সুলাইমান মেডিকেল হল

সুলাইমান মেডিকেল হল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সুলাইমান মেডিকেল হল, Doctor, darbasor hat, , , kd hat . . hospital rood. . ., Feni.

02/07/2020
13/02/2020

That’s very helpful

জেনে রাখুন উপকারে আসবে!
24/12/2019

জেনে রাখুন উপকারে আসবে!

শীতে  কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতেই পারে, কোনও কোনও সমস্যা ফুসে উঠে তাপমাত্রা কমে গেলে স্বাস্থ্যের কিছু ঝুঁকি বেড়েও য...
07/01/2019

শীতে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতেই পারে, কোনও কোনও সমস্যা ফুসে উঠে তাপমাত্রা কমে গেলে স্বাস্থ্যের কিছু ঝুঁকি বেড়েও যায়। শীতের এসব অসুখ মোকাবেলায় শরীরকে সাহায্য করার আছে উপায়।

ঠান্ডা লাগা

নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করলে ঠান্ডা সর্দি বেশ প্রতিরোধ করা যায়। ঠান্ডা সর্দি হয়েছে এমন সব লোক ছুয়েছেন এমন সব স্থান ও জিনিস যেমন বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ, দরজার হাতল, এতে হাত লাগলে তা ধুয়ে ফেললে বারবার সর্দির জীবানু সংক্রমণ হতে রক্ষা পাবে সহজে। ঘরে কোনও লোক অসুখ থাকলে কাপ, গ্লাস, টাওয়েল সব পয়পরিষ্কার রাখা উচিত।

টিপস: ঠান্ডা লাগলে, সর্দি হলে, কাপড়ের রুমাল ব্যবহার না করে ডিসপোজেল টিসু ব্যবহার করা উচিত। এতে হাত অনবরত পুন:সংক্রমণ থেকে বাঁচবে।

গলা খুসখুস, গলা ব্যথা

গলা খুসখুস, গলাব্যথা শীতকালে বেশ সচরাচর এবং প্রায়শ তা ভাইরাস সংক্রমণ। এমন তথ্য প্রমাণ আছে, তাপমাত্রার পরিবর্তন যেমন উষ্ণ ঘর থেকে হিমশীতল বাহিরে গেলে গলা খুসখুস এবং গলা ব্যথা হতে পারে।

টিপস: গলা খুসখুসের সহজ একটি নিদান হলো উষ্ণ লোনাপানি দিয়ে গড়গড়া করা। এতে সংক্রমণ নিরাময় হয়না বটে তবে এর রয়েছে প্রদাহরোধী গুণ এবং উপশম করার মত গুণ। কুসুম গরম একগ্লাস পানি এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করুন।

হাঁপানি

হিমশীতল বাতাসে হাঁপানি বাড়ে, শুরু হয় বুকে সাঁ সাঁ শব্দ ও শ্বাসকষ্ট। যাদের হাঁপানি আছে তাদের শীতকালে সতর্ক থাকা উচিত।

টিপস: খুব শীতল, হিমবাতাস যেদিন, সেদিন ঘরে থাকুন। যদি বাইরে যেতেই হয় তাহলে নাক ও মুখে স্কার্ফ বেধে নিন। নিয়মিত ওষুধ নেবেন। বিশেষ খেয়াল করতে হবে সেদিকে। জীবন রক্ষাকারী ইনহেলার রাখুন হাতের কাছেই।

ভাইরাস

শীতকালের খুব দুষ্ট ও সংক্রামক ভাইরাস, পাকস্থলী ভাইরাস। সারাবছর এর গতি অগ্রতিহত থাকে। শীতকালে বড় তীব্র হয়। হোটেলে ও বিদ্যালয়ে এর গতিবিধি বেশি। বড় অপ্রীতিকর অসুখ, দু’তিন দিন কষ্ট।

টিপস: অসুখ হয় বমি ও তরল মল, পানিশূন্যতা ঠেকাতে খেতে হয় প্রচুর পানি ও তরল। ছোট বাচ্চা ও বুড়োদের ঝুঁকি বেশি। মুখে খাবার স্যালাইন খেলে এসব সমস্যা ঠেকানো যায়।

বেদনার্ত হাড়ের গিট

যাদের আথ্রাইটিস আছে এদের অনেকেই অভিযোগ করেন, শীতকালে হাড়ের গিটগুলোতে ব্যথা খুব বাড়ে, কেন তা বাড়ে জানা নেই। হাড়ের গিটের সমস্যা যেমন ব্যথা ও নিশ্চলতা আবহাওয়াতে প্রভাবিত হয়। আবহাওয়া পরিবর্তনে হাড়ের ক্ষতি বা গিটের ক্ষতি হয় এমন প্রমাণ নেই।

08/12/2018
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর বছর ঘুরে আবারো এলো খুশির ঈদ। ঈদ মানেই অনাবিল আনন্দ ও খুশির উৎসব। ঈদ মানেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস...
14/06/2018

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর বছর ঘুরে আবারো এলো খুশির ঈদ। ঈদ মানেই অনাবিল আনন্দ ও খুশির উৎসব। ঈদ মানেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে হারিয়ে যাওয়ার দিন। ঈদ মানে সম্প্রীতি, ভালোবাসার বন্ধনে একে অপরকে নতুন করে আবদ্ধ করে নেয়ার দিন।

27/05/2018

প্রতিদিনের ছোট্ট
কিছু কাজ চিরকাল
প্রতিরোধ করবে
কিডনি সমস্যা।
কিডনি আমাদের
দেহের অনেক
গুরুত্বপূর্ণ
অঙ্গ। দেহে জমতে
থাকা প্রতিদিনের
ক্ষতিকর
টক্সিন ছেঁকে বের
করার মতো জরুরী
কাজটি
কিডনি করে থাকে।
দেহের এই গুরুত্বপূর্ণ
অঙ্গটি খুব সহজেই
ক্ষতিগ্রস্ত হতে
পারে আপনার ভুলের
কারণে। কিডনি
সমস্যা দেহের
মারাত্মক
সমস্যাগুলোর মধ্যে
অন্যতম। সবচাইতে
ভয়াবহ
ব্যাপার হচ্ছে কিডনি
সমস্যা এমন পর্যায়ে
কিডনির রোগ ধরা পড়ে
যখন কিছুই করার
থাকে
না। আর এ কারণেই
প্রতিবছর কিডনি
সমস্যায়
আক্রান্ত হয় হাজার
হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ
করে
থাকেন। তাই নিজের
কিডনির জন্য কোন
কাজটি
ভালো এবং কোনটি
ক্ষতিকর তা বিবেচনা
করতে
হবে আপনাকেই।
প্রতিদিনের কিছু
কাজের অভ্যাস
আপনা কিডনিকে সুস্থ
রাখবে চিরকাল।
১) স্বাস্থ্যকর খাবার :
প্রতিদিনের
খাদ্যতালিকায় -
প্রতিদিনের
খাদ্যতালিকায় এমন
খাবার রাখুন যা
সহজে হজম হওয়ার
যোগ্য এবং যে সকল
খাবার
দেহে কম টক্সিন
জমতে সহায়তা করে।
এতে
কিডনির কর্মক্ষমতা
সঠিক রাখতে সাহায্য
করে
থাকে। কিডনি থাকে
সুস্থ।
২) নিয়মিত ব্যায়াম :
প্রতিদিন অন্তত ২০
মিনিট ব্যায়াম করার
অভ্যাস
স্বাস্থ্যের জন্য
ভালো। নিয়মিত
ব্যায়ামের ফলে
দেহের সকল
অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল
থাকে এবং দৈহিক
সকল কার্যকলাপ
সঠিকভাবে হতে পারে।
যার
প্রভাব কিদনিকেও
সুস্থ রাখে।
৩) রক্তের সুগারের
মাত্রা সঠিক রাখুন :
কিডনির সবচাইতে
বড় শত্রু হচ্ছে
রক্তের সুগারের
মাত্রা। সুগারের মাত্রা
যতো বাড়তে থাকবে
কিডনি তার
কর্মক্ষমতা ততো
হারাতে থাকবে।
তাই অবশ্যই রক্তের
সুগারের মাত্রা
নিয়ন্ত্রণে
রাখুন।
৪) পর্যাপ্ত পানি পান
করুন :
পানি কম পান করা
কিডনি সমস্যার
অন্যতম প্রধান কারণ।
পানির অভাবে কিডনি
আমাদের দেহের বর্জ্য
নিষ্কাশনের কাজটি
ঠিকমতো করতে পারে
না এবং তার
স্বাভাবিক
কর্মক্ষমতা হারায়।
তাই দিনে অন্তত ৬-৮
গ্লাস পানি পান করুন।
৫) সোডিয়াম সমৃদ্ধ
খাবার কম খান :
সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার
খুব সহজে হজম হতে
চায় না এবং সোডিয়াম
দেহে জমতে থাকে যা
কিডনির
কর্মক্ষমতা নষ্ট হতে
থাকে।
৬) অনেক ঔষধ খাওয়ার
অভ্যাস বর্জন করুন :
সামান্য অসুস্থতাতেই
অনেক ঔষধ সেবন করা
বিশেষ করে
ডাক্তারের
প্রেসক্রিপশন ছাড়াই
ব্যথানাশক ঔষধ
খাওয়ার অভ্যাস
কিডনির জন্য
মারাত্মক ক্ষতিকর।
তাই এই অভ্যাসটি
বর্জন করুন।
৭) নিয়মিত চেকআপ :
কিডনি সমস্যা
একেবারে মারাত্মক
পর্যায়ে না
গেলে ধরা পড়ে না, তাই
কিডনিতে কোনো
ধরণের সমস্যা অনুভব
হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা
করবেন না। ৬ মাসে
অন্তত একবার হলেও
ডাক্তারের শরণাপন্ন
হোন সাধারণ
চেকআপের জন্য।

07/11/2016

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!
২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।
৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!
৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।
৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।
৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।
৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।
৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।
১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।
১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।
১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।
১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।
১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
____________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

29/08/2016

সর্দি-জ্বর
উপসর্গঃ
সর্দি-জ্বর মানব দেহের ঊর্ধ্ব-শ্বাসনালীর ভাইরাসজনিত এক ধরনের সংক্রমণ। ইনফ্লুয়েনজা-এ, ইনফ্লয়েনজা, এডেনোভাইরাস প্রভৃতি এ রোগের জন্য দায়ী। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময় এ রোগ বেশি মাত্রায় দেখা যায়। একটানা বৃষ্টি, স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা এবং এক ঘরে অনেক লোক গাদাগাদি করে বসবাস করলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
ট্রিটমেন্টঃ
সর্দি-জ্বরের সময় বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পানি, লেবুর রস, আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার (আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিংকস) পরিহার করতে হবে। গরম চা বা কফি খাওয়া যেতে পারে।
পরামর্শঃ
এ রোগের চিকিৎসায় সাধারণত এন্টিবায়োটিক-এর প্রয়োজন হয় না। জ্বর ও ব্যথানাশক প্যারাসিটামল এবং এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কয়েকদিন খেলেই এ রোগ সেরে যায়। তবে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত এন্টিবয়োটিক সঠিক মাত্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলের বা ফুসফুসের সংক্রমন হওয়ার ঝুঁকি থাকে বিধায় রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শমত ওষুধ খাওয়ানো

16/07/2016

ডায়াবেটিস রোগ এবং চিকিৎসা
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ
বর্তমান পৃথিবীতে অতি পরিচিত
রোগ, যা ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর
আনাচে-কানাচে। শরীরে
অগ্ন্যাশয়ের বিটা বা বি কোষ
হতে তৈরি হয় ইনসুলিন হরমোন,
যা রক্তের মাধ্যমে কোষে প্রবেশ
করে ও দহনের মাধ্যমে শক্তি
জোগায়। বিটা কোষ এ ইনসুলিন
তৈরিতে ব্যর্থ হলে বা এর
কার্যকারিতা নষ্ট হলে রক্তে
গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় ও
তা নিয়ন্ত্রণ না করলে বিভিন্ন
রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। কারণ
কোষ শক্তি সঞ্চালনের জন্য
প্রয়োজনীয় গ্লুকোজ পায় না।
ডায়াবেটিস প্রধানত দুই ধরনের
টাইপ-১ ডায়াবেটিস : এ ক্ষেত্রে
অগ্ন্যাশয়ে ইনসুলিন তৈরি হয় না
বা হলেও তা খুব সামান্য, যার
ফলে রোগীকে ইনসুলিন গ্রহণ
করতে হয়। সাধারণত শিশু ও কম
বয়সে বাচ্চাদের এ রোগ বেশি হয়।
টাইপ-২ ডায়াবেটিস : এ ক্ষেত্রে
অগ্ন্যাশয়ের তৈরিকৃত ইনসুলিন
সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়।
সাধারণত ৪০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা এতে
বেশি আক্রান্ত হয়। নিয়মিত
শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীরের
ইমিউন সিস্টেম বা রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে
একে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
আরো এক ধরনের ডায়াবেটিস যা
শুধু গর্ভকালীন সময়ে হতে পারে।
ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়
না, একে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে
সুন্দর জীবন গড়ে তোলা সম্ভব।
কিন্তু যদি কেউ একে নিয়ন্ত্রণে
ব্যর্থ হন তাহলে তিনি জড়িয়ে
পড়বেন বিভিন্ন প্রকার জটিল
সমস্যায়।
উল্লেখযোগ্য হলো হৃদরোগ,
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, করনারি
হার্টডিজিস, কিডনি বিকল হয়ে
যাওয়া, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া ও
ছানি পড়া, পায়ে ক্ষত সৃষ্টি বা
গ্যাংরিন, পচন, পা চলাচলের
শক্তি হারিয়ে ফেলা, যৌন
দূর্বলতা, স্নায়ুদুর্বলতা ইত্যাদি।
এ সব জটিলতার ফলে রোগী
সহজেই মৃত্যুর দিকে পতিত হয়।

ভ্যানিশিং ক্রিম (VANISHING CREAM)১০০% প্রকৃতিক ও গুণগত মান সম্পন্নউপাদানের সংমিশ্রণে তৈরি হয় মডার্ণহারবাল ভ্যানিশিং ক্রি...
23/03/2016

ভ্যানিশিং ক্রিম (VANISHING CREAM)
১০০% প্রকৃতিক ও গুণগত মান সম্পন্ন
উপাদানের সংমিশ্রণে তৈরি হয় মডার্ণ
হারবাল ভ্যানিশিং ক্রিম ত্বকের ভেতর
থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে উজ্জ্বল ও
লাবণ্যময় করে তোলে, সূর্যের
ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বকের সুরক্ষা
প্রদান করে, ব্রণ প্রতিরোধ করে,
মুখের মেছতা এবং কালো দাগ দূর
করে।
কার্যকারিতা
* ঘৃতকুমারী যে কোন ধরনের
চর্মরোগ, মেছতা ও ব্রণ দূর করে।
* শসা ত্বককে উজ্জ্বল এবং লাবণ্যাময়
করে তোলে।
* মুক্তার নির্যাস ত্বকের নতুন কোষ
গঠনে সহায়তা তরে এবং ত্বককে
লাবণ্যময় করে তোলে।
পরিবেশের বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ
হতে ত্বককে রক্ষা করে।
* ভিটামিন-ই ত্বকের অকাল বার্ধক্য এবং
বলিরেখা রোধ করে।
উপাদান
* ঘৃতকুমারী
* শসা
* মুক্তার নির্যাস
* ভিটামিন-ই
এবং অন্যান্য উপাদান পরিমাণমত।

Address

Darbasor Hat, , , Kd Hat . . Hospital Rood. . .
Feni

Telephone

+8801866084085

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুলাইমান মেডিকেল হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category