Dr. Ummy Salma Munni - Nutritionist & Researcher

Dr. Ummy Salma Munni - Nutritionist & Researcher PhD-qualified Expert Nutritionist dedicated to helping you achieve health and wellness through personalized, evidence-based nutrition.

Specializing in balanced diets, chronic condition support, and sustainable lifestyle changes

একজন নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—Cancer prevention ও recovery– দুই ক্ষেত্রেই Nutrition একটি key pillar...
07/02/2026

একজন নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—
Cancer prevention ও recovery– দুই ক্ষেত্রেই Nutrition একটি key pillar।

গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে প্রায় ৩০–৪০% ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব (WHO/Global evidence)।ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচেয়ে শক্তিশালী ও বাস্তব অস্ত্রগুলোর একটি হলো খাদ্যাভ্যাস।

# ক্যান্সার প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাস (Cancer Prevention Diet):-
ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ খাবারসমূহ-

1. শাকসবজি (বিশেষ করে Cruciferous vegetables)

- সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রুপ
যেমন:
• ব্রকলি
• ফুলকপি
• বাঁধাকপি
• পালং শাক
• লাল শাক, ডাটা শাক

- এগুলোতে আছে: sulforaphane, indoles → cancer cell growth inhibit করতে সাহায্য করে।

2. রঙিন ফল ও সবজি

- যত বেশি রঙ, তত বেশি protection
যেমন:
• টমেটো (lycopene)
• গাজর, কুমড়া (beta-carotene)
• বেদানা, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি
• আমলকি, কমলা, লেবু

- Rich in antioxidants → DNA damage থেকে কোষকে রক্ষা করে।

3. High Fiber Foods

- বিশেষ করে colon ও breast cancer প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ
যেমন:
• ওটস, ব্রাউন রাইস
• ডাল, ছোলা, মটর
• শাকসবজি ও ফলের খোসাসহ অংশ

- Fiber → toxins বের করে → gut health ভালো রাখে।

4. Healthy Fats (Anti-inflammatory fats)

যেমন:
• অলিভ অয়েল
• আখরোট, কাঠবাদাম
• চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড
• সামুদ্রিক মাছ (ওমেগা-৩)

- Chronic inflammation কমায় → cancer risk কমে।

5. প্রাকৃতিক মসলা ও ভেষজ

- ছোট কিন্তু শক্তিশালী
যেমন:
• হলুদ (curcumin)
• রসুন
• আদা
• কালোজিরা

- Anti-inflammatory + immune boosting effects।

6. Probiotic foods

যেমন:
• দই
• ঘোল
• ফারমেন্টেড খাবার

- Gut microbiome ভালো রাখে → immunity support করে।

7. পর্যাপ্ত পানি

Simple but critical
- শরীর থেকে toxin বের করতে সাহায্য করে।

# ক্যান্সার প্রতিরোধ ও ক্যান্সার রোগী দুই ক্ষেত্রেই কিছু খাবার স্পষ্টভাবে এড়ানো/সীমিত করা উচিত, কারণ এগুলো inflammation বাড়ায়, immunity কমায় এবং কিছু ক্ষেত্রে cancer progression-এর সাথে যুক্ত।

* ক্যান্সারে যে খাবারগুলো এড়ানো উচিত (Foods to Avoid in Cancer)

1. Processed & Fast Food

যেমন:
• বার্গার, পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই
• প্যাকেট চিপস, নুডলস, বিস্কুট
• রেডি-টু-ইট খাবার

কারণ:
High salt, unhealthy fat, preservatives → inflammation ও cancer risk বাড়ায়।

2. Processed Meat ও অতিরিক্ত লাল মাংস

যেমন:
• সসেজ, সালামি, হটডগ, বেকন
• অতিরিক্ত গরু/খাসির মাংস

WHO অনুযায়ী processed meat Group 1 carcinogen (বিশেষ করে colorectal cancer-এর ঝুঁকি বাড়ায়)।

3. অতিরিক্ত চিনি ও Sugary Drinks

যেমন:
• সফট ড্রিংক, এনার্জি ড্রিংক
• মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি
• অতিরিক্ত মধু/চিনি

কারণ:
High sugar → insulin spike → inflammation → cancer cell growth facilitate করতে পারে।

4. Deep fried ও Trans fat

যেমন:
• ডিপ ফ্রাই করা সিঙ্গারা, সমুচা
• বারবার ব্যবহার করা তেল
• বানিজ্যিক বেকারি আইটেম

কারণ:
Trans fat → oxidative stress → DNA damage risk।

5. অতিরিক্ত পোড়া খাবার (Charred food)

যেমন:
• পুড়ে যাওয়া কাবাব, BBQ
• অতিরিক্ত গ্রিলড/পোড়া রুটি

কারণ:
এতে তৈরি হয় heterocyclic amines ও PAHs → carcinogenic compounds।

6. Alcohol (খুব গুরুত্বপূর্ণ)

সব ধরনের অ্যালকোহল—
• beer, wine, spirits

Strong evidence:
Alcohol → mouth, liver, breast, colon cancer risk বাড়ায়।

7. খুব ঝাল, খুব টক, খুব শক্ত খাবার

(বিশেষ করে chemo চলাকালীন রোগীদের জন্য)
কারণ:
• মুখে ঘা, গ্যাস্ট্রিক, nausea বাড়ায়
• digestion সমস্যা করে

সংক্ষেপে (Golden Rule)

ক্যান্সারে এড়ানো উচিত:
Processed | Fried | Sugary | Alcohol | Burnt | Preserved foods

নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে মূল বার্তা

কোনো খাবার একা ক্যান্সার সৃষ্টি করে না,
কিন্তু দীর্ঘদিনের ভুল খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়ায়।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস মানে শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়—
- treatment-এর effectiveness বাড়ানো
- side effects কমানো
- quality of life উন্নত করা

এই কারণেই cancer care-এ nutrition আর “optional” নয়,
এটা essential.

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইফস্টাইল পয়েন্ট: -

খাবারের পাশাপাশি:
• নিয়মিত physical activity
• স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা
• তামাক ও অ্যালকোহল এড়ানো
• পর্যাপ্ত ঘুম

#ডউম্মেসালমামুন্নী
#পুষ্টিবিদউম্মেসালমামুন্নী




কর্মজীবীদের শারিরীক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে করনীয় : ডায়েট দেওয়ার সময় অনেকে এসকিউজ দেই, আমি তো অনেক ব্যস্ত থাকি...এভা...
21/01/2026

কর্মজীবীদের শারিরীক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে করনীয় :
ডায়েট দেওয়ার সময় অনেকে এসকিউজ দেই, আমি তো অনেক ব্যস্ত থাকি...এভাবে টাইম মেইনটেইন করে খাবার খাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। আমাকে কিছু ওজন কমানো মেডিসিন দেন।
যেহেতু আমার পড়ালেখা, ডিগ্রি খাদ‍্য বিষয়ক, তাই, একজন সচেতন পুষ্টিবিদ হিসাবে আমি কিন্তু ওজন কমানো তথাকথিত মেডিসিন বা সাপ্লিমেন্ট গনহারে দিতে ইচ্ছুক না..!
তো করনীয় কি?
আপনি যদি কর্মজীবী হন তবে এখনই সাবধান। কারণ, কাজের চাপের মধ্যে কাটানো এবং অসময়ে রোজ খাবার খেলে আপনার মুডকে প্রভাবিত করবে। রোজকার স্বাস্থ্যকর খাবার আপনাকে মানসিক উন্নতির পাশাপাশি বিষন্নতাকে দূরে রেখে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে পারে। আপনি যদি সারাদিনই ব্যস্ত থাকেন, তাহলে রোজ কী কী খাবার খাওয়া উচিত জেনে নিন।

আসলে একটু বুঝে চলতে পারলে মেডিসিন ছাড়াও শুধু মাত্র সঠিক খাদ্যাভাস ও সঠিক জীবন যাত্রার মাধ্যমে আমরা কিন্তু আল্লাহর রহমতে ওজন নিয়ন্ত্রন করতে পারি ও সুস্থ থাকতে পারি আজীবন।
তো করনীয় কি? তাইতো?
আসুন জেনে নেই কিভাবে আমাদের ব্যস্ত জীবনেও সঠিক খাদ্যাভাস মেনে চলা সম্ভব এবং ওজন নিয়ন্ত্রনে রেখে সুস্থ জীবন পাওয়া সম্ভব।

১/ স্বাস্থ্যকর খাবার পছন্দ করাঃ
শরীর সুস্থ থাকার জন্য সুষম খাবার মেনুতে রাখা খুবই জরুরী। প্রথমত: দিনের শুরুতেই আমাদের অবশ্যই একটা হেলদি(স্বাস্থ্যকর) নাস্তা করে বাসা থেকে বের হতে হবে। সে যে কাজেই যাইনা কেনো…অফিস/ বাচ্চাদের স্কুল/মিটিং/মিসিল যেখানেই যায়না কেনো…নাস্তা আমাকে করতেই হবে!
যদিও এটা সত্য যে ব্যস্ত সময়ে চলতি পথে যে ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুডের দোকান পরে, সেখান থেকেই খাবার খেয়ে নেওয়া আমাদের জন্য সহজ হয়। বা বাইরের খাবার কিনে এনে খেতে পারলে সময় অনেক বেচে যায়…কিন্তু , এটা আমাদের জানতে হবে এবং মনে রাখতে হবে যে, বাইরের স্নাকস জাতীয় খাবার মোটেও স্বাস্থ্য সম্মত হয়না! ভালো হয় যদি, ছুটির দিন গুলোতে বেশি করে বাসায় স্নাকস জাতীয় খাবার অবশ্যই হেলদি খাবার গুলো দিয়ে তৈরি আইটেম একবারে বেশি করে বানিয়ে ছোট ছোট এয়ার টাইট প্যাকেটে ভরে ফ্রিজিং করে রেখে…অফিস ডে বা অন্য ব্যস্ততায় চট জলদি স্টোরেজ হেলদি খাবার গুলো রেধে ফেলা যায় । যেমন- হতে পারে চিকেন/বিফ/ফিশ টুকরা করে ভালো করে ধুয়ে মশলা দিয়ে মেরিনেট করে রাখা। সবজি গুলো ছোট ছোট টুকরা করে ভালো করে ধুয়ে রেডি করে রাখা বা হালকা গরম পানিতে ভাপ দিয়ে রাখা , মশলাগুলো সব হাতের নাগালে রেডি রাখা ইত‍্যাদি।
ধরেন আমরা শারীরিক অবস্থা বুঝে ক্যালরী ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান মেপে খাবার গুলো নির্বাচন করি , এবং সেই ভাবে খাবার গুলো তৈরি করি, খাবারের টেক্চার বুঝে কোন খাবার কত দিনে পুষ্টি গুনাগুন নষ্ট হয়ে যায় , সেভাবে সংরক্ষণ করে রাখি… পরবর্তিতে সময় বুঝে , চাহিদা অনুযায়ী খাবার গ্রহন করি, তাহলে কিন্তু আমরা ব্যস্ততায় ও শরীরের চাহিদা অনুযায়ী যথাযত পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারবো…! ফলমূল, শাক -সবজি, লীন প্রোটিন, ও আঁশ যুক্ত কার্ব যদি পরিমান মত খেতে পারি…তাহলে, শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টি নিশ্চিত হবে। যারা সারাদিন ব্যস্ত থাকেন তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন কুমড়া এবং সূর্যমুখী বীজ, বাদাম, ফল, কম চিনি, প্রোটিন বার, গ্রানোলা, অঙ্কুরিত মুগ, ভাজা ছোলা খাওয়া উচিত। এগুলি প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। বীজ এবং বাদাম তাত্ক্ষণিক শক্তি প্রদান করে। প্রতিদিন ৪-৫টি ভিজিয়ে রাখা বাদাম এবং দুটো আখরোট খাওয়া স্বাস্থের জন্য ভালো। বাদাম খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করার পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সহায়ক। একইভাবে বীজে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক স্ন্যাকিংয়ের বিকল্পটি কেবল অনেক স্বাস্থ্য সমস্যাই প্রতিরোধ করে না, তবে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্যও ভালো কাজ করে।
আর একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় খেয়াল রাখতে হবে - কি ধরনের কাজের একটিভিটি আপনার …অর্থাৎ আপনি কঠিন পরিশ্রম করছেন নাকি মাঝারী পরিশ্রম ..? নাকি হালকা পরিশ্রম…! কাজের ধরন বুঝে ক্যালরী নির্ধারন করে সারা দিনের ডায়েট প্লান করে নিবেন।

২/ শরীরকে আদ্র বা হাইড্রেটেড রাখুনঃ
শরীরের কাজ গুলো সঠিক ভাবে করার জন্য যথেষ্ট পরিমান পানি পান করা জরুরী। সারাদিন হাইড্রেটেড থাকলে শক্তির মাত্রা বজায় রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি পানি খেলে শরীরকে টক্সিন মুক্ত করে এবং জয়েন্টগুলিকে লুব্রিকেট করতে সাহায্য করবে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারাদিন প্রচুর পানি পান করাও প্রয়োজন। সারা দিন রাত মিলে কম পক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি খেতে পারেন। ব্যায়াম বা ফিজিক্যাল একটিভিটি এবং গরম আবহাওয়ায় ঘাম জনিত কারনে পানির চাহিদা আরও বারতে পারে ।

৩/ ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্নঃ
একজন কর্ম ব্যস্ত মানুষকে যখন ব্যায়ামের কথা বলা হয়, সে হয়ত ভাবতে পারে আমি তো ঠিক মত ঘুমানোরই সময় পায়না , ব্যায়াম তো দুরের কথা! বিশ্বাস করেন ব্যায়ামের অগ্রাধিকার অনেক বেশি সুস্থ থাকার জন্য। একটু হাঁটলেই কিন্তু, শরীর সুস্থ থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকে ও অনেক জটিল রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়, বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হাইপোথাইকয়েড, হার্টের নানা জটিলতা এমনকি মানসিক স্বাস্থের জন্য ও ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। প্রতিদিন ১০-১৫ মি হালকা ব্যায়াম বা ইয়োগা এবং ৪৫মি-১ঘন্টা হাঁটা খুবই জরুরী। কর্ম জীবিরা তাদের কর্মস্থলে আসা যাওয়ার পথ টায় যদি হেটে চলাচল করে এবং বাসায় যদি সিড়ি দিয়ে উঠা নামা করে লিফট এর বদলে…এটাতে অনেক উপকার পাওয়া যায়…বাড়তি সময় লাগেনা।

৪/ পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে:
ব্যাস্ত মানুষের জীবনে ঘুমের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া টাফ হয়ে যার ফলে শরীরের সুস্থতা নিশ্চিত হওয়ার চ্যালেন্জিং ব্যাপার। ঘুমের অভাবে নানা রকম শারিরীক ও মানসিক জটিলতা তৈরি হয়, যেমনঃ ওজনাধিক্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মুড শুইং ইত্যাদি জটিলতা দেখা দেয়। শরীর সুস্থ রাখার জন্য কম পক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম খুব জরুরী।

৫/ পর্যাপ্ত রেস্টে থাকা:
সারা দিনের কর্ম ব্যাস্ততার মধ্যে সামান্য কিছু সময় কম পক্ষে ১ ঘন্টা হলেও নিজেকে একটু সময় দিতে হবে …একটু ব্রেক দিতে হবে কাজে ফাকে মানসিক প্রশান্তির জন্য। সব রকমের ব্যস্ততা থেকে নিজেকে কিছুটা সময়ের জন্য একদম ফ্রি রাখতে হবে মানসিক প্রশান্তি জন্য। একটু ভালো লাগা মিউজিক শোনা, বই পড়া বা কোথাও ঘুরতে যাওয়া বা বাসার ছাদে বসা বা ফুল গাছ বা সবজি গাছের চর্চা করা ইত্যাদি সৃজনশীল কাজে কিছুটা সময় হলেও নিজেকে দিতে হবে।

৬/ শক্তি প্রশিক্ষনে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করা:
অনেক শারিরীক জটিলতা থেকে মুক্তির উপায় হলো নিজেকে কোন শক্তি খরচের প্রশিক্ষনে নিয়োজিত করা। যার ফলে শরীরে মাংস পেশী তৈরি হবে, মেটাবলিজম বাড়বে শরীরে বাড়তি মেদ জমতে দিবেনা।

৭/ স্ট্রেস মুক্ত থাকা:
দুঃশ্চিন্তা কিন্তু মারাত্বক ভাবে শারিরীক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। প্রতিদিনের জীবন যাত্রায় স্ট্রেস মুক্ত থাকার উপায় বের করতে হবে …যেমনঃ মেডিটেশন বা ইয়োগা , গরম পানিতে গোছল, প্রকৃতির সাথে কিছু সময় পার করা, পরিবারের সবার সাথে ভালো সময়, খুনটুসি মুহূর্ত গুলোও কাটানো অর্থাৎ মানসিক ভাবে ভালো থাকা শরীরের জন্য সুস্থতার জন্য খুব দরকার।

৮/ দায়িত্বশীল হোন: আপনার স্বাস্থ্য এবং ফিটনেসের জন্য সচেতন থাকার লক্ষ্যই আপনাকে অনুপ্রাণিত এবং ট্র্যাকে রাখতে সাহায্য করবে।আপনাকে বুঝতে হবে শরীরের ফিটনেস না থাকলে নানাবিধ শারীরিক জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। আর এই দায়বদ্ধতা থেকেই আপনি সচেতন হবেন সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক জীবনযাত্রার প্রতি।
৯/ সারাদিন সক্রিয় থাকুন:
যদি আপনার সারাদিন এতটুকুও সময় না থাকে ব্যায়াম করার , তারপরও কাজের মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে হবে। যেমনঃ কাজের ফাঁকে ই একটানা চেয়ারে বসে না থেকে আধা ঘন্টা অন্তর একটু উঠুন, হাটাচলা করুন অফিসের মধ্যেই ।এক জায়গায় দাড়িয়েও কিন্তু ৫-১০ মিনিটস ডান-বাম পা চালাতে পারেন অথবা হাত, পা, মাথা নেড়ে হালকা ওয়ার্ক আউট করে নিতে পারেন।এই ছোট ছোট কার্যক্রম গুলো আপনাকে সারাদিনই শারিরীকভাবে সক্রিয় রাখবে।

১০/ পুষ্টিবিদ বা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ : স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে গেলে একজন বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদ এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর ডায়েট প্লান করা উচিত। এরপরও, কখনও কখনও কিছু পরিস্থিতিতে কর্মব্যস্ত মানুষ অনেক সময় শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে সব পুষ্টি পেতে পারে না।যদি প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাতে নিতান্তই সম্পূর্ন স্বাস্থ্যকর ডায়েট অনুসরণ করা না যায়, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ের জন্য ডায়েটে উচ্চ প্রোটিন এবং মাল্টিভিটামিন সম্পূরক অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে, তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদ বা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে।

সর্বোপরি আমরা যতই কর্মব্যস্ত হই না কেনো আমাদের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য নিজের শারিরীক ও মানসিক যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনের কর্ম রুটিনের একটু সঠিক পরিকল্পনা ও পরিবর্তন করে ছোট ছোট উপরোক্ত টিপস গুলো মেনে চলা আমাদের সার্বিকভাবে সুস্থ থাকতে সহযোগিতা করবে।

ড. উম্মে সালমা মুন্নী
পুষ্টিবিদ ও পথ‍্যবিশেষজ্ঞ

#কর্মজীবিদেরপুষ্টি
#কর্মজীবিদেরখাদ‍্যব‍্যবস্থা

#ডউম্মেসালমামুন্নী

থাইরয়েড একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ—সঠিক জ্ঞান ও সময়মতো চিকিৎসায় সুস্থ জীবন সম্ভব।*  অকারণ ওজন পরিবর্তন, ক্লান্তি, চুল পড়া হ...
20/01/2026

থাইরয়েড একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ—সঠিক জ্ঞান ও সময়মতো চিকিৎসায় সুস্থ জীবন সম্ভব।
* অকারণ ওজন পরিবর্তন, ক্লান্তি, চুল পড়া হলে পরীক্ষা করুন
* আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করুন
* সুষম খাবার খান ও মানসিক চাপ কমান
* চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ নিয়মিত নিন

নিজে সচেতন হই, অন্যকেও সচেতন করি।

নতুন বছর—স্বাস্থ্যকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার সময় নতুন বছর শুধু নতুন ক্যালেন্ডার নয়,এটা নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সুয...
01/01/2026

নতুন বছর—স্বাস্থ্যকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার সময়

নতুন বছর শুধু নতুন ক্যালেন্ডার নয়,
এটা নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ।
বিশেষ করে আমাদের স্বাস্থ্য অভ্যাসগুলোকে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ।

আমরা অনেক সময় জানি—
কোনটা শরীরের জন্য ভালো,
কোনটা ক্ষতিকর;
তবুও অভ্যাসের কারণে অনেক কিছু বদলাতে পারি না।

এই নতুন বছরে আসুন,
পুরোনো সব খারাপ স্বাস্থ্য অভ্যাসগুলোকে চিনে নিই
এবং ধীরে ধীরে সেগুলোকে বদলে ফেলি ভালো অভ্যাসে।

▪️অনিয়মিত খাওয়া
▪️ অস্বাস্থ্যকর খাবারের উপর নির্ভরতা
▪️ পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
▪️ শরীরচর্চার অনীহা
▪️ মানসিক চাপকে অবহেলা করা

— এগুলোকে পিছনে রেখে নতুন বছরের শুরু থেকেই আমরা শিখি—
▪️ পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে
▪️ নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করতে
▪️ পর্যাপ্ত পানি পান করতে
▪️ ঘুম ও বিশ্রামকে গুরুত্ব দিতে
▪️ নিজের মানসিক শান্তির যত্ন নিতে

স্বাস্থ্যকর জীবন মানে কঠিন কোনো নিয়ম নয়,
বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট সচেতন সিদ্ধান্ত।

কারণ সুস্থতা কোনো বিলাসিতা নয়—এটা আমাদের দায়িত্ব।
সুস্থ থাকলে পরিবার ভালো থাকে,
কাজে মন বসে,
জীবন আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

🌟 এই নতুন বছরে আসুন, আমরা সবাই মিলে সুস্থ থাকার পথ বেছে নিই।
আজ থেকেই, এখন থেকেই।

ড. উম্মে সালমা মুন্নী
পুষ্টিবিদ ও পথ‍্যবিশেষজ্ঞ

#ডউম্মেসালমামুন্নী



The nation mourns the loss of Begum Khaleda Zia.May her soul rest in eternal peace, and may Allah grant patience and str...
30/12/2025

The nation mourns the loss of Begum Khaleda Zia.
May her soul rest in eternal peace, and may Allah grant patience and strength to her family and followers.
Her contribution to the country will always be remembered with respect.

কনকনে শীত ও হার্টের রোগী: নীরব ঝুঁকি ও সচেতন ব্যবস্থাপনা: -শীতকাল অনেকের কাছেই আরাম ও স্বস্তির সময়। ঘুরে বেড়ানো, দাওয়াত...
28/12/2025

কনকনে শীত ও হার্টের রোগী: নীরব ঝুঁকি ও সচেতন ব্যবস্থাপনা: -

শীতকাল অনেকের কাছেই আরাম ও স্বস্তির সময়। ঘুরে বেড়ানো, দাওয়াত আর মজার মজার খাবার খাওয়ার সময় এখন।
কিন্তু যাদের হৃদরোগ আছে, তাদের জন্য এই সময়টা নীরবে ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে একটু সচেতনতার অভাবে । শীতে ঠান্ডার প্রভাবে শরীর নিজেকে বাঁচাতে গিয়ে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটায়, যা সরাসরি হার্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

শীতে হার্টের ঝুঁকি কেন বাড়ে?

ঠান্ডা লাগলে শরীরের রক্তনালিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে—
• রক্তচাপ বেড়ে যায়
• হার্টকে আগের চেয়ে বেশি জোরে কাজ করতে হয়
• রক্ত তুলনামূলক ঘন হয়ে ক্লট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে
• হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়

এর সঙ্গে যুক্ত হয় শীতের কারণে চলাফেরা কমে যাওয়া, ওজন বাড়া এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস।

যে লক্ষণগুলো কখনোই অবহেলা করবেন না:

• বুকের ভেতরে চাপ, ভারী ভাব বা জ্বালাপোড়া
• ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া
• হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
• অস্বাভাবিক ঘাম, মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা

এগুলোর যেকোনো একটি দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

শীতে হার্টের সুরক্ষায় করণীয়:-

• শরীর সবসময় উষ্ণ রাখুন, বিশেষ করে সকাল ও রাতে
• খুব ভোরে বা কনকনে ঠান্ডায় ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন
• ঠান্ডা পানিতে গোসল না করে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন
• নিয়মিত হালকা হাঁটা বা স্ট্রেচিং করুন—ঘরের ভেতর হলেও চলবে

চিকিৎসা ও দৈনন্দিন ম্যানেজমেন্ট:-

• রক্তচাপ, সুগার ও কোলেস্টেরল নিয়মিত পরীক্ষা করুন
• ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না
• শীতকালে অনেকের BP বেড়ে যায়—ডোজ অ্যাডজাস্টমেন্ট লাগতে পারে
• পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি হার্টের জন্য অত্যন্ত জরুরি

শীতে হার্টবান্ধব খাদ্যভাবনা:-

শীত মানেই ভারী ও তেলঝাল—এই ধারণা বদলাতে হবে।

খাবেন যেগুলো
• গরম স্যুপ, হালকা গরম পানি
• সবুজ শাক, লাউ, কুমড়া, শীতকালীন সবজি
• পেয়ারা, আপেল, কমলা জাতীয় ফল
• পরিমিত পরিমাণে মাছ ও ডাল
• অল্প পরিমাণ সরিষার তেল বা অলিভ অয়েল

যেগুলো কমাবেন:-
• অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার
• ভাজা-পোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার
• অতিরিক্ত চা-কফি
• ধূমপান—সরাসরি ও পরোক্ষ উভয়ই

শীতে নিরাপদ উষ্ণ পানীয়:-
• চিনি ছাড়া আদা–লেবু চা
• হালকা দারুচিনি চা
• তুলসী চা

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে যেকোনো হারবাল পানীয় নিয়মিত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

শেষ কথা:-

শীতকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই—
ভয় তখনই, যখন আমরা অসচেতন থাকি।

সচেতনতা, উষ্ণতা, নিয়মিত ওষুধ ও সঠিক খাদ্য—এই চারটিই শীতে হার্টের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।

ড. উম্মে সালমা মুন্নী
পুষ্টিবিদ ও পথ‍্যবিশেষজ্ঞ


#ডউম্মেসালমামুন্নী



আমার তো থাইরয়েড এর সমস‍্যা আছে, ইউরিক এসিডের সমস‍্যা আছে… ফুলকপি একদম খাওয়া যাবেনা কিন্তু আমার তো ফুলকপি খুব পছন্দ… কি ...
22/12/2025

আমার তো থাইরয়েড এর সমস‍্যা আছে, ইউরিক এসিডের সমস‍্যা আছে… ফুলকপি একদম খাওয়া যাবেনা কিন্তু আমার তো ফুলকপি খুব পছন্দ… কি করি 🤔 ?
:- বোঝা যাচ্ছে 😊—পছন্দের খাবার ছাড়তে বলা হলে মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে পুরোপুরি বাদ নয়, বুদ্ধি করে খেলে চলবে—এইটাই ভালো খবর।

ফুলকপি + থাইরয়েড + ইউরিক এসিড — আসল কথা
• থাইরয়েড (বিশেষ করে Hypothyroid)
ফুলকপি goitrogenic—কাঁচা বা খুব বেশি খেলেই সমস্যা।
• ইউরিক এসিড
ফুলকপিতে purine মাঝারি মাত্রায় আছে—অতিরিক্ত খেললে ইউরিক এসিড বাড়তে পারে।

তাহলে কি করবেন?

:আপনি যেহেতু ফুলকপি খুব পছন্দ করেন, এই নিয়মগুলো মানলে খাওয়া যাবে—

1️⃣ কাঁচা নয়, ভালোভাবে রান্না
• ভালভাবে সিদ্ধ/ভাজি/কারি → goitrogen অনেকটাই নষ্ট হয়
• সালাদ বা অল্প সেদ্ধ ❌

2️⃣ পরিমাণ খুব সীমিত
• একবারে ½ কাপ (৫০–৭০ গ্রাম)
• সপ্তাহে ১ বার, সর্বোচ্চ ২ বার (যদি ইউরিক এসিড কন্ট্রোলে থাকে)

3️⃣ যেদিন খাবেন, সেদিন এড়িয়ে চলুন
• লাল মাংস
• কলিজা
• ডাল বেশি
• শুঁটকি / সামুদ্রিক মাছ বেশি

4️⃣ পানি বেশি খাবেন 💧
• দিনে ২.৫–৩ লিটার পানি → ইউরিক এসিড বের হতে সাহায্য করে

5️⃣ থাইরয়েডের ওষুধের সময়ের সাথে নয়
• লেভোথাইরক্সিন খাওয়ার কমপক্ষে ৪–৫ ঘন্টা পরে ফুলকপি খাবেন

সংক্ষেপে বলা যায়:-

* পুরোপুরি নিষেধ নয়
* রান্না + কম পরিমাণ + মাঝে মাঝে
* ইউরিক এসিড বা থাইরয়েড যদি বেশি বেড়ে যায়, তখন সাময়িক বন্ধ

ড. উম্মে সালমা মূন্নী
পুষ্টিবিদ ও গবেষক



#ডউম্মেসালমামুন্নী




ছবি: আজকে সকালের নাস্তার

শীতের সময় ত্বক সবচেয়ে বেশি শুষ্ক, রুক্ষ ও নিস্প্রভ হয়ে যায়। কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে খুব সহজেই শীতে ত্বকের সৌন্দর্য‍্য ...
09/12/2025

শীতের সময় ত্বক সবচেয়ে বেশি শুষ্ক, রুক্ষ ও নিস্প্রভ হয়ে যায়। কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে খুব সহজেই শীতে ত্বকের সৌন্দর্য‍্য বজায় রাখা যায়।

শীতে ত্বকের যত্নে করনীয় :-

1. পর্যাপ্ত পানি পান
2. ত্বকে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব‍্যবহার
3. কুসুম গরম পানিতে গোসল
4. সানস্ক্রিন ব্যবহার
5. ঠোঁট ও হাতের জন্য আলাদা ক্রিম
6. পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস কমানো
7. সঠিক খাদ‍্যাভ‍্যাস মেনে চলা

শীতে ত্বকের সৌন্দর্য‍্য রক্ষায় সঠিক খাদ্যব্যবস্থা:-

১. পানি ও তরল গ্রহণ বাড়ান:

শীতে তেষ্টা কম লাগে, কিন্তু শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়।
• প্রতিদিন ৬–৮ গ্লাস পানি
• কুসুম গরম পানি, হার্বাল টি (লেবু, আদা, তুলসী)

২. ওমেগা–৩ সমৃদ্ধ খাবার (ত্বক নরম রাখে)

এগুলো ত্বকের শুষ্কতা কমায় ও ইনফ্লেমেশন নিয়ন্ত্রণ করে।
• ইলিশ, রুই, কাতলা, স্যামন
• আখরোট, বাদাম, চিয়া সিড
• ফ্ল্যাক্সসিড (গুঁড়া করে ১ চামচ)

৩. ভিটামিন–E সমৃদ্ধ খাবার (ত্বক উজ্জ্বল রাখে)
• বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ
• পালং শাক, অ্যাভোকাডো
• অলিভ অয়েল

৪. ভিটামিন–C সমৃদ্ধ ফল (কোলাজেন বাড়ায়, শীতে স্কিন গ্লো রাখে)
• মাল্টা, কমলা, পেয়ারা
• কিউই, স্ট্রবেরি
• ব্রকলি, টমেটো

৫. ভিটামিন–A সমৃদ্ধ খাবার (ত্বক মসৃণ রাখে)
• গাজর
• কুমড়ো
• ডিম (সপ্তাহে ৩–৪ দিন)
• কলিজা (সপ্তাহে ১ বার)

৬. প্রোটিনের ভালো উৎস(ত্বক, চুল, নখ—সবকিছুর জন্য অপরিহার্য)
• মাছ, মুরগি, ডিম
• ডাল–ডালজাত খাবার
• দই (১ বাটি), দুধ (১ গ্লাস)

৭. জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (ত্বকের ক্ষত সারায়)
• ডিম, ডাল, ছোলা
• চিংড়ি, মাছ
• ব্রাজিল নাট (সামান্য পরিমাণ)

৮. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার (এজিং কমায়)
• গ্রিন টি
• কোকো (ডার্ক চকলেট – সামান্য)
• আঙুর, ব্লুবেরি, ডালিম

৯. হেলদি ফ্যাটস

শীতে ত্বক মসৃণ রাখতে সামান্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খুব উপকারী।
• অ্যাভোকাডো
• অলিভ অয়েল
• বাদামজাত খাবার

১০. যেসব খাবার কমাবেন
• অতিরিক্ত ভাজাপোড়া
• অতিরিক্ত চিনি
• বেশি চা–কফি (ডিহাইড্রেট করে)
• সোডা/কোল্ড ড্রিঙ্ক

সবশেষে বলা যায়, শীতের সৌন্দর্য রক্ষা কোনো কঠিন কাজ নয়—শুধু সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত যত্ন আর সঠিক খাদ্যাভ্যাসই পারে ত্বককে কোমল, সতেজ ও উজ্জ্বল রাখাতে। ভেতর থেকে পুষ্টি আর বাইরে থেকে সঠিক যত্ন—এই দুইয়ের সমন্বয়েই শীতকালেও আপনার সৌন্দর্য ঠিক আগের মতোই দীপ্তিময় থাকবে।

ড. উম্মে সালমা মূন্নী
নিউট্রিশনিষ্ট ও পথ‍্য বিশেষজ্ঞ
(মনোয়ারা, পপুলার, হেলথ এইড ও বিআরবি হাসপাতাল)



#ডউম্মেসালমামুন্নী

#শীতেরসৌন্দয‍্যেরক্ষা
#শীতেত্বকেরযত্নেখাদ‍্যব‍্যবস্থা

সবজি কি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়?বেশিরভাগ সবজি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় না।বরং সবজি ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।কিছু নির্দিষ্ট...
04/12/2025

সবজি কি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়?

বেশিরভাগ সবজি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় না।
বরং সবজি ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।

কিছু নির্দিষ্ট সবজি (উচ্চ-পিউরিন গ্রুপ) আছে যেগুলো সামান্য ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে পারে, কিন্তু এগুলোর প্রভাব প্রাণিজ খাবারের তুলনায় খুব কম।

সত্য কথা:
মাংস, লিভার, খাসি/গরুর লাল মাংস, সামুদ্রিক মাছ, ডালজাতীয় খাবার—এগুলোই মূল দায়ী। সবজি নয়।

▪️কোন সবজি সামান্য সাবধানে খাবেন?

এসব খেলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যেতে পারে—কিন্তু সাধারণত অনেক বেশি খেলে তখনই সমস্যা হয়।
• ফুলকপি
• বাঁধাকপি (প্রভাব কম)
• পালং শাক
• মাশরুম
• মটরশুঁটি
• বেগুন (কিছু ক্ষেত্রে গাউট ট্রিগার করতে পারে)

এগুলো পুরোপুরি বাদ নয়, শুধু পরিমাণ কমাতে হবে যদি ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকে বা গাউটের আক্রমণ থাকে।

▪️ইউরিক অ্যাসিড না বাড়ানো/উপকারী সবজি:

নির্ভয়ে খেতে পারেন—
• লাউ
• শসা
• করলা
• টমেটো (টমেটো ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় না)
• ঝিঙে
• কুমড়া
• গাজর
• বীট
• বরবটি
• পেঁয়াজ
• রসুন
• লেটুস, সালাদ সবজি
• ঢেঁড়স

▪️ইউরিক অ্যাসিড কমাতে যেসব খাবারে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়:
• লেবু/লেমন ওয়াটার
• প্রচুর পানি
• চেরি (যদি পাওয়া যায়)
• দই
• ওটস
• লো-ফ্যাট দুধ
• কলা
• আপেল
• তরমুজ
• শসা
• ডালিম
• আদা, হলুদ

▪️যে খাবারে ইউরিক অ্যাসিড সবচেয়ে বেশি বাড়ে

এগুলোই আসল দোষী, এগুলোই আগে কমাবেন:
1. লাল মাংস (গরু/খাসি/মাটন)
2. লিভার, কলিজা, গিজা
3. সামুদ্রিক মাছ (ইলিশ,চিংড়ি কম খাবেন)
4. ডাল বেশি খাওয়া (মুসুর/ছোলা/মটর)
5. মসুর ডাল বিশেষভাবে
6. অ্যালকোহল (যারা পান করে)
7. চিনিযুক্ত পানীয়, সোডা
8. জাংক ফুড, ফ্রাইড খাবার
9. চিকেন স্কিন

▪️সোজা কথা

সবজি সাধারণত নিরাপদ।
চিন্তা বেশি করলে হবে লাল মাংস, সামুদ্রিক মাছ, ডাল আর ভাজাভুজি নিয়ে।

[বি:দ্র:- এটা সুস্থ স্বাভাবিক যাদের শুধুমাত্র ইউরিক এসিড বেশি তাদের জন‍্য খাবার নির্দেশনা । ডায়াবেটিস , কিডনী দুর্বল, বা অন‍্য শারিরীক অবস্থায় ভিন্ন ভিন্ন নির্দেশনা থাকে, তাদের জন‍্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ও খাবার নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক ]

ড. উম্মে সালমা মুন্নী
পুষ্টিবিদ ও পথ‍্য বিশেষজ্ঞ

সরাসরি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করতে পারেন নিম্নোক্ত ঠিকানায়:

চেম্বার ১:
মনোয়ারা হসপিতাল লি.
সিদ্ধেসসরী

চেম্বার ২:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার
শান্তিনগর

চেম্বার ৩:
বিআরবি হসপিটাল
পান্থপথ

চেম্বার: ৪
হেলথ এইড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক
সবুজবাগ





#ডউম্মেসালমামুন্নী



সকালে কাজে বের হয়ে শীতের মিষ্টি বাতাসে মনটা ফুরফুরে হয়ে গেলো…আর ফীল করলাম শীত তো চলে আসলো… শীতের সচেতনতা মূলক কিছু তো পো...
25/11/2025

সকালে কাজে বের হয়ে শীতের মিষ্টি বাতাসে মনটা ফুরফুরে হয়ে গেলো…আর ফীল করলাম শীত তো চলে আসলো… শীতের সচেতনতা মূলক কিছু তো পোস্ট করা হলোনা🤔! তাই, কাজের ফাঁকে লিখে ফেললাম আর স্বভাব সুলভ মনের ভালোলাগা কয়টা ফ্রেস শীতের ছবি😍(প্রথম প্রথম শীতের কাপড় পডেছি তো তাই..😁)
এবার আসুন জেনে নেই শীতের কিছু প্রস্তুতি ও স্বাস্থ্যবিধি: -

শীতের স্বাস্থ্য সচেতনতা:
শীতের শুরু মানেই আরামদায়ক আবহাওয়া, নরম রোদ, আর একটু আলসেমির অনুভূতি। কিন্তু এই সময়েই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ঠান্ডা-কাশি, শুষ্ক ত্বক, জয়েন্ট পেইন, অ্যালার্জি ও মৌসুমি রোগগুলো বেড়ে যায়। তাই শীতের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্যব্যবস্থায় কিছু বাড়তি যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। নিচে বিস্তারিতভাবে করণীয়গুলো সাজিয়ে দিলাম—

১. শীতকালে স্বাস্থ্য রক্ষার করণীয়

▪️ গরম পোশাক ব্যবহার
• সকাল-সন্ধ্যায় তাপমাত্রা দ্রুত কমে — তাই লেয়ারিং করে পোশাক পরুন।
• মাথা, কান, গলা ও পা ঢেকে রাখলে ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি অনেক কমে।

▪️ পর্যাপ্ত পানি পান
• শীতে তৃষ্ণা কম লাগে, কিন্তু শরীরের পানির চাহিদা একই থাকে।
• দিনে কমপক্ষে শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী ১.৫–২ /৩ লিটার পানি খান।
• কুসুম-গরম পানি পান করতে পারেন।

▪️ নিয়মিত ব্যায়াম
• সকালে হালকা হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগ, বা ঘরে ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন ভালো রাখে।
• জয়েন্ট পেইন, ক্লান্তি ও শীতের অলসতা কমে যায়।

▪️ ত্বক ও ঠোঁটের যত্ন
• শীতের শুষ্কতায় ত্বক রুক্ষ হয়।
• গ্লিসারিন/অ্যালো ভেরা যুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
• পানি, ফলমূল ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে।

▪️ পর্যাপ্ত ঘুম
• ঠান্ডায় ঘুমের মান ভালো হয়, তবে রুটিন ঠিক রাখা জরুরি।
• ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিন।

২. শীতের পুষ্টি—কী খাবেন?

▪️ ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার

ইমিউনিটি বাড়ায়, ভাইরাসজনিত ঠান্ডা-কাশি কমায়।
• কমলা, মাল্টা, পেয়ারা, লেবু
• ক্যাপসিকাম, টমেটো, ব্রোকলি

▪️ ভিটামিন D ও ক্যালসিয়াম
• রোদে ১৫–২০ মিনিট দাঁড়ানো
• মাছ, ডিম, দুধ, দই
• ক্যালসিয়াম শরীর গরম রাখে ও হাড় শক্ত করে।

▪️ উষ্ণ খাবার
• স্যুপ (চিকেন/সবজি)
• খিচুড়ি, ওটস, ডাল
• হট মিল্ক উইথ টার্মারিক বা আদা
এসব শরীর গরম রাখে ও হজম ভালো করে।

▪️ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড

ত্বক, হৃদ্‌স্বাস্থ্য ও ইমিউন সিস্টেম ভালো রাখে।
• মাছ (ইলিশ, রুই, স্যালমন)
• ফ্ল্যাক্সসিড, চিয়া সিড

▪️ শীতের বিশেষ সবজি

শীতে পাওয়া তাজা সবজি–
• গাজর, বিট, মুলা, পালং শাক, লাউ, কুমড়া, ব্রোকলি
এগুলিতে ভিটামিন A, আয়রন, ফাইবার প্রচুর থাকে।

▪️ গরম ভেষজ

হজম ভালো করে ও ঠান্ডা প্রতিরোধে কার্যকর।
• আদা, হলুদ, দারুচিনি, কালোজিরা
• সকালে ১ কাপ আদা-চা বা লেবু-হানি পানি উপকারী।

৩. শীতকালে কী এড়িয়ে চলবেন

❎ ঠান্ডা পানি ও কোল্ড ড্রিংকস

শরীর ঠান্ডা হয়, গলা ব্যথা বা কাশি বাড়াতে পারে।

❎ তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার

হজম কমে, ওজন বাড়ে, শ্বাসকষ্ট বাড়ায়।

❎ অল্প ঘুম ও অপ্রতুল পানি গ্রহণ

ইমিউনিটি দ্রুত দুর্বল হয়।

৪. শীতের রোগ প্রতিরোধে বাড়তি টিপস
• হাত ধোয়া—ফ্লু ভাইরাস শীতে দ্রুত ছড়ায়।
• ইনডোরে জানালা খুলে রাখুন—তাজা বাতাস প্রবাহ রাখুন।
• গরম–ঠান্ডা পরিবেশে বারবার যাতায়াত কমান।
• ডায়বেটিস/থাইরয়েড/রক্তচাপের রোগীরা খাদ্য-পরিকল্পনায় নিয়ম মেনে চলুন।

সংক্ষেপে মূল বার্তা :

শীত আরামদায়ক হলেও ইমিউনিটি কমিয়ে দেয়। তাই উষ্ণ খাবার, মৌসুমি ফল-সবজি, পর্যাপ্ত পানি, ব্যায়াম ও রোদ—এই পাঁচটি বিষয় ঠিক রাখলে শীতকাল সুস্থ ও প্রাণবন্ত কাটবে।

ড. উম্মে সালমা মুন্নী
পুষ্টিবিদ ও পথ‍্যবিশষজ্ঞ




#শীতেরস্বাস্থ‍্যসচেতনতা

Address

54, Shiddhesory Road
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 15:00 - 18:00
Tuesday 15:00 - 18:00
Wednesday 15:00 - 18:00
Thursday 15:00 - 18:00
Sunday 15:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ummy Salma Munni - Nutritionist & Researcher posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share