08/02/2026
অনেকদিন পার আবার আসলাম। অনেক কথাই লিখতে মন চায়, ব্যস্ততার কারণে হয়ে ওঠেনা। আজকে বিশেষ একটা বিষয় আপনাদের জানানোর জন্য কলমটা ধরলাম।
আমি উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে একজন প্রফেসর হিসাবে ২২ বছর ধরে চাকরি করছি। অতীতে ever Care Hospital - এ কাজ করেছি। এখন বর্তমানে বছরের মেডিকেল উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি ইবনে সিনা consultation সেন্টারে ও বসি। বিকাল ৪ঃ০০ টা থেকে ৬:৩০ টা পর্যন্ত বসি।
আমি আমার জীবনের ৪৩ বছর পার করেছি শিক্ষার্থী পড়ানো এবং অল্প পয়সায় সু চিকিৎসা প্রদান করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের দেশে এখন অনেক রিসার্চ সেন্টার সেমিনার, ট্রেনিংসেন্টার ব্যবস্থা আছে। বিদেশে কনফারেন্স এর ব্যবস্থা আছে, যে সব জায়গায় বিদেশিরা হাতে হাতে ট্রেনিং দিয়ে থাকেন। বিদেশে যে সমস্ত জিনিস গুলি নতুন নতুন আবিষ্কার হচ্ছে সেগুলো জার্নালের মাধ্যমে আমাদের হাতে চলে আসে।
কাজেই মানুষ যদি এগুলো জানতো, অল্প কিছু টাকা হলেই জমি জমা বিক্রি করে, বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাড়ি জমাত না। কিন্তু তারা খুব একটা সফলতা নিয়ে দেশে ফিরে না। তারা আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা কপি করে বিদেশে পাঠিয়েও যাচাই করে। কিন্তু যাচাই করে খুব বিশেষ কোন পার্থক্য পায় না। বরঞ্চ আমাদের দেশীয় চিকিৎসা তারা বেশি comfort ফিল করে।
কারন আমরা যারা ভালো মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করেছি এবং দীর্ঘ সময় ধরে একই পেশায় সাধনা করে যাচ্ছি। এবং ধর্মীয় দিক দিয়ে মানুষের সাহায্য করার মতন মহৎ কাজ শুধু এ পেশা তে সম্ভব। দুঃখ হয় এ কথা কজনে বোঝে?
এই ৪৩ বছর জীবনে দেড় লক্ষ রোগী দেখেছি, প্রতিটি রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি দাওয়াত দিয়েছি। মেয়েদের পর্দা রক্ষার জন্য বিশেষ ভাবে চেষ্টা করেছি। কেননা সেফা তথা আরোগ্য লাভের একমাত্র উপায় হল আল্লাহর সাহায্য এবং আল্লাহর রহমত। কেননা কঠিন দুর্দশার সময় আমার উপদেশ যেভাবে মানুষ গ্রহণ করে, অন্য সময় করে না।
পুরা কুরআনের শেফার ছয়টি আয়াত আছে। নিয়মিত পড়বেন। সকালের দোয়া আছে, সন্ধ্যার জিকির দোয়া দেওয়া আছে, রাতের জিকির আছে, তাহাজ্জুদের নামাজ আছে, এশার নামাজের পর জিকির আছে।
এভাবে যদি নিয়মিত রুটিন করে পড়েন, হালাল টাকা রোজগার করেন, গুনাহ থেকে মুক্ত থাকেন, নিয়মিত দান সদকা করেন আল্লাহ আপনাকে শেফা দিবে। বিপদ আপদ থেকে হেফাজতে রাখবে। এবং এমন অনেক অলৌকিক ঘটনা আপনার report এ পাওয়া যাবে যেটা science এর ক্ষেত্রে একেবারে অকল্পনীয়।
এ সম্পর্কে specific ভাবে পরবর্তীতে লিখব।
" ধন্যবাদান্তে "
অধ্যাপক ডা: নিলোফার শামীম আফজা।
ইবনে সিনা ডায়গনস্টিক, কনসাল্টেশন সেন্টার।