ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন

  • Home
  • Bangladesh
  • Gazipur
  • ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন

ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন, Doctor, Anowar Hospital and diagnostic center, Gazipur.

নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ভিডিও কলে রোগী দেখা হয় what's app number - 01819968025

03/05/2026

আমরা অনেকেই দাঁত বা মাড়ির সমস্যার দিকে নজর দিলেও মুখগহ্বর এবং এর আশেপাশে থাকা লালাগ্রন্থি (Salivary Gland) নিয়ে খুব একটা ভাবি না। অথচ এখানেও টিউমার হতে পারে!

​🔍 লালাগ্রন্থির টিউমার কী?
​আমাদের মুখে লালা তৈরির জন্য তিন জোড়া প্রধান গ্রন্থি এবং অসংখ্য ছোট ছোট গ্রন্থি থাকে। যখন এই গ্রন্থিগুলোর কোষ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে লালাগ্রন্থির টিউমার বলা হয়।

​⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ:
​কানের নিচে, চোয়ালের পাশে বা মুখের ভেতরে কোনো ফোলা ভাব বা চাকা।
​সাধারণত এই চাকাগুলোতে ব্যথা থাকে না, তবে ধীরে ধীরে বড় হতে পারে।
​মুখ বা গলার কোনো অংশ হঠাৎ অবশ হয়ে যাওয়া।
​মুখ হা করতে বা খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া।

​মুখের একপাশের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া।

​💡 কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
​সব টিউমারই ক্যান্সার নয়: লালাগ্রন্থির প্রায় ৭০-৮০% টিউমারই বিনাইন বা ক্ষতিকর নয়। তবে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে তা জটিল হতে পারে।
​দ্রুত শনাক্তকরণ জরুরি: সময়মতো ধরা পড়লে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এটি পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব।

​🚫 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
​যদি আপনার কানে নিচে বা চোয়ালের আশেপাশে কোনো নতুন শক্ত চাকা অনুভব করেন যা ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেও কমছে না, তবে দেরি না করে একজন নাক-কান-গলা (ENT) বিশেষজ্ঞ বা ওরাল সার্জন দেখান।
​মনে রাখবেন: সচেতনতাই প্রতিকারের প্রথম ধাপ। আপনার ছোট একটি অবহেলা ভবিষ্যতে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

​✅ পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদের সচেতন করুন।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।

17/04/2026

হঠাৎ কানে কম শুনছেন? অবহেলা নয়, দ্রুত ব্যবস্থা নিন! 👂🆘

​অনেকেরই এমন হয় যে, হঠাৎ করে এক কানে বা উভয় কানে শোনার ক্ষমতা কমে যায় অথবা একদম শুনতে পান না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে 'Sudden Sensorineural Hearing Loss' বলা হয়। এটি কোনো সাধারণ সমস্যা নয়, বরং একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি।

​কেন এমন হয়?
১.​হঠাৎ ভাইরাল ইনফেকশন।
২.​কানের পর্দায় আঘাত বা পর্দা ফেটে যাওয়া।
৩. ​উচ্চ শব্দ বা শব্দ দূষণ।
৪. ​রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত।

​হঠাৎ শুনতে না পেলে আপনার করণীয়:
১. আতঙ্কিত হবেন না: প্রথমেই শান্ত থাকুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন সমস্যাটি এক কানে নাকি দুই কানে।
২. ঘরোয়া টোটকা পরিহার করুন: কানে তেল, গরম পানি বা কাঠি দিয়ে খোঁচানো থেকে বিরত থাকুন। এতে ইনফেকশন বা পর্দা ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৩. দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একজন নাক-কান-গলা (ENT) বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করবেন, শ্রবণশক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।
৪. অডিওমেট্রি পরীক্ষা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কানের শ্রবণশক্তির পরীক্ষা বা অডিওমেট্রি করিয়ে নিন।

আধুনিক চিকিৎসায় যা যা থাকছে:

চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে এখন এই সমস্যার অত্যন্ত কার্যকর কিছু সমাধান রয়েছে:

​১. স্টেরয়েড থেরাপি (Steroid Therapy): এটি এই সমস্যার প্রধান চিকিৎসা। সঠিক সময়ে (সাধারণত ২ সপ্তাহের মধ্যে) মুখে খাওয়ার স্টেরয়েড বা কানের পর্দার ভেতরে সরাসরি ইনজেকশনের মাধ্যমে (Intratympanic Injection) স্টেরয়েড প্রয়োগ করলে শ্রবণশক্তি ফিরে আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
​২. পিআরপি থেরাপি (PRP Therapy): যাদের সাধারণ ওষুধে কাজ হচ্ছে না, তাদের জন্য Platelet-Rich Plasma (PRP) থেরাপি একটি আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি। রোগীর নিজের রক্ত থেকে প্লাজমা নিয়ে কানের মধ্যবর্তী অংশে প্রয়োগ করা হয়, যা ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ু ও কোষ পুনর্গঠনে সহায়তা করে। এটি একটি নিরাপদ এবং ন্যূনতম আক্রমণাত্মক (Minimally Invasive) পদ্ধতি।
​৩. মাল্টি-ভিটামিন ও ভ্যাসোডাইলেটর: কানের ভেতরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ দিয়ে থাকেন।
​কেন দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন? প্রথম ৭২ ঘণ্টা হলো ‘গোল্ডেন টাইম’। আপনি যত দেরি করবেন, কানের ভেতরের স্নায়ুগুলো তত স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

​আমাদের পরামর্শ: কানে কম শোনার বিষয়টিকে 'ঠান্ডা লেগেছে' বা 'পানি ঢুকেছে' ভেবে অবহেলা করবেন না। একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় অডিওমেট্রি পরীক্ষা করিয়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করুন।
​সুস্থ থাকুন, শ্রবণশক্তিকে নিরাপদ রাখুন। 🙏
​ পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।

👂 কানে পুঁজ পড়া কখন বিপদজনক?কানে পুঁজ পড়া অনেকের কাছেই একটি পরিচিত সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের মধ্যে কানের ইনফেকশনে...
16/04/2026

👂 কানে পুঁজ পড়া কখন বিপদজনক?

কানে পুঁজ পড়া অনেকের কাছেই একটি পরিচিত সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের মধ্যে কানের ইনফেকশনের কারণে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। অনেক সময় ঠান্ডা-জ্বর বা কানের ইনফেকশনের পর হঠাৎ করেই কান দিয়ে পুঁজ বা তরল পদার্থ বের হতে শুরু করে।

অনেকেই মনে করেন, কানে পুঁজ পড়া মানেই হয়তো এটি স্বাভাবিক এবং কিছুদিন পর নিজে থেকেই ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে সব ক্ষেত্রে বিষয়টি এতটা সহজ নয়। কিছু ক্ষেত্রে অল্প কয়েকদিন পুঁজ পড়া সাময়িক হতে পারে, আবার দীর্ঘদিন পুঁজ পড়তে থাকলে এটি কানের গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।

তাই কানে পুঁজ পড়া কতদিন পর্যন্ত স্বাভাবিক এবং কখন এটি বিপদের কারণ হতে পারে। এই বিষয়টি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

❓ কানে পুঁজ পড়ার প্রধান কারণসমূহ:

✔ কানের ইনফেকশন (Otitis Media)
✔ কানের পর্দা ফুটো হওয়া
✔ দীর্ঘমেয়াদী কান পাকা রোগ (Chronic Ear Infection)
✔ কানে ফাঙ্গাল ইনফেকশন

⚠️ কানের পুঁজ পড়ার লক্ষণগুলো:

✔কান দিয়ে পুঁজ বা দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হওয়া
✔কানে ব্যথা বা অস্বস্তি
✔কানে কম শোনা
✔কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ (Tinnitus)
✔মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা

⚠️ কখন অবহেলা করবেন না?

✔যদি ৭–১০ দিনের বেশি সময় ধরে কান দিয়ে পুঁজ পড়তে থাকে
✔পুঁজের সাথে দুর্গন্ধ থাকে
✔কানে ব্যথা বা জ্বর থাকে
✔কানে শোনার ক্ষমতা কমে যায়
✔মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য হারানোর মতো সমস্যা হয়
এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

✅ চিকিৎসা পদ্ধতি:

কানে পুঁজ পড়ার চিকিৎসা সাধারণত সমস্যার কারণ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।
✔ ওষুধ ও কানের ড্রপ
✔ কান পরিষ্কার করা (Aural Toilet)
✔ কানের পর্দা অপারেশন (Tympanoplasty)
✔ মাস্টয়েড সার্জারি (প্রয়োজনে)

কানে পুঁজ পড়া কখনও সাময়িক সমস্যা হলেও অনেক সময় এটি কানের দীর্ঘমেয়াদী ইনফেকশনের লক্ষণ হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন কান দিয়ে পুঁজ পড়লে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে কানের জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং শ্রবণশক্তিও সুরক্ষিত রাখা যায়।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।

 বাচ্চার এডিনয়েড বড় হওয়া মানেই কি অপারেশন? ​অনেক অভিভাবকই বাচ্চার এডিনয়েড গ্যান্ড বড় হওয়ার কথা শুনলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এব...
06/04/2026



বাচ্চার এডিনয়েড বড় হওয়া মানেই কি অপারেশন?

​অনেক অভিভাবকই বাচ্চার এডিনয়েড গ্যান্ড বড় হওয়ার কথা শুনলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং ভাবেন অপারেশনই একমাত্র সমাধান। আসলে বিষয়টি সবসময় সেরকম নয়।
​কখন ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়?

যদি এডিনয়েড বড় হওয়ার সাথে কিছু জটিলতা থাকে, তবে প্রাথমিক অবস্থায় আমরা সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস নির্দিষ্ট ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করি। যদি ওষুধে বাচ্চার লক্ষণের উন্নতি হয়, তবে অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে না।

​অপারেশন কখন জরুরি হয়ে পড়ে?

ওষুধ চলাকালীন যদি লক্ষণগুলোর উন্নতি না হয় এবং সাথে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দেয়, তবেই অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়:

১. ​গ্রেড ২ বা ৩ হওয়া সত্ত্বেও সমস্যা: অনেকের ধারণা সাইজ খুব বেশি বড় না হলে অপারেশনের দরকার নেই। কিন্তু এডিনয়েড মাঝারি আকারের (Grade II or III) হওয়া সত্ত্বেও যদি বাচ্চার কানের পর্দার পেছনে সর্দি বা কফ জমে যায়, তবে তা বাচ্চার শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে। এই অবস্থায় অপারেশন প্রয়োজন।

২. ​শ্বাসকষ্ট ও মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া: ঘুমের মধ্যে বাচ্চা নাক ডাকলে বা দম বন্ধ হয়ে আসার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে।

৩. ​দীর্ঘমেয়াদী সর্দি ও কাশি: বারবার কানে ইনফেকশন বা সাইনাসের সমস্যা হলে।

​শেষ কথা:
অপারেশন লাগবে কি লাগবে না, তা শুধু এক্স-রে রিপোর্ট দেখে নয়, বরং বাচ্চার ক্লিনিক্যাল কন্ডিশন বা শারীরিক সমস্যার তীব্রতা দেখে নির্ধারণ করা হয়। তাই সঠিক সময়ে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  ( কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ) হিয়ারিং এইড কিভাবে টিনিটাসের সহায়ক।টিনিটাস (Tinnitus) বা কানে সারাক্ষণ ভোঁ-ভোঁ বা বাঁশির মতো শব্...
01/04/2026

( কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ)

হিয়ারিং এইড কিভাবে টিনিটাসের সহায়ক।

টিনিটাস (Tinnitus) বা কানে সারাক্ষণ ভোঁ-ভোঁ বা বাঁশির মতো শব্দ হওয়া অনেকের জন্যই বেশ বিরক্তিকর। মজার ব্যাপার হলো, যাদের শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার পাশাপাশি টিনিটাস আছে, তাদের জন্য হিয়ারিং এইড অন্যতম সেরা সমাধান হিসেবে কাজ করে।

​নিচে আলোচনা করা হলো কেন এবং কীভাবে হিয়ারিং এইড টিনিটাস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে:

​১. শ্রবণশক্তি বৃদ্ধি ও টিনিটাস ঢাকা (Masking)
​টিনিটাসের রোগীদের মূল সমস্যা হলো, চারপাশ যখন শান্ত থাকে তখন কানের ভেতরের শব্দ বেশি অনুভূত হয়। হিয়ারিং এইড ব্যবহার করলে বাইরের স্বাভাবিক শব্দগুলো (যেমন: মানুষের কথা, বাতাসের শব্দ) স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এতে মস্তিষ্কের মনোযোগ টিনিটাসের শব্দের চেয়ে বাইরের শব্দের দিকে বেশি চলে যায়, ফলে ভেতরের শব্দটা ঢাকা পড়ে যায়।

​২. অডিটরি স্টিমুলেশন (Auditory Stimulation)
​অনেক সময় কান যখন বাইরের শব্দ ঠিকমতো পায় না, তখন মস্তিষ্ক নিজেই একধরণের শব্দ তৈরি করার চেষ্টা করে—এটাই টিনিটাস। হিয়ারিং এইড ব্যবহারের ফলে কানের নার্ভগুলো আবার বাইরের শব্দের সংকেত পেতে শুরু করে। এতে মস্তিষ্ক 'শান্ত' হয় এবং টিনিটাসের তীব্রতা কমে আসে।

​৩. টিনিটাস মাস্কার (Tinnitus Masker) মোড
​আধুনিক অনেক ডিজিটাল হিয়ারিং এইডে বিশেষ একধরণের প্রযুক্তি থাকে যা 'টিনিটাস সাউন্ড জেনারেটর' হিসেবে কাজ করে। এটি কানের ভেতর খুব মৃদু ও আরামদায়ক কোনো শব্দ (যেমন: সমুদ্রের ঢেউ বা সাদা শব্দ বা White Noise) তৈরি করে রাখে, যা টিনিটাসের তীক্ষ্ণ শব্দকে সহনীয় করে তোলে।

​৪. মানসিক চাপ কমানো
​কানে কম শুনলে এবং সারাক্ষণ শব্দ হলে মানুষের মাঝে উদ্বেগ ও ক্লান্তি বাড়ে, যা টিনিটাসকে আরও বাড়িয়ে দেয়। হিয়ারিং এইড ব্যবহার করলে যোগাযোগ সহজ হয়, ফলে মানসিক চাপ কমে এবং পরোক্ষভাবে টিনিটাসের অস্বস্তিও হ্রাস পায়।

​কিছু জরুরি পরামর্শ:
​অডিওগ্রাম (Audiogram) করা: টিনিটাসের কারণ শনাক্ত করতে প্রথমেই একজন ইএনটি (ENT) বিশেষজ্ঞ বা অডিওলজিস্টের পরামর্শে পরীক্ষা করানো উচিত।

​সঠিক প্রোগ্রামিং: টিনিটাসের জন্য হিয়ারিং এইড সাধারণ হিয়ারিং এইডের চেয়ে আলাদাভাবে সেট বা প্রোগ্রাম করতে হয়।

​অভ্যস্ত হওয়া: চশমার মতো এটিও প্রথম প্রথম একটু অদ্ভুত লাগতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে মস্তিষ্ক এই নতুন শব্দের সাথে মানিয়ে নেয়।

​যাদের টিনিটাস তীব্র, তাদের জন্য এটি শুধু শোনার যন্ত্র নয়, বরং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার একটি বড় মাধ্যম হতে পারে।

নাক ডাকা রোগ বা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA): রোগীর জন্য পরামর্শ ও কারণওজন কমানো – গলার চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জম...
07/03/2026

নাক ডাকা রোগ বা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA): রোগীর জন্য পরামর্শ ও কারণ

ওজন কমানো – গলার চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমলে শ্বাসনালী সংকুচিত হয় এবং ঘুমের সময় শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

কাত হয়ে ঘুমানো (পাশ ফিরে) – চিৎ হয়ে ঘুমালে জিহ্বা ও গলার নরম টিস্যু পেছনের দিকে পড়ে গিয়ে শ্বাসনালী বন্ধ করতে পারে।

ঘুমের আগে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা – অ্যালকোহল গলার পেশি শিথিল করে, ফলে শ্বাসনালী সহজে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সেডেটিভ বা ঘুমের ওষুধ পরিহার করা – এগুলো সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে দমন করে এবং উপরের শ্বাসনালীর পেশি শিথিল করে, ফলে অ্যাপনিয়া বাড়তে পারে।

নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি বজায় রাখা – অনিয়মিত ঘুমের কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ও দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুমভাব বাড়ে।

ধূমপান বন্ধ করা – ধূমপানের কারণে শ্বাসনালীতে প্রদাহ ও ফোলা হয়, যা শ্বাসনালীর বাধা বাড়ায়।

প্রয়োজনে CPAP ব্যবহার করা – Continuous Positive Airway Pressure (CPAP) ঘুমের সময় শ্বাসনালী খোলা রাখতে সাহায্য করে।

নাক বন্ধ বা অ্যালার্জির চিকিৎসা করা – নাক বন্ধ থাকলে শ্বাসনালীর প্রতিরোধ বাড়ে এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হয়।

বিছানার মাথা কিছুটা উঁচু করে ঘুমানো – এতে মাধ্যাকর্ষণের কারণে শ্বাসনালী খোলা থাকতে সাহায্য করে এবং বাধা কমে।

নিয়মিত চিকিৎসকের ফলো-আপ করা – এতে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের মতো জটিলতা প্রতিরোধ করা যায়।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

06/02/2026

শিশুদের টিকাদান সময়সূচী ২০২৬
১. জন্মের পরপরই
▪️বিসিজি: যক্ষ্মা প্রতিরোধে।

২. বয়স ৬ সপ্তাহ (দেড় মাস)
▪️পেনটাভ্যালেন্ট (১ম ডোজ): ৫টি মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে।
▪️পোলিও (OPV ও FIPV): পোলিও রোগ প্রতিরোধে।
▪️পিসিভি (১ম ডোজ): নিউমোনিয়া প্রতিরোধে।

৩. বয়স ১০ সপ্তাহ (আড়াই মাস)
▪️পেনটাভ্যালেন্ট (২য় ডোজ)
▪️ওপিভি (২য় ডোজ)
▪️পিসিভি (২য় ডোজ)

৪. বয়স ১৪ সপ্তাহ (সাড়ে তিন মাস)
▪️পেনটাভ্যালেন্ট (৩য় ডোজ)
▪️ওপিভি ও এফআইপিভি (শেষ ডোজ)
▪️পিসিভি (৩য় ডোজ)

৫. বয়স ৯ মাস পূর্ণ হলে
▪️এমআর (১ম ডোজ): হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে।
▪️টাইফয়েড (TCV): টাইফয়েড জ্বর থেকে সুরক্ষায়।

৬. বয়স ১৫ মাস পূর্ণ হলে
▪️এমআর (২য় ডোজ): হাম-রুবেলার চূড়ান্ত সুরক্ষা।

‼️মনে রাখবেন:
▪️টিকা কেন্দ্র যাওয়ার সময় সাথে অবশ্যই টিকা কার্ড নিবেন।
▪️সামান্য জ্বর বা টিকা দেওয়ার স্থান ফুলে যাওয়া স্বাভাবিক।
▪️বড় মেয়েদের (১০-১৪ বছর) জন্য সরকারিভাবে HPV টিকা নিশ্চিত করুন।

30/01/2026

৯সারাবছর নাক বন্ধ থাকে? জেনে নিন এর প্রধান ৬টি কারণ ও সঠিক সমাধান! 🤧

​নাক বন্ধ থাকা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া আমাদের দেশে খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকেই একে সাধারণ সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডা লাগা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকলে তা মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, এমনকি ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

​🛑 কেন বারবার নাক বন্ধ হয়? প্রধান ৬টি কারণ:
​১. নাকের হাড় বাঁকা (DNS): জন্মগতভাবে বা কোনো আঘাতের কারণে নাকের মাঝখানের হাড় বাঁকা থাকলে একপাশ বা উভয় পাশের নাক বন্ধ থাকতে পারে।
২. নাকের মাংস বেড়ে যাওয়া (Turbinate Hypertrophy): দীর্ঘদিনের এলার্জির কারণে নাকের ভেতরের মাংসপেশি (Turbinates) ফুলে বড় হয়ে গেলে শ্বাসনালী সরু হয়ে যায়।
৩. নাকের পলিপ (Nasal Polyps): নাকের ভেতর আঙুরের থোকার মতো এক ধরণের মাংসপিণ্ড বা পলিপ জমলে তা নাক পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
৪. এলার্জিক রাইনাসাইনুসাইটিস: ধুলাবালি, মাইট বা পশুর লোম থেকে এলার্জির কারণে নাকের ঝিল্লি ফুলে গিয়ে নাক বন্ধ ভাব তৈরি করে।
৫. ভ্যাসোমোটর রাইনাইটিস (Vasomotor Rhinitis): এটি বিশেষ এক ধরণের সমস্যা যেখানে কোনো নির্দিষ্ট এলার্জি ছাড়াই নাক বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন (গরম থেকে ঠান্ডা বা উল্টোটা), ধোঁয়া, তীব্র গন্ধ (পারফিউম বা রান্না), এমনকি মানসিক চাপের কারণেও নাকের রক্তনালী প্রসারিত হয়ে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৬. এডেনয়েড (Adenoid): এটি সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি হয়। নাকের পেছনে গলার ওপরের দিকে এডেনয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে গেলে বাচ্চারা নাক দিয়ে শ্বাস নিতে পারে না, হা করে শ্বাস নেয়।

​✅ করণীয় ও চিকিৎসা:

​🔹 প্রাথমিক সতর্কতা:
​ধুলাবালি, ধোঁয়া এবং তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলুন।
​হঠাৎ করে ঠান্ডা বা গরম পরিবেশে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন (বিশেষ করে ভ্যাসোমোটর রাইনাইটিস রোগীদের জন্য)।
​প্রয়োজনে গরম পানির ভাপ বা মেন্থল ভাপ নিতে পারেন, এতে সাময়িক আরাম পাওয়া যায়।

​🔹 চিকিৎসা:
দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকলে অবশ্যই একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দিনের পর দিন নাকের ড্রপ (Nasal decongestant spray) ব্যবহার করবেন না, এতে নাকের স্থায়ী ক্ষতি (Rhinitis Medicamentosa) হতে পারে।
​ঔষধ: এলার্জি বা ভ্যাসোমোটর রাইনাইটিসের সমস্যায় নির্দিষ্ট স্প্রে ও ঔষধে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
​সার্জারি: যদি হাড় বাঁকা থাকে, পলিপ থাকে বা মাংস অনেক বেড়ে যায়—সেক্ষেত্রে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সার্জারি বা লেজার/কোবলেশন (Coblation) প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই এর স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব।
​নাক দিয়ে প্রাণভরে শ্বাস নিন, সুস্থ থাকুন।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

21/01/2026

Keloid)
post

Keloid (কেলয়েড) কী:

Ear keloid হলো কানের ত্বকে হওয়া এক ধরনের অতিরিক্ত দাগ (overgrowth of scar tissue)
অথবা

শরীরের কোনো ক্ষতস্থানের অতিরিক্ত কোলাজেন জমে তৈরি হওয়া একটি ঘন ও উঁচু দাগ।

🔹 কারণ (Causes):
১.কান ফোটানো (Ear Piercing): সবচেয়ে সাধারণ কারণ, বিশেষত যদি সংক্রমণ বা প্রদাহ হয়।
২.আঘাত বা প্রদাহ: যেকোনো ধরনের ত্বকের আঘাত, যেমন অপারেশন
৩.বংশগত কারণ (Genetics): যাদের পরিবারে কেলয়েডের ইতিহাস আছে, তাদের ঝুঁকি বেশি থাকে।
৪.ত্বকের ধরন: গাঢ় ত্বকের লোকেদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

🔹 লক্ষণ (Symptoms)
✓কানে শক্ত, মসৃণ, উঁচু ফোলা
✓ধীরে ধীরে আকার বড় হওয়া
✓চুলকানি বা ব্যথা হতে পারে
✓কসমেটিক সমস্যা

🔹 Common Sites
1.Earlobe (সবচেয়ে বেশি)
2.Helix / Cartilage piercing এর জায়গা
3.Post-auricular area (কানের পেছনে)

🔹 চিকিৎসা (Treatment Options)
একক চিকিৎসায় পুরোপুরি ভালো হয় না—combination therapy সবচেয়ে ভালো ফল দেয়।

1.Intralesional steroid injection (Triamcinolone)
– আকার ছোট করে, ব্যথা/চুলকানি কমায়
2.Surgical excision + steroid injection
– অপারেশনের পর স্টেরয়েড দিলে recurrence কম হয়
3.Pressure therapy
– Pressure earrings (বিশেষ করে earlobe keloid এ)
4.Silicone gel / sheet
– ছোট বা নতুন keloid এ উপকারী
5.Radiotherapy (selected cases)
– বড় বা recurrent keloid এ (সতর্কতার সাথে)

🔹 Recurrence
শুধু অপারেশন করলে পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি বেশি
Excision+Steroid + pressure + silicone ব্যবহার করলে ঝুঁকি কমে

👍🏿কখন ডাক্তার দেখাবেন?
কানের কেলয়েড নিয়ে চিন্তিত হলে ENT (নাক, কান, গলা) বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা উচিত

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

Address

Anowar Hospital And Diagnostic Center
Gazipur

Telephone

+8801819968025

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন:

Share

Category