Ruqyah Healthcare

Ruqyah Healthcare জিন, জাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসাসহ প্যারানরমাল সমস্যার শরিয়াহসম্মত চিকিৎসার জন্য "রুকইয়াহ সেন্টার"

17/12/2025

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আল্লাহ বলেন: আমি অবশ্যই মজলুমকে সাহায্য করবো—যদিও কিছু সময় পরে হয়।”
📚 মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: 12549

26/11/2025

👉স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অযথাই ঝগড়া,

👉একজন আরেকজনকে সহ্য করতে না পাড়া,

👉বাহিরে থাকলে ভাল ঘরে আসলেই সমস্যা,

👉স্ত্রী যতই সাজগোজ করুক তা স্বামীর চোখে বিসৃ দেখা,
👉একজন আরেকজন কে সন্দেহ করা,

👉 দুইজন দুইজনের পছন্দনীয় জিনিসকে অপছন্দ করা

❗এইরকম সমস্যার সম্মুখীন যদি হন তবে আপনি সম্পর্ক নষ্ট অথবা বিচ্ছেদ এর যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে- পাশাপাশি নজর এর ও সমস্যা থাকতে পারে।

মানুষ ভূমিকম্প কে ভয় করে,⚡অথচ ভূমিকম্প দেওয়ার মালিক কে না।স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ভূমিকম্প এর ভয়ে বন্ধ হয়,অথচ...
23/11/2025

মানুষ ভূমিকম্প কে ভয় করে,⚡
অথচ ভূমিকম্প দেওয়ার মালিক কে না।
স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ভূমিকম্প এর ভয়ে বন্ধ হয়,
অথচ এইগুলাতে প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকা নাচ,গান ,বেহায়াপনা যেনা ব্যভীচার বন্ধ হয় না।

মানুষের কৃতকর্মের কারণে জলে স্থলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে যাতে তিনি তাদেরকে তাদের কোন কোন কাজের শাস্তি আস্বাদন করান, যাতে তারা (পাপ কাজ থেকে) ফিরে আসে। [সূরা রুম-৪১]

হজরত মুসা আ.-এর সময়ে একবার অনাবৃষ্টি দেখা দিল। বহুদিন থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল না। পশুপাখি পর্যন্ত অনাহারে ছটফট করছিল। এমতাবস্থায় হজরত মুসা আ. বনী ইসরাইলদের নিয়ে মাঠে বৃষ্টির নামাজ পড়ে দোয়া করতে গেলেন।

আল্লাহ বললেন, আপনাদের দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত এই মজলিস থেকে এক ব্যক্তি উঠে না যাবে। সে আমার সাথে নাফরমানী করে যাচ্ছে এবং আমার সামনে নতি স্বীকার করছে না।

হজরত মুসা আ. মজলিসে ঘোষণা দিলেন, হে ভাই! কে সে নাফরমান? যার কারণে এতগুলো মানুষের দোয়া কবুল করা হবে না? দয়া করে তুমি মজলিস থেকে উঠে যাও। তোমার কারণে পশু-পাখিসহ এতো মানুষ অনাবৃষ্টিতে কষ্ট পাবে এ হয় না।

ঘোষণার পর মজলিস থেকে কেউ উঠল না। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি নেমে এল। মুসা আ. লজ্জায় আল্লাহকে বললেন, ইয়া আল্লাহ, সে লোক তো উঠল না। তারপরও বৃষ্টি হল। উম্মতের সামনে আমি ছোট হয়ে গেলাম। উম্মত আমাকে মিথ্যুক মনে করতে পারে। আল্লাহ বললেন, যার কারণে বৃষ্টি বন্ধ ছিল তার কারণেই এখন বৃষ্টি দিলাম। কারণ, আমার সঙ্গে সে সন্ধি করে ফেলেছে। সে তাওবা করে নতি স্বীকার করে নিয়েছে।

আসলে ঘটনা ছিল এ রকম, মুসা আ.-এর ঘোষণার পর ওই গুনাহগার ব্যক্তি লজ্জায় আল্লাহর কাছে নত হয়ে প্রার্থনা করল, হে মনিব! এই মজলিস থেকে এখন যদি আমি উঠে যাই তাহলে সবাই আমাকে নাফরমান বলে চিনে ফেলবে। আমাকে এতগুলো মানুষের সামনে লজ্জা দিও না। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আর নাফরমানী করব না। তার মনের অবস্থা দেখে আল্লাহর দয়া হল। তিনি তার গুনাহগার বান্দাকে অন্যদের সামনে অসম্মান না করে বৃষ্টি বর্ষণ করলেন।

মহান আল্লাহতায়ালা বান্দার কোনো দোষ নিজ থেকে প্রকাশ করেন না। বরং তিনি বান্দার গোপন দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখেন। এ কারণেই নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমার উম্মতের সবাইকে ক্ষমা করা হবে; তারা ছাড়া, যারা নিজ নিজ দোষ প্রকাশ করে দেয়।

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাবের (রা.) শাসনকালে মদিনায় ভূমিকম্প হয়েছিল-

ওমর (রা.) যুগে একবার মদিনায় ভূমিকম্প হলো। তখন ওমর (রা.) এক ভাষণে বলেছিলেন, লোকসকল! কী হলো এটা! কত দ্রুত আপনারা নতুন কিছু নিয়ে এলেন! এ রকম কিছু যদি আবার হয়, তাহলে আমাকে আর মদিনায় পাবেন না, আমি মদিনা ছেড়ে চলে যাবো। (মুসনাদে আহমদ)

অন্য এক রেওয়ায়েতে ইমাম বায়হাকি উল্লেখ করেন যে, হজরত ওমর (রা.) মানুষকে বলেছিলেন, মানুষ যে গুনাহ সৃষ্টি করে, তার কারণেই ভূমিকম্প আসে। (শু‘আবুল ইমান, ৮/৩৬৪) তার বক্তব্যে স্পষ্ট দেখা যায়, ভূমিকম্প তার কাছে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনা ছিল না; বরং এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কসংকেত।

আমরা সবাই জানি,আমরা নিজেরা কতটুকু পাপী।তাই সকলে,নিজের পাপের জন্য আমরা গোপনে আল্লাহর কাছে তওবা করি।

21/11/2025

ভূমিকম্প হয় কেন❗

->এই আল্লাহর জমিন যখন মানুষের পাপের বোঝা সহ্য করতে পারেনা তখন আল্লাহর আদেশে কেঁপে উঠে তার (ভেতরের যাবতীয়) বোঝা বাইরে নিক্ষেপ করে।

ভূমিকম্প আল্লাহ দেয় কেন❗

(১) কখনও আল্লাহ মুসলমানদের সতর্ক করা ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য ভূমিকম্প দেন (ইসরা ১৭/৫৯)।

(২) কখনো আল্লাহ নিজের দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য ভূমিকম্প পাঠান (বুখারী হা/১০৫৯; মিশকাত হা/১৪৮৪)।

(৩) কখনও সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝানোর জন্য ভূমিকম্প হয়ে থাকে (ফুছছিলাত ৪১/৫৩)।

এছাড়া অন্যায়-অত্যাচার ও কোন বিশেষ পাপের কারণেও ভূমিকম্প বৃদ্ধি পায় (রুম ৩০/৪১)।

‼️ মুসলিম সমাজে জ্বিন বা জাদুর চিকিৎসাকারী ব্যক্তি সর্বদা কিছু কুরআনের আয়াত ও দু‘আ-দরুদ পাঠ করেন। এর পাশাপাশি অনেকেই শয়ত...
19/11/2025

‼️ মুসলিম সমাজে জ্বিন বা জাদুর চিকিৎসাকারী ব্যক্তি সর্বদা কিছু কুরআনের আয়াত ও দু‘আ-দরুদ পাঠ করেন। এর পাশাপাশি অনেকেই শয়তানের ইবাদত-মূলক কিছু কর্ম করেন। সাধারণ মুসলিম বুঝতে না পেরে একে কুরআন-ভিত্তিক চিকিৎসা বলে মনে করেন। এজন্য এখানে জাদুকর এর কিছু আলামত ও পরিচয় উল্লেখ করছি:

১. রোগীর সমস্যাগুলো তার কাছ থেকে না শুনে নিজে থেকেই বলা
বা রোগীর গোপন বা গায়েবি কথা বলা।
২. রোগীর নাম ও মায়ের নাম জিজ্ঞাসা করা
৩. রোগীর সাথে সম্পর্কিত কোনো বস্তু গ্রহণ করা। যেমন কাপড়, টুপি, রুমাল ইত্যাদি।

৪. যবাই করার জন্য কোনো প্রাণী বা পাখী চাওয়া। এগুলো সাধারণত আল্লাহর নাম না নিয়ে যবাই করা হয়। অথবা আল্লাহর নামের সাথে কবিরাজের সাথে সংশ্লিষ্ট জিনের ভক্তি প্রকাশক কথা বলা হয় এবং তাকে খুশির উদ্দেশ্যেই যবাই করা হয়। এর রক্ত অসুস্থ ব্যক্তিকে বা অসুস্থতার স্থানে মাখানো হয় বা কোনো বিরান স্থানে নিক্ষেপ করা হয়। উল্লেখ্য যে, সাদাকা বা গরীবদের মধ্যে দানের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে গরু-ছাগল ইত্যাদি যবাই করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

৫. অস্পষ্ট, রহস্যময় বা অবোধ্য কথা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা। অনেক সময় কুরআনের কিছু অংশ সুস্পষ্টভাবে পাঠ করে এরপর বিড়বিড় করে এসকল রহস্যময় তন্ত্রমন্ত্র পাঠ করা হয়।
৬. চতুর্ভুজ নকশা, বিভিন্ন সংখ্যা অথবা অস্পষ্ট-রহস্যময় কোনো
কিছু লিখে তাবিয দেওয়া।
৭. ছিন্ন ছিন্ন অক্ষর লিখে তাবিয বা নকশা বানিয়ে রোগীকে
ব্যবহারের জন্য দেওয়া বা কোনো পাথরে এরূপ নকশা বা তাবিয লিখে
তা ধুয়ে পান করতে বলা।
৮. রোগীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে অন্ধকার ঘরে একাকী রাখা অথবা
নির্ধারিত কয়েকদিন পানি স্পর্শ করতে নিষেধ করা।
৯. রোগীকে কোনো বস্তু পুঁতে রাখার নির্দেশ দেওয়া।
১০. পাতা বা কোনো দ্রব্য জ্বালিয়ে রোগীকে তার ধোঁয়া গ্রহণ
করতে বলা।

যাদের মধ্যে এ জাতীয় কোনো আলামত দেখবেন তাদের কাছে
গমন থেকে বিরত থাকবেন। জ্বিন-সাধক জাদুকরগণ একবার কাউকে
পেলে তাদের জ্বিনদের দিয়ে স্বপ্ন, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদির মাধ্যমে
সর্বদা তাকে বশে রাখতে চেষ্টা করেন। এজন্য এদের সংশ্রব থেকে দূরে থাকতে হবে।

শয়তানের মূল কর্ম মানুষদেরকে শিরক ও পাপের মাধ্যমে জাহান্নামী করা। ইবনু মাস‘ঊদ রাদিআল্লাহু আনহু-এর হাদীসে আমরা দেখেছি যে, শয়তান মানুষের শরীরের মধ্যে অসুস্থতার অনুভূতি তৈরি করে। এরপর শিরকযুক্ত ঝাড়ফুঁক বা তদবীরের কারণে সে তার কর্ম বন্ধ করে। এভাবে সে মানুষকে শিরকে লিপ্ত করে। এজন্য জাদু-টোনা কাটাতে বা যে কোনো অসুস্থতা বা সমস্যার ক্ষেত্রে জাদুকর বা জ্বিনসাধক কবিরাজের কাছে যাওয়ার অর্থ শয়তানের উদ্দেশ্য পূরণ করা এবং স্থায়ীভাবে শিরকের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করা। এ সকল মানুষদের কাছে সামান্য উপশম পেলেও সাধারণত কখনোই স্থায়ী আরোগ্য লাভ হয় না। শুধুই শিরকে নিপতিত হয়ে ঈমান হারাতে হয়। বারবার অসুস্থতা ফিরে আসে এবং বারবার শিরকের মহাপাপে লিপ্ত হতে হয়। আর মুমিনের ঈমানের দাবি হলো চিরস্থায়ী সুস্থতার নিশ্চয়তা পেলেও ঈমানের বিনিময়ে তা গ্রহণ করতে তিনি কখনোই রাজি হবেন না।অপরদিকে সুন্নাতসম্মত দু‘আ ও ঝাড়ফুঁকের চিকিৎসার মাধ্যমে মুমিন আল্লাহর সাথে স্থায়ী সম্পর্ক স্থাপন করেন। নিয়মিত দু‘আর মাধ্যমে অফুরন্ত সাওয়াব এবং আল্লাহর বেলায়াত অর্জন করেন। পাশাপাশি কমবেশি সম্পূর্ণ বা আংশিক জাগতিক সুস্থতাও তিনি অর্জন করেন।

বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক স্কলার,  আলোড়ন সৃষ্টকারী ও কালজয়ী   লা -তাহযান ( হতাশ হবেন না)  গ্রন্হের রচয়িতা ড. আয়াদ বিন আব্দুল্...
16/11/2025

বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক স্কলার,
আলোড়ন সৃষ্টকারী ও কালজয়ী
লা -তাহযান ( হতাশ হবেন না) গ্রন্হের রচয়িতা
ড. আয়াদ বিন আব্দুল্লাহ আল করনী তিনি এক বক্তব্যে বলেছেন,
আমাকে যদি কেউ ৫০ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে উপদেশ করতে বলা হয় তবে আমি ৪টি বাক্য বলবো।
আর ৫০ বছর পরেও যদি কেউ আমার কাছে উপদেশ চায় তাহলে আমি এই ৪টি বাক্যই বলবো। বাক্য গুলো হলোঃ

১। লা তাহযান--অতীত নিয়ে হতাশ হবেন না।

২। লা তাখাফ --ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেননা।

৩। লা তাগদাব-- জীবন চলার পথে রাগ করবেননা।

৪।লা তাসখাত--আল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুুষ্ট হবেন না।

⚡সেহরুল আরহাম (বন্ধ্যাত্বের জাদু) –বেশিরভাগ মহিলারা PCOS এ আক্রান্ত ও জরায়ুতে সিস্ট হয়ে ডাক্তার দেখিয়ে হয়রান - কিন্তু র...
12/11/2025

⚡সেহরুল আরহাম (বন্ধ্যাত্বের জাদু) –

বেশিরভাগ মহিলারা PCOS এ আক্রান্ত ও জরায়ুতে সিস্ট হয়ে ডাক্তার দেখিয়ে হয়রান - কিন্তু রেহেমে বা জরায়ুতে করা জাদুর প্রভাব বা আশিক জ্বীনের দেওয়া গিটের দ্বারা এই কন্সিভ সমস্যা হয়ে থাকে- আসুন লক্ষনগুলো জেনে নেওয়া যাক-
এই সমস্যাগুলো বডির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আশিক জ্বীন থাকার কারণে ও হয়ে থাকে।

1. বারবার গর্ভপাত হওয়া (৩ মাসের মধ্যে গর্ভ নষ্ট হয়ে যাওয়া)।

2. দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না হওয়া, যদিও চিকিৎসায় কোনো সমস্যা ধরা পড়ে না।

3. মহিলা বা পুরুষের হঠাৎ করে যৌন দুর্বলতা অনুভব করা।

4. ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে শিশু দেখতে পাওয়া
কিন্তু বাস্তবে গর্ভধারণ না হওয়া।

5. গর্ভে সন্তান আসার কিছুদিন পর হঠাৎ করে ব্লিডিং শুরু হওয়া।

6. প্রসবের সময় অজানা কারণে শিশুর মৃত্যু হয়ে যাওয়া।

7. গর্ভে সন্তান আসলেও ভ্রূণ বৃদ্ধির পরিবর্তে হঠাৎ থেমে যাওয়া।

8. চিকিৎসা ও ওষুধে কোনো কাজ না হওয়া, বরং সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়া।

9. স্ত্রীর মনে স্বামীর প্রতি ঘৃণা তৈরি হওয়া অথবা শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা।

10. সন্তান নিতে চাইলে অজানা ভীতি বা উদ্বেগ অনুভব হওয়া।

11. রাতে ঘুমে স্বপ্নে সাপ, কুকুর, বিড়াল, অথবা অদ্ভুত প্রাণী দেখা।

12. চিকিৎসা শুরু করলে কিছুদিন ভালো থাকলেও পরে আবার সমস্যা শুরু হওয়া।

13. পেটে অস্বাভাবিক ব্যথা বা ভারী কিছু অনুভব হওয়া।

14. ঘনঘন প্রস্রাব বা অনিয়মিত মাসিক হওয়া (কোনো শারীরিক কারণ ছাড়া)।

15. গর্ভে সন্তান থাকলেও ডাক্তার হার্টবিট বা নড়াচড়া খুঁজে পান না।

16. ঘুমের মধ্যে কেউ গলা চেপে ধরছে বা পেটের উপর চাপ দিচ্ছে মনে হওয়া।

17. ঘরে হঠাৎ হঠাৎ দুর্গন্ধ অনুভব হওয়া।

18. সন্তান জন্ম নিলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যে মারা যাওয়া বা অসুস্থ হয়ে যাওয়া।

19. পরিবারে একাধিক নারীর একই রকম বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকা।

উক্ত সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কোনো রাকীর নিকটে ডায়াগনোসিস করে ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করুন। এবং তার সাজেশন ফলো করুন আল্লাহ তা'আলা শিফা দান করবেন ইনশাআল্লাহ।

©

10/11/2025

যে ব্যক্তি সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ কে ডাকে....

09/11/2025

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখা-
অধিকাংশ মেয়েরা বিচ্ছেদ,বিবাহ বন্ধ, সন্তান না হওয়ার যাদুতে বেশি আক্রান্ত হয়।
আর ছেলেরা অসুস্থতা, রিজিকে বাঁধাগ্রস্থ হওয়ার যাদুতে।

▌মেয়েদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন ❗❏ মেয়েদের বেশি জ্বীনে ধরার কারন:আমাদের সমাজে যাদের জ্বীনে ধরে, খেয়াল করলে দেখা যাবে তাদ...
09/11/2025

▌মেয়েদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন ❗
❏ মেয়েদের বেশি জ্বীনে ধরার কারন:
আমাদের সমাজে যাদের জ্বীনে ধরে, খেয়াল করলে দেখা যাবে তাদের অধিকাংশই মহিলা। কিন্তু কেন! মহিলাদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন! এর কারন হচ্ছে ; অধিকাংশ মহিলারাই বেশিরভাগ সময় অপবিএ থাকে( শুধু পিড়িয়ডের অপবিএ নয়) এবং ইসলামিক অনুশাসন, ইসলামিক বিধি-বিধান মেনে জীবনযাপন করে না বা অবহেলা করে চলে যার কারনে তারা বেশি জ্বীনের আক্রমনের শিকার হয়। একটা ছেলে একটা মেয়ের প্রতি যেমন জৈবিক চাহিদার আকর্ষন রয়েছে। এরকম দুষ্ট জ্বীনেরাও মানুষের (মেয়েদের) প্রতি সেই আকর্ষন রাখে। যার কারনে সুযোগ পেলেই জ্বীনেরা (ছেলেদের চেয়ে তুলনামূলক) মেয়েদেরকে বেশি আক্রমন করে থাকে তাদের খারাপ ইচ্ছা পূরনের জন্য। আর দ্বীতিয়ত, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বিভিন্ন শত্রুর দ্বারা জাদুটোনারও শিকার হয় বেশি। এইসমস্ত কারনেই মেয়েরা বেশি জ্বীনদের আক্রমনের শিকার হয়।
❏ কাউকে জ্বীনে ধরলে কবিরাজ বা বিভিন্ন দরবারের নিকট নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। কারন এদের দ্বারা রোগী ভালো হওয়ার চেয়ে প্রতারনারই স্বীকার হয় বেশি। অনেকসময় এরা রোগীকে আরো বেশি রোগী বানিয়ে দিয়ে তারপর রোগীর কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়। সুতারং, এইসমস্ত প্রতারকদের থেকে সাবধান! আর এরা যে সমস্ত উপায়ে চিকিৎসা করে থাকে সেগুলোও শিরক,কুুফরি মিশ্রিত চিকিৎসা হয়ে থাকে।তাই তাদের চিকিৎসাও গ্রহন করা জায়েজ নয়। যারা কোরআন এবং সহিহ হাদিসভিত্তিক দোআ দ্বারা চিকিৎসা (রুকইয়াহ) করে থাকে তাদের নিকট চিকিৎসা গ্রহন করা উচিত।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: মানুষের শরীরে এমন একটি গোশতপিণ্ড রয়েছে যা ঠিক থাকলে পুরো শরীর ঠিক থাকে; আর তা যদি নষ্ট হয়ে যায় ...
08/11/2025

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

মানুষের শরীরে এমন একটি গোশতপিণ্ড রয়েছে যা ঠিক থাকলে পুরো শরীর ঠিক থাকে; আর তা যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পুরো শরীর নষ্ট হয়। আর তা হলো ক্বলব বা হৃদয়।

[সহীহ বুখারী: ৫২]

অপর আরেকটি হাদিসে -

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“ বান্দা যখন একটি গুনাহ করে, তাঁর অন্তরে কালো দাগ পড়ে যায় । অতঃপর সে যখন তাওবা করে ফিরে আসে, দাগটি মুছে যায় । পক্ষান্তরে সে যখন গুনাহ করতেই থাকে , একসময়ে তাঁর পুরো অন্তরটা সম্পূর্ণ কালো দাগে ভরে যায় ।

[সুনানে তিরমিযি ৩৩৩৪]

তওবার পর যেভাবে বৃষ্টি ঝরেছিল হজরত মুসা (আ.) এর যুগে 🌧️হযরত মুসা আ.-এর  সময়ে একবার অনাবৃষ্টি দেখা দিল। বহুদিন থেকে বৃষ্...
07/11/2025

তওবার পর যেভাবে বৃষ্টি ঝরেছিল হজরত মুসা (আ.) এর যুগে 🌧️

হযরত মুসা আ.-এর সময়ে একবার অনাবৃষ্টি দেখা দিল। বহুদিন থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল না। পশুপাখি পর্যন্ত অনাহারে ছটফট করছিল। এমতাবস্থায় হযরত মুসা আ. বনী ইসরাইলদের নিয়ে মাঠে বৃষ্টির নামায পড়ে দুআ করতে গেলেন। আল্লাহ বললেন, আপনাদের দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত এই মজলিস থেকে এক ব্যক্তি উঠে না যাবে। সে আমার সাথে নাফরমানী করে যাচ্ছে এবং আমার সামনে নতি স্বীকার করছে না। হযরত মুসা আ. মজলিসে ঘোষণা দিলেন, হে ভাই! কে সে নাফরমান? যার কারণে এতগুলো মানুষের দুআ কবুল করা হবে না? দয়া করে তুমি মজলিস থেকে উঠে যাও। তোমার কারণে পশু-পাখিসহ এতা মানুষ অনাবৃষ্টিতে কষ্ট পাবে এ হয় না। ঘোষণার পর মজলিস থেকে কেউ উঠল না। অথচ কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি নেমে এল। মুসা আ. লজ্জায় আল্লাহকে বললেন, ইয়া আল্লাহ, সে লোক তো উঠল না। তারপরও বৃষ্টি হল। উম্মতের সামনে আমি ছোট হয়ে গেলাম। উম্মত আমাকে মিথ্যুক মনে করতে পারে। আল্লাহ বললেন, যার কারণে বৃষ্টি বন্ধ ছিল তার কারণেই এখন বৃষ্টি দিলাম। কারণ, আমার সাথে সে সন্ধি করে ফেলেছে। সে তাওবা করে নতি স্বীকার করে নিয়েছে।

আসলে ঘটনা ছিল এ রকম, মুসা আ.-এর ঘোষণার পর ঐ গোনাহগার ব্যক্তি লজ্জায় আল্লাহর কাছে নত হয়ে প্রার্থনা করল, হে মনিব! এই মজলিস থেকে এখন যদি আমি উঠে যাই তাহলে সবাই আমাকে নাফরমান বলে চিনে ফেলবে। আমাকে এতগুলো মানুষের সামনে লজ্জা দিও না। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আর নাফরমানী করব না। তার মনের অবস্থা দেখে আল্লাহর দয়া হল। তিনি তার গোনাহগার বান্দাকে অন্যদের সামনে বে-ইজ্জত না করে বৃষ্টি দিয়ে দিলেন।

Address

Tushardhara Residential Area, Saddam Market, Kadamtali
Dhaka
1362

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Healthcare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram