Dead Doctors’ Society of FMC

Dead Doctors’ Society of FMC Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dead Doctors’ Society of FMC, Doctor, Faridpur Medical College, Faridpur.

12/02/2026

People swiftly changing their political identity after Election result:--

-
পাবলো এস্কোবার

Comedy or A psychological masterpiece?ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯৯ টি আসনে আজ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো৷ তবে দেশের...
12/02/2026

Comedy or A psychological masterpiece?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯৯ টি আসনে আজ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো৷ তবে দেশের মানুষের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ছিলো ঢাকা-৮ আসনের প্রতি। এই আসনের সবচেয়ে হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মির্জা আব্বাস এবং তার বিপরীতে লড়ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে NCP এর সদস্য নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। ক্যাম্পেইন এর শুরু থেকেই নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সবচেয়ে ইউনিক বিষয় ছিল মির্জা আব্বাসের সকল ভুল ত্রুটি আনফিল্টার্ড ওয়েতে তুলে ধরা। মিডিয়ার সামনে একদম দ্বিধা ছাড়াই মির্জা আব্বাসের নামে বিভিন্ন ধরনের কথা তিনি বলেন। দেশের অন্যান্য আসনগুলোতে কিন্তু এমন কোনো হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিপক্ষ এমনভাবে মিডিয়ার সামনে কথা বলেনি৷ এই কারণেই সহজেই মিডিয়ার অ্যাটেনশন পান পাটোয়ারী। যদিও হাদি রিলেটেড আরেকটা ফ্যাক্টরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলো। পাটোয়ারী তার ইলেকশন ক্যাম্পেইনে জয়ী হলে কি করবে তার চেয়ে বেশি ফোকাস করেছিলো মির্জা আব্বাস বিজয়ী হলে কি কি ক্ষতির সম্মুখীন হবে ঢাকা-৮ এর মানুষ তার উপর। মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি র ব্যাপারে ওই আসনে অনেক কথায় প্রচলিত ছিলো। কিন্তু কেউ সামনা সামনি এই নিয়ে বলার সাহস কখনোই দেখায়নি। পলিটিকাল সাইকোলজির ভাষায় এইটাকে বলে Negative Partisanship. ঢাকা-৮ বেশির ভাগ ভোটারই তখন পাটোয়ারীর পক্ষে চলে যান শুধু এইজন্য না যে পাটোয়ারী কোন দল বা প্রতীকের প্রতিনিধি, বরং মির্জা আব্বাস এর দুর্নীতি থেকে মুক্তির উদ্দেশ্যে। আর এই সাইকোলজির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে যে মেইন বিষয় তা হলো - The common enemy effect. সর্বস্তরের মানুষ একত্রিত হয় শুধুমাত্র একটা উদ্দেশ্যে দুর্নীতি থেকে মুক্তি। আর পাটোয়ারীর সাহসিকতাও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মির্জা আব্বাসের মুখের উপরেও কথা বলা যায়। মির্জা আব্বাসকেও ভয় দেখানো যায়। মির্জ্জা আব্বাসকেও ইমোশনালি হিট করা যায়। পুরো দেশের মানুষও বিষয়টা এঞ্জয় করা শুরু করে। আর নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর এই নেগেটিভ ক্যাম্পেইনিং টা পরিণত হয় দেশের ইতিহাসের একটা ঐতিহাসিক নির্বাচন ক্যাম্পেইনে। ফলাফল কি হয়েছে তা নিয়ে লিখার ইচ্ছে নাই। লেখাটা সাইকোলজি নিয়ে। আমার মনে হয় ঢাকা-৮ এর সাধারণ মানুষের সাইকোলজি তাদের বিবেক তাদেরকে পাটোয়ারীর পথেই নিয়ে গিয়েছিলো। ঢাকা ৮ আসনে জয়ী হওয়ায় মির্জা আব্বাসকে অভিনন্দন। তবে তিনিও হয়তো সারাজীবন পাটোয়ারীর এই ক্যাম্পেইনটা মনে রাখবেন। নিজেকে সংশোধন করবেন যেন পরবর্তীতে এমন নেগেটিভ ক্যাম্পেইনিং এ পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো না লাগে। তবে মুখ্য বিষয় হলো, অনেকের কাছেই নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর ক্যাম্পেইনটাকে কমেডিক বা হাস্যরসাত্মক লাগতে পারে৷ কিন্তু এইটা ছিলো একদম সুক্ষ্ণ এবং পরিকল্পিত পলিটিকাল সাইকোলজির খেলা! Good luck নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী! You tried your best!

-
-
-
পাবলো এস্কোবার

*গণতন্ত্র : জন্ম, বিরতি, কামব্যাক-একটা লম্বা নাটক*-খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে (around 508 BC), এথেন্সে মানুষজন একটার পর এ...
11/02/2026

*গণতন্ত্র : জন্ম, বিরতি, কামব্যাক-একটা লম্বা নাটক*

-

খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে (around 508 BC), এথেন্সে মানুষজন একটার পর একটা শাসনব্যবস্থা ট্রাই করে ক্লান্ত।
রাজতন্ত্র গেলো, অভিজাততন্ত্র এলো, একনায়কতন্ত্রও ঘুরে গেল-কিন্তু সুখ নাই।
তখন এথেন্স ভাবলো,
“একজনের মাথা কেন কাজ করবে? সবার মাথা একসাথে লাগাই।”
এই নতুন আইডিয়াটার নাম দেওয়া হলো demokratia
(demos = জনগণ, kratos = ক্ষমতা)।
তবে এখানেই ছোট্ট কিন্তু আছে।
এই “জনগণ” মানে কিন্তু সবাই না।
বাদ পড়ে গেলো-
নারী
দাস
বিদেশি
প্রাচীন গ্রিসে “জনগণ” বলতে বোঝাতো শুধু নিজ দেশের স্বাধীন পুরুষ নাগরিকদের।
মানে, গণতন্ত্রের জন্মটাই হলো limited edition হিসেবে।
এই গণতন্ত্রের পুরো ক্রেডিট একা কাউকে দেওয়া যায় না।
তবে দিতে হলে সবচেয়ে বেশি নাম আসে ক্লেইস্থেনিস-এর।
তিনি ক্ষমতাকে কিছু অভিজাত পরিবারের ড্রয়িংরুম থেকে তুলে এনে সাধারণ নাগরিকদের হাতে দেওয়ার প্ল্যান করলেন।
এক কথায়-power decentralization, ancient version।
কিন্তু সবাই এতে খুশি ছিল না।
প্লেটো, এরিস্টটল আর আরও অনেক দার্শনিক এই আইডিয়াটাকে ভালো চোখে দেখেননি।
তাদের ভয় ছিল-
“যদি আবেগপ্রবণ সংখ্যাগরিষ্ঠ আইন না মেনে সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটা রাষ্ট্র না, জনতার হট্টগোল হয়ে যাবে।”
এরিস্টটল তো সরাসরি বলেই ফেললেন-
এই ধরনের গণতন্ত্র হলো শাসনের corrupt form।
তিনি বরং পছন্দ করতেন Polity-
যেখানে আইন চলে, মধ্যবিত্ত শক্তিশালী, আর কেউ একা মাতব্বর না।
এরপর ইতিহাসে ঢুকলো রোমানরা।
রোম গণতন্ত্র একেবারে উঠিয়ে দেয়নি ঠিকই,
কিন্তু ধীরে ধীরে সেটাকে এমন দুর্বল করলো যে সব ক্ষমতা গিয়ে জমা হলো একজনের হাতে।
Republic থেকে Empire-
গণতন্ত্র থাকলো, কিন্তু কাগজে-কলমে।
(এই দৃশ্যপট আমাদের বাঙালিদের জন্য অস্বস্তিকরভাবে পরিচিত।)
এরপর ইউরোপে রাজতন্ত্র আবার ফুলে-ফেঁপে উঠলো।
রাজারা ঘোষণা করলেন-
“আমরা ঈশ্বরের প্রতিনিধি। প্রশ্ন করা নিষেধ।”
আর জনগণ বললো-
“ঠিক আছে।”
(কারণ বিকল্প তখনো আবিষ্কার হয়নি।)
কিন্তু ১৬-১৭ শতকে মানুষ হঠাৎ করে বই পড়তে শুরু করলো-যা ইতিহাসে প্রায়ই বিপ্লব ডেকে আনে।
লোকজন ভাবলো,
“মগজ তো আমাদেরও আছে।”
John Locke বললেন-
শাসকের ক্ষমতা আসে জনগণের সম্মতি থেকে।
রাজা যদি প্রজার জন্য কল্যাণকর না হয়?
-তাকে সরিয়ে দেওয়াটা অন্যায় না।
Montesquieu বললেন "
এক হাতে সব ক্ষমতা দিলে abuse হবেই।"
তাই ক্ষমতা ভাগ করো:
আইনসভা, নির্বাহী, বিচার বিভাগ।
আর Rousseau যোগ করলেন-
সার্বভৌমত্ব আসলে জনগণেরই।
রাজা ultimate boss না -জনগণই।
এই সব চিন্তার ফলেই
১৭৭৫ এর আমেরিকান বিপ্লব আর
১৭৮৯ এর ফরাসি বিপ্লব।
আমেরিকানদের দাবি ছিল খুব সোজা :
“ভোটাধিকার দাও, ট্যাক্স নাও।”
No representation, no taxation.
ফ্রান্সে অবস্থা ছিল আরও নাটকীয়।
এলিট শ্রেণির জৌলুশে চোখ ধাঁধিয়ে যায়,
আর চোখ কচলে তাকালে দেখা যায় -সাধারণ মানুষ খেতে পায় না।
এর মধ্যে Marie Antoinette এর নামে চালু হলো বিখ্যাত উক্তি-
“রুটি না থাকলে কেক খাও।”
(তিনি সত্যি বলেছিলেন কি না, ইতিহাসবিদরা আজও তর্ক করেন।)
জনগণ ক্ষেপে গেলো।
Bastille দখল হলো।
রাজা Louis XVI-এর শিরচ্ছেদ হলো।
ঘোষণা এলো-
Liberty, Equality, Fraternity।
তবে গল্প এখানেই সুখের না।
অঢেল রক্তপাত, শাসনব্যবস্থার বিশৃঙ্খলার পর
Napoleon ক্ষমতায় এলেন।
গণতন্ত্র আবার বলা চলে ছুটিতে গেলো।

ফরাসি বিপ্লবের পর গণতন্ত্র একদিনে ফেরেনাই।
নেপোলিয়নের ছায়ার ভেতর হাঁটতে হাঁটতে ১৯শ - বিশ শতকে পুরুষের সাথে নারী, শ্রমিক, প্রান্তিক মানুষরাও ঢোকে তালিকায়। গণতন্ত্র তখন শুধু ভোট দেওয়ার দিন না-
আদলত -সংবাদমাধ্যম -নাগরিক অধিকার -সব মিলিয়ে একটা প্রক্রিয়া হয়ে ওঠে।
তবে সমস্যা শেষ হয়নাই।
আধুনিক সমাজে এখনো ভোট আছে -তবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আদৌ আছে কিনা -তা আলোচনার বিষয়। আবার সেই আলোচনায় বসততেও আমরা আদৌ কতটুকু স্বাধীন -তাও প্রশ্নবিদ্ধ!

এখন গণতন্ত্র মানে শুধু রাজসভায় চিৎকার বা ব্যালট বাকশ না। মোবাইল স্ক্রিনে , কমেন্ট বক্সে অথবা হ্যাশট্যাগে সরকারের বা বিশ্বের বাঘাবাঘা নেতার তোয়াক্কা না করে আমরা মত প্রকাশ করি।
কখনো যুক্তি যেতে, কখনো আবেগ। তবে মত প্রকাশ হচ্ছে, হবে। এখনকার পৃথিবীতে এরিস্টোক্রেসি, মনার্কি বা ডিকটেটরশিপ চালায়ে রাখা কঠিন। নিজের ভালো এখন পাগলেও বোঝে।
সমস্যা হয়ে যায় তখন যখন জনগণকেই ভুল বোঝানো হয়। কোনটা তাঁর জন্য ভালো সেটা সে বুঝতে অপারগ হয়। জ্ঞানের অভাব- অথবা অতি আবেগে-জনগণ ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। তখন মনে হয়, এরিস্টটলের ভয় খুব অযৌক্তিক ছিলো না।

এখনো আড়াইহাজার বছর পর, সেই এথেন্সে যেই শব্দের জন্ম হয়েছিলো, এই বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের সেই শব্দ নিয়ে অনেক কৌতূহল, অনেক আশা, অনেক অনুযোগ।
গণতন্ত্র কিন্তু একটাই প্রশ্ন করে যায়-
" আমি কি জনগণের হাতে আছি, নাকি তাদের নামে অন্য কারো হয়ে গেছি?"

~The accidental Sage

07/02/2026

FMC Park really said: singles stay home, it’s February 🥀
- এস্কানর

05/02/2026

Get ready to get a glimpse of How the awake minds in medical think.
Stay tuned.......

We Write between ward rounds and unfinished coffees-Thoughts scribbled in the margin of exhaustion.A society that lives ...
31/01/2026

We Write between ward rounds and unfinished coffees-
Thoughts scribbled in the margin of exhaustion.
A society that lives in footnotes-
Between death, doubt and the land of poetry.✍️

Address

Faridpur Medical College
Faridpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dead Doctors’ Society of FMC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category