Bangla Beauty Tips

Bangla Beauty Tips all kinds of beauty tips here

23/02/2023

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️ অনুগ্রহ পূর্বক একটু পড়ুন,ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।
এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।
তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?
লোকটি বলল, জি দেখেছি।
শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?
লোকটি বললো, কুকুর।
শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে
বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?
লোকটি বললো, ছাগল।
শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন,
"ছাগলকে জবেহ করা হয়, এরপর ও ছাগলের
সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না।
এটা কি বরকত নয়?
লোকটি বললো, এর কারণ কি- ছাগলের মধ্যে
বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?
শায়খ বললেন, ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়।
আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।
একটু_চিন্তার_বিষয়,
নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।
আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে
হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই।
অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?
আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই আর ভাবি - আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেনো?
আবার গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘদিন রাত জাগলে শরীরে আটটি মারাত্মক রোগ হতে পারে
১ উচ্চ রক্তচাপ
২, হার্টের মারাত্মক ক্ষতি
৩ ব্রেনের পাওয়ার কমে যাওয়া
৪,আয়ু কমে যাওয়া
৫, মানসিক অবসাদ বৃদ্ধি পাওয়া
৬, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া
৭, ত্বকের সৌন্দর্য কমে যাওয়া
৮ ওজন বৃদ্ধি পাওয়া ,এতে শারীরিক গঠন ও নষ্ট হতে পারে।
তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, তিনি আমাদের দোয়

Collected

30/01/2023

একজন সাহাবীর ডায়রিয়া হলো। তার ভাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলেন পরামর্শ নিতে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, "তাকে মধু খাওয়াও।"

ডায়রিয়া আক্রান্ত সাহাবীকে মধু খাওয়ানো হলো। কিন্তু, তার ডায়রিয়া না কমে বরং বেড়ে গেলো।

তার ভাই আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলেন। রাসূলুল্লাহ আবার বললেন, "মধু খাওয়াও।"

এবারও একই অবস্থা। এভাবে ঐ সাহাবী চার বার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে ভাইয়ের অবস্থার অবনতির কথা জানান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেকবার একই উপদেশ দেন- "মধু খাওয়াও।"

চতুর্থবার সাহাবী যখন বললেন মধু খাইয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না, তখন রাসূলুল্লাহ বললেন, "আল্লাহ সত্য বলেছেন, তোমার ভাইয়ের পেট তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চাচ্ছে। যাও, মধু খাওয়াও।"

সাহাবী চতুর্থবারের মতো তার ভাইকে মধু খাওয়ান। এবার সেই সাহাবী ডায়রিয়া থেকে আরোগ্যলাভ করেন।

11/05/2022

বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই ২টি পরীক্ষা নিয়মিত করুন।
১) ব্লাড প্রেসার
২) ব্লাড সুগার

༆৩টি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বেড়ে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করা
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা
৩) সবসময় দুঃখে কাতর থাকা

𖣔৪টি খাবার যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন
২) চিনি
৩) অতিরিক্ত চর্বি ও ভাজাপোড়া খাবার
৪) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসড ফুড

۞৪টি খাবার বেশি করে খান
১) সব রকমের সবুজ শাক সব্জি
২) দেশীয় ফলমূল
৩) বিভিন্ন ধরনের বাদাম
৪) প্রোটিন জাতীয় খাবার

𖣘৫টি কাজ দেরী না করে আগেই করবেন
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া

᯽৬টি জিনিষের চর্চা করুন
১) অহংকার না করা
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা ও হাঁটা
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন করা

☆৭টি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য বা ঋণ
২) লোভ
৩) অলসতা
৪) ঘৃণা
৫) সময়ের অপচয়
৬) পরচর্চা, পরনিন্দা
৭) কোন রূপ নেশা বা আসক্তি

𖣔সুখী হতে ৭টি জিনিস সাথে রাখুন
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার
৩) সবসময় সুচিন্তা
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া

সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন।
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”

08/03/2022

এক নজরে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব খাদ্য খেয়েছেন
★ তিনি হালুয়া ও মধু খুবই পছন্দ করতেন ।
★ লাউ/ কদুর তরকারি তাঁর অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য ।
★ তিনি সামুদ্রিক মাছ খেয়েছেন ।
★ তিনি উট , ভেড়া , মুরগি ও বকরির গোশত খেয়েছেন ।
★ তিনি বন্য গাধা ও খরগোশের গোশত খেয়েছেন ।
★ তিনি খাঁটি দুধ ও পানি মিশানো দুধ পান করেছেন ।
★ তিনি ছড়া থেকে আঙ্গুর খেতেন ।
★ পানি মেশানো মধু ও খেজুর ভেজানো পানি পান করতেন ।
★ ছাতু , দুধ ও আটা দিয়ে তৈরী পিঠা , পনির , কাঁচা পাকা খেজুর খেতেন ।
★ সিরকা দিয়ে রুটি খেতেন ।
★ গোশতের ঝোলে রুটি ভিজিয়ে সারিদ খেয়েছেন ।
★ ভুনা গোশত , চর্বির ইহালা ও কলিজা খেয়েছেন । তবে তিনি গুর্দা ও কলিজা বেশি পছন্দ করতেন না ।
★ যয়তুন ও মাখন দিয়ে শুকনো খেজুর খেতেন ।
★ তিনি কখনো কখনো ঘি দিয়ে রুটি খেয়েছেন ।
★ নরম খেজুরের সাথে তরমুজ খেয়েছেন । তিনি তরমুজ খাবার সময় দু'হাত ব্যবহার করতেন ।
★ খাবার সময় তিনি তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতেন ।
★ তিনি যবের রুটি খেয়েছেন ।
★ হালাল ও পবিত্র খানা যা পেতেন তা তৃপ্তির সাথে খেতেন ।
বেশির ভাগ সময়ে তিনি ক্ষুধা সহ্য করতেন ।
★ তিনি অত্যধিক গরম খাবার খেতেন না ।
★ তিনি রসুন , পেঁয়াজ ও কুররাস ( রসুনের মতো গন্ধযুক্ত এক প্রকার তরকারি ) খেতেন না ।
★ তিনি কোনো খাদ্যের দোষ - ত্রুটি বলতেন না । রুচিপূর্ণ না হলে ওই খাবার খেতেন না ।
রেফারেন্স:
বই: রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘরে ১ দিন ।
লেখক: আব্দুল মালিক আল -কাসেম
অনুবাদক: হাফেজ মুফতি মোবারক সালমান
প্রকাশক: আতিফা পাবলিকেশন্স
সংস্করণ: কোন তারিখ বা সংস্করন উল্লেখ নাই ।
পৃষ্ঠা: ১১৭

12/02/2022

চির তরুন থাকার টিপস্ঃ
ডাঃ- দেবী শেঠী
নাজমুল এইচ নিবিড় এর টাইমলাইন থেকে নেওয়াঃ

১. খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের
মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি
খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।
২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি
খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক
কাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে
দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।
৩. সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি
খাবেন।
৪. পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা
জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার
বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে
উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস
করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও
সেরে যায়।
৫. অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা
গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি
চায়নিজ হারবাল মেডিসিন । সেকালে এই চা দিয়ে
হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের
নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার
আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে
রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে
নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ
রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে
চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।
৬. ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ এর
গুণাগুণ অসংখ্য। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার
মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে।
তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না।
প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে
সাহায্য করে। আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো,
কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে
বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
৭. ধূমপানসহ সকল ধরণের নেশা জাতীয় অভ্যাস
ত্যাগ করুণ। কারণ নেশা মানুষকে সকল দিক দিয়ে
ধ্বংস করে দেয়।
৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া
ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের
মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস
খাওয়া চলতে পারে।
৯. প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি,
তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি
খাওয়া উচিত।
ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি,
মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে,
তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।
১০. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন
কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।
১১. বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক
চামচ মধু খাবেন।
১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের
মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো।
কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া
ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।
১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ
ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে
হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ
থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।
১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস
করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে
সাহায্য করে ।

ডা. দেবী শেঠী

© BigyanPoka - বিজ্ঞানপোকা

03/01/2022

📌 #কেমন_ছিলেন_প্রিয়_রাসুল(সঃ)?
১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন,হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্রহাসি হাসতেন না।
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি শতবার ক্ষমা প্রার্থণা করতেন।
৭/ তিনি নিজের জন্যে কখনোই প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেও আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন।
১৮ তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহ কে সার্বাধিক ভয় করতেন।
২২/ হাতে যা আসত, তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
১. কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না
পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২. লৌকিকতার প্রয়োজনেও ছোট প্লেটে
খাবার খেতেন না।
৩. সর্বদা আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকতেন।
৪. অধিকাংশ সময়ই নিরব থাকতেন।
৫. বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
৬. কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে
শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
৭. বক্তব্য দীর্ঘস্হায়ী করতেন না যাতে
শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়।
এবং এত সংক্ষিপ্ত করতেন না যাতে কথা
অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
৮. কথা, কাজে ও লেন-দেনে কঠোরতা
অবলম্বন করতেন না।
৯. নম্রতাকে পছন্দ করতেন ।
১০. তার নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা
করতেন না।
১১. কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
১২. শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে
বিরত রাখতেন বা সেখান থেকে উঠে
যেতেন।
১৩. আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে
কদর করতেন।
১৪. খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে
খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
১৫. ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
১৬. যে কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন,
যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ
অবহিত হয়।
১৭. সর্বদা ধৈর্য্য ধরতেন।
রাসুল (সা.) এর গুণাবলী বর্ণনা করে শেষ করা
যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.) এর
চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান
করুন,,আমিন

03/01/2022

কিছুদিন আগে একজন অর্থোপেডিক্সের কাছে গিয়েছিলাম হাটুর একটা সমস্যা নিয়ে। চেম্বারের বাইরে এক বাবা তার তিন বছরের বাচ্চাকে নিয়ে এসেছেন। বাচ্চাটির রিকেট রোগের কারনে দুই পা ধনুকের মত বাঁকা। ভিটামিন ডি এর অভাবে এই রোগ হয়ে থাকে অনেক বাচ্চার।

তো ভদ্রলোকের সাথে কথার এক ফাকে তিনি বললেন, তার বাচ্চার নাম আবরার। সুন্দর নাম। অর্থ নেককার। একটু পর আবার বললেন, পুরো নাম আ’রাজ আবরার।

আ’রাজ মানে ল্যাংড়া খোড়া, যার পায়ে কোন সমস্যা আছে এমন ব্যক্তিকে বলা হয়। ট্রিটমেন্ট করানোর পাশাপাশি তাই নামের এই অংশটি পাল্টে ফেলার অনুরোধ করলাম।

আমাদের বাসার পাশের গলিতে থাকেন এক ভাই। জন্মের পর থেকেই তার বাচ্চাটা অসুস্থ। বাচ্চার নাম রেখেছিলেন “রামিম”। রামিম মানে জীর্ণ শীর্ণ, ক্ষয়প্রাপ্ত। কুরআনের সুরা ইয়াসিনে decomposed অর্থে ব্যবহার হয়েছে। তাকেও বলেছিলাম, রামিম পাল্টে সালিম রাখেন। সালিম মানে নিরাপদ।

আরেক বোনের একমাত্র ছেলে মাত্র চার বছর বয়সে হঠাৎই মারা যায়। বেড়াতে গিয়েছিলেন। সবাই যখন দুপুরের খাবারে ব্যস্ত, ছেলেটি কোন ফাঁকে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। রাস্তার পাশে একটি ছোট পুকুরের মত। সেখানেই হঠাৎ করে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় তার।

তারা না জেনে তাদের এই ছেলের নাম রেখেছিলেন "তাবীব"। যার একটি অর্থ "ধ্বংসপ্রাপ্ত"। সুরা লাহাবের "তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাব" আয়াতে এই একই অর্থে শব্দটি verb/ ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।
আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে সবরের তাউফিক দিন।

—————-
নামের একটি প্রতিক্রিয়া আছে, এটি হাদিস দ্বারা প্রমানিত। পাশাপাশি, দুনিয়াতে ব্যবহৃত নামেই আমাদেরকে আখিরাতে ডাকা হবে। খারাপ নাম থাকলে খারাপ নামে, ভাল থাকলে ভাল।

কুরআন হাদিসে ব্যবহৃত হলেই কোন শব্দের অর্থ ভাল হয়ে যায় না। কুরআনে ফিরআউন, হামান, আবু লাহাবের নামও আছে। এসমস্ত নাম কুরআনের আয়াত হিসেবে পড়লে প্রতি অক্ষরে দশটি করে সাওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু কারো নাম হিসেবে যে এ শব্দগুলো ভাল নয়, তা তো সবাই বুঝে।

এজন্য কুরআন বা হাদিসের বই থেকে কোন শব্দ পছন্দ হলেই নাম রেখে না দেয়া। আনকমন নামের পেছনে না পড়া। কোন নির্ভরযোগ্য আলিমের সাথে পরামর্শ করা অবশ্যই জরুরী। গুগল করে বা নামের বই দেখে নিজে নিজে নাম রেখে দেয়াটা অনেক রিস্কি। নামের সঠিক উচ্চারন আপনি সাধারনত গুগুলে পাবেন না। উচ্চারনের পার্থ্যকের কারনে অর্থের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থ্যক্য হয়ে যায়। তাই এসব বিষয়গুলো একজন আলিমের পক্ষেই যেহেতু বোঝা সম্ভব, তাই অবশ্যই এমন কাউকে জিজ্ঞেস করে নিন।

প্রতিটি বাবা মার মনে রাখা দরকার, সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর তার একটি সুন্দর নাম রাখা তাদের দায়িত্ব। এটা সন্তানের হক। এই হক আদায়ে অবহেলা হলে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সতর্ক হওয়ার তাউফিক দিন।
©Rizwanul kabir

01/01/2022

সুন্নাহ্ মেনে চলুন…সুস্থ থাকুন !
পুরো দুনিয়াতে , ওবেসিটি ( মোটা হওয়া ) একটা বড় সমস্যা।
আমেরিকায় সর্বাধিক যে কারণে মানুষ মারা যায় , তা হল হার্ট এটাক, যার উৎপত্তি বেশী ফ্যাট খাওয়া থেকে। বেশি ফ্যাট মানে বেশি মোটা । বেশি মোটা মানে বেশি রোগ ।
খাবারের মাধ্যমে আমরা যে তেল-চর্বি খাই তার দ্বারা রক্তের মধ্যে চর্বির পরিমাণ বাড়ে । ফলে , করোনারি আর্টারিতে ব্লকেজ হয় , ফলাফল হার্ট অ্যাটাক , এছাড়াও রক্তের চর্বির কারণে ব্রেন স্ট্রোক , ফ্যাটি লিভার etc ... ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বাংলাদেশেও এখন শুরু হয়েছে। আজ অমুক, কাল তমুক হার্ট এটাকের স্বীকার হচ্ছেন। ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষই এখন মোটা।

একটু অবস্থাপন্ন পরিবারে গেলেই দেখবেন, মানুষগুলো মোটা হয়ে গেছে। কারও হার্ট এ প্রবলেম, কারো কিডনীতে। মূল কারণই বেশী খাওয়া।

এখানে একটা ব্যাপার উল্লেখযোগ্য, যেটাকে আপনি স্বাভাবিক খাওয়া ভাবছেন, আমি কিন্তু সেটাকেই বেশী খাওয়া বলছি। ওটা বেশী খাওয়া। ওরকম খেয়েই তো আপনি মোটা হচ্ছেন।
তাহলে সত্যিকারের সমাধান কি ?
একমাত্র সমাধান হলো , সুন্নত তরীকায় খান, পেটের তিন ভাগের এক ভাগ খাওয়া , এক ভাগ পানি, আর এক ভাগ ফাকা রাখুন -- এভাবে খান। পেটে ক্ষুধা থাকতে থাকতেই উঠে যান। পেট ভরে খাওয়ার কোন দরকার নাই।

মাংস বেশী খেলে ইউরিক এসিড বেড়ে যাবে শরীরে। তার থেকে শরীরের প্রতিটা জয়েন্টে বাতের ব্যাথা হবে। পুরো শরীর জুড়ে শুধু রোগ আর রোগ হবে। কিডনি রোগীদের জন্য প্রোটিন খাওয়া একদম নিষেধ , রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাবে । সারাদিন ডাক্তারের কাছে দৌড়াতে হবে ।
তারপর ডাক্তার আপনাকে ওষুধের সাথে পরামর্শ দিবে, অমুক ডায়েট , তমুক ডায়েট ফলো করেন।
এই সব ডায়েট টায়েট ভেজাল, অনেক হিসাব করা লাগে। এক একজনের ওজন উচ্চতা এবং রোগীর উপর ভিত্তি করে এক এক রকম ডায়েট ফলো করতে হয় । তাই আপনি একজন সুস্থ মানুষ হিসাবে এইসব ডায়েট এর জটিল হিসাব সব বাদ দিন।
রসূল(স) সহজ করে দিয়েছেন। তিন ভাগের এক ভাগ খাবেন, ব্যস , ঝামেল শেষ।

গরু /গোস্ত/মাছ খাবেন? ঠিক আছে,
২-৩ টুকরা খেলেই তো হয়, একবারে বেশি খাওয়ার দরকার কি?

সুন্নাহ্ মেনে চলুন…সুস্থ থাকুন !
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
পঞ্চতীর্থ
১৯ বছরের অভিজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Hijama/ Cupping Therapist
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
Trained on Managing Mental Health and Stress ( Coventry University , UK )
( ০১/০১/২০২২ ইং , হকের দরবার )

05/08/2021

আস’সালামু আলাইকুম আমি ডা: মুহাম্মদ জাহাংগীর কবীর আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই।
আপনারা সকলে জানেন ইবাদাতের জন্য শরীর সুস্হ থাকটা অত্যন্ত জরুরী।
সুস্হ শরীর আল্লাহর দেয়া নেয়ামত। এই নেয়ামতের খেয়ানত করা আসলে নিজের নফসের প্রতি জুলুম করা।
অথচ আমরা যদি ইসলামের কিছু নিয়ম মেনে চলি তবে কিন্তু সুস্হ থাকতে পারি ।
আমি চাই আগামী শুক্রবার পবিত্র জুমার দিনে আমাদের সম্মানিত ইমাম সাহেবগন যদি পবিত্র কুর’আন হাদীসের দলিল দিয়ে নীচের কথাগুলো সকল মুসল্লিদের বুঝিয়ে দেন তাহলে এটা আমাদের সকলের জন্য উপকারী হবে ; নিজের শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। এটা সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গন্য হবে।

আপনারা সকলে এই পোস্ট সরাসরি কপি করে পেস্ট করে পোস্ট দিতে পারেন তাহলে সবাই অনেক বেশী উপকৃত হবে।

1. আমাদের সবার আগে যেটা করতে হবে নিজের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো বর্জন করতে হবে যেমন সকল প্রকার ভেজিটেবল তেল যেমন সয়াবিন ( মুলত ভেজিটেবল থেকে কোন তেল হয় না এই নাম একটি প্রতারনা), সকল প্রকার প্রসেসড ফুড, সাদা চিনি ইত্যাদি। এখানে আল্লাহ বলেছেন whole food খেতে যেটা আমাদের রোগ মুক্তি করবে এক্ষেত্রে খাবারই হল ঔষুধ এটা রেফারেন্স দিয়ে বললে আরো গ্রহনযোগ্য হবে।

2. আমাদের পরিমিত খাওয়ার সুন্নতের আমল করা হাদীসে যেভাবে খেতে বলা হয়েছে ; এক ভাগ খাবার, এক ভাগ পানি, এক ভাগ খালি এবং স্বল্প আহার অর্থাৎ ক্ষুদা লাগলে খেতে হবে লোভে পড়ে খাওয়া যাবে না । লোভে পাপ পাপে রোগ ব্যাধী।

3. মাগরিবের পর পরই রাতের খাবার শেষ করা; ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন/চার ঘন্টা পূর্বে রাতের খাবার শেষ করা যেন খাবারের হজম প্রক্রিয়া ঘুমাতে যাবার আগেই শেষ হয় ; তাহলেই শরীর ঘুমের ভেতর তার নিজস্ব গঠন, কোষ পরিস্কার এবং আরোগ্যের কাজ করতে পারে ।

4. সময় নিয়ে ধীরে সুস্হে চিবিয়ে চিবিয়ে ভালো করে খাওয়া তাড়াহুড়া না করা খাবার খাওয়াকে ইবাদাত মনে করা পূর্ন মনযোগের সাথে খাওয়া।

5. সপ্তাহে দুইটি রোজা মাসের মাঝখানে তিনটি রোজা অন্যান্য নফল রোজা এবং ফরজ রোজা রাখার ব্যাপারে জোর দেয়া।রোজার মাধ্যমে দেহ এবং আত্নার পরিশুদ্ধি ঘটে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে অটোফেজী যার আবিস্কারের মাধ্যমে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন জাপানী বিজ্ঞানী অসুমী মনে রাখবেন বেশী খেলে আত্না অসুস্হ হয়ে রোজা আত্নাকে শান্ত রাখতে পবিত্র রাখতে সহায়তা করে।

6. বেশী বেশী নফল নামাজ এটা শরীর ভালো রাখতে এবং মনকে শান্ত রাখতে সহায়তা করে মনে প্রশান্তি না থাকলে শরীরে stress হরমন নি:সরন হয় যেটা কিনা শরীরে অনেক ধরনের রোগ তৈরীতে সাহায্য করে যেমন উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস সহ আরো প্রায় একশ রকমের রোগ।

7. সুস্হ থাকতে হলে Early অর্থাৎ এশার নামাজের পর ঘুমাতে যাওয়া এবং ভোরে উঠে তাহাজ্জুত এবং ফজরের নামাজ পড়া জরুরী । আল্লাহ রাতকে দিয়েছেন বিশ্রামের জন্য আর দিনকে কাজের জন্য। রাত ১০টা থেকে দুইটা এই সময়ে শরীরে মেলাটনিন বেশী থাকে তাই স্বপ্নবিহীন গভীর ঘুমের জন্য রাত ১০টার পূর্বে ঘুমাতে যাওয়া জরুরী। এক দিনের মোট তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ দিন রাত মিলিয়ে আট ঘন্টা ঘুমানো জরুরী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখার জন্য।

8. আল্লাহ শরীরকে তৈরী করেছেন কাজ করার জন্য আমরা যদি কায়িক শ্রম না করি তাহলে শরীর সুস্হ থাকার কোন কারন নেই তাই আমাদের ব্যায়াম করা, হাটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা জীমে যাওয়া যাদের সুযোগ আছে কায়িক শ্রম করা খুবই জরুরী। আমাদের নবী সা: পরিশ্রমী ছিলেন, সমর নায়ক ছিলেন, নিয়মিত ঘোড় দৌড় তীরন্দাজি প্রতিযোগিতা অনুশীলন করাতেন ।

9. আমরা জানি সূর্যের আলোতে ভিটামিন ডি তৈরী হয় তাই নিয়মিত রোদে যাওয়া খুবই জরুরী এবং প্রকৃতির কাছে যাওয়া গাছের কাছে সবুজের কাছে যাওয়া pure অক্সিজেন পাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত জরুরী।

10. মানসিক প্রশান্তি ছাড়া সুস্হতা অসম্ভব তাই আল্লাহর উপর পূর্ন আস্হা রাখা , আখেরাতমুখী চিন্তা করা বিপদ আপদকে গজব না মনে করে আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা হিসাবে দেখা এখানে সুরা বাকারার আয়াতগুলো থেকে রেফারেন্স দেয়া যেতে পারে।আর পজেটিভ চিন্তা করা । প্রশান্ত আত্নার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাওয়া।

11. ক্লান্ত শরীর এবং প্রশান্ত মন ভালো ঘুমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং ভালো ঘুম ছাড়া সুস্হ থাকাটা প্রায় অসম্ভব।

প্রতিটি ইবাদত আল্লাহর জন্য, নিয়তগুনে বরকত নিয়ত হবে আল্লাহর সন্তুস্টি এবং উনি খুশী হয়ে রোগ থেকে মুক্ত করবেন।

লিখেছেন :
ডা: মুহাম্মদ জাহাংগীর কবীর,
MBBS, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ,
লাইফস্টাইল মডিফায়ার।

Address

Dhaka-Bangladesh
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Beauty Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bangla Beauty Tips:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram