1 Taka Treatment

1 Taka Treatment Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from 1 Taka Treatment, Medical and health, Dhaka.

14/04/2026

Alkaline water!

রোগমুক্ত থাকতে চান?
অ্যালক্যালাইন পানি পান করুন

মানবদেহের জন্য পানি অপরিহার্য। পানি ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব । তাই সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে বিশুদ্ধ এবং পানির প্রাকৃতিক উপাদানসমৃদ্ধ পানীয় জলের বিকল্প নেই। সুস্বাস্থ্য, অধিক কর্মদক্ষতা, ভালো ত্বক, ওজন কমানো এবং শারিরিক বিভিন্ন জটিলতা প্রতিরোধে পানি পানের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পানযোগ্য পানির বেশকিছু উৎস আছে। এগুলো হলো- গভীর নলকূপ, কুয়া, প্রাকৃতিক ঝর্ণা, নদী ও বৃষ্টির পানি। তবে এসব উৎসের পানি হতে হবে বিশুদ্ধ এবং এতে থাকতে হবে পাকৃতিক উপাদান। বর্তমানে জমি চাষে অতিরিক্ত কীটনাশক এবং কলকারখানায় বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে নদী, সমুদ্র, নলকূপ ও কুয়ার পানি আর বিশুদ্ধ অবস্থায় নেই। আমরা বলছি পানি বিশুদ্ধ এবং সেইসাথে পানির সঠিক উপাদান বা অ্যালক্যালাইন পর্যায়ের কথা।
অ্যালক্যালাইন পানিতে থাকা উপাদানগুলো উল্লেখের আগে পানি সম্পর্কে মোটামোটি আকারে কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন।
পানি একটি রাসায়নিক পদার্থ, যার সংকেত হল H2O। পানির একেকটি অণু একটি অক্সিজেন পরমাণু এবং দু'টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সমযোজী বন্ধনে গঠিত। রাসায়নিক যৌগের নামকরণ অনুসারে পানির বিজ্ঞানসম্মত নাম dihydrogen monoxide (ডাইহাইড্রোজেন মোনক্সাইড)। কিন্তু এই নামটি কোথাও ব্যবহার হয় না। পান করার পর শরীর থেকে ঘাম, মূত্র এবং নিশ্বাসের সঙ্গে পানি বর্জ্য আকারে বের হয়ে যায়। পানি উপকারী বলে মাত্রাতিরিক্ত পানি পান করাটাও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গাøস পানি পান করা উচিত, যা প্রায়দুই লিটার হতে পারে।

অ্যালক্যালাইন পানির উপাদান সমূহ:
অ্যালক্যালাইন পানিতে অবশ্যই সোডিয়াম ((Na), পটাশিয়াম (K), ক্যালশিয়াম (Ca) ও ম্যাগনেশিয়াম (Mg) থাকতে হবে। এই চারটি উপাদান ছাড়া পানি কখনো অ্যালক্যালাইনসমৃদ্ধ হবে না।
প্রাকৃতিক অ্যালক্যালাইন পানি পাওয়া না গেলেও দুইভাবে পানিকে অ্যালক্যালাইনসমৃদ্ধ করা যাবে। প্রথমত, ওয়াটার আয়োনাইজার মেশিনের মাধ্যমে অত্যন্ত উৎকৃষ্ট অ্যালক্যলাইন পানি পাওয়া যায়। মেশিনটি পানির ট্যাপের সাথে সংযুক্ত করে দিলেই অটোমেটিক্যালি অ্যালক্যালাইন পানি তৈরী হবে। এই পানি শরীরে ওষুধ হিসাবে কাজ করে।
দ্বিতীয়ত, বিশুদ্ধ পানির সাথে কিছু উপাদান মিশিয়ে অ্যালক্যালাইন পানি তৈরী করা যায়। ২.৫ লিটার বিশুদ্ধ পানিতে একটি মাঝারি সাইজের লেবুর রস এবং চা চমুচের চার ভাগের একভাগ হিমালয়া পিঙ্ক লবণ (এই লবণেসোডিয়াম, পটাশিয়াম , ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ ৮৪ ধরণের মিনারেল উপস্থিত) ভালভাবে মিশিয়ে নিলেই প্রস্তুত হয়ে যাবে অ্যালক্যালাইন পানি। সাধারণ পানির চেয়ে এই পানি পান অনেক স্বাস্থ্যকর। এই পানি পানের ফলে শরীরের অ্যাসিডিক স্কেল কমিয়ে অ্যালক্যালাইন বা রক্তের পিএইচ লেভেল উন্নত হয়।

পিএইচ (PH):
পিএইচ (PH) হলো কোনো তরল পদার্থের অ্যাসিড (H+) এবং অ্যালক্যালাইন (OH-) পর্যায় নির্ণয় স্কেল। যা শূন্য থেকে ৭-এর নিচে থাকলে অ্যাসিডিক এবং ৭-এর ওপর থেকে ১৪ পর্যন্ত অ্যালক্যালাইন। কারো রক্তের পিএইচ লেভেল যদি ৭-এর নিচে নেমে যায় তবে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। যদি 6.8এর নিচে নেমে যায় তবে জ্ঞান হারাতে পারে, এমনকি কোমায় চলে যেতে পারে।
রক্তের পিএইচ-7.35 এর নিচে নেমে যাওয়া মানে আপনি অসুস্থতার দিকে এগিয়ে চলেছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো, আমরা সারাদিন যা কিছু খাই তার ৮০% ভাগ খাদ্যই অ্যাসিডধর্মী (পজিটিভ আয়ন সমৃদ্ধ)। ক্ষতিকর তেলে ভাজা পোড়া, ফাস্টফুড, জাংকফুড, সফট/এনার্জি ড্রিংস- সবই অ্যাসিডধর্মী খাদ্য যা আমাদের শরীরের রাসায়নিক বিক্রিয়াকে ভারসাম্যহীন করে তুলে। পিএইচ ব্যালেন্সকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বডি কেমিস্ট্রিকে অসুস্থতার দিকে নিয়ে যায়। একারণে শরীরে চর্বি জমা, স্থূলতা, হার্টের ধমনী ব্লকেজ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়। কাঁচা শাক-সবজি বিশেষ করে সবুজ পাতা ওয়ালা শাক-সবজি, শসা, খিরা, লাউ প্রভৃতি সবজি, ফর এবং সালাদ শরীরের পিএইচকে অ্যাসিডিক থেকে রক্ষা করে এবং আদর্শ অ্যালকালাইন পর্যায়ে Noe Nee.

Cancer Cells অ্যাসিডিক পর্যায়ে দ্রুত বৃদ্ধি হয়, কিন্তু অ্যালকালাইন পর্যায় বৃদ্ধি হ্রাস পায়। মানব দেহকে যদি সবসময় অ্যালকালাইনের আদর্শ পর্যায়ে রাখা যায় তবে ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কেননা ক্যান্সার কোষ অক্সিজেন পরিবেশে can’t survive. আক্রান্ত এলাকায় রক্ত চলাচল নিরবচ্ছিন্ন রাখা বা বাড়ানো অর্থাৎ অ্যালকালাইন বৈশিষ্ট্যের রক্ত (যা অক্সিজেন সমৃদ্ধ) ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখা দরকার, যখনই শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দেয়, তখনই শরীরের কোটি কোটি কোষ অ্যাসিডিক হতে শুরু করে। পিপাসা লাগা মানেই পানির স্বল্পতা। সুতরাং শরীরের একশত ট্রিলিয়ান কোষকে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কর্মক্ষম রাখতে, রক্তপ্রবাহ সমুন্নত রাখতে, ব্রেনে ও চোখে পানির প্রবাহ যথার্থ রাখতে, কিডনি এবং হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখতে আদর্শ পরিমাণ পানি আপনাকে পান করতেই হবে।

অ্যালক্যালাইন পানি পানের উপকারিতাঃ
১। অ্যালকালাইন পানি শরীরে অ্যাসিড ও অ্যালক্যালাইনের সমতা আনে ।
২। অ্যালকালাইন পানিতে অ্যাসিড দ্রুত দ্রবীভূত হওয়ায় শরীরের দুষিত বা বর্জ্য পদার্থ যথার্থভাবে নিষ্কাশন হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৩। এই পানি ডায়াবেটিস, হার্ট ও মস্তিষ্ক জনিত রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ইউরিক অ্যাসিডসহ বিভিন্ন রকম জটিল রোগ নিয়ন্ত্রন করে।
৪। অ্যালকালাইন পানি নিয়মিত পানে রক্তে লিপিড ও উচ্চ রক্ত চাপ কমায়।
৫। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, ডায়রিয়া, পাকস্থলী ও অন্ত্রের যাবতীয় সমস্যা দূর করে।
৬। আর্থ্রাইটিস (বাতজনিত রোগ) নিয়ন্ত্রন করে এবং যেসব রোগ অত্যধিক অ্যাসিডের কারনে শরীরে বাসা বাঁধে সেগুলো নিয়ন্ত্রন করে।
৭। অ্যালকাইন পানি নিয়মিত পান বাধর্ক্য জনিত শারিরিক ও মানসিক রোগসমূহ প্রিতিরোধ করে।
৮। চোখে ছানি পড়া, ধমনী গাত্রে চর্বি জমা প্রতিরোধ করে।
৯। শরিরে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সবরাহের কারণে পর্যাপ্ত ঘুম হয়।
১০। গর্ভকালিন নিয়মিত এই পানি পান করলে মা ও শিশু উভয়েই উপকৃত হয়।

Dr. Mujibur Rahman M.D
Cardiologist & Naturopath

30/03/2026

সারাদেশেই হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে।
শিশুর হাম হলে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ
(((জ্বর, র‍্যাশ, সর্দি-কাশি এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া)))
অবহেলা করবেন না প্লিজ

শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখুন : ডিটক্স ওয়াটারের জাদুকরী উপকারিতা !সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই । আর সেই পা...
16/03/2026

শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখুন : ডিটক্স ওয়াটারের জাদুকরী উপকারিতা !
সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই । আর সেই পানিতে যদি থাকে প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু উপাদান, তবে তা হয়ে ওঠে 'ডিটক্স ওয়াটার' । এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) বের করে আপনাকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে ।

✅ ডিটক্স ওয়াটারের মূল উপকারিতা :

১. টক্সিন দূর করে : পানি, লেবু এবং শসার মিশ্রণ প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে ।

২. মেটাবলিজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ : নিয়মিত ডিটক্স ওয়াটার পান করলে শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, যা ফ্যাট বার্ন করতে এবং ওজন কমাতে সহায়ক ।

৩. উজ্জ্বল ত্বক : পর্যাপ্ত হাইড্রেশন এবং ভিটামিন-সি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে, ফলে ত্বক ভেতর থেকে গ্লো করে ।

৪. হজমে সহায়তা : লেবু ও আদা পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা উপশমে সাহায্য করে ।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা : এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন-সি ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে ।

৬. প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার : চিনিযুক্ত পানীয়র বদলে এটি পান করলে শরীরে দ্রুত শক্তি পাওয়া যায় এবং ক্লান্তি দূর হয় ।

🍋 ডিটক্স ওয়াটার প্রস্তুত প্রণালী :

☑️ উপকরণ :

১ লিটার বিশুদ্ধ পানি ।
১টি মাঝারি লেবু (গোল গোল টুকরা করা) ।
অর্ধেকটি শসা (পাতলা স্লাইস করা) ।
৫-৬টি তাজা পুদিনা পাতা ।
সামান্য আদা কুচি ।
এক চিমটি পিংক সল্ট (ঐচ্ছিক) ।

✅ প্রস্তুত পদ্ধতি : একটি কাঁচের জারে বা বোতলে সব উপকরণ মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন । এরপর সারাদিন অল্প অল্প করে পান করুন । এই পানি শেষ হলে আবার পানি যোগ করতে পারবেন । তবে সতেজতা বজায় রাখতে ১২-১৪ ঘণ্টার বেশি এক মিশ্রণ ব্যবহার না করাই ভালো ।

⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা :

তিতা ভাব এড়াতে : লেবুর খোসা দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকলে পানি তিতা হয়ে যেতে পারে । তাই ৪-৫ ঘণ্টা পর লেবুর টুকরোগুলো তুলে ফেলা ভালো ।

দাঁতের সুরক্ষা : লেবুর এসিড দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করতে পারে । তাই ডিটক্স ওয়াটার পানের পর সাধারণ পানি দিয়ে মুখ কুলকুচি করে নিন ।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা : যাদের তীব্র এসিডিটি আছে, তারা খালি পেটে অতিরিক্ত লেবু বা আদা মিশ্রিত পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন ।

কিডনি ও অন্যান্য রোগ : দীর্ঘমেয়াদী কোনো রোগ থাকলে ডিটক্স ওয়াটার নিয়মিত শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।

✨ টিপস : ডিটক্স ওয়াটার ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা পান করলে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ দীর্ঘক্ষণ অটুট থাকে ।

🔥 পায়ে আগুনের মতো জ্বালা-পোড়া হচ্ছে❔ কারণটা জানেন কি❓অনেকেই রাতে বা বিশ্রামের সময় পায়ে জ্বালা-পোড়া, ঝিনঝিন বা সূচ ফোটার ...
16/03/2026

🔥 পায়ে আগুনের মতো জ্বালা-পোড়া হচ্ছে❔ কারণটা জানেন কি❓
অনেকেই রাতে বা বিশ্রামের সময় পায়ে জ্বালা-পোড়া, ঝিনঝিন বা সূচ ফোটার মতো ব্যথা অনুভব করেন। অনেক সময় এটিকে সাধারণ সমস্যা মনে করা হলেও এটি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ রোগের লক্ষণ হতে পারে।

🔎 সম্ভাব্য কারণ
✔️ ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি (ডায়াবেটিসের কারণে স্নায়ু ক্ষতি)
✔️ ভিটামিন B12 বা B-কমপ্লেক্সের অভাব
✔️ Peripheral neuropathy
✔️ থাইরয়েড সমস্যা
✔️ ফাঙ্গাল ইনফেকশন (Athlete’s foot)
✔️ দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা বা টাইট জুতা

⚠️ যেসব লক্ষণ দেখা যায়
• পায়ে জ্বালা-পোড়া
• ঝিনঝিন বা অবশ ভাব
• সূচ ফোটার মতো ব্যথা
• রাতে বেশি সমস্যা হওয়া

🛡️ প্রতিরোধের উপায়
✔️ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা
✔️ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
✔️ আরামদায়ক জুতা ব্যবহার
✔️ নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম
✔️ পা পরিষ্কার ও শুকনা রাখা

💊 চিকিৎসা
কারণের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয় যেমনঃ
• Vitamin B1, B6, B12
• Pregabalin / Gabapentin
• Alpha-lipoic acid
• প্রয়োজন হলে antifungal medicine

🏠 ঘরোয়া কিছু উপায়
✔️ ঠান্ডা পানিতে ১০–১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখা
✔️ পায়ের হালকা ম্যাসাজ
✔️ পর্যাপ্ত পানি পান

📢 মনে রাখবেন:
দীর্ঘদিন পায়ে জ্বালা-পোড়া থাকলে অবহেলা করবেন না। এটি অনেক সময় ডায়াবেটিস বা স্নায়ুর সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।






11/03/2026

👉🏿 খালি পেটে প্রতিদিন ডিম খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে
এবং
খাবারে অতিরিক্ত লবণ খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।

11/03/2026

হলুদ: ক্যান্সার, গনোরিয়া, সিফিলিস প্রতিরোধ করে।
আদা: হজম বৃদ্ধি করে, গলা পরিষ্কার করে।
রসুন: উচ্চ রক্তচাপ, চর্বি, হাঁপানি প্রতিরোধ করে।
পেঁয়াজ: হরমোন তৈরি করে, টক্সিন দূর করে।

লবণযুক্ত বা ভাজা বাদামের তুলনায় কাঁচা বাদাম বেশি উপকারী, এবং বাদামের বাটারের তুলনায় আস্তো বাদাম খাওয়াই ভালো।গবেষণায় ...
07/03/2026

লবণযুক্ত বা ভাজা বাদামের তুলনায় কাঁচা বাদাম বেশি উপকারী, এবং বাদামের বাটারের তুলনায় আস্তো বাদাম খাওয়াই ভালো।
গবেষণায় (Interventional trials) দেখা গেছে যে বাদাম খাওয়া রক্তনালী এর কার্যকারিতা উন্নত করে। বাদাম আমাদের রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে পারে, কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে, প্রদাহ কমায়, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করে এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুগুলোকেও পুষ্টি জোগায়।

27/02/2026

অন্ডকোষ শুকিয়ে ছোট হয়ে যেতে পারে, দীর্ঘদিনের ঘুমের ঘাটতি তে।

25/02/2026

ভুঁড়ি বাড়লে টেস্টোস্টেরন(পুরুষ যৌন রস) ইস্ট্রোজেন (মহিলা যৌন রস) এ পরিনত হয়।

06/09/2025

লেবু পানি:
চিনি ছাড়া লেবু পানি পান করলে লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড কি'ডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁ'কি কমায়।
সকালে বা দুপুরে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

21/08/2025

তেতো করলার উপকারিতা:
ভিটামিন সি, ভিটামিন এ রয়েছে,ডায়েটারি ফাইবার যোগায়,ওজন কমাতে সহায়ক,রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

রোগীকে কখন কোন স্যালাইন দিতে হয়?IV fluid: Intravenous /parenteral (সরাসরি রক্ত নালিকা vein যে fluid বা সেলাইন দেয়া হয়)এখ...
18/08/2025

রোগীকে কখন কোন স্যালাইন দিতে হয়?

IV fluid: Intravenous /parenteral (সরাসরি রক্ত নালিকা vein যে fluid বা সেলাইন দেয়া হয়)

এখন প্রশ্ন হল কেন fluid (স্যালাইন) দেব.?

----> প্রথমত, রোগী যদি মুখে প্রর্যাপ্ত পরিমানে খেতে পাড়ে তাহলে IV fluid দেয়ার দরকার নেই

----> কোন কারনে রোগীর Fluid Volume কমে দেহ্যদ্রাতিওন (পানিশূন্যতা) হয় তখন IV. Fluid (স্যালাইন) দেয়া হয়। এটার অনেক কারন আছে। সেদিকে না যাই।

চলুন যেনে নেই কি ধরনের IV স্যালাইন বাজারে পাওয়া যায়।

1) NS (Normal Saline):

----> কি এট?

0.9% Nacl + DW (Distilwater) হল Narmal Saline অথাৎ 100mL DW এর সাথে ০.৭ mg Nacl বা লবন থাকবে। বাংলা কথায় লবণ পানি তাহলে ৫০০ml কতটুকু লবণ থাকবে.? আশা করি বুঝেছেন

---> প্যাকেটের রং.?

হলুদ

--->কেন দিব.?

* Fluid Volume কম থাকলে

*Hypotension (রক্তচাপ কমে যাওয়া) থাকলে (Nacl incresae the BP) অনেক আছে বড় করবো না।

2).CS(Cholera Saline)

--->এটা তে কি আছে.?

★Na+: 39/L

★CL: 3.59/L

★K+ :0.59/L

★Acetate: 2.59/L

--->প্যাকেটের রং

লাল

---->কেন দিব.?

সাধারনত Dehydration correction (পানিশূন্যতা নিরাময়) এর জন্য

3) 5%DA (Dextrose in Aqua) Dextrose মানে "গ্লুকোজ" Aqua মানে "পানি "

5% DA মানে 100ml Water মধ্যে 59 glucose.

Note: 10%DA, 25% DA 50%DA শুধু পানির সাথে গ্লুকোজ এর ঘনত্বের পার্থক্য।

----> প্যাকেটের রং

এটার Blue রং এর ব্যাগ

--->কেন দিব??

যেসব রোগী প্রর্যাপ্ত খেতে পাড়ে না। Parental Nutrition হিসেবে। মোট কথা মুখে খাবার বন্ধ থাকলে।

4)5%DNS (Dextrose in Normal Saline) অথাৎ Normal

Saline + glucose

কোনটা কতটুকু নিশ্চই বুঝতে পাড়ছেন

---> প্যাকেটের রং কি.?

সবুজ রং এর ব্যাগ

---> কেন দিব.?

NS+ 5%DA দেখুেন

5) HS (Hartman's Solution)

----> এটা কি.?

একজন বিজ্ঞানীর নামে এর নাম করন করা হইছে।

Combination:

NaOH 1.5g/L

NaCL 6.0g/L

KCL. 0.40g/L

Cacl2: 0.279/L

Lactid Acid: 2.40ml

----> প্যাকেটের রং? কোন নির্দিষ্ট নেই

---> কেন দিব?

Volume maintain (ভারসাম্য নিওন্তন) Dehydration (পানিশূন্যতা) Burn (পূড়ে যাওয়া)

এগুলো ছাড়া বাজারে কিছু Nutritional, plasma Fluid essential amino acid পাওয়া যায় (CLinosol / clinosol gold)

গুলো সাধারনত Nutrition maintain করার জন্য ব্যবহার হরা হয়।

বিদ্র: অযথা FLuid দিলে Fluid overload হতে পাড়ে। তাতে HTN, HF, pulmonary oedema, Electrolyte imbalances (Hypernatrimaemia, Hyperkalaemia) হতে পাড়ে। তাই অযথা fuild (স্যালাইন) দেয়া বন্ধ করুন। ধন্যবাদ সবাইকে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 1 Taka Treatment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share