16/01/2026
একটা দেশের সরকারি হাসপাতালে পেশেন্টকে নরমাল স্যালাইনও অনেক সময় কিনে নিতে হয়।Omeprazole,Ceftriaxone এর মতো কমন ড্রাগ,নিউট্রিডেক্স,নর-এড এর মতো ইমার্জেন্সি লাইফ সেভিং ড্রাগের সাপ্লাই শেষ হয়ে যায় প্রায়ই।সাপে কাটা পেশেন্টকে এন্টি ভেনমের অপর্যাপ্ততার জন্য ভুগতে হয়।আইসিইউ নিডেড পেশেন্টকে ফ্লোরে ট্রিটমেন্ট নিতে হয়।
ঠিক একই দেশে লাখ লাখ টাকা দিয়ে এই জোকারদের পোষা হয়।যাদের অর্জনের পরিমাণ একটা বিশাল বড় জিরো।দেশের কোন পারসপেক্টিভেই যাদের কোন ভূমিকা নেই,তারা একেকজন নিজেকে কেন জানিনা দেশের জাতীয় বীর ভাবেন।
পাড়ার দুধভাত প্লেয়ার আবার ভয় দেখাচ্ছে সে আর খেলবে না।প্লিজ ভাই খেলেন না।সাথে আছি,সহমত।আপনারা না খেললে দেশের একটা পাতাও ছেঁড়া যাবে না।কিন্তু আপনারা ক্রিকেট না খেললে আপনাদেরকে রিকশা চালিয়ে খেতে হবে।তবে সে যোগ্যতাও কি আপনাদের আছে?
এদের পিছনে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ না করে চিকিৎসা খাতে দূর্নীতি দমন করে সেই লক্ষ লক্ষ টাকা হাসপাতাল গুলোতে লাইভ সেভিং ঔষধ গুলোতে খরচ করলেও কিছু প্রাণ বাচবে,উন্নত হবে চিকিৎসাখাত।
সংগৃৃহীত এবং পরিমার্জিত