Emon's Nursing Notes

Emon's Nursing Notes � Nursing Student | Mahmudul Hasan Emon
� Learn • Care • Inspire
� Sharing health tips & my nursing

🧪 বায়োকেমিস্ট্রি  বিভাগের রক্ত পরীক্ষার হালনাগাদ মূল্য তালিকা-📍 স্থান: রেজমেন্ট-১, আউটডোর ১ ও ২ নং ভবন,বাংলাদেশ মেডিক্যা...
19/01/2026

🧪 বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের রক্ত পরীক্ষার হালনাগাদ মূল্য তালিকা-

📍 স্থান: রেজমেন্ট-১, আউটডোর ১ ও ২ নং ভবন,
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
শাহবাগ, ঢাকা

⏰ আউটডোর সেবা: সকাল ৮ ঘটিকা থেকে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকা
📆 নির্ধারিত কর্মদিবসঃ শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ( শুক্রবার ও সরকারি অন্যান্য ছুটির দিন ব্যতীত)

🧾রিপোর্ট প্রাপ্তি স্থানঃ পরেরদিন ১নং আউটডোর ভবনের নিচতলার ৭ নং কাউন্টার ( বিশেষ কিছু টেস্ট ব্যতীত)

পরের দিন সংগ্রহ না করলে অর্থাৎ পরনো রিপোর্ট সংগ্রহ ২ নং আউটডোর ভবনের নিচতলার ৯ নং কাউন্টার

বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে।
#

কি ভয়ানক একটা কন্ডিশন!Post Partum Psychosis ( প্রসব পরবর্তী মানসিক রোগ) একটা পোস্ট থেকে জানতে পারলাম একজন ভদ্রমহিলা ৮ দি...
13/01/2026

কি ভয়ানক একটা কন্ডিশন!

Post Partum Psychosis ( প্রসব পরবর্তী মানসিক রোগ)

একটা পোস্ট থেকে জানতে পারলাম একজন ভদ্রমহিলা ৮ দিন আগে সন্তান প্রসব করেছেন। কিন্তু কাল থেকে তিনি এমন অস্বাভাবিক আচরণ করছেন যে সে তার বাচ্চাকে হ' ত্যা করে র' ক্ত খেতে চায়।

মেডিকেলের ভাষায় পেশেন্টের এই কন্ডিশনের নাম Postpartum Psychosis.

Postpartum Psychosis হলো প্রসবের পর মায়ের মধ্যে দেখা দেওয়া একটি গুরুতর মানসিক সমস্যা। একটা জরুরি মানসিক অবস্থা, যা সাধারণত প্রসবের ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে শুরু হয়।

এই সমস্যার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো আসলে কি?

১. Delusion:
মা অযৌক্তিক ভাবে নানান জিনিস বিশ্বাস করতে শুরু করে, যেমন, শিশুটি শয়তান, কেউ তাকে ক্ষতি করতে চায় ইত্যাদি।

২. Hallucination:
এমন কিছু দেখা বা শোনা যা বাস্তবে নেই। যেমন সে শুনতে থাকবে যে কেউ তাকে বলছে তোমার শিশুকে আঘাত করো।

৩. Mood swing:
হঠাৎ খুব খুশি, আবার খুব দুঃখী, অথবা চরম উত্তেজিত হয়ে যাওয়া।

তাছাড়া মায়ের মধ্যে Confusion ও Suicidal thought ও আসতে পারে।

তাই এই সময়ে মায়ের যথাযথ শক্তি ও সাহস হন। আমাদের দেশের প্রথাগত রিচুয়ালস থেকে বের হয়ে আসুন। প্রসবের পর নবজাতক শিশুর মতই একজন মায়ের যত্ন নিন। পারিবারিক কলহকারণে মানসিক আঘাত ও পূর্ববর্তী কোন ট্রমা এই রোগের কারণ হতে পারে। তাই প্রসব পরবর্তী সময়ে মায়ের যথাযথ যত্ন নেয়া ও ফলো আপে রাখা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

Key points
09/01/2026

Key points

নাকের মাংস বাড়া মানেই কি পলিপাস?ভুলেও নাকে এসিড লাগাবেন না।গ্রামগঞ্জে খুব পরিচিত একটি দৃশ্য আছে। নাক বন্ধ হলেই বলা হয়, “...
07/01/2026

নাকের মাংস বাড়া মানেই কি পলিপাস?
ভুলেও নাকে এসিড লাগাবেন না।
গ্রামগঞ্জে খুব পরিচিত একটি দৃশ্য আছে। নাক বন্ধ হলেই বলা হয়, “পলিপাস হয়েছে।” তারপর হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে নাকে এসিড লাগানো হয়। কয়েকদিন পর পোড়া মাংস খসে পড়ে। মানুষ ভাবে রোগ সেরে গেছে।
কিন্তু বাস্তবে তখন শুরু হয় আজীবনের ক্ষতি।
আগে একটি সত্য জানুন
নাকের ভেতরে যে “মাংস” দেখা যায়, সবটাই রোগ নয়।
টারবিনেট কী?
নাকের ভেতরে দুই পাশে তিনটি করে স্বাভাবিক গঠন থাকে, যাকে টারবিনেট বলা হয়। এগুলো বাতাসকে গরম ও আর্দ্র করে ফুসফুসে পাঠায়। ঠান্ডা, অ্যালার্জি বা ধুলাবালিতে এগুলো ফুলে যেতে পারে। এটাকে বলে টারবিনেট হাইপারট্রফি।
এটা কোনো বাড়তি মাংস নয়। এটা আপনার শরীরের দরকারি অংশ।
পলিপাস কী?
পলিপাস হলো আঙুরের মতো নরম, ফ্যাকাসে রঙের অতিরিক্ত মাংসপিণ্ড। সবার হয় না। দেখতে টারবিনেটের মতো নয়।
এই দুইটা আলাদা জিনিস। কিন্তু হাতুড়ে চিকিৎসকেরা ইচ্ছে করেই এই পার্থক্য বোঝায় না।
নাকে এসিড লাগানোর ভয়াবহ পরিণতি
নাকে লাগানো এসিড নাকের কোমল ভেতরের আবরণ পুড়িয়ে ফেলে। এর ক্ষতি অনেক সময় আর ফেরানো যায় না।
নাকের মাঝখানের পর্দা ফুটো হয়ে যেতে পারে
আজীবন নাক দিয়ে রক্ত পড়া ও শ্বাসে শিসের শব্দ হতে পারে
নাকের ভেতর দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে, যা রোগী নিজে টের পায় না
ঘ্রাণশক্তি চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে
নাকের ভেতর দেয়ালগুলো জোড়া লেগে শ্বাসের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে
এসব তথ্য মেডিকেল গবেষণায় প্রমাণিত।
মানুষ কেন ধোঁকায় পড়ে?
টারবিনেট ফুলে গেলে সেটা লালচে ও বড় দেখায়। আয়না দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়।
এসিড লাগানোর পর যখন পোড়া অংশ ঝরে পড়ে, তখন মানুষ মনে করে “রোগ সেরে গেছে।”
আসলে তখন সে তার একটি দরকারি অঙ্গ হারায়, আর ভবিষ্যতের বড় সমস্যার দরজা খুলে দেয়।
সঠিক চিকিৎসা কী?
আধুনিক চিকিৎসায় নাকে এসিড লাগানোর কোনো জায়গা নেই।
ওষুধ ও নাকের স্প্রে দিয়ে ফোলা কমানো হয়
প্রয়োজন হলে লেজার বা রেডিওফ্রিকোয়েন্সি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়
সত্যিকারের পলিপাস হলে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ দ্বারা নিরাপদ অপারেশন করা হয়

নাক বন্ধ মানেই পলিপাস নয়।
হাড় বাঁকা হওয়া, অ্যালার্জি বা টারবিনেট ফুলে গেলেও নাক বন্ধ থাকে।
নাক শুধু শ্বাস নেওয়ার পথ নয়, এটি আপনার স্বাস্থ্যের অংশ।
সস্তা হাতুড়ে চিকিৎসার লোভে একে আজীবনের জন্য নষ্ট করবেন না।
এই তথ্যগুলো শেয়ার করুন।
আপনার একটি শেয়ার হয়তো কাউকে স্থায়ী ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পারে।

📌Topic: Inj. Vitamin K-one কেউ নবজাতককে মুখে (Orally) খাওয়ায়, আবার কেউ Intramuscular (IM) দেয়। তাহলে কোনটি সঠিক এবং ব...
04/01/2026

📌Topic: Inj. Vitamin K-one কেউ নবজাতককে মুখে (Orally) খাওয়ায়, আবার কেউ Intramuscular (IM) দেয়। তাহলে কোনটি সঠিক এবং বেশি কার্যকর পদ্ধতি - জেনে নিন 👇

🔴 নবজাতকে Vitamin K দেওয়ার সবচেয়ে সুপারিশকৃত পদ্ধতি হল:
➤ Intramuscular (IM) injection, single dose at birth.
এইটা WHO, CDC, এবং AAP (American Academy of Pediatrics) এর নির্দেশিকা অনুযায়ী।

✅ কেন IM route দেওয়া হয় ?

▪️Vitamin K fat-soluble - তাই নবজাতকের লিভার ঠিকমতো absorb করতে পারে না যদি তা oral দেওয়া হয়।
▪️IM route দিলে ধীরে ধীরে absorb হয় এবং একবার ইনজেকশনেই প্রতিরোধ গড়ে উঠে 4-6 সপ্তাহ পর্যন্ত।
▪️এটি Vitamin K deficiency bleeding (VKDB) প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর প্রমাণিত।

✅ তাহলে oral Vitamin K কেন দেওয়া হয় ?

Oral route কিছু দেশে বা কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয়, যেমন:

▪️যখন মা-বাবা ইনজেকশন দিতে রাজি নয়।
▪️যেসব দেশে IM Vitamin K পাওয়া যায় না বা logistic সমস্যা থাকে।
▪️তখন multiple dose oral regimen দেওয়া হয়, যেমন:

• Birth এ 2 mg orally
• Then 2 mg at 1 week
• Then 2 mg at 4 weeks

✔️ কিন্তু এই oral dose regimen less effective এবং compliance দরকার (ভবিষ্যতে ফলোআপ ডোজ নিশ্চিত করা), তাই IM এখনো preferred।

⚠️ Note:

Oral regimen classic VKDB প্রতিরোধ করতে পারে, কিন্তু late VKDB প্রতিরোধে দুর্বল।

✅ কেন Vitamin K দরকার নবজাতকের ?

নবজাতকদের Vitamin K deficiency bleeding (VKDB) হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কারণ:
▪️নবজাতকের লিভারে Vitamin K store কম থাকে।
▪️প্লাসেন্টা দিয়ে Vitamin K খুব কম পরিমাণে যায়।
▪️জন্মের পর gut flora না থাকায় শরীর নিজে থেকে Vitamin K তৈরি করতে পারে না।
▪️বুকের দুধে Vitamin K এর পরিমাণ খুব কম (formula milk-এ কিছু বেশি থাকে)।

✅ Vitamin K Deficiency Bleeding (VKDB) কী ?

VKDB = নবজাতকের শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় clotting factor তৈরি না হওয়া, যার ফলে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

VKDB এর ৩ রকম:

▪️Early → 0–24 ঘন্টার মধ্যে → Internal bleeding (মস্তিষ্কে, পেটের ভেতরে), বিশেষ করে যাদের মায়েরা anticonvulsant বা anti-TB ওষুধ খেয়েছে
▪️Classic → 1–7 দিন → নাভি, পাকস্থলী, বা কেটে গেলে রক্তপাত
▪️Late → 2–12 সপ্তাহ → মস্তিষ্কে বা অন্তঃস্থলে ভয়ানক রক্তক্ষরণ (life-threatening)

✅ Vitamin K দেওয়ার সুবিধা:

▪️প্রায় 100% VKDB প্রতিরোধ করা যায় IM route ব্যবহার করলে।
▪️IM দেওয়ার পর 4–6 সপ্তাহ পর্যন্ত শরীরে রয়ে যায়, ধীরে ধীরে absorb হয়।
▪️এটি newborn screening এর সাথে একসাথে দেওয়া যায়।

🇧🇩 বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট:

▪️সরকারি EPI (Expanded Program on Immunization) টিকাদান কার্যক্রমে Vitamin K অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে অনেক হাসপাতালে রুটিনে দেওয়া হয়।

▪️কিছু প্রতিষ্ঠানে বা স্থানীয়ভাবে oral dose ব্যবহার করা হয় (বিশেষ করে পরিবার রাজি না থাকলে), তাই মুখে খাওয়ানোর ব্যাপারটা বাস্তবে দেখা যায়।

▪️কিন্তু প্রশ্নের উত্তর, বই, viva, ও আন্তর্জাতিক গাইডলাইনের আলোকে IM route-ই সঠিক।

“স্ট্রোক শুধু ব্রেনেই হয় না — জিহ্বায়ও স্ট্রোক হতে পারে।অনেকে ভাবেন রক্ত জমাট (clot) হলে শুধু ব্রেনেই স্ট্রোক হয়।কিন্তু ...
17/12/2025

“স্ট্রোক শুধু ব্রেনেই হয় না — জিহ্বায়ও স্ট্রোক হতে পারে।
অনেকে ভাবেন রক্ত জমাট (clot) হলে শুধু ব্রেনেই স্ট্রোক হয়।
কিন্তু Atrial Fibrillation থাকলে এই clot শরীরের যেকোনো ধমনীতে যেতে পারে—এমনকি জিহ্বার রক্তনালী (lingual artery) তেও।

একে বলে Lingual artery thromboembolism। এটি হলে দেখা দিতে পারে—
• হঠাৎ জিহ্বায় ব্যথা ও ফুলে যাওয়া
• সুস্থ ও মৃত টিস্যুর মাঝে স্পষ্ট দাগ
• কথা বলা বা গিলতে কষ্ট
• গুরুতর হলে শ্বাসনালী ঝুঁকিতে পড়া

❗ সংক্রমণ বা ক্যান্সারের মতো ধীরে হয় না—হঠাৎ শুরু হয় এবং রঙের পরিবর্তন খুব স্পষ্ট থাকে।

⚠️ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
• Atrial fibrillation রোগীদের নিয়মিত blood thinner দরকার
• না নিলে clot শুধু ব্রেন নয়—কিডনি, প্লীহা বা জিহ্বাতেও স্ট্রোক করতে পারে

💡 মনে রাখবেন:
হঠাৎ জিহ্বায় ব্যথা, ফোলা বা রঙ পরিবর্তন হলে এটা শুধু ঘা বা অ্যালার্জি নাও হতে পারে—এটি হতে পারে জরুরি ভাসকুলার সমস্যা।

আমাদের ব্যস্ত জীবনে আমরা অনেক সময়ই রোদ থেকে দূরে থাকি-অফিস, বাসা, বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের ভেতরেই দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে...
05/12/2025

আমাদের ব্যস্ত জীবনে আমরা অনেক সময়ই রোদ থেকে দূরে থাকি-অফিস, বাসা, বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের ভেতরেই দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায়।

একটু সময় বের করে প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ালেই শরীরের সাথে আপনার মনও পেতে পারে উপকার!

কেন রোদে থাকা মন ভালো রাখে?

➤ ভিটামিন D তৈরি হয়:

সূর্যের ইউভি-বি রশ্মি ত্বকে লেগে ভিটামিন D তৈরি করতে সাহায্য করে, যা হাড় ও দাঁতের জন্যই নয়, মানসিক সুস্থতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন D-র ঘাটতি হলে মেজাজ খারাপ, মন খারাপ, দুশ্চিন্তায় পড়া, এবং ডিপ্রেশন-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।

➤ মুড বুস্টার:

রোদ আমাদের মস্তিষ্কে Serotonin (সেরোটোনিন) বাড়াতে সাহায্য করে, যে হরমোন মুড ভালো রাখে, মন হালকা করে এবং ডিপ্রেশন-উদ্বেগ কমাতে দারুন ভূমিকা রাখে।

➤ ডিপ্রেশন ঝুঁকি কমাতে পারে :

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন একটু হলেও রোদে থাকেন, তাদের মধ্যে ডিপ্রেশনের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেক কম।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ঠিকমতো সূর্যের আলো পান না এবং যাদের ভিটামিন D কম, তাদের মধ্যে ডিপ্রেশন বেশি দেখা যায়। আর যারা নিয়মিত রোদে থাকেন, তাদের ডিপ্রেশনের মাত্রা অনেক কম। (PMC)

আরেক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পর্যাপ্ত সূর্যালোক পাওয়া মানুষদের মধ্যে ডিপ্রেশন হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২৭% পর্যন্ত কম। (PubMed)

আরও কিছু স্টাডিতে পাওয়া গেছে, প্রতিদিন সামান্য সময় রোদে থাকা বা বাইরে হাঁটা, মুড ভালো রাখা, ঘুম ঠিক রাখা এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে। (MDPI)

✓ রোদে যাওয়ার সঠিক উপায়:

→ ভোর ১০টা – বিকেল ৩টার মধ্যে ১০-১৫ মিনিট রোদে থাকাই সবচেয়ে ভালো, এতে ভিটামিন D ভালো পাওয়া যায়।

→ হাতে ও পায়ে (অথবা গায়ের কিছু অংশ) রোদ লাগলে ভিটামিন D বেশি তৈরি হয়।

→ দেহ বা ত্বকে সরাসরি রোদ লাগাতে হবে। জানালা দিয়ে আসা রোদ থেকে আপনি ভিটামিন D পাবেন না।

তাই থেকেই চেষ্টা করুন কাজের ফাঁকে একটু বের হোন, হাঁটুন, হাত-পায়ে রোদ লাগান, আপনার মন স্বাভাবিকভাবেই ভালো হয়ে যাবে।

⏰এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স(Antibiotic resistance)⏰  "আজকের অবহেলা, আগামী দিনের বড় সংকট"এন্টিবায়োটিক জীবাণু ধ্বংস করে আম...
21/11/2025

⏰এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স(Antibiotic resistance)⏰

"আজকের অবহেলা, আগামী দিনের বড় সংকট"

এন্টিবায়োটিক জীবাণু ধ্বংস করে আমাদের সুস্থ করতে সাহায্য করে। কিন্তু ভুল ব্যবহার করলে জীবাণুগুলো নিজেরাই শক্তিশালী হয়ে উঠে—এই অবস্থাকে বলা হয় এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। তখন সাধারণ এন্টিবায়োটিক আর কাজ করে না, রোগও সহজে সারে না।

🔍 কেন এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাড়ছে?
• নিজে নিজে এন্টিবায়োটিক খাওয়া�• চিকিৎসকের নির্দেশ না মেনে ডোজ অসম্পূর্ণ রাখা�• ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশিতে অকারণে এন্টিবায়োটিক চাওয়া/দেওয়া�• ফার্মেসিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া সহজে পাওয়া�• অতিরিক্ত ও অযথা ব্যবহারের কারণে ব্যাকটেরিয়ার বুদ্ধিমান হয়ে ওঠা

⚠️ ভবিষ্যতের বিপদ কোথায়?
যদি এখনই সচেতন না হই—�• সাধারণ সংক্রমণও মারাত্মক রোগে পরিণত হবে�• সার্জারি, ডেলিভারি, ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট—সবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে�• শক্তিশালী জীবাণুর কারণে নতুন এন্টিবায়োটিক কাজ নাও করতে পারে�• বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে

🍁 কী করণীয়?
• চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনো এন্টিবায়োটিক খাবেন না�• ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন�• ভাইরাসে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না—এটা মনে রাখুন�• সবাইকে সচেতন করুন

"🍃আজকের সঠিক সিদ্ধান্ত, আগামী দিনের সুরক্ষা"🌱

👉👉নিচের রিপোর্ট খেয়াল করুন। ৫০ বছরের এক মহিলার উপসর্গ ছিলো কাশি ও জ্বর। যা কোন ভাবেই সেরে উঠতে ছিলোনা। অত:পর তার কাশির কালচার করে দেখা গেলো কোন কমন, ইভেন দামি এন্টিবায়োটিক ও কাজ করবেনা। মানে রেজিসটেন্স(R). যদি কোন টা কাজ করতো তবে (S) সেন্সিটিভ দেখাতো। এখন এই মহিলা পেসেন্ট এর ক্ষেত্রে কি হবে? বা হতে পারে?


যিনি অন্য প্রফেশন নিয়ে কথা বললো!! তার উচিত ছিলো আগে সেই প্রফেশনের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে স্টাডি করে নেওয়া ; একজন নার্স  ...
10/11/2025

যিনি অন্য প্রফেশন নিয়ে কথা বললো!! তার উচিত ছিলো আগে সেই প্রফেশনের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে স্টাডি করে নেওয়া ; একজন নার্স হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, জব এর এর ক্ষেত্রে কি কি ফেস করে ১০ম গ্রেড এর সেকেন্ড ক্লাস অফিসার হতে পারে!! না যেনে কথা বলে সে তার নিজের যোগ্যতার উপর প্রশ্ন তুললো!! ম্যাডাম একটা প্রিলি দিয়ে তো শিক্ষক হয়ে গেছেন এবার পারলে নার্স হয়ে দেখান তো? দেখাবেন কিভাবে ম্যাডাম সেই যোগ্যতাই তো আপনার নেই আর এই জীবনে অর্জন ও করতে পারবেন না কিন্তু জানেন তো একজন বিএসসি নার্স সে নার্স পাশাপাশি সে একজন শিক্ষক ও সে চাইলেই আপনার পদ টা নিতে পারবে কারন তার সেই যোগ্যতা আছে।।

যে "শিক্ষক" "নার্স" দের সাথে নিজেদের অবস্থানের তুলনা করেন!তাদের বলবো,আপনারা সাপ্তাহে দুটো করে ,মাসে ৮ টা নাইট করেন। কোন সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানোর দায়িত্ব নেন।ঈদের দিন ,পূজোর দিন বা ধর্মীয় কোন উৎসবে বাড়ির সবার সাথে না কিটিয়ে বিদ্যালয়ে কাটান শিক্ষা দান করেন।ক্লাসে পড়ানোর সময় চেয়ারে এক সেকেন্ড এর জন্য রেস্ট নিবেন না ,ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবেন শিক্ষার্থীদের পাশে -৭ঘন্টা ,১২ঘন্টা।
তার পর আপানারা না হয় তুলনা করবেন। 😊

দাবি আদায়ের জন্য অন্য প্রফেশন কে টার্গেট করে বলার খুব প্রয়োজন ছিল না।
নিজেদের অবস্থান সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারলে দাবি বাস্তবায়ন আটকানোর ক্ষমতা কারো থাকেনা।
আমাদের উচিত নিজের অবস্থান নিয়ে কথা বলা।নিজেদের চাহিদা ,নিজেদের ন্যায্যতা নিয়ে কথা বলা। অন্য প্রফেশন কে টার্গেট করে তুলনা করা থেকে বিরত থাকা।

💧 Diarrhea রোগীর চিকিৎসার সময় মনিটরিং গাইডলাইনডায়রিয়া রোগীর চিকিৎসার সময় সঠিক মনিটরিং জীবন রক্ষা করতে সাহায্য করে। নিচের...
04/11/2025

💧 Diarrhea রোগীর চিকিৎসার সময় মনিটরিং গাইডলাইন

ডায়রিয়া রোগীর চিকিৎসার সময় সঠিক মনিটরিং জীবন রক্ষা করতে সাহায্য করে। নিচের বিষয়গুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি 👇

---

🔹 ১️⃣ Fluid Balance (তরলের ভারসাম্য)

ইনপুট ও আউটপুট (I/O chart) প্রতিদিন লিখে রাখতে হবে।

Dehydration এর মাত্রা মূল্যায়ন করতে হবে (mild/moderate/severe)।

অতিরিক্ত স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে কিনা সেটাও নজরে রাখতে হবে।

---

🔹 ২️⃣ Vital Signs

Pulse rate: Tachycardia থাকলে dehydration বা hypovolemia নির্দেশ করে।

Blood pressure: Hypotension দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে।

Respiration rate: Metabolic acidosis থাকলে বাড়তে পারে।

Temperature: Infection এর ধরন বোঝার জন্য জরুরি।

---

🔹 ৩️⃣ Body Weight

প্রতিদিনের ওজন পরিমাপ করতে হবে — fluid loss বা gain নির্ণয়ের জন্য।

শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে ওজন পরিবর্তন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।

---

🔹 ৪️⃣ Urine Output

প্রতিদিনের urine volume ও color পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

একটার পর একটা নিউরাল টিউব ডিফেক্টের বাচ্চা পাচ্ছি। এর প্রধান কারণ গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিড না খাওয়া। মাত্র ৩৪ পয়সা দামের এই...
27/10/2025

একটার পর একটা নিউরাল টিউব ডিফেক্টের বাচ্চা পাচ্ছি। এর প্রধান কারণ গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিড না খাওয়া। মাত্র ৩৪ পয়সা দামের এই ঔষধটা খেতে কিছু মহিলার কিসের এতো অনিহা বুঝিনা আমি।

অনেকে আবার দু'লাইন বাড়িয়ে বলতেছে, "আল্লাহ যারে এমন বাচ্চা দেবে, তারে এম্নেও দেবে, অম্নেও দেবে। ঔষধ টৌষধ খেয়ে লাভ নাই।"

এইটারে তাওয়াক্কুল বলেনা বইন। নিজের দিক থেকে সবরকম প্রস্তুতি গ্রহণ করার পর ফলাফলের জন্য আল্লাহ পাকের উপর নির্ভর করার নাম তাওয়াক্কুল।

কনসিভ করার ৪ সপ্তাহ আগে থেকে কনসিভ করার ৩ মাস পর পর্যন্ত প্রতিদিন ফলিক এসিডের ট্যাবলেট খাবেন।

Address

Uttara, Sector 10
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emon's Nursing Notes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram