Dr. Fahim Ullah Shahriar Sunny

Dr. Fahim Ullah Shahriar Sunny Welcome to a space where medicine meets everyday life.

হাম (Measles): অবহেলা নয়, সচেতনতাই সুরক্ষা হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা Measles virus দ্বারা হয়। এটি শিশুদের মধ্...
29/03/2026

হাম (Measles): অবহেলা নয়, সচেতনতাই সুরক্ষা

হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা Measles virus দ্বারা হয়। এটি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও যে কোনো বয়সেই হতে পারে, বিশেষ করে যারা টিকা নেয়নি।

কারণ-

ভাইরাস: Measles virus (Paramyxovirus family)

সংক্রমণ: হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে (Airborne transmission)।

লক্ষণসমূহ-

শুরুতে সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের মতো লক্ষণ দেখা দেয়:
1. জ্বর (১০১–১০৪°F)
2. কাশি ও নাক দিয়ে পানি পড়া (Coryza)
3. চোখ লাল হওয়া (Conjunctivitis)

পরবর্তীতে যা দেখা দেয়:
1. মুখের ভেতরে Koplik spots (সাদা ছোট দানা)।
2. ৩–৫ দিনের মধ্যে সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি (Rash) — যা মুখ থেকে শুরু হয়ে নিচের দিকে ছড়ায়।

জটিলতা-

হাম অবহেলা করলে মারাত্মক হতে পারে:

নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া।

মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)।

অপুষ্ট শিশুর ক্ষেত্রে মৃত্যু ঝুঁকি বেশি।

চিকিৎসা ও করণীয়-

হামের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল নেই, তাই Supportive Treatment প্রয়োজন:

জ্বর কমানোর জন্য Paracetamol।

পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টি নিশ্চিত করা।

Vitamin A supplementation (WHO এর সুপারিশ অনুযায়ী)।

জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি।

প্রতিরোধ ও পরামর্শ-

টিকা: MMR vaccine (Measles, Mumps, Rubella) গ্রহণ করুন। বাংলাদেশে EPI শিডিউল অনুযায়ী সময়মতো শিশুকে টিকা দিন।

পরামর্শ-

শিশুর জ্বর ও র‍্যাশ হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

আক্রান্ত রোগীকে আলাদা রাখুন (Isolation)।

হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য কিন্তু অবহেলায় বিপজ্জনক রোগ। সময়মতো টিকা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা জীবন বাঁচাতে পারে।

আবহাওয়া পরিবর্তন মানেই—জ্বর, কাশি, গলা ব্যথাআবহাওয়া পরিবর্তনের এই phase-এ viral infection খুব common। অনেক patient chamb...
25/03/2026

আবহাওয়া পরিবর্তন মানেই—জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা

আবহাওয়া পরিবর্তনের এই phase-এ viral infection খুব common।
অনেক patient chamber এ আসেন already ২–৩টা antibiotic খেয়ে, কিন্তু তাতেও খুব একটা উপকার পান না।

কারণ simple—Viral infection-এ antibiotic কাজ করে না।

তাই unnecessary medicine না নিয়ে,
সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নেওয়াটাই বেশি জরুরি।

সাধারণভাবে যা করতে পারেন—
বিশ্রাম নিন, পানি বেশি খান, প্রয়োজনে প্যারাসিটামল নিতে পারেন।

তবে কিছু লক্ষণ হলে দেরি না করে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন—
৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে,
শ্বাস নিতে কষ্ট হলে,
বুকে চাপ বা অস্বস্তি হলে,
অথবা খুব দুর্বল লাগলে।

বিশেষ করে বাচ্চা আর বয়স্কদের ক্ষেত্রে একটু বেশি সতর্ক থাকা ভালো।

Stay safe, stay aware.



#ডাক্তারএরপরামর্শ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #জ্বরকাশি #ঋতুপরিবর্তন #ভালথাকুন #স্বাস্থ্যটিপস #সচেতনথাকুন #জ্বরসর্দিকাশি #ডাক্তারকথা #বাংলাহেলথ

সচেতনতা ও সুরক্ষা — ঈদ ভ্রমণে সুস্থ থাকুনঈদের আনন্দ ভ্রমণের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে, কিন্তু সামান্য অসচেতনতায় বাড়তে পারে খ...
18/03/2026

সচেতনতা ও সুরক্ষা — ঈদ ভ্রমণে সুস্থ থাকুন

ঈদের আনন্দ ভ্রমণের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে, কিন্তু সামান্য অসচেতনতায় বাড়তে পারে খাদ্যবিষক্রিয়া (food poisoning) ও অন্যান্য অসুস্থতা।
তাই হোক এই ঈদ — সচেতনতা ও সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি

ব্রণ নয়, আত্মবিশ্বাসই হোক ঈদের সৌন্দর্য
11/03/2026

ব্রণ নয়, আত্মবিশ্বাসই হোক ঈদের সৌন্দর্য

01/03/2026

অসুস্থতা আমরা যাকে কষ্ট হিসেবে দেখি, অনেক সময় সেটাই আল্লাহর এক গভীর রহমত। এটি আমাদের থামায়, ভাবতে শেখায়, আর বুঝতে শেখায় আমরা আসলে কতটা অসহায়, আর আল্লাহর ওপর কতটা নির্ভরশীল।

আমি একজন ডাক্তার—
অন্যদের জন্য পরামর্শ দেওয়া, চিকিৎসা করা, আশ্বাস দেওয়া এটাই আমার কাজ।কিন্তু আজ বুঝছি, নিজের প্রিয় মানুষটার ক্ষেত্রে সেই একই শক্তি ধরে রাখা কত কঠিন।

গত ৪ দিন ধরে আমার মা হাসপাতালে ভর্তি। হাসপাতালের করিডোর, মনিটরের শব্দ, ওয়ার্ডের পরিবেশ সবই পরিচিত, তবুও আজ সবকিছু যেন অন্যরকম লাগে। কারণ আজ আমি ডাক্তার না, আজ আমি শুধু একজন ছেলে।

প্রতিবার রাউন্ডে গিয়ে যখন রোগীর আত্মীয়দের বলতাম “ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে” আজ সেই কথাটাই নিজের মনকে বারবার বলছি। কিন্তু ভিতরে ভিতরে একটা অদৃশ্য ভয়, একটা অসহায়ত্ব কাজ করে যেটা কোনো মেডিকেল বই শেখায় না।

মায়ের পাশে বসে বুঝি রোগ শুধু শরীরকে দুর্বল করে না, পুরো পরিবারকেই নরম করে দেয়। আমাদের অহংকার, ব্যস্ততা, সব কিছু ভেঙে দিয়ে মনে করিয়ে দেয় জীবনের আসল শক্তি হলো ভালোবাসা আর দোয়া।

এই কয়েকদিনে একটা জিনিস খুব গভীরভাবে অনুভব করছি
আমরা যত বড় ডাক্তারই হই না কেন, শেষ পর্যন্ত শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতেই।

হয়তো এই সময়টা আল্লাহ আমাদের আরও কাছে টানার জন্যই দিয়েছেন।
হয়তো এই কষ্টের ভেতরেই লুকিয়ে আছে কোনো অদেখা রহমত।

আল্লাহ আমার মাকে শিফা দান করুন।
আমাদের সবাইকে ধৈর্য দিন।
আর যারা এই মুহূর্তে হাসপাতালে প্রিয়জনের পাশে আছেন—আল্লাহ আপনাদেরও শক্তি দিন।

কারণ, সত্যিই সুস্থতা শুধু একটি অবস্থা না, এটা আল্লাহর সবচেয়ে বড় নিয়ামত।

আজ খুব ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।আমার মা হঠাৎ করে জ্বর, কাশি আর বাম পাশে বুকের ব্যথা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুরু...
25/02/2026

আজ খুব ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।
আমার মা হঠাৎ করে জ্বর, কাশি আর বাম পাশে বুকের ব্যথা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুরুতে বিষয়টা সাধারণ সর্দি-কাশি মনে হলেও ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে কষ্ট বাড়তে থাকে।

চেকআপ ও এক্স-রে করার পর ধরা পড়ে—বাম পাশের নিউমোনিয়া, সাথে ছিল ব্রংকিয়েক্টেসিস।

নিউমোনিয়া মানে ফুসফুসে সংক্রমণ, যেখানে বাতাসের জায়গায় জমে যায় সংক্রমণজনিত তরল।
আর ব্রংকিয়েক্টেসিস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে ফুসফুসের শ্বাসনালীগুলো স্থায়ীভাবে প্রসারিত হয়ে যায়, ফলে সহজেই কফ জমে ও বারবার সংক্রমণ হয়।

লক্ষণগুলো :
• জ্বর ও ঠান্ডা লাগা
• তীব্র কাশি (বিশেষ করে রাতে বেশি)
• শুয়ে থাকলে কাশি বেড়ে যাওয়া
• শুকনো কাশি (শুরুতে কফ না থাকা)
• বাম পাশে বুকের ব্যথা
• শ্বাসকষ্ট
• দুর্বলতা

চিকিৎসা:
সময়মতো অ্যান্টিবায়োটিক, নেবুলাইজেশন, পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রাম—এইগুলোই মূল ভরসা।
নিয়মিত অক্সিজেন লেভেল মনিটর করা হয়েছে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:
• নিউমোনিয়াকে কখনোই সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা করবেন না
• শুয়ে থাকলে কাশি বাড়া বা শ্বাসকষ্ট হওয়া গুরুতর লক্ষণ হতে পারে
• ব্রংকিয়েক্টেসিস থাকলে সংক্রমণ বারবার হতে পারে
• বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি
• দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতা অনেক কমে যায়

একজন ডাক্তার হিসেবে অনেক রোগী দেখি, কিন্তু যখন নিজের মা অসুস্থ হন—তখন বিষয়টা একেবারেই অন্যরকম। তখন চিকিৎসার পাশাপাশি দোয়া আর মানসিক শক্তিই সবচেয়ে বড় সহায়।

সবাই আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন 🤲
আর নিজের পরিবারের খেয়াল রাখবেন।

— ডা. শাহরিয়ার সানি

🩺 ইফতারে জিলাপি:  আনন্দ নাকি শরীরের চাপ?রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে জিলাপি যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সারাদিন রোজার পর মিষ্টি ...
24/02/2026

🩺 ইফতারে জিলাপি: আনন্দ নাকি শরীরের চাপ?

রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে জিলাপি যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সারাদিন রোজার পর মিষ্টি কিছু খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা থেকে আমরা অনেকেই প্রথমেই জিলাপির দিকে হাত বাড়াই। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই গরম, রসালো জিলাপি শরীরে ঢোকার পর আসলে কী ঘটে?

চলুন সহজ ভাষায় বিষয়টা বোঝা যাক।

🍯 ১. দ্রুত শক্তি (Instant Energy Boost)

জিলাপি মূলত পরিশোধিত চিনি (simple carbohydrate) দিয়ে তৈরি। ইফতারের পর এটি খেলে খুব দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়।
➡️ ফলাফল: আপনি সঙ্গে সঙ্গে একধরনের শক্তি ও ভালো লাগা অনুভব করেন।

📈 ২. রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি (Glucose Spike)

এই হঠাৎ গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়া শরীরের জন্য সবসময় ভালো না।
➡️ শরীর তখন দ্রুত Insulin নিঃসরণ করে অতিরিক্ত শর্করা কমানোর জন্য।

➡️ ফলাফল: কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার দুর্বলতা বা ঘুম ঘুম ভাব আসতে পারে (sugar crash)।

🧈 ৩. অতিরিক্ত ক্যালোরি ও ফ্যাট জমা

জিলাপি তেলে ভাজা এবং চিনির সিরায় ভেজানো।
➡️ অতিরিক্ত খেলে শরীরে ক্যালোরি জমা হয় এবং ধীরে ধীরে ওজন বাড়াতে পারে।

❤️ ৪. হার্ট ও মেটাবলিক ঝুঁকি

নিয়মিত বেশি পরিমাণে জিলাপি খেলে—
• ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়তে পারে
• ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হতে পারে
• ভবিষ্যতে টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও হার্টের ঝুঁকি বাড়ে

😴 ৫. অলসতা ও হজম সমস্যা

ইফতারের সময় অতিরিক্ত মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবার একসাথে খেলে—
• পেটে অস্বস্তি
• গ্যাস
• অতিরিক্ত ঘুমভাব

⚖️ তাহলে কি জিলাপি খাওয়া যাবে না?

অবশ্যই খাওয়া যাবে — কিন্তু পরিমাণটাই মূল বিষয়।

✔️ ১–২টা ছোট জিলাপি যথেষ্ট
✔️ ইফতারের শুরুতে না খেয়ে একটু পরে খাওয়া ভালো
✔️ সাথে ফল, পানি ও প্রোটিন রাখুন

মনে রাখুন:
“স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে ইবাদতও সুন্দর হয়।”

— একজন চিকিৎসকের দৃষ্টিতে ছোট্ট সচেতনতা

Address

Mirpur 1
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Fahim Ullah Shahriar Sunny posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share