CRD We care patients in rehabilitation of physical problems caused by illness, injuries & disabilities.

16/09/2024

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ(স.) জীবন আদর্শে আলোকিত হোক আমাদের সকলের জীবন
সবাইকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা
🤲🤲🤲
আমিন

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসআজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ২০০৯ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ...
15/10/2022

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস
আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ২০০৯ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে। দিবসটি পালনের মূল্য উদ্দেশ্য- রোগ প্রতিরোধে সাবান দিয়ে সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো।
ইউনিসেফ বলছে, বিশ্বব্যাপী ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি শিশু মারা যায়। নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের একটি বড় অংশকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন, হাত ধোয়ার মতো অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শিশুদের আমাশয়, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, জন্ডিস, কৃমির মতো রোগের সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

Pregnancy and Infant Loss Remembrance Day
15/10/2022

Pregnancy and Infant Loss Remembrance Day

বিশ্ব ডাক দিবসএক সময় চিঠি ছিল মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। দু’যুগ আগেও মানুষ চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকত একটি চিঠির প্...
09/10/2022

বিশ্ব ডাক দিবস
এক সময় চিঠি ছিল মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। দু’যুগ আগেও মানুষ চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকত একটি চিঠির প্রত্যাশায়। বিশেষ করে প্রবাসীদের পরিবারে এটি ব্যাপক ভাবে প্রচলিত হয়েছে। সে দিন আর নেই।
তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগে স্মার্টফোন আর হরেক রকম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সামনে ঔ কাগজের চিঠি প্রায় হারিয়ে গেছে। ডাক বিভাগও নিরন্তর লড়াই করছে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে অস্তিত্ব রক্ষার। এ পরিস্থিতিতেই ৯ অক্টোবর শুক্রবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডাক দিবস। জাতিসংঘ প্রতিবছর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে থাকে ।
১৯৬৯ সালে জাপানে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সাল ডাক ইউনিয়নের ১৬তম অধিবেশনে প্রতি বছরের ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
১৯৮৪ সালে জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সাল ডাক ইউনিয়নের ১৯তম অধিবেশনে বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন দিবসের নাম পরিবর্তন করে’বিশ্ব ডাক দিবস’’ রাখা হয়। এর পর থেকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ইউনিভার্সাল ডাক ইউনিয়ন সদস্য হয়। এর পর থেকে দেশেও প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।

National Hydrogen and Fuel Cell Day was created to help raise awareness of a clean energy technology.
08/10/2022

National Hydrogen and Fuel Cell Day was created to help raise awareness of a clean energy technology.

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ১৯৯৪ সাল থেকে জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কোর উদ্যোগে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর এ দিবসটি উদযাপিত হয়।জানা গ...
05/10/2022

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ১৯৯৪ সাল থেকে জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কোর উদ্যোগে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর এ দিবসটি উদযাপিত হয়।
জানা গেছে, ১৯৬৬ সাল থেকে প্যারিসে শিক্ষকের মর্যাদা সংক্রান্ত আন্তঃসরকার সম্মেলনে ইউনেস্কো এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা শিক্ষকদের অধিকার, দায়িত্ব এবং মর্যাদা সম্পর্কে একটি যৌথ সুপারিশমালা প্রণয়ন করে। উক্ত সুপারিশমালায় শিক্ষকতা পেশাকে সম্মানজনক অবস্থানে নেয়াসহ শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নিয়োগ ও পদোন্নতি, দায়িত্ব ও অধিকার, চাকরির নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা বিধানের প্রক্রিয়া, পেশাগত স্বাধীনতা, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন, শিক্ষা সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, কার্যকর শিক্ষাদান ও শিখনের পরিবেশ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছিল।
আন্তর্জাতিক এ সংগঠনটি পর্যায়ক্রমে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলো কর্তৃক প্রণীত দলিলটি যথাযথ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করার অর্থবহ উদ্যোগ গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম অধিবেশনের গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর তৎকালীন মহাপরিচালক ড. ফ্রেডারিক এম মেয়রের ঘোষণার মাধ্যমে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনের শুভ সূচনা হয়।
প্রতি তিন বছর পরপর অনুষ্ঠিত আইএলও ইউনেস্কো যৌথ বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় উচ্চ শিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকদের জন্য একটি সুপারিশমালা গৃহীত হয়। বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পালন করা হয়।
বিশ্বের ১৬৭ টি দেশের এ দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। এ দিবসটি পালনে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল ও তার সহযোগী ৪০১টি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রেখে আসছে। এ সংগঠনটি বিশ্বের ৩ কোটি ২০ লাখ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

বিশ্ব প্রাণী দিবস : ‘নীরব বন্ধু’  নিধনে হুমকিতে জীববৈচিত্র্য শামুক এবং ঝিনুক মানুষের নীরব বন্ধু। এই শান্ত ধীরগতি স্বভাবে...
04/10/2022

বিশ্ব প্রাণী দিবস : ‘নীরব বন্ধু’ নিধনে হুমকিতে জীববৈচিত্র্য
শামুক এবং ঝিনুক মানুষের নীরব বন্ধু। এই শান্ত ধীরগতি স্বভাবের প্রাণী উন্মুক্ত জলাশয়ের নোংরা পানির পোকামাকড় আহার করে পানি বিশুদ্ধকরণ করে। পাশাপাশি শামুক এবং ঝিনুক কৃষি জমির উর্বরতা শক্তি বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এরা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে জলজ প্রাণী হিসেবে গণ্য। কিন্তু থামছে না শামুক-ঝিনুক নিধন। তবে শুধু এদেরই নয়, অবাধে নিধন হচ্ছে আরো অনেক উপকারী প্রাণী; যারা আমাদের পরিবেশ রক্ষায় রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এতে হুমকির মুখে পড়ছে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ। জলাশয়ের মাছ, মাটি ও পানিতে দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রভাব। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব প্রাণী দিবস। পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে প্রাণীদের কল্যাণের মাধ্যমে তাদের অবস্থার উন্নতির উদ্দেশ্যে দিবসটি বিশ্বে পালিত হয়। তবে বর্তমানে এটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত বিবরণীতে, বন্যপ্রাণীদের অপরিহার্য মূল্য এবং বিভিন্ন অবদানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এতে পরিবেশগত, জিনতাত্ত্বিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, শিক্ষাবিষয়ক, সাংস্কৃতিক, বিনোদনমূলক এবং নান্দনিক বিষয়ের সঙ্গে যুগসই উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণের দিকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
বিশ্বের বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদকুলের প্রতি গণসচেতনতা গড়ে তোলা এবং সিআইটিইএসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকার করে বলা হয়, আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য যাতে বন্য প্রজাতিদের টিকে থাকতে হুমকি হয়ে না দাঁড়ায় তা নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড এক প্রতিবেদনে জানায়, ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বে এ পর্যন্ত বন্যপ্রাণীর সংখ্যা কমেছে দুই-তৃতীয়াংশ। এভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ড থেকে হারিয়ে গেছে ৩১ প্রজাতির প্রাণী। এছাড়াও বাংলাদেশের অন্তত ২১৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিপন্ন। এই তালিকার মধ্যে আছে উভচর সরীসৃপ, পাখি, স্তন্যপায়ী প্রাণি।
সর্বপ্রথম হেনরিক জিম্মারমেন নামে এক জার্মান লেখক ১৯২৫ সালের ২৪ মার্চ জার্মানির বার্লিনে দিবসটি পালন করেন। পরে ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে ৪ অক্টোবরকে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সে থেকে প্রাণীদের কল্যাণে এবং তাদের অধিকার রক্ষার্থে প্রতি বছর পালিত হয় দিবসটি। সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ‘ন্যাচার ওয়াচ ফাউন্ডেশন’। এছাড়া দেশে দেশে প্রাণি কল্যাণমূলক সংস্থাও দিবসটি পালন করে থাকে।

বিশ্ব হৃৎপিণ্ড দিবস'ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে' উদ্যাপন। বিশ্ব হৃৎপিণ্ড সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশন (ইংরেজি) ১৯৭১ সালে সু...
29/09/2022

বিশ্ব হৃৎপিণ্ড দিবস
'ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে' উদ্যাপন।
বিশ্ব হৃৎপিণ্ড সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশন (ইংরেজি) ১৯৭১ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাস্থিত একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান।
১৯৭৮ সালে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব কাৰ্ডিওলজি (International Society of Cardiology) এবং ১৯৭০ সালে স্থাপিত ইন্টারন্যাশনাল কাৰ্ডিওলজি ফেডারেশন (International Cardiology Federation) নামক প্রতিষ্ঠান দুটি একত্ৰিত হয়ে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি এণ্ড ফেডারেশন অব কাৰ্ডিওলজি (International Society and Federation of Cardiology) গঠন করে। ১৯৯৮ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন রাখা হয়।
এই ফেডারেশন ওয়ৰ্ল্ড কংগ্রেস অব কাৰ্ডিওলজি অনুষ্ঠিত করে। ১৯৩৩ সালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একটি প্ৰাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সভা প্ৰাগে অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল কিন্তু মেক্সিকোতে হওয়া অন্তিম অনুষ্ঠানের পর থেকে, এডভেণ্ট অব নাজিম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য এই পালনে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৫০ সালে প্রথমবার প্ৰকৃত ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
১৯৪৬ সালে স্থাপিত ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব কাৰ্ডিওলজি ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্যারিসে প্রথম "ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব কাৰ্ডিওলজি" অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল। পরবর্তী কংগ্রেসগুলি ২০০৬ সাল থেকে ৪ বছর অন্তর পালন করে আসা হচ্ছিল; তারপর থেকে এটি দুবছর অন্তর অনুষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববাসীকে হৃদরোগ ও স্ট্রোক ইত্যাদি জীবননাশী রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ২০০০ সাল থেকে "বিশ্ব হৃদয় দিবস" পালন করে আসা হচ্ছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস সফল হোক। নিভৃতে নিরালায় ছুটে চলা পথ চলায়। গ্রামের মেঠো পথে হারিয়ে যাই অজানায়। নিরাপদ বিশ্ব, নিরাপদ...
24/09/2022

বিশ্ব পর্যটন দিবস সফল হোক। নিভৃতে নিরালায় ছুটে চলা পথ চলায়। গ্রামের মেঠো পথে হারিয়ে যাই অজানায়। নিরাপদ বিশ্ব, নিরাপদ ঘর।

আলঝেইমারআলঝেইমার রোগ হল, একটি প্রগতিশীল স্নায়বিক ব্যাধি যা মস্তিষ্ককে সঙ্কুচিত করে (অ্যাট্রোফি) এবং মস্তিষ্কের কোষগুলিক...
21/09/2022

আলঝেইমার
আলঝেইমার রোগ হল, একটি প্রগতিশীল স্নায়বিক ব্যাধি যা মস্তিষ্ককে সঙ্কুচিত করে (অ্যাট্রোফি) এবং মস্তিষ্কের কোষগুলিকে মারা যায়। আলঝাইমার রোগ হল ডিমেনশিয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ - চিন্তাভাবনা, আচরণগত এবং সামাজিক দক্ষতার ক্রমাগত হ্রাস যা একজন ব্যক্তির স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
লক্ষণ
স্মৃতিশক্তি হ্রাস আলঝেইমার রোগের প্রধান লক্ষণ। প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে সাম্প্রতিক ঘটনা বা কথোপকথন মনে রাখতে অসুবিধা অন্তর্ভুক্ত। রোগের অগ্রগতির সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায় এবং অন্যান্য উপসর্গগুলি বিকাশ লাভ করে।
প্রথমে, আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি জিনিসগুলি মনে রাখতে এবং চিন্তাগুলি সংগঠিত করতে অসুবিধা হওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে পারেন। একজন পরিবারের সদস্য বা বন্ধুর লক্ষণগুলি কীভাবে খারাপ হয় তা লক্ষ্য করার সম্ভাবনা বেশি হতে পারে।
আলঝেইমার রোগের সাথে যুক্ত মস্তিষ্কের পরিবর্তনগুলি ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলির দিকে পরিচালিত করে:
স্মৃতি
প্রত্যেকেরই মাঝে মাঝে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়, কিন্তু আলঝেইমার রোগের সাথে সম্পর্কিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস অব্যাহত থাকে এবং খারাপ হয়, যা কর্মক্ষেত্রে বা বাড়িতে কাজ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
আলঝেইমার আক্রান্ত ব্যক্তিরা হতে পারে:
• বিবৃতি এবং প্রশ্ন বারবার পুনরাবৃত্তি করুন।
• কথোপকথন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইভেন্টগুলি ভুলে যান এবং পরে মনে রাখবেন না।
• নিয়মিতভাবে সম্পত্তি ভুল জায়গায় রাখুন, প্রায়শই সেগুলিকে অযৌক্তিক জায়গায় ফেলে।
• পরিচিত জায়গায় হারিয়ে যান।
• অবশেষে পরিবারের সদস্যদের নাম এবং দৈনন্দিন জিনিসপত্র ভুলে যান।
• বস্তু শনাক্ত করতে, চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে বা কথোপকথনে অংশ নিতে সঠিক শব্দ খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

চিন্তা এবং যুক্তি
আলঝেইমার রোগ মনোযোগ এবং চিন্তা করতে অসুবিধা সৃষ্টি করে, বিশেষ করে সংখ্যার মতো বিমূর্ত ধারণা সম্পর্কে।
মাল্টিটাস্কিং বিশেষ করে কঠিন, এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ব্যালেন্স চেকবুক এবং সময়মত বিল পরিশোধ করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। অবশেষে, আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত একজন ব্যক্তি সংখ্যা চিনতে এবং মোকাবেলা করতে অক্ষম হতে পারেন।
বিচার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ
আলঝেইমার দৈনন্দিন পরিস্থিতিতে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত এবং বিচার করার ক্ষমতা হ্রাস করে। উদাহরণ স্বরূপ, একজন ব্যক্তি সামাজিক মিথস্ক্রিয়ায় খারাপ বা চরিত্রহীন পছন্দ করতে পারে বা আবহাওয়ার জন্য অনুপযুক্ত পোশাক পরতে পারে। প্রতিদিনের সমস্যা যেমন চুলায় খাবার জ্বলে যাওয়া বা অপ্রত্যাশিত ড্রাইভিং পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে সাড়া দেওয়া আরও কঠিন হতে পারে।
পরিকল্পনা করা এবং পরিচিত কাজ সম্পাদন করা
একবার-নিয়মিত ক্রিয়াকলাপগুলির জন্য ক্রমাগত পদক্ষেপের প্রয়োজন, যেমন একটি খাবারের পরিকল্পনা করা এবং রান্না করা বা একটি প্রিয় খেলা খেলা, রোগের অগ্রগতির সাথে সাথে একটি সংগ্রামে পরিণত হয়। অবশেষে, উন্নত আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই ভুলে যান যে কীভাবে ড্রেসিং এবং গোসলের মতো মৌলিক কাজগুলি সম্পাদন করতে হয়।
ব্যক্তিত্ব এবং আচরণে পরিবর্তন
আলঝেইমার রোগে মস্তিষ্কের পরিবর্তনগুলি মেজাজ এবং আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে। সমস্যাগুলির মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:
• বিষণ্ণতা।
• উদাসীনতা।
• সামাজিক প্রত্যাহার।
• মেজাজ পরিবর্তন।
• অন্যের প্রতি অবিশ্বাস
• বিরক্তি এবং আক্রমনাত্মকতা।
• ঘুমের অভ্যাসের পরিবর্তন।
• বিচরণ।
• প্রতিবন্ধকতা হ্রাস।
• বিভ্রান্তি, যেমন বিশ্বাস করা কিছু চুরি করা হয়েছে।

সংরক্ষিত দক্ষতা
লক্ষণগুলি আরও খারাপ হওয়ার পরেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। সংরক্ষিত দক্ষতার মধ্যে বই পড়া বা শোনা, গল্প বলা এবং স্মৃতিচারণ করা, গান গাওয়া, গান শোনা, নাচ, ছবি আঁকা বা কারুকাজ করা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এই দক্ষতাগুলি দীর্ঘকাল সংরক্ষণ করা যেতে পারে কারণ এগুলি রোগের সময় পরে প্রভাবিত মস্তিষ্কের অংশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

ডাঃ এম এম হাসান
চেয়ারম্যান,
সি আর ডি

অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ ক্ষতিকরপাকস্থলীতে কম অ্যাসিডের মাত্রা (অ্যাক্লোরহাইড্রিয়া): যাদের গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের মাত্...
17/09/2022

অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ ক্ষতিকর

পাকস্থলীতে কম অ্যাসিডের মাত্রা (অ্যাক্লোরহাইড্রিয়া): যাদের গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা কম তারা খালি পেটে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে কম ক্যালসিয়াম শোষণ করে। যাদের অ্যাসিডের মাত্রা কম তাদের খাবারের সাথে ক্যালসিয়ামের পরিপূরক গ্রহণ করা উচিত।
রক্তে অত্যধিক ক্যালসিয়াম (প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির ব্যাধি এবং সারকোইডোসিসের মতো): ক্যালসিয়াম এড়ানো উচিত যদি আপনার এমন অবস্থা থাকে যা উচ্চ ক্যালসিয়ামের মাত্রা সৃষ্টি করে। ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে ক্যালসিয়ামের মাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে।

কিডনি রোগ: কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। ক্যালসিয়াম পরিপূরক গ্রহণ করার আগে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে কথা বলুন।

ধূমপান: যারা ধূমপান করেন তারা পাকস্থলী থেকে কম ক্যালসিয়াম শোষণ করেন এবং তাদের ক্যালসিয়াম পরিপূরক প্রয়োজন হতে পারে।

স্ট্রোক: 5 বা তার বেশি বছর ধরে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে স্ট্রোক হয়েছে এমন লোকেদের ডিমেনশিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। স্ট্রোকের পরে ক্যালসিয়াম পরিপূরকগুলি এড়ানো উচিত কিনা তা জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
ডাঃ এম এম হাসান
চেয়ারম্যান,
সি আর ডি

17/09/2022

ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না, মুহূর্তেই মাইগ্রেনের ব্যথা কমাবে এই ৩ উপাদান।

মাইগ্রেনের সমস্যায় অনেকেই কষ্ট পান। মাইগ্রেনের ব্যথা প্রচণ্ড কষ্টদায়ক, এক্ষেত্রে মাথার অর্ধেক অংশে প্রায়ই তীব্র ব্যথা হয়। মাইগ্রেনের লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে বমি বমি ভাব, বমি, আলো ও শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা। মাইগ্রেনের ব্যথা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিনও স্থায়ী হতে পারে।
মাইগ্রেনের কারণ কী? এনএইচএসের মতে, মাইগ্রেনের ব্যথা কেন হয় তার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন, এটি মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক কার্যকলাপের ফলাফল। যা সাময়িকভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ু সংকেত, রাসায়নিক পদার্থ ও রক্তনালিকে প্রভাবিত করে।
মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে বাজারে অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। বেশিরভাগ মানুষই পেইকিলার খেয়ে এই ব্যথা সারান, তবে দীর্ঘদিন এ ধরনের ওষুধ খেলে শারীরিক বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে। তাই মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া উপায়ে ভরসা রাখাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর।
মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের পরিবর্তে এই ঘরোয়া প্রতিকারগুল ব্যবহার করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য আরও উপকারী হতে পারে-
১. কিশমিশ ভেজানো পানি
সারারাত এক গ্লাস পানিতে কয়েকটি কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেঁকে ওই পানি পান করুন। এটি মাইগ্রেনের মাথাব্যথা উপশমে বিস্ময়কর কাজ করে।
টানা ১২ সপ্তাহ ধরে এই বিশেষ পানীয় সেবনে শরীরের অতিরিক্ত পিত্ত কমাতে কাজ করে। ফলে মাইগ্রেনের সঙ্গে বিভিন্ন উপসর্গ যেমন- অ্যাসিডিটি, বমি বমি ভাব, জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা, গরম লাগা ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করে।

২. জিরা-এলাচ চা
জিরা ও এলাচ কিছুক্ষণ পানিতে ফুটিয়ে নিন। তারপর ছেঁকে পান করুন। এই চা দুপুর বা রাতের খাবারের এক ঘণ্টা পরে বা মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দিলেই পান করতে পারেন। এটি বমি বমি ভাব ও মানসিক চাপ দূর করতে কাজ করে।

৩. ঘি খান
ঘি মাইগ্রেনের ওষুধের মতো কাজ করে। এর পাশাপাশি শরীর ও মনের বাড়তি পিত্তের ভারসাম্য বজায় রাখতে কাজ করে ঘি।
বিভিন্ন উপায়ে ঘি আপনি খেতে পারেন। চাইলে রাতে শোয়ার সময় দুধের সঙ্গে মিশিয়েও পান করতে পারেন। আবার মাইগ্রেনের ব্যথা উঠলেও এক বা দুই চা চামচ ঘি খেয়ে নিতে পারেন। এতে মিলবে উপকার।
মাইগ্রেনের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনধারাও অপরিহার্য । সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চা আপনাকে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে!

ডাঃ এম এম হাসান
চেয়ারম্যান,
সি আর ডি

Address

Hospital Road
Faridgonj
3650

Opening Hours

08:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CRD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share