ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন

  • Home
  • Bangladesh
  • Gazipur
  • ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন

ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন, Doctor, Anowar Hospital and diagnostic center, Gazipur.

নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ভিডিও কলে রোগী দেখা হয় what's app number - 01819968025

নাক ডাকা রোগ বা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA): রোগীর জন্য পরামর্শ ও কারণওজন কমানো – গলার চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জম...
07/03/2026

নাক ডাকা রোগ বা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA): রোগীর জন্য পরামর্শ ও কারণ

ওজন কমানো – গলার চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমলে শ্বাসনালী সংকুচিত হয় এবং ঘুমের সময় শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

কাত হয়ে ঘুমানো (পাশ ফিরে) – চিৎ হয়ে ঘুমালে জিহ্বা ও গলার নরম টিস্যু পেছনের দিকে পড়ে গিয়ে শ্বাসনালী বন্ধ করতে পারে।

ঘুমের আগে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা – অ্যালকোহল গলার পেশি শিথিল করে, ফলে শ্বাসনালী সহজে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সেডেটিভ বা ঘুমের ওষুধ পরিহার করা – এগুলো সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে দমন করে এবং উপরের শ্বাসনালীর পেশি শিথিল করে, ফলে অ্যাপনিয়া বাড়তে পারে।

নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি বজায় রাখা – অনিয়মিত ঘুমের কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ও দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুমভাব বাড়ে।

ধূমপান বন্ধ করা – ধূমপানের কারণে শ্বাসনালীতে প্রদাহ ও ফোলা হয়, যা শ্বাসনালীর বাধা বাড়ায়।

প্রয়োজনে CPAP ব্যবহার করা – Continuous Positive Airway Pressure (CPAP) ঘুমের সময় শ্বাসনালী খোলা রাখতে সাহায্য করে।

নাক বন্ধ বা অ্যালার্জির চিকিৎসা করা – নাক বন্ধ থাকলে শ্বাসনালীর প্রতিরোধ বাড়ে এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হয়।

বিছানার মাথা কিছুটা উঁচু করে ঘুমানো – এতে মাধ্যাকর্ষণের কারণে শ্বাসনালী খোলা থাকতে সাহায্য করে এবং বাধা কমে।

নিয়মিত চিকিৎসকের ফলো-আপ করা – এতে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের মতো জটিলতা প্রতিরোধ করা যায়।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

06/02/2026

শিশুদের টিকাদান সময়সূচী ২০২৬
১. জন্মের পরপরই
▪️বিসিজি: যক্ষ্মা প্রতিরোধে।

২. বয়স ৬ সপ্তাহ (দেড় মাস)
▪️পেনটাভ্যালেন্ট (১ম ডোজ): ৫টি মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে।
▪️পোলিও (OPV ও FIPV): পোলিও রোগ প্রতিরোধে।
▪️পিসিভি (১ম ডোজ): নিউমোনিয়া প্রতিরোধে।

৩. বয়স ১০ সপ্তাহ (আড়াই মাস)
▪️পেনটাভ্যালেন্ট (২য় ডোজ)
▪️ওপিভি (২য় ডোজ)
▪️পিসিভি (২য় ডোজ)

৪. বয়স ১৪ সপ্তাহ (সাড়ে তিন মাস)
▪️পেনটাভ্যালেন্ট (৩য় ডোজ)
▪️ওপিভি ও এফআইপিভি (শেষ ডোজ)
▪️পিসিভি (৩য় ডোজ)

৫. বয়স ৯ মাস পূর্ণ হলে
▪️এমআর (১ম ডোজ): হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে।
▪️টাইফয়েড (TCV): টাইফয়েড জ্বর থেকে সুরক্ষায়।

৬. বয়স ১৫ মাস পূর্ণ হলে
▪️এমআর (২য় ডোজ): হাম-রুবেলার চূড়ান্ত সুরক্ষা।

‼️মনে রাখবেন:
▪️টিকা কেন্দ্র যাওয়ার সময় সাথে অবশ্যই টিকা কার্ড নিবেন।
▪️সামান্য জ্বর বা টিকা দেওয়ার স্থান ফুলে যাওয়া স্বাভাবিক।
▪️বড় মেয়েদের (১০-১৪ বছর) জন্য সরকারিভাবে HPV টিকা নিশ্চিত করুন।

30/01/2026

৯সারাবছর নাক বন্ধ থাকে? জেনে নিন এর প্রধান ৬টি কারণ ও সঠিক সমাধান! 🤧

​নাক বন্ধ থাকা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া আমাদের দেশে খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকেই একে সাধারণ সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডা লাগা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকলে তা মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, এমনকি ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

​🛑 কেন বারবার নাক বন্ধ হয়? প্রধান ৬টি কারণ:
​১. নাকের হাড় বাঁকা (DNS): জন্মগতভাবে বা কোনো আঘাতের কারণে নাকের মাঝখানের হাড় বাঁকা থাকলে একপাশ বা উভয় পাশের নাক বন্ধ থাকতে পারে।
২. নাকের মাংস বেড়ে যাওয়া (Turbinate Hypertrophy): দীর্ঘদিনের এলার্জির কারণে নাকের ভেতরের মাংসপেশি (Turbinates) ফুলে বড় হয়ে গেলে শ্বাসনালী সরু হয়ে যায়।
৩. নাকের পলিপ (Nasal Polyps): নাকের ভেতর আঙুরের থোকার মতো এক ধরণের মাংসপিণ্ড বা পলিপ জমলে তা নাক পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
৪. এলার্জিক রাইনাসাইনুসাইটিস: ধুলাবালি, মাইট বা পশুর লোম থেকে এলার্জির কারণে নাকের ঝিল্লি ফুলে গিয়ে নাক বন্ধ ভাব তৈরি করে।
৫. ভ্যাসোমোটর রাইনাইটিস (Vasomotor Rhinitis): এটি বিশেষ এক ধরণের সমস্যা যেখানে কোনো নির্দিষ্ট এলার্জি ছাড়াই নাক বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন (গরম থেকে ঠান্ডা বা উল্টোটা), ধোঁয়া, তীব্র গন্ধ (পারফিউম বা রান্না), এমনকি মানসিক চাপের কারণেও নাকের রক্তনালী প্রসারিত হয়ে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৬. এডেনয়েড (Adenoid): এটি সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি হয়। নাকের পেছনে গলার ওপরের দিকে এডেনয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে গেলে বাচ্চারা নাক দিয়ে শ্বাস নিতে পারে না, হা করে শ্বাস নেয়।

​✅ করণীয় ও চিকিৎসা:

​🔹 প্রাথমিক সতর্কতা:
​ধুলাবালি, ধোঁয়া এবং তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলুন।
​হঠাৎ করে ঠান্ডা বা গরম পরিবেশে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন (বিশেষ করে ভ্যাসোমোটর রাইনাইটিস রোগীদের জন্য)।
​প্রয়োজনে গরম পানির ভাপ বা মেন্থল ভাপ নিতে পারেন, এতে সাময়িক আরাম পাওয়া যায়।

​🔹 চিকিৎসা:
দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকলে অবশ্যই একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দিনের পর দিন নাকের ড্রপ (Nasal decongestant spray) ব্যবহার করবেন না, এতে নাকের স্থায়ী ক্ষতি (Rhinitis Medicamentosa) হতে পারে।
​ঔষধ: এলার্জি বা ভ্যাসোমোটর রাইনাইটিসের সমস্যায় নির্দিষ্ট স্প্রে ও ঔষধে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
​সার্জারি: যদি হাড় বাঁকা থাকে, পলিপ থাকে বা মাংস অনেক বেড়ে যায়—সেক্ষেত্রে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সার্জারি বা লেজার/কোবলেশন (Coblation) প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই এর স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব।
​নাক দিয়ে প্রাণভরে শ্বাস নিন, সুস্থ থাকুন।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

21/01/2026

Keloid)
post

Keloid (কেলয়েড) কী:

Ear keloid হলো কানের ত্বকে হওয়া এক ধরনের অতিরিক্ত দাগ (overgrowth of scar tissue)
অথবা

শরীরের কোনো ক্ষতস্থানের অতিরিক্ত কোলাজেন জমে তৈরি হওয়া একটি ঘন ও উঁচু দাগ।

🔹 কারণ (Causes):
১.কান ফোটানো (Ear Piercing): সবচেয়ে সাধারণ কারণ, বিশেষত যদি সংক্রমণ বা প্রদাহ হয়।
২.আঘাত বা প্রদাহ: যেকোনো ধরনের ত্বকের আঘাত, যেমন অপারেশন
৩.বংশগত কারণ (Genetics): যাদের পরিবারে কেলয়েডের ইতিহাস আছে, তাদের ঝুঁকি বেশি থাকে।
৪.ত্বকের ধরন: গাঢ় ত্বকের লোকেদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

🔹 লক্ষণ (Symptoms)
✓কানে শক্ত, মসৃণ, উঁচু ফোলা
✓ধীরে ধীরে আকার বড় হওয়া
✓চুলকানি বা ব্যথা হতে পারে
✓কসমেটিক সমস্যা

🔹 Common Sites
1.Earlobe (সবচেয়ে বেশি)
2.Helix / Cartilage piercing এর জায়গা
3.Post-auricular area (কানের পেছনে)

🔹 চিকিৎসা (Treatment Options)
একক চিকিৎসায় পুরোপুরি ভালো হয় না—combination therapy সবচেয়ে ভালো ফল দেয়।

1.Intralesional steroid injection (Triamcinolone)
– আকার ছোট করে, ব্যথা/চুলকানি কমায়
2.Surgical excision + steroid injection
– অপারেশনের পর স্টেরয়েড দিলে recurrence কম হয়
3.Pressure therapy
– Pressure earrings (বিশেষ করে earlobe keloid এ)
4.Silicone gel / sheet
– ছোট বা নতুন keloid এ উপকারী
5.Radiotherapy (selected cases)
– বড় বা recurrent keloid এ (সতর্কতার সাথে)

🔹 Recurrence
শুধু অপারেশন করলে পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি বেশি
Excision+Steroid + pressure + silicone ব্যবহার করলে ঝুঁকি কমে

👍🏿কখন ডাক্তার দেখাবেন?
কানের কেলয়েড নিয়ে চিন্তিত হলে ENT (নাক, কান, গলা) বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা উচিত

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

02/01/2026
20/12/2025

মাথাব্যথা, নাক বন্ধ বা সর্দি কি কিছুতেই কমছে না? এটি সাইনোসাইটিস হতে পারে! 🤧🤕

​আমরা অনেকেই দীর্ঘদিনের সর্দি বা মাথাব্যথাকে সাধারণ ঠান্ডা লাগা ভেবে অবহেলা করি। কিন্তু এটি যদি বারবার ফিরে আসে বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা সাইনোসাইটিস (Sinusitis) হতে পারে।
​আসুন জেনে নিই এই রোগের বিস্তারিত:

​🚩 লক্ষণসমূহ (Symptoms):
১. তীব্র মাথাব্যথা: বিশেষ করে কপালে, চোখের চারপাশে বা গালে ব্যথা ও চাপ অনুভব করা। মাথা নিচু করলে এই ব্যথা বেড়ে যায়।
২. নাক বন্ধ থাকা: শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা নাক সবসময় ভারি হয়ে থাকা।
৩. সর্দি: নাক দিয়ে ঘন হলুদ বা সবুজ রঙের সর্দি বের হওয়া। অনেক সময় সর্দি গলার পেছন দিয়ে নিচে নামে (Post-nasal drip)।
৪. ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া: কোনো কিছুর গন্ধ ঠিকমতো না পাওয়া।
৫. জ্বর জ্বর ভাব, দুর্বলতা বা দাঁতে ব্যথা অনুভব করা।

​🔍 কেন হয়? (Causes):
সাধারণত আমাদের মুখের হাড়ের ভেতরে থাকা ফাঁকা জায়গাগুলো (সাইনাস) বাতাস দিয়ে পূর্ণ থাকে। কিন্তু সেখানে জীবাণু বা তরল জমে গেলে ইনফেকশন হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
​ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ (Viral/Bacterial Infection)।
​ধুলোবালি বা অ্যালার্জি (Allergy)।
​নাকের হাড় বাঁকা থাকা (DNS)।
​নাকে পলিপ (Nasal Polyps) থাকা।

​noted💊 চিকিৎসা ও প্রতিকার (Treatment):
সাইনোসাইটিসের ধরন (তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী) অনুযায়ী চিকিৎসা ভিন্ন হতে পারে:

​✅ প্রাথমিক ও ঘরোয়া চিকিৎসা:
​প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা।
​গরম পানির ভাপ বা মেন্থল ভাপ (Steam Inhalation) নেওয়া—এটি সাইনাস পরিষ্কার করতে খুব কার্যকর।
​লবণ-পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করা (Nasal Irrigation)।
​✅ মেডিকেল চিকিৎসা:
​চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিহিস্টামিন বা স্টেরয়েড নাজাল স্প্রে ব্যবহার করা।
​✅ সার্জারি (Surgery):
​যদি ওষুধের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সাইনোসাইটিস বা পলিপ ভালো না হয়, তবে আধুনিক FESS (Functional Endoscopic Sinus Surgery) বা এন্ডোস্কোপিক সার্জারির মাধ্যমে সাইনাস পরিষ্কার করা হয়। এটি কাটা-ছেঁড়া ছাড়া ও অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।

​⚠️ সতর্কতা: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে কিনে দীর্ঘদিন নাকের ড্রপ ব্যবহার করবেন না, এতে নাকের ক্ষতি হতে পারে।
​আপনার যদি ওপরের লক্ষণগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অবহেলা না করে আজই একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের (ENT Specialist) পরামর্শ নিন।
​সুস্থ থাকুন, মুক্ত নিশ্বাসে বাঁচুন। 🌿
​ #বাংলাদেশ


♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

17/12/2025

হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ে চমৎকার এই লেখাটি লিখেছেন
Dr. Ma'ruf Raihan Khan

অবশ্যই পড়ুন । ......................

১. ৮০-৯০% হাই প্রেশারের রোগীর কোনো লক্ষণই থাকে না। এজন্য এটিকে সাইলেন্ট কিলার বলা হয়। সারা পৃথিবীতে কমবেশি ১.২ বিলিয়ন হাই প্রেশারের রোগী আছে। এরমধ্যে ৫০-৬০% জানে তাদের এই রোগটি আছে। বাকিরা জানেই না তাদের হাই প্রেশার। হাই প্রেশারকে মেডিকেল সায়েন্সের ভাষায় হাইপারটেনশান বলে।

২. বিশাল সংখ্যক মানুষ তাদের হাইপারটেনশানের ব্যাপারে জানতে পারে যখন ইতোমধ্যে এটি শরীরে বেশ কিছু বড়ো ক্ষতি করে ফেলেছে। যখন কিডনির সমস্যা দেখা দেয়, হার্টের সমস্যা দেখা দেয় কিংবা একটা স্ট্রোক হয়ে যায় তখনই ধরা পড়ে তার হাইপারটেনশান ছিল।

৩. প্রারম্ভিক পর্যায়ে হাইপারটেনশান নির্ণয় করতে--বিশের উপর বয়স হলে দুবছরে অন্তত একবার এবং ত্রিশের উপর বয়স হলে প্রতি বছরে অন্তত একবার ব্লাড প্রেশার পরিমাপ করা প্রয়োজন।

৪. ব্লাড প্রেশার যদি লাগাতার ১৪০/৯০ মিমি মার্কারি বা তার বেশি থাকে কিংবা শুধু সিস্টোলিক ১৪০ মিমি মার্কারি বা তার বেশি থাকে কিংবা শুধু ডায়াস্টোলিক ৯০ মিমি মার্কারি বা তার বেশি থাকে, সেটিকে হাইপারটেনশান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তবে আমেরিকাতে এখন বলছে ১৩০/৮০-এর বেশি হলেই সেটিকে হাইপারটেনশান হিসেবে ধরতে হবে।

৫. কারও কারও ক্ষেত্রে হাইপারটেনশানের কিছু লক্ষণ থাকতে পারে। যেমন : মাথাব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি ও জোরে হাঁটলে বা একটু পরিশ্রমের কাজ করলে বুকে চাপ বা অস্বস্তি অনুভব করা। হাইপারটেনশান রোগীর হার্টকে অতিরিক্ত লোডের বিপরীতে পাম্প করে রক্ত সারা শরীরে পাঠাতে হচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে বুকে চাপ বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। আগে সহজেই ৪ তলা সিঁড়ি বেয়ে উঠে পড়া যেতো, এখন উঠতে গেলে বেশ কষ্ট হয়ে যায়--অনির্ণীত বা অনিয়ন্ত্রিত হাইপারটেনশানের একটি বহিঃপ্রকাশ এটি হতে পারে। এমন লক্ষণ ইশকেমিক হার্ট ডিজিজেও থাকে।

৬. হাইপারটেনশানের চিকিৎসায় দক্ষ ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ অনেকক্ষেত্রেই কম্বিনেশান ওষুধ (একাধিক ওষুধ) ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। কম্বিনেশান ওষুধগুলোতে ব্যবহৃত ওষুধগুলো সাধারণত কম ডোজের হয়। ফলে একাধিক ওষুধের ভালো দিকের সুবিধা যেমন পাওয়া যাচ্ছে আবার সাইড ইফেক্টও কম হচ্ছে। আবার একাধিক ওষুধের সাইনারজিস্টিক একশানে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রিত থাকার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

৭. বিটা ব্লকার এখন আর মোটেও হাইপারটেনশান চিকিৎসার প্রথম সারিতে নেই। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। কিন্তু রোগীর হাইপারটেনশানের সঙ্গে যদি হার্ট ডিজিজ থাকে তাহলে বিটা ব্লকার সোজা এক নাম্বার পছন্দে চলে আসবে। হার্ট যদি কাজ না করে ব্লাড প্রেশার কন্ট্রোল হলেই কী আর না হলেই কী! হাইপারটেনসিভ রোগীর যদি মাইগ্রেন থাকে সেক্ষেত্রে পছন্দের শীর্ষে আবারও বিট ব্লকার উঠে আসবে।

৮. এমন কিছু রোগী পাওয়া যায় যারা ব্রঙ্কিয়াল এজমা বা হাঁপানি রোগের চিকিৎসাও নিচ্ছে আবার একই সাথে বুক ধড়ফরের জন্য ইন্ডিভারও (প্রপ্রানলল) খাচ্ছে। এটি একটি ভয়াবহ কম্বিনেশন। প্রপ্রানলল জাতীয় নন-সিলেক্টিভ বিটা ব্লকার হাঁপানি বাড়িয়ে দিতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এমনও হতে পারে বিটা ব্লকার খাবার পর রোগী বুকে চাপ চাপ অনুভব বা কিছুটা এজমার লক্ষণও নিয়ে আসতে পারে যার কোনোসময় এজমা ছিল না। ইতিহাস খুঁজতে গেলে হয়তো দেখা যাবে তার পরিবারের কারও এ ধরনের এজমার সমস্যা ছিল। অর্থাৎ তার জেনেটিক প্রপেনসিটি ছিল, বিটা ব্লকার দেওয়ার পর এজমাটিক টেন্ডেন্সি আনমাস্কিং হচ্ছে। শুধু এই বিটা ব্লকারটি পাল্টে অন্য একটি এন্টিহাইপারটেন্সিভ দিলে দেখা যাবে রোগীর এই সমস্যাটি চলে গেছে। বিটা ব্লকার ব্যবহারের আগে রোগীর এজমা বা সিওপিডি আছে কি-না এ ব্যাপারে অত্যন্ত নিশ্চিত হয়ে নেয়া উচিত।

৯. সিওপিডি বা এজমার জন্য রোগীরা ব্রঙ্কোডায়ালেটর, স্টেরয়েড, থিওফাইলিন গ্রুপের ওষুধ সাধারণত পেয়ে থাকে। এর সবগুলোই পটাশিয়াম লস করতে পারে। এছাড়া এরা সবাই হার্ট রেট বাড়িয়ে দিতে পারে। সিওপিডি রোগীদের প্রায় সকলেই ধূমপায়ী বা ধূমপানের সংস্পর্শে থাকে দীর্ঘদিন। এ কারণেও এদেরও হার্ট রেট বেশি থাকে। সুতরাং এ ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে এমন প্রেশারের ওষুধ নির্বাচন করা শ্রেয় যারা হার্ট রেট কমাতে পারে। এতে রোগী অনেকটাই স্বস্তি পাবে। নন-ডাইহাইড্রোপাইরিডিন ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার যেমন : ডিলটিয়াজেম, ভেরাপামিল এক্ষেত্রে ভালো পছন্দ হতে পারে। তারা ব্লাড প্রেশারও কমাবে, হার্ট রেটও কমাবে।

এখন সাথে যদি হার্টের সমস্যা থাকে (Left ventricular dysfunction), তাহলে বিটা ব্লকার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়বে। হার্ট ফেইলিওরে ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার দেওয়া যাচ্ছে না। এসব ক্ষেত্রে কম ডোজে বিসোপ্রলল বা নেবিভলল উপযুক্ত ওষুধ হতে পারে। এসব ওষুধের ব্রঙ্কোস্পাজম করার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম থাকে। এগুলো সিলেক্টিভ বিটা-ওয়ান ব্লকার। কার্ভিডেলল কিন্তু নন-সিলেক্টিভ বিটা ব্লকার। এতে ব্রঙ্কোস্পাজম হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এজমা/সিওপিডি রোগীর তাহলে বিভিন্ন কারণে একই সাথে হাইপোক্সিয়া, ইশকেমিয়া ও পটাশিয়াম লস হতে পারে। এই তিন মিলে এরিদমিয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে কম ডোজে স্পাইরোনোল্যাকটোন বা এপলিরেনোন (মিনারেলোকর্টিকয়েড রিসেপ্টর এন্টাগনিস্ট) যোগ করে দেওয়া এক্ষেত্রে ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। এরা ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করবে, আবার পটাশিয়ামও রিটেইন করে, ফলে এরিদমিয়ার চান্স কমায়।

১০. হাইপারটেনশানের জন্য এখনও গ্রামেগঞ্জে এটেনোলোল (টেনোলক/টেনোরেন) জাতীয় ওষুধ অহরহ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ওষুধ হাইপারটেনশানের রোগীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ কী? এটেনলল সেন্ট্রাল এওর্টিক প্রেশার কমাতে পারে না, এটি শুধু পেরিফেরাল প্রেশার কমায়। তবে নতুন যুগের বিটা ব্লকারগুলোর এ ধরনের সমস্যা নেই। স্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছে কিংবা আগে স্ট্রোক বা ট্রানজিয়েন্ট ইশকেমিক এটাক হয়েছে এমন রোগীদের সেন্ট্রাল এওর্টিক প্রেশার কমায় যেসব ওষুধ, সেগুলো ব্যবহার করা উত্তম। যেমন : থায়াজাইড ডাইইউরেটিক্স, এ সি ই-ইনহিবিটর, এনজিওটেনসিন রিসিপ্টর ব্লকার এবং ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার। এসব ক্ষেত্রে মার্কেটে এভেইলেবল ডাইইউরেটিক্স এবং এনজিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার একটি ভালো চয়েস হতে পারে। হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড এবং লোসারটান/ভালসারটান কম্বিনেশনটি বেশি ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের রোগীদের যদি একই সাথে হার্ট ডিজিজও থেকে থাকে তবে বিটা ব্লকার দিতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিটা ব্লকারের সঙ্গে থায়াজাইড কম্বিনেশান দেওয়া যেতে পারে।

১. হাইপারটেনশানের ওষুধ প্রতিদিনই খেতে হয়। এর কিছু ওষুধ বেশ ব্যয়বহুল, অনেকেরই সাধ্যে কুলায় না। এমন ওষুধ না দেওয়াই শ্রেয় যে ওষুধ রোগী ২/৩ সপ্তাহ কষ্টেসৃষ্টে খেয়ে কিনতে না পেরে খাওয়া বাদই দিয়ে দেয়। রোগীর বেশি ভালো করতে গিয়ে রোগীকে অর্থনৈতিকভাবে অক্ষম করে দেওয়া যাবে না। তার জন্য কম দামি ওষুধটি বাছাই করাই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত।

২. কিছু কিছু রোগীর চিকিৎসকের কাছে এলে ব্লাড প্রেশার বেশি পাওয়া যায়, অথচ বাসায় মাপলে স্বাভাবিকই আসে। হোম ব্লাড প্রেশারই বেশি প্রাধান্য পাবে। চিকিৎসক যদি সাময়িকভাবে বেশি পেয়ে থাকেন কিন্তু হাইপারটেনশানের ওষুধ খেয়ে বাসায় তার ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিকই থাকে, তার ওষুধের ডোজ বাড়ানো কিংবা নতুন ওষুধ যুক্ত করার ব্যাপারে সাবধানী হওয়া ভালো।

৩. রোগীর হাঁটুর ব্যথা অসহনীয়। তানে নন-স্টেরয়ডাল এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি (পেইন কিলার) ওষুধ খেতেই হয়। এ ধরনের রোগীর ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণের জন্য যদি এসিই-ইনহিবিটর বা এ আর বি দেওয়া হয়, তাহলে উভয় ওষুধের সম্মিলিত ক্রিয়ায় এসিই-ইনহিবিটর বা এ আর বির কার্যকারিতা কমে আসবে। এক্ষেত্রে ডাইইউরেটিক্স ভালো ওষুধ। এছাড়া থায়াজাইড ডাইইউরেটিক্সের একটি সুবিধা হলো এটি ক্যালশিয়ামকে ধরে রাখে। ফ্র‍্যাকচারের সম্ভাবনা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।

৪. ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ এ সি ই- ইনহিবিটর বা এনজিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার। সিস্টেমিক লুপাস ইরাইথেমেটাসের ক্ষেত্রেও একই পছন্দ। উভয়ক্ষেত্রে প্রোটিনইউরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

৫. রোগীর কাশি। কমে না কিছুতেই। লাং ফাংশান টেস্ট, এলার্জেন টেস্ট, সেরাম আইজি-ই, এক্সরে, এইচ আর সি টি পর্যন্ত করা হয়ে গেছে। ব্রঙ্কোডায়ালেটর, এন্টিবায়োটিক সব দেওয়া হয়ে গেছে। তবুও কমে না। অথচ রোগী র‍্যামিপ্রিল খাচ্ছে। এ সি ই ইনহিবিটরের জন্য তার এই কাশি। যে রোগীর এই ওষুধের কারণে শুষ্ক কাশি এক দফা হয়েছিল এবং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তাকে পরবর্তীতে পুনরায় এই ওষুধ না দেওয়াই শ্রেয়।

৬. রোগী চিকিৎসকের কাছে গিয়েছেন তার পা ফুলে গিয়েছে এই সমস্যা নিয়ে। তার কিডনি, লিভার, থাইরয়েড, হার্টসহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলো। কিন্তু সব পরীক্ষার রিপোর্টই স্বাভাবিক। রোগীরা হাইপারটেনশানের জন্য যেসব ওষুধ পেয়ে থাকে, তার মধ্যে একেবারে উপরের সারিতে আছে এমলোডিপিন। এমলোডিপিনের কমন একটি সাইড ইফেক্ট পা ফুলে যাওয়া বা এঙ্কেল ইডিমা। পরে ধরা পড়লো, এমলোডিপিনের জন্যেই এই পা ফোলা। পুস্তকে লেখা আছে, ১০০ জন ব্যক্তি এমলোডিপিন খেলে ১৫-২০ জনের পা ফোলার সমস্যা হতে পারে। তবে আমাদের দেশে প্র‍্যাক্টিক্যালি এই পার্সেন্টেজ আরও বেশি। ডোজ যতো বাড়বে এই ধরনের ওষুধের এঙ্কেল ইডিমা হবার সম্ভাবনাও বাড়বে। যে রোগীর এই ওষুধের কারণে পূর্বে এঙ্কেল ইডিমা হয়েছিল তাকে পুনরায় আবার এই ওষুধ শুরু না করাই শ্রেয়।

৭. বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশান, ডিজলিপিডেমিয়া ট্রিট করার চেয়ে ঐ বয়স্ক মানুষটিকে ট্রিট করার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে কন্সটিপেশান একটি কমন সমস্যা। ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার কন্সটিপেশানের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগীকে যথাযথ খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে বলা, প্রয়োজনে এ ধরনের ওষুধ প্রেসক্রাইব না করা, একান্ত দিতে হলে কম ডোজে দেওয়া এসব বিষয় খেয়াল রাখলে উত্তম।

৮. ডাইইউরেটিক্স জাতীয় ওষুধের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এরা ইলেক্ট্রোলাইটস ইমব্যালেন্স করতে পারে। বিশেষত হাইপোন্যাট্রেমিয়া ও হাইপোক্যালেমিয়া। এমন অনেক রোগী আছেন যারা ডাইইউরেটিক্স পেয়ে হাইপোন্যাট্রেমিয়া ডেভেলপ করে অজ্ঞান হয়ে হসপিটালে এসেছেন। এমনও হয়েছে তাদের ৩% সোডিয়াম ক্লোরাইড দিয়ে সোডিয়াম র‍্যাপিড কারেকশান করে পন্টাইন মায়েলিনোলাইসিস পর্যন্ত হয়ে গেছে। হাইপারটেনশানেও ওষুধ খায় এমন রোগী যদি ফ্যাটিগ, শারিরীক দুর্বলতার কথা বলে, তার ওষুধের তালিকাটি চেক করা উচিত। যদি সেখানে কোনো ডাইইউরেটিক্স থাকে তাহলে সেরাম ইলেক্ট্রোলাইটস পরীক্ষাটি করা প্রয়োজন। ইলেক্ট্রোলাইটস ইমব্যালেন্স থাকলে সম্ভব হলে ওষুধটি বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে, একান্ত সম্ভব না হলে ডোজ কমিয়ে নিয়ে আসা যেতে পারে।

৯. বিটা ব্লকার ওষুধটিও রোগীর ফ্যাটিগ বা শারীরিক দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

১০. ডাইইউরেটিক্স ব্যবহারের কারণে অনেকের হাইপোক্যালেমিয়া যেহেতু হয়, সেক্ষেত্রে তাদের ইসিজিতে QT prolongation দেখা যেতে পারে। এখন এই একই রোগী যদি কোনো কারণে এন্টিডিপ্রেসেন্ট বা এন্টিসাইকোটিক ওষুধ যদি খেয়ে থাকে তাহলে QT prolongation হবার সম্ভাবনা আরও অধিক বেড়ে গেলো। কারণ QT prolongation-এর একটি কারণ এই ওষুধগুলোর ব্যবহার। এখন এই রোগীর যদি কারণে বমি বা ডায়রিয়া হয়, তাহলে পটাশিয়াম লেভেল আরও কমে যাবে। ফলে QT অনেক বেশি প্রলং হয়ে যেতে পারে। এর ফলে একটি ভয়াবহ লাইফ থ্রেটেনিং এরিদমিয়া Ventricular tachycardia হবার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই রোগী আগে থেকেই কী কী ওষুধ খাচ্ছে সেদিকে একবার চোখ বুলিয়ে নেয়াটা ভালো।

 #কানের রোগ ও প্রতিরোধ ;আমাদের পঞ্চইন্দ্রিয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কান। কানের বিভিন্ন সমস্যায় ছোট-বড় অনেকেই ভোগেন।...
11/12/2025

#কানের রোগ ও প্রতিরোধ ;

আমাদের পঞ্চইন্দ্রিয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কান। কানের বিভিন্ন সমস্যায় ছোট-বড় অনেকেই ভোগেন। কানে ব্যথা, চুলকানি, পানি ঢুকে যন্ত্রণা, শোঁ শোঁ শব্দ করা কিংবা সংক্রমণের মতো সমস্যা দেখা যায়। কান দিয়ে পুঁজ/পানি পড়া সাধারণত মধ্যকর্ণের রোগ। কান পাকা যেহেতু মধ্যকর্ণের সংক্রমণ, তাই এতে কানের পর্দা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অনেক সময় বহিঃকর্ণের কিছু প্রদাহের কারণেও কানে পুঁজ/পানি হতে পারে। এই কান দিয়ে পুঁজ/পানি পড়া খুবই অপ্রীতিকর এবং যে কোনো বয়সে দেখা দিতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

কান পাকা রোগ কেন হয়: আমাদের সবারই ইউস্টেশিয়ান টিউব নামক একটা টিউব আছে, যার এক মাথা থাকে মধ্যকর্ণে এবং আরেক মাথা থাকে নাকের পেছনে ন্যাজোফেরিংস নামক স্থানে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এ টিউবটা থাকে খাটো, প্রশস্ত এবং একদম সোজাসুজি। তাই মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ অথবা বোতলের দুধ/তরল মাথার দিকটা একটু উঁচু না করে ফ্লাট/কাত অবস্থায় খাওয়ালে তখন এই দুধ/তরল কিছুটা হলেও মধ্যকর্ণে চলে যায় এই টিউব দিয়ে। পরবর্তীতে যা থেকে মধ্যকর্ণে ইনফেকশন হয়ে কান পাকা রোগ সৃষ্টি হয়। * যেসব বাচ্চার ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে, আপার রেসপিরেটরি ট্রাক্ট ইনফেকশন বেশি হয়, টনসিলে ইনফেকশন হয়, ঘন ঘন সর্দি থেকে সাইনোসাইটিস হয়, এডিনয়েড বেশি থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ইউস্টেশিয়ান টিউবের নরমাল কর্মক্ষমতা কমে গিয়ে টিউবের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। এসব কারণে প্রথম দিকে হঠাৎ করে কানে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়, জ্বর থাকে, এরপর কানের পর্দা ফুটো হয়ে পানি বেরিয়ে আসে। ওই সময় ঠিকমতো এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেলে পর্দার ছিদ্রটি স্থায়ী হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে কানে ইনফেকশন হওয়ার কারণে কান দিয়ে পানি/পুঁজ আসে। বড়দের ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ভুগলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

* কানে আঘাতজনিত কারণে পর্দা ছিদ্র হয়ে গেলে এবং এর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না করানো হলে পরবর্তীতে ঠান্ডাজনিত কারণে সর্দি, কাশি, গলাব্যথা হলে কানের পর্দা দুর্বল হয়ে কান দিয়ে পুঁজ/পানি আসতে পারে।

লক্ষণ :

* কান দিয়ে পুঁজ বের হওয়া। এই তরল দুর্গন্ধযুক্ত বা দুর্গন্ধহীন হতে পারে। অনেক সময় পুঁজ রক্তমিশ্রিত থাকতে পারে। কান পাকা রোগের মধ্যে একটি ধরন আছে, যেখানে কান কিছুদিন শুকনা থাকে আবার কিছুদিন পরপর ভেজা থাকে অর্থাৎ পানি বা পুঁজ বের হয়। আবার আরেক ধরনের কান পাকা রোগ আছে, যেখানে কান কখনোই শুকায় না।

* কানে কম শোনা ও বন্ধ বন্ধ অনুভূতি লাগা, এমনকি সারাক্ষণ অস্বস্তি বোধ হওয়া।

* কানে বা মাথার ভেতরে শো শো শব্দ হওয়া, মাথা ঘুরানো, ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।

* হঠাৎ প্রদাহের ফলে অনেকের কানে তীব্র ব্যথাসহ জ্বর আসতে পারে।

চিকিৎসা :

কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে প্রচুর পরিমাণে পুঁজ পড়াসহ কান পাকার অন্যান্য লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে সিস্টেমিক অ্যান্টিবায়োটিক, কানের অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ, বয়সভেদে নাকের ড্রপ এবং অ্যান্টিহিসটামিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি অবশ্য পালনীয় কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়; যেমন-ডুব দিয়ে গোসল না করা, সাঁতার না কাটা। গোসলের সময় ইয়ারপ্লাগ অথবা নারিকেল তেলে ভেজা তুলা কানে দিয়ে গোসল করা। ঠান্ডা পরিহার করা, ফ্রিজের পানি, আইসক্রিম না খাওয়া, অযথা কান পরিষ্কার না করা, কানের ভেতর মোরগের পাখনা, কচুর ডগা, ম্যাচের কাঠি, কলমের মুখ ইত্যাদি ঢুকিয়ে পরিষ্কার করা সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়। এ পরামর্শ দ্বারা দুই সপ্তাহের মধ্যে বেশিরভাগ রোগীর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেইসঙ্গে কানের পর্দার ছিদ্রও বন্ধ হয়ে যায়। যদি পর্দার ছিদ্রটা বড় হয় এবং বারবার পুঁজ পড়ে, তাহলে কিন্তু ওষুধে কাজ হয় না অনেক সময়। যদি ৬ মাসের মধ্যে কানের পর্দা জোড়া না লাগে, কানে কম শোনে, তাহলে একটা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাইক্রোসার্জারি করে পর্দা জোড়া লাগিয়ে দেওয়া হয়। তবে সেক্ষেত্রে কান শুকনো থাকতে হবে।

তবে মারাত্মক ধরনের কান পাকা রোগে অপারেশনই হচ্ছে প্রকৃত চিকিৎসা। অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিরাময়ের পাশাপাশি রোগীর জীবন বাঁচানোর জন্য মারাত্মক ধরনের কান পাকা রোগের অপারেশন করতে হয়। এ ধরনের রোগের ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান নামক রেডিওলোজি পরীক্ষার বিশাল গুরুত্ব রয়েছে।

কানের ইনফেকশন হলে প্রথম দিকে যদি চিকিৎসা করানো হয়, তাহলে কান পাকা প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিন্তু কানের ভেতর কী হচ্ছে না হচ্ছে সেটা না জেনে যদি কেউ চিকিৎসা করে, তাহলে সেটার ফল ভালো হবে না। তাই এ নিয়ে সচেতন থাকাটা জরুরী।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।

♦ নাসিরুদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতাল, জিরানী, আশুলিয়া, প্রতি শুক্রবার বিকাল ৪ টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

doctor

 #ব্রাংকিয়াল সিস্ট (Branchial Cystব্রাংকিয়াল সিস্ট হলো গলার পাশে নরম, ব্যথাহীন একটি গুটি, যা সাধারণত জন্মগত কারণে তৈরি হ...
01/12/2025

#ব্রাংকিয়াল সিস্ট (Branchial Cyst

ব্রাংকিয়াল সিস্ট হলো গলার পাশে নরম, ব্যথাহীন একটি গুটি, যা সাধারণত জন্মগত কারণে তৈরি হয়। অনেক সময় ইনফেকশন হলে এটি ফুলে ওঠে, ব্যথা করে বা পুঁজ হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সমস্যা বাড়তে পারে।

লক্ষণ:

১)গলার পাশে নরম/ফোলা গুটি

২)মাঝে মাঝে ব্যথা

৩)ইনফেকশন হলে লালচে ভাব, জ্বর, পুঁজ

৪)গিলতে বা ঘাড় নড়াতে অস্বস্তি

কি করবেন?

১. বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন
ইএনটি (ENT) বিশেষজ্ঞ বা সার্জনের কাছে দ্রুত যান। সঠিক পরীক্ষা ছাড়া রোগ নির্ণয় সম্ভব নয়।

২. আল্ট্রাসনোগ্রাম বা সিটি-স্ক্যান
ডাক্তার প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম/সিটি স্ক্যান দিয়ে সিস্টের ধরন নির্ণয় করবেন।

৩. ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসা নিন
ইনফেকশন হলে অ্যান্টিবায়োটিক বা প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।

৪. স্থায়ী সমাধান – অপারেশন
ব্রাংকিয়াল সিস্টের স্থায়ী চিকিৎসা সাধারণত ছোট একটি মাইনর সার্জারি। এতে সিস্ট সম্পূর্ণভাবে কেটে ফেলা হয়।

❌যা করবেন না

❌১) নিজে চাপ দেবেন না
❌২) গরম/ঠান্ডা সেঁক দেবেন না
❌৩) ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ খেয়ে সময় নষ্ট করবেন না।

⚠️জরুরি লক্ষণ (এসব হলে দ্রুত হাসপাতালে যান):

⚠️১) দ্রুত গুটি বড় হয়ে যাওয়া
⚠️২) তীব্র ব্যথা বা পুঁজ বের হওয়া
⚠️৩) শ্বাসকষ্ট হওয়া

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত

♦নাসিরউদ্দীন মেমোরিয়াল হাসপাতাল, জিরানী, আশুলিয়া, প্রতি শুক্রবার বিকাল ৪ টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত

20/10/2025

আপনি সম্ভবত “Styloid process” (স্টাইলয়েড প্রসেস) সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। অনেকেই এটাকে ভুলে “টাইলয়েড” বা “টাইলোয়েড” বলে থাকেন।

🔹 Styloid process কী?

এটি আমাদের মাথার খুলি (temporal bone) থেকে নিচের দিকে বের হওয়া একটি চিকন হাড়ের অংশ।

এটি সাধারণত ২–৩ সেন্টিমিটার লম্বা হয়।

এর সাথে অনেক পেশী ও লিগামেন্ট (যেমন tongue, throat, pharynx-এর) সংযুক্ত থাকে।

🔹 সমস্যা কবে হয়? (Eagle’s syndrome)

যদি এই হাড়টি অতিরিক্ত লম্বা বা অস্বাভাবিক কোণে থাকে, তখন বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ অবস্থা পরিচিত Eagle’s Syndrome নামে।

উপসর্গঃ

গলায় বা কানপাশে ব্যথা

গিলতে সমস্যা

গলায় কাঁটার মতো কিছু আটকে আছে মনে হওয়া

কান বা মুখে ব্যথা ছড়ানো

মাথা ঘোরালে বা মুখ বড় করে খুললে অস্বস্তি

🔹 চিকিৎসা

1. প্রাথমিক চিকিৎসা

ব্যথা কমানোর ওষুধ (Pain killer, anti-inflammatory)

ফিজিওথেরাপি বা local steroid injection

গলার ব্যায়াম ও lifestyle পরিবর্তন

2. অপারেশন (Surgery)

যদি হাড়টি বেশি বড় হয় এবং ওষুধে কাজ না করে, তখন styloidectomy (হাড়ের অস্বাভাবিক অংশ কেটে ফেলা) করতে হয়।

অপারেশন দুইভাবে হতে পারে:

Intraoral approach (মুখের ভেতর দিয়ে)

External approach (গলার বাইরে কেটে)

👉 তাই, যদি শুধু ব্যথা বা সামান্য অস্বস্তি হয় তাহলে প্রথমে ওষুধে ও সাপোর্টিভ চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু বারবার ব্যথা, গিলতে সমস্যা বা স্নায়বিক সমস্যা তৈরি হলে অপারেশন দরকার হয়।

♦♦♦♦চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

ডা: মো: ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিএলও (ইএনটি) এফসিপিএস (এফপি)
নাক,কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড,নেক সার্জন

♦আনোয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

Address

Anowar Hospital And Diagnostic Center
Gazipur

Telephone

+8801819968025

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ মোঃ ইমরান হোসেন, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড, নেক সার্জন:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category