শিশু বিকাশ কেন্দ্র Child Developmental Center

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শিশু বিকাশ কেন্দ্র Child Developmental Center

শিশু বিকাশ কেন্দ্র Child Developmental Center স্পেশাল শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশা-পাশি অভিবাভকদের শিশুর বিকাশ সংক্রান্ত ব্যাপারে সচেতন করাই শিশু বিকাশ কেন্দ্রের উদ্দেশ্য।

🚻বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে শিশু বিকাশ কেন্দ্রসমূহ। যাতে শিশুদের বয়সের সাথে শারিরীক বিকাশ, বুদ্ধির বিকাশের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করতে পারে।🚻

04/04/2026

🎯 হামের টিকা কোন বয়সে, কোথায় এবং কীভাবে দেবেন?

জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য ✅

বাংলাদেশ সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে সারাদেশে হাম (Measles) ও রুবেলা (Rubella) প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে আসন্ন রবিবার থেকে।
লক্ষ্য—দ্রুত ছড়ানো ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং শিশুদের গুরুতর জটিলতা থেকে সুরক্ষা দেওয়া।
I

🔴 কারা এই টিকা পাবে?

👉 ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশু
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আগে টিকা নেওয়া থাকলেও অনেক শিশুকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হতে পারে।

🔴 কোথায় টিকা দেওয়া হবে?

এই টিকাদান কর্মসূচি সারাদেশে একযোগে চলবে। টিকা পাওয়া যাবে—

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কমিউনিটি ক্লিনিক

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নির্ধারিত অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র

➡️ আপনার নিকটস্থ টিকাকেন্দ্র সম্পর্কে বিদ্যালয় বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়ে দেবেন।

🔴 টিকা কীভাবে দেওয়া হয়?

এটি একটি ছোট ইনজেকশন, সাধারণত বাহুর উপরের অংশে দেওয়া হয় (subcutaneous route)।

✅ টিকা নেওয়ার আগে যা জানবেন

শিশু যদি খুব অসুস্থ থাকে (তীব্র জ্বর, তীব্র সংক্রমণ), অবশ্যই টিকাকর্মীকে জানান।

হালকা সর্দি–কাশি থাকলে সাধারণত কোনো সমস্যা নেই।

✅ টিকা নেওয়ার পরে কী হতে পারে?

ইনজেকশনের স্থানে সামান্য ব্যথা বা ফোলা

১–২ দিনের মধ্যে হালকা জ্বর
➡️ এগুলো স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
শিশুকে প্রচুর পানি, এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে থাকুন।

❗ কেন এই টিকা অত্যন্ত জরুরি?

হাম অত্যন্ত সংক্রামক এবং নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, চোখের জটিলতা—এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ায়।

রুবেলা গর্ভবতী মায়ের জন্য বিপজ্জনক এবং শিশুর জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে।
➡️ তাই টিকাদানই সবচেয়ে নিরাপদ, কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধ।

হাম বা রুবেলার নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা সীমিত—তাই টিকাই সর্বোত্তম সুরক্ষা।

📢 অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ

নির্ধারিত সময়ে শিশুদের টিকা নিতে নিয়ে আসুন।
একটি টিকা—একটি শিশুর জীবনকে নিরাপদ করতে পারে।

 #হাম_ফিরে_এসেছে_এবার_কি_আমাদের_প্রস্তুতির_অভাবেই_ঝুঁকিতে_শিশুরা?দেশজুড়ে হঠাৎ করে হাম (Measles) সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। বহু...
04/04/2026

#হাম_ফিরে_এসেছে_এবার_কি_আমাদের_প্রস্তুতির_অভাবেই_ঝুঁকিতে_শিশুরা?

দেশজুড়ে হঠাৎ করে হাম (Measles) সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। বহু বছর নিয়ন্ত্রণে থাকা এই রোগ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে—এবং স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে: এত বড় প্রাদুর্ভাবের পেছনে আসল কারণ কী?

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, একাধিক কারণ একযোগে কাজ করে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন—

শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার বৃদ্ধি,

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ফাঁক,

২০২৫ সালে টিকা কভারেজের বড় পতন,

এবং বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম (campaign immunization) না হওয়া,

—এসবই বর্তমান প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ।

একসময় যেখানে হাম টিকার কভারেজ ছিল প্রায় ৯০%, তা নেমে আসে মাত্র ৫৭%–এ। অথচ হাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজন কমপক্ষে ৯০–৯৫% টিকাদান কভারেজ। ফলে বিশাল সংখ্যক শিশু সুরক্ষার বাইরে থেকে গেছে—আর সেখান থেকেই সংক্রমণ দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্ক ইঙ্গিত স্পষ্ট:
হাম অত্যন্ত সংক্রামক—একজন আক্রান্ত শিশুর কাছ থেকে খুব সহজেই আরও অনেক শিশু সংক্রমিত হতে পারে। টিকা দানে সামান্য ব্যাঘাতই বড় জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি করতে পারে।

কী করতে হবে এখন?

দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি।

প্রতিটি শিশুর বাধ্যতামূলক টিকার ডোজ নিশ্চিত করতে হবে।

কারণ হাম কোনো সাধারণ জ্বর নয়—এটি প্রতিরোধযোগ্য হলেও অবহেলা করলে প্রাণঘাতী হতে পারে।

👉 সময় থাকতে সতর্ক হই—প্রতিটি শিশুর টিকা নিশ্চিত করি।

04/04/2026

দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সাধারণ মানুষের সহজে বোঝার সুবিধার্থে একটি সুন্দর জরুরি বিজ্ঞপ্তি আকারে নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো:
⚠️ #জরুরি_হাম_রুবেলা_টিকাদান_ক্যাম্পেইন ২০২৬
দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি উদ্যোগে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। আপনার শিশুকে হামের ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসুন।
📅 #কর্মসূচির_সময়সূচী:
* শুরু: ৫ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার
* সময়: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে
👶 #কাদের জন্য এই টিকা?
* বয়স: ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশু (সর্বোচ্চ ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত)।
* ডোজ: সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা প্রদান করা হবে।
📍 #১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলার তালিকা:
১. #বরিশাল বিভাগ:
* বরগুনা: বরগুনা পৌরসভা ও সদর।
* বরিশাল: মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ।
* ঝালকাঠি: নলছিটি।
২. #চট্টগ্রাম বিভাগ:
* চাঁদপুর: চাঁদপুর পৌরসভা ও সদর এবং হাইমচর।
* কক্সবাজার: মহেশখালী ও রামু।
৩. #ঢাকা বিভাগ:
* ঢাকা: নবাবগঞ্জ।
* গাজীপুর: গাজীপুর সদর।
* মাদারীপুর: মাদারীপুর পৌরসভা ও সদর।
* মুন্সীগঞ্জ: লৌহজং, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ও সদর এবং শ্রীনগর।
* শরীয়তপুর: জাজিরা।
৪. #খুলনা বিভাগ:
* যশোর: যশোর পৌরসভা ও সদর।
৫. #ময়মনসিংহ বিভাগ:
* ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল ও ফুলপুর।
* নেত্রকোনা: আটপাড়া।
৬. #রাজশাহী বিভাগ:
* রাজশাহী: গোদাগাড়ী।
* পাবনা: পাবনা পৌরসভা ও সদর, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া।
* চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ও সদর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট।
* নাটোর: নাটোর পৌরসভা ও সদর।
* নওগাঁ: পোরশা।
📢 #অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ:
তালিকা অনুসারে আপনার নিকটবর্তী ইপিআই (EPI) টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন এবং আপনার শিশুর জন্য ১ ডোজ হামের টিকা নিশ্চিত করুন।
> #মনে রাখবেন: প্রথম ধাপে এই জেলাগুলোতে টিকা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশের অবশিষ্ট জেলা এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোতেও এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
>
#সুস্থ শিশু, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

02/04/2026

#২ এপ্রিল ২০২৬
#বিশ্ব_অটিজম_সচেতনতা_দিবস

#অটিজম কি?

অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (ASD) হলো শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি অবস্থা, যেখানে

➤যোগাযোগ,

➤আচরণ,

➤সামাজিক মেলামেশা
—এই তিনটি ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়।

এটি কোনো রোগ নয়, বরং একটি বিশেষ নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল কন্ডিশন, যেখানে প্রতিটি শিশুর বৈশিষ্ট্য আলাদা।

#অটিজম কেন হয়?

অটিজম হওয়ার কারণ একাধিক, এবং সুনির্দিষ্ট একটি কারণ নেই। গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারণ হলো—

➤জিনগত কারণ: পরিবারে ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

➤মস্তিষ্কের বিকাশগত ভিন্নতা

➤গর্ভাবস্থায় কিছু সমস্যা (নির্দিষ্ট সংক্রমণ, পুষ্টিহীনতা, কিছু ওষুধ)

➤পরিবেশগত কিছু প্রভাব

➡️ মনে রাখতে হবে—
মা–বাবার ভুল, খাদ্য, টিকা, মোবাইল বা লালন-পালন—এসবের জন্য অটিজম হয় না।

➤অটিজমের সাধারণ লক্ষণ

প্রতিটি শিশুর ক্ষেত্রে লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ—

➤যোগাযোগে সমস্যা

➤নাম ধরে ডাকলে সাড়া না দেওয়া

➤দৃষ্টি যোগাযোগ কম করা

➤কথা শেখায় দেরি

➤ইশারা বা ইঙ্গিতে কম বোঝানো

#সামাজিক আচরণ

➤অন্য বাচ্চাদের সাথে খেলতে আগ্রহ কম

➤একা খেলতে পছন্দ করা

➤আবেগ প্রকাশে ভিন্নতা

#আচরণগত লক্ষণ

➤একই কাজ বারবার করা

➤শব্দ, আলো, স্পর্শে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা

➤রুটিন পরিবর্তন পছন্দ না করা

➤খেলনা বা জিনিস নির্দিষ্টভাবে সাজানো

➤করনীয় কী?

১️⃣ দ্রুত মূল্যায়ন ও থেরাপি শুরু করা

শিশু বিশেষজ্ঞ, বিকাশ বিশেষজ্ঞ বা চাইল্ড সাইকোলজিস্টের কাছে মূল্যায়ন করানো

প্রয়োজন অনুযায়ী স্পিচ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, বিহেভিয়ার থেরাপি শুরু করা

২️⃣ নিয়মিত থেরাপি ও রুটিন

➤প্রতিদিন নির্দিষ্ট রুটিন

➤থেরাপিস্টের দেওয়া হোম-প্র্যাকটিস নিয়মিত করা

৩️⃣ স্কুল ও শিক্ষকের সাথে সমন্বয়

➤শিক্ষককে শিশুর অবস্থা জানানো

➤ইনক্লুসিভ বা প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ শিক্ষায় সহায়তা

#মা–বাবার জন্য মনোবল রাখার পরামর্শ

❤️ ১. দোষারোপ বন্ধ করুন

অটিজমের জন্য কেউ দায়ী নয়—না মা, না বাবা। শিশুর বিশেষ প্রয়োজন আছে, এটাই সত্য।

❤️ ২. শিশুকে তুলনা করবেন না

আপনার শিশুর গতি আলাদা। কারো সাথে তুলনা করলে নিজের ও শিশুর দু’জনেরই প্রগতি ধীর হয়।

❤️ ৩. মানসিক চাপ কমান

থেরাপি, রুটিন—এসব করতে গিয়ে ক্লান্ত লাগে। তাই নিজের জন্যও কিছু সময় রাখুন।

❤️ ৪. ধৈর্য + নিয়মিততা = উন্নতি

অটিজমে উন্নতি হয় ধীরে, কিন্তু নিয়মিত থেরাপি উন্নতি এনে দেয়—এটা প্রমাণিত।

❤️ ৫. শিশুকে ভালোবাসা ও গ্রহণযোগ্যতা দিন

শিশু যেমন—তেমনভাবেই তাকে গ্রহণ করুন। তার ছোট উন্নতিগুলো উদযাপন করুন।

“অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়—এটা ভিন্নভাবে বেড়ে ওঠার একটি পথ। সচেতনতা, গ্রহণযোগ্যতা ও ভালোবাসায় শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়।”

নিচে স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতিতে যা জানা জরুরি—লক্ষণ, করণীয়, চিকিৎসা, ঝুঁকি ও প্রতিরোধ—সবকিছু ...
30/03/2026

নিচে স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতিতে যা জানা জরুরি—লক্ষণ, করণীয়, চিকিৎসা, ঝুঁকি ও প্রতিরোধ—সবকিছু সহজ ও বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো।

🟧 স্কুল খুলে যাওয়ার পর হামের প্রাদুর্ভাব – কেন বেশি হয়?

বাচ্চারা একসঙ্গে ক্লাসে থাকে,

হাঁচি–কাশিতে ভাইরাস বাতাসে ছড়ায়,

এক শিশু আক্রান্ত হলে পুরো ক্লাসে ছড়িয়ে যেতে পারে।

হাম এতটাই সংক্রামক যে, একজন আক্রান্ত শিশুর আশেপাশে ১০ জন থাকলে ৯ জনই আক্রান্ত হতে পারে।

🟥 স্কুলগামী বাচ্চাদের জন্য করণীয় (Parents + School)

✅ ১) অসুস্থ হলে স্কুলে না পাঠানো

সর্দি–কাশি–জ্বর–চোখ লাল হলে প্রথমেই স্কুলে না পাঠানো জরুরি।

এটি সংক্রমণ কমিয়ে দেয়।

✅ ২) স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি জোরদার

প্রতিদিন ক্লাসরুম পরিষ্কার ও বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা।

প্রতিটি ক্লাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা।

বাচ্চাদের অন্যের খাবার/বোতল/তোয়ালে ব্যবহার না করতে বলা।

✅ ৩) টিকা নেওয়া নিশ্চিত করা

MR (Measles-Rubella) টিকার ২ ডোজ (৯ মাস + ১৫ মাস) নিশ্চিত করতে হবে।

যদি MR টিকা কোনো কারণে মিস হয়ে থাকে—অবিলম্বে টিকা দিতে হবে।

🟥 হামের লক্ষণ (Symptoms)

হাম সাধারণত ধাপে ধাপে দেখা দেয়—

🔸 প্রাথমিক লক্ষণ (১–৩ দিন)

জ্বর

সর্দি–কাশি

নাক দিয়ে পানি পড়া

চোখ লাল হওয়া ও আলোতে ব্যথা

খাওয়ায় অরুচি

🔸 কপলিক স্পটস (Koplik spots)

মুখের ভেতর গালের পাশে সাদা ছোট দানা

এটি হামের বিশেষ চিহ্ন

🔸 চর্মরোগ / র‍্যাশ

প্রথমে মুখে দানা → পরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে যায়

র‍্যাশ ওঠার সময় জ্বর আরও বাড়ে

🟥 শিশুর হাম হলে মা–বাবার করণীয়

✔ ১) বাড়িতে আলাদা রাখুন (Isolation)

অন্য বাচ্চাদের থেকে দূরে রাখুন, বিশেষ করে—

৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চা

অপুষ্ট শিশু

গর্ভবতী নারী

✔ ২) শরীরে পানির অভাব হতে দেবেন না

ওরস্যালাইন

স্যুপ

পানি

ফলের রস

✔ ৩) চোখের যত্ন

চোখ লাল হলে হালকা আলোতে রাখুন

পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুইয়ে দিন

✔ ৪) জ্বর কমানো

ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছুন

প্যারাসিটামল দেওয়া যায় (বয়স/ওজন অনুযায়ী)

✔ ৫) ভিটামিন A দেওয়া (WHO সুপারিশ)

হাম হলে ২ ডোজ ভিটামিন A দিতে হয় (ডাক্তার দেবেন)।
এটি চোখের জটিলতা ও মৃত্যু ঝুঁকি কমায়।

🟥 কখন বিপদজনক? (Danger Signs – হাসপাতালে নিতে হবে)

শ্বাসকষ্ট / দ্রুত শ্বাস

খিঁচুনি

শিশুর খুব দুর্বল হয়ে যাওয়া

ডায়রিয়া + পানিশূন্যতা (মুখ শুকানো, চোখ বসে যাওয়া)

চোখে পুঁজ / দৃষ্টি ঝাপসা

বুকে সাঁই সাঁই শব্দ

দুই–তিন দিন ধরে উচ্চ জ্বর না কমা

কানে ব্যথা / কানে পুঁজ – মধ্যকর্ণ ইনফেকশন

বিশেষ ঝুঁকি:

৫ বছরের কম বয়সী শিশু

যাদের MR টিকা হয়নি

অপুষ্ট শিশু

🟥 চিকিৎসা (Treatment)

হামের নির্দিষ্ট কোনো ভাইরাস-বিরোধী ওষুধ নেই। চিকিৎসা হলো—

✔ সাপোর্টিভ ট্রিটমেন্ট

প্যারাসিটামল

স্যালাইন/ওরস্যালাইন

চোখ/নাক পরিষ্কার রাখা

প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক (যদি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়)

✔ ভিটামিন A – অবশ্যই

✔ বেশি পানি ও বিশ্রাম

✔ নিয়মিত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

🟥 হাম প্রতিরোধ (Prevention)

⭐ ১. টিকা — সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

MR টিকা সময়মতো নিতে হবে।

⭐ ২. সংক্রমিত শিশুর কাছ থেকে দূরে থাকা

একই প্লেট, চামচ, গ্লাস ব্যবহার নয়

আক্রান্ত শিশুকে ৭–১০ দিন আলাদা রাখুন

⭐ ৩. স্কুলে সচেতনতা

ক্লাসরুমে জানালা–দরজা খোলা রাখা

অসুস্থ শিশুকে বাড়ি পাঠানো

শিশুদের হাঁচি–কাশি শিষ্টাচার শেখানো

🟩 ঘরোয়া সাপোর্টিভ করণীয় (Home Remedies)

(ডাক্তারের চিকিৎসার সঙ্গে)

লেবু–মধু গরম পানিতে (কাশি কমাতে সাহায্য করে)

ডাবের পানি

নরম খাবার (খিচুড়ি, স্যুপ, সেমাই)

শরীর মোছার জন্য কুসুম গরম পানি

ভিটামিন–C সমৃদ্ধ খাবার (কমলা, মাল্টা, পেয়ারা)

❗ মনে রাখবেন—হাম হলে মধু ১ বছরের নিচে শিশুকে দেওয়া যাবে না।

📌 সারসংক্ষেপ

➤স্কুল খোলার পর হাম দ্রুত ছড়াতে পারে
টিকা + সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
লক্ষণ দেখা দিলে স্কুলে না পাঠানো
বাড়িতে আলাদা রাখা, প্রচুর পানি, ভিটামিন A
বিপদজনক লক্ষণ দেখলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে

29/03/2026

বর্তমান বাংলাদেশর শিশুর হাম (Measles) এর সংক্রামন বেড়ে গেছে, ইহা একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এটি সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। নিচে লক্ষণ, করণীয়, চিকিৎসা, কখন বিপদজনক—সবকিছু সহজভাবে দেওয়া হলো।

✅ হামের লক্ষণ (Symptoms)

হামের লক্ষণ সাধারণত ধাপে ধাপে প্রকাশ পায়—

১) প্রাথমিক লক্ষণ (১–৩ দিন)

জ্বর (শুরুতে মাঝারি, পরে অনেক বেশি হতে পারে)

নাক দিয়ে পানি পড়া

কাশি

চোখ লাল হওয়া ও পানি পড়া

আলোতে চোখে ব্যথা লাগা

২) কপলিক স্পটস (Koplik spots)

মুখের ভেতরে গালের পাশে ছোট সাদা দানা (লবণ দানার মতো)

এগুলো হাম শুরু হওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন

৩) চর্মরোগ/র‍্যাশ শুরু (৩–৫ দিন পরে)

মুখ/গলা থেকে লাল দানা শুরু হয়

ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে

র‍্যাশ আসার সময় উচ্চ জ্বর থাকতে পারে

✅ হাম হলে করণীয় (What to Do at Home)

১) বিশ্রাম

শিশুকে বেশি করে বিশ্রাম ও ঘুমাতে দিন

স্কুল/ডে-কেয়ারে পাঠানো যাবে না (সংক্রমণ রোধে)

২) খাবার পানীয়

বেশি করে পানি, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ফলের রস

শক্ত খাবার খেতে না পারলে নরম খাবার দিন

দুধ খাওয়া শিশুদের দুধ দেওয়া যাবে

৩) শরীর ঠাণ্ডা রাখা

অত্যধিক গরম পানি দিয়ে গোসল না করানো

ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে জ্বর কমানো

হালকা পোশাক পরানো

৪) চোখের যত্ন

চোখ লাল ও আলোতে ব্যথা করলে হালকা ঘরো আলো ব্যবহার

পরিষ্কার পানিতে চোখ ধোয়া (কোনও ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নয়)

৫) ভিটামিন–A দেওয়া (খুব জরুরি)

WHO নির্দেশনা অনুযায়ী হাম হলে ২ ডোজ ভিটামিন A দিতে হয়

শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজ ডাক্তার দেবেন

এটি চোখের জটিলতা কমায় ও মৃত্যু ঝুঁকি কমায়

✅ হামের চিকিৎসা

হামের কোনও নির্দিষ্ট এন্টিভাইরাল ওষুধ নেই। যত্ন ও সাপোর্টিভ চিকিৎসাই মূলভিত্তি—

✔ ওষুধ

জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল

কাশি/নাক দিয়ে পানি পড়া হলে স্যালাইন ড্রপ

পানিশূন্যতা হলে ওরস্যালাইন

ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হলে ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন

✔ ডাক্তারের ফলোআপ

প্রথম দিনেই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখানো সবচেয়ে ভালো

ডাক্তার ভিটামিন A এবং প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করতে পারেন

❗ কখন বিপদজনক (Danger Signs)

নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে তৎক্ষণাত হাসপাতালে নিতে হবে—

১) শ্বাসকষ্ট বা খুব দ্রুত শ্বাস নেওয়া

২) খিঁচুনি / অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

৩) পানিশূন্যতার লক্ষণ

কম প্রস্রাব

মুখ শুকিয়ে যাওয়া

চোখ বসে যাওয়া

৪) অতিরিক্ত উচ্চ জ্বর (৩৯°C এর বেশি) অনেকদিন থাকা

৫) শিশুর খুব দুর্বল হয়ে পড়া

৬) চোখের ক্ষতি/অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি (চোখে পুঁজ, খুব লাল হয়ে যাওয়া)

৭) কান ব্যথা / কানে পুঁজ (মধ্যকর্ণ ইনফেকশন)

৮) বুকে সাঁই সাঁই শব্দ, শ্বাসে কষ্ট

৯) র‍্যাশ না আসার আগেই খুব অসুস্থ হয়ে পড়া

১০) ৫ বছরের কম বয়সী শিশু + অপুষ্ট শিশুর ক্ষেত্রে আলাদা ঝুঁকি

📌 হাম প্রতিরোধ কিভাবে?

শিশুকে অবশ্যই এমআর (Measles-Rubella) টিকা সময়মতো দিতে হবে (৯ মাসে ও ১৫ মাসে)।

আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে দূরে রাখতে হবে।

21/03/2026

ঈদ মোবারক

16/03/2026

🤲 #দোয়ার_দরখাস্ত

ডা. সালমুন নাহার
সাবেক ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর—
যিনি উৎকৃষ্ট মানসিকতা, পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও পরোপকারিতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ—
অনেকদিন যাবত অসুস্থ অবস্থায় আছেন।

তার হাত ধরেই পূর্বের ১৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রের ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালে আরও ২০টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চালু হয়, যার মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র পরিবারের শিশু, অটিজম ও প্রতিবন্ধী শিশুরা সঠিক চিকিৎসা ও বিশেষায়িত সেবা পাওয়ার সুযোগ লাভ করে।
দেশের জন্য তাঁর এই অবদান সত্যিই অনন্য ও স্মরণীয়।

🕌 এই পবিত্র রমজান মাসে, বিশেষ করে শবে কদরের মহিমান্বিত রাতে—
আপনাদের সবার কাছে বিশেষ দোয়ার অনুরোধ:

যে যেখানে আছেন—দেশে বা বিদেশে,
পবিত্র মক্কা নগরীতে, মসজিদে অথবা মাদ্রাসায়—
ডা. সালমুন নাহার ম্যাডামের জন্য দোয়া করবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যেন তাঁকে সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন,
তাঁকে হেফাজতে রাখেন, দীর্ঘায়ু দান করেন,
এবং আবারও যেন তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দেশ ও সমাজের সেবা করতে পারেন।

আল্লাহুম্মা আমীন ✨

পৃথিবীর প্রত্যেক শিশু-কে আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়া’লা জ্ঞান, আদব ও সুস্বাস্থ্য দান করুন।
24/02/2026

পৃথিবীর প্রত্যেক শিশু-কে আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়া’লা জ্ঞান, আদব ও সুস্বাস্থ্য দান করুন।

 #প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত : নবনিযুক্ত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনীআজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে...
19/02/2026

#প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত : নবনিযুক্ত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনী

আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। তিনি শুধু একজন দক্ষ প্রশাসকই নন, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত একজন গবেষক, শিক্ষক ও স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবক।

#শিক্ষাজীবনঃ

MBBS – ঢাকা মেডিকেল কলেজ (৪৬তম ব্যাচ)
MSc – University College London
MSc – University of Bristol
PhD – London School of Hygiene & Tropical Medicine

আন্তর্জাতিক মানের এই তিন উচ্চতর ডিগ্রি তার গবেষণা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে অসাধারণ দক্ষতার প্রমাণ।

#গবেষণা ও আন্তর্জাতিক অবদান

🔬 বিশ্বের বিখ্যাত জার্নালগুলোতে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
🌍 ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
🌐 তিনি CSF Global–এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
🌐 GLM-CPR নেটওয়ার্কের নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টির বেশি সংস্থাকে সমন্বয় করে কাজ করছেন।

#তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নঃ

গ্রামীণ জনগণের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’, যার আওতায় রয়েছে—

১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল
একটি মা ও শিশু হাসপাতাল (শাহজাদপুর)

হাজারো মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং মা-শিশুস্বাস্থ্য সেবায় এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

#শিক্ষাক্ষেত্রে ভূমিকাঃ

তিনি University of South Asia–এর বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

#পরিবারঃ

পিতা
তার পিতা প্রফেসর ডা. এম এ মতিন—
বাংলাদেশের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী
বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ
বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসা সমিতির সভাপতি

বিএনএস চক্ষু হাসপাতাল, নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ এবং North South University–এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

এশিয়া ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য

#ভাই

তার বড় ভাই প্রফেসর ডা. এম এ মুকিত বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান।

#মামা

তার মামা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আজ শপথ নিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে।

#স্বাস্থ্য খাতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্তঃ

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, গবেষণা-ভিত্তিক নীতি নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা সম্প্রসারণে তার নেতৃত্ব নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষ ও চিকিৎসক সমাজের।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সরদার মোঃ শাখাওয়াত হোসেন বকুল -কে শিশু বিকাশ কেন্দ্র এর পক্ষ থেকে ...
17/02/2026

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সরদার মোঃ শাখাওয়াত হোসেন বকুল -কে শিশু বিকাশ কেন্দ্র এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু বিকাশ কেন্দ্র Child Developmental Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to শিশু বিকাশ কেন্দ্র Child Developmental Center:

Share