YA Latif Rukiya Ghor

YA Latif Rukiya Ghor Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from YA Latif Rukiya Ghor, Health & Wellness Website, Gopibagh, Dhaka.

ইয়ালাতীফু রুকিয়াহ ঘর ,কোনো তাবিজ কবজ বা কুফরী বিসস্বাস করে না
১২ দিনের রুকিয়াহ - ১০,০০০ হাদিয়া
৭ দিনের রুকিয়াহ - ৭,০০০ হাদিয়া
রুকিয়াহ পানি - ১০০০ হাদিয়া
এ ছাড়া রোগীর রোগ এর ধরণ অনুযায়ী চিকিৎসার হাদিয়া নেয়া হয়
গরিব ভাইবোন রা সম্পূর্ণ ফ্রি

10/01/2026
09/01/2026

Black Magic VS Islam

রাশিয়ার একজন তথাকথিত জাদুকর বা অকাল্টিস্ট (Occultist) ঝান্না কুশনির (Zhanna Kushnir)।

একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে জাদুর প্রভাব এবং এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, আধ্যাত্মিক সাধনা বা জাদুর মাধ্যমে সব মানুষকে সমানভাবে প্রভাবিত করা সম্ভব হয় না।

​তিনি জানান যে, একজন প্রকৃত মুসলিমকে জাদুর মাধ্যমে প্রভাবিত করা প্রায় অসম্ভব। তার মতে, মুসলিমরা তাদের স্রষ্টার (আল্লাহর) সাথে এক অনন্য এবং সার্বক্ষণিক আত্মিক সংযোগ বজায় রাখে। তাদের নিয়মিত নামাজ এবং ইবাদত তাদের চারপাশে একটি "অদৃশ্য সুরক্ষা বলয়" (Invisible Dome) তৈরি করে।

​ঝান্না কুশনির একটি বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, যখন তিনি কোনো অমুসলিমকে নিয়ে জাদুর প্রক্রিয়া শুরু করেন, তখন খুব সহজেই সেই ব্যক্তিকে তার কল্পনায় বা 'ভিশনে' নিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু একজন নিষ্ঠাবান মুসলিমের ক্ষেত্রে তিনি তা পারেন না। এমনকি তার সামনে সেই ব্যক্তির ছবি থাকলেও তিনি তার অবয়ব বা অস্তিত্বকে আধ্যাত্মিকভাবে স্পর্শ করতে পারেন না। তার কাছে মনে হয়, সেই ব্যক্তিটি যেন অদৃশ্য হয়ে গেছেন বা কোনো এক শক্তিশালী দেয়ালে ঢাকা পড়ে আছেন।

​তিনি স্বীকার করেন যে, একজন মুসলিমের ওপর জাদু প্রয়োগ করতে গেলে তিনি বারবার বাধাগ্রস্ত হন। কোনো এক অদৃশ্য শক্তি তার জাদুকরী প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে দেয় না। উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই বিশেষ সুরক্ষা এবং অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রধানত মুসলিমদের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করেছেন।

সূরা নাহল-এর ৯৯ নম্বর আয়াতটি এই ঘটনার একটি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা প্রদান করে:

​اِنَّہٗ لَیۡسَ لَہٗ سُلۡطٰنٌ عَلَی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَلٰی رَبِّہِمۡ یَتَوَکَّلُوۡنَ



"নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের রবের উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করেছে, তাদের ওপর শয়তানের কোনো আধিপত্য নেই।" (সূরা আন-নাহল: ৯৯)

​ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, নামাজ, জিকির এবং আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ঢাল হিসেবে কাজ করে। এই সাক্ষাৎকারটি সেই চিরন্তন সত্যেরই একটি সমসাময়িক বাস্তব স্বীকৃতি।

​এই ভিডিওটি মূলত রাশিয়ান ভাষায় ছিল, যা পরবর্তীতে ইংরেজি ও বাংলা সাবটাইটেলসহ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

হজরত আইউব আলাইহিস সালাম দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হলে তাঁর বন্ধু-বান্ধব, সন্তান-সন্তুতি সবাই দূরে সরে যায়। অসুস্থতার পূ...
09/01/2026

হজরত আইউব আলাইহিস সালাম দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হলে তাঁর বন্ধু-বান্ধব, সন্তান-সন্তুতি সবাই দূরে সরে যায়। অসুস্থতার পূর্বে আল্লাহ তাঁকে অগাধ ধন-সম্পদ, সহায়-সম্পত্তি, দালান-কোঠা, যানবাহন, চাকর-নকর সবাই দান করেছিলেন। অসুস্থ হওয়ার পর সবকিছুই তার শেষ হয়ে যায়। এ অসহায় অবস্থায় তিনি এ দোয়া করেছিলেন। ফলে আল্লাহ তাআলা তাঁকে পূর্বের ন্যায় সব কিছুই ফিরিয়ে দেন। জাগো নিউজে তা তুলে ধরা হলো-দোয়াটি-رَبِّ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَউচ্চারণ- রাব্বি আন্নি মাসসানিয়ায যুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমিন।অর্থ- হে আমার প্রভু! আমি দুঃখে কষ্টে পতিত হয়েছি, তুমিইতো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু। (সূরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৩)এ ঘটনাটি আল্লাহ কুরআনে এভাবে তুলে ধরেন- وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَى رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ - فَاسْتَجَبْنَا لَهُ فَكَشَفْنَا مَا بِهِ مِن ضُرٍّ وَآتَيْنَاهُ أَهْلَهُ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا وَذِكْرَى لِلْعَابِدِينَঅর্থাৎ এবং স্মরণ করুন আইউবের কথা, যখন তিনি তাঁর পালনকর্তাকে আহবান করে বলেছিলেনঃ আমি দুঃখকষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ট দয়াবান। অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁর দুঃখকষ্ট দূর করে দিলাম এবং তাঁর পরিবরাবর্গ ফিরিয়ে দিলাম, আর তাদের সঙ্গে তাদের সমপরিমাণ আরও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপাবশতঃ আর এটা ইবাদত কারীদের জন্যে উপদেশ স্বরূপ। (সূরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৩-৮৪)পরিশেষে...আল্লাহ তাআলা সবাইকে কুরআনের আমল করে সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।জাগোনিউজ২৪.কমের সঙ্গে থাকুন। গুরুত্বপূর্ণ দুআ ও আমল শিখুন। সুন্দর সুন্দর ইসলামি আলোচনা পড়ুন। কুরআন-হাদিস মোতাবেক আমলি জিন্দেগি যাপন করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন। আমিন, ছুম্মা আমিন।

আপনার সংসারও কি বিচ্ছেদের জাদুতে আক্রান্ত?একটি সুন্দর ও সাজানো সংসার সবার স্বপ্ন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, কোনো বড় কারণ...
09/01/2026

আপনার সংসারও কি বিচ্ছেদের জাদুতে আক্রান্ত?
একটি সুন্দর ও সাজানো সংসার সবার স্বপ্ন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, কোনো বড় কারণ ছাড়াই একটি হাসিখুশি পরিবারে হঠাৎ অশান্তির আগুন জ্বলছে। যে মানুষগুলো একে অপরের জন্য একসময় ব্যাকুল থাকতেন, আজ তারাই একে অপরের মুখ পর্যন্ত দেখতে পারছেন না। অনেকেই একে সাধারণ ঝগড়া বা মানসিক অমিল মনে করেন। কিন্তু সব ক্ষেত্রে বিষয়টি সাধারণ না-ও হতে পারে। অনেক সময় পর্দার আড়ালে কাজ করে কোনো জাদুকর বা জিনের অশুভ চক্রান্ত। একেই ইসলামি পরিভাষায় বলা হয় ‘সিহরুত তাফরিক’ বা বিচ্ছেদের জাদু।

বিচ্ছেদের জাদু আসলে কী? সহজ কথায়, শত্রুতা বা হিংসার বশবর্তী হয়ে কিছু মানুষ বা জিন জাদু করার মাধ্যমে আপনজনদের মাঝে দূরত্ব তৈরি করে—সেটিই বিচ্ছেদের জাদু। এই বিষাক্ত জাদুর জাল শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি বাবা-ছেলের সম্পর্ক, মা-মেয়ের মমতা কিংবা ভাই-বোনের অটুট বন্ধনকেও নষ্ট করে দিতে পারে। প্রিয়জনদের মধ্যে ঘৃণা তৈরি করে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়াই এই জাদুর মূল লক্ষ্য।

সংসারে এই জাদুর প্রভাব ও লক্ষণ: দাম্পত্য জীবনে এই জাদুর প্রভাব সবচেয়ে ভয়াবহ। আপনার সম্পর্কের মধ্যে কি এমন কোনো আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন? যেমন—
১.গভীর ভালোবাসার জায়গায় হঠাৎ তীব্র ঘৃণা ও বিরক্তি চলে আসা।
২.একে অপরের প্রতি অহেতুক সন্দেহ এবং তুচ্ছ বিষয়ে চরম অশান্তি করা।
৩.সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো—স্বামী ও স্ত্রীর চোখে একে অপরকে কুৎসিত বা ভয়ংকর মনে হওয়া। জাদুকর বা জিনের প্রভাবে প্রিয় মানুষটিকে দেখা মাত্রই মনে আতঙ্ক বা তীব্র ঘৃণা সৃষ্টি হয়। অথচ বাস্তবে তারা হয়তো আগের মতোই সুন্দর ও প্রিয়। এই বিভ্রান্তিই মূলত একটি পবিত্র সম্পর্ককে বিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দেয়।

সুকুন লাইফ রুকইয়াহ সেন্টারের মাধ্যমে পেতে পারেন এর সমাধান: এই জাদুর প্রভাব থেকে বাঁচার পথ কোনো তান্ত্রিক বা ভণ্ড কবিরাজের কাছে নেই। এর নিরাপদ ও স্থায়ী সমাধান লুকিয়ে আছে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশিত পদ্ধতিতে।
সুকুন লাইফ -এ আমরা দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাকিদের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ শরিয়াহসম্মত পদ্ধতিতে চিকিৎসা প্রদান করি। আমরা প্রতিটি রোগীর সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখে কাউন্সিলিং ও রুকইয়ার মাধ্যমে সেবা দিয়ে আসছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শে অনেক ভেঙে যাওয়া সংসার পুনরায় জোড়া লেগেছে এবং পরিবারে ফিরে এসেছে শান্তি।

আপনার বা আপনার পরিচিত কোনো পরিবার যদি এমন কঠিন সমস্যার মধ্য দিয়ে যায়, তবে সঠিক সময়ে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিন। আল্লাহর রহমতে জাদুর প্রভাব কাটিয়ে আপনার বা তাদের সংসারেও ফিরে আসতে পারে প্রশান্তির সুবাতাস।
পরামর্শ বা চিকিৎসার জন্য আমাদের আজই ইনবক্স করুন। অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন:

সুখময় জীবনের সন্ধান

04/01/2026

রুকইয়াহ শরয়ী হতে পারে গায়রে শারয়ীও হতে পারে৷ রুকইয়াহ শারইয়াহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, তথা কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া, আল্লাহর নাম ও জায়েয দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। আর গায়রে শরয়ী রুকইয়াহ মানে শরীয়তে নিষিদ্ধ পন্থায় ঝাড়ফুক ইত্যাদি করা৷ তবে রুকইয়া শব্দটি সচরাচর শরয়ী রুকইয়াহ বোঝাতে ব্যবহার হয়। এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়। এর দ্বারা জিন যাদু নজর ইত্যাদি প্যারানরমাল জনিত সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।

রুকইয়াহ শরয়ী হতে পারে গায়রে শারয়ীও হতে পারে৷ রুকইয়াহ শারইয়াহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, তথা কোরআনের আয়াত অথবা হ...
04/01/2026

রুকইয়াহ শরয়ী হতে পারে গায়রে শারয়ীও হতে পারে৷ রুকইয়াহ শারইয়াহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, তথা কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া, আল্লাহর নাম ও জায়েয দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। আর গায়রে শরয়ী রুকইয়াহ মানে শরীয়তে নিষিদ্ধ পন্থায় ঝাড়ফুক ইত্যাদি করা৷ তবে রুকইয়া শব্দটি সচরাচর শরয়ী রুকইয়াহ বোঝাতে ব্যবহার হয়। এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়। এর দ্বারা জিন যাদু নজর ইত্যাদি প্যারানরমাল জনিত সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।


01/01/2026

১. الله (আল্লাহ)। অর্থ : আল্লাহ, প্রভু।
২. الرَّحْمَنُ (আর-রহমান)। অর্থ : সবচাইতে দয়ালু, কল্যাণময়, করুণাময়।
৩. الرَّحِيمُ (আর-রহিম)। অর্থ : সবচাইতে ক্ষমাশীল।
৪. الْمَلِكُ (আল-মালিক)। অর্থ : অধিপতি।
৫. الْقُدُّوسُ (আল-ক্বুদ্দুস)। অর্থ : পূতপবিত্র, নিখুঁত।
৬. السَّلَامُ (আস-সালাম)। অর্থ : শান্তি এবং নিরাপত্তার উৎস, ত্রাণকর্তা।
৭. الْمُؤْمِنُ (আল-মুমিন)। অর্থ : জামিনদার, সত্য ঘোষণাকারী।
৮. الْمُهَيْمِنُ (আল-মুহাইমিন)। অর্থ : অভিভাবক, প্রতিপালক।
৯. الْعَزِيزُ (আল-আযিয)। অর্থ : সর্বশক্তিমান, সবচেয়ে সম্মানিত।
১০. الْجَبَّارُ (আল-জাব্বার)। অর্থ : দুর্নিবার, সমু”চ, মহিমান্বিত।
১১. الْخَالِقُ (আল-খলিক)। অর্থ : সৃষ্টিকর্তা।
১২. الْبَارِئُ (আল-বারি)। অর্থ : বিবর্ধনকারী, নির্মাণকর্তা, পরিকল্পনাকারী।
১৩. الْمُصَوِّرُ (আল-মুসাউয়ির)। অর্থ : আকৃতিদানকারী।
১৪. الْغَفَّارُ (আল-গাফফার)। অর্থ: পুনঃমার্জনাকারী।
১৫. الْقَهَّارُ (আল-কাহ্হার)। অর্থ : দমনকারী।
১৬. الْوَهَّابُ (আল-ওয়াহ্হাব)। অর্থ : ¯’াপনকারী।
১৭. الرَّزَّاقُ (আর-রজ্জাক।। অর্থ : রিজিকদাতা।
১৮. الْفَتَّاحُ (আল-ফাত্তাহ)। অর্থ : প্রারম্ভকারী, বিজয়দানকারী।
১৯. الْعَلِيمُ (আল-আলীম)। অর্থ : সর্বজ্ঞানী, সর্বদর্শী।
২০. الْقَابِضُ (আল-কাবিদ)। অর্থ : নিয়ন্ত্রণকারী, সরলপথ প্রদর্শনকারী।
২১. الْبَاسِطُ (আল-বাসিত)। অর্থ : প্রসারণকারী।
২২. الْخَافِضُ (আল-খাফিদ)। অর্থ : (অবিশ্বাসীদের) অপমানকারী।
২৩. الرَّافِعُ (আর-রাফি)। অর্থ : উন্নীতকারী।
২৪. الْمُعِزُّ (আল-মুয়িজ্জিব)। অর্থ : সম্মানপ্রদানকারী।
২৫. الْمُذِلُّ (আল-মুঝিল্ল)। অর্থ : সম্মানহরণকারী।
২৬. السَّمِيعُ (আস-সামীয়ু)। অর্থ : সর্বশ্রোতা।
২৭. الْبَصِيرُ (আল-বাসির)। অর্থ : সর্বদ্রষ্টা।
২৮. الْحَكَمُ (আল-হাকাম)। অর্থ : বিচারপতি।
২৯. الْعَدْلُ (আল-আদল)। অর্থ : নিখুঁত।
৩০. اللَّطِيفُ (আল-লাতিফ)। অর্থ : অমায়িক।
৩১. الْخَبِيرُ (আল-খবির)। অর্থ : সম্যক অবগত।
৩২. الْحَلِيمُ (আল-হালিম)। অর্থ : ধৈর্যবান, প্রশ্রয়দাতা।
৩৩. الْعَظِيمُ (আল-আযিম)। অর্থ : সুমহান।
৩৪. الْغَفُورُ (আল-গফুর)। অর্থ : মার্জনাকারী।
৩৫. الشَّكُورُ (আশ-শাকুর)। অর্থ : সুবিবেচক।
৩৬. الْعَلِيُّ (আল-আলিই)। অর্থ : মহীয়ান।
৩৭. الْكَبِيرُ (আল-কাবীর)। অর্থ : সুমহান।
৩৮. الْحَفِيظُ (আল-হাফিজ)। অর্থ : সংরক্ষণকারী।
৩৯. الْمُقِيتُ (আল-মুকিত)। অর্থ : লালনপালনকারী।
৪০. الْحَسِيبُ (আল-হাসিব)। অর্থ : মীমাংসাকারী।
৪১. الْجَلِيلُ (আল-জালিল)। অর্থ : গৌরবান্বিত।
৪২. الْكَرِيمُ (আল-কারিম)। অর্থ : উদার, অকৃপণ।
৪৩. الرَّقِيبُ (আর-রকিব)। অর্থ : সদা জাগ্রত, অতন্দ্র পর্যবেক্ষণকারী।
৪৪. الْمُجِيبُ (আল-মুজীব)। অর্থ : সাড়া দানকারী, উত্তরদাতা।
৪৫. الْوَاسِعُ (আল-ওয়াসি)। অর্থ : অসীম, সর্বত্র বিরাজমান।
৪৬. الْحَكِيمُ (আল-হাকিম)। অর্থ : সুবিজ্ঞ, সুদক্ষ।
৪৭. الْوَدُودُ (আল-ওয়াদুদ)। অর্থ : স্নেহশীল।
৪৮. الْمَجِيدُ (আল-মাজিদ)। অর্থ : মহিমান্বিত।
৪৯. الْبَاعِثُ (আল-বাঈস)। অর্থ : পুনরুত্থানকারী।
৫০. الشَّهِيدُ (আশ-শাহীদ)। অর্থ : সাক্ষ্যদানকারী।
৫১. الْحَقُّ (আল-হক)। অর্থ : প্রকৃত সত্য।
৫২. الْوَكِيلُ (আল-ওয়াকিল)। অর্থ : সহায় প্রদানকারী, আ¯’াভাজন, উকিল।
৫৩. الْقَوِيُّ (আল-কুওয়াত)। অর্থ : ক্ষমতাশালী।
৫৪. الْمَتِينُ (আল মাতীন সুদৃঢ়, সু¯ি’র।
৫৫. الْوَلِيُّ (আল-ওয়ালিই)। অর্থ : বন্ধু, সাহায্যকারী, শুভাকাক্সক্ষী।
৫৬. الْحَمِيدُ (আল-হামিদ)। অর্থ : সকল প্রশংসার দাবীদার, প্রশংসনীয়।
৫৭. الْمُحْصِي (আল-মুহসি)। অর্থ : বর্ণনাকারী, গণনাকারী।
৫৮. الْمُبْدِئُ (আল-মুব্দি)। অর্থ : অগ্রণী, প্রথম প্রবর্তক, সৃজনকর্তা।
৫৯. الْمُعِيدُ (আল-মুঈদ)। অর্থ : পুন:প্রতিষ্ঠাকারী, পুনরূদ্ধারকারি।
৬০. الْمُحْيِي (আল-মুহিই)। অর্থ : জীবনদানকারী।
৬১. الْمُمِيتُ (আল-মুমীত)। অর্থ : ধ্বংসকারী, মৃত্যু আনয়নকারী।
৬২. الْحَيُّ (আল-হাইই)। অর্থ : চিরঞ্জীব, যার কোনো শেষ নাই।
৬৩. الْقَيُّومُ (আল-কাইয়ুম)। অর্থ : অভিভাবক, জীবিকানির্বাহ প্রদানকারী।

01/01/2026

জীবিকানির্বাহ প্রদানকারী।
৬৪. الْوَاجِدُ (আল-ওয়াজিদ)। অর্থ : পর্যবেক্ষক, চির¯’ায়ী।
৬৫. الْمَاجِدُ (আল-মাজিদ)। অর্থ : সুপ্রসিদ্ধ।
৬৬. الْوَاحِدُ (আল-ওয়াহিদ) ।অর্থ : এক, অনন্য, অদ্বিতীয়।
৬৭. الصَّمَدُ (আস-সমাদ)। অর্থ : চিরন্তন, অবিনশ্বর, নির্বিকল্প, সুনিপুণ, স্বয়ং সম্পূর্ণ।
৬৮. الْقَادِرُ (আল-কাদির)। অর্থ : সর্বশক্তিমান।
৬৯. الْمُقْتَدِرُ (আল-মুকতাদির)। অর্থ : প্রভাবশালী, সিদ্ধান্তগ্রহণকারী।
৭০. الْمُقَدِّمُ (আল-মুকাদ্দিম)। অর্থ : অগ্রগতিতে সহায়তা প্রদানকারী।
৭১. الْمُؤَخِّرُ (আল-মুআক্ষির)। অর্থ : বিলম্বকারী।
৭২. الْأَوَّلُ (আল-আউয়াল)। অর্থ : সর্বপ্রথম, যার কোনো শুরু নাই।
৭৩ الْآخِرُ (আল-আখির)। অর্থ : সর্বশেষ, যার কোনো শেষ নাই।
৭৪. الظَّاهِرُ (আজ-জাহির)। অর্থ : সুস্পষ্ট, সুপ্রতীয়মান।
৭৫. الْبَاطِنُ (আল-বাতিন)। অর্থ : লুকায়িত, অস্পষ্ট, অন্তর¯’ (যা কিছু দেখা যায় না)।
৭৬. الْوَالِيَ (আল-ওয়ালি)। অর্থ : সুরক্ষাকারী বন্ধু, অনুগ্রহকারী, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রভু।
৭৭. الْمُتَعَالِي (আল-মুতাআলী)। অর্থ : সর্বো”চ মহিমান্বিত, সুউ”চ।
৭৮. الْبَرُّ (আল-র্বার)। অর্থ : কল্যাণকারী।
৭৯. التَّوَّابُ (আত-তাওয়াব)। অর্থ : বিনম্র, সর্বদা আবর্তিতমান।

01/01/2026

আবর্তিতমান।
৮০. الْمُنْتَقِمُ (আল-মুন্তাকিম)। অর্থ : প্রতিফল প্রদানকারী।
৮১. الْعَفُوُّ (আল-আফুউ)। অর্থ : শাস্তি মউকুফকারী, গুনাহ ক্ষমাকারী।
৮২. الرَّءُوفُ (আর-রওফ)। অর্থ : সদয়, সমবেদনা প্রকাশকারী।
৮৩. مَالِكُ الْمُلْكِ (মালিকুল মুলক)। অর্থ : সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
৮৪. ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ (জুল-জালালি ওয়াল ইকরাম)। অর্থ : মর্যাদা ও ঔদার্যের প্রভু।
৮৫. الْمُقْسِطُ (আল-মুকসিত)। ন্যায়পরায়ণ, প্রতিদানকারী।
৮৬. الْجَامِعُ (আল-জামি)। অর্থ : একত্র আনয়নকারী, ঐক্য সাধনকারী।
৮৭. الْغَنِيُّ (আল-গানিই)। অর্থ : ঐশ্বর্যবান, স্বতন্ত্র।
৮৮. الْمُغْنِي (আল-মুগনি)। অর্থ : সমৃদ্ধকারী, উদ্ধারকারী।
৮৯. الْمَانِعُ (আল-মানি)। অর্থ : প্রতিরোধকারী, রক্ষাকর্তা।
৯০. الضَّارُّ (আদ-র্দারু)। অর্থ : যন্ত্রণাদানকারী, উৎপীড়নকারী।
৯১. النَّافِعُ (আন-নাফি)। অর্থ : অনুগ্রাহক, উপকর্তা, হিতকারী।
৯২. النُّورُ (আন-নূর)। অর্থ : আলোক।
৯৩. الْهَادِي (আল-হাদী)। অর্থ : পথপ্রদর্শক।
৯৪. الْبَدِيعُ (আল-বাদী)। অর্থ : অতুলনীয়, অনিধগম্য।
৯৫. الْبَاقِي (আল-বাকী)। অর্থ : অপরিবর্তনীয়, অনন্ত, অসীম, অক্ষয়।
৯৬. الْوَارِثُ (আল-ওয়ারিস)। অর্থ : সবকিছুর উত্তরাধিকারী।
৯৭. الرَّشِيدُ (আর-রশিদ)। অর্থ : সঠিক পথের নির্দেশক।
৯৮. الصَّبُورُ (আস-সবুর)। অর্থ : ধৈর্যশীল।
৯৯. الْمُتَكَبِّرُ (আল-মুতাকাব্বির)। অর্থ : সর্বশ্রেষ্ঠ, গৌরবান্বিত।

01/01/2026

হযরত মুহম্মদ (সা:) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে। যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির করবে; সে জান্নাতে যাবে।

আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে (اَلْمُوَخِّرُ) ‘আল-মুয়াখ্‌খিরু’ একটি। এ গুণবাচক নামের আমেল বান্দার সব কাজ সুন্দরভাবে সম্পাদিত হয় এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ হয়।

Address

Gopibagh
Dhaka
1203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when YA Latif Rukiya Ghor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram