MD: Sumon Sha 0.1

MD: Sumon Sha 0.1 Dr.Sumon sha

04/04/2024

ঘুমের মধ্যেই পায়ে হঠাত্‍ হ্যাঁচকা টান। থাই ও কাফ মাসলে ক্র্যাম্প।

ব্যথার চোটে ঘুম নিমেষেই গায়েব। প্রবল ব্যথায় কার্যত ডাক ছেড়ে কাঁদার মতো অবস্থা। আস্তে আস্তে কিছুক্ষণ পরে ব্যথাটা চলে যায় ঠিকই। কিন্তু তার পরেও রয়ে যায় হালকা একটা ব্যথা।
বিশেষেজ্ঞদের দাবি, ৩টি কারণে ঘুমের মধ্যে পায়ে ক্র্যাম্পের সমস্যা হয়। প্রথম কারণ, ডিহাইড্রেশন অর্থাত্‍ শরীরে পানির অভাব। দ্বিতীয় কারণ, পটাসিয়ামের অভাব। তৃতীয় কারণ, ম্যাগনেসিয়ামের অভাব।

তবে খুব সহজে ঘরোয়া কৌশলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জানে নিন সেই সম্পর্কে-

১। পানির অভাব থেকে মুক্তির সবচেয়ে কার্যকর ও সহজ উপায়, বেশি করে পানি খাওয়া। তবে সারাদিন ধরে যদি পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব না হয়, তাহলে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হালকা গরম পানি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হালকা গরম পানির তাপমাত্রা আমাদের শরীরের রক্তের তাপমাত্রার কাছাকাছি। ফলে গরম পানি অতি দ্রুত মাংসপেশি শোষণ করে নিতে পারে। ডিহাইড্রেশন থেকেও তাই দ্রুত মুক্তি মেলে।

২। পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে। পালং শাক, মিষ্টি আলু, নারকেলের দুধ, দই, কলা, মাশরুম বেশি করে খেলে শরীরে পটাসিয়ামের ঘাটতি মেটে।

৩। মাছ, ডার্ক চকোলেট, পালং শাক, মুসুর ডাল, কুমড়ো বীজ, বাদাম, ঝোলাগুড় প্রভৃতি খাবারে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এইসব খাবার বেশি করে খেলে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব মিটবে।

04/04/2024

কিঞ্চিত 18+
1. প্রস্রাব করার পর পুরুষের শরীর ঝাঁকি দেয়,
সেটা শরীরের একটা স্বাভাবিক কার্য। কারন আমরা জানি- পুরুষের টুনটুনির (পুরুষাঙ্গ) দুই কাজ , ইউরিনেশন ও জননাঙ্গ ।তাই এক কার্য করতে গেলে আরেক কার্যের গেট বন্ধ করা লাগে। তাই প্রস্রাবের রাস্তার মাঝে সেই গেট বা ইউরেথ্রাল ভাল্ভ থাকে । যখন প্রস্রাব শেষ হয় , তখন ঐ ভাল্ভ ক্লোজ হয় এবং ইউরেথ্রাল অবশিষ্ট ইউরিনকে বের করতে পুরো শরীরের একটা মিনিমাম খিঁচুনি ভাব হয় । প্রস্রাবের বেগ থাকলে সেইবার বেশী হয় এমন। যা আমাদের অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। একে “পোস্ট মিকচুরিশন কনভালশন” ও বলা হয়ে থাকে। যা শরীরেরর জন্য খুবি স্বাভাবিক মেকানিজম।
একে যদি কেউ রোগ বলে তাবিজ ব্যবসা করে তাকে জোচ্চুরি ছাড়া কিছু বলা যায় না।
2 .ঠান্ডা পানিতে নামলে শরীর কাঁপে । এটাও
আমাদের শরীরের জন্য একটা প্রোটেক্টিভ উপায়। কারন হঠাৎ অতিরিক্ত ঠান্ডায় গেলে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা খুব দ্রুত কমে যায়। কিন্তু আমাদের শরীরের তাপমাত্রা কন্ট্রোল হয় ব্রেইনের হাইপোথ্যালামাস দিয়ে।
হাইপোথ্যালামাস তাপমাত্রা ব্যালেন্স করার জন্য শরীরের কিছু মেজানিজম চালু করে। তার মধ্যে একটা হলো – “শিভারিং বা ইনভলান্টারি মাসল কন্ট্রাকশন” ।
আমরা জানি মাসল কন্ট্রাকশনে যে এনার্জি তৈরি হয়, তা হিট বা তাপমাত্রায় রূপান্তরিত হয়। যা আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায় । সুতরাং অনেক ঠান্ডায় শরীর কাঁপা শরীরের নরমাল ফিজিওলজি। কেউ যদি শরীরে নরমাল ঘটনাকে রোগ সাজিয়ে চিকিৎসা করে তার পাছা এসিড দিয়া পোড়াই দেয়া উচিত।।
3. সবচেয়ে মারাত্মক জোচ্চুরি করে যেই গোপন বিষয়টা নিয়ে সেটা হলো- 'যৌন দূর্বলতা" র দোহাই । কারন তারা আপনাকে এমন কিছু উদাহরণ দিবে, সেটা শুনার পর “আপনার নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে দূর্বল পুরুষ মনে হবে”।
ঐ সব ব্যবসায়ী হকাররা প্রথমে আপনার ব্রেইন ওয়াশ করে নিবে , পরে পকেট কেটে নিবে।
আমাদের দেশে যেহেতু উন্নত বিশ্বের মত সেক্স এডুকেশন সিস্টেম নাই, সুতরাং মানব শরীরের যৌন ধারনা আসে বন্ধুর গল্প, পর্ন মুভি ও কিছু বই ইন্টারনেট ঘেটে। এতে করে সব কিছুই মুভিকে স্ট্যান্ডার্ড মনে করে । মুভিতে নায়ক দুই ঘন্টা সক্ষম, কিন্তু বাস্তবে দুই মিনিট
সক্ষম না। তার মানে এখানেই দূর্বলতা আছে ভেবেই ভিড়ে ঐ ভন্ডদের কাছে। আর ঐ ভন্ডরাও মানুষের মাইন্ড রিড করে ওখানেই আঘাত করে। দূর্বল প্রমাণ করেই ছাড়ে আপনাকে।
4 . “প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন” এর ভয় ৯৯% পুরুষ মানুষের মনে। তারা ভাবে "পর্ন সিনেমা" ঘন্টা খানেক, কিন্তু নিজের বেলায় কয়েক মিনিটের। । তাহলে নিশচয় নিজের দূর্বলতা আছে।
এমনকি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন ইত্যাদি দোহাই
ঠেলে দেয়। কিন্তু মেডিকেল সাইন্স বলে প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশনের সংজ্ঞাও দিয়ে দিয়েছেন। international Classification of disease -10 অনুযায়ী – সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সের সময় ১৫ সেকেন্ডের কম হলে তাকে প্রিম্যাচুর বলে। তবে ইন্টারন্যাশনাল ইউরোলজি স্ট্যান্ডার্ড টাইম হলো ৪-৮ মিনিট । এই ভ্রান্ত ধারনার জন্য লাখো কোটি মানুষ ভুল চিকিৎসা নিচ্ছেন । অপ্রয়োজনে ডাক্তারের পিছনে দৌড়াচ্ছেন, অকারনে ডিপ্রেশনে আছেন, আংটি তাবিজের ব্যবসাকে রমরমা করে দিচ্ছেন । অথচ সুস্থ্য শরীরকে মানসিক রোগী বানাচ্ছেন ফ্রি।
সুতরাং- সবাই নিজে সচেতন হতে ও আশে
পাশের মানুষকে ভ্রান্ত ধারনা হতে মুক্তি পেতে
সাহায্য করুন। ব্যাখ্যার প্রয়োজনে কিছু সেন্সরড
শব্দ ব্যবহারের জন্য দুঃখিত। সবাই ক্ষমাসুন্দর
দৃষ্টিতে দেখবেন।

04/04/2024

কোন ভিটামিনের অভাবে কি কি রোগ হয়?(গুরুত্বপূর্ণ)
১. হাড়ের ক্ষয়
ভিটামিন ডি এর অভাবে হাড়ের ক্ষয় হতে পারে।শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।ভিটামিন ডি সূর্য আলো থেকে এবং সামুদ্রিক মাছে বেশি পরিমানে থাকে। এছাড়া , বাজারে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে পাওয়া যায়।
এছাড়া ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের ক্ষয় হতে পারে। ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার হচ্ছে দুধ, দই, ডিম, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি।

২.হাত পা ঝি ঝি করা, হাতে পায়ে জ্বালা পোড়া করা কিংবা অবশ অবশ লাগতে পারে ভিটামিন বি ১,২,৬ এর অভাবে । পেশীতে টান অনুভব করতে পারেন।

৩.রক্তশূণ্যতা
এছাড়া আয়রন,ভিটামিন ১২ এবং ফলিক এসিডের অভাবে হতে পারে।
-আয়রন যুক্ত খাবারগুলো হচ্ছে যেমন লালশাক, পালংশাক, গাঁজর,বিট ইত্যাদি।
-ভিটামিন বি সাধারণত সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ থেকে পাওয়া যায়।

৪. অতিরিক্ত চুল পড়া ও পেকে যেতে পারে ভিটামিন বি ৭, ভিটামিন এ, ই ডি এর অভাবে।

৫.রাতকানাঃ
ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে।

৬. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ভিটামিন সি, ই,জিংক, ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড.
-vitamins C পাচ্ছেন সেকোন টক জাতীয় খাবার। পেয়ারা, কমলা, মালটা, আমলকি,

-জিংক পাচ্ছেন যেমনঃলাল মাংস, ডিম,দুধ, পেয়ারা,কালোজাম,কাজু বাদাম,মাসরুম,কুমড়া ইত্যাদি।

-ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড পাচ্ছেন সামুদ্রিক তেলযুক্ত মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে....

04/04/2024
30/03/2024

🩺 ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায়:
১. পর্যাপ্ত ঘুমানো
২. চাপ মুক্ত থাকা
৩. শারীরিক পরিশ্রম করুন
৪. দৈনিক কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন
৫. তামাকজাত দ্রব্য, অ্যালকোহল ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য পরিহার করুন
৬. বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
৭. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন
৮. প্রতি বেলার খাবার খেতে হবে সময়মতো ও পরিমানমতো
৯. আঁশযুক্ত গোটা শস্য খাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে
১০. অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার পরিহার করুন
১১. প্রতিদিন কিছু পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খান
১২. ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয় পরিহার করুন
১৩. প্রতিদিন পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ আর্সেনিকমুক্ত পানি পান করুন
১৪. একটানা অধিক সময় বসে কাজ করবেন না
১৫. চিনি ও মিষ্টি পরিহার, শর্করা জাতীয় খাবার কম খাওয়া
১৬. রক্তের গ্লুকোজ, লিপিড, রক্তচাপ ও ওজন অবশ্যই লক্ষ্যমাত্রায় রাখতে হবে

#ডায়াবেটিস #স্বাস্থ্য #শরীর #জাংকফুড #শারীরিকক্রিয়া #চিকিৎসা #পরামর্শ #স্বাস্থ্যপরামর্শ #পরিবর্তন #সচেতনতা #সুস্থজীবন #পুনঃপ্রারম্ভ #পরিবর্তনশীলজীবন

30/03/2024

🧂 অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের কুফল 🧂

লবণ খাদ্যের একটি অপরিহার্য উপাদান। খাবারে লবণের পরিমাণ কম বা বেশি হলে নষ্ট হয় খাবারের স্বাদ। তবে অনেকেই ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ খেতে পছন্দ করেন, অনেকে আবার তরকারি রান্নার সময়ও প্রয়োজনের থেকে একটু বেশি লবণ ব্যবহার করেন। যেটি একদম ঠিক নয়।

খাদ্যে লবণের পরিমাণ সীমিত রাখা ভালো। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। একজন মানুষ প্রতিদিন কতটুকু লবণ খেতে পারবেন এবং অতিরিক্ত লবণ শরীরের কী ক্ষতি করে এ বিষয়ে আমাদের জানতে হবে।

খাবার লবণ হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড। প্রতিদিন সোডিয়াম ক্লোরাইড গ্রহণের মাত্রা ২ হাজার ৪০০ মিলিগ্রামের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে, লবণের হিসেবে ৬ গ্রাম বা ১ চা চামচের সমান। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী দিনে ৫ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। নিচের তালিকায় দৈনিক কতটুকু লবণ খাওয়া যাবে সেটি তুলে ধরা হয়েছে -

* ১১ বছর ও অধিক - ৬ গ্ৰাম
* ৭-১০ বছর - ৫ গ্ৰাম
* ৪-৬ বছর - ‌৩ গ্ৰাম
* ২-৩ বছর -২ গ্ৰাম

লবণ গ্রহণের পরিমাণ অতিরিক্ত হলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া যাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ আছে তাদের খাবারে লবণের পরিমাণ সঠিক না থাকলে অবস্থার অবনতি হতে পারে।

অতিরিক্ত লবণ শরীরের কী কী ক্ষতি করতে পারে?
☄️স্বাস্থ্য গবেষকদের মতে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে কাঁচা লবণ।
☄️অতিরিক্ত লবণ খাওয়া হলে রক্তচাপ বৃদ্ধি, পেটে ক্যান্সার, স্থূলতা, এমনকি হাঁপানির সমস্যা দেখা দেয়।
☄️খাবারে বাড়তি লবণ খাওয়া হলে হৃদপিণ্ড ও কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
☄️অতিরিক্ত লবণ খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে এবং মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
☄️লবণ মানেই সোডিয়াম। রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে মস্তিষ্কে রক্তের প্রবাহ কমতে শুরু করে।
☄️লবণ বেশি খেলে ব্লাড প্রেসার বাড়ে। যার কারণে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের আশঙ্কা দেখা দেয়।
☄️নানাবিধ হার্টের রোগ ও ব্রেইন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
☄️শরীরে লবণের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে হাড়ের ক্ষমতা কমতে থাকে, দেখা দিতে পারে অস্টিওপোরোসিস।

বিভিন্ন রকম ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে খাবারে পরিমিত পরিমাণে লবণ ব্যবহার করতে হবে।

30/03/2024

টিপস গুলো লাগবেই সবসময়ঃ(টাইমলাইনে রেখে দিন)
👉গাড়ীতে চড়লে বমি হয়?
গাড়ী চড়ার সময় কোন লেখা পড়বেন না।মোবাইলে চ্যাট করবেন না যা আপনার মোশন সিকনেসকে উদ্রেক করবে। মাথা ঘুরালে বা বমির ভাব হলেই চোখ বন্ধ করে সিটের হেলান দিয়ে বসে থাকুন। প্রয়োজনে Tab Joytrip 300mg এটি খেতে পারেন।

👉খুশকি হয়েছে?
প্রাথমিকভাবে Dancel shampoo ব্যবহার করুন। ঘাম থেকে ১০০% দূরে থাকুন।

👉মাসিকের সময় ব্যথা হচ্ছে?
মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথায় Tab Algin 50mg এই ট্যাবলেটটি খেতে পারেন। না কমলে অবশ্যই গাইনী ডাক্তার দেখাবেন।

👉প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করছে?
২.৫-৩ লিটার পানি খান। প্রস্রাব আটকে রাখবেন না। ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা চেক করুন।

👉হেঁচকি উঠেছে?
১-২ গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন কিংবা ২০-৩০ সেকেন্ড শ্বাস নেয়া বন্ধ রাখুন এবং তারপর ১ গ্লাস পানি খেয়ে নিন।

👉কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে?
২.৫ - ৩ লিটার পানি ও প্রচুর শাকসবজি খান। প্রতিবেলা খাবারের পর বৈরাতি হাটা হাটুন ২০-৩০ মিনিট। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১ গ্লাস পানি খেয়ে ৩০-৪০ মিনিট দ্রুতগতিতে হাটুন।

👉পা ফুলে গেছে?
রাতে ঘুমানোর সময় পায়ের নিচে বালিশ রেখে ঘুমান। তাতে পায়ের ফোলা কমবে।

👉ঘাড়ে ব্যথা? ঘাড় কামড়ায়?
নরম বালিশ ও নরম বিছানা পরিহার করুন। গরম পানির ব্যাগ দিয়ে সেক দিন।

👉হাটতে সমস্যা নেই। হাটতেও ভাল লাগে?
হাটুন,হোক সেটা ১-২ ঘন্টা কিংবা ৩০মিনিট।

👉হঠাৎ পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে?
বরফের সেক দিন এবং পায়ের নিচে বালিশ রেখে সোজা হয়ে শুয়ে থাকুন।

👉প্রেসার কমে গেছে?
১ টি স্যালাইন আধা লিটার পানিতে গুলিয়ে খেয়ে নিন দ্রুত।

👉হঠাৎ বসা থেকে উঠলে মাথা ঘোরে?
বসা থেকে উঠা ধীরে করুন কিংবা শোয়া থেকে ধীরে ধীরে বসুন। প্রেসার,ডায়াবেটিস চেক করুন।

👉জ্বর হয়েছে?
জ্বর ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি হলে খাবেন প্যারাসিটামল টাবলেট ৫০০মিগ্রি প্রাপ্তবয়স্করা। আর ১০২ ডিগ্রি হলে পায়ুপথে সাপোজিটরী ব্যবহার করবেন।

👉খুশখুশে কাশি হয়েছে?
লবণ ও হাল্কা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করবেন।আদা,লেবু,লাল চা খাবেন। প্রচলিত কাশির সিরাপের চেয়ে গড়গড়া করা দ্বিগুণ কাজ করে।

👉বমি বমি ভাব হচ্ছে?
চোখ বন্ধ করে অন্ধকার রুমে শুয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। কিছুটা লেবু খেতে পারেন।

ডায়াবেটিস পেশেন্টের  কার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে?ডায়াবেটিস ব্যতীত যাদের জন্য ফিজিওলজিকাল কারণে  রোজা না  রাখার অনু...
20/03/2024

ডায়াবেটিস পেশেন্টের কার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে?

ডায়াবেটিস ব্যতীত যাদের জন্য ফিজিওলজিকাল কারণে রোজা না রাখার অনুমতি আছে...

১.. যারা প্রেগন্যান্সির 1st and 3rd Trimester
তথা প্রথম ৩ মাস ও শেষ ৩ মাস-

2nd trimester e রোজা রাখতে পারে,
এইটা সেফ, তবে না রাখলেও গুনাহ হবেনা, পরে কাযা করে নিবে-

1st and 3rd trimester এ না রাখার অনুমতি আছে যদি বাচ্চা এবং মায়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়,

ল্যাকটেশনের ১ম ৬ মাস রোজা না রাখার অনুমতি আছে, ,
যদি বাচ্চার অসুস্থ হয়ে যাবার ভয় থাকে, কিংবা মায়ের অসুস্থ হয়ে যাবার ভয় থাকে, এই সময় বাচ্চার exclusive breast feeding পরে কাযা করে নিবে,

DM related... যেখানে রোজা রাখবেনা-

DM with neuropathy থাকলে রোজা রাখবেনা,?

কিভাবে বুঝবে?

একজন ডায়াবেটিস পেশেন্টের শারিরীক অবস্থা এই পর্যায়ে চলে গেছে, যে চোখ বন্ধ করলে ঘুরে পড়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে নিউরোপ্যাথি ডেভেলপ করেছে,

ডায়াবেটিস পেশেন্টের foot sensation না থাকলে রোজা রাখবেনা, ফিদিয়া দিবে,

Advance retinopathy হলে রোজা রাখবেনা,
যখন ভেসেল proliferative হয়ে যায়, অথবা যখন রেটিনাল হেমোরেজ হয়

Advance nepropahty হলে রোজা রাখবেনা,
কিভাবে বুঝবে ---

CCR (creatinine clearance Rate) 45 এর নিছে চলে গেলে রোজা না রাখার অনুমতি আছে,

CKD patient এর Erythropoietin therypy লাগতেছে, তারা রোজা রাখবেনা,

পেশেন্ট এর ফসফেট লেভেল 5mg/dl এর বেশি হলে

সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন ডেভেলপ করলে রোজা না রাখার অনুমতি আছে--

Cardiopathy..
শেষ এক মাসে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা,হলে রোজা রাখবেনা

ডায়াবেটিক ফুট আলসার অথবা গ্যাংরিন থাকলে রোজা রাখবেনা,

শেষ এক মাসে ডায়াবিটিক কিটোএসিডোসিস অথবা হাইপার গ্লাইসেমিক হাইপার অসমোলার নন কিটোটিক কমা হয়ে থাকলে রোজা রাখবেনা-

অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি হলে রোজা রাখবেনা,

কিভাবে বুঝবেন?
Recurrent Diarrhoea, অথবা constipation হলে
Postural drop থাকলে
Urinary frequency, urgency থাকলে রোজা রাখবেনা,

hypoglycemia হলে রোজা রাখবেনা,

palpitation,
Tremor sweating হলে রাখবেনা

পেশেন্টের Very poor control Diabetes থাকলে,

যথা
RBS 16.6 এর উপরে পাওয়া যায়,

ডায়াবেটিস এর সাথে আর কোন রোগ থাকলে রোজা রাখবেনা-.

Head -
সাইকিয়াট্রিক illness থাকলে,
যথা সিজোফ্রেনিয়া /বাই পোলার মুড ডিজ অর্ডার থাকলে রোজা রাখবেনা,

হার্ট- History of MI last one month থাকলে রোজা রাখবেনা-

Lungs - সিভিয়ার পালমোনারি টিভি থাকলে রোজা রাখবেনা,

TB with complication like effusion, pnuomothorax, etc থাকলে বুঝবে Severe TB

সিভিয়ার ব্রংকিয়াল অ্যাজমা

মিনিমাম এক্সারসাইজ এ শ্বাসকষ্ট
তথা গ্রেড ৩ shortness of breathing থাকলে রোজা রাখবেনা,
যেমন বিচানা থেকে উঠে বাথরুমে গেলে শ্বাসকষ্ট হয়, অর্থাৎ অল্প একটু হাঁটলে শ্বাসকষ্ট হলে-

abdomen -
Repeated stone ডিজিজ এর হিস্ট্রি থাকলে,

গত এক মাসে Renal stone এর হিস্ট্রি থাকলে রোজা রাখবেনা

লিভার-
sgpt >100 এর উপরে থাকলে রোজা রাখবেনা,
cLd... রোগী রোজা রাখবেনা,

jaundice + Chirosis থাকলে,

cancer patient রোজা রাখবেনা,

acute Acitive peptice ulcer disease with DM
থাকলে রোজা রাখবেনা--

Sepsis/critical infection থাকলে রোজা রাখবেনা

20/03/2024

Blood 🩸 Pressure বা রক্তচাপ মাপার আগে কিছু বিষয় সবাইকে মানতে হবে না হলে ভুল হবার সম্ভাবনা বেশী।
আসুন জেনে নেই রক্তচাপ মাপার আগে বা মাপার সময় কি
করা উচিত নয়:

হঠাৎ যে কোন অবস্থায় রক্তচাপ মাপবেন না।
ধূমপান, মদ্যপানের পর না।
চা,কফি খাবার পর না।
মাপার পূর্বে ৩০ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।
মাপার সময় কথা বলবেন না।
মানসিক অশান্তি ও উত্তেজনার সময় না।
কমপক্ষে পাঁচ মিনিট মানসিক বিশ্রাম নেবেন।
রাগান্বিত বা পরিশ্রমের পর না।
প্রস্রাবের চাপ থাকলে না।
দাঁড়িয়ে মাপবেন না।
চেয়ারে বসে,মেঝেতে পা এবং টেবিলে হাত রেখে মাপাবেন
কাপড়ের উপর দিয়ে মাপলে সঠিক হবে না।
বেশী গরম বা ঠান্ডা জায়গায় না।
.
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোন জরুরী অবস্থায় তখন অবস্থা বুঝে রক্তচাপ মাপতে হবে যেমন স্ট্রোক, হৃদরোগে আক্রান্ত, দৃষ্টি শক্তির সমস্যা, কিডনীর সমস্যা ইত্যাদি।এসব ক্ষেত্রে রোগীর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হয়।c/p

17/03/2024

Part.1আমাদের দেশে প্রতি ৫ জন এডাল্ট মানুষের ১ জন কৃমিতে আক্রান্ত। বাচ্চাদের বেলায় এই হারটা অনেক বেশি। ছোট বাচ্চাদের বেশি সংক্রমণ করে সুতাকৃমি, এছাড়াও বক্র কৃমি, গোল কৃমি, হুইপ ওয়ার্ম আমাদের দেশে কমন। চলুন জেনে নেই কি কি উপসর্গ দেখা দিতে পারে কৃমির সংক্রমণে

17/03/2024

Part 2.বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃমির সংক্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়না। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যেসব উপসর্গ পরিলক্ষিত হয় সেগুলো হলোঃ

ওজন কমে যাওয়া

পেটে হালকা ব্যাথা হওয়া

বমি বমি ভাব হওয়া

খিটখিটে আচরণ বেড়ে যাওয়া

বমি বা কাশি হওয়া

মলদ্বারে চুলকানি হওয়া

চুলকানির কারণে ঘুম কমে যাওয়া

পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া

মেয়ে বাচ্চাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ বেরে যাওয়া এবং প্রস্রাবের সময় ব্যাথা হওয়া।

অন্ত্রে ক্ষত সৃষ্টি করে রক্তপাত করা এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়া

রুচি চলে যাওয়া, খাওয়া কমে যাওয়া

খাবার হজম না হওয়াতে ডায়ারিয়া হওয়া

পিকা বা খাওয়ার জিনিস নয় সেসব খেতে চাওয়ার আগ্রহ (যেমন মাটি)

17/03/2024

Part 3 .কিভাবে বাচ্চা কৃমিতে আক্রান্ত হতে পারে?

দূষিত মাটি, পানি থেকে মানুষ কৃমিতে আক্রান্ত হয় বেশি। এছাড়া বাজার থেকে আনা শাক সবজি মাছ মাংস ঠিক ভাবে না ধুয়ে খেলে বা অর্ধ সিদ্ধ খাবার খেলে কৃমির সংক্রামন হতে পারে। সাধারণত মাটি বা পানি থেকে কৃমির ডিম বা লার্ভা বাচ্চা বা বড় মানুষের হাত বা পায়ে লেগে যায়। কিছু সময় এসব লার্ভা হাত থেকে মুখের মাধ্যমে অন্ত্র চলে যায়। কিছু ক্ষেত্রে এসব লার্ভা স্কিন ভেদ করে শরীরে প্রবেশ করে।

Address

Mymensing
Jamalpur Sadar Upazila

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD: Sumon Sha 0.1 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram