আশরাফী ঔষধালয়

আশরাফী ঔষধালয় we treatment with care is granted for men and women in their various complex and any secret diseases.

19/02/2022
09/12/2018

বাংলার প্রকৃতির গাছ ,
ফল,মূল,লতা,পাতা থেকে
সুধা এনে দূর করে দেব -
সকল জ্বরা ব্যাধি ভার ।

09/12/2018

চাই শক্তি,
চাই উদ্যম,
চাই আনন্দ,
চাই উজ্জল পরম আয়ু ।

08/12/2018

বাংলার প্রকৃতির গাছ, ফল, মূল,লতা,পাতা থেকে সুধা এনে,দূর করে দেব জরা ব্যাধি ভার।

Daily calcium Requirements for all..
30/06/2018

Daily calcium Requirements for all..

24/12/2017

স্বাস্থ্য অর্থ পরিবেশ ধুমপানে তিনই শেষ।

24/12/2017
24/12/2017

চিনা বাদাম এর স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ

যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য চিনা বাদাম একটি স্বাস্থ্য সম্মত খাবার। এটি আপনাকে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা দিতে সক্ষম। এটি পুষ্টি গুনাগুন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে খেতেও বেশ দারুন। আসুন জেনে নেই চিনা বাদাম এর স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো।


১। কোলেস্টেরল কমায় চিনা বাদামঃ

বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বর্তমানে কোলেস্টেরলের সমস্যা বেশ বড় আকার ধারন করেছে। কোলেস্টেরলে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হল অপুষ্টিকর ও তৈলাক্ত খাবার। শরীরের মাত্রাধিক কোলেস্টেরল হৃদরোগ, উচ্চ রক্ত চাপ, ওজন বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিস এর মতো কঠিন রোগ সৃষ্টি করে। বাদামের অসাধারন কার্যকরী ফ্যাট শরীর থেকে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এই বাদাম শরীরের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০-১২ টি বা এক মুঠো চিনা বাদাম খেতে পারেন শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে।

২। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহাজ্য করেঃ

চিনা বাদাম রক্ত থেকে সুক্রোজ এর মাত্রা কমায়। প্রতিদিন সকালে এটি বা এর মাখন নাস্তার সাথে খেতে পারেন। তাছাড়া রাতে ১০-১৫ টি বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ডায়াবেটিস নির্মূলে বিশেষ ভাবে কার্যকরী।

৩। ওজন কমাতে বেশ কার্যকরীঃ

বাংলাদেশে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। শরীর থেকে ওজন কমাতে ভালো ফ্যাটের প্রয়োজন অত্যাবশ্যক। চিনা বাদাম থেকে আপনি সেই ভালো ফ্যাট পাবেন। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক মুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। তাছাড়া এটি আপনার শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।

৪। স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করেঃ

কিছু কিছু মানুষের স্মৃতি শক্তি তুলনামুলক ভাবে অন্যদের চেয়ে কম। খুব অল্প বয়সেই অনেকেই ভুঘছেন মস্তিষ্কের সমস্যায়। ভুলে যাচ্ছেন সামান্য বিষয় এবং অনেক চেষ্টা করেও মনে রাখতে পারছেন না। এমনটা হয় যখন আমাদের মস্তিস্ক পরিমান মতো পুষ্টি পায় না। একে মস্তিষ্কের খাবার হিসেবে গন্য করা যায়। চিনা বাদামে প্রচুর পরিমানে বি৩ আছে যা মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। তাই প্রতিদিন চিনা বাদাম বা এর মাখন খাবেন, যাতে করে আপনি স্বয়ংক্রিয় মস্তিস্ক পেতে পারেন।

৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ

ছোটো ছোটো কারনে রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন যেমন ঠাণ্ডা, কাশি, মাথা ব্যথা, দুর্বলতা, খাওওায় অরুচিআ এবং নিদ্রাহীনতা। শরীরে সঠিক পরিমানে পুষ্টি না থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে কঠিন রোগকে বাসা বাধতে বাঁধা দান করে। তাই, প্রতিদিন চিনা বাদাম খেয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান।

চিনা বাদামের সকল স্বাস্থ্য উপকারিতা উপভোগ করতে প্রতিদিন অবশ্যই একমুঠো চিনা বাদাম খেতে পারেন। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এর জন্য চিনা বাদাম আপনাকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে।

24/12/2017

এলাচ এর উপকারিতা ও ভেষজ গুনাগুন...
এলাচ সুগন্ধি যুক্ত একটি মসলা। এলাচকে বলা হয় মসলার রানী। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচ।এখানে এলাচ থেকে আপনি যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে পারেন তা তুলে ধরা হল।
* এলাচ ও আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।
* দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।
* রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।
* এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।
* মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
* নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়াসহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
* গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।
* এলাচের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।
এই মসলা খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হলেও রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক উপকারিতা যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করে। আশা করি, এখন থেকে আপনারাও এ যথাযথ ব্যবহার করবেন।
আরও কিছু জানতে আমাদের সাথে থাকুন ও সুস্থ জীবন লাভ করুন।
For any types of diseases...
plz contact with doctor..
Dr Md showkat Hossain,
BUASM & LMAF(Medicine)
contact No:- 01911156594,01673391247

24/12/2017

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের কুফল হিসেবে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধি, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা ক্ষতিকর দিক রয়েছে ধূমপানের।

অনেকেই ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কিন্তু নানা কারণে ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৩টি উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব।

এই ১৩টি উপায় হচ্ছে-
০ প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থ্যাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি কামাতে।

০ কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিক নয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।

০ নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।

০ নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
০ একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন।

০ মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।

০ অ্যালকোহল পরিহার করুন।

০ মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্কার করতে চেষ্টা করুন।

০ ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।

০ নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

০ প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান।

০ ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।

০ আর ধূমপান ছাড়ুন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন।

তবে ধুমপান ছাড়া কোনো সহজ কাজ নয়। যারা ১৫-২০ বছর ধরে ধুমপান করছেন তাদের জন্যে ধুমপান ছাড়া খুব ই কঠিন কাজ। কিন্তু কাজটা অসম্ভব নয়। ধুমপানের কারনে সামাজীক এবং পারিবারিক কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে তা অনুধাবন এবং পারিপার্শিক সমর্থন নিয়ে ধুমপান ছাড়া যায়।

কিভাবে ধুমপানের এই আসক্তি থেকে মুক্তি পাবেন তার ধাপে ধাপে বর্ননা দেয়া হল।

- প্রথমে ধুমপান কেনো ছাড়বেন তা খুজে বের করুন। প্রতিটি মানুষ ই ভিন্ন, তাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন কারনটি ই বেছে নিন ধুমপান ছারার জন্যে। এটা হতে পারে আপনার সন্তান এবং পরিবারের ক্ষতির কথা মাথায় রেখে অথবা ধুমপানের শারিরিক কূফলের কথা মাথায় রেখে। একটা পরিষ্কার লক্ষ্য ধুমপান ছারার জন্যে সবচেয়ে বেশি কাজে দেয়।
- যেদিন ধুমপান ছাড়বেন তার তারিখ নির্ধারন করুন, তবে এটা ১ সপ্তাহের বেশি যেন না হয় কারন বেশি দিন হলে আপনি হয়ত বারবার তারিখ পরিবর্তন করবেন। এই ৭ দিনে ধিরে ধিরে ধুমপানের পরিমান কমিয়ে দিন। যদি আপনি এই কয়দিন এই ভেবে বেশি ধুমপান করেন যে আর তো কখনো করবো না তাহলে যেদিন ধুমপান ছাড়বেন সেইদিন আপনার মন বেকে বসবে।

- আপনি যে ধুমপান ছাড়বেন সেটা সবার সাথে শেয়ার করুন। পরিবার এবং বন্ধুদের কাছে শেয়ার করলে আপনার দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং তাদের কাছে ব্যাখ্যা করার সুযোগ পাবেন যে আপনি তাদের কাছ থেকে কি চান, সাধারনত হয়ত চাইবেন কেউ যেনো আপনার সামনে ধুমপান না করে। কোনো বন্ধুকে আপনার সাথেই ধুমপান ছাড়তে উদ্বূদ্ধ করুন। সবার সাপোর্ট ধুমপান ছাড়তে অনেকখানি সহায়তা করে।

- লিখে রাখুন বা মনে রাখুন কখন আপনি ধুমপান করেন। হতে পারে সেটা খাওয়ার পড় অথবা কাজের বিরতির সময়ে। আপনি যখন মনে রাখবেন আপনার ধুমপান করার সময় কখন, তখন আপনি সেই সময় আসার আগেই নিজের মনকে মোটিভেট করতে পারবেন অন্য কোনো কাজের জন্যে।

- যেদিন ধুমপান ছাড়বেন, সেদিন আপনার রুটিন পরিবর্তন করুন। সেই হবে একটা নতুন দিন যা আপনাকে স্বাস্থের প্রতি যত্নবান হতে শেখাবে, তাই নিজেকে দাড় করান পুর্বের ভুল ত্রুটি শুধরিয়ে। যদি আপনার পূর্বের রুটিন থাকে এরকম, আপনি হাটতে বের হবেন, আপনার কুকুর কে নিয়ে হাটবেন এবং সকালের নাস্তার আগে একটা সিগারেট খাবেন, তাহলে এই রুটিন পরিবর্তন করুন। ঠিক করুন এভাবে, আপনি আপনার কুকুর কে নিয়ে হাটবেন, এবং বাসায় ফিরেই গোসল করে নিবেন গরমের ভাবটা দূর করার জন্যে।

- নতুন কিছু করুন এবং নিজেকে ব্যাস্ত রাখুন। এমন কিছু যা আপনাকে শারিরিক ভাবে ধুমপান থেকে বিরত রাখে। কিছু উদাহরন হতে পারে সাতার কাটা, ইয়োগা, ভিডিও গেইম খেলা ইত্যাদী। এমন কিছু যায়গায় বেশি সময় ব্যায় করুন যেখানে ধুমপান নিষিদ্ধ যেমন পশুদের আবাস অথবা শিশুদের হাসপাতাল ইত্যাদী।

- ধুমপান ছাড়ার পর আপনার মনের ইচ্ছাকে লিখে রাখুন। ধুমপান ছাড়ার প্রথম ১ সপ্তাহের ফিলিংস খুব ই খারাপ হবে, তাই এমন ভাবে লিখুন যাতে আপনার আবেগ বা অনুভূতি আপনাকে স্পর্শ করতে না পারে, আপনার সাফল্য এবং মেজাজ যাতে একটা উন্নতির পথে নিয়ে যায় সেভাবে লিখুন। কয়েকমাস ধরে এভাবে লিখলে দেখবেন আপনার লেখায় পরিবর্তন এসেছে এবং ধুমপান না করে আপনি ভাল আছেন সেটা আপনি লিখছেন। যদি আপনি কখোনো আবার ধুমপান শুরুও করেন, এই নোটগুলো আপনাকে সাহাজ্য করবে ধুমপান না করার জন্যে।

- নিজেকে প্রতিদিন পুরষ্কৃত করুন ধুমপান না করার জন্যে। একটি জাড় বা মাটির ব্যাংকে টাকা জমান প্রতিদিন যে টাকা আপনি ধুমপানের জন্যে ব্যয় করতেন। কিছুদিন পর দেখবেন এতো বেশি টাকা জমে গেছে যেটা দিয়ে আপনি হয়ত খেলাধুলার কিছু কিনতে পারছেন অথবা নিজের শারিরিক আরামের জন্যে কোনো কিছু কিনতে পারছেন।

Address

172/4 Hazaribag
Dhaka
1209

Telephone

+8801911156594

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আশরাফী ঔষধালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share