Nutritionist Helena Akter

Nutritionist Helena Akter Certified Nutritionist & Diet Consultant specializing in child nutrition, weight management, and personalized dietary solutions.

Dedicated to promoting lifelong healthy eating habits and informed choices for all age groups. Helena Akter is a passionate and dedicated Nutritionist & Diet Consultant specializing in child nutrition, maternal health, and therapeutic diet planning. With a strong academic background in Nutrition and Food Science and hands-on experience working in both clinical and field settings, Helena is committ

ed to helping individuals and families build healthier lives through informed dietary choices. As a mother herself, Helena brings empathy, real-life experience, and scientific knowledge into her counseling sessions. She understands the everyday challenges parents face and offers practical, personalized nutrition solutions that are both culturally appropriate and achievable.

বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামোর দিকে তাকালে একটি অদ্ভুত দ্বিচারিতা চোখে পড়ে। এখানে নারীর ত্যাগ কে পূজা করা হয়, কিন্তু নারীর আ...
08/03/2026

বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামোর দিকে তাকালে একটি অদ্ভুত দ্বিচারিতা চোখে পড়ে। এখানে নারীর ত্যাগ কে পূজা করা হয়, কিন্তু নারীর আত্মসম্মান কে দেখা হয় অবাধ্যতা বা হুমকি হিসেবে।

এদেশে সেই নারীই আদর্শ যিনি নিজের ইচ্ছা, ক্যারিয়ার বা ব্যক্তিগত ভালো লাগাকে পরিবারের জন্য বিসর্জন দিতে পারেন। আমরা সেই নারীকে মাথায় তুলে রাখি, যে মুখ বুজে সব সহ্য করে।
আসলে এই মায়া বা শ্রদ্ধা যতটা না ঐ নারীর প্রতি, তার চেয়ে বেশি তার নতজানু স্বভাবের প্রতি।
কারণ, তার এই ত্যাগ সমাজকে কোনো প্রশ্ন করে না।

এই ত্যাগের মহিমা কেবল মানসিক বা সামাজিক শোষণে সীমাবদ্ধ নয়, এটি নারীর শরীরের ওপরও এক ভয়াবহ আঘাত হানে। আমাদের দেশের ঘরে ঘরে আজও এক অলিখিত নিয়ম চলে। সবার শেষে নারী খাবেন, মাছের বড় টুকরোটি বা মাংসের বড় অংশটি স্বামী বা সন্তানের পাতে তুলে দিয়ে নিজে পড়ে থাকা সামান্য খাবার দিয়ে তৃপ্তির অভিনয় করাকেই আমরা আদর্শ নারীর গুণ বলে মানি।

এই নীরব বিসর্জনই তাকে ঠেলে দিচ্ছে এক ভয়াবহ অপুষ্টির চক্রে। নিজে না খেয়ে বা পুষ্টিকর খাবারগুলো পরিবারের পুরুষ সদস্যদের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে গিয়ে তারা প্রজনন স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে হাড়ের ক্ষয়জনিত নানা জটিলতায় পড়েন।

গবেষণা বলে, বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক নারী রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে ভোগেন। পুরুষের তুলনায় নারীর হাড়ের সমস্যা এবং অপুষ্টিজনিত ক্লান্তি অনেক বেশি হওয়ার পেছনে এই তথাকথিত সংসারের জন্য ত্যাগী হওয়ার সংস্কৃতিই দায়ী।

বিপত্তিটা ঘটে তখন, যখন একজন নারী নিজের অধিকার নিয়ে সচেতন হন। যখন তিনি নিজের বাউন্ডারি সেট করেন বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন।

​যে নারী নিজের মত প্রকাশ করেন, তাকে বলা হয় অহঙ্কারী।
​যে নারী নিজের ক্যারিয়ার বা স্বপ্নকে অগ্রাধিকার দেন, যে নারী মাছের মাথা নিজের পাতে তুলে নেন তাকে বলা হয় স্বার্থপর।
​যে নারী মাথা উঁচু করে কথা বলেন, তাকে দেখা হয় সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য এক প্রকার হুমকি হিসেবে।

পড়াশোনা, চাকরি বা আধুনিকতা কোনো কিছুই আমাদের মজ্জাগত এই নারীবিদ্বেষকে পুরোপুরি দূর করতে পারছে না।

বরং শিক্ষিত সমাজেই এই বিদ্বেষ আরও সুক্ষ্ম ও ভয়ংকর। একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারীকে দমিয়ে রাখতে চরিত্রহনন থেকে শুরু করে তাকে বেয়াদব তকমা দেওয়া সবই আমাদের চারপাশের নিত্যনৈমিত্তিক চিত্র।

যতদিন আমরা নারীর ত্যাগ কে মহিমান্বিত করে তাকে শোষণ করার প্রক্রিয়া চালু রাখব এবং তার ব্যক্তিত্ব কে ভয় পাব ততদিন আমরা একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে পারব না।

আমাদের দরকার এমন এক সমাজ, যেখানে নারীকে শুধু ত্যাগী হিসেবে নয়, বরং একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে এবং তার আত্মসম্মানসহ গ্রহণ করার মানসিকতা থাকবে।

©পুষ্টিবিদ হেলেনা আক্তার

ইফতারে জিলাপি ও চিনি: স্বাস্থ্যের ঝুঁকি​ইফতারে জিলাপি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ কিছু...
03/03/2026

ইফতারে জিলাপি ও চিনি: স্বাস্থ্যের ঝুঁকি

​ইফতারে জিলাপি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ কিছু ঝুঁকি তৈরি করতে পারে:

​রক্তে শর্করার দ্রুত বৃদ্ধি: সারাদিন খালি পেটে থাকার পর চিনিযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার (Blood Sugar) মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়। এটি শরীরের ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

​অতিরিক্ত ক্যালরি ও ওজন বৃদ্ধি: জিলাপি মূলত তেলে ভাজা হয় এবং পরে চিনির সিরায় ভেজানো থাকে। এটি শরীরে প্রচুর পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি ও চর্বি যোগ করে, যা দ্রুত ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়।

​হজমের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিক: তেলের ভাজা ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার ইফতারের পর পেট ফাঁপা, গ্যাস্ট্রিক বা বুক জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করতে পারে।

​শরীরে অবসাদ: মিষ্টি খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই রক্তে শর্করার মাত্রা আবার দ্রুত কমে যায়, ফলে শরীর ক্লান্ত ও ঝিমুনি ভাব অনুভব করে।


তাই সুস্থ থাকতে ইফতারে কৃত্রিম চিনির বদলে প্রাকৃতিক মিষ্টি যেমন: খেজুর, তরমুজ বা বেল ফলের শরবত খাওয়া অনেক বেশি নিরাপদ ও উপকারী।

©পুষ্টিবিদ হেলেনা আক্তার

27/02/2026

Warning: The Hidden Dangers of Reused Cooking Oil!
Did you know that reheating oil can create cancer-causing chemicals, increase heart attack and stroke risks, and damage your liver and kidneys?

ফেসবুকে ইদানীং তেল ছাকনি পাত্রের মাধ্যমে পোড়া তেল বারবার ব্যবহারের এক ভয়াবহ বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনগুলো বলছে, তেল...
27/02/2026

ফেসবুকে ইদানীং তেল ছাকনি পাত্রের মাধ্যমে পোড়া তেল বারবার ব্যবহারের এক ভয়াবহ বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনগুলো বলছে, তেল ছেকে ময়লা দূর করলেই তা পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হয়ে যায়।

​কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর মারাত্মক ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে!
​কেন পোড়া তেল ছেঁকে ব্যবহার করা বিষক্রিয়ার শামিল?

​বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিভিন্ন খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার (যেমন FSSAI) গবেষণা অনুযায়ী:

​১. ক্যান্সারের ঝুঁকি :

তেল বারবার উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করলে তাতে পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন (PAHs) এবং অ্যাক্রোলিন তৈরি হয়। এগুলো শক্তিশালী কার্সিনোজেন বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান।

​২. হৃদরোগ ও স্ট্রোক:

তেল পুনরায় গরম করলে এর ভেতরের ফ্যাটি অ্যাসিডের গঠন বদলে ট্রান্স ফ্যাট তৈরি হয়। এটি ধমনীতে রক্ত চলাচল বন্ধ করে সরাসরি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

​৩. লিভার ও কিডনির ক্ষতি:

পোড়া তেলে Total Polar Compounds (TPC) এর মাত্রা বেড়ে যায়। এই বিষাক্ত যৌগগুলো সরাসরি আমাদের লিভার ও কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

পোড়া তেল ​১০০ বার ছাকলেও বিষাক্ত রাসায়নিক দূর হয় না। ময়লা হয়তো ছাকনিতে আটকে যাবে, কিন্তু আণবিক স্তরের বিষ আপনার খাবারেই থেকে যাবে।

​ভাজাপোড়া করার সময় যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই তেল ব্যবহার করুন, যেন ভাজার পর আর তেল অবশিষ্ট না থাকে। থাকলেও ফেলে দিন।

কয়েক টাকার তেল বাচাতে গিয়ে লক্ষ টাকার চিকিৎসা এবং অমূল্য জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলবেন না।

​শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদের এই ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করুন।

©পুষ্টিবিদ হেলেনা আক্তার

বাংলাদেশের গতানুগতিক ইফতার কালচার অনেকটা স্বাদের জয়, স্বাস্থ্যের পরাজয় এর মতো। দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর আমরা হুট করে...
24/02/2026

বাংলাদেশের গতানুগতিক ইফতার কালচার অনেকটা স্বাদের জয়, স্বাস্থ্যের পরাজয় এর মতো। দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর আমরা হুট করে এমন কিছু খাবার গ্রহণ করি যা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়ার ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি করে।

পিয়াজু, বেগুনি, চপ আর ছোলার ঘ্রাণে চারপাশ ম ম করে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, সারা দিন রোজা রেখে খালি পেটে আমরা যা খাচ্ছি, তা আমাদের শরীরের জন্য কতটা নিরাপদ?

আমাদের চিরাচরিত ইফতার কালচারে ছোট কিছু পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। কেন?

➡️ সারা দিন না খেয়ে থাকার পর পাকস্থলী খুব সংবেদনশীল থাকে। হুট করে অতিরিক্ত তেল ও মশলাযুক্ত খাবার খেলে বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি হওয়াই স্বাভাবিক।

➡️ কৃত্রিম রঙের শরবত বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়িয়ে দেয়, যা শরীরের জন্য ক্লান্তিকর।

➡️ দোকানের বেগুনি বা পিয়াজু ভাজতে প্রায়ই একই তেল বারবার ব্যবহার করা হয়, যা শরীরে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান ও কোলেস্টেরল বাড়ায়।

➡️ শুধু দোকানেরই নয়, ঘরের ডুবো তেলে ভাজা এই খাবারগুলোও একইভাবে আমাদের পেটের অসুখ আর অ্যাসিডিটি বাড়ায়, এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আগুনের সামনে দাঁড়িয়ে ডজনখানেক পিয়াজু, বেগুনি আর চপ ভাজা একজন রোজাদারের জন্য চরম ক্লান্তিকরও বটে!

অতিরিক্ত পদের রান্নার চাপে পরিবারের নারীরা কুরআন তিলওয়াত বা বিশ্রামের পর্যাপ্ত সময় পান না।

ইফতারে আমরা একবারে অনেক বেশি খেয়ে ফেলি। কিন্তু সুস্থ থাকতে ইফতার এবং সেহেরির মাঝখানের সময়টাতে পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং ইফতারে ভাজাপোড়ার বদলে প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি।

রাসূল (সা.) এর ইফতার ছিল অত্যন্ত সাধারণ।তিনি সম্ভব হলে কয়েকটি তাজা খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করতেন।
​তাজা খেজুর না থাকলে শুকনো খেজুর গ্রহণ করতেন।
​আর খেজুর না থাকলে কয়েক ঢোক সাধারণ পানি দিয়ে ইফতার শেষ করতেন।
রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ অনুসরণ করলে ঘরের নারীদের আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত আগুনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো না। তারা ইবাদত ও জিকিরে সময় দিতে পারতেন।

আসুন, এই রমজানে ইফতার কালচার বদলে ফেলি:

➡️ ​খেজুর ও পানি দিয়ে শুরু:

রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ মেনে খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করি।

➡️ ​ফলের আধিক্য:

প্লেটের অর্ধেকটা রাখি সিজনাল ফল (তরমুজ, পেঁপে, বাঙ্গি, কলা) দিয়ে। এটি শরীরের পানি ও খনিজ লবণের ঘাটতি মেটাবে।

➡️ ​ভাজাপোড়ার বিকল্প:

বেগুনি, চপ ও শুকনো মুড়ি প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে ১-২ দিন রাখুন। বাকি দিনগুলোতে দই-চিঁড়া, সেদ্ধ ছোলা বা স্যুপ ট্রাই করতে পারেন।

➡️ ইফতারের মেন্যু ছোট করি। অন্তত সপ্তাহে ৫ দিন ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে 'হেলদি ইফতার' মেন্যু ফলো করি।

​➡️ ফল কাটা বা শরবত বানানোর কাজে পরিবারের পুরুষ সদস্যরাও হাত বাড়াই। ইবাদতের সওয়াব ভাগ করে নেই।

​তেল-মশলা বর্জন করি, সুস্থ দেহ গঠন করি। খেজুর, পানি, টাটকা ফল, ইফতারে আসুক আসল বল।

আপনার পরিবারের ইফতার মেন্যুতে কি পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছেন?

©পুষ্টিবিদ হেলেনা আক্তার

মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!​বায়ান্নর সেই উত্তাল দিনগুলো আমাদের শিখিয়েছিল কীভাবে অধিকার আদায় করতে হয়। আজ সেই ...
21/02/2026

মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!

​বায়ান্নর সেই উত্তাল দিনগুলো আমাদের শিখিয়েছিল কীভাবে অধিকার আদায় করতে হয়। আজ সেই মহান বীরদের স্মরণের দিন।
শহীদের রক্তে ভেজা একুশ হোক আমাদের প্রেরণা।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...

সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

18/02/2026

রমজান মোবারক!
​সংযম আর আত্মশুদ্ধির পবিত্র মাস আমাদের মাঝে সমাগত।

এই রমজানে ইফতার হোক শরীরের জন্য 'সজীবতা ফেরানোর মাধ্যম', অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খেয়ে 'শরীরের ওপর বাড়তি চাপ' নয়।

​সঠিক খাদ্যাভ্যাস আর নিয়ম মেনে সুস্থভাবে রোজা রাখুন।
আপনার সুস্থতা ও সুন্দর জীবনের কামনায় রইলো পবিত্র রমজানের অনেক অনেক শুভেচ্ছা!

17/02/2026
শিশুদের ২ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের খাবারে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চিনি নয়।এমনকি ৩ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের খাব...
09/02/2026

শিশুদের ২ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের খাবারে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চিনি নয়।
এমনকি ৩ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের খাবারে অতিরিক্ত চিনি সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলাই উত্তম। কারণ এই সময়কালে শিশুদের খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাদের পছন্দ গঠিত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো স্ক্রিন টাইম না দেওয়ার পরামর্শ দেয়।
২-৫ বছর বয়সীদের জন্য দৈনিক ১ ঘণ্টার বেশি নয়। এবং অবশ্যই কোনভাবে ডিভাইসের কন্ট্রোল শিশুর হাতে দেয়া যাবে না।
শিশুদের হাতে স্ক্রিনের বদলে বই, রঙ পেন্সিল, ব্লকস, পাজল, রান্নাবাটির খেলনা বা খেলার সামগ্রী তুলে দিন। এবং বড়রা শিশুদের সাথে এসব খেলনা দিয়ে খেলুন।
শিশুর সামনে নিজে স্ক্রিন দেখবেন না।

Lets Choose a Sugar-free & Screen-free Childhood for our children.


লেডিস ক্লাব ৩১ জানুয়ারি ২০২৬         বিষয়ঃ স্বাদ ও মমতাআপনিও (শুধু নারীরা) আড্ডায় যুক্ত হতে পারেন জুমে: ID : 865 379 286...
30/01/2026

লেডিস ক্লাব
৩১ জানুয়ারি ২০২৬

বিষয়ঃ স্বাদ ও মমতা

আপনিও (শুধু নারীরা) আড্ডায় যুক্ত হতে পারেন জুমে: ID : 865 379 2861
Pass : 1234
ফোনে যুক্ত হতে পারেন (শুধু নারীরা): 09666791234
গ্রুপে যুক্ত হতে (শুধু নারীরা): https://www.facebook.com/groups/nexusladiesclub
Connect with us
Youtube: https://www.youtube.com/NexusTelevisionbd

Big thanks to the team at Nutrilearnbd for the lovely gift set! It’s a great reminder that health is a daily commitment....
07/01/2026

Big thanks to the team at Nutrilearnbd for the lovely gift set! It’s a great reminder that health is a daily commitment.
Looking forward to continuing the journey of learning and wellness.

I am delighted to receive this thoughtful and delicious complimentary gift.My sincere thanks to BNWA-Bangladesh Nutritio...
24/11/2025

I am delighted to receive this thoughtful and delicious complimentary gift.
My sincere thanks to BNWA-Bangladesh Nutrition & Wellness Academy for inviting me as a jury member to the "Nutri Debate Championship 2025"
and for this generous token of appreciation.

It was truly an honor to be part of this educational initiative.

Address

Gazipur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Helena Akter posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category