Dr. Shajia Fatema Zafar.-Infertility Specialist

Dr. Shajia Fatema Zafar.-Infertility Specialist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Shajia Fatema Zafar.-Infertility Specialist, Family doctor, Dhaka.

"যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আস্থা রাখু। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও অত্যাধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনে ফিরে আসু...
28/09/2025

"যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আস্থা রাখু। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও অত্যাধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনে ফিরে আসুক সুখ আর ভালোবাসা।

20/07/2025
 #মাত্র_৭_দিনেই_বু_কে*র_গ*ঠ*ন_ঠিক_করুন ✔️ #সম্পূর্ণ  Indian ফর্মু'*লায় তৈরি আমাদের এই প্রো*"ডা'ক্ট না*'রীর সৌ"ন্দর্য্য ...
16/07/2025

#মাত্র_৭_দিনেই_বু_কে*র_গ*ঠ*ন_ঠিক_করুন ✔️
#সম্পূর্ণ Indian ফর্মু'*লায় তৈরি আমাদের এই প্রো*"ডা'ক্ট

না*'রীর সৌ"ন্দর্য্য এখন শু"ধু ফ"র্সা ত্ব'কে না।
ফ'র্সা ত্ব'কের পাশাপাশি দরকার সঠিক মাপের ফি*'টনেস আর এই আক'র্ষ'ণীয় ফিট"*নেসের জন্য ব্যা"বহার করুন আমা"দের ক্রী"ম টি । ✅

🍂 Ensure B*Firm
💟( ব'ড় করবে + টা'ইট করবে )

🍂 Ensure B* Small
💟( ছো"ট করবে + টা"ইট করবে )

🍂 Ensure B* Strong
💟( স্ট্রং করবে+ শ''ক্ত ও টা"*ইট করবে+ঝু"লে যাওয়া থেকে উপ'রে দিকে টা"ইট করে নিয়ে আসবে)

বিস্তারিত জানতে আমাদের ইনবক্সে মেসেজ করুন ।

“১২ ঘণ্টার ভুল – একটা শিশুর গোটা জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।”নতুন মা হলেন, ফুটফুটে বাচ্চা কোলে…কিন্তু রিপোর্ট এলো – HBsAg Pos...
16/07/2025

“১২ ঘণ্টার ভুল – একটা শিশুর গোটা জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।”

নতুন মা হলেন, ফুটফুটে বাচ্চা কোলে…
কিন্তু রিপোর্ট এলো – HBsAg Positive।

সেই মুহূর্তে কেউ বুঝিয়ে বলে না, এই একটা রিপোর্ট শিশুর ভবিষ্যত কেমন বদলে দিতে পারে।
লিভার ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে — যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেয়া হয়।



⏰ মাত্র ১২ ঘণ্টা!

এই ১২ ঘণ্টাই ঠিক করে দেয় – শিশু হবে সুস্থ, নাকি জীবনভর লড়বে ভাইরাসের সাথে।

✅ ১টি HBIG ইনজেকশন (প্যাসিভ সুরক্ষা)
✅ ১টি Hepatitis B Vaccine (এক্সট্রা নিরাপত্তা)

এ দু’টি শিশুকে ৯৫% নিরাপদ করে — পুরো জীবনভর হেপাটাইটিস বি থেকে।



⚠️ কিন্তু দুঃখজনক সত্য?

অনেকে বোঝেই না,
📌 “HBV মানে কি?”
📌 “HBIG কি লাগে?”
📌 “ভ্যাকসিন তো ৬ মাসেই দিচ্ছি!”
📌 বাবা পজিটিভ হলেও শিশুকে কিছু দিতে হবে না – এই সত্যটাও অনেকের অজানা।



👶 মা HBsAg Positive হলে – শিশুর জীবন বাঁচাতে করণীয়:

✅ জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে:
🔹 HBIG + ১ম ডোজ Vaccine
✅ এরপর:
🔹 ১ মাসে ২য় ডোজ
🔹 ৬ মাসে ৩য় ডোজ
✅ ১ বছর বয়সে রক্ত পরীক্ষা (Anti-HBs)
🔹 নিশ্চিত হবেন শিশু সম্পূর্ণ নিরাপদ কিনা।



🧠 মনে রাখার লাইন:

“১২ ঘণ্টার দেরি = ১২ বছরের দুর্ভোগ!”
“HBV একবার ঢুকে গেলে, জীবন থেকে আর বের হয় না।”
কিন্তু সঠিক সময়ে এক ডোজ ইনজেকশন শিশুকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।



❤️ আপনি জানলেন, এখন অন্যকেও জানান…

✅ শেয়ার করে একজন মা-বাবাকে সচেতন করুন
✅ আপনার পরিবারকে পরীক্ষা করান – HBV screening করান
✅ প্রয়োজনে “Testolife” এসে পরামর্শ নিন

আসসালামু আলাইকুম মা-বোনদের সাদা স্রাব অনিয়মিত পিরিয়ড স্থায়ীভাবে সমাধান ১) মেয়েদের ঋতুকালীন ব্যথা দূর করে।২) মাসিকের অনি...
16/07/2025

আসসালামু আলাইকুম মা-বোনদের সাদা স্রাব অনিয়মিত পিরিয়ড স্থায়ীভাবে সমাধান
১) মেয়েদের ঋতুকালীন ব্যথা দূর করে।
২) মাসিকের অনিয়ম দূর করে।
৩)মুত্রনালির সমস্যা দূর করে।
৪)প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া দূর করে।
৫) লিকুরিয়ার সমস্যা সমাধান করে।
৬)জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৭) অভ্যন্তরীণ সকল সমস্যা দূর করে শারীরিকভাবে করে তোলে স্বাস্থবান এবং দৈহিকভাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

Secret Care 💕💖উপাদান:রসুন,জিংক,পালমেটো,জিমনেমা,তিত করোলা,সয়া পাউডার,হোয়াইট ওটস, চিনাবাদাম ইত্যাদি।১) মেয়েদের ঋতুকালীন ...
15/07/2025

Secret Care 💕💖

উপাদান:
রসুন,জিংক,পালমেটো,জিমনেমা,তিত করোলা,সয়া পাউডার,হোয়াইট ওটস, চিনাবাদাম ইত্যাদি।
১) মেয়েদের ঋতুকালীন ব্যথা দূর করে।
২) মাসিকের অনিয়ম দূর করে।
৩)মুত্রনালির সমস্যা দূর করে।
৪)প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া দূর করে।
৫) লিকুরিয়ার সমস্যা সমাধান করে।
৬)জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৭) অভ্যন্তরীণ সকল সমস্যা দূর করে শারীরিকভাবে করে তোলে স্বাস্থবান এবং দৈহিকভাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

সেবনবিধিঃ
১ চা চামচ পাউডার কুসুম গরম পানি অথবা দুধের সাথে মিশিয়ে সকাল অথবা রাতে সেবন করুন।

14/07/2025

আজকের টিপস – অনিয়মিত মাসিক ও সাদাস্রাবের আদর্শ চিকিৎসা!অনিয়মিত মাসিকঃ

প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কা নারীদের প্রতি মাসে একটা পিরিয়ড হয়, যাকে আমরা মাসিক, পিরিয়ড, ঋতু, মিনস, বিভিন্ন নামে বলে থাকি। এই মাসিক সব মহিলারই একটা নির্দিষ্ট সময় থেকে আরেকটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রতি মাসে নিয়মিত হতে হবে। এই নিয়ে আজকের টিপস – অনিয়মিত মাসিক ও সাদাস্রাবের আদর্শ চিকিৎসা!অনিয়মিত মাসিকঃ

মাসিক হওয়ার নির্দিস্ট সময়কাল ৩ থেকে ৭ দিন অবদি। এখন কারো যদি ১-২ দিন অথবা ৮-১০-১৫ দিন চলতে থাকে, এই কম হওয়া বা বেশীদিন হওয়াকেই অনিয়মিত মাসিক বলে।

আবার, মাসিকের স্রাব হওয়ারও একটা পরিমান আছে। কারো কারো কয়েক ফোটা দেখা যায়, বা প্রথম দিন কিছুটা পরিমান মত দেখা গেলেও, পরদিন থেকে সামান্য কয়েক ফোটা দেখা দেয়, একদিন বা আধাদিন বিরতি দিয়ে আবার দেখা যায়। অথবা এত পরিমানে রক্তস্রাব হয় যে, মনে ভয় দেখা দেয়। এবং মনে হয় এত পরিমানে রক্তস্রাব হওয়া হয়ত উচিত নয়।
হ্যাঁ! ঠিকই বলেছেন। বেশী পরিমান রক্তস্রাব হলে, রক্ত স্বল্পতাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

আবার কম পরিমানে স্রাব হলেও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই মাসিকজনিত সমস্যার কারনে সৃস্ট রোগ হতে বাঁচার জন্য, আপনাকে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে। না হয় – রক্তস্বল্পতা , ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, হাড়ক্ষয়, বন্ধাত্ব, নিদ্রাহীনতা, ক্ষুদামান্দা, সাদাস্রাব, রোগা শারীরিক ঘটন সহ বিভিন্ন সমস্যা আপনার দেহে বাসা বাঁধবে।

সাদাস্রাবঃ

সাদাস্রাব মহিলাদের অন্যতম একটা জটিল রোগ, যা একজন স্বাস্থ্যবান নারীকে কয়েক মাসের মধ্যেই দৈহিক বিপর্যয় ঘটিয়ে দিতে পারে। গাল ভেঙ্গে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়, সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব, বিছানায় শুয়ে থাকতে মন চায়, সামান্য কোন অসুখে কাতর হয়ে যায় ইত্যাদি।

একসময় দেখা যায়, কয়েকদিন আগেও যে মহিলা বা মেয়েটি অনেক সুন্দরী ছিল, কয়েক দিন বা মাসের মধ্যে কি অবস্থা হয়েছে! যা আফসোস করার মতো।
এ ক্ষেত্রে রোগী যদি সচেতন না হয়, তাহলে তার অভিবাবক বিষয়টা খেয়াল করতে হবে। কারন, এই সমস্যাটা মুলত টিনএজ মেয়েদের হলে, তারা বুঝতেই পারেনা – কেন এমন হচ্ছে।
অভিবাবক যদি সময়মত লক্ষ্য না রাখেন, তাহলে দিনদিন অবস্থা খারাপের দিকে যেতে পারে।

কি করবেনঃ

যখনই বুঝতে পারবেন, আপনার মাসিক নিয়মিত হচ্ছেনা, বা রক্তস্রাবে কম বা বেশী হচ্ছে, অথবা সাদাস্রাব যাচ্ছে।
সাথে সাথে একজন স্পেশালিস্ট মহিলা ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
১-২ মাস ঔষধ চালিয়ে যাবেন, যতক্ষন পর্যন্ত সুস্থ্য না হয়েছেন।

একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখা স্বাভাবিকভাবে আপনার মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে। এখানে কিছু টিপস রয়েছে:

নিয়মিত যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন করতে পারেন।

নিয়মিত হালকা শারীরিক ব্যায়াম করতে পারেন।

বেশি বেশি কাঁচা পেঁপে খাওয়ার চেষ্টা করেন।

একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস বজায় রাখুন। (প্রচুর ফল, শাকসবজি এবং দানা শস্য )

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।

পর্যাপ্ত ঘুম পান নিশ্চিত করুন।

ধূমপান এবং অত্যধিক অ্যালকোহল সেবন এড়িয়ে চলুন।

অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ | মাসিক নিয়মিত করার ট্যাবলেট এর নাম

নরমেনস ট্যাবলেট

হেমোফিক্স এফজেড ট্যাবলেট (আয়রন সাপ্লিমেন্ট)

এলজিন ট্যাবলেট (যদি পেটে ব্যথা থাকে)

রেসোনিক্স ২০ ক্যাপসুল (যদি গ্যাস থাকে)

ঔষধ খাবার নিয়ম

নরমেনস ট্যাবলেট

খাওয়ার নিয়ম: নরমেনস ট্যাবলেট রেনেটা লিমিটেড কোম্পানির একটি ওষুধ। যার গ্রুপ নাম হল নরইথিস্টেরন এসিট্যাট।
এটি অনিয়মিত মাসিক হওয়ার প্রথম দিন থেকে টানা ২১ দিন খেতে হবে। অর্থাৎ যেদিন আপনার প্রথম মাসিক হবে সেদিন থেকে একটানা ২১ দিন সেবন করতে হবে। এরপর আপনাকে ৭ দিন বন্ধ রাখতে হবে খাওয়া। এরপর আপনাকে আবার একটা নাই ২১ দিন খেতে হবে। আবার ৭ দিন বিরতিতে যেতে হবে। তারপর আবার ২১ দিন খেতে হবে। অর্থাৎ সহজ কথায় ২১+৭+২১+৭+২১ এখানে ৭ দিন বিরতি আর ২১ দিন হল খাওয়া। এভাবে তিন মাস সেবন করতে হবে। ওষুধ খাওয়া চলাকালীন মাসিক হোক আর না হোক আপনাকে সেটা কন্টিনিউ করতে হবে। তাহলে একটা সময় পর আপনার পিরিয়ড চক্র নিয়মের মধ্যে চলে আসবে। এর সাথে আপনাকে সহায়ক ওষুধ হিসেবে কিছু ওষুধ খাওয়া লাগতে পারে। অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।

হেমোফিক্স এফজেড ট্যাবলেট (আয়রন সাপ্লিমেন্ট)

খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন রাতে খাওয়ার পর ভরা পেটে একটি করে ট্যাবলেট খেতে হবে। এভাবে দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে।

এলজিন ট্যাবলেট (যদি পেটে ব্যথা থাকে)

খাওয়ার নিয়ম: মাসিক নিয়মিত করার ট্যাবলেট খাওয়ার সময় যদি পেট ব্যথা থাকে তাহলে এলজিন ট্যাবলেটটা আপনাকে সেবন করতে হবে। প্রতিদিন সকালে, বিকালে এবং রাতে একটি করে ট্যাবলেট খাওয়ার পর ভরা পেটে সেবন করতে হবে। যতদিন পেট ব্যথা থাকবে ততদিন এটি সেবন করবেন।

রেসোনিস্র ২০ ক্যাপসুল (যদি গ্যাস থাকে)

খাওয়ার নিয়ম: যদি আপনার গ্যাস সমস্যা হয় তাহলে এই ক্যাপসুল খেতে পারেন। সকালে এবং রাতে খাওয়ার পূর্বে খেতে হবে। ৩০ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট পূর্বে সেবন করতে হবে।

উপদেশঃ

স্যানিটারী নেপকিন ব্যাবহার করতে হবে। যোনী পরিস্কার রাখতে হবে। প্রতিবার প্রশ্রাব ও পায়খানার পর সুতি কাপড় বা টিস্যু দিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। ঘামলে ঘামগুলো ভালভাবে পরিস্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছতে হবে।
উপকৃত হলে, সবাইকে শেয়ার করবেন। অনিয়মিত মাসিক ও সাদাস্রাবের আদর্শ চিকিৎসা নিয়ে আজকের লেখা স্বার্থক হবে, যদি উপদেশগুলো মেনে চলেন।

বিশেষ সতর্কীকরণঃ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করবেন না। অবশ্যই কারণ ও করণীয় সম্পর্কে জেনে নিবেন। তারপর অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ খাবেন। নতুবা এই সমস্যার সমাধান হবে না।

লিউকোরিয়া / সাদাস্রাব কেন হয়?অনেক কারণে লিউকোরিয়া হতে পারে। যার মধ্যে মূলত রয়েছে যোনিদ্বারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা, ...
14/07/2025

লিউকোরিয়া / সাদাস্রাব কেন হয়?

অনেক কারণে লিউকোরিয়া হতে পারে। যার মধ্যে মূলত রয়েছে যোনিদ্বারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা, শরীরে রক্তের অভাব, অতিরিক্ত স্বমেহন, ত্রুটিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ক, অনেক বেশি উপোস করা, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম, রোগগ্রস্ত পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, যোনিদ্বারে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি, যোনিদ্বার কিংবা জরায়ুর মুখে ফোস্কা কিংবা বার বার সন্তান নষ্ট হওয়া ইত্যাদি।

এসব ছাড়াও, আরও অন্য অনেক কারণে মেয়েদের লিউকোরিয়ার সমস্যা হতে পারে। যেমন—

গর্ভধারণপ্রস্রাবে সংক্রমণফরএভারটিকাদানদেহে ভাল ব্যাকটেরিয়ার অভাবপ্রোসোপ্লাসিয়া ডায়াবেটিসের কারণে যোনিদ্বারে ফাংগাল ইস্ট সংক্রমণ হতে পারেঅতিরিক্ত ঝাল ও মশলাদার খাবার খাওয়া

ওপরে যে সব কারণের কথা বলা হল সেগুলির বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে যদি কোনও মহিলা আগাম সতর্কতা নেন, তাহলে তাঁর লিউকোরিয়া হওয়ার ঝুঁকি কমবে কিংবা ঝুঁকি একেবারেই থাকবে না।

🔍 মা-সি-ক ঠিক আছে কিনা বুঝবেন কীভাবে? • প্রতি ২১–৩৫ দিনে ১ বার • ৩–৭ দিন স্থায়ী • সহনীয় ব্যথা🚨 লক্ষণ: অনিয়মিত, অতিরিক্ত ...
14/07/2025

🔍 মা-সি-ক ঠিক আছে কিনা বুঝবেন কীভাবে?

• প্রতি ২১–৩৫ দিনে ১ বার
• ৩–৭ দিন স্থায়ী
• সহনীয় ব্যথা

🚨 লক্ষণ: অনিয়মিত, অতিরিক্ত ব্যথা, মা-সি-ক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
→ এই লক্ষণ থাকলে ডাক্তার দেখান।

#লিকোরিয়া বা সাদা স্রাব এর স্থায়ীভাবে সমাধান পাবেন ইনশাআল্লাহ

14/07/2025

🧠 PCOS (Polycystic O***y Syndrome)- একটি হরমোনজনিত সমস্যা, যা ডিম্বাণু তৈরি ও নির্গমনে ব্যাঘাত ঘটায়। এর প্রভাব পড়ে গর্ভধারণে।

PCOS এর ফলে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট অনেকগুলো সিস্ট বা ফোঁড়া তৈরি হয়, যা ডিম্বাণু তৈরি ও নির্গমনে বাধা সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশি নারীরা যে স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হয়ে থাকেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো প্রজনন বা হরমোনজনিত সমস্যা।যার ফলে সৃষ্টি হয় PCOS।

👉 আজকে আলোচনা করব-
PCOS কি? PCOS ম্যানেজমেন্ট কেমন হবে?

বন্ধ্যাত্ব ও আইভিএফ স্পেশালিষ্ট
👩‍⚕️ডা: সাজিয়া ফাতেমা জাফর
এমএস (গাইনী এন্ড অবস্)
এমসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্)
এমবিবিএস (এসএসএমসি)
এফআরএম (বন্ধ্যাত্বে ফেলোশিপ, ইন্ডিয়া)
সিনিয়র কনসালটেন্ট

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Shajia Fatema Zafar.-Infertility Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category