. এলার্জিতে উপকারী।
১১. হঠাৎ প্রদাহ।
১২. ত্বক টানটান।
১৩. স্পর্শে ব্যথা।
১৪. ঘাম কম।
১৫. জ্বরের সাথে ফোলা।
১৬. প্রস্রাব কম।
১৭. নারীদের সমস্যা।
১৮. গলা ফোলা।
১৯. দ্রুত কাজ করে।
২০. জরুরি এলার্জিতে।

🎋 Arsenicum album (আর্সেনিকাম)
১. প্রচণ্ড দুর্বলতা।
২. অস্থিরতা।
৩. মৃত্যু ভয়।
৪. রাতের দিকে বাড়ে।
৫. ঠান্ডা লাগা।
৬. গরমে আরাম।
৭. অল্প অল্প পানি।
৮. বারবার খেতে চায়।
৯. ডায়রিয়া।
১০. বমি।
১১. পোড়া ব্যথা।
১২. দুশ্চিন্তা।
১৩. একা থাকতে ভয়।
১৪. বিষক্রিয়ায় উপকারী।
১৫. খাদ্য বিষক্রিয়া।
১৬. মানসিক ক্লান্তি।
১৭. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ।
১৮. দ্রুত অবসাদ।
১৯. শীতলতা অনুভব।
২০. জরুরি দুর্বলতায়।

🌿 Gelsemium (জেলসেমিয়াম)
১. ভয় ও দুশ্চিন্তাজনিত অসুখে।
২. পরীক্ষাভীতি।
৩. খারাপ খবরের পর।
৪. শরীর ভারী লাগে।
৫. চোখ খুলে রাখতে কষ্ট।
৬. কাঁপুনি অনুভূতি।
৭. দুর্বলতা প্রধান।
৮. জ্বরের আগে শীত শীত।
৯. তৃষ্ণা কম।
১০. মাথা ঝিমঝিম।
১১. কথা বলতে অনীহা।
১২. একা থাকতে চায়।
১৩. আতঙ্কে প্রস্রাব।
১৪. ঘুম ঘুম ভাব।
১৫. ডায়রিয়ার সাথে ভয়।
১৬. হঠাৎ ভয় পেলে।
১৭. মঞ্চভীতি।
১৮. হাত-পা কাঁপে।
১৯. অলসতা বেশি।
২০. মানসিক চাপের জরুরি ঔষধ।

🪴 Hepar sulphuris (হিপার সালফ)
১. অতিরিক্ত স্পর্শকাতর।
২. সামান্য ঠান্ডায় কষ্ট।
৩. ঠান্ডা বাতাস সহ্য হয় না।
৪. রাগী স্বভাব।
৫. পুঁজযুক্ত সংক্রমণ।
৬. ফোঁড়া হওয়ার প্রবণতা।
৭. গলা ব্যথায় কার্যকর।
৮. কাশি ঠান্ডায় বাড়ে।
৯. গরমে আরাম।
১০. কাপড়েও ব্যথা।
১১. ঘাম বেশি।
১২. রাতে কষ্ট বাড়ে।
১৩. কানে পুঁজ।
১৪. দাঁতের ফোঁড়া।
১৫. চামড়ার সংক্রমণ।
১৬. ইনফেকশনের শুরুতে।
১৭. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট।
১৮. ব্যথা তীব্র।
১৯. শিশুরা বেশি কান্নাকাটি করে।
২০. পুঁজ হওয়ার আগেই উপকারী।

🎋 Mercurius solubilis (মার্ক সল)
১. মুখে দুর্গন্ধ।
২. অতিরিক্ত লালা।
৩. জিহ্বা মোটা।
৪. দাঁতের ছাপ থাকে।
৫. রাতে কষ্ট বাড়ে।
৬. ঠান্ডা ও গরমে দুটোতেই কষ্ট।
৭. ঘাম বেশি।
৮. গলা ব্যথা।
৯. গিলতে কষ্ট।
১০. মুখের ঘা।
১১. মাড়ি ফোলা।
১২. দাঁতের ব্যথা।
১৩. নাক দিয়ে পানি।
১৪. কফ ঘন।
১৫. শিশুর ডায়রিয়া।
১৬. সংক্রমণজনিত জ্বর।
১৭. দুর্বলতা।
১৮. চুলকানি।
১৯. চামড়ায় ফুসকুড়ি।
২০. সংক্রমণের জরুরি ঔষধ।

🌿 Sulphur (সালফার)
১. গরমে কষ্ট।
২. পায়ে জ্বালাপোড়া।
৩. মাথায় গরম অনুভূতি।
৪. ঘুমের সময় পা বের করে।
৫. এলোমেলো স্বভাব।
৬. দাঁড়িয়ে ভাবতে ভালো লাগে।
৭. সকালে দুর্বল।
৮. দুপুরে কিছু ভালো।
৯. ত্বক শুষ্ক।
১০. চুলকানি।
১১. ত্বকে লালভাব।
১২. দীর্ঘদিনের রোগ।
১৩. পরিষ্কার পছন্দ না।
১৪. অহংবোধ।
১৫. চিন্তাশীল।
১৬. পুরোনো অসুখ জাগিয়ে তোলে।
১৭. কোষ্ঠকাঠিন্য।
১৮. গ্যাস।
১৯. হিট সেনসিটিভ।
২০. ক্রনিক রোগে গুরুত্বপূর্ণ।

🪴 Calcarea carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব)
১. সহজে ঠান্ডা লাগে।
২. মাথায় ঘাম।
৩. দুর্বল হজম।
৪. ধীর প্রকৃতি।
৫. মোটা গড়ন।
৬. সহজে ক্লান্ত।
৭. সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট।
৮. দুধ অপছন্দ।
৯. কোষ্ঠকাঠিন্য।
১০. ভয়প্রবণ।
১১. শিশুদের দেরিতে হাঁটা।
১২. হাড় দুর্বল।
১৩. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট।
১৪. দুশ্চিন্তা।
১৫. স্মৃতিশক্তি দুর্বল।
১৬. ঘুম বেশি।
১৭. সকালে অলস।
১৮. ঘাম দুর্গন্ধ।
১৯. দীর্ঘস্থায়ী অসুখে।
২০. পুষ্টিহীনতায় উপকারী।

🎋 Phosphorus (ফসফরাস)
১. বন্ধুসুলভ স্বভাব।
২. একা থাকতে ভয়।
৩. অন্ধকারে ভয়।
৪. বজ্রপাতে ভয়।
৫. ঠান্ডা পানি চায়।
৬. বমি হলেও আবার খেতে চায়।
৭. সহজে রক্তপাত।
৮. নাক দিয়ে রক্ত।
৯. কাশি।
১০. বুকে জ্বালা।
১১. দুর্বল ফুসফুস।
১২. দ্রুত ক্লান্ত।
১৩. আবেগপ্রবণ।
১৪. সান্ত্বনায় আরাম।
১৫. লম্বা গড়ন।
১৬. স্মৃতিশক্তি দুর্বল।
১৭. উদ্বেগ।
১৮. ঘুমে ভয়।
১৯. জ্বলন্ত ব্যথা।
২০. জরুরি রক্তপাত প্রবণতায়।

🌿 Ignatia amara (ইগ্নেশিয়া)
১. মানসিক আঘাত।
২. শোকের পর।
৩. চাপা কান্না।
৪. হঠাৎ হাসি-কান্না।
৫. গলায় ঢোক গিলে কষ্ট।
৬. দীর্ঘশ্বাস।
৭. মুড পরিবর্তন।
৮. মাথাব্যথা।
৯. নিঃসঙ্গতা পছন্দ।
১০. সান্ত্বনা অপছন্দ।
১১. অনিদ্রা।
১২. আবেগপ্রবণ।
১৩. বুক ধড়ফড়।
১৪. খিঁচুনি প্রবণতা।
১৫. নারীদের সমস্যা।
১৬. দুঃখজনিত অসুখ।
১৭. খাবারে অরুচি।
১৮. গ্যাস।
১৯. মন খারাপ।
২০. মানসিক জরুরি ঔষধ।

🪴 Carbo vegetabilis (কার্বোভেজ)
১. চরম দুর্বলতা।
২. ঠান্ডা অনুভূতি।
৩. শরীর ঠান্ডা।
৪. বাতাস চাই।
৫. জানালা খুলতে চায়।
৬. মুখ ফ্যাকাশে।
৭. নীলচে ঠোঁট।
৮. শ্বাসকষ্ট।
৯. গ্যাস।
১০. বদহজম।
১১. অজ্ঞান ভাব।
১২. ডায়রিয়া।
১৩. রক্ত সঞ্চালন দুর্বল।
১৪. বার্ধক্যজনিত সমস্যা।
১৫. অপারেশনের পর।
১৬. অক্সিজেনের অভাব।
১৭. দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।
১৮. খাবারের পর কষ্ট।
১৯. জীবনশক্তি কম।
২০. শেষ মুহূর্তের ঔষধ।

🎋 Natrum muriaticum (নাট মিউর)
১. চাপা দুঃখ।
২. একা কাঁদে।
৩. সান্ত্বনা অপছন্দ।
৪. লবণ পছন্দ।
৫. সূর্যের আলোতে মাথাব্যথা।
৬. আবেগ নিয়ন্ত্রণে।
৭. সম্পর্কের কষ্ট।
৮. স্মৃতিচারণে কষ্ট।
৯. চুপচাপ স্বভাব।
১০. দীর্ঘদিনের দুঃখ।
১১. ত্বক শুষ্ক।
১২. ঠোঁট ফাটা।
১৩. নাক দিয়ে পানি।
১৪. দুর্বলতা।
১৫. ঘুমের সমস্যা।
১৬. মানসিক চাপ।
১৭. আত্মসম্মানবোধ।
১৮. পুরোনো স্মৃতি আঁকড়ে ধরা।
১৯. বিষণ্ণতা।
২০. নীরব কষ্টের ঔষধ।

🪴 Thuja occidentalis (থুজা)
১. আঁচিল প্রবণতা।
২. চামড়ায় বৃদ্ধি।
৩. টিকা-পরবর্তী সমস্যা।
৪. লুকানো দুশ্চিন্তা।
৫. নিজের সম্পর্কে অপরাধবোধ।
৬. গোপন কষ্ট।
৭. ঘাম দুর্গন্ধ।
৮. মাথার ত্বকে সমস্যা।
৯. তেলতেলে চামড়া।
১০. কাঁধ ব্যথা।
১১. মলমূত্রে সমস্যা।
১২. প্রস্রাবে জ্বালা।
১৩. যৌন দুর্বলতা।
১৪. স্বপ্নে ভয়।
১৫. মানসিক চাপ।
১৬. গোপন রোগ।
১৭. দীর্ঘস্থায়ী চামড়ার অসুখ।
১৮. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
১৯. ইমিউন দুর্বলতা।
২০. গভীর স্তরের ঔষধ।

জিহ্বা দেখে হোমিওপ্যাথিক সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ🛑 জিহ্বা পরিস্কারঃ ইপিকাক,সিনা ৷🛑 জিহ্বা হলুদ বর্ণঃলাইকোপোডিয়াম,রাসটক্স,মার্ক...
28/01/2026

জিহ্বা দেখে হোমিওপ্যাথিক সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ

🛑 জিহ্বা পরিস্কারঃ ইপিকাক,সিনা ৷

🛑 জিহ্বা হলুদ বর্ণঃলাইকোপোডিয়াম,রাসটক্স,মার্কুরিয়াস।

🛑 জিহ্বা কম্পমানঃএপিসমেল,ক্যাম্ফর,ক্রাটেলাস,জেলসিমিয়াম,
ইগ্নেশিয়া, লাইকোপোডিয়াম,ল্যাকেসিস,বেলেডোনা ৷

🛑 জিহ্বা পক্ষাঘাত গ্রস্তঃ কষ্টিকাম,জেলসিমিয়াম,লাইকোপোডিয়াম,
ওপিয়াম, প্লাম্বাম ৷

🛑 জিহ্বা বাদামীঃ ল্যাকেসিস,আর্সেনিক,কুপ্রাম,ব্যাপটিসিয়া,
ব্রায়োনিয়া,সিকলিকর,রাসটক্স ৷

🛑 জিহ্বা কালোবর্ণঃ চায়না,মার্কসল,কার্বোভেজ,ফসফরাস,

🛑 জিহ্বা ফ্যাকাশেঃ মার্কুরিয়াস ৷

🛑 জিহ্বাদাঁতের ছাপযুক্তঃচেলোডিনিয়াম,আর্সেনিক,রাসটক্স,
মার্কুরিয়াস।

🛑 জিহ্বা নীলবর্ণঃআর্সেনিক,ডিজিটিলিস,এন্টিমটার্ট ৷

🛑 জিহ্বা সবুজ বর্ণঃনেট্রাম সালফ।

🛑 জিহ্বা রক্তবর্ণঃবেলেডোনা,এপিসমেল,রাসটক্স,আর্সেনিক,এসিড নাইট,মার্কুরিয়াস,ফসফরাস ৷

🛑 জিহ্বা ধুসর বর্ণঃ চেলেডিনিয়াম ৷

🛑 জিহ্বা শুস্কঃ আর্সেনিক,এপিসমেল,রাসটক্স,একোনাইট,বেলেডোনা,
ক্যামোমিলা,চায়না,কুপ্রাম,ল্যাকেসিস ৷

🛑 জিহ্বা মানচিত্র সদৃশঃ কেলিবাইক্রম,থুজা,ল্যাকেসিস,রাসটক্স, নেট্রামিউর।

🛑 জিহ্বার পাদদেশে রক্তবর্ণঃ আর্সেনিক,সালফার,মার্কুরিয়াস,চেলেডোনিয়াম ৷

🛑 রক্তবর্ণঃ আর্সেনিক,ফাইটোলাক্কা,আর্জেন্ট নাইট ,রাসটক্স,সালফার ৷

🛑 জিহ্বা দুগ্ধ চর্মের মত, হায়োসিয়েমাস।

🛑 জিহ্বা ফাটাঃ আর্সেনিক,অরাম ট্রাটি,হায়োসেমিস,এসিড নাইট,রাসটক্স,ফসফরাস ৷

🛑 জিহ্বা শ্বেতবর্ণঃ বেলেডোনা,ব্রায়োনিয়া,আর্সেনিক,ক্যালকেরিয়া, হায়োসোমাস,কেলিবাইক্রম,মার্কুরিয়াস,সালফার ৷

🛑 জিহ্বার অগ্রভাগে ত্রিকোন রক্তবর্ণঃ রাসটক্স ৷

🛑 জিহ্বার মধ্যস্হলে ছড়িকাটাঃকষ্টিকাম ভিরে ভি ৷

🛑 জিহ্বা সাপের মত একবার বাহির করে আরেকবার ভিতরে নিয়ে যায়ঃ লাইকোপোডিয়াম,কুপ্রাম,
হেলিবোরাস,ল্যাকেসিস।

পেট্রোলিয়াম (Petroleum) - মেটেরিয়া মেডিকা।শীতকালে অনেকের হাত,পা,ফাঁটে।  অনেক রুগী পেট্রোলিয়ামের লক্ষন বহন করে তাই পেট্রো...
23/01/2026

পেট্রোলিয়াম (Petroleum) - মেটেরিয়া মেডিকা।

শীতকালে অনেকের হাত,পা,ফাঁটে। অনেক রুগী পেট্রোলিয়ামের লক্ষন বহন করে তাই পেট্রোলিয়ামের মেটেরিয়া মেডিকা আয়ত্ব করা যাক।
🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿
অপর নাম: – রক অয়েল ( Rock – oil )
পদার্থ পরিচয় – পেট্রোলিয়াম এক প্রকার
খনিজ তৈল । এই তেলের এক ভাগ নিরানব্বই
ভাগ অ্যালকোহলে দ্রবীভূত করে দ্বিতীয়
ক্রম তৈরি করা হয় ।
ক্রিয়াস্থান – মাথার পিঁছন দিক, চর্ম –
ভাঁজ, মাথার চর্ম্ম , মুখ, জননেন্দ্রিয়ের চর্ম,
মিউকাস মেমব্রেন,পাকস্থলী উদর ।

🍎চরিত্রগত লক্ষণ:-
১। গাড়ীতে, রেলগাড়ীতে, জাহাজে চড়িয়া পীড়ার উৎপত্তি (ককু, ষ্ট্যানিকিউ); পীড়া শীঘ্র শীঘ্র হয় (বেল, ম্যাগ-ফস, ইহা-প্ল্যাটিনা ও ষ্ট্যানমের বিপরীতে);
২। উঠিলেই মাথা ঘোরে (ব্রায়ো);
৩। মাথার পশ্চাৎভাগে বেদনা ও খুব ভারীবোধ;
৪। গর্ভাবস্থায় বমি ইত্যাদি উপসর্গ, গ্যাষ্ট্রোলজিয়া;
৫। পেট খালিবোধ, পেট খালি হইলেই শূল-বেদনা,
৬। সামান্য আঘাত লাগিলে সে স্থানে ঘা হয়, পাকে;
৭। হাতের চামড়া ফাটা (সোরায়সিস), অমসৃণ, আঙুলের ডগা ফাটা, বেদনা, শীতকালে চর্মপীড়ার বৃদ্ধি;
৮। হাতের পায়ের চেটো গরম ও জ্বালা;
৯। স্ত্রী এবং পুংজননন্দ্রিয় ঘামে;
১০। সেকেন্ডারি সিফিলিস;
১১। কেবলমাত্র দিনের বেলায় উদরাময়ের বাহ্যে-রাত্রিতে বন্ধ।

🍎মানসিক লক্ষণ:- একটুতেই চটিয়া উঠে, বিকারে অথবা জ্বরের সময় খেয়াল দেখে যে, আর একজন পীড়িত ব্যক্তি অনেকটা স্থান লইয়া তাহার পাশে শুইয়া আছে। সূতিকা জ্বরে - প্রসূতি খেয়ালে বলে-তাহার ছেলে একটি নয়- দুইটি, সে একসঙ্গে দুইটির তত্ত্বাবধান করিতে পারিবে না। অনেকে খেয়ালে বলে-তাহার চারি হাত, চারি পা এবং সমস্ত প্রত্যঙ্গই দ্বিগুন, এই প্রকার দ্বিগুণ দর্শন মানসিক লক্ষণ কোনও পীড়ার দৃষ্ট হইলে অবিলম্বে ইহা প্রয়োগ করিবেন।

ধাতুদোষ – অ্যান্টি – সোরিক ! অ্যান্টি –সাইকোটিক ।
কাতরতা – শীত কাতর ।
ক্রিয়াকাল – ৪০ হইতে ৫০ দিন ।
পেট্রোলিয়াম হোমিওপ্যাথির অন্যতম
অতুৎকৃষ্ট অ্যান্টিসোরিক অর্থাৎ সোরাদোষ
নাশক ঔষধ । এর দ্বারা যে সকল উদ্ভেদের
উৎপত্তি ও আরোগ্য প্রাপ্তি হয়,
গ্র্যাফাইটিসের সঙ্গে তার আকারগত সাদৃশ্য আছে।

চোখের সমস্যার জন্য শীর্ষ ১০টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের লক্ষণঃ-(১) Euphrasia - - তীব্র(Acute) শ্লেষ্মা(catarrhal) নেত্রপ্রদাহ ।...
22/01/2026

চোখের সমস্যার জন্য শীর্ষ ১০টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের লক্ষণঃ-

(১) Euphrasia -
- তীব্র(Acute) শ্লেষ্মা(catarrhal) নেত্রপ্রদাহ ।
- চোখ ঘন ঘন পানি আসে এবং চোখ মিটমিট করার প্রবণতা থাকে ।
- চোখ থেকে জ্বালাকর স্রাব বের হয়, যাতে চোখের পাতার প্রান্তে ক্ষত হয়ে যায়।
- কর্নিয়ার অস্বচ্ছতার সাথে জ্বালাকর ঘন স্রাব নিঃস্বরণ হয়।
- কর্নিয়ায় ফুস্কুড়ি বা স্ফুটক হয়।
- বাতজনিত কারণে চোখের আইরিস প্রদাহসহ আংশিকভাবে চোখের পাতা প্যারালাইসিস (ptosis) এর ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে ভাল একটি অষুধ।
- প্রায় সবসময়ই চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরতেই থাকে।
- চোখের পাতা ফোলাসহ জ্বলা থাকে, যা খোলা বাতাসে ভাল অনুভব করে।
- সন্ধ্যায়, গৃহমধ্যে , আলো, উষ্ণতায় বৃদ্ধি।
- মুক্ত বাতাস , কফি পানে, অন্ধকারে হ্রাস পায়।
- নেত্রপ্রদাহ সঙ্গে যুক্ত এলার্জিক রাইনাইটিস এর ক্ষেত্রে চোখ ও নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরাকে এলিয়াম সেপা (Allium cepa) সঙ্গে তুলনা করা যায়।

(২) Ambrosia -
- এলার্জিজনিত চোখের সমস্যা।
- চোখের পাতায় অসহনীয় চুলকানি।
- চোখে হালকা ব্যথা এবং জ্বলাসহ পানি ঝরতে পারে এবং নাক থেকে রক্ত আসতে পারে।
- প্রায় সবসময় চোখের সমস্যার সঙ্গে বুকে সাঁইসাঁই শব্দসহ কাশি থাকে।
- স্যাবাডিলা (Sabadilla), আরন্ডো (Arundo) সঙ্গে তুলনা করা যায়।

(৩) Ruta -
- চোখ টনটনানিসহ মাথাব্যথা।
- চোখে ব্যথাসহ লালচে গরম পানি আসে।
- বিশেষ করে সূক্ষ্ম মুদ্রণ সেলাই বা পড়ার সাথে সম্পৃক্ত।
- দৃষ্টিশক্তির সামঞ্জস্যের সমস্যা।
- মাথা ব্যাথা সঙ্গে চোখ শ্রান্তি।
- চোখের যন্ত্রণার সঙ্গে যুক্ত অত্যধিক দুর্বলতা (lassitude)।
- চোখের উপর থেতলানো মত এবং চাপ অনুভূতি।
- নেট্রাম মিউর (Natrum mur), আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম (Argentum nitricum) এর সঙ্গে তুলনীয়।

(৪) Pulsatilla -
- পালসেটিলা চোখের যন্ত্রণার জন্য হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে অমূল্য একটি ওষুধ।
- চোখ থেকে অহেজাকর, ঘন, হলদে এবং সবুজাভ স্রাব নিঃস্বরণে এটিকে মনে রাখা উচিত।
- চুলকানি এবং জ্বালা অনুভুতি এর সঙ্গে যুক্ত।
- পৌনঃপুনিক অঞ্জনীতে ওষুধ সেবনকালীন অবশ্যই Pulsatilla এর একটি ডোজ প্রয়োজন।
- চোখের উপর পাতায় প্রদাহিত শক্ত গুটি থাকতে পারে।
- তীব্র নেত্রপ্রদাহের সাথে হজমজনিত সমস্যা থাকে।
- লক্ষণ সর্বদাই পরিবর্তনশীল, সেটা রোগজ হোক আর মানসিক হোক।
- স্কন্ধ এর শিরা বৃহদাকার।
- সব সমস্যা উষ্ণ রুমে খারাপ এবং খোলা বাতাসে ভাল।

(৫) Spigelia -
- চোখে স্নায়ুবিক যন্ত্রনা।
- চেপে ধরা মত ব্যথা যা এদেরকে ঘুরিয়ে ফেলে।
- চরম আলোকাতঙ্ক থাকে।
- গাঁটের ফোলা ও ব্যথাসহ চোখের প্রদাহ।
- চোখের মধ্যে গভীরে এবং চোখের চারপাশে ব্যাথা অনুভব অর্থাৎ চোখের বলে চাপ দেওয়া মত অসহ্য যন্ত্রনা।
- চোখের কোটরের অনুপাতে চোখ খুব বড় মনে হয়।
- স্পর্শে অত্যন্ত সংবেদনশীল, মাথার চারপাশে শক্ত বন্ধনী দেওয়া আছে মনে হয়।
- স্পর্শ, উত্তেজনা, গোলমাল বা কোলাহলপুর্ণ পরিবেশে এবং সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বৃদ্ধি।
- মাথা উচু করে শুয়ে থাকলে ভাল অনুভব করে।

(৬) Apis mellifica -
- জ্বালাযুক্ত ও চুলকানিসহ ফোলা এবং নিচের পাতায় শোথ ( উপরের পাতায়- কেলি কার্ব)।
- চোখ উজ্জ্বল লাল ফোলা থাকে।
- অঞ্জনীর পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ করে।
- অক্ষিগোলকে ব্যথাসহ পাতলা তরল নিঃস্বরণ হয়।
- শোথ থাকে কিন্তু পিপাসাহীন ( শোথ কিন্তু পিপাসা থাকে-এপোসাইনাম, এসেটিক এসিড)।
- প্রস্রাবে সমস্যার সাথে চোখের সমস্যা থাকে।
- তাপ , স্পর্শ , চাপ, ডান দিকে বৃদ্ধি।
- ঠান্ডা পানিতে ধোওয়া , মুক্ত বায়ুতে হ্রাস।

(৭) Merc Sol -
- উপদংশ (Syphilis) রোগী চোখের সমস্যা।
- চোখের পাতা মোটা , লাল, ফোলা।
- প্রচুর জ্বলন্ত হেজাকর স্রাব নিঃস্বরণ।
- অগ্নি ইত্যাদি একদৃষ্টি মরেছে পরে আরম্ভ চোখের সমস্যা।
- আইরিস প্রদাহসহ ঘন হেজাকর নিঃস্বরণ হয়।
- অত্যন্ত গন্ধযুক্ত চোখের স্রাব নিঃস্বরণ।
- চোখে এবং এর চারপাশে ফুড়া হয় যা থেকে হলুদ পূঁজ বের হয়।
- রাতে, ভেজা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, উষ্ণতায় বৃদ্ধি।

(৮) Silica -
- দিনের আলো চোখে ধারালো( Sharp) ব্যথা উৎপন্ন করে।
- চোখ বন্ধ বা চাপ প্রয়োগ করলে স্পর্শানুভুতি আরোও বেড়ে যায়।
- চোখের অগ্র অংশে পূঁজ তৈরী হয়, আইরিশ প্রদাহ।
- পড়ার সময় দৃষ্টি বিভ্রান্তের জন্য- সাজানো অক্ষরগুলো দৌড়াচ্ছে মনে হয়।
- চোখের পানিবাহিত (Lachrymal) নালী আক্রান্ত হয়।
- হোমিওপ্যাথিকভাবে নির্দেশিত হলে এটি কর্নিয়ার অস্বচ্ছতার পরিষ্কার করে।
- অফিসে কর্মীদের মধ্যে চোখের ছানি।
- অমাবস্যা , ঠান্ডা বৃদ্ধি।
- উষ্ণতায় হ্রাস পায়।

(৯) Hepar sulph -
- কর্নিয়ার ক্ষত।
- পূঁজযুক্ত চোখের সমস্যা , আইরিস প্রদাহসহ অগ্র স্তরে বা কক্ষে পূঁজ।
- নেত্রপ্রদাহ(Conjunctivitis) সঙ্গে পূঁজপুর্ণ নিঃস্বরণ।
- চোখের পাতা এবং কঞ্জাংটিভাতে লাল এবং প্রদাহ হয়।
- অক্ষিগোলকে ব্যথা।
- চোখের অক্ষিকোটর (eyeballs) ক্ষতবদ বেদনা (Soreness)।
- বস্তুসমূহ লাল এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত প্রদর্শিত হয়।
- দৃষ্টিক্ষেত্র অর্ধ-হ্রাস পায়।
- ব্যথা এবং পূঁজসহ অঞ্জনী।
- ঠান্ডা, স্পর্শ, ঠান্ডা আবহাওয়ায় বৃদ্ধি।
- উষ্ণতা , মাথা আবৃত রাখলে হ্রাস পায়।

(১০) Agaricus -
- চোখের সামনে ফুল্কি উড়ার সঙ্গে দ্বিত্ব দৃষ্টি।
- চোখের পাতা এবং অক্ষিগোলক এর ঝাঁকুনি ( Twitching)।
- স্নায়ুতন্ত্রের বেদনাসহ (Neuralgic) চোখের যন্ত্রনা।
- পড়ার সময় অক্ষরগুলো নড়াচড়া করে, সাঁতার কাটছে বলে মনে হয়।
- চোখের পাতার ভিতর প্রান্ত লালচে ও প্রদাহ, জ্বালাকর ব্যথা, প্রান্ত শক্ত গুটির মত।
- চোখের যন্ত্রণা মাথাঘূর্নণ এবং বরফতুল্য ঠান্ডা মাথার সঙ্গে যুক্ত।
- খোলা ঠান্ডা বাতাসে বৃদ্ধি।

কিডনি পাথুরির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ-কিডনি পাথুরি কি ? কেন হয়?কিডনি আমাদের শরীরের তরল, খনিজ, লবণ এবং অন্যান্য পদার্থের মা...
15/01/2026

কিডনি পাথুরির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ-
কিডনি পাথুরি কি ? কেন হয়?

কিডনি আমাদের শরীরের তরল, খনিজ, লবণ এবং অন্যান্য পদার্থের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। যখন এই যৌগগুলির ভারসাম্য পরিবর্তন হয়, কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। কিডনিতে চার ধরণের পাথর রয়েছে, প্রত্যেকটি বিভিন্ন পদার্থ দিয়ে তৈরি। ইউরিকএসিড এবং সিস্টাইস্টিন দুটি যৌগ যা কিডনিতে পাথর সমন্বিত করতে পারে। কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ানোর জন্য পরিচিত কারণগুলির মধ্যে রয়েছে ডিহাইড্রেশন, পারিবারিক ইতিহাস, জিনেটিক্স এবং কিছু মেডিকেল অবস্থার উপস্থিতি। কিডনিতে পাথরের ইতিহাস নিয়ে পরিবারের এক বা একাধিক সদস্যের অবস্থান শঙ্কার ঝুঁকি বাড়ায়।

কিডনি, মূত্রথলি বা মূত্রনালির পাথর অনেকেরই হয়। এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। পাথর ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। কেননা এ সমস্যা চিকিৎসা নিলে সহজেই সেরে যায়।
কিডনি বা মূত্রপাথুরির লক্ষণ

কিডনি, মূত্রথলি বা মূত্রনালিতে পাথর হলে সাধারণত কোমরে ব্যথা হয়ে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তলপেট বা ঊরুর ভেতরের দিকেও ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই ব্যথা সাধারণত বেশ তীব্র এবং ক্ষণে ক্ষণে ওঠে। এ ছাড়া পাথরের কারণে প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। প্রস্রাবে সংক্রমণও হতে পারে।

কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমুহ

গত ৩০ বছর ধরে কিডনিতে পাথর যুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে চলেছে।

আমেরিকাতে কিডনিতে পাথর বিকাশকারী মানুষের হার বাড়ছে এই প্রবণতার কারণগুলি জানা যায়নি। ১৯ kidney০ এর দশকের শেষভাগে কিডনিতে পাথরের প্রকোপ ছিল ৩.৮%। ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫.২%। ককেশীয় জাতি এবং পুরুষ লিঙ্গ কিডনিতে পাথরের উচ্চ হারের সাথে সম্পর্কিত rates পুরুষরা ৪০ থেকে ৭০ বছর বয়সী লোকের কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝোঁক থাকে, বয়সের সাথে সাথে হারও বৃদ্ধি পায়। মহিলারা সম্ভবত ৫০ এর দশকে কিডনিতে পাথর অনুভব করতে পারেন। যে ব্যক্তির একটি কিডনিতে পাথর আক্রান্ত হয়েছে সে অন্যের বিকাশ ঘটাতে পারে।

কিডনিতে পাথরের লক্ষণগুলি

কিডনিতে পাথরের লক্ষণগুলির মধ্যে হ’ল উদ্দীপনা, তলদেশে এবং / বা পাশের ঘা, ব্যথা বা তলপেটের পাশাপাশি প্রস্রাবের রক্ত ​​pain

কিডনি থেকে অনেকটা ইউরেটারের নীচে এবং মূত্রাশয় পর্যন্ত ভ্রমণ না করা অবধি অনেক কিডনিতে পাথর বেদনাবিহীন থাকে। পাথরের আকারের উপর নির্ভর করে মূত্রনালীর মাধ্যমে পাথরের চলাচল হঠাৎ শুরু হওয়ার সাথে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। কিডনিতে পাথরযুক্ত লোকেরা প্রায়শই ব্যথাটিকে উদ্দীপক হিসাবে বর্ণনা করে। নীচের পিঠ, পেট এবং পাশগুলি ঘন ঘন ব্যথা এবং ক্র্যাম্পিংয়ের সাইট sites যাদের কিডনিতে পাথর রয়েছে তারা প্রস্রাবে রক্ত ​​দেখতে পারেন। যখন কোনও সংক্রমণ হয় তখন জ্বর এবং সর্দি উপস্থিত থাকে। এই লক্ষণগুলির ঘটনায় তাত্ক্ষণিকভাবে চিকিত্সা করার চেষ্টা করুন।

কিডনিতে পাথর কিভাবে নির্ণয় করা হয়?

কন্ট্রাস্ট উপাদান ছাড়া একটি হেলিকাল সিটি স্ক্যান মূত্রনালীর মধ্যে পাথর বা বাধা সনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে সাধারণ পরীক্ষা।

পেটের ব্যথার অন্যান্য সম্ভাব্য কারণগুলি এবং সম্পর্কিত লক্ষণগুলি বাদ দিয়ে কিডনির পাথর নির্ণয় করা হয়। কোনও কিড-কে ভিউ (কিডনি, ইউরেটার, মূত্রাশয়), বা হেলিকাল সিটি স্ক্যান নামে পরিচিত একটি এক্স-রে সহ ইমেজিং পরীক্ষাগুলি কিডনিতে পাথর নির্ণয়ের জন্য প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। যদিও এই পরীক্ষাগুলির সাথে সম্পর্কিত তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শের পরিমাণ ন্যূনতম হলেও গর্ভবতী মহিলা এবং অন্যদের এমনকি এই নিম্ন স্তরের বিকিরণ এড়াতে হবে। এই ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।

কিডনিতে পাথরের চিকিত্সা কী?

আকারের উপর নির্ভর করে, বেশিরভাগ পাথরগুলি শেষ পর্যন্ত 48 ঘন্টার মধ্যে তাদের নিজস্ব হয়ে যায়।

কিডনিতে পাথরযুক্ত বেশিরভাগ লোকেরা প্রচুর পরিমাণে তরল পান করে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে এগুলি তাদের নিজেই পাস করতে সক্ষম হন। ব্যথার ওষুধ অস্বস্তি লাঘব করতে পারে। পাথর যত ছোট হবে, হস্তক্ষেপ ছাড়াই পাস হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। অন্যান্য বিষয়গুলি যা পাথর পেরিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে তার মধ্যে রয়েছে গর্ভাবস্থা, প্রোস্টেটের আকার এবং রোগীর আকার। ৯ মিমি বা তার চেয়ে বড় স্টোনগুলি সাধারণত তাদের নিজস্ব হয় না এবং হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়। ৫ মিমি আকারের স্টোনগুলির নিজস্ব পাস করার ২০% সম্ভাবনা রয়েছে এবং ৮০ মিমি আকারের ৮০% পাথর চিকিত্সা ছাড়াই পাস করার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাথরগুলির নিজস্ব চিকিত্সা না করে এমন চিকিত্সা কী ?

কিডনিতে পাথর যা নিজেরাই অতিক্রম করে না তাদের জন্য লিথোট্রিপসি নামে একটি শক ওয়েভ পদ্ধতি প্রায়শই বড় পাথরটিকে ছোট ছোট টুকরো টুকরো টুকরো টুকরো করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

লিথোপ্রিপসি হ’ল একটি প্রক্রিয়া যা শক ওয়েভগুলি কিডনিতে পাথরকে ছোট ছোট টুকরো টুকরো করে দেবে যা আরও সহজে শরীর থেকে বের করে দেওয়া যায়। এই পদ্ধতির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসটিকে লিথোপ্রিটার বলা হয়। কিডনিতে পাথরগুলিও সার্জিকভাবে মুছে ফেলা যায়। পার্কিউটেনিয়াস নেফ্রোলিথোটোমি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মধ্যে ত্বকের একটি ছোট চিরা মাধ্যমে কিডনিতে পাথর সরানো হয়। কিডনিতে পাথরকে ইউরেটারোস্কোপ দিয়েও মুছে ফেলা যেতে পারে, এটি একটি যন্ত্র যা মূত্রনালী এবং মূত্রাশয়ের মাধ্যমে মূত্রনালীতে উন্নত হয়।

কিডনিতে পাথর কীভাবে প্রতিরোধের উপায়

আপনার প্রস্রাব পরিষ্কার রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করার চেষ্টা করুন।

কিডনিতে পাথর এড়ানোর সর্বোত্তম উপায় হ’ল সর্বাধিক সাধারণ কারণ – ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করা। আপনার প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে গেলে আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে হাইড্রেটেড হন। বেশির ভাগ লোকের জন্য প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানির প্রয়োজন হয়। কিডনিতে পাথর বিকাশের সাথে জড়িত আঙ্গুরের রস এড়িয়ে চলুন।

কিডনি পাথুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন কিভাবে ঝুঁকির কারণ কি কি ?

খাদ্য নিয়ন্ত্রন বা পছন্দের খাদ্যগুলির মধ্যে কোন কোন খাদ্য কিডনিতে পাথর বিকাশকে প্রভাবিত করতে পারে।

কিডনিতে পাথর হওয়ার ক্ষেত্রে ডায়েট একটি কারণ বা factor। কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে একজন ডায়েটিশিয়ান খাবারের পরামর্শ দিতে পারেন। ভিটামিন ডি, ভিটামিন সি, লবণ, প্রোটিন এবং উচ্চ অক্সালেট (গা dark সবুজ শাকসব্জী) যুক্ত খাবারের চেয়ে পাথর গঠনের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম সহ কম প্রোটিন, কম সোডিয়াম ডায়েট খেলে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

কিডনি পাথুরির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত সদৃশ ঔষধ নির্বাচন গাইড

বার্বারিস ভালগারিস

মুত্র কষ্টের এটি একটি প্রধান ওষধ। বিশেষ করে যদি বাম কিডনির দিকে যন্ত্রণা হয়। যন্ত্রণা কিডনি থেকে মুত্র পথ পর্যন্ত প্রবাহিত হয় ও সর্বদাই প্রস্রাব হওয়ার অনুভুতি হয় তাহলে এটি অত্যন্ত ফলদায়ক।

ওসিমাম ক্যান

নিদারুন যন্ত্রণার অনুভুতি, যন্ত্রণার ফলে শরীর দুমড়ে মুচড়ে যায়, রোগী চিৎকার ও প্রচন্ড আর্তনাত করতে থাকে। রক্ত প্রস্রাবের সঙ্গে ইটের গুড়োর মত অথবা সাদা তলানি দেখা যায়। প্রস্রাব ঘোলাটে লাল ও রক্তের মত লালচে দেখা যায় তবে ওসমিয়াম ক্যান উপযোগী।

লাইকোপোডিয়াম ক্ল্যাভাটাম

পুরাতন রোগীদের ক্ষেত্রে,যখন তরুন প্রদাহের যন্ত্রণা থাকে না সেই অবস্থায় কার্যকারী। উদরে বায়ুর উপস্থিতি, বিশেষ করে ডানদিকে, তৎসহ মুত্রে লাল দানা দেখতে পাওয়া যায়।

সার্সাপেরিলা অফিসিনালিস

মুত্রে সাদা তলানিতে কার্যকারী। ঘোলা প্রস্রাব, মনে হয় যেন কর্দমাক্ত প্রস্রাব নির্গত হচ্ছে। প্রস্রাব শেষে প্রচন্ড যন্ত্রণা। স্বল্প মুত্র, হড়হড়ে এবং জ্বালাকর প্রস্রাব। মুত্র থলিতে টনটনে যন্ত্রণা। রোগী বসলে ফোটা ফোটা প্রস্রাব নির্গত হয়। কিন্তু দাড়িযে পরিস্কার ভাবে প্রস্রাব হয়।

ক্যান্থারিস ভেসিকেটোরিয়া

কিডনি, মুত্রথলি ও মুত্রপথে প্রদাহ। কিডনিতে ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে ফেলার, ছিড়ে যাওয়ার মত বা ছিদ্র করার মত যন্ত্রণা। মুত্র নির্গত হওয়া বড়ই কষ্টদায়ক, ফোটা ফোটা রক্ত নির্গত হয়। সর্বদাই প্রস্রাব হওয়ার অনুভুতি এই সমল লক্ষণ সমষ্টিতি এটি উপযোগী।

টেরিবিনথিনিয়া অলিয়াম

কিডনির স্থানে ভয়ানক টেনে ধরার মত যন্ত্রণা। মুত্র ত্যাগের সময় ভয়ানক জ্বালা, মুত্রপথে জ্বালা, মনে হয় মুত্রপথ কেটে মুত্র বের হচ্ছে। মুত্রে রক্ত ও অ্যালবুমিনের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। মুত্র লাল, বাদামি, কালো অথবা ধোয়াটে রঙের দেখতে হয়।

ক্যালকেরিয়া কার্বনিকা

মুত্র পাথুরি তৈরী হয়, রক্তে ইউরিক এসিড বৃদ্ধির কারণে, সেই সঙ্গে মুত্র যন্ত্রণা, মলে টক গন্ধ সেই সঙ্গে ঘর্ম ও শ্বাসপ্রশ্বাসে টক গন্ধের উপস্থিত। মুত্র দুর্গন্ধযুক্ত, গাঢ় বাদামি বর্ণের, কখনো কখনো রক্তমুত্র দেখতে পাওয়া যায়। এই রোগীদের সাধারণত রিকেট অথবা হাড়ের সমস্যার ইতিহাস পাওয়া যায়।

ফসফরাস ও ফসফরিকাম এসিড

যখন মুত্র পাথুরি কাঠিন্যের প্রধান উপকরণ ফসফেটের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায় তখন ফসফরাস বা ফসফরিকাম এসিডের কথা অবশ্যই চিন্তা কোরতে হবে। মুত্র সাদা ও ঘোলাটে, অনেকটা দইএর ঘোলের মত দেখতে। যদি মুত্র অন্ধকারেও উজ্জ্বল্যের সৃষ্টি করে, যাকে বলে অনুপ্রভ তাহলে এই ওষুধের নির্বাচন অনেক সহজে হয়ে যায়।

হাইড্রানজিয়া আরবোরেসেনসাস

পাথর ভাঙ্গার ওষধ। রক্তমুত্র ফোটা ফোটা নির্গত হয়। সাদা মুত্রে জমা হয়।

বোরিক রেপার্টরির সাহায্যে কিডনি পাথুরির সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ-

CALCULI, GRAVEL (nephrolithiasis), COLIC — Arg. n., Bell., Benz. ac., Berb. v., Buchu, Calc. c., Calc. ren., Canth., Cham., Chin. s., Coccus, Col., Diosc., Epig., Erig., Eryng., Eup. purp., Hedeoma, Hep., Hydrang., Ipomœa., Lyc., Med., Nit. ac., Nux v., Ocimum, Oniscus, Op., Oxyden., Pareira, Pichi, Piperaz., Polygon., Sars., Sep., Solid., Stigm., Tab., Thlaspi, Urt., Uva, Vesic.

Worse left side — Berb. v., Canth., Tab.
Worse right side — Lyc., Nux v., Ocimum, Sars.

Address

Dhaka
9360

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Biplob Hira posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category