DR. NASAR ABUL Hassan

DR. NASAR ABUL Hassan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DR. NASAR ABUL Hassan, Doctor, Popular diagnostic center 1, SHAYMOLI, Dhaka.

Dr. Nasar Abul Hassan
MBBS
FCPS(MEDICINE)
MACP(USA)
MRCP UK(PACES)
FCPS(GASTROENTEROLOGY - THESIS)

NATIONAL GASTROLIVER INSTITUTE AND HOSPITAL, MOHAKHALI, DHAKA

03/11/2025
গুনাহ এভাবে হৃদয়কে অন্ধ করে দেয়! * যখনই তুমি কিছু চাও, সঙ্গে সঙ্গে কিনে ফেলো। তাহলে ধৈর্য শিখবে কবে।* যখনই একা হও, গুন...
25/10/2025

গুনাহ এভাবে হৃদয়কে অন্ধ করে দেয়!

* যখনই তুমি কিছু চাও, সঙ্গে সঙ্গে কিনে ফেলো। তাহলে ধৈর্য শিখবে কবে।

* যখনই একা হও, গুনাহ করো। তাহলে তাকওয়া (আল্লাহভীতি) শিখবে কবে?

* যখনই ক্লান্ত হও, বিশ্রাম নাও। তাহলে সংগ্রাম বা ধৈর্যধারণ শিখবে কবে?

* যখনই তোমার জন্য সহজ হয়, তুমি সীমা লঙ্ঘন করো। তাহলে তওবা শুরু করবে কবে?

পাপের পরিণতি:
যখনই এভাবে গুনাহ আসতে থাকে, আর তার সঙ্গে কুরআন চলে যায়। নামাজও চলে যায়। তাহাজ্জুদ বা রাতের ইবাদতও চলে যায়। অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় চলে যায়। তারপর তাদের সঙ্গে যিকিরও চলে যায়। তারপর হৃদয়ের প্রশান্তিও হারিয়ে যায়। আর আসে জীবনের কষ্ট ও সংকট।

পাপের প্রক্রিয়া:
হারামের সবচেয়ে কঠিন দিক হলো তার শুরুটা। তারপর তা সহজ মনে হয়। তারপর তা সুস্বাদু লাগে। এরপর তা মধুর লাগে। তারপর তা অভ্যাসে পরিণত হয়। তারপর তা হৃদয়ে গেঁথে যায়! তারপর হৃদয় আরেকটি হারামের খোঁজ করতে থাকে।
হারামের প্রথম পদক্ষেপটিই সবচেয়ে কঠিন। একবার শুরু করলে তা সহজ, মিষ্টি এবং অভ্যাসে পরিণত হয়, যা হৃদয়কে গ্রাস করে এবং আরও পাপের দিকে ঠেলে দেয়।

গুনাহ থেকে বাচব কিভাবে?
যদি তোমার নফস তোমাকে গুনাহ করতে বলে, তাহলে তার সঙ্গে কোমলভাবে কথা বলো। বলো: "এটা কি ভালো, নাকি সেই চিরস্থায়ী জান্নাত, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রতিশ্রুত?" নফসের মোকাবিলা: পাপ করার প্রবৃত্তি জাগলে নফসের সাথে কোমলভাবে কথা বলতে হবে এবং তাকে পার্থিব ক্ষণস্থায়ী আনন্দের পরিবর্তে জান্নাতের (জান্নাতুল খুলদ) চিরস্থায়ী নেয়ামতের কথা মনে করিয়ে দিতে হবে।
হে আল্লাহ! আমাদের কাছে আপনার অবাধ্যতাকে ঘৃণিত করে দিন। আর আপনার আনুগত্যকে আমাদের কাছে প্রিয় করে দিন। (আমিন) মুনাজাত (দোয়া): আল্লাহর কাছে তাঁর অবাধ্যতা থেকে ঘৃণা এবং আনুগত্যের প্রতি ভালোবাসা প্রার্থনা করা।গুনাহ এভাবে হৃদয়কে অন্ধ করে দেয়!

20/10/2025

মেটাবোলিক সিন্ড্রোম ও করনীয়

বর্ষাকাল শেষের দিকে, এসময় গ্রামে সাপের প্রাদুর্ভাব অনেক বেড়ে যায়, সুতরাং সাপেরকাটা থেকে বাঁচতে হলে সাবধান হতে হবে। সাপের...
18/10/2025

বর্ষাকাল শেষের দিকে, এসময় গ্রামে সাপের প্রাদুর্ভাব অনেক বেড়ে যায়, সুতরাং সাপেরকাটা থেকে বাঁচতে হলে সাবধান হতে হবে। সাপের কাটা থেকে বাচার করণীয় বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

সাপের কামড় প্রতিরোধে করণীয়:

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা:
বাড়ির চারপাশ এবং ভেতরে পরিষ্কার রাখুন। ঘাস, ঝোপঝাড়, কাঠ বা খড়ের স্তূপ থাকলে সাবধানে নাড়াচাড়া করুন বা পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ সাপ এসব জায়গায় লুকিয়ে থাকতে পছন্দ করে।
বাসস্থানের সতর্কতা: শোবার ঘরের সঙ্গে খাদ্যসামগ্রী (যেমন ধান, চাল) বা হাঁস-মুরগি, কবুতর রাখবেন না, কারণ এগুলো ইঁদুরকে আকর্ষণ করে, আর ইঁদুর সাপের খাদ্য।

রাতে ঘুমানোর সময়:
খাটের ওপর মশারি ব্যবহার করে ঘুমান। মেঝেতে বা মাচায় শোয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন।
বাইরে হাঁটার সময়:
* রাতের বেলায় বাইরে বের হলে টর্চলাইট, লাঠি ইত্যাদি সঙ্গে রাখুন।
* ঘাস বা ঝোপঝাড়ের ভেতর খুব সাবধানে হাঁটুন। প্রয়োজনে লম্বা জুতো বা বুট ব্যবহার করুন।
* গর্ত, লাকড়ির স্তূপ বা খড়ের গাদায় হাত বা পা দেবেন না।

বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন:
সাপ দেখলে তাকে এড়িয়ে চলুন এবং বিরক্ত করবেন না। সাপ সাধারণত আত্মরক্ষার জন্য কামড়ায়।
জামা-কাপড়: সাপের বিচরণ বেশি এমন এলাকায় কাজ করার সময় হাত-পা ঢাকা পোশাক পরিধান করুন।

***সাপে কামড়ালে করণীয় (প্রাথমিক চিকিৎসা):

যদি সাপ কামড় দেয়, তবে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:

শান্ত ও স্থির থাকুন:
রোগীকে সাহস দিন এবং আশ্বস্ত করুন যে ভয়ের কিছু নেই, বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা আছে। নড়াচড়া করলে বিষ দ্রুত ছড়াতে পারে, তাই যতটা সম্ভব স্থির থাকুন বা শুইয়ে দিন।

আক্রান্ত অঙ্গ স্থির করুন:
যে অঙ্গে কামড় দিয়েছে, সেটাকে যতটা সম্ভব স্থির করে রাখুন এবং হৃৎপিণ্ডের নিচে রাখার চেষ্টা করুন।
কামড়ের স্থানে কোনো গয়না, ঘড়ি, আংটি, চুড়ি বা তাগা থাকলে তা দ্রুত খুলে ফেলুন, কারণ ঐ স্থান ফুলে গেলে এগুলো খোলা কঠিন হবে।
ক্ষত পরিষ্কার: কামড়ের স্থানটি সাবান জল দিয়ে আলতো করে ধুয়ে বা ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন।

বাঁধন (যদি প্রয়োজন হয়):
যদি সাপ কামড়ায়, তবে আক্রান্ত স্থানের ২-৪ ইঞ্চি উপরে (হৃৎপিণ্ডের দিকে) একটি পরিষ্কার কাপড় বা গামছা দিয়ে হালকা করে বাঁধন দিন। বাঁধন যেন খুব বেশি শক্ত না হয়, যাতে একটি আঙুল কষ্ট করে ঢোকানো যায়। একটানা শক্ত করে বাঁধলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে ক্ষতি হতে পারে।

দ্রুত হাসপাতালে যান:
দেরি না করে রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ উপজেলা হাসপাতাল বা যেখানে অ্যান্টিভেনম (সর্পবিষনাশী সিরাম) মজুত আছে সেখানে নিয়ে যান। স্থানান্তরের সময় রোগীকে হাঁটতে দেবেন না, কাঁধে বা খাটিয়ায় করে নিয়ে যান।

***সাপে কামড়ালে যা করা উচিত নয়:

* কামড়ের স্থানে মুখ দিয়ে চুষে বিষ বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে যিনি চুষছেন তারও ক্ষতি হতে পারে।
* ধারালো কিছু দিয়ে ক্ষতস্থান কাটবেন না বা চেরা-ছেঁড়া করবেন না।
* ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের ওপর ভরসা করে সময় নষ্ট করবেন না।
* শক্ত করে একাধিক স্থানে বাঁধন দেবেন না।
* কামড়ের স্থানে বরফ বা রাসায়নিক কিছু ব্যবহার করবেন না।

16/10/2025

রক্ত পরিসন্চালন (রক্ত দেওয়া/ নেওয়া) বিষয়ক সতর্কতা :

14/10/2025

হৃদরোগ আক্রান্ত রোগীর সাবধানতা

11/10/2025

ডায়াবেটিস রোগীর জীবনযাপন

29/09/2025

ক্যান্সার প্রতিরোধ ও ব্যায়াম

Source: published in Breast Cancer Research and Treatment, 2025

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যান্সার রোগীরা মাত্র একবার রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং যেমন: ভার উত্তোলন, রাবার ব্যান্ড ব্যাবহার করে ব্যায়াম, ফ্রি হ্যান্ড বা শরীরের ওজন ব্যবহার করে ব্যায়াম এবং হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিং-HIIT যেমন, খুব জোরে দৌড়ানো, জোরে সাইকেল চালানো বা সাতারের মত ব্যায়াম করলে তাদের রক্তে বিশেষ কিছু উপাদান (মায়োকাইন) বেড়ে যায়। এগুলো পরীক্ষাগারে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রায় ২০ থেক ৩০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশি থেকে মায়োকাইন নামক উপাদান বের হয়, যা প্রদাহ, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, ও পেশি কোষের মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলে যা ক্যান্সার বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, প্রদাহ কমায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে ফলে ক্যান্সার কোষগুলোর আকার সহজে বড় হতে পারে না।

বড় পরিসরের পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বহু বছর ধরে নিয়মিত শারীরিক ভাবে সক্রিয় থাকেন তাদের স্তন, কোলন, এন্ডোমেট্রিয়াল ইত্যাদি অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। আবার ক্যান্সার থেকে সেরে ওঠা রোগীদের মধ্যেও শারীরিকভাবে সক্রিয়দের মধ্যে পুনরায় ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।

তবে কিছু সীমাবদ্ধতা ও সতর্কতা রয়েছে যেমন ব্যায়াম একা কখনোই সার্জারি, কেমোথেরাপি বা অন্য চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। বরং ব্যায়াম করা এইসব চিকিৎসার কার্যকারিতা বাড়ায় মাত্র।এছাড়াও নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস জরুরি। একবার ব্যায়ামে পরিবর্তন দেখা গেলেও, দীর্ঘমেয়াদী উপকারের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম প্রয়োজন। কারন বিরতি দিলে শরীরে মায়োকাইন নামক উপাদান পুনরায় কমে যায়। যার ফলে ক্যান্সার কোষগুলো আবার বেড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। ক্যান্সার রোগীর শরীরে ব্যায়ামের সময় কোষের আকার ২০-৩০% কমে। পরবর্তিতে সারাদিনে আবার কোষের আকার বাড়ে। যারা নিয়মিত চালিয়ে যেতে পেরেছেন শুধুমাত্র তারাই কয়েক মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য ফলাফল পেয়েছেন।

28/09/2025

অ্যাজমা/হাপানি/শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া পদ্ধতি

Address

Popular Diagnostic Center 1, SHAYMOLI
Dhaka
1207

Opening Hours

09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DR. NASAR ABUL Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category