ডাঃ মোস্তাক আহমেদ কাজল

ডাঃ মোস্তাক আহমেদ কাজল ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ ,
পিজি হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01913381409

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
16/12/2025

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

হেপাটাইটিস বি কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন? বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ভাইরাস দিয়...
14/12/2025

হেপাটাইটিস বি কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন?
বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ভাইরাস দিয়ে লিভারের জটিলতা যেমন লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি। আশার কথা হল হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের চিকিৎসা সঠিক সময়ে শুরু করতে পারলে এসব জটিলতা অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব।

ভাইরাস শরীরে ক্ষতি করছে কিনা বা কোন অবস্থায় আছে এটা জানতে প্রাথমিকভাবে বি ভাইরাসের ডিএনএ সহ সবগুলো পরীক্ষা করাতে হবে, এখানে যদি দেখা যায় ভাইরাস শরীরে ক্ষতি করছে, সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে তাহলে কার্যকর চিকিৎসা আছে, আর যদি ভাইরাস নিষ্ক্রিয় থাকে তাহলে বছরে কমপক্ষে একবার ফলোআপ দিবেন। (এক্ষেত্রে বয়স, বংশে কারও এই ভাইরাস আছে কিনা, অন্য কোন অসুখ আছে কিনা এগুলো জানা জরুরি)

কতদিন পর পর পরীক্ষা করাতে হয়?:
সাধারণত প্রতি ৬ মাসে লিভার ফাংশন টেস্ট গুলে করাতে হয় (এগুলো সরকারি হাসপাতালে করাতে ১০০০-১৫০০ টাকার মত লাগে), এবং বছরে একবার ডিএনএ করাতে হয় ( অনেকক্ষেত্রে যদি সবকিছু ভালো থাকে তাদের ক্ষেত্রে দু-এক মাস দেরি হলেও সমস্যা নাই)।

ইতিমধ্যে যাদের লিভার সিরোসিস হয়ে গেছে বা সিরোসিসের কারনে পেটে পানি এসেছে, গলার রক্তনালি ফুলে গেছে তাদের ক্ষেত্রে পরীক্ষা অবশ্যই একজন লিভার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে করাতে হবে।
বি ভাইরাসের চিকিৎসার মূল লক্ষ এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে এর ক্ষতিকর প্রভাব সিরোসিস ও ক্যান্সার থেকে লিভারকে রক্ষা করা।
আমাদের দেশের মানুষকে আমরা এখনও এই ভাইরাসের ব্যাপারে সচেতন করতে পারিনি।

এখনো অনেকে প্রশ্ন করে স্যার বি ভাইরাসের কি চিকিৎসা আছে?
স্যার আমার তো কোন সমস্যা নাই তাহলে কেন পরীক্ষা করব? স্যার ভাইরাস তো নেগেটিভ হবে না তাহলে চিকিৎসা করে লাভ কি? ইত্যাদি।

উত্তর হচ্ছে বি ভাইরাসের কার্যকর চিকিৎসা আছে, সঠিক সময় চিকিৎসা নিতে হবে।

বি ভাইরাসের কারনে লিভারে ক্ষতি হলে প্রাথমিক ভাবে বোঝার উপায় নাই যখন লিভার ৮০ ভাগের বেশি নষ্ট হয় তখনই শরীরে সমস্যা বোঝা যায় আর তখন চিকিৎসা নিলেও আর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে।
চিকিৎসা করে লাভ হচ্ছে আপনি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
নিয়মিত পরীক্ষা -নিরীক্ষা যারা আর্থিক সংকটের কারণে করতে পারছেন না তারা অবশ্যই সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা গুলো করাবেন এবং সেখানেই ডাক্তার দেখান, তাহলে আর্থিক সাশ্রয় হবে এবং সঠিক চিকিৎসাও পাবেন।
এ সম্পর্কিত কেন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে লিখুন।

পোস্ট টি শেয়ার করে আরও মানুষকে সম্পৃক্ত করুন।

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে ০১৯১৩-৩৮১৪০৯ হোয়াটসএ্যাপ।

11/12/2025

ভয় নয়, সঠিক পরামর্শ নিন, সুস্থ্য থাকুন। বি ভাইরাস নিয়ন্ত্রন রাখতে হলে সম্পূর্ন ভিডিওটা মনোযোগ দিয়ে দেখুন। শেয়ার করে অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

ভালবাসা অবিরাম, স্যার। আল্লাহ আপনাকে নেক হায়ত দান করুক।
11/12/2025

ভালবাসা অবিরাম, স্যার। আল্লাহ আপনাকে নেক হায়ত দান করুক।

স্যারের জন্য সর্বদা শুভ কামনা।
12/11/2025

স্যারের জন্য সর্বদা শুভ কামনা।

লিভার সিরোসিস নামটা যতটা সহজ এর প্রভার ততটাই ভয়াবহ। ভাবুন তো, আপনার লিভার আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে যাচ্ছে, আর আপনি কিছুই বুঝ...
10/11/2025

লিভার সিরোসিস নামটা যতটা সহজ এর প্রভার ততটাই ভয়াবহ। ভাবুন তো, আপনার লিভার আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে যাচ্ছে, আর আপনি কিছুই বুঝতে পারছেন না...? হ্যাঁ, এটাই লিভার সিরোসিস।

প্রথমদিকে বোঝা যায় না, কিন্তু হটাৎ দুর্বলতা, পেট ফুলে যাওয়া, চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া, এসবই সতর্কবার্তা। সিরোসিসের কারণ শুধু মদ্যপান নয়, হেপাটাইটিস বি, ও, সি সহ আরও কিছু কারনে লিভার সিরোসিস হয়।

লিভারে চর্বি জমা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারও দায়ী, তবে ভয় নেই, নিয়মিত কিছু রক্তপরীক্ষা, আল্ট্রাসোনোগ্রাম, এন্ডোসকপি, ফাইব্রোস্ক্যান এসব পরীক্ষায় অনেকক্ষেত্রেই শনাক্ত করা সম্ভব। একবার লিভার সিরোসিস হয়ে গেলে, সেটি সাধারণত পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে না।

লিভারের অসুখে ভয় নয়, সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেইসাথে আপনাকে জানতে হবে আপনার লিভারের অবস্থা।

তাই আর দেরি নয়, আধুনিক চিকিৎসা ও নির্ভরযোগ্য সেবার জন্য একজন হেপাটলজিস্ট বা লিভার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, পিজি হাসপাতালের লিভার বিভাগ সহ বাংলাদেশের ৩৭ টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লিভার বিভাগে যোগাযোগ করুন, চাইলে আমাদের সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
প্রতিষ্ঠাতা
লিভার কেয়ার এ্যান্ড লার্নিং সেন্টার
টাউনহল, মোহাম্মাদপুর,ঢাকা।
মোবা: ০১৯১৩-৩৮১৪০৯

বাংলাদেশে বর্তমান এক কোটিরও বেশি মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত। এদের অনেকেরই শরীরে কোন লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে না- উ...
14/10/2025

বাংলাদেশে বর্তমান এক কোটিরও বেশি মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত। এদের অনেকেরই শরীরে কোন লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে না- উপসর্গহীন বি ভাইরাস আক্রান্ত মানুষ কি করবেন?? কোন চিকিৎসা লাগবে কিনা? কত দিন পরপরীক্ষা করবেন??

প্রতিটি অসুখের এক-একটা উপসর্গ থাকে, যেমন ডায়াবেটিস হলে প্রাথমিক ভাবে মাুনষের স্বাস্থ্য-হানী হয়- দূর্বলতা দেখা দেয়, হার্টের অসুখ হলে বুকে ব্যাথা-শ্বাসকষ্ট-অল্পতেই হাপিয়ে উঠে,,, এরকম প্রায় সব অসুখেরই কোন না কোন লক্ষ্মণ থাকে, কিন্তু হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের শতকরা ৯০ জনের শরীরে প্রাথমিকভাবে কোন উপসর্গ বা লক্ষন থাকে না। (কেবলমাত্র লিভার ৮০ ভাগের বেশি অকার্যকর হয়ে গেলে তখনই শরীরে লক্ষ্মণ বা সমস্যা দেখা যায় যখন চিকিৎসার খুব বেশি সুযোগ থাকে না)।

এজন্য অনেকের শরীরে বি ভাইরাস থাকলেও শরীরে কোনপ্রকার সমস্যা না হওয়ায় দীর্ঘ দীন ফলোআপ দেন না, পরীক্ষা-নীরীক্ষা করান না, এটাই লিভার সিরোসিস / লিভার ক্যান্সারের অন্যতম ঝুঁকির কারন।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস অদ্ভুত বৈচিত্র্যময় ভাইরাস, এটা অনেকের ক্ষেত্রে বহুবছর (৫০/৬০ বছর) পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে আবার অনেকের ক্ষেত্রে ২০/২৫ বছরেও ক্ষতি করতে পারে, একই বাবা-মায়ের সন্তান কারো শরীরে থাকতে পারে কারও নাও থাকতে পারে, এজন্য আমরা সবসময় বলে থাকি আপনার বি ভাইরাস পজিটিভ থাকলে শরীরে কোন সমস্যা/কষ্ট থাক বা না থাক বছরে কমপক্ষে একবার ফলোআপ দিবেন। তাহলে ভাইরাস আপনার শরীরে কোন অবস্থায় আছে সেটা সম্পর্কে আপনার এবং আপনার চিকিৎসকের একটা ধারনা থাকবে এবং যদি কোন সময় ভাইরাস শরীরে ক্ষতি করে তাহলে চিকিৎসা নিলেই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং লিভার ক্যান্সার লিভার সিরোসিসের মত মারাত্মক জটিলতা অনেকাংশেই এড়ানো যাবে।

এই ভাইরাসের আরও ভয়ংকর দিক হল অনেকে জানেনই না তারা এই ভাইরাস শরীরে বহন করছেন। অনেকে বিদেশে যাবার মেডিকেল করার সময়, অনেকে দন্ত চিকিৎসক বা অন্য কোন অপারেশনের জন্য গিয়ে হটাৎ করে জানতে পারে।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস কোন আতংকের বিষয় নয়, আপনাকে জানতে হবে এটা আপনার শরীরে কোন অবস্থায় আছে এবং সঠিক সময় সঠিক চিকিৎসা নিলে বি ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় এই ভাইরাসের পরীক্ষা নিরীক্ষা বেশ ব্যায়বহুল, এমনকি সরকারি ভাবেও বেশ ব্যায়বহুল এবং ঢাকার বাইরে সরকারিভাবে হয় না, এজন্য অনেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং অনেকের আর্থিক সংকুলান হয় না।
আমাদের জোর দিতে হবে এই চিকিৎসা এবং পরীক্ষা বিনামূল্যে করার, ঢাকার বাইরে এই পরীক্ষা সরকারি ভাবে করার ব্যবস্হা করার।
ইতিমধ্যে আমাদের লিভারের বিভিন্ন এসোসিয়েশন থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও সঠিক ভাবে প্রচার প্রচারনা এবং জনসচেতনতার অভাবে সেগুলো আলোর মুখ দেখেনি।

পরিশেষে একটাই বক্তব্য, নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস বি ভাইরাস শরীরে থাকলে আতংকিত না হয়ে বছরে কমপক্ষে একবার ফলোআপ দিন, আর্থিক সমস্যা থাকলে সরকারি হাসপাতালের সেবা নিন।

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01913381409

যারা পিজি হাসপাতালে আমাকে দেখাতে চান তাদের করনীয়:➡️রবিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দুপুর সাড়ে বারটার ভিতর আস...
14/10/2025

যারা পিজি হাসপাতালে আমাকে দেখাতে চান তাদের করনীয়:
➡️রবিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দুপুর সাড়ে বারটার ভিতর আসলে আমাকে পাবেন। এছাড়া অন্যান্য দিনও থাকি তবে এই তিন দিন ছুটিতে না থাকলে অবশ্যই পাবেন।
➡️খালি পেটে আসবেন যদি কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হয় করাতে পারবেন।
➡️ পূর্বের সকল রিপোর্ট যদি থাকে নিয়ে আসবেন। মেবাইলে কোন রিপোর্ট আনবেন না প্রয়োজনে সেগুলো প্রিন্ট করে আনবেন।

এছাড়া লিভারের রোগীদের সেবা নিতে প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন বাদে) :-
➡️ সকাল ৮ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪০৫ ও ৪০৬ নং রুমে দেখাতে পারবেন। এই টিকিট অনলাইনেও পাওয়া যাবে এবং সশরীরেও সংগ্রহ করতে পারবেন।
➡️ বিকাল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বৈকালিক বিশেষজ্ঞ সেবা পাবেন ১ নং আউটডোর রুম নং ৪০৬। এই টিকেট ঐ দিন দুপুর ১২ টা থেকে ১ নং আউটডোর এর নীচতলা থেকে সংগ্রহ করবেন।
➡️ সুপার স্পেসালাইজড হাসপাতালে সকাল ১০ টা দুপুর একটা এবং দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেবা পাবেন। এই টিকিট পিজি হাসপাতালের সুপার স্পেসালাইজড হাসপাতাল থেকে ঐ দিনই সংগ্রহ করতে পারবেন।
এখানে উল্লেখ্য সুপার স্পেসালাইজড হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষার খরচ পিজি হাসপাতালের আউটডোরের মুল্যের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। এজন্য আপনারা চাইলে সুপার স্পেসালাইজডে ডাক্তার দেখিয়ে ১ ও ২ নং আউটডোরের নীচতলা থেকে পরীক্ষা করাতে পারবেন।

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় - পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ 01913381409 (হোয়াটসঅ্যাপ)

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজলগবেষক ও চিকিৎসকলিভার বিভাগবাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) রোগী দেখার সময়: রবি,  বু...
12/10/2025

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
রোগী দেখার সময়: রবি, বুধবার ও বৃহস্পতিবার (সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১ টা) লিভার বহির্বিভাগ, ১ নং আউটডোর, রুম নং ৪০৫।

চেম্বার: লিভার কেয়ার এ্যান্ড লার্নিং সেন্টার
২য় তলা, টাউনহল কাচা বাজার মার্কেট, মোহাম্মাদপুর, ঢাকা।
সময়: প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে ৩ টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা (শুক্রবার বন্ধ)
সিরিয়াল : 01913381409 (হোয়াটসএ্যাপ)

গতকয়েকদিনে বেশ কয়েকজনকে পেলাম যাদের শরীরে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ছিল কিন্তু এখন নেগেটিভ হয়ে গেছে।  তাই এ বিষয়টি পরিষ্কার ক...
10/10/2025

গতকয়েকদিনে বেশ কয়েকজনকে পেলাম যাদের শরীরে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ছিল কিন্তু এখন নেগেটিভ হয়ে গেছে। তাই এ বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য আজকের এই পোস্ট।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস অনেকের শরীরেই নেগেটিভ হয়ে যায় অর্থাৎ HBsAg নেগেটিভ হয়। এটি চিকিৎসার মাধ্যমেও হতে পারে আবার চিকিৎসা ছাড়াও হতে পারে। যদিও এই সংখ্যা খুবই কম, তারপরেও কিছু মানুষের নেগেটিভ হয়। এটাকে Seroclearance / seroconversion of HBsAg বলা হয়।

HBsAg হচ্ছে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের সারফেস এন্টিজেন। এটি একটি প্রোটিন যা বি ভাইরাসের একেবারে বাইরের আবরনটি তৈরি করে।

Anti HBc হচ্ছে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের কোর এন্টিবডি যা বি ভাইরাসের একেবারে ভিতরে থাকে। এজন্য দেখবেন HBsAg নেগেটিভ আসার পরও Anti HBc total এটা পজিটিভ থাকবে। অর্থাৎ রক্তে HBsAg নেগেটিভ হলেও লিভারে বি ভাইরাসের একটি অংশ থেকে যায়। তবে এটা সাধারণত এক্টিভ হয় না বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া।

নীচে আমি আপনাদের বোঝার জন্য বিস্তারিত লিখলাম, মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, বুঝতে পারবেন।

HBsAg পজিটিভ থেকে HBsAg নেগেটিভ হলে কি করবেন?

১/ যাদের বংশে বা পরিবারে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আছে, তারা HBsAg নেগেটিভ হওয়ার পরেও বছরে একবার লিভার ফাংশন টেস্ট করাবেন।

২/ যাদের লিভারে ইতিমধ্যে লিভার সিরোসিস বা লিভারে ক্ষতি হয়ে আছে, তারা অন্তত ৬ মাসে ১ বার লিভার ফাংশন টেস্ট করবেন।

৩/ যাদের ঔষধ চলমান অবস্থায় ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে তারা হঠাৎ করে ভাইরাসের ওষুধ বন্ধ করবেন না। অবশ্যই একজন হেপাটলজিস্ট বা লিভার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। তিনি যদি বন্ধ করতে বলেন তাহলে বন্ধ করবেন।

৪/ যাদের কোন চিকিৎসা বা ঔষধ ছাড়াই নেগেটিভ হয়েছে, তাদের জন্য খুবই ভালো খবর। তারা বছরে একবার দেখবেন যে লিভারটা কিরকম আছে অর্থাৎ লিভার ফাংশন টেস্ট করাবেন।

৫/ যাদের ৫০ বছরের আগে ভাইরাস নেগেটিভ হয়ে গেছে তারা অবশ্যই বছরে একবার ফলোআপ দিবেন। কারন ৫০ বছরের আশেপাশে সময় ভাইরাস এক্টিভ হয়ে লিভারে ক্ষতি করতে পারে।

নেগেটিভ হওয়ার পরও কেন ফলোআপে থাকতে হবে?

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এর সারফেস এন্টিজেন বা HBsAg নেগেটিভ হলেও হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এর কোর এন্টিবডি বা Anti HBc পজিটিভ থাকে। এবং এটি বিশেষ কিছু অসুখ, কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় এটি একটিভ হতে পারে, যেমন ক্যান্সারের কেমোথেরাপি, রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধ,অন্য কোন ইমিউন সাপ্রেসিভ ওষুধ কিছু বায়োলজিকস এসব ওষুধের কারণে ভাইরাস আবার একটিভ হতে পারে এজন্য ফলোআপে থাকতে হবে।

আরেকটি প্রশ্ন, এরা টিকা নিতে পারবেন কি না?

যদিও এদের ক্ষেত্রে টিকা খুব বেশি কার্যকর নয় তবে টিকা নিলে এন্টিবডি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং শারীরিক কোন ক্ষতি নাই এজন্য টিকা নিতে পারেন।

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01913381409

মনোযোগ আকর্ষণ : অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করেন যে, স্যারকে চেম্বারে দেখালে টেস্ট কি ওখানেই করাতে হবে?না, আমাদের এখানে পরীক্ষা...
09/10/2025

মনোযোগ আকর্ষণ :
অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করেন যে, স্যারকে চেম্বারে দেখালে টেস্ট কি ওখানেই করাতে হবে?
না, আমাদের এখানে পরীক্ষা করা হয় না (শুধুমাত্র এন্ডোসকপি করা হয়) এটা স্যারের ব্যক্তিগত চেম্বার। এখানে দেখিয়ে আপনি প্রেসক্রিপশন নিয়ে পিজি হাসপাতাল, ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি সহ যে কোন সরকারী হাসপাতালে টেস্ট করাতে পারেন।
আমরা সর্বদা পরামর্শ দেই পিজি হাসপাতাল, ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট (অথবা সরকারি হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা করাতে) কারন এ দুটি প্রতিষ্ঠানের টেস্টের মান অনেক ভাল, সকল প্রকার পরীক্ষা হয় এবং খরচ অনেক কম, সাধারণ মানুষের সাধ্যের ভিতর।
এই দুটি প্রতিষ্ঠানে রক্তের পরীক্ষা করতে কোন সমস্যা নাই, সমস্যা হল আলট্রাসননোগ্রাম এবং এন্ডোসকপি তে, ল্যাবরেটারী মেডিসিন ইন্সটিটিউট এ প্রতিদিন ২০-৩০ জনের আলট্রাসনোগ্রাম করে যা অত্যন্ত কম, এখানে এন্ডোসকপি হয় না।

পিজি হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম ও এন্ডোসকপি, রক্তের পরীক্ষা সবই হয়। আলট্রাসনোগ্রাম প্রতিদিন ১৫০ জনের করা হয় এর অর্ধেক অনলাইনে সিরিয়াল নেওয়া হয়। (অনলাইনে সিরিয়াল নেওয়ার লিংক আমার আগের একটি পোস্টে দেওয়া আছে), পিজিতে এন্ডোসকপি হয় কিন্তু আগে থেকে ডেট নিতে হয় এবং ভাইরাসের পরীক্ষা, ইসিজি এগুলো প্রয়েজন হয়।

ধন্যবাদ সবাইকে।
যারা স্যারের চেম্বারে আসতে চান তারা 01913381409 (হোয়াটসএ্যাপ) নম্বারে যোগাযোগ করবেন।

Address

46-51, 1st Floor, Town Hall Kacha Bazar Market
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মোস্তাক আহমেদ কাজল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category