Dr. Sanjana's Desk

Dr. Sanjana's Desk Dr. Sanjana Zaman
Paediatric Consultant
MBBS (Dhaka), PHD (Japan)
Assistant Professor North South University
Ex.Deputy Director ICH,Mirpur,Dhaka

শিশুদের অতিরিক্ত সুজি খাওয়ানো অপুষ্টি, হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং স্থূলতার কারণ হতে পারে। শুধুমাত্র সুজি খাওয়ালে বাচ...
29/04/2026

শিশুদের অতিরিক্ত সুজি খাওয়ানো অপুষ্টি, হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং স্থূলতার কারণ হতে পারে। শুধুমাত্র সুজি খাওয়ালে বাচ্চার শরীরে প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি হয়, যা শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়াও, এক বছরের নিচের শিশুদের সুজি ও গরুর দুধের মিশ্রণ অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ায়।

🔸শিশুদের অতিরিক্ত সুজি খাওয়ানোর প্রধান ক্ষতিকর দিকগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

🔹অপুষ্টি ও প্রোটিনের অভাব: সুজিতে প্রচুর শর্করা থাকলেও, এতে প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব থাকে। নিয়মিত অতিরিক্ত সুজি খাওয়ালে বাচ্চার শারীরিক বৃদ্ধি কমে যায় এবং অপুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

🔹স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন: অনেক মা মনে করেন সুজি খেয়ে বাচ্চা মোটাসোটা হচ্ছে, কিন্তু এটি আসলে শরীরে প্রোটিনের অভাবে চামড়ার নিচে পানি জমে ইডিমা (Edema) বা ফোলা ভাব হতে পারে, যা একটি রোগ।

🔹হজমের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য: সুজিতে গ্লুটেন থাকে, যা অতিরিক্ত খেলে বাচ্চার হজমে সমস্যা, পেট ব্যথা, এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য বা পাতলা পায়খানা হতে পারে।

🔹চিনির প্রতি আসক্তি: সুজির সাথে অতিরিক্ত চিনি মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চার স্বাদের অনুভূতি নষ্ট হতে পারে এবং সে মিষ্টি খাবারের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়তে পারে, যা ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

🔹অ্যালার্জি ও অন্ত্রের সমস্যা: ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের গরুর দুধ ও সুজির মিশ্রণ অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।

🔸পরামর্শ: সুজি কেবল একটি স্ন্যাকস হিসেবে মাঝে মাঝে দেওয়া যেতে পারে, খাবারের প্রধান বিকল্প হিসেবে নয়। বাচ্চার খাবারে সুজির পাশাপাশি সবজি, ফল, ডিম ও সুষম খাবার নিশ্চিত করা উচিত।

Dr. Sanjana Zaman
01718028740☎️

প্রি-টিন বয়স (৮–১২ বছর) আসলে একটা “silent transition phase” বাইরে থেকে বাচ্চা মনে হলেও ভেতরে ভেতরে তাদের চিন্তা, আবেগ, s...
27/04/2026

প্রি-টিন বয়স (৮–১২ বছর) আসলে একটা “silent transition phase” বাইরে থেকে বাচ্চা মনে হলেও ভেতরে ভেতরে তাদের চিন্তা, আবেগ, self-identity খুব দ্রুত বদলাতে থাকে। এই সময়টা আপনি কিভাবে handle করছেন, সেটাই নির্ধারণ করবে টিনএজে গিয়ে আপনার সন্তানের সাথে সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ হবে, নাকি দূরত্ব তৈরি হবে।

এখানে বাবা-মা হিসেবে কিছু “অত্যন্ত জরুরি প্রস্তুতি” আছে, কিন্তু আমাদের সমাজে এটা নিয়ে ভাবার সময় অনেক বাবা-মায়ের নেই। যার ফলটা তারা টিনএজ ও এডাল্টহুডে গিয়ে ভোগ করেন।আমার লেখায় তাই খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু করনিয় তুলে ধরছি—

🔹১. “শুনতে শেখা” – Control না, Connection

এই বয়সে বাচ্চারা কথা কম শেয়ার করতে শুরু করে, কারণ তারা judge হওয়ার ভয় পায়। আপনি কি ভাববেন এই চিন্তায় বেশি থাকে। তাই এখন থেকেই অভ্যাস করুন interrupt না করে শুনুন, solution না দিয়ে আগে validate করুন (“তোমার খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক”) ছোট ছোট কথাকেও গুরুত্ব দিন। মনে রাখবেন এখন আপনি যদি safe space হন, টিনএজে গিয়ে সে আপনার কাছেই আসবে। আপনি নিজেই খেয়াল করে দেখুন, যে আপনার কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনে, আপনি তার সাথে কথা বলে শান্তি পান।

🔹২. Brain Development বুঝে Expectation সেট করা

এই বয়সে বাচ্চার prefrontal cortex (decision making, impulse control) পুরোপুরি develop হয় না।তাই, “একবার বলেছি, কেন বুঝিস না?” — এটা বাস্তবসম্মত না। নিয়ম মানতে সময় লাগবে, consistency দরকার বারবার gentle reminder দিতে হবে। তারা ইচ্ছা করে অবাধ্য হয় না, তাদের ব্রেইন এখনও শিখছে। তাই নিয়মে সঠিক থাকুন তবে জেন্টালভাবে তাকে অভ্যস্ত করুন।

🔹৩. Unconditional Love vs Conditional Approval

অনেক সময় আমরা অজান্তেই বলি “ভালো রেজাল্ট করলে আমি খুশি” কিন্তু এতে বাচ্চা শিখে “আমি ভালোবাসা পাওয়ার জন্য perform করতে হবে”। পরিবর্তন করুন, “তুমি যেমন, তেমনই আমি তোমায় ভালোবাসি” effort কে appreciate করুন, result না। এতে তার self-worth strong হবে, relation secure থাকবে। সে যে রাত দিন পড়েছে, ধরুন সেরা ১০ না হয়ে ১১ হয়েছে, তার চেষ্টা কে প্রশংসা করুন। দেখবেন ভবিষ্যতে সে নিজের চেষ্টাকে ধরে রাখবে। বাচ্চার প্রচুর প্রশংসা করবেন তবে ফল কে না,তার চেষ্টা কে।

🔹 ৪. Open Communication Culture তৈরি করা

কারণ এই সময় তারা কৌতূহলী ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে এবং অনেক নতুন বিষয় জানতে চায়। তাই body changes, good touch–bad touch, emotions (যেমন jealousy, anger) এবং friendship ও peer pressure( বন্ধু যা করছে, আমাকেও করতে হবে, ইচ্ছা না থাকলেও এমন অনুভূতি) -এর মতো sensitive বিষয়গুলো ধীরে ধীরে introduce করা প্রয়োজন। একই সাথে একটি স্পষ্ট নিয়ম তৈরি করা দরকার—“আমাদের মধ্যে এমন কোনো topic নেই, যেটা বলা যাবে না।” এতে শিশু বুঝবে, সে যেকোনো কিছু নির্ভয়ে মা-বাবার সাথে শেয়ার করতে পারে। কারণ যদি সে মনে করে কিছু কথা বলা যাবে না, তাহলে সে বাইরে—বন্ধু, ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তথ্য খুঁজবে, যেখানে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই judgement ছাড়াই শান্তভাবে শোনা, age-appropriate ভাষায় কথা বলা এবং মাঝে মাঝে নিজে থেকেই আলাপ শুরু করা—এসবের মাধ্যমে এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা জরুরি, যেখানে সন্তান সবকিছু খোলামেলা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

🔹৫. Discipline না, Guidance

প্রি-টিন বয়সে শুধু discipline নয়, বরং guidance দেওয়া বেশি কার্যকর, কারণ এই সময় strict control অনেক ক্ষেত্রে উল্টো ফল (backfire) করতে পারে। তাই শুধু নিয়ম চাপিয়ে না দিয়ে, কেন সেই rule আছে তা বুঝিয়ে বলা জরুরি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সন্তানকে ছোট ছোটভাবে involve করা দরকার। এতে সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং দায়িত্ব নিতে শেখে। পাশাপাশি natural consequence বোঝালে সে নিজের কাজের ফলাফল বুঝতে পারে, যা তাকে ভিতর থেকে শেখায়। এভাবে parenting করলে সম্পর্কটা শুধু authority-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ধীরে ধীরে respect-এ রূপ নেয়, যেখানে সন্তান ভয় না পেয়ে বুঝে শুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখে।

🔹৬. Daily Connection Ritual বানান

প্রতিদিন একটি daily connection ritual তৈরি করা খুব জরুরি, যেখানে অন্তত ১০–১৫ মিনিট সন্তানের জন্য পুরোপুরি undivided attention দেওয়া হয়—মোবাইল ছাড়া, কোনো distraction ছাড়া। এই সময়টায় একসাথে গল্প করা, হাঁটা বা খেলা—এমন ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই ধীরে ধীরে শক্ত emotional bonding-এর foundation তৈরি করে। এই অভ্যাসের মাধ্যমে সন্তান অনুভব করে যে সে গুরুত্বপূর্ণ, তাকে শোনা হয় এবং সে নিরাপদ। ফলে আপনার সাথে এমন একটি সুন্দর বন্ধুত্ব তৈরি হয়, যেখানে সে নিজের কথা, অনুভূতি ও সমস্যাগুলো সহজেই শেয়ার করতে পারে, এবং বাইরে গিয়ে সেই connection খুঁজতে বাধ্য হয় না।

🔹 ৭. Shame না, Emotional Safety

শিশুকে শাসন করতে গিয়ে shame না দিয়ে emotional safety তৈরি করা খুব জরুরি। অনেক সময় আমরা ভুল হলে বলে ফেলি, “তুই এমন কেন?”—যা আসলে শিশুর ব্যক্তিত্বকেই আঘাত করে। এর পরিবর্তে বলা উচিত, “এই কাজটা ঠিক হয়নি, কিন্তু আমরা একসাথে ঠিক করবো,” যাতে সে বুঝতে পারে তার কাজটি ভুল, কিন্তু সে নিজে খারাপ না। যখন বাচ্চা shame অনুভব করে, তখন সে ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়, নিজের কথা লুকাতে শুরু করে; কিন্তু যখন সে নিরাপত্তা পায়, তখন সে আরও কাছে আসে, খোলামেলা হতে শেখে এবং ভুল থেকে শেখার সাহস পায়।

🔹৮. Digital World-এর জন্য আগাম প্রস্তুতি

প্রি-টিন বয়স থেকেই digital world নিয়ে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এই সময়েই স্ক্রিন ব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে clear boundary তৈরি করতে হবে, তবে সেটা যেন blind restriction না হয়—বরং কেন limit দরকার তা বুঝিয়ে বলা উচিত। পাশাপাশি online safety (যেমন personal information শেয়ার না করা, অপরিচিতদের সাথে সতর্ক থাকা) শেখানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় বিষয়, বাবা-মাকেও নিজের ব্যবহার দিয়ে role model হতে হবে। কারণ আপনি যা করেন, শিশুও সেটাই শিখে। না হলে টিনএজে গিয়ে হঠাৎ করে restriction দিলে conflict বাড়ে, আর সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হয়।

চেষ্টা করলাম গুছিয়ে বলার, প্রি-টিন সন্তানের বাবা-মা হলে অবশ্যই প্রতিটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে মেনে চলুন। সন্তানের জীবন বদলে যাবে।

🔹প্রি-টিন বয়সে সন্তানের জন্য আপনি “controller” না হয়ে বরং “coach” হয়ে ওঠা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টায় যদি আপনি তার জন্য একটি safe space তৈরি করতে পারেন, respectful guide হিসেবে পাশে থাকেন এবং emotionally available থাকেন, তাহলে সে আপনাকে ভয় পাওয়ার মানুষ হিসেবে নয়, বরং ভরসার জায়গা হিসেবে দেখবে। কারণ এই বয়সেই সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হয়—আপনি যদি এখন তাকে বুঝতে, শুনতে এবং সাপোর্ট দিতে পারেন, তাহলে টিনএজে গিয়ে সে আপনাকে “fear” না করে “trust” করবে এবং নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আপনার সাথে শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️


প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সবার, ঝুঁকিতে শিশুরাও। মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে নানা রোগে।চলতি বছর...
25/04/2026

প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সবার, ঝুঁকিতে শিশুরাও। মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে নানা রোগে।

চলতি বছরে গরমের তাপমাত্রা অনেক তীব্র। অতিরিক্ত গরমে বড়দের সঙ্গেসঙ্গে শিশুরাও বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হচ্ছে। যে কারণে হাসপাতালে আসা শিশু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে প্রায় প্রতিদিনই।

🔹অত্যাধিক গরমের কারণে শিশুদের বেশিরভাগই আক্রান্ত হচ্ছে জ্বরে, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবার জ্বরের ধরনও ভিন্ন। সাধারণত শিশুরা যখন একদিনের জ্বর নিয়ে হাসপাতালে আসে বা চিকিৎসকের কাছে যায় তখন জ্বর কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়। এবার দেখা যাচ্ছে ওষুধ দেওয়ার পরেও জ্বর সহজে কমছে না বা ছাড়ছে না।

🔹জ্বরের সঙ্গে শিশুরা ডায়রিয়া, বমি, কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে। কাশিও দীর্ঘদিন স্থায়ী হচ্ছে, ওষুধ দেওয়ার পরেও কাশি ১৫ থেকে ১ মাস থাকছে। তীব্র গরমের কারণে পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হতে পারে, এ ছাড়া হিট স্ট্রোকেও আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা। যা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

🔹 তীব্র গরমে শিশুরা যাতে অসুস্থ হয়ে না পরে সেজন্য বাবা-মা, অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। এসময় শিশুদের কিছু বাড়তি যত্ন নিতে হবে। যেমন-

👉১. অতিরিক্ত গরমে শিশুরা যাতে বাইরে না যায়, রোদে খেলাধূলা না করে সেদিকে নজর রাখতে হবে। ঘরে বসে, ছায়ায় খেলতে পারে। সবসময় ঠান্ডা জায়গায় রাখতে হবে শিশুদের।

👉২. ঘরের ভেতরে থাকলেও খেয়াল রাখতে হবে শিশুরা যাতে ঘেমে না যায়। বারবার ঘাম মুছে দিতে হবে, ঘামে পোশাক ভিজে গেলে তা পাল্টে দিতে হবে। কারণ ঘাম যদি শরীরেই শুকিয়ে যায় সেটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়, ঘাম থেকে জ্বর ও কাশি হতে পারে।

👉৩. গরমে শিশুকে আরামদায়ক, সুতির, হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরাতে হবে। যার ভেতর দিয়ে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে।

👉৪. শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করাতে হবে। পানিযুক্ত বিভিন্ন ফল, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের রস, তরল জাতীয় খাবার বেশি দিতে হবে। যাতে কোনোভাবেই শিশুর দেহে পানিশূন্যতা না হয় গরমের জন্য।

👉৫. তীব্র গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা ভালো থাকে না। গন্ধ হয়ে যাওয়া, অনেকক্ষণ বাইরে পড়ে থাকা খাবার শিশুদের দেওয়া যাবে না। কারণ সেই খাবার খেলে শিশুদের ডায়রিয়া, বমি, পেটে ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার, জাঙ্ক ফুড দেওয়া যাবে না। শিশুদের সবসময় পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ, সতেজ ও সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়াতে হবে।

👉৬. প্রতিদিন খাবারের সময়ের বাইরেও যাতে শিশুরা পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

👉৭. শিশুদের নিয়মিত গোসল করাতে হবে। গরমে ঘেমে গেলে দ্বিতীয় বার গোসল করানো যেতে পারে। এ ছাড়া মাঝে মাঝে হাত মুখ ধুইয়ে দিতে হবে, শরীর মুছে দিতে হবে।

👉৮. গরমে শিশুর ত্বকের বাড়তি যত্নে নজর দিতে হবে। গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরের লোমকূপ বন্ধ হয়ে ত্বকে র‍্যাশ, ঘামাচি, ফুসকুড়ি হতে পারে। তাই শিশুদের সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ধূলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে।

👉৯. শিশুদের ত্বক অত্যন্ত নরম থাকে। এজন্য সহজেই সানবার্ন হতে পারে, তাই রোদে গেলে অবশ্যই শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তীব্র গরমে একদম খোলা শরীরে বাইরে যাওয়া যাবে না। ছাতা দিয়ে বা কাপড় দিয়ে ঢেকে নিতে হবে শিশুকে, চলাচলে ছায়াযুক্ত স্থান ব্যবহার করতে হবে। বিনা কারণে শিশুদের বাইরে না নেওয়াই ভালো।

👉১০. গরম থেকে বাঁচতে বাসার এসি খুব ঠান্ডা করে না রাখাই ভালো। খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে শিশুর জন্য অসুবিধার কারণও হতে পারে। ফ্যান বা এসির তাপমাত্রা শিশুর জন্য আরাম ও স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#গরমেশিশুরযত্ন

ম্যালেরিয়া প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামক পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট একটি মশাবাহিত রোগ, যা সংক্রামিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার ...
22/04/2026

ম্যালেরিয়া প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামক পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট একটি মশাবাহিত রোগ, যা সংক্রামিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ছড়ায়। তীব্র কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি এবং অতিরিক্ত ঘাম এর প্রধান লক্ষণ। মশা নিধন, মশারি ব্যবহার এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ম্যালেরিয়া পুরোপুরি নিরাময় ও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

🔹ম্যালেরিয়ার কারণ (Causes of Malaria):

পরজীবী: প্লাজমোডিয়াম গণের পরজীবী মানুষের রক্তে ঢুকে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস করে।

বাহক: সংক্রামিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা এই পরজীবী ছড়ায়।

সংক্রমণ: মশা কামড়ানোর ১০-১৫ দিন পর সাধারণত লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

🔹ম্যালেরিয়ার লক্ষণ (Symptoms of Malaria):

তীব্র জ্বর ও কাঁপুনি: কাঁপুনি দিয়ে হঠাৎ উচ্চমাত্রার জ্বর আসা।

মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথা: প্রচন্ড মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা এবং ক্লান্তি।

বমি ভাব ও ঘাম: বমি বা বমি বমি ভাব এবং জ্বর কমে যাওয়ার সময় প্রচুর ঘাম হওয়া।

জটিল লক্ষণ: গুরুতর ক্ষেত্রে জন্ডিস, খিঁচুনি, অচেতন হয়ে যাওয়া বা কিডনি বিকল হতে পারে।

🔹ম্যালেরিয়ার প্রতিকার ও চিকিৎসা (Treatment & Prevention):

চিকিৎসা: রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া নিশ্চিত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শে ম্যালেরিয়া-বিরোধী ওষুধ (যেমন: আরটিমেসিনিন-ভিত্তিক কম্বিনেশন থেরাপি বা ACT) গ্রহণ করতে হবে।

🔹প্রতিরোধ:

মশারি ব্যবহার: ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করা।

মশা নিধন: ঘরে মশার স্প্রে, কয়েল বা রিপেলেন্ট ব্যবহার করা।

পরিবেশ পরিষ্কার: ঘরের আশেপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, কারণ মশা সেখানে বংশবৃদ্ধি করে।

পোশাক: সন্ধ্যা বা রাতে বাইরে বের হলে শরীর ঢাকা পোশাক পরা।

ম্যালেরিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#ম্যালেরিয়া

জলাতঙ্ক (Rabies) হলো র‍্যাবিস ভাইরাসজনিত একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও প্রাণঘাতী জুনোটিক রোগ, যা আক্রান্ত কুকুর, বিড়াল বা শিয...
20/04/2026

জলাতঙ্ক (Rabies) হলো র‍্যাবিস ভাইরাসজনিত একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও প্রাণঘাতী জুনোটিক রোগ, যা আক্রান্ত কুকুর, বিড়াল বা শিয়ালের কামড়/আঁচড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। লক্ষণ প্রকাশের পর এর মৃত্যুহার প্রায় ১০০%। সময়মতো প্রতিষেধক টিকা নিলে এই রোগ ১০০% প্রতিরোধযোগ্য। কামড়ের পর ক্ষতস্থান সাবান-পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে অবিলম্বে ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি।

🔸১. কারণ ও বিস্তার:

ভাইরাস: র‍্যাবিস ভাইরাস (Lyssavirus)।

বাহক: প্রধানত কুকুর (৯৯% ক্ষেত্রে), বিড়াল, শিয়াল, বানর, বাদুড়।

সংক্রমণ মাধ্যম: আক্রান্ত প্রাণীর লালা (saliva) কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে।

🔸২. লক্ষণসমূহ:
লক্ষণ প্রকাশ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

প্রাথমিক লক্ষণ: কামড়ের স্থানে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, ঝিনঝিন করা, জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি।

উন্নত লক্ষণ: পানি দেখে বা পানির শব্দ শুনে প্রচণ্ড ভয় পাওয়া (Hydrophobia), গলা দিয়ে পানি না নামা, অত্যধিক লালা নিঃসরণ, তীব্র উত্তেজনা, বিভ্রান্তি।

শেষ পর্যায়: পক্ষাঘাত, অচেতন হয়ে পড়া এবং অবশেষে মৃত্যু।

🔸৩. কামড় খাওয়ার পর করণীয় (প্রাথমিক চিকিৎসা):

ধৌতকরণ: ক্ষতস্থানটি দ্রুত বহমান পরিষ্কার পানি এবং সাবান (সাবান না থাকলে শুধু পানি) দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধরে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

ভ্যাকসিন: যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জলাতঙ্কের টিকা (Vaccine) গ্রহণ করতে হবে।

অ্যান্টি-রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG): গভীর কামড়ের ক্ষেত্রে টিকার পাশাপাশি RIG দেওয়া জরুরি হতে পারে।

🔸৪. প্রতিরোধ ব্যবস্থা:

পোষা প্রাণীর টিকাদান: কুকুর ও বিড়ালকে নিয়মিত জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া।

বন্যপ্রাণী থেকে সাবধানতা: অপরিচিত বা বন্য প্রাণীর কাছে না যাওয়া।

সতর্কতা: রাস্তায় পাগল বা সন্দেহজনক কুকুর দেখলে এড়িয়ে চলা।

জলাতঙ্ক একবার হলে এর কোনো কার্যকরী চিকিৎসা নেই, তাই সচেতনতাই বাঁচার একমাত্র উপায়।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#জলাতঙ্ক

আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। শিশুর টিকা—আপনার অধিকার, যেখানেই থাকুন!ইপি...
18/04/2026

আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। শিশুর টিকা—আপনার অধিকার, যেখানেই থাকুন!

ইপিআই নীতিমালা অনুযায়ী, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির ব্যবস্থাপনায় আপনি শিশুর টিকা কার্ড নিয়ে দেশের যে প্রান্তেই যান না কেন সেখানেই টিকা প্রদান করা হবে। নির্ধারিত কেন্দ্রেই টিকা নিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

👉আমাদের চেম্বারে টীকা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া নাম্বার এ যোগাযোগ করুন।

ধন্যবাদ।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#হাম #টিকা

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) বাড়াতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (লেবু, পেয়ারা, কমলা), শাকসবজ...
15/04/2026

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) বাড়াতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (লেবু, পেয়ারা, কমলা), শাকসবজি, দই, ডিম, মাছ, এবং বাদাম রাখা জরুরি। এছাড়াও, আদা, রসুন, মধু (১ বছরের পর), এবং পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার (মুরগির মাংস, ডাল) বাচ্চার ইমিউনিটি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

🔹শিশুদের ইমিউনিটি বৃদ্ধিকারী সেরা খাবারসমূহ:

ভিটামিন সি ও এ সমৃদ্ধ ফল ও সবজি: পেয়ারা, কমলা, লেবু, বেরি, পেঁপে, গাজর, ব্রকলি, এবং মিষ্টি আলু। এগুলো সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা করে।

প্রোবায়োটিক খাবার (টক দই): দই বা ঘরে তৈরি টক দই অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, যা ইমিউনিটির মূল জায়গা।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, এবং মসুর ডাল।

হেলদি ফ্যাট ও বাদাম: কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, এবং সূর্যমুখীর বীজ।

মসলা: রান্নায় হলুদ, আদা ও রসুনের ব্যবহার, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

তরল: পর্যাপ্ত পানি ও ডাবের পানি শরীর হাইড্রেটেড রাখে এবং টক্সিন বের করে দেয়।

🔹বিশেষ টিপস:

মায়ের দুধ: ২ বছর পর্যন্ত শিশুর ইমিউনিটি বাড়াতে মায়ের দুধের বিকল্প নেই।

ওমেগা-৩: সামুদ্রিক মাছ (ইলিশ, রূপচাঁদা) ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের ভালো উৎস, যা প্রদাহ কমায়।

সূর্যালোক: প্রতিদিন সকালের রোদে ১০ মিনিট থাকলে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত সুষম খাবার নিশ্চিত করলে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#শিশুরইমিউনিটি

পাকা বেলের পুষ্টিগুণএর মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান তো আছেই, তাছাড়াও আরও অনেক পুষ্টিগুণ আছে। যেমন ধরুন ১০০ গ্রাম বে...
13/04/2026

পাকা বেলের পুষ্টিগুণ

এর মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান তো আছেই, তাছাড়াও আরও অনেক পুষ্টিগুণ আছে। যেমন ধরুন ১০০ গ্রাম বেলে আপনি পাবেন ১.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৩১.৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৩ গ্রাম ফ্যাট, ৫৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ, ৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৮৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৬০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। তার মানে বুঝতেই পারছেন কত দিক থেকে বেল পুষ্টিকর আপনার স্বাস্থ্যের জন্য।

🔹বেল খাওয়ার উপকারিতা

বেল গাছের সবকটি অংশকেই বলা হয়েছে ভেষজ গুণসম্পন্ন। তাই আজ থেকেই বেল খাওয়া শুরু করুন।

🔸কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়

আমরা সেই ছোট থেকে শুনে আসছি, পেট পরিষ্কার করার জন্য বেল খেতে হয়। এটি কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভাবেও সত্য। বেল সুন্দর ভাবে মল পরিষ্কার হতে সাহায্য করে।

নিয়মিত রোজ টানা ৩ মাস যদি আপনি বেলের শরবৎ খেতে পারেন তাহলে আপনার মল আর কঠিন থাকবে না। কোষ্ঠকাঠিন্য আর হবে না। পাকা বেলের শাঁস বের করে চিনি দিয়ে মিশিয়ে আর জল বা দুধে ঘেঁটে শরবৎ করে খান।

🔸ডায়েরিয়া কমায়

কাঁচা বেল ডায়েরিয়ার জন্য অব্যর্থ ওষুধ। যদি অনেক দিন ধরে আপনি এই সমস্যায় ভোগেন তাহলে বেল খান। কাঁচা বেল স্লাইস করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিন।

তারপর তা গুঁড়ো করে নিন আর এই গুঁড়ো ১ চামচ নিয়ে ব্রাউন সুগার আর গরম জলে মিশিয়ে খান। দিনে দু বার খেতে হবে এই জল। আপনাকে ফল পেতে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।

🔸পেপটিক আলসারের ওষুধ

আপনার আলসার যদি দীর্ঘ দিনের হয় তাহলে তো ডাক্তার দেখাতেই হবে, ওষুধ খেতেই হবে। কিন্তু তার সঙ্গে বেল খাওয়াও কিন্তু খুব দরকার। পাকা বেলের শাঁসে সেই ফাইবার আছে যা আলসার উপশমে সাহায্য করে।

সপ্তাহে তিন দিন বেলের শরবৎ করে খান আলসার কমাতে। এছাড়া বেলের পাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সেই জল খেলেও কিন্তু অনেক কমে যায় আলসার।

🔸ডায়াবেটিস কমায়

বেলে আছে মেথানল নামের একটি উপাদান যা ব্লাড সুগার কমাতে অনবদ্য কাজ দেয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় এটি ধরা পড়েছে। তবে ভালো ফল পেতে পাকা বেল শরবৎ করে নয়, এমনিই খেতে হবে।

🔸যক্ষ্মা কমায়

শুনে একদমই চমকে উঠবেন না। পাকা বেলে আছে অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান, যা যক্ষ্মা কমাতে সাহায্য করে। তবে ভালো ফল পেতে আপনাকে ব্রাউন সুগারের সঙ্গে বা মধু দিয়ে বেলের শরবৎ করে রাতে খেতে হবে শুতে যাওয়ার আগে। এটি টানা চল্লিশ দিন খান। উপকার পেতে আপনি বাধ্য।

🔸আর্থ্রারাইটিস উপশম করে

এটি একটি এমন সমস্যা যা আজকাল শুধু বয়স্কদের নয়, অনেক কম বয়সের মানুষদেরও হচ্ছে। গাঁটে গাঁটে ব্যথা, চলতে সমস্যা এই সবই এর লক্ষণ।

কিন্তু বেলে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান এই ব্যথার হাত থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। নিয়ম করে তাই বেল খান।

🔸স্কার্ভি কমায়

স্কার্ভি হল দাঁতের একটি সমস্যা যেটি মূলত ভিটামিন সি’র অভাবে হয়। দাঁতের ক্ষয় হয় মূলত এই রোগ হলে। বেল এই রোগের প্রকোপ কমায়। আমরা দেখেইছি যে বেল হল ভিটামিন সি’র একটি অনবদ্য উৎস। তাই আমরা আমাদের দৈনন্দিন ভিটামিন সি’র চাহিদা বেল থেকে পূরণ করতে পারি।

🔸ক্যানসার থেকেও দূরে রাখে

ক্যানসার আজকের দিনের এক মহামারী বলা যায়। আমরা সবাই চাই এই রোগটি থেকে দূরে থাকতে। বেল কিন্তু আমাদের এই রোগ থেকে দূরে রাখে।

এতে আছে অ্যান্টি প্রলেফিরেটিভ ও অ্যান্টি মুটাজেন উপাদান। এই উপাদান টিউমার হতে দেয় না সহজে। আর যেহেতু এই ফলে হাই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান আছে তাই ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

🔸আভ্যন্তরীণ সার্বিক স্বাস্থ্য ধরে রাখতে

বেলে আছে ফেনোলিক কম্পাউন্ড যা উচ্চ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এই গাছের সব অংশই অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আমাদের কোষ তৈরিতে সাহায্য করে।

ড্যামেজ কোষ থেকে ফ্রি র্যাটডিকেল হওয়া কমায়। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বার্ধক্য কমায় আর ত্বকের যৌবন ধরে রাখে।

🔸ম্যালেরিয়া কমায়

এটাও নিশ্চয়ই আগে শোনেননি? বেলের কিন্তু এই গুণটিও আছে। ম্যালেরিয়া হলে কাঁচা বেল নিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এবার ১ চামচ এই বেল গুঁড়ো নিয়ে তার সঙ্গে তুলসীর রস নিন। সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন দিনে দু বার। এটি কিন্তু অসাধারণ কাজ দেয়।

🔸রক্ত শুদ্ধ করে

আমাদের শরীরের প্রধান উপাদানই তো রক্ত । রক্তের মাধ্যমেই পুষ্টিগুণ সব অংশে পরিবাহিত হয়। তাই রক্তের শুদ্ধ থাকাটা খুব দরকার। বেল এই রক্ত শুদ্ধ করতে খুব ভালো কাজ দেয়।

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#পাকাবেল

গ্রীষ্মের প্রথম দিকে তেমন গরম অনুভূত না হলেও জ্যৈষ্ঠের সাথেই শুরু হয়েছে দাবদাহ। এমন গরমে দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে হিটস্ট্রোক...
10/04/2026

গ্রীষ্মের প্রথম দিকে তেমন গরম অনুভূত না হলেও জ্যৈষ্ঠের সাথেই শুরু হয়েছে দাবদাহ। এমন গরমে দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে হিটস্ট্রোক হয়ে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে লোকজন। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই ঝুঁকি আরো বেশি।

🔹গরম থেকে রক্ষা পেতে যা করা উচিত :

১. পাতলা ও হালকা রঙের পোশাক পরা

২. বাড়ির বাইরে থাকার সময় সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা,

৩. শরীরে পানিশূন্যতা এড়াতে অতিরিক্ত পানি ও শরবত পান করতে হবে,

৪. স্যালাইন পানিতে থাকা সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও চিনি শরীর সজীব রাখতে বিশেষভাবে কার্যকর। দীর্ঘ সময় গরমে থাকলে স্যালাইন পান করা,

৫.মাংস এড়িয়ে বেশি করে ফল ও সবজী খাওয়া,

৬. প্রস্রাবের রঙ খেয়াল করুন। প্রস্রাবের গাঢ় রঙ পানি স্বল্পতার লক্ষণ।

৭. সব সময় ছাতা বা টুপি সাথে রাখা,

৮.ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

৯.দিনে বাহিরে কম যাওয়া।

ডা: সানজানা জামান
01718028740☎️

ডাক্তার আন্টির কাছে প্রথম ভিজিট 🌸ছোট্ট চোখে একটু ভয়, একটু কৌতূহল। কিন্তু মনটা এখনো খেলার বল নিয়ে ব্যস্ত ❤️ডাক্তারের চেম্...
08/04/2026

ডাক্তার আন্টির কাছে প্রথম ভিজিট 🌸

ছোট্ট চোখে একটু ভয়, একটু কৌতূহল। কিন্তু মনটা এখনো খেলার বল নিয়ে ব্যস্ত ❤️

ডাক্তারের চেম্বারে ছোট্ট অ্যাডভেঞ্চার 🌈 ভয় পেলেও বল নিয়ে খেলতে ভুলেনি।

❤️ দোয়া করি তাড়াতাড়ি সেরে উঠো, সুস্থ হয়ে যাও শিগগিরি 🥰

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

🟥নিয়মিত দুই ডোজের পর কেন আবার ক্যাম্পেইনে টিকা দেবেন?অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে, শিশুর যদি নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির (EPI...
06/04/2026

🟥নিয়মিত দুই ডোজের পর কেন আবার ক্যাম্পেইনে টিকা দেবেন?

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে, শিশুর যদি নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির (EPI) মাধ্যমে ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দুটি ডোজ নেওয়া থাকে, তবে পুনরায় কেন ক্যাম্পেইনে টিকা দিতে হবে? এর পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে:

🔸১. ইমিউনিটি গ্যাপ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি পূরণঃ

টিকা দিলেই যে ১০০% শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে, তা সবসময় নিশ্চিত নয়।

* পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক ডোজ টিকা দিলে প্রায় ৯০-৯৫% শিশুর শরীরে সুরক্ষা তৈরি হয়। বাকি ৫-১০% শিশু টিকা দেওয়ার পরেও সুরক্ষিত নাও হতে পারে।

* ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে একটি বাড়তি ডোজ দিলে সেই সব বাদ পড়া শিশুদের শরীরেও প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি বা সুরক্ষা তৈরি হয়।

🔸২. কমিউনিটি ইমিউনিটি বা 'হার্ড ইমিউনিটি' তৈরিঃ

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। এটি প্রতিরোধ করতে হলে সমাজের অন্তত ৯৫% মানুষের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা জরুরি।

* অনেক সময় দেখা যায়, নিয়মিত টিকাদানে কিছু শিশু কোনো কারণে বাদ পড়ে যায়।

* ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে যখন একসাথে একটি নির্দিষ্ট বয়সের সকল শিশুকে (টিকা দেওয়া থাকুক বা না থাকুক) টিকা দেওয়া হয়, তখন ভাইরাসের সংক্রমণের পথ বন্ধ হয়ে যায়। একে বলা হয় 'কমিউনিটি ইমিউনিটি'।

🔸৩. বুস্টার ডোজ হিসেবে কাজ করাঃ

আপনার শিশু যদি আগে দুই ডোজ টিকা দিয়েও থাকে, তবে ক্যাম্পেইনের এই বাড়তি ডোজটি একটি 'বুস্টার' হিসেবে কাজ করবে। এটি শরীরের বিদ্যমান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।

বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট (বাংলাদেশ ২০২৬)
বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

🔹বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে:
* আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ এমন যারা নিয়মিত ডোজের অন্তত একটি বা দুটি পেয়েছে।
* সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (কিছু ক্ষেত্রে ১০ বছর) সকল শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনছে।

⭕সতর্কবার্তা: হাম একটি প্রাণঘাতী রোগ হতে পারে যা থেকে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কের প্রদাহ হতে পারে। তাই আপনার শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পেইনের টিকাটি অবশ্যই নিন।

👉 আমাদের চেম্বারে হামের টীকা এভেইলেবেল আছে, আপনার শিশু কে টীকা দেওয়ার জন্য নিচের দেওয়া নাম্বার এ যোগাযোগ করুন।
ধন্যবাদ

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#হাম #জ্বর

হাম সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী রবিবার, ৫ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সরকারি উদ্যোগে টিক...
04/04/2026

হাম সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী রবিবার, ৫ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সরকারি উদ্যোগে টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার সোনামনিকে সুরক্ষিত রাখতে অবশ্যই নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসুন।
নিজের শিশুকে টিকা দিন, অন্যদেরও উৎসাহিত করুন।

সবার সচেতনতাই পারে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে।

👉 আমাদের চেম্বারে হামের টীকা এভেইলেবেল আছে, আপনার শিশু কে টীকা দেওয়ার জন্য নিচের দেওয়া নাম্বার এ যোগাযোগ করুন।
ধন্যবাদ

ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️

#হাম

Address

House/500/A, Road/7, Dhanmondi, (opposite Side Of Orchard Point)
Dhaka
DHAKA-1205

Opening Hours

Monday 16:30 - 18:00
Tuesday 16:30 - 18:00
Wednesday 16:30 - 18:00
Thursday 16:30 - 18:00
Saturday 16:30 - 18:00
Sunday 16:30 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sanjana's Desk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category