04/03/2026
চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস (Conjunctivitis) হলো চোখের স্বচ্ছ পর্দা (কনজাংটিভা) ও চোখের পাতার অভ্যন্তরীণ আবরণের প্রদাহ। এটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা অ্যালার্জির কারণে হয় এবং অত্যন্ত ছোঁয়াচে। লক্ষণ হিসেবে চোখ লাল হওয়া, জ্বালাপোড়া, পানি পড়া, খচখচ করা এবং পাতা ফুলে যাওয়া দেখা যায়। সাধারণত ১০-১৫ দিনেই এটি ভালো হয়ে যায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
🟠 চোখ ওঠার কারণ ও লক্ষণ
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া: সবচেয়ে সাধারণ কারণ, যা দ্রুত একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায়।
অ্যালার্জি ও পরিবেশ: ধুলাবালি, ধোঁয়া, বা অ্যালার্জেন থেকেও চোখ উঠতে পারে।
লক্ষণ: চোখের সাদা অংশ লাল হওয়া, প্রচুর পানি পড়া, ঘুম থেকে উঠলে চোখের পাতা লেগে থাকা, চোখ চুলকানো, আলোতে কষ্ট হওয়া এবং চোখ খচখচ করা।
🔴 সতর্কতা ও ঘরোয়া সমাধান
চোখ রগড়াবেন না: চোখে হাত দেওয়া বা রগড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে, এতে প্রদাহ বাড়ে।
পরিচ্ছন্নতা: নিয়মিত হাত ধুতে হবে এবং আক্রান্ত চোখ পরিষ্কার করতে নরম কাপড় বা টিস্যু ব্যবহার করতে হবে, যা ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হবে।
কালো চশমা: রোদ বা আলোর অস্বস্তি কমাতে কালো চশমা ব্যবহার করা উচিত।
পৃথক ব্যবহার্য: তোয়ালে, বালিশ, বা চশমা কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
চোখ ধোয়া: চোখে পিঁচুটি জমলে পরিষ্কার পানি দিয়ে আলতো করে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
🟢 কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেলে বা কমে গেলে।
চোখে তীব্র ব্যথা হলে।
আলোর দিকে তাকাতে খুব কষ্ট হলে।
২-৩ দিনে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে।
সাধারণত, ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠায় অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ এবং ভাইরাস চোখ ওঠায় চিকিৎসকের পরামর্শে কৃত্রিম টিয়ার বা ড্রপ ব্যবহার করা হয়।
📌চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ড্রপ ব্যবহার করা অনুচিত।
ডা. সানজানা জামান
01718028740☎️
#চোখওঠা