03/05/2026
আমরা অনেকেই দাঁত বা মাড়ির সমস্যার দিকে নজর দিলেও মুখগহ্বর এবং এর আশেপাশে থাকা লালাগ্রন্থি (Salivary Gland) নিয়ে খুব একটা ভাবি না। অথচ এখানেও টিউমার হতে পারে!
🔍 লালাগ্রন্থির টিউমার কী?
আমাদের মুখে লালা তৈরির জন্য তিন জোড়া প্রধান গ্রন্থি এবং অসংখ্য ছোট ছোট গ্রন্থি থাকে। যখন এই গ্রন্থিগুলোর কোষ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে লালাগ্রন্থির টিউমার বলা হয়।
⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ:
কানের নিচে, চোয়ালের পাশে বা মুখের ভেতরে কোনো ফোলা ভাব বা চাকা।
সাধারণত এই চাকাগুলোতে ব্যথা থাকে না, তবে ধীরে ধীরে বড় হতে পারে।
মুখ বা গলার কোনো অংশ হঠাৎ অবশ হয়ে যাওয়া।
মুখ হা করতে বা খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া।
মুখের একপাশের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া।
💡 কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
সব টিউমারই ক্যান্সার নয়: লালাগ্রন্থির প্রায় ৭০-৮০% টিউমারই বিনাইন বা ক্ষতিকর নয়। তবে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে তা জটিল হতে পারে।
দ্রুত শনাক্তকরণ জরুরি: সময়মতো ধরা পড়লে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এটি পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব।
🚫 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
যদি আপনার কানে নিচে বা চোয়ালের আশেপাশে কোনো নতুন শক্ত চাকা অনুভব করেন যা ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেও কমছে না, তবে দেরি না করে একজন নাক-কান-গলা (ENT) বিশেষজ্ঞ বা ওরাল সার্জন দেখান।
মনে রাখবেন: সচেতনতাই প্রতিকারের প্রথম ধাপ। আপনার ছোট একটি অবহেলা ভবিষ্যতে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।
✅ পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদের সচেতন করুন।
♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ
ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন
♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।