Ruqyah & cupping fair

Ruqyah & cupping fair Ruqyah & cupping fair

অনেকে বলেন “জাদু বারবার নতুন হয় কেন?”“চিকিৎসা শুরু করলেই আবার অবস্থার অবনতি হয় কেন?”অনেকের মনে হয় যেন জিন দুর্বল হচ্ছে ন...
30/12/2025

অনেকে বলেন “জাদু বারবার নতুন হয় কেন?”

“চিকিৎসা শুরু করলেই আবার অবস্থার অবনতি হয় কেন?”

অনেকের মনে হয় যেন জিন দুর্বল হচ্ছে না।
সত্যি বলতে-কখনো কখনো আপনার অনুভূতিটাই সঠিক!

বিশেষ করে যখন-

স্বপ্নে বারবার জাদুকরকে দেখতে পান।
স্বপ্নে খেতে দেখা যায়।
ঘরে নিয়মিত ছায়া-ভ্রম বা অদৃশ্য চলাফেরা দেখা যায়
ঘর যতই সুরক্ষিত করুন, তবুও অস্বস্তি থেকে যায়।

অবশ্যই আমি বলছি-যারা নামাজ, দোয়া, সকাল-সন্ধ্যার আমল ঠিকমতো করেন, তাদের ক্ষেত্রেই এসব লক্ষণ দেখা দিলে।

কারণ কিছু নিদারুন সব দার্শনিক এসে বলবে-
“এইটা হচ্ছে কারণ তুমি নামাজ পড়ো না… তুমি অমুক জিকির করোনি…”
না ভাই-
এখানে কথা বলা হচ্ছে সেই মানুষগুলোকে নিয়ে, যারা নামাজ-দোয়া ঠিকই পড়ে, তারপরও এভাবে আক্রান্ত হয়।

তাহলে সমস্যা কোথায়❓

সমস্যা হলো-
কিছু জাদুকর খুব পাকা ও অভিজ্ঞ।
তারা আক্রান্ত ব্যক্তি, শাইত্বান ও নিজেদের মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য যোগাযোগ-বন্ধন (এনার্জেটিক লিঙ্ক) তৈরি করে দেয়।

এর ফলে-

জিনদের শক্তি বাড়ে
ঘরে বা শরীরে তাদের প্রভাব স্থায়ী হয়
চিকিৎসা শুরু করলেই আবার নতুন করে শক্তি পায়

তবে ভয় পাবেন না-
এই ধরনের ঘটনা সব রোগীর ক্ষেত্রে হয় না, খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়।

সমাধান কী?

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর দরুদ পাঠ করুন
চলুন, মূল সমাধানে আসি-

এই দোয়াটি সকাল ও রাতে ১০০ বার পড়ুন:

اللَّهُمَّ اقْطَعْ بَيْنَ السَّحَرَةِ وَشَيَاطِينِهِمْ

বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ! জাদুকরদের সঙ্গে তাদের শয়তানদের সম্পর্ক ও যোগাযোগ কেটে দিন।

এই দোয়া শয়তানদের ‘মদদ’ বন্ধ করে দেয়
জাদুর ধারাবাহিকতা ও পুনর্নবীকরণ থামিয়ে দেয়
রোগীর ওপর প্রভাব কমে যায়
ঘরেও শান্তি ফিরে আসে-ইনশাআল্লাহ

তিন দিন নিয়ম করে পড়ুন-
তারপর আমাকে জানান, কী পরিবর্তন অনুভব করেছেন।

আর উপকার পেলে দোয়া করতে ভুলবেন না।
এইটুকুই চাওয়া।

🖊️ Raqi M***i Anisur Rahman
Raqi & Consultant - Ruqyah and cupping fair
​সুস্থতার পথে সবাইকে সহায়তা করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।


জ্বীন বা অতিপ্রাকৃত বিষয়ের সাথে হস্তমৈথুনের সম্পর্ক নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক লোককথা বা ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। তবে এই বিষয়ট...
29/12/2025

জ্বীন বা অতিপ্রাকৃত বিষয়ের সাথে হস্তমৈথুনের সম্পর্ক নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক লোককথা বা ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। তবে এই বিষয়টি নিয়ে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।

আপনার বোঝার সুবিধার্থে আমি বিষয়টিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করছি:

১. প্রচলিত ভুল ধারণা বনাম বিজ্ঞান

অনেকে মনে করেন যে, ঘুমের মধ্যে বা নির্জনে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো অনুভূতি বা অভ্যাসের পেছনে জ্বীনের প্রভাব রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানের মতে:

হরমোনের প্রভাব: বয়ঃসন্ধি বা পরবর্তী সময়ে শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পাওয়া একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া।

মানসিক চাপ: অনেক সময় দুশ্চিন্তা, একাকীত্ব বা অবসাদ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে মানুষ এই অভ্যাসের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

অভ্যাস: এটি কোনো জাদুকরী বিষয় নয়, বরং মস্তিষ্কের একটি 'রিওয়ার্ড সিস্টেম' বা অভ্যাসে পরিণত হওয়া বিষয়।

২. ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি

আপনি যদি ধর্মীয় দিক থেকে চিন্তিত হন, তবে ইসলামের দৃষ্টিতে এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়:

পবিত্রতা: সবসময় ওজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করা।

জিকির ও দোয়া: ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি এবং অন্যান্য দোয়া পড়া।

দৃষ্টির হেফাজত: অশ্লীল ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকা, কারণ এগুলোই মূলত মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে যা জ্বীনের ওয়াসওয়াসা (কুপ্ররোচনা) হিসেবে গণ্য হতে পারে।

৩. এই অভ্যাস থেকে মুক্তির উপায়

যদি আপনি মনে করেন এই অভ্যাসটি আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তবে নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:

একাকীত্ব বর্জন: যতটা সম্ভব মানুষের মধ্যে থাকার চেষ্টা করুন। নির্জনে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার কমিয়ে দিন।

ব্যায়াম: শারীরিক পরিশ্রম করলে শরীরের অতিরিক্ত শক্তি খরচ হয় এবং ঘুম ভালো হয়।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত উত্তেজক খাবার পরিহার করা।

লক্ষ্য স্থির করা: নিজের ক্যারিয়ার বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিন যাতে মস্তিষ্ক অন্য কাজে ব্যস্ত থাকে।

একটি জরুরি কথা: যদি আপনার মনে হয় যে আপনি কোনো অতিপ্রাকৃত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন যা আপনার দৈনন্দিন জীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে, তবে একজন অভিজ্ঞ কাউন্সেলর বা মনোবিজ্ঞানীর সাথে কথা বলা সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হতে পারে। অনেক সময় 'স্লিপ প্যারালাইসিস' বা অন্যান্য ঘুমের সমস্যার কারণেও মানুষ ভুল ধারণা পোষণ করে।

যদি সমস্যা বেশি মনে হয় তাহলে আমাদের রাকির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
রাকি মুফতি আনিসুর রহমান
মোবাইল:01722922261


মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে ‘সিহর রাবত’ - ভয়ংকর বাস্তবতাদুঃখের বিষয়, আজও কিছু মানুষ আছে যাদের হৃদয়ে দয়া মায়া নেই, ঈমান নেই, আ...
29/12/2025

মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে ‘সিহর রাবত’ - ভয়ংকর বাস্তবতা

দুঃখের বিষয়, আজও কিছু মানুষ আছে যাদের হৃদয়ে দয়া মায়া নেই, ঈমান নেই, আদব-মানুষত্ব কিছুই নেই।
বিয়ে আটকে দেওয়ার মতো জাদু-(সিহরুর রাবত)এরা করে থাকে।
যত বেশি তারা শয়তানের সেবা করে, যত বেশি কুফরি কাজে ডুবে যায়… তত বেশি তাদের জাদুর প্রভাব শক্তিশালী হয়।

এই নিষ্ঠুর কাজের শিকার হয় অনেক বোন।
যারা হয়তো মন খুলে সুখী হতে চেয়েছিল…
কিন্তু অদৃশ্য বাঁধনে তাদের জীবন আটকে যায়।

যদি আপনার চারপাশের পৃথিবী হঠাৎ সংকুচিত হয়ে যায়,
যদি মনে হয় বিয়ে নামক বিষয়টা আপনার জন্য না…
যদি কিছু অনুভূতি, কিছু ভয়, কিছু আচরণ আপনে নিজেও বুঝতে না পারেন-
তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ রুকইয়াহ সেন্টারে একজন দক্ষ রাক্বির শরণাপন্ন হউন।

কারণ (সিহরুর রবত)খুব সূক্ষ্মভাবে মেয়েদের ওপর প্রভাব ফেলে।

এই যাদু থাকলে যে লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে-

১️, বিয়ে বা সম্পর্ককে অপ্রয়োজনীয় মনে হওয়া।
২️,প্রস্তাব শুনলেই অকারণে ঘৃণা বা অস্বস্তি লাগা।
৩️,কোনো ছেলে প্রস্তাব দিলে বুক চেপে আসা, দম বন্ধ হয়ে আসার মতো অনুভূতি।
৪️, কোনো কারণ ছাড়াই কান্না, দুঃখ, মানসিক অস্থিরতা।
৫️,আল্লাহর হুকুমে যদি হয়েও যায় তবে বিয়ের পর হঠাৎ স্বামীকে অপছন্দ হয়ে যাওয়া।
৬️, মনে হওয়া-পুরুষেরা বিশ্বাসযোগ্য নয়, আমাকে ঠিকই ডিভোর্স দেবে।
৭️,পাত্র দেখার সময় স্বাভাবিক আচরণ করতে না পারা।
৮️,ছেলেকে বাস্তবের চেয়ে কুৎসিত, ভয়ংকর বা অসম্মানজনক লাগা।
৯️,বিয়ের পর দুঃস্বপ্ন দেখা-যতক্ষণ না সম্পর্ক ভেঙে যায়
১০,প্রস্তাব এলেই কয়েকদিন ধরে অদ্ভুত ধরনের ঘন কষ্ট, চাপ, গুমোট অনুভূতি
১১, মনে হওয়া-কেউ যেন ভয় দেখাচ্ছে বা হুমকি দিচ্ছে।
১২, দৃঢ় ধারণা-“এই বিয়ে আমার জন্য ঠিক না”।
১৩, প্রস্তাবের পর হঠাৎ অস্বাভাবিক অসুস্থতা।
১৪,পাত্রের মনে অকারণে অস্বস্তি বা বিরক্তি ঢুকিয়ে দেওয়া-যেন সে নিজেই পিছিয়ে যায়।
১৫,পাত্র দেখা বা কথা বলা এড়িয়ে চলার তীব্র অনুভূতি।
১৬, দেখতে আসলে মুখমণ্ডল ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।
১৭,পাত্র নিয়ে অযথা সন্দেহ, শঙ্কা, ভয় হওয়া।
১৮,পাত্র আসার খবর পেলেই শরীর ভারি হয়ে আসা, চাপ অনুভব
১৯,মাথায় একই কথা ঘুরতে থাকা-“আমি পারব না… আমি বিয়ে করতে চাই না”
২০, ভয়, কান্না, খাবারে অরুচি-সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত অস্থিরতা

খুলাসা কথা,-

এগুলো স্বাভাবিক সমস্যাও হতে পারে-
আবার কখনো বিয়ে বিন্ধের যাদুর লক্ষণও হতে পারে।

তাই প্রথম কাজ হলো অবস্থা নিশ্চিত করা, তারপর সঠিক চিকিৎসা নেওয়া।
দয়া করে চুপচাপ কষ্ট সহ্য করবেন না।
আল্লাহ সব রোগের চিকিৎসা রেখেছেন।
তবে প্রথম পদক্ষেপ আপনাকেই নিতে হবে।

🖊️ Raqi M***i Anisur Rahman
Raqi & Consultant - Ruqyah & cupping fair
​সুস্থতার পথে সবাইকে সহায়তা করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।


একবার ভাবুন তো-একজন মানুষ যখন জাদুর শিকার হয়, তখন তার অবস্থা কেমন হয়?দিন-রাত মাথাব্যথায় কষ্ট, শরীরের প্রতিটি জায়গায় যেন ...
28/12/2025

একবার ভাবুন তো-একজন মানুষ যখন জাদুর শিকার হয়, তখন তার অবস্থা কেমন হয়?
দিন-রাত মাথাব্যথায় কষ্ট, শরীরের প্রতিটি জায়গায় যেন পেরেক মারা-অসহ্য ব্যথা আর যন্ত্রণা।
আমি সেই ব্যক্তিকে বলি, যে জাদু করেছে-

তুমি কীভাবে ঘুমাও?
মৃত্যু, আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো, কবর, কিয়ামতের দিন-এসব কি ভুলে গেছ?
একজন মুসলিম তোমার কারণে কষ্টে ছটফট করছে-এটা জেনে তুমি কীভাবে শান্তিতে থাকো?
কীভাবে খাও, কীভাবে আনন্দ করো-যখন তোমার কারনে একজন মুসলিমের জীবন নষ্ট হয়ে যায়?

মাথাব্যথা…
বিকার…
যন্ত্রণা...
হাজারো ভুক্তভোগীর নাবলা কথা।
🖊️ Raqi M***i Anisur Rahman
Raqi & Consultant — Ruqyah & cupping fair
​সুস্থতার পথে সবাইকে সহায়তা করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।


যাদুকর চেনার উপায় ও লক্ষণ(নিজেকে এবং পরিবারকে প্রতারণা থেকে রক্ষা করুন)আজকাল অনেকেই চিকিৎসকের নাম করে বা কবিরাজ সেজে মা...
28/12/2025

যাদুকর চেনার উপায় ও লক্ষণ

(নিজেকে এবং পরিবারকে প্রতারণা থেকে রক্ষা করুন)

আজকাল অনেকেই চিকিৎসকের নাম করে বা কবিরাজ সেজে মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায়।
কিন্তু ইসলাম স্পষ্টভাবে যাদুকর ও শয়তানি কারসাজি করা ব্যক্তিদের পরিচয় জানিয়ে দিয়েছে।
নিচে যাদুকরদের সাধারণ ১৩টি স্পষ্ট আলামত তুলে ধরা হলো-

যদি কোনো চিকিৎসক বা কবিরাজের মধ্যে এগুলোর ১টি লক্ষণও থাকে-

তবে নিশ্চিতভাবে বুঝবেন: সে যাদুকর।
ইসলামে এদের কাছে যাওয়া কঠোরভাবে নিষেধ।

১) রোগীর নাম ও মায়ের নাম জানতে চাওয়া।

২) রোগীর কাপড়, টুপি, রুমাল বা কোনো ব্যক্তিগত জিনিস চাইলে।
৩) নির্দিষ্ট পশু যবাই করতে বলা- এবং আল্লাহর নামে যবাই না করা।
৪) অদ্ভুত মন্ত্র, অক্ষর বা রহস্যময় লেখা তৈরি করা।
৫) অস্পষ্ট তন্ত্র-মন্ত্র পড়া।
৬) তাবিজে অদ্ভুত চিহ্ন, চতুর্ভুজ বা নম্বর আঁকা।
৭) রোগীকে অন্ধকার ঘরে ১ দিন বা কয়েক ঘণ্টা একা থাকতে বলা।
৮) ৪০ দিন পানি স্পর্শ করতে নিষেধ করা-
➡️এটি সাধারণত খ্রিস্টান জিন দ্বারা করা যাদুর লক্ষণ।
৯) রোগীকে কিছু মাটির নিচে পুঁতে রাখতে বলা।
১০) নির্দিষ্ট পাতা পুড়িয়ে ধোঁয়া দিতে বলা।
১১) অদ্ভুত-অস্পষ্ট অক্ষরে তাবিজ তৈরি করা।
১২) রোগীর নাম, ঠিকানা, সমস্যা নিজে থেকেই ‘জেনে ফেলা’।
১৩) ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন অক্ষর লিখে পানি দিয়ে ধুয়ে খেতে বলা।

সতর্কতা:

যদি আপনি বুঝতে পারেন যে সে যাদুকর-
তবে সাথে সাথেই তার কাছ থেকে দূরে থাকুন।
কারণ যাদুকর, গণক বা তান্ত্রিকের কাছে যাওয়া নিজেই বড় পাপ।

শক্তিশালী হাদিসের সতর্কবার্তা-
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি গণকের কাছে গিয়ে তার কথা বিশ্বাস করল-
সে মুহাম্মাদ ﷺ-এর প্রতি নাজিলকৃত ওহিকে অস্বীকার করল।”

পরামর্শ
সবসময় কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী রুকইয়াহ করুন।
কোনো তন্ত্র-মন্ত্র, তাবিজ, কাগজ, চিহ্ন-এসব থেকে দূরে থাকুন।
আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন-সুস্থতা একমাত্র তার পক্ষ থেকেই আসে।

🖊️ Raqi M***i Anisur Rahman
Senior Raqi & Consultant - Ruqyah & cupping fair

​সুস্থতার পথে সবাইকে সহায়তা করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

অনিদ্রা ও ঘুম না হওয়ার চিকিৎসা   করণীয় ধাপসমূহ:-১️. ঘরে কুরআন চালু রাখা।টানা ৩ দিন ঘরের ভেতর উচ্চস্বরে রুকইয়ার অডিও চালু...
27/12/2025

অনিদ্রা ও ঘুম না হওয়ার চিকিৎসা

করণীয় ধাপসমূহ:-

১️. ঘরে কুরআন চালু রাখা।
টানা ৩ দিন ঘরের ভেতর উচ্চস্বরে রুকইয়ার অডিও চালু রাখুন।
এরপর কয়েক দিন রুকইয়া পড়া পানি ও লবণ মিশিয়ে ঘরে ছিটাবেন।
সাথে কুস্ত আল-হিন্দ (কস্তুরী জাতীয় ধূপ) দিয়ে ধোঁয়া দিন।

২️.ঘর থেকে সব ছবি সরিয়ে ফেলুন
বিশেষ করে শোবার ঘর থেকে-মানুষ ও প্রাণীর ছবি।

৩️.সূরা বাকারা ও আজান
শোবার ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা চালু রাখুন।
আজান বারবার বাজান।

৪️.বিছানা ও বালিশে রুকইয়া পানি
রুকইয়া পড়া গোলাপজল দিয়ে বিছানার চাদর ও বালিশে হালকা ছিটিয়ে দিন।

৫️. ঘুমের সময় সুগন্ধি ব্যবহার
ঘুমানোর সময় মেশক/কস্তুরি জাতীয় আতর শরীরে ব্যবহার করুন।

৬️. নিজে-নিজে রুকইয়া পড়ুন
নিজের ওপর
- সাকিনা (প্রশান্তি)
- ঘুমের আয়াতগুলো পড়ুন।

৭️. পবিত্র অবস্থায় ঘুমানো
ছোট বা বড় নাপাকি থেকে পবিত্র হয়ে ঘুমান।
পূর্ণ ঘুমের যিকির পড়ুন।

অনিদ্রা দূর করার বিশেষ দোয়া
(হাদিস: তিরমিজি - হযরত বুরাইদা রা.)
যখন নবী ﷺ-কে জানানো হলো-খালিদ (রা.) অনিদ্রায় ভুগছেন,
তিনি বললেন-

“তুমি যখন বিছানায় যাবে, তখন বলবে:-

اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ،وَرَبَّ الْأَرَضِينَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ،وَرَبَّ الشَّيَاطِينِ وَمَا أَضْلَلْنَ، كُنْ لِي جَارًا مِنْ شَرِّ خَلْقِكَ كُلِّهِمْ جَمِيعًا، أَنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ، أَوْ يَبْغِيَ عَلَيَّ، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ.

>হে আল্লাহ!
আপনি সাত আসমানের রব ও যা তারা ঢেকে রেখেছে তার রব,
সাত জমিনের রব ও যা তারা বহন করেছে তার রব,
শয়তানদের রব ও তারা যাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে তাদের রব-
আপনি আমাকে আপনার সব সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা দিন।
যেন তাদের কেউ আমার উপর সীমালঙ্ঘন করতে না পারে।
আপনার আশ্রয় শক্তিশালী,
আপনার প্রশংসা মহান,
আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।”

স্বপ্নে খাওয়ানো (ইত‘আম মানামী) হলে করণীয়
প্রথমে:
শোবার ঘর ও বিছানা ভালোভাবে তাহসিন (সুরক্ষা) করুন।
দ্বিতীয়:
বিছানার পাশে রুকইয়া পড়া পানি রাখুন।
তৃতীয়:
স্বপ্নে খাওয়ানো হলে-
মুখে হাত রেখে বারবার পড়ুন:-

وَلَا تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَإِنَّهُ لَفِسْقٌ ۗ وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَىٰ أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ ۖ
“আর যে খাবারের উপর আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি, তা খেয়ো না-এটা গুনাহ।”
(আল-আন‘আম: ১২১)

চতুর্থ:
ঘুমানোর আগে মিসওয়াক করুন।

পঞ্চম:
যদি স্বপ্নে খাওয়ানো হয়-ভয় পাবেন না।
রুকইয়া পানি পান করুন।
সম্ভব হলে বমি করার চেষ্টা করুন, এতে কোনো সমস্যা নেই।

সাধারণ আমল
নির্ধারিত চিকিৎসা প্রোগ্রাম পুরোপুরি মেনে চলুন

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন
আল্লাহর যিকির করুন
নবী ﷺ-এর উপর দরুদ পড়ুন
বারবার বলুন:-
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ.
“লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”

✍️Raqi M***i Anisur Rahman
Raqi & Consultant- Ruqyah & Cupping Fair
​সুস্থতার পথে সবাইকে সহায়তা করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।
Raqi M***i Anisur Rahman

মানুষের বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চিন্তাধারায় "ভেতরের জাদু" (আত্মিক শক্তি বা মনের জোর) এবং "বাইরের জাদু" (নেতিবাচক নজর বা অশু...
27/12/2025

মানুষের বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চিন্তাধারায় "ভেতরের জাদু" (আত্মিক শক্তি বা মনের জোর) এবং "বাইরের জাদু" (নেতিবাচক নজর বা অশুভ শক্তি) নিয়ে অনেক কথা প্রচলিত আছে। বাইরের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে এবং সেই শক্তিকে অকার্যকর করতে ভেতরের আত্মিক শক্তিকে জাগিয়ে তোলা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

কীভাবে আপনি নিজের ভেতরের শক্তি দিয়ে বাইরের নেতিবাচকতাকে রুখে দেবেন, তার একটি নির্দেশিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. সচেতনতা ও মানসিক দৃঢ়তা (Mindset)
বাইরের কোনো শক্তি ততক্ষণই শক্তিশালী, যতক্ষণ আপনি তাকে ভয় পান। ভয় পেলে মানুষের মন দুর্বল হয়ে যায়, যা বাইরের নেতিবাচকতাকে সুযোগ করে দেয়।

ভয় জয় করুন: মনে রাখবেন, আপনার আত্মিক শক্তি যেকোনো বাইরের প্রভাবের চেয়ে বড়।

ইতিবাচক চিন্তা: নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের সাফল্যের ওপর মনোনিবেশ করুন।

২. আত্মিক সুরক্ষা ও ইবাদত (Spiritual Protection)
ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক চর্চা বাইরের অশুভ শক্তিকে রুখতে ঢাল হিসেবে কাজ করে।

প্রার্থনা ও জিকির: নিয়মিত প্রার্থনা বা সৃষ্টিকর্তার স্মরণ আত্মিক বল বাড়ায়।

পবিত্রতা বজায় রাখা: পরিচ্ছন্ন থাকা এবং পবিত্র অবস্থায় থাকা আত্মিক সুরক্ষার প্রাথমিক ধাপ।

নির্দিষ্ট মন্ত্র বা দোয়া: অনেক ধর্মেই নেতিবাচক নজর থেকে বাঁচার জন্য নির্দিষ্ট পাঠ (যেমন: আয়াতুল কুরসি বা চার কুল) রয়েছে, যা নিয়মিত পাঠ করলে সুরক্ষা পাওয়া যায়।

৩. পরিবেশ ও শক্তির ভারসাম্য (Energy Cleansing)
আপনার আশেপাশের পরিবেশ আপনার মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে।

ঘর পরিষ্কার রাখা: নোংরা বা অগোছালো পরিবেশে নেতিবাচক শক্তি দ্রুত জমা হয়।

প্রাকৃতিক আলো-বাতাস: ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং পরিষ্কার বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।

লবণ পানির ব্যবহার: অনেক সংস্কৃতিতে নেতিবাচক শক্তি দূর করতে ঘর মোছার পানিতে এক চিমটি লবণ ব্যবহারের কথা বলা হয়।

৪. নিজেকে প্রকাশ না করা (Low Profile)
বাইরের নজর বা হিংসা (Evil Eye) থেকে বাঁচতে নিজের সব পরিকল্পনা বা সফলতা সবার সামনে খুব বেশি প্রকাশ না করাই ভালো।

সবাই আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী নাও হতে পারে, তাই নিজের গোপন লক্ষ্যগুলো গোপন রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৫. শারীরিক ও মানসিক যত্ন (Self-Care)
শরীর দুর্বল হলে মনও দুর্বল হয়ে পড়ে।

পর্যাপ্ত ঘুম: ঘুমের অভাবে ক্লান্তি আসে যা মানসিক দৃঢ়তা কমিয়ে দেয়।

মেডিটেশন: নিয়মিত ধ্যান করলে মনের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পায় এবং বাইরের উত্তেজনা বা ভয় কমে যায়।

সারাংশ: বাইরের শক্তিকে অকার্যকর করার চাবিকাঠি হলো নিজের আত্মবিশ্বাস এবং সৃষ্টিকর্তার ওপর অগাধ বিশ্বাস। আপনি যখন ভেতর থেকে শক্তিশালী হবেন, বাইরের কোনো কিছুই আপনার ক্ষতি করতে পারবে না।
যদি সমস্যা বেশি মনে হয় তাহলে আমাদের রাকির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে।
মোবাইল:01722922261


#

ঘ্রাণের মাধ্যমে বা সুগন্ধি ব্যবহার করে যে জাদু বা কালো জাদু করা হয়, লোকজ ভাষায় একে অনেক সময় "শুঁকনি পড়া" বা "ঘ্রাণ জাদু"...
26/12/2025

ঘ্রাণের মাধ্যমে বা সুগন্ধি ব্যবহার করে যে জাদু বা কালো জাদু করা হয়, লোকজ ভাষায় একে অনেক সময় "শুঁকনি পড়া" বা "ঘ্রাণ জাদু" বলা হয়। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করা হয় যে, সুগন্ধি বা ধূপের মাধ্যমে মানুষের মন বা শরীরকে প্রভাবিত করা সম্ভব।

এই বিষয়টি নিয়ে কিছু জরুরি তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

১. কীভাবে এটি করা হয় (লোকবিশ্বাস অনুযায়ী)
সাধারণত তান্ত্রিক বা কবিরাজরা নির্দিষ্ট কিছু জিনিসের ওপর মন্ত্র পড়ে তা ভিকটিমের সামনে ব্যবহার করে:

পারফিউম বা আতর: কোনো পোশাকে বা শরীরে মাখিয়ে দেওয়া।

ধূপ বা আগরবাতি: ধোঁয়ার মাধ্যমে সুগন্ধ ছড়িয়ে দেওয়া।

ফুল: জাদুকরী মন্ত্র পড়া ফুল শুঁকতে দেওয়া।

২. এর লক্ষণগুলো কী হতে পারে?
যদি কেউ মনে করেন তিনি এই ধরনের সমস্যার শিকার, তবে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায় বলে ধারণা করা হয়:

হঠাৎ করে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির প্রতি তীব্র আকর্ষণ বা অহেতুক ভয় পাওয়া।

মাথা ঘোরা বা দমবন্ধ ভাব হওয়া (শারীরিক কারণ না থাকা সত্ত্বেও)।

অস্বাভাবিক আচরণ বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া।

ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখা।

৩. সুরক্ষা ও প্রতিকার (ইসলামিক ও সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি)
যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ এমন কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। মানসিকভাবে শক্ত থাকা সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

ধর্মীয় সুরক্ষা: ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পাঠ করাকে সব ধরনের জাদু-টোনা থেকে রক্ষার শক্তিশালী মাধ্যম বলা হয়।

অপরিচিত সুগন্ধি এড়িয়ে চলা: অপরিচিত কারো দেওয়া পারফিউম, ফুল বা ধূপ সরাসরি গ্রহণ না করা বা না শুঁকা ভালো।

মানসিক সচেতনতা: অনেক সময় এটি 'হিপনোসিস' বা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবের কারণেও হতে পারে। নিজেকে শান্ত রাখা এবং যুক্তিবাদী চিন্তা করা জরুরি।

৪. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
অনেক সময় তীব্র সুগন্ধি বা কিছু রাসায়নিক উপাদান মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে (Nervous System) প্রভাব ফেলে, যার ফলে মাথা ঝিমঝিম করতে পারে বা সাময়িকভাবে চেতনার পরিবর্তন হতে পারে। একে অনেক সময় ভুলবশত জাদু মনে করা হয়।

সতর্কতা: জাদুর নামে অনেক ভণ্ড কবিরাজ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। তাই এই ধরনের সমস্যায় পড়লে কোনো ভণ্ড তান্ত্রিকের কাছে না গিয়ে ধর্মীয় উপায়ে সমাধান খোঁজা বা প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
যদি বেশি সমস্যা মনে হয় তাহলে আমাদের রাকির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
মোবাইল: 01722922261


শুক্রবার দরুদ শরীফ পাঠের জন্য দরূদ ইব্রাহিম একটি উত্তম আমল। এছাড়া, শুক্রবার আসরের নামাজের পর ৮০ বার নির্দিষ্ট দরুদ শরীফ ...
26/12/2025

শুক্রবার দরুদ শরীফ পাঠের জন্য দরূদ ইব্রাহিম একটি উত্তম আমল। এছাড়া, শুক্রবার আসরের নামাজের পর ৮০ বার নির্দিষ্ট দরুদ শরীফ পাঠ করলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও, সহজ ও ছোট দরুদ যেমন "সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ" পড়া যেতে পারে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ দরুদ শরীফ:
দরূদ ইব্রাহিম:
উচ্চারণ: "আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ।"
অনুবাদ: "হে আল্লাহ, মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের পরিবারের উপর বরকত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিম এবং ইব্রাহিমের পরিবারের উপর বরকত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত এবং মহিমান্বিত।"
ছোট দরুদ:
উচ্চারণ: "সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ।"
শুক্রবার দরুদ পাঠের গুরুত্ব:
শুক্রবারকে সপ্তাহের সেরা দিন বা সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠের অনেক ফজিলত রয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, শুক্রবার আসরের নামাজের পর দরুদ পাঠ করলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হতে পারে।
জুমার দিনের দরুদ পাঠ করলে আল্লাহর রহমত, গুনাহ মাফ এবং মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
শুক্রবার আসরের নামাজ পড়ে ওই স্থানে বসে থেকে কোন ব্যক্তি যদি আসিবার দুরুদ শরীফ পড়ে তাহলে আল্লাহ তাআলা তার আশি বছরের গুনাহগুলোকেও ক্ষমা করে দিবেন।

You sentমেয়েরে লজ্জা স্থানে বা ব্যক্তিগত অঙ্গে জিনের আছর বা বসবাস নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক ধরনের বিশ্বাস প্রচলিত আছে। আধ্...
26/12/2025

You sent
মেয়েরে লজ্জা স্থানে বা ব্যক্তিগত অঙ্গে জিনের আছর বা বসবাস নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক ধরনের বিশ্বাস প্রচলিত আছে। আধ্যাত্মিক বা কবিরাজি দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু লক্ষণের কথা বলা হলেও, এগুলোর অনেকগুলোই আসলে শারীরিক বা মানসিক সমস্যার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে।

ইসলামিক দৃষ্টিকোণ এবং প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী কিছু সম্ভাব্য লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো:

শারীরিক ও অস্বাভাবিক লক্ষণসমূহ
অস্বাভাবিক ব্যথা: চিকিৎসকের পরামর্শ বা ওষুধ খাওয়ার পরেও যদি গোপনাঙ্গে বা তলপেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা থাকে যা কোনো ডাক্তারি পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।

নীলচে দাগ: শরীরের গোপন স্থানে কোনো আঘাত ছাড়াই হঠাৎ করে নীলচে বা কালো দাগ দেখা দেওয়া।

অস্বাভাবিক চুলকানি: কোনো চর্মরোগ বা ইনফেকশন ছাড়াই প্রচণ্ড চুলকানি অনুভব করা।

অনিচ্ছাকৃত উত্তেজনা: সঙ্গম বা যৌন চিন্তা ছাড়াই হঠাত করে তীব্র শারীরিক উত্তেজনা বোধ করা।

স্বপ্ন ও মানসিক লক্ষণ
অশ্লীল স্বপ্ন: নিয়মিতভাবে স্বপ্নে কোনো পুরুষ বা ছায়ামূর্তির সাথে শারীরিক সম্পর্ক হতে দেখা।

একাকীত্বের অনুভূতি: মনে হওয়া যেন কেউ আশেপাশে আছে বা কেউ স্পর্শ করছে, বিশেষ করে যখন ঘরে কেউ থাকে না।

বিয়ের প্রতি অনিহা: উপযুক্ত পাত্র থাকা সত্ত্বেও বিয়ের কথা শুনলে অযৌক্তিক ভয় পাওয়া বা বিয়ে ভেঙে যাওয়া।

ধর্মীয় ও সাধারণ পরিবর্তন
ইবাদতে বাধা: নামাজ বা কোরআন তিলাওয়াতের সময় ব্যক্তিগত স্থানে অস্বস্তি বা প্রচণ্ড আলস্য অনুভব করা।

মেজাজ খিটখিটে হওয়া: অকারণে পরিবারের লোকজনের ওপর রেগে যাওয়া এবং নিজেকে ঘরবন্দী করে রাখার প্রবণতা।

একটি জরুরি পরামর্শ: উপরে উল্লেখিত অনেকগুলো লক্ষণ (যেমন ব্যথা, চুলকানি বা অনিয়মিত সমস্যা) মূলত মেডিক্যাল কন্ডিশন যেমন: ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI), হরমোনাল ইমব্যালেন্স বা ভ্যাজাইনাইটিস হতে পারে। তাই প্রথমেই একজন ভালো স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ (Gynecologist) দেখানো উচিত। যদি ডাক্তার নিশ্চিত করেন যে কোনো শারীরিক সমস্যা নেই, তবেই আধ্যাত্মিক চিকিৎসার কথা ভাবা যেতে পারে।

করণীয়: ইসলামি বিধান অনুযায়ী এসব থেকে বাঁচতে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসি, সুরা ফালাক এবং সুরা নাস পড়ে শরীরে ফুঁ দেওয়া এবং নিয়মিত পবিত্র থাকা অত্যন্ত কার্যকর।
যদি সমস্যা বেশি মনে হয় তাহলে আমাদের রাকির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে।
মোবাইল:০১৭২২৯২২২৬১


পিরিয়ডের রক্ত দিয়ে করা জাদু কী?কিছু জাদুকর অপবিত্র জিনিস ব্যবহার করে শয়তানি কাজ করে।নারীর পিরিয়ডের রক্তকে অত্যন্ত অপবিত্...
25/12/2025

পিরিয়ডের রক্ত দিয়ে করা জাদু কী?

কিছু জাদুকর অপবিত্র জিনিস ব্যবহার করে শয়তানি কাজ করে।
নারীর পিরিয়ডের রক্তকে অত্যন্ত অপবিত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিশেষ ধরনের জাদু করা হয়—যার উদ্দেশ্য হয়
ভালোবাসা সৃষ্টি, স্বামীকে বশ করা, বন্ধ্যাত্ব, দাম্পত্য অশান্তি বা মানসিক দুর্বলতা।

ইসলামে এগুলো স্পষ্ট হারাম ও কবিরা গুনাহ।

সম্ভাব্য লক্ষণসমুহ

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে হঠাৎ তীব্র আকর্ষণ বা অকারণ ঘৃণা

ইবাদতে অস্বস্তি, কুরআন শুনলে বিরক্তি

পিরিয়ডের সময় অস্বাভাবিক কষ্ট বা মানসিক ভাঙন

তলপেট/জরায়ু এলাকায় ভারী অনুভূতি

অকারণ রাগ, ভয় বা সন্দেহ

স্বপ্নে রক্ত, নোংরা জায়গা বা অস্বস্তিকর দৃশ্য দেখা

> মনে রাখবেন: সব সমস্যাই জাদু নয়—চিকিৎসা জরুরি।

রুকইয়াহ অনুয়ায়ী করণীয়

সূরা বাকারা নিয়মিত পাঠ

আয়াতুল কুরসি দিনে বহুবার

সূরা ইউনুস ৮১–৮২

সূরা ত্বা-হা ৬৯

সকাল–সন্ধ্যার যিকির

নিজের উপর ও পানিতে ফুঁ দিয়ে দোয়া করে পান করা

সমস্যা বেশী মনে হলে আমাদের অভিজ্ঞ রাকির সাহায্যে কুরআনের আলেকে রুকইয়াহ করতে কল করুন +8801722922261 (whatsapp)

25/12/2025

Address

Gazipur
712

Telephone

+8801722922261

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah & cupping fair posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram