20/11/2025
🔍 শীতে কাশি ও শ্বাসকষ্টের প্রধান কারণ
1️⃣ ঠান্ডা ও শুকনো বাতাস
ঠান্ডা বাতাস শ্বাসনালিকে উত্তেজিত করে কাশি বাড়ায়।
2️⃣ ভাইরাসজনিত সর্দি–কাশি
শীতে ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ে—যেমন রাইনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা।
3️⃣ ধূলা–বালু ও বায়ুদূষণ
শুষ্ক পরিবেশে ধূলিকণা বেশি থাকে → এলার্জি / হাঁপানি বাড়ে।
4️⃣ হাঁপানি ও COPD রোগের অবনতি
শীতে এ রোগে শ্বাসনালী বেশি সংকুচিত হয়—কফ জমে, শ্বাসকষ্ট বাড়ে।
5️⃣ সাইনাস ইনফেকশন
সাইনাস থেকে গলা বেয়ে সর্দি পড়লে ক্রমাগত কাশি হয়।
---
🩺 চিকিৎসা (কি করবেন)
✔️ 1. পর্যাপ্ত পানি পান
শিরা–শ্বাসনালি আর্দ্র রাখে, কাশি কমায়।
✔️ 2. গরম পানিতে বাষ্প নিন
দম বন্ধভাব, গলা-বন্ধ ভাব, কফ কমাতে কার্যকর।
✔️ 3. গরম স্যুপ বা হালকা গরম পানি খান
✔️ 4. স্যালাইন নাক ধোয়া (Nasal Saline Wash)
ধূলা, সর্দি—সব পরিষ্কার করে।
✔️ 5. প্রয়োজনে কাশি কমানোর ওষুধ
যেমন—antitussive, antihistamine, bronchodilator
➡️ তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে নিন।
✔️ 6. হাঁপানির রোগীরা নিয়মিত ইনহেলার নিন
ইনহেলার না নিলে শীতে সমস্যা দ্রুত বাড়ে।
✔️ 7. গ্যাস-এসিডিটি থাকলে চিকিৎসা করুন
অনেক কাশি GERD (এসিড) থেকেও হয়।
---
🛡️ প্রতিরোধের উপায় (কি করলে কাশি–শ্বাসকষ্ট কমবে)
🔸 মুখ-নাক ঢেকে বাইরে বের হোন (মাস্ক)
ধূলা–ঠান্ডা বাতাস থেকে সুরক্ষা।
🔸 এড়াতে হবে: ধূলা, ধোঁয়া, মশলার গন্ধ, পারফিউম
এগুলো এলার্জি ও কাশি বাড়ায়।
🔸 ঘরের ভেতর আর্দ্রতা কিছুটা বাড়িয়ে রাখুন
(হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে ভালো)
🔸 ধূমপান একেবারে বন্ধ করুন
ধূমপান + শীত = মারাত্মক কাশি ও ফুসফুস ক্ষতি।
🔸 প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি
ফুসফুস শক্তিশালী হয়, সংক্রমণ কমে।
---
⚠️ যখনই ডাক্তারের কাছে যাবেন
শ্বাস নিতে কষ্ট
বুকে সাঁসাঁ শব্দ
৩–৫ দিনেও কাশি না কমা
কফে রক্ত
বাচ্চার দ্রুত শ্বাস/স্তব্ধতা
জ্বর ১০০°F এর বেশি ৩ দিনের বেশি থাকে
---
❤️ শীতে সুস্থ থাকুন—কাশি নয়, উষ্ণতা ছড়ান!