16/02/2026
বদনজরের এক বাস্তব চিত্র
আমার খুব কাছের এক বন্ধুর ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে পুত্র সন্তান ভুমিষ্ট হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ বাচ্চা। ২-৩ দিন পার হওয়ার পর বাচ্চা এবং পরিবারের উপর নেমে আসে কালো ছায়া। হঠাৎ বাচ্চাটি চোখমুখ উল্টে যায় ,শ্বাসকষ্ট হতে থাকে,মূহুর্তের মধ্যে বাচ্চাটি নীলবর্ন ধারন করে। ইমারজেন্সি ডাক্তার আসে।চেক আপ করে কিন্তু কোন সমস্যা ধরতে পারেনা।
পরেরদিন আরোও বড় ডাক্তার আসে,বুক চেক করে কিন্তু কোন সমস্যা পায়না।অপরদিকে বাচ্চার অবস্থারও কোন উন্নতি না দেখে পরিবারের সবাই পেরেশান। পরদিন ডাকা হলো শিশু বিশেষজ্ঞ একজনকে। চেক আপের পর তিনিও জানিয়ে দিলেন কোন সমস্যা নাই।
আমার বন্ধু ইসলামি জ্ঞান রাখার দরুন তার মনের মধ্যে একটা সন্দেহের তীর বিদ্ধ হয়। যার দরুন সে আমাকে বিষয়টি খুলে বলে এবং রুকিয়া করার কথা বলে। আমি উপরিউক্ত লক্ষনগুলো শুনে তাকে মেডিকেল সমস্যার কথায় বলি। এবং আমি ধরেই নেই যে বাচ্চাটির নিউমোনিয়া হয়েছে এবং এটা আমার বন্ধুকে বলেও দেই। সত্য বলতে বিষয়টি প্যারানরমাল সমস্যা হিসেবে আমি নিজেও পাত্তা দেয়নি।
আমরা দুজন গল্প করতে করতে লিফটে উঠি। ভর্তি থাকা কেবিনের সামনে যেতেই দেখি দৌড়াদৌড়ি,কান্নাকাটি। শুনতে পেলাম ইমারজেন্সি বাচ্চাকে শিশু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।কেবিনে মহিলা মানুষ থাকা সত্ত্বেও আমি এগিয়ে গেলাম।একটা ছোট কম্বলে মোড়ানো,নাকে অক্সিজেন লাগানো। বাচ্চাটির মুখটাও ভালোভাবে দেখা যাচ্ছেনা।আমি সহসা বাচ্চাটির দিকে এগিয়ে গেলাম। চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে ,মুখে ফেলা লেগে আছে। আমি বুকের উপর হাত রাখলাম কিন্তু হার্টবিট বুঝতে পারছিনা।হতে পারে মোটা কম্বলে জড়িয়ে থাকার কারনে। আমি কিছুটা নড়াচড়া দিলাম কিন্তু কোন সাড়া নেই।
মনে হচ্ছে আমার রুহটা বের হয়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আমাকে বারংবার জিজ্ঞাস করছে কেন আর কিছুক্ষন আগে এলেনা।আমি নিস্তেজ।আরশের মালিকের কাছে শুধুই কাকতি মিনতি,হে আমার রব ফিরিয়ে দিন না,ফিরিয়ে দিন।
গাড়ি খরব দেওয়া হলো। অক্সিজেন লাগিয়েই নিয়ে যাওয়া হবে বড় একটি হাসপাতালে।আমি সবাইকে বললাম বাচ্চাটা আমার কোলে করে আমি নিয়ে যাই? সবাই রাজি হলো।মনের সমস্ত জোড় দিয়ে রুকিয়া শুরু করলাম।আমি থামতে চাইলেও আমার মন এবনফ ঠোট কিছুতেই থামতে চাইছেনা।গাড়ি স্টার্ট দেয়া হলো। গাড়ির মধ্যে আমি খোমিনা রুকিয়া নন স্টপ চালিয়ে গেলাম। আর বুকে হাত রেখে শুধু মেসেজ দিতে লাগলাম। প্রায় পাচ মিনিট পর সজোড়ে ক