Bachelor Of Ayurvedic Medicine & Surgery - BAMS, GuamcH, Mirpur-13, Dhaka

  • Home
  • Bachelor Of Ayurvedic Medicine & Surgery - BAMS, GuamcH, Mirpur-13, Dhaka

Bachelor Of Ayurvedic Medicine & Surgery - BAMS, GuamcH, Mirpur-13, Dhaka Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bachelor Of Ayurvedic Medicine & Surgery - BAMS, GuamcH, Mirpur-13, Dhaka, Medical and health, .

11/10/2024

বাতা (Vata-বায়ূ) - >(আকাশ ও বায়ু)- >(শীতল ও রুক্ষ)-> (মলাশয় হতে)

বাতা-
"তত্র রুক্ষো লঘু শীত, খরা সুক্ষ্ম চলো নিলঃ"
বাতের গুণাবলী হল শুষ্ক, হালকা, শীতল, রুক্ষ, সূক্ষ্ম এবং ভ্রাম্যমাণ।— অষ্টাঙ্গ হৃদয়ম: সূত্রস্থান ১:১১.

*শরত তার শীতল ও মরমরে/মচমচে বা শুষ্ক বা রূক্ষ দিন গুলির জন্য বাতা প্রতিনিধিত্ব করে।
*বাতা সাধারণত শীতল বা ঠান্ডা, হালকা, শুষ্ক, রুক্ষ, প্রবাহিত এবং প্রশস্ত হিসাবে থাকে।।
*যাদের বাত দোষ আছে তাদের সাধারণত পাতলা, উদ্যমী এবং সৃজনশীল। তাদের মেজাজ হচ্ছে আবহাওয়া, তাদের আশেপাশের মানুষ এবং তারা যে খাবার খায় তার উপর নির্ভর করে।
*বাতার শক্তি হল -
দ্রত শিখতে পারে, অত্যন্ত সৃজনশীল, বহুমুখী, সদয় দয়ালু, নমনীয়, সক্রিয়, স্বাভাবিকভাবেই পাতলা।
*বাতার দুর্বলতা হল-
ভুলে যাওয়া, উদ্বিগ্ন, অস্থির মেজাজ, সহজেই অভিভূত বা মগ্ন বা নিমজ্জিত হতে পারে, ঠান্ডার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল, ঘুমের সমস্যা, অনিয়মিত ক্ষুধা এবং খাওয়ার ধরণ, হজমের সমস্যা এবং গ্যাসের প্রবণতা, দুর্বল সঞ্চালন (ঠান্ডা হাত-পা).
*আয়ুর্বেদ মতে, সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য একজন বাতা প্রধান ব্যক্তিকে নিয়মিত দৈনিক রুটিন অনুসরণ করা উচিত, ধ্যান এবং অন্যান্য শান্ত কার্যকলাপের মাধ্যমে মানসিক চাপ পরিচালনা করা উচিত এবং ঠান্ডা আবহাওয়া এড়িয়ে এবং উষ্ণ খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করে শরীরের উষ্ণ তাপমাত্রা বজায় রাখা উচিত।

(বাতা মলাশয় হতে -
মলাশয়ে উষ্ণতা ও আর্দ্রতা থাকে ফলে রক্তের পরিমান বেশি থাকে, ফলে সেই তরল মলের গতি বেড়ে গিয়ে সেটা দ্রুত শরীর থেকে বের হয়ে যেত, যার কারনে খাবারের শেষ পুষ্টি টুকু শোষিত হত না, তাই সেই কারনে আল্লাহ তাআ'লা এখানে বায়ু বা সাওদাকে এক্টিভেট করেছেন যেন সেই তরল মল কিছুটা সলিড হয়ে এর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুলো শরীরে শোষিত হয়ে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।)

পিত্তা (Pitta-পিত্ত)->(আগুন ও পানি)->(উষ্ণ ও শুষ্ক)->(ক্ষুদ্রান্ত্র হতে)

পিত্তা-
"পিত্তম সস্নেহ তিক্ষ্ণোষ্ণম লঘু বিরাম, সরম দ্রাবম"
পিট্টা তৈলাক্ত, তীক্ষ্ণ, গরম, হালকা, মাংসল-গন্ধযুক্ত, ছড়ানো এবং তরল। — অষ্টাঙ্গ হৃদয়ম: সূত্রস্থান প্রথম: ১১।

*পিত্তা সাধারণত গরম, হালকা, তীক্ষ্ণ, তৈলাক্ত, তরল এবং মোবাইল বা নড়াচড়া।
*রৌদ্রোজ্জ্বল, গরম দিনের জন্য গ্রীষ্মকাল পিত্তা ঋতু হিসাবে পরিচিত।
*পিত্তাযুক্ত ব্যক্তিদের সাধারণত পেশীবহুল, খুব ক্রীড়াবিদ এবং শক্তিশালী নেতা হিসাবে কাজ করে। তারা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত, লক্ষ্য-ভিত্তিক, এবং প্রতিযোগিতামূলক। তবুও, তাদের আক্রমনাত্মক এবং দৃঢ় প্রকৃতি কিছু লোকের কাছে বিরক্তিকর হতে পারে, যা সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যেতে পারে
*পিত্তার সবলতা:
বুদ্ধিমান, উদ্দেশ্যমূলক, দ্রুত শেখে, স্ব-নিয়ন্ত্রিত, সহজেই দক্ষতা অর্জন করে, সাফল্যের প্রবল ইচ্ছা, শক্তিশালী, প্রাকৃতিক নেতা, দ্রুত বিপাক, ভাল সঞ্চালন, স্বাস্থ্যকর ত্বক এবং চুল।
*পিত্তার দুর্বলতা:
অধৈর্য, ​​সংঘর্ষের প্রবণ, সর্বদা ক্ষুধার্ত, ক্ষুধার্ত অবস্থায় মেজাজ পরিবর্তন, ব্রণ এবং প্রদাহের প্রবণ, গরম তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল।
*যাদের পিত্ত-প্রধান দোষ আছে তাদের কর্ম-জীবনের ভারসাম্যের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত এবং চরম তাপ (যেমন, আবহাওয়া, মশলাদার খাবার) এড়ানো উচিত।

(পিত্তা ক্ষুদ্রান্ত্র হতে
ক্ষুদ্রান্ত্রের স্থানে শীতলতা থাকে যেটা খাবারের পুষ্টি শোষনে বাধাগ্রস্ত করতো, সেটাকে ব্যালেন্স করার জন্য আল্লাহ সেখানে পিত্ত বা উষ্ণতা কে দিয়েছেন।)

কফা-(kapha কফ)->(মাটি/পৃথিবী ও পানি)->(শীতল ও আর্দ্র)->(পাকস্থলী হতে)

কফা-
"স্নিগ্ধঃ শীতা গুরুরমন্দঃ শ্লক্ষ্ণো মৃত্যুঃ স্থিরঃ কফঃ"
কফা হল অস্বাভাবিক, শীতল, ভারী, ধীর, মসৃণ, নরম এবং স্থির। — অষ্টাঙ্গ হৃদয়ম: সূত্রস্থান ১:১২।

*কফা সাধারণত স্থির, স্থিতিশীল, ভারী, ধীর, ঠান্ডা এবং নরম। বিশ্বের অনেক অংশ ধীরে ধীরে শীতযাপনতা থেকে বেরিয়ে আসায় বসন্তকে কফা ঋতু বলা হয়।
*কফা দোষায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শক্তিশালী, পুরু হাড়যুক্ত এবং যত্নশীল হিসাবে বর্ণনা করা হয়। কফা-প্রধান ব্যক্তিরা খুব কমই বিরক্ত হন, অভিনয় করার আগে চিন্তা করেন এবং ধীরে ধীরে, ইচ্ছাকৃতভাবে জীবন দিয়ে যান।
*কফার সবলতা:
সহানুভূতিশীল, যত্নশীল, বিশ্বাসী, ধৈর্যশীল, শান্ত, জ্ঞানী, সুখী, রোমান্টিক, শক্তিশালী হাড় এবং জয়েন্টগুলি, সুস্থ ইমিউন সিস্টেম।
*কফার দুর্বলতা:
ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা, ধীর বিপাক, অলসতা, অতিরিক্ত ঘুমানো, শ্বাসকষ্টের সমস্যা (যেমন, হাঁপানি, অ্যালার্জি), হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকি, শ্লেষ্মা তৈরি হওয়া, বিষণ্নতার জন্য সংবেদনশীল, নিয়মিত অনুপ্রেরণা এবং উৎসাহ প্রয়োজন
*সুস্বাস্থ্যের জন্য, একজন কফা-প্রধান ব্যক্তির উচিত নিয়মিত ব্যায়াম, একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য, শরীরের উষ্ণ তাপমাত্রা বজায় রাখা (যেমন- গরম খাবার খাওয়া) এবং নিয়মিত ঘুমের রুটিন স্থাপন করা উচিত।

(কফা-পাকস্থলী হতে
পাকস্থলীতে এসিড থাকে যা পুড়িয়ে দেয় তাই আল্লাহ তাআ'লা সেখানে ভারসাম্যের জন্য কফ দিয়েছেন যেন সেটা পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়।)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) স্বীকৃত ও তত্ত্বাবধায়নে বাংলাদেশে পরিচালিত ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক...
14/09/2024

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) স্বীকৃত ও তত্ত্বাবধায়নে বাংলাদেশে পরিচালিত ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিদ্যমান সকল বৈষম্য দূরীকরণ ও
অতিসত্বর প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে,

সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল, ঢাকায়।

৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য
কমপ্লিট শাটডাউন

অবিলম্বে ৭ দফা দাবি পূরণ করতে হবে:

১। বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন প্রণয়ন ও কাউন্সিল গঠন।
২। দ্রুত সময়ের মধ্যে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের সরকারি চাকরির নিয়োগ বিধি প্রণয়ণ এবং
পি.এস.সি-র অধীনে ক্যাডারভুক্ত করে নিয়মিত নিয়োগ প্রদান ।
৩। ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ব্যবস্থাকরণ।
৪। স্বৈরাচারের দোসর ও দুর্নীতিবাজ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার।
৫। ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন।
৬। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিকরণ।
৭। সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রয়োজনীয় সংস্কারকরণ; ক্রমান্বয়ে
সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রূপান্তর।

GUAMCH
সাধারণ শিক্ষার্থী
সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল, ঢাকা।

বেদিক মেডিসিন ** বিউটি থেরাপী(Ayurveda  Beauty Therapy)** বডি ও স্কিন   সৌন্দর্য বর্ধন বা রূপচর্চার যে ৮টা পদ্ধতি ব্যবহা...
06/09/2023

বেদিক মেডিসিন
** বিউটি থেরাপী(Ayurveda Beauty Therapy)**

বডি ও স্কিন সৌন্দর্য বর্ধন বা রূপচর্চার যে ৮টা পদ্ধতি ব্যবহার করা এটা কে বলে আয়ুর্বেদা বিউটি থেরাপি( Ayurveda Beauty Therapy).

# ( vedic medicine)* 8 routes of Beauty therapy # #
1. Shirodhara healing treatment for relaxation

Sometimes referred to as ‘third eye’ therapy, this supremely soothing Ayurveda beauty treatment involves gently pouring liquids over the forehead (the ‘third eye’) and through the hair and scalp. The name comes from the Sanskrit words shiras, meaning head, and dhara (flow).

The liquids used depend on your Ayurveda dosha body type, but they can include oil, milk, buttermilk or coconut oil. This deliciously comforting sensation takes the body and mind to a place of deep peace, renewal and effortless clarity.

2. Akshi tarpana eye rejuvenation for skin brightening

A Sanskrit term simply meaning ‘eye nourishment’, this clever Ayurveda beauty remedy uses a doughnut-shaped mould made out of black gram flour to create a natural eye bath. The therapist then fills the hole with warm triphala ghee to soothe the eyes and brighten dull skin, while reducing wrinkles, fine lines and dark shadows to restore brightness.

3. Abhyanga massage for body balancing

Another favoured Ayurveda beauty spa treatment, this delicious traditional massage often sees two therapists applying oils infused with Ayurveda herbs from head to toe, paying particular attention to the joints and marma energy points, where two or more types of tissues meet – for example, ligaments or bones. It increases circulation and the personalised oils help bring all the doshas into balance, while increasing skin suppleness. This therapy is often followed by a full body steam or herbal linen wrap. You can also try abhyanga self-massage at home.

4. Shiroabhyanga massage for glossy hair

One of the most popular Ayurveda spa treatments, Shiroasbhyanga, or Indian head massage, is a great way to keep your tresses in tip-top condition. Replenishing oils such as coconut, brahmi, bhringraj and triphala are massaged into your head, neck and shoulders to not only encourage healing and balance in your whole body, but fabulous hair too.

5. Mukhalepam facial for radiant skin

Great for all skin types, including oily skin, this therapeutic Ayurveda facial includes a steam treatment and massage with herb oils, followed by a custom-made face mask with nourishing herbs, plant extracts and ghee. It helps to tone facial muscles, combat wrinkles and fade pigmentation marks. A must for anyone with lacklustre skin.

6. Potli kizhi massage for detoxing

Perfect for purifying your body, this nourishing fix uses warm linen-wrapped pouches (called potli), which are filled with an Ayurvedic formulation of medicinal rice and grains dipped in herb-infused milk or oil to boost skin tone and texture. Team it with a vigorous body scrub or steaming first and a rejuvenating herbal bath afterwards for the ultimate beauty detox.

7. Kansa vataki massage for tired feet

This soothing Ayurveda ritual uses a small bowl made from three different metals to massage marma points on the soles of your feet to rebalance the three doshas. It’s the perfect treat to refresh tired feet, boost circulation and improve pranic energy.

8. Udvartanam massage for body toning

Using a potent paste of herbs, grains and spices such as triphala, this invigorating Aryuveda body rub increases circulation and breaks down fat deposits. Udvartanam is the Sanskrit term meaning ‘to move upwards’, and the massage uses long strokes to boost lymphatic drainage. It’s a great Ayurveda treatment for cellulite and weight loss.

🌿পঞ্চকর্ম কি?আজ একটু পঞ্চকর্ম সম্পর্কে জানাতে চাই কারন সাধারণ মানুষ পুরোপুরি জ্ঞানশুন্য এই বিষয়ে,,,,যদিও লেখাটি বেশ দীর্...
04/09/2023

🌿পঞ্চকর্ম কি?
আজ একটু পঞ্চকর্ম সম্পর্কে জানাতে চাই কারন সাধারণ মানুষ পুরোপুরি জ্ঞানশুন্য এই বিষয়ে,,,,
যদিও লেখাটি বেশ দীর্ঘ তবুও সকলকে পড়ার অনুরোধ করব।
{আর্টিকেল এর সর্বশেষে কোন রোগে কোন কর্ম জরুরি তা বর্ণনা করা হয়েছে}
🌿পঞ্চকর্ম হলো আয়ুর্বেদিক বডি ক্লিনজিং মেথড। আমরা প্রতিনিয়ত যে সকল খাবার গ্রহণ করে থাকি সেগুলোর মেটাবলিক ডিসফাংশন এর কারণে সৃষ্ট টক্সিন সমূহ শরীরের বিভিন্ন স্রোতে, ফ্লুইড চ্যানেলে জমা হয়ে শারীরিক নানা ধরনের জটিল মেটাবলিক ডিজিজ যেমন: ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, আর্থ্রাইটিস সহ অনেক রোগ তৈরি করে থাকে। এ সকল রোগ ব্যবস্থাপনায় আয়ুর্বেদ পাঁচটি কর্মের মাধ্যমে শরীরের টক্সিন সমূহ বের করে শোধনের নির্দেশনা দিয়েছে।

🌿এগুলো হলো,,,,
✪বমন (মেডিকেটেড ভমিটিং)
✪বিরেচন (মেডিকেটেড ডেফিকেশন)
✪বস্তিকর্ম (মেডিকেটেড এনেমা)
👉অনুবাসন বস্তি
👉আস্থাপন বস্তি
✪রক্ত মোক্ষন -
👉 হিজামা থেরাপি
👉 লিচ থেরাপি
👉 ডাইরেক্ট ব্লাড লেটিং
✪নস্য কর্ম

🌿পঞ্চকর্ম কেন করাবেন?
একটি গাড়ি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বছরে একবার তার সমস্ত ইঞ্জিন অংশে সার্ভিসিং এর প্রয়োজন হয়, ইঞ্জিনের বিভিন্ন অংশে নানা ধরনের ময়লা বা জং ধরে সেগুলো পরিষ্কার করতে হয়, যাতে গাড়িটি ভালোভাবে পরবর্তীতে কোন ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করা যায়, তদ্রূপ আমাদের এই দেহেও নানা ধরনের জ্বালানি হিসেবে যে সকল খাদ্য ব্যবহার করি, সেগুলোর মেটাবলিজমের মাধ্যমে সৃষ্ট টক্সিন সমূহ আমাদের শরীরের নানা অংশে জমা হয় এবং নানা ধরনের রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে। দীর্ঘদিন সার্ভিসিং না করালে গাড়ির ইঞ্জিন যেমন একসময় বিকল হয়ে যায়, তেমনি আমাদের দেহকেও টক্সিন ফ্রি করতে না পারলে নানা অরগান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেমনঃ খারাপ কোলেস্ট্রল ও ট্রাই গ্লিসারাইড হার্টের রক্তনালীতে জমতে থাকলে হার্ট ব্লক হতে শুরু করে এবং পরবর্তীতে মৃত্যু ডেকে আনে। তাই দেরি না করে দ্রুত আমাদের আয়ুর্বেদিক ডিটক্সিফিকেশন মেথড পঞ্চকর্ম সেবা গ্রহণ করুন।

🌿পঞ্চকর্ম কে নিতে পারবে?
১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তি পঞ্চকর্ম নিতে পারবে

🌿পঞ্চকর্মের উপকারিতা
1. মেটাবলিক ফায়ার অগ্নি পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে
2. আম (টক্সিন) দূর করে টিস্যু ফাংশন কে শক্তিশালী করে
3. ত্রিদোষের (বায়ু, পিত্ত ও কফ) ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে
4. একটি সুস্থ খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা বজায় রাখতে সাহায্য করে
5. শারীরিক ও মানসিক চাপ কমায়, শরীর রিলাক্স করে ও সহ্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
6. বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করে
7. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

🌿বাত ব্যথা ও আর্থ্রাইটিস নিয়ন্ত্রণে পঞ্চকর্মের ভূমিকা:

বাত ব্যথা ও বিভিন্ন ধরনের আর্থ্রাইটিস এর ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক বস্তিকর্ম খুবই কার্যকরী।
নিম্নে বিভিন্ন ধরনের বস্তির উপকারিতা দেওয়া হলো:

☘️ঊর্ধ্বতন: বডি মেসেজিং পাউডার (হার্বস) এর মাধ্যমে করা হয়। এটা ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।

☘️শিরোধারা: কপালে হালকা গরম মেডিকেটেড অয়েল এর ধারা সরাসরি প্রয়োগ করা হয়।
ব্যবহার: ইহা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ এর জন্য উপকারী। ইহা ঘুমের কোয়ালিটি ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।

☘️শিরো পিচু: মেডিকেটেড অয়েল তুলায় ভিজিয়ে মাথায় লেপ দেওয়া হয়।

☘️শিরো বস্তি:
বিশেষ ধরনের ব্যান্ডের মাধ্যমে মাথায় মেডিকেটেড অয়েল দেওয়া হয়। মাথা ব্যথা, চুল পরা, অকালপক্কতায় উপকারী।

☘️কটি বস্তি
নির্দেশনা: কোমর ব্যথা, লাম্বার স্পন্ডিলাইসিস, কোমরের মাংসপেশীর ব্যথা দূর করে।

☘️গ্রীবা বস্তি:
ঘাড় ব্যথায় উপকারী, সারভাইকাল স্পন্ডিলাইসিস, ঘাড়ের মাংসপেশির সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

☘️জানু বস্তি:
হাঁটুর ব্যথায় উপকারী, সন্ধিবাত, আম বাতে উপকারী। হাঁটুর জয়েন্টের মাসল ও লিগামেন্ট শক্তিশালী করে।

☘️পত্র পোট্টলী স্বেদ:
১. সন্ধিবাত ও সন্ধি জড়তা (স্টিফনেস) এ উপকারী।
২. আমবাত (Rheumatoid Arthritis)

☘️পিন্ড স্বেদ:
১. মাংসপেশির ব্যথা নিরাময়কারী ও সন্ধি স্থলের ব্যথায় উপকারী।
২. মাংসপেশীর সক্ষমতা বর্ধক

☘️বালুকা পোট্টলী স্বেদ:
১. আমবাতে খুবই উপকারী
২. সন্ধি জড়তায় কার্যকরী।

🌿বমন কর্ম যে সকল রোগে প্রদান করা হয়:
১. ক্রনিক অ্যাজমা
২. ডায়াবেটিস
৩. ক্রনিক কফ ও কোল্ড
৪. পুরাতন অগ্নিমান্দ্য
৫. এলার্জি
৬. স্কিন ডিজিজ

🌿বিরেচন কর্ম যে সকল রোগে প্রদান করা হয়:
পুরাতন জ্বর,
ডায়াবেটিস,
পুরাতন চর্মরোগ, যেমন: শ্বেতী ও সোরিয়াসিস স্নায়বিক রোগ যেমন: অর্ধাঙ্গবাত, প্যারালাইসিস,
জয়েন্ট ডিজিজ, কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রাইটিস মাথা ব্যথা, ফাইলেরিয়া, নানা ধরনের স্ত্রীরোগ।

🌿বস্তি কর্ম যে সকল রোগে প্রযোজ্য:
১. ডিজেনারেটিভ ডিজিজ
২. এনকেফালাইজিং
৩. স্পন্ডিওলাইসিস
৪. পুরাতন চর্মরোগ
৫. হাড় ক্ষয়
৬. অস্টিওপোরোসিস
৭. সায়াটিকা
৮. হজমজনিত সমস্যা

🌿নস্যকর্ম যে সকল রোগে প্রয়োগ করতে হয়
১. দৃষ্টিশক্তি বর্ধন
২. চোখ, নাক ও গলার রোগ
৩. স্মৃতিশক্তি বর্ধন করে
৪. বেলস পালসি
৫. মাথাব্যথা
৬. মাইগ্রেন
৭. নেজাল পলিপ
৮. শ্বাসের সমস্যা
৯. চুল পড়া
১০. চুলের অকালপক্কতা

🌿রক্তমোক্ষন (হিজামা থেরাপি) যে সকল রোগে কার্যকর
১. চর্মরোগ, যেমন ব্রন, এলার্জি, সোরিয়াসিস এবং একজিমা
২. পুরাতন ক্ষত
৩. মাথাব্যথা নিরাময়
৪. সায়াটিকা
৫. বাত ব্যথা নিরাময়
৬. ভেরিকোস ভেইন
৭. ফাইলেরিয়া
৮. আর্থ্রাইটিস
------->

ডঃ অমৃত কুমার সরকার
বি,এ,এম,এস (ঢা:বি) এম-ফিল, পি,এইচ,ডি (জা:বি)
প্রভাষক, (সইআমেক)
মিরপুর -13, ঢাকা।

* চোখের সুরক্ষায় সুরমা *মুঃ সাজিদ হোসেন শোভন BAMS (DU). Running student ( batch 32 )ক.এই ডিজিটাল যুগে বিভিন্ন আধুনিক ডিভ...
21/08/2023

* চোখের সুরক্ষায় সুরমা *
মুঃ সাজিদ হোসেন শোভন
BAMS (DU). Running student ( batch 32 )

ক.
এই ডিজিটাল যুগে বিভিন্ন আধুনিক ডিভাইস ব্যাবহার করার কারনে ডিভাইস থেকে বের হওয়া বিভিন্ন ক্ষতিকারক রশ্মি আমাদের চোখের জন্য মারাত্মক ভাবে ক্ষতিকর। হার্ভার্ড এর প্রকাশিত স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য মতে, আমাদের ডিভাইস গুলোতে ব্যবহৃত এলইডি লাইটে ব্লু লাইট বা নীল আলো থাকে। এটি আমাদের চোখের জন্য ক্ষতিকর এবং আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও চোখের নানান অসুখের জন্য দায়ি এই সূর্যরশ্মির অতি ঔজ্জ্বল্য ও UV- রশ্মি। সুরমার ‘কালো’ ‘চকচকে’ দানা সূর্যরশ্মির তীব্রতা ও ঔজ্জ্বল্য থেকে চোখকে রক্ষা করে। কিছু নেয় শুষে, কিছু দেয় প্রতিফলিত করে। একাধিক ধারাবাহিক রিসার্চে এসেছে, সুরমার ভিতরে থাকা লেড সালফাইডের পাতলা স্তর সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিকে উচ্চমাত্রায় শোষণ করে এবং নিম্ন মাত্রায় পরিবহন করে। American Academy of Ophthalmology জানাচ্ছে, দীর্ঘসময় প্রচণ্ড রোদে সুরক্ষা ছাড়া যারা কাজ করে তারা এসব অসুখের ঝুঁকিতে রয়েছে।”
* চোখের ক্যান্সার
* ছোখের ছানি
* চোখে মাংস বৃদ্ধি (pterygium): কৃষক-জেলে যারা দুপুর রোদে কাজ করেন।
* Snow blindness: তাৎক্ষণিক অন্ধত্ব যা বরফ, বালি, পানির ওপর সূর্যের আলো প্রতিফলনের দরুন হয়ে থাকে।

সুরমা হিসেবে লেড সালফাইডের পাতলা স্তর মরুভূমির তীব্র আভা থেকে এবং ক্ষতিকর অতিবেগুণী রশ্মি (UV) থেকে সুরক্ষা দিয়ে এসেছে হাজার বছর ধরে।ওপরের সূর্যালোক থেকে বড় পাগড়ি, আর নিচের প্রতিফলিত আভা থেকে সুরমা। আর UV রশ্মি তো মেঘও ভেদ করে চলে আসে, হ্যাট দিয়েও ঠেকানো যায় না।সরাসরি রশ্মি দরকার নেই, আলোর সাথেই থাকে । আজ জানলাম সূর্যরশ্মি শোষণ ও UV-রশ্মি শোষণের জন্য সুরমার ভূমিকা।

খ.
সুরমা প্রয়োগে চোখে নাইট্রিক অক্সাইড বাড়িয়ে দেয়।
সুরমা প্রয়োগে চোখের অসুখে গ্যালেনা ব্যাবহারের মেকানিজন হলো -
১ চোখের ইনফেকশনে NO বাড়িয়ে জীবাণু - বিধ্বংসী ভূমিকা
২ গ্লুকোমা নামে চোখের এক অসুখ আছে, যাতে চোখের ভেতরে তরলের প্রেসার যায় বেড়ে। ফলে প্রচন্ড চোখ ব্যাথা হয়, চিকিৎসা না নিলে অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে। NO বাড়ানোর কেমিক্যাল (NO-donors: nitroglycerine, isosorbide dinitrate) প্রয়োগ করে দেখা গেছে, NO বাড়িয়ে দিলে চোখের প্রেসার কমে যায়।

গ.
হাদিসের আলোকে সুরমা।

ইবনু আব্বাস (রদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, ‘নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা ইছমিদ বা সুরমা ব্যবহার করো।কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে ও পরিষ্কার রাখে এবং অধিক পাপড়ি (eye-lash) উৎপন্ন করে।” ইবনু আব্বাস (রদিয়াল্লাহু আনহুমা) আরও বলেন, ‘নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি সুরমাদানী ছিল। প্রত্যেক রাত্রে (ঘুমানোর পূর্বে) ডান চোখে তিনবার
এবং বাম চোখে তিনবার সুরমা লাগাতেন।' তিরমিযি, আশ-শামাইল, ৪১, ৪২, ৪৩; বাইহাকি, আস-সুনানুল কুবরা, ৮৫১৬।
নবিজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীসটা আবার দেখুন। ৩টি কারণ বলেছেন, সুরমা ব্যবহারের উপকারিতা হিসেবে—
১. চোখের দৃষ্টিক্ষমতা বাড়বে। মরুদেশের সূর্যরশ্মি ও UV-রশ্মি থেকে সুরক্ষার মাধ্যমে।
২. চোখ পরিষ্কার থাকবে। NO-এর জীবাণুরোধী ভূমিকা দ্বারা।
৩. চোখের পাপড়ি বাড়বে।
দেহের সমস্ত চুল তৈরি করে Keratinocyte নামক কোষ৷ কোষগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় যায়, চ্যাপ্টা হয়, মারা যায়। এভাবে গোড়ার দিক থেকে লেয়ারে লেয়ারে কেরাটিন জমে জমে চুল-লোম তৈরি হয়। আমরা জানি NO রক্তনালী প্রশস্ত করে দেয়। এর সিগন্যালে চুলের গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়ে, চুলের সংখ্যা বাড়ে, দৈর্ঘ্য বাড়ে। NO-এর আধিক্য এই Keratinocyte কোষগুলোর ব্যাপক সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটায়, দ্রুত কোষ বিভাজন হয়, চুলদ্রুত বাড়ে।

আসল সুরমা :
আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের গুড়া জিনিস সুরমা নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। এমনকি তুড় পাহাড়ের লাল মাটিকে সুরমা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। আসলে এসব সুরমা না।
সুরমার বিষয়ে কোনো কোনো লোককে বলতে শোনা যায় যে, মুসা (আ.) যখন তুর পাহাড়ে আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখতে চেয়েছিলেন, তখন আল্লাহর তাজাল্লিতে পাহাড় ভস্ম হয়ে গিয়েছিল। সেই ভস্মীভূত পাহাড় থেকেই সুরমার উৎপত্তি ও ব্যবহার। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এর সাথে তুর পাহাড়ের কোনো সম্পর্ক নেই। মুসা (আ.) এর আল্লাহকে দেখার ইচ্ছা ও তুর পাহাড়ের মূল ঘটনাটি সত্য। কোরআন মাজিদের সূরা আরাফের পূর্ণ বিবরণ রয়েছে। কিন্তু কোথাও এই ঘটনার সাথে সুরমাকে জড়িয়ে দেয়ার কথাটি উল্লেখ নেই। অতএব এই ধরনের কথা পরিহার করা জরুরি। সুরমা হলো একপ্রকার খনিজ পদার্থ। কালো সুরমা (Black Kohl) একটি পাথর বিশেষ। এটি আসফাহান অঞ্চল থেকে আনা হয়। এটি সবচেয়ে উত্তম। পশ্চিমাঞ্চলের দেশগুলো থেকেও এটা আনা হয়। উন্নত পর্যায়ের সুরমা পাথর হচ্ছে, যা খুব দ্রুত ভেঙে যায় এবং তার টুকরোগুলোতে একপ্রকার উজ্জ্বলতা থাকে। আর তার ভেতরের অংশ তৈলাক্তহয় এবং তাতে কোনো ধুলাবালি থাকে না। ইসমিদ স্বভাবে ঠাণ্ডা এবং শীতল। এটি দেখতে কালচা ধূসর।

তথ্য সংগ্রহঃ
১. বই ( কাঠগড়া ) লেখক ডা. শামসুল আরেফীন
২ বই ( আত-তিব্বুন নববি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) লেখক ইবনু কাইয়্যিম জাওযিয়্যাহ রহঃ
৩ ইন্টারনেট

17/08/2023

আমরা সবাই ফাস্টিং বা উপবাস শব্দটির সাথে পরিচিত।সাধারণ অর্থে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খাবার পরিহার করাকে ফাস্টিং বলে। আমরা রমজান মাসে দীর্ঘ একমাস ফস্টিং করি বা রোজা রাখি। তবে এছাড়াও ফাস্টিং এর আরো অনেক মেথড আছে।

১. ড্রাই ফাস্টিং (সাধারণত রমজান মাসে আমরা যেভাবে ফাস্টিং করি তা হচ্ছে ড্রাই ফাস্টিং)
২. ওয়াটার ফাস্টিং (নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানি ছাড়া অন্য কোন কিছু পান করা হা খাওয়া থেকে বিরত থাকা কে ওয়াটার ফাস্টিং বলা হয়ে থাকে)
৩. জুস ফাস্টিং (ওয়াটার ফাস্টিং এবং জুস ফাস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে জুস ফাস্টিং এ আপনি কেবল পানি এই না অন্যান্য ফলের জুস ও পান করতে পারবেন।
৪. ফ্রুট ফাস্টিং (নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কেবল ফল ছাড়া অন্য সবকিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকা হচ্ছে ফ্রুট ফাস্টিং)
৫. মনোডায়েট ফাস্টিং (মনো শব্দের অর্থ হচ্ছে একক, কেবল একধরনের খাবার একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গ্রহণ করা হচ্ছে মনোডায়েট ফাস্টিং)

সুস্থতা বজায় রাখার জন্য জুস ফাস্টিং সবচেয়ে উত্তম বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট ডেডলাইন সেট করে জুস ফাস্টিং শুরু করতে পারেন তবে অবশ্যই ফাস্টিং করার পুর্বে বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনা করে নিবেন।
মনে রাখবেন জুস ফাস্টিং এ কেন্ড জুস এবং ফ্রোজেন জুইস পান করা যাবে না, কেবল ফ্রেস জুস পান করতে হবে।

ধর্মীয় বিচার বিবেচনায় আপনার যখন যেরকম ফাস্টিং করা প্রয়োজন তা করতে হবে। তাছাড়া সুস্থতার জন্য এবং পরিপাকতন্ত্রের বিশ্রামের জন্য প্রতিসপ্তাহে অন্তত একদিন আমাদের ফাস্টিং করা উচিত।

ফাস্টিং বেশ কিছু উপকার রয়েছে,

১.ফাস্টিং করাকালীন সময়ে আমাদের শরীরে জমে থাকা বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ এবং টক্সিন শরীর থেকে বের হয়ে যায় অথবা বিনষ্ট হয়ে যায়।
২. কিডনি এবং পরিপাকতন্ত্র পরিষ্কারের করে।
৩. রক্তে গ্লুকোজের পরিমান কম রাখে ফলে ডায়বেটিস এবং ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৪. এন্টিএজিং অর্থাৎ আপনার বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে।

Merajul Islam Naim
BAMS (3rd Prof)
Institute of Teaching and Research in Ayurveda, Jamnagar, Gujarat

15/08/2023

হার্বালিজম এবং আয়ুর্বেদ

হার্বাল মেডিসিন এবং আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এর মধ্যে বেশ বড়সড় একটা পার্থক্য রয়েছে যা বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের অজ্ঞাত। আমার নিজেকেও অনেক সময় শুনতে হয়েছে যে “আচ্ছা তুমি তাইলে হার্বাল নিয়া পড়তেছো”। আয়ুর্বেদে হার্বাল মেডিসিনের ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও এর বিশাল একটা অংশ মেটাল, মিনারেল, কোরাল এবং এনিম্যাল প্রোডাক্ট বেইজড। হার্বাল মেডিসিন খুব-ই ইফেক্টিভ এবং এর বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। তবে এর অনুপযুক্ত প্রচার এবং অনভিজ্ঞ হার্বালিস্ট এর ত্রুটিপুর্ণ প্রেসক্রিপশনের কারনে মানুষের মধ্যে ভুল ধারনার জন্ম নিয়েছে। আশা করি এর অনুপযুক্ত প্রচার সম্পর্কে সবার ধারনা আছে। নিচে কমেন্ট করে জানাবেন কিভাবে হার্বালিজমের অনুপযুক্ত প্রচার হচ্ছে।
হার্বালিজম কি? হার্বালিজম হচ্ছে এক ধরনের মেডিসিন সিস্টেম স্পেসিফিক্যালি অল্টার্নেটিভ মেডিসিন সিস্টেম যেখানে বিভিন্ন প্লান্ট (উদ্ভিদ) এবং প্লান্ট এক্সট্রাক্ট (উদ্ভিদ নির্যাস) থেকে মেডিসিন কিংবা কসমেটিক্স বানানো হয়।
আয়ুর্বেদে দুই ধরনের মেডিসিন রয়েছে রসৌষধি এবং কষ্টৌষধি। কষ্টৌষদিকে হার্বালিজম এর সাথে তুলনা করতে পারেন, কেননা এখানে বিভিন্ন প্লান্ট এবং প্লান্ট এক্সট্রাক্ট থেকে মেডিসিন বানানো হয়ে থাকে। আপরদিকে রসৌষধি প্রেপারেশনে বিভিন্ন মেটাল, মিনারেল, কোরাল এবং এনিম্যাল প্রোডাক্ট ও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। রসৌষধি আয়ুর্বেদের যে ব্রাঞ্চে আলোচনা করা হয়ে থাকে তাকে রসশাস্ত্র বলে। এই আর্টিকেলে আমি রসশাস্ত্রের দিকে একটু বেশি ফোকাস করবো।
রসশাস্ত্র আয়ুর্বেদের বেশ বড় একটি শাখা। যেখানে সকল ধরনের রসৌষধি প্রস্তুতকরণ, ব্যাবহার, ডোজ ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ননা করা হয়। রাসৌষধি হচ্ছে হার্বাল, মেটাল, মিনারেল এর সংমিশ্রণ কিংবা কেবল মেটাল এবং/অথবা মিনারেল এর মাধ্যমে যে মেডিসিন গুলো বানানো হয়। পারদ, স্বর্ণ, রুপা, তামা, লোহা, টিন, গন্ধক আরো অনেক মেটাল এবং মিনারেল রয়েছে যেগুলো শোধন করে মেডিসিন প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাছাড়া এদের ভষ্মের ব্যবহার-ও আয়ুর্বেদে অনেক। বেশ কমন কিছু রসৌষধি হচ্ছে, সপ্তামৃত লৌহ, গন্ধক মলহর, আরোগ্যবর্ধনি বটি, গন্ধক/টংকন/আভ্রক ভষ্ম, সুতশেখর রস ইত্যাদি। এই মেডিসিন গুলোর ব্যবহার প্রচুর। বিশেষ করে ক্রনিক রোগের ক্ষেত্রে রাসৌষধির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
চলুন কিছু উদাহরণ দেখে নেই, আয়ুর্বেদে বহুল ব্যবহৃত ত্রিফলা চুর্ণ, ত্রিফলা ক্বাথ এইগুলোকে আপনি হার্বাল মেডিসিন-ও বলতে পারেন। আর-ও কিছু বহুল ব্যাবহৃত মেডিসিন যেমন আরোগ্য বর্ধনি বটি, শিলাজিত, গন্ধকমলহর, এই মেডিসিন গুলো আয়ুর্বেদিক মেডিসিন হলেও হার্বাল মেডিসিন নয়। তাই সব হার্বাল মেডিসিন আপনি আয়ুর্বেদায় পাবেন তবে সব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন হার্বাল মেডিসিন নয়।

মেরাজুল ইসলাম নাইম
বিএএমএস (থার্ড প্রোফ)
ইন্সটিটিউট অফ টিচিং এন্ড রিসার্চ ইন আয়ুর্বেদ, জামনগর, গুজরাত।

09/08/2023

ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেম (কুসংস্কার এবং বাস্তবতা)

আমাদের সমাজে কমপক্ষে ৯৫ শতাংশের ও বেশি মানুষের ট্রেডিশনাল মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তর ধারনা নেই বললেই চলে। তাই অনেকে ভেবে থাকেন ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেম স্বল্প পরিসরে এবং অল্পকিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা দিয়ে থাকে, অনেকে তো ভাবেন কেবল যৌনরোগ এবং কিছু কিছু চর্মরোগ ছাড়া ট্রেডিশনাল মেডিসিনের অন্যকোন ভুমিকা নেই!!
এর অবশ্য কিছু কারন ও রয়েছে, মডার্ন কন্টেম্প্রোরারি মেডিসিনের তুলনায় বাংলাদেশে ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেমের এডভার্টাইজিং (পজিটিভ) এবং মার্কেটিং নেই বললেই চলে। গুগল এর মাধ্যমে বিভিন্ন অল্টারনেটিভ/ট্রেডিশনাল মেডিসিন সম্পর্কে জানার জন্য কি ধরনের কি ওয়ার্ড সার্চ করতে হবে তাও বেশির ভাগ মানুষের জানা নেই, যদিও কয়েকজন সার্চ করে থাকেন পর্যাপ্ত পরিমান ইনফরমেশন না থাকায় ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলেন ।
যেকোন ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেম হতে পারে আয়ুর্বেদ, ইউনানি, হোমিওপ্যাথি(অল্টারনেটিভ), সিদ্ধা, ন্যাচারোপ্যাথি, টিসিএম কিংবা প্রোফেটিক মেডিসিন প্রত্যেকটির বিস্তৃতি কত বিশাল তা কেবল তারাই জানেন, যারা এই সিস্টেমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এবং যাদের এই সিস্টেমের প্রতি পর্যাপ্ত পরিমান ইন্টারেস্ট আছে। একজন আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এর স্টুডেন্ট হিসেবে আয়ুর্বেদার বিস্তৃতি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ননা করার চেষ্টা করবো।
যেকোন ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেমে ব্যাসিক নলেজ (ব্যাচেলর লেভেল) অর্জন করতে হলে দেশ এবং কারিকুলাম ভেদে মিনিমাম ৫-৬ বছরের প্রয়োজন হয়, পরবর্তিতে এমডি এবং পিএইচডি করতে আরো ৭-১০ বছরের প্রয়োজন পরে। অর্থাৎ ডক্টরেট লেভেল পর্যন্ত যেতে কমপক্ষে ১২-১৬ বছর লেখাপড়া করতে হয়। এখানেই কোন একটি ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেমের বিস্তৃতি সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। চলুন আরেকটু গভিরে যাওয়া যাক;

ট্রেডিশনাল মেডিসিন সিস্টেমের বিস্তৃতি কতটুকু, আয়ুর্বেদ পার্সপেকটিব এ এর উত্তর টা জেনে নেওয়া যাকঃ

আয়ুর্বেদায় মোট ৮ টি ব্রাঞ্চ রয়েছে, যাকে অষ্টাঙ্গ আয়ুর্বেদ বলে।

১. কায়া চিকিৎসা
২. বালা চিকিৎসা
৩. গ্রহ চিকিৎসা
৪. উর্ধ্বাঙ্গ চিকিৎসা
৫. শল্য চিকিৎসা
৬. দামস্ত্রা চিকিৎসা
৭. জারা চিকিৎসা
৮. বৃষ্যা চিকিৎসা

কায়া চিকিৎসাঃ কায়া শব্দের অর্থ হচ্ছে শরীর। কায়া চিকিৎসকরা শরিরের নর্মাল ফাংশনিং (ফিজিওলজি) ঠিক রাখার জন্য মেডিসিন এবং আহার, বিহার প্রেসক্রাইভ করে থাকেন। মডার্ন কন্টেমপ্ররারি বা এলোপ্যথি মেডিসিনে আমরা যাদের মেডিসিন স্পেশালিস্ট বলে থাকি, আয়োর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতিতে তাদের কায়া চিকিৎসক বলে।
বালা চিকিৎসাঃ শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস, এমডি এরকম সাইনবোর্ড প্রায়-ই দেখে থাকবেন। কখনো কি বালারোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা কৌমারভৃত্ব বিশেষজ্ঞ এমন কিছু দেখেছেন? কমন এন্সার, না। কেননা বাংলাদেশে আদৌ এমডি ইন বালারোগ/কৌমারভৃত্ব আছেন কিনা সন্দেহ। কেননা দেশে এমডি ইন আয়ুর্বেদা এর সুযোগ এখন পর্যন্ত নেই। ভারতে অনেকে জায়গায়-ই এরকম সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন, বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে। আমাদের ভার্সিটিতেও কৌমারভৃত্ব ডিপা্র্টমেন্টে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন এমডি এবং পিএইচডি স্কলার্স পড়ালেখা করছেন। আশা করি আয়ুর্বেদায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের অবদান কতটুকো তা সম্পর্কে আইডিয়া দিতে পেরেছি।
গ্রহ চিকিৎসাঃ সাইকোলজি, মাইক্রোবায়োলজি এবং এস্ট্রোলজি এর সমন্বয় হচ্ছে গ্রহচিকিৎসা। কাউন্সিলিং এবং জ্যোতিষশাস্ত্র সম্পর্কিত জ্ঞানের বিস্তর ভান্ডার হচ্ছে গ্রহ চিকিৎসা। এই ব্রাঞ্চের আন্ডারে এমডি ইন মনোবিজ্ঞান এবং মানসরোগ (সাইকোলজি) বেশ কয়েকটি ভার্সিটিতে পড়ানো হয়।
উর্ধ্বাঙ্গ চিকিৎসাঃ উর্ধ্বাঙ্গ শব্দের অর্থ আমরা সবাই জানি, উর্ধ্ব+অঙ্গ যা দ্বারা নাক, কান, গলা, জিহবা, মাথা(মস্তিষ্ক) এবং চোখ (ক্লাভিকল এর উপরে যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রয়েছে সব)। নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের অহরহ এডভার্টাইজিং দেখা যায় বাংলাদেশে তবে সব-ই এলোপ্যাথি। আয়োর্বেদা তে-ও এই ব্রাঞ্চটি রয়েছে এবং বেশ কার্যকরি চিকিৎসা দিয়ে থাকে।
শল্য চিকিৎসাঃ আপনার হাতের মোবাইলে যদি ইংলিশ টু বাংলা ডিকশনারি থেকে থাকে তাহলে সার্জারি (surgery) এর বাংলা অর্থটা দেখে নিন। কি, উত্তর শল্য চিকিৎসা আসছে তাই না? আমরা আসলে সার্জারি শব্দটা শুনতে শুনতে এতোটাই অভ্যস্ত হয়েছি যে এর বাংলা মিনিং ও অনেকে জানি না। মডার্ন মেডিসিনের টার্মেনোলজি গুলো যেমন ইংলিশ, ল্যাটিন এবং অন্যান্য ভাষায় তেমনি আয়োর্বেদার টার্ম গুলো সংস্কৃত ভাষায় তাই টার্মগত ভিন্নতার কারনেও অনেকের এই মেডিসিন সিস্টেম সম্পর্কে ধারনা নেই। আমাদের মেডিকেলে প্রতিদিন মেজর এবং মাইনর অপারেশন থিয়েটার (ও টি) মিলিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫-২০ টি সার্জারি হয়ে থাকে। অথচ অনেকে মনে করেন ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন সিস্টেমে সার্জারির কনসেপট নেই। আরেকটি মজার বিষয় শেয়ার করি, আপনার হাতের ফোনে ক্রম কিংবা অন্য কোন ব্রাউজার অথবা এ আই যেমন চ্যাট জিপিটি যেকোন একটিতে সার্চবারে “Who is the father of surgery” লিখে সার্চ করুন। “সুশ্রুত” নামটি চলে এসেছে তাই না। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আচার্য সুশ্রুত হচ্ছেন সার্জারি বিশেষজ্ঞ। আর উনার তৈরি করা ইন্সট্রুমেন্ট মডেল গুলো মডার্ণ সার্জারিতেও ব্যাবহার হচ্ছে। আয়োর্বেদিক সার্জন হতে হলে ব্যাচলরের পর ৩ বছরের এমএস (মাস্টার্স ইন সার্জারি) করতে হয়।
দামস্ত্রা চিকিৎসাঃ যাকে আগদতন্ত্র বা বিষ চিকিৎসা ও বলা হয়ে থাকে। আরেকবার কষ্ট করে আপনার মোবাইল ফোনে ডিকশনারি তে “Toxicology” এর বাংলা অর্থটা সার্চ করুন, কি, বিষ বিদ্যা এবং আগদতন্ত্র চলে এসেছে তাই না? হ্যা, টক্সিকলজি এর ডিপার্টমেন্ট আয়ুর্বেদেও আছে তবে তা আগদতন্ত্র/দামস্ত্রা চিকিতসা/বিষ বিদ্যা নামে। ভ্যাক্সিনেসন রেবিলিউশন এর যুগে আগদতন্ত্র অনেকটাই কম প্র্যাকটিস হওয়ায় এই ব্রাঞ্চটি আরোও পেছনে পড়ে যাচ্ছে, তবে এখনো ভারতে অনেক ইউনিভার্সিটি তে পিএইচডি লেভেলেও আগদতন্ত্র পড়াশোনা এবং গবেশনা চলছে।
জারা চিকিৎসাঃ বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা সংক্রান্ত বিভাগ কে জারা চিকিৎসা বিভাগ বলে। শিশু রোগ বিভাগটা অনেক বেশি হাইলাইটেড এবং এভেইলেবল হলেও বৃদ্ধ স্বাস্থ্য বিভাগটি বিরল। জারা চিকিৎসার ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে “Geriatrics” হয়ত দুইচারজন ব্যাক্তি ইংরেজি প্রতিশব্দটা শুনে থাকবেন। জারা চিকিৎসায় খুব অল্প সংখ্যক স্পেশালিষ্ট থাকায় কায়া চিকিৎসা কিংবা স্বাস্থবৃত্ত্ব ডিপার্টমেন্টে বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা হয়।
বৃষ্যা চিকিৎসাঃ যারা ভাবতেন আয়ুর্বেদ মানে কেবল যৌন এবং চর্ম চিকিৎসা তারা হয়তো ভাবছেন , “তবে কি আয়ুর্বেদে যৌন চিকিৎসা নেই, এতো এতো ভাষন দিয়ে দিল এখনো এই টপিক টা আসে নি। আয়ুর্বেদে বাকি সব চিকিৎসার মত যৌন চিকিৎসায় ও বেশ সুনাম রয়েছে। আর বিশেষ করে ভারতে ইনফার্টিলিটি , প্রসুতি বিজ্ঞান, স্ত্রী রোগ এইসবের ক্ষেত্রে বর্তমানে আয়ুর্বেদ বেশ নাম কামাচ্ছে এবং মানুষজন ও এইসব রোগের জন্য আয়ুর্বেদ কিংবা অন্যান্য ট্রেডিশনাল মেডিসিনের দিকে বেশি ঝুকছে। তাছাড়া “স্ত্রী রোগ এবং প্রসূতি তন্ত্র” ডিপার্টমেন্ট টি যদিও বৃষ্যা চিকিৎসার একটি উপবিভাগ তবে এরজন্য ও এমডি এবং পিএইচডি ডিগ্রী মোটামোটি সব আয়ুর্বেদিক ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে।

এই হচ্ছে আয়ুর্বেদা এর ৮ টি ব্রাঞ্চের ব্যাসিক ধারনা। তাছাড়াও এইসব ব্রাঞ্চের আরো অনেক উপব্রাঞ্চ রয়েছে যেগুলোতে মাস্টার্স এবং পিএইচডি পরিসরে পড়াশোনা হয়ে থাকে সেগুলো হচ্ছে পঞ্চকর্মা (বেশ বিখ্যাত), ব্যাসিক প্রিন্সিপাল, সামহিতা, স্বাস্থ্যবৃত্ত্ব, রোগনিদান (প্যাথলজি), রচনা শরীর (এনাটমি), ক্রিয়া শরীর (ফিজিওলজি) ইত্যাদি।

মেরাজুল ইসলাম নাইম
ব্যাচেলর অফ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি (থার্ড প্রোফঃ)
ইন্সটিটিউট অফ টিচিং এন্ড রিসার্চ ইন আয়ুর্বেদ, জামনগর, গুজরাত, ইন্ডিয়া।

28/05/2023

🌿🌿 পঞ্চকর্ম চিকিৎসা 🌿🌿

🌿 পঞ্চকর্ম থেরাপি বা চিকিৎসা হল শরীরের সম্পূর্ণ ডিটক্সিফিকেশন এবং শুদ্ধকরণের জন্য চূড়ান্ত নিরাময় পদ্ধতি। পঞ্চকর্ম চিকিৎসায় বিভিন্ন প্রক্রিয়া জড়িত যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে, ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে এবং শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করে। শরীর থেকে সমস্ত অনিয়ম এবং অপদ্রব্য দূরে রাখতে ঋতুভিত্তিক পঞ্চকর্ম পদ্ধতির সুপারিশ করা হয়। এটি এমন একটি পদ্ধতি যা গভীর স্তর থেকে সমস্ত জমে থাকা টক্সিন এবং অপদ্রব্য অপসারণ করে শরীরকে পরিষ্কার করে এবং সমস্ত দোষের ভারসাম্য ও সাদৃশ্য নিয়ে আসে।

🌿 পঞ্চকর্ম চিকিৎসা পাঁচটি প্রক্রিয়ার সমন্বয়ে গঠিত। এই প্রক্রিয়া গুলির মধ্যে রোগের প্রতিরোধমূলক, নিরাময়মূলক এবং প্রচার মূলক কর্ম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্পূর্ণ শরীর পরিষ্কার করার প্রধান পাঁচটি কর্ম হল -
🟢 1) বমন ( Vamana / Therapeutic Emesis )
🟢 2) বিরেচন ( Virechana / Purgation Therapy )
🟢 3) নস্যম ( Nasya / Errhine Therapy )
🟢 4) ভাস্তি ( Vasti / Therapeutic E***a )
🟢 5) রক্তমোক্ষন ( Raktamokshana / Blood-letting )

🌿 পঞ্চকর্ম থেরাপি বা চিকিৎসার সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ এবং উপযোগিতা :

👉 বমন / Vamana -
• দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি ( Chronic asthma )
• ডায়াবেটিস ( Diabetes )
• দীর্ঘস্থায়ী কাশি এবং সর্দি ( Chronic cough & cold )
• দীর্ঘস্থায়ী বদহজম ( Chronic indigestion )
• এলার্জি ( Allergies )
• ত্বকের রোগসমূহ ( Skin diseases )

👉 বিরেচন / Virechana -
• দীর্ঘস্থায়ী জ্বর ( Chronic Fever )
• ডায়াবেটিস ( Diabetes )
• ত্বকের ব্যাধি যেমন ভিটিলিগো এবং সোরিয়াসিস ( Skin disorders such as Vitiligo and Psoriasis )
• স্নায়বিক রোগ যেমন প্যারাপ্লেজিয়া, হেমিপ্লেজিয়া এবং পক্ষাঘাত ( Neurological diseases like Paraplegia, Hemiplegia, and paralysis )
• জয়েন্ট ব্যাধি ( Joint disorders )
• হজমের ব্যাধি যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হাইপার অ্যাসিডিটি ( Digestive disorders like constipation and hyperacidity )
• মাথাব্যথা ( Headaches )
• এলিফ্যান্টিয়াসিস ( Elephantiasis )
• স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত ব্যাধি ( Gynecological disorders )

👉 ভাস্তি / Vasti -
• ডিজেনারেটিভ রোগ ( Degenerative diseases )
• অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস ( Ankylosing spondylitis )
• লাম্বার স্পন্ডিলাইটিস ( Lumbar spondylitis )
• ত্বকের রোগসমূহ ( Skin diseases )
• অস্টিওপোরোসিস ( Osteoporosis )
• সায়াটিকা ( Sciatica )
• হজমের রোগ ( Digestive diseases )

👉 নস্যম / Nasyam -
• দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে ( To improve eyesight )
• কান, নাক, গলার রোগ ( Ear, Nose, and Throat diseases )
• স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে ( To improve memory )
• Trigeminal ফিক্ ( Trigeminal neuralgia )
• বেলের পক্ষাঘাত ( Bell's palsy )
• মাথাব্যথা ( Headache )
• মাইগ্রেন ( Migraine )
• অনুনাসিক পলিপ ( Nasal polyps )
• শ্বাসকষ্ট ( Breathing problems )
• চুল পড়া ( Hair falling )
• অকালে চুল পাকা হয়ে যাওয়া ( Premature hair-greying )

👉 রক্তমোক্ষন / Raktamokshana -
• ত্বকের রোগ যেমন ব্রণ, ছত্রাক, সোরিয়াসিস এবং একজিমা ( Skin Diseases like acne, urticaria, psoriasis, and eczemav)
• অনিরাময় ক্ষত ( Non-healing wounds )
• ব্যাথা ব্যবস্থাপনা ( Pain management )
• সায়াটিকা ( Sciatica )
• এলিফ্যান্টিয়াসিস ( Elephantiasis )
• ভ্যারিকোজ শিরা ( Varicose veins )
• আর্থ্রাইটিস ( Arthritis)
---++>
কালেক্টেড -

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bachelor Of Ayurvedic Medicine & Surgery - BAMS, GuamcH, Mirpur-13, Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share