Dietitian Nusrat Karim Arifa

Dietitian Nusrat Karim Arifa Dietitian & Nutritionist

❓❓❓বাংলাদেশের মানুষের পাকস্থলী কেন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে❓❓❓একটু খেয়াল করে দেখুন—আজ বাংলাদেশে ১০ জনে ৭ জনই কোনো না কোনো পেটে...
16/01/2026

❓❓❓বাংলাদেশের মানুষের পাকস্থলী কেন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে❓❓❓

একটু খেয়াল করে দেখুন—আজ বাংলাদেশে ১০ জনে ৭ জনই কোনো না কোনো পেটের সমস্যায় ভুগছেন।

পাকস্থলী শুধু হজমের অঙ্গ নয়—
এটাই পুরো শরীরের সুস্থতার ভিত্তি।

আজ গ্যাস, এসিডিটি, বদহজম, আলসার—এসবকে আমরা খুব সহজেই “সাধারণ সমস্যা” বলে এড়িয়ে যাই।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
👉 পাকস্থলীর স্বাভাবিক অবস্থা নষ্ট হওয়া
👉 প্রতিদিন হজমে সমস্যা হওয়া
👉 খাবারের পর অস্বস্তি লাগা
এসব কি সত্যিই স্বাভাবিক?

বাস্তবতা হলো—
❌ অনিয়মিত খাবার
❌ অতিরিক্ত ঝাল-তেল-ভাজাপোড়া
❌ কম পানি পান
❌ মানসিক চাপ ও রাত জাগা
❌ নিজের ইচ্ছামতো ওষুধ

এই অভ্যাসগুলো ধীরে ধীরে পাকস্থলীর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

⚠️ মনে রাখবেন—পাকস্থলী দুর্বল মানে
👉 পুষ্টি ঠিকমতো শোষিত হবে না
👉 শরীর দুর্বল হবে
👉 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমবে

📌 তাই উপসর্গ চাপা না দিয়ে,
মূল কারণ ঠিক করা জরুরি।
পাকস্থলীর যত্ন নিন—
কারণ সুস্থ পাকস্থলী সুস্থ জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

____________________________________________

পথ্য ও পুষ্টিবিদ,
নুসরাত করিম আরিফা
এম.এস এন্ড বি.এস.সি(খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান)
সিএনডি(বারডেম),সিসিটিডি(বিইউএইচএস)
ডায়েট কনসালটেন্ট (ডায়টেটিক্স ও নিউট্রিশন বিভাগ)
হযরত শাহজামাল (রঃ) জেনারেল হাসপাতাল লিঃ,জামালপুর

❓❓ PCOS কী❓❓PCOS(Polycystic O***y Syndrome)হলো একটি হরমোন জনিত সমস্যা, যা নারীদের ডিম্বাশয়ে প্রভাব ফেলে।এতে ডিম্বাশয়ে ছো...
15/01/2026

❓❓ PCOS কী❓❓
PCOS(Polycystic O***y Syndrome)হলো একটি হরমোন জনিত সমস্যা, যা নারীদের ডিম্বাশয়ে প্রভাব ফেলে।
এতে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হতে পারে এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

🧐🧐PCOS-এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো🤔🤔
▫️পিরিয়ড অনিয়ম বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
▫️ওজন দ্রুত বেড়ে যাওয়া
▫️মুখে ও শরীরে অতিরিক্ত লোম
▫️ব্রণ, ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যাওয়া
▫️চুল পড়া
▫️গর্ভধারণে সমস্যা

🥣🥣 PCOS-এর সাথে খাবারের সম্পর্ক🥄🥄
PCOS-এর মূল সমস্যাগুলোর একটি হলো Insulin Resistance।অর্থাৎ শরীর ইনসুলিন ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না, ফলে রক্তে শর্করা বাড়ে এবং হরমোনের সমস্যা আরও বেড়ে যায়।
এখানেই খাবারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 🍽️

❌❎ যে খাবারগুলো PCOS বাড়ায়❌❎
▫️জাংক ফুড (বার্গার, পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই)
▫️অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি খাবার
▫️সফট ড্রিংকস ও প্যাকেটজাত জুস
▫️সাদা ভাত, সাদা রুটি, ময়দা
▫️অতিরিক্ত সময় এবং ডুবো তেলে ভাজা খাবার
👉 এগুলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়িয়ে PCOS-এর লক্ষণ তীব্র করে।

✅ যে খাবারগুলো PCOS নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে✅
▫️শাকসবজি ও ফল (বিশেষ করে ফাইবারসমৃদ্ধ)
▫️লাল চাল/আটা/ওটস
▫️ডাল, ছোলা
▫️ডিম, মাছ, চিকেন (পরিমিত)
▫️বাদাম, বীজ (ফ্ল্যাক্সসিড, চিয়া)
▫️পর্যাপ্ত পানি
👉 এসব খাবার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও হরমোন ব্যালান্সে সাহায্য করে।

🔸 মনে রাখবেন
♻️PCOS কোনো অভিশাপ নয়
♻️ সঠিক খাদ্যাভ্যাস + নিয়মিত ব্যায়াম = নিয়ন্ত্রিত PCOS
♻️ছোট ছোট পরিবর্তনেই সম্ভব বড় সমস্যা থেকে পরিত্রাণ।

____________________________________________

পথ্য ও পুষ্টিবিদ,
নুসরাত করিম আরিফা
এম.এস এন্ড বি.এস.সি(খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান)
সিএনডি(বারডেম),সিসিটিডি(বিইউএইচএস)
ডায়েট কনসালটেন্ট (ডায়টেটিক্স ও নিউট্রিশন বিভাগ)
হযরত শাহজামাল (রঃ) জেনারেল হাসপাতাল লিঃ,জামালপুর

  পরিচিত অনেকেই জানতে চান,এখন কোথায় রোগী দেখি?আলহামদুলিল্লাহ, আবার আমার কাজে ব্যাক করা। আপনাদের সবার সাথে আবার দেখা হচ্ছ...
06/12/2025


পরিচিত অনেকেই জানতে চান,এখন কোথায় রোগী দেখি?
আলহামদুলিল্লাহ, আবার আমার কাজে ব্যাক করা। আপনাদের সবার সাথে আবার দেখা হচ্ছে নতুন আংগিকে ও নতুন কর্মক্ষেত্রে।
সবাই দোয়া করবেন এবং সাথে থাকবেন।

পথ্য ও পুষ্টিবিদ
নুসরাত করিম আরিফা
এম.এস এন্ড বি.এস.সি(খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সিএনডি(বারডেম),সিসিটিডি(বিইউএইচএস)
ডায়েট কনসালটেন্ট (ডায়টেটিক্স ও নিউট্রিশন বিভাগ)
হযরত শাহজামাল (রঃ) জেনারেল হাসপাতাল লিঃ

স্পেশাল ট্রেনিং:
Obesity Management, PCOS & Thyroid Disorder, Cardio Parameter Analysis (BNWA)

প্রতি শুক্র, শনি, রবি, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চেম্বার করেন।

সিরিয়াল ও তথ্যের জন্য :
০১৭০৩-৪২৯৮৫১
০১৯৯২-০২৮০০১

🧠 মাইগ্রেনের ব্যথা যারা বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্টটা।এই ব্যথা শুধু মাথায় না — চোখের ভেতর থেকে শুরু হয়ে ঘাড় পর্যন্ত ছড়...
31/10/2025

🧠 মাইগ্রেনের ব্যথা যারা বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্টটা।

এই ব্যথা শুধু মাথায় না — চোখের ভেতর থেকে শুরু হয়ে ঘাড় পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। মনে হয় পুরো মাথা ফেটে যাবে।

অনেকে বলে, “এতটা নাটক কেন?”
আসলে এটা কোনো নাটক না, একটা ভয়ংকর যন্ত্রণা, যেটা শুরু হয় খুব সাধারণ কিছু কারণেও —

😶‍🌫️ যেমনঃ
🟠টেনশন বা মানসিক চাপ😠
🟡গরম বা রোদে থাকা🌤️
⚫পিরিয়ড
🟣বাজে গন্ধ 🐽
🔵খারাপ খবর
🟢কারো খারাপ আচরণ

কখনও কখনও এই ব্যথা একটানা কয়েক দিন বা এক সপ্তাহ পর্যন্তও থাকে।
আর যদি সাইনাসও থাকে, তখন তো কষ্টটা আরও বেড়ে যায়।

তাই কেউ যদি বলে “মাথা ধরেছে”, হালকাভাবে নিও না।
মাইগ্রেন মানে সত্যিকারের কষ্ট — একটু সহানুভূতি দেখালেই অনেকটা সান্ত্বনা পায়। 💜

---সংগৃহীত

নুসরাত করিম আরিফা
সাবেক নিউট্রিশনিষ্ট ও ডায়েটিশিয়ান,
এম. এ. রশিদ হাসপাতাল,জামালপুর।

এম.এস. এন্ড বি.এসসি (খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান)
সিএনডি (বারডেম), সিসিটিডি (বিইউএইচএস)

স্পেশাল ট্রেনিং :
✔️Obesity management,

✔️ PCOS & Thyroid Disorder
(BNWA)

#মাইগ্রেন #মাথাব্যথা #স্বাস্থ্যটিপস

লিভার ড্যামেজ কি নিতান্ত তুচ্ছ বিষয়?!🤔🤔🤔🫀 🫀🫀লিভারের ক্ষতি নীরবভাবে গড়ে ওঠা এক বিপজ্জনক বাস্তবতাআমাদের শরীরের অন্যতম গুরু...
30/10/2025

লিভার ড্যামেজ কি নিতান্ত তুচ্ছ বিষয়?!🤔🤔🤔

🫀 🫀🫀লিভারের ক্ষতি নীরবভাবে গড়ে ওঠা এক বিপজ্জনক বাস্তবতা

আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লিভার। এটি শুধু খাবার হজমে সাহায্যই করে না, বরং শরীরের টক্সিন বা ক্ষতিকর পদার্থ দূর করা, শক্তি সঞ্চয় ও হরমোন নিয়ন্ত্রণসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, লিভারের ক্ষতি সাধারণত নীরবভাবে ঘটে—যখন তা টের পাওয়া যায়, তখন অনেক সময় ইতিমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে যায়।

🔸 ক্ষতির সূচনায় ফ্যাটি লিভার থেকে শুরু হয়:

লিভারের ক্ষতির শুরু সাধারণত হয় কোষে চর্বি জমে যাওয়ার মাধ্যমে, যাকে বলা হয় ফ্যাটি লিভার। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে—

➡️অস্বাস্থ্যকর ও তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ,

➡️অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন,

➡️দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা,

➡️Metabolic disorder যেমন ডায়াবেটিস ও স্থূলতা।

🔸 সময়ের সাথে ক্ষতির মাত্রা বৃদ্ধি:

চর্বি জমার এই অবস্থা অবহেলা করলে লিভারে স্থায়ী প্রদাহ (chronic inflammation) শুরু হয়। প্রদাহ বাড়তে থাকলে তা ফাইব্রোসিসে রূপ নেয়—এ পর্যায়ে সুস্থ কোষগুলোর জায়গা দাগযুক্ত টিস্যু (scar tissue) দখল করে নেয়।

যদি সময়মতো চিকিৎসা বা জীবনধারার পরিবর্তন না আনা হয়, এই অবস্থা ক্রমে সিরোসিসে পরিণত হয়। সিরোসিস পর্যায়ে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়, যার ফলে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমে যেতে শুরু করে।

🔸 শেষ পর্যায়ে লিভার ক্যান্সার এর ঝুঁকি থাকে:

দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি ও প্রদাহের কারণে লিভারের কোষে জিনগত পরিবর্তন (mutation) ঘটতে পারে। এই পরিবর্তন অনেক সময় লিভার ক্যান্সারে রূপ নেয়—যা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা না গেলে প্রাণঘাতী হতে পারে।

✅✔️☑️প্রতিরোধ ই হতে পারে শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা

লিভারকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন নয় কোনো জটিল নিয়ম, বরং কয়েকটি সহজ অভ্যাসই পারে বড় পরিবর্তন আনতে—

▫️সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করা

▫️অতিরিক্ত তেল, চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা।

▫️নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করা।

▫️অ্যালকোহল ও ধূমপান সম্পূর্ণভাবে পরিহার করা।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস বা স্থূলতার সমস্যা আছে।

লিভারের ক্ষতি একদিনে হয় না—এটি ধীরে ধীরে, নীরবে গড়ে ওঠে। তাই প্রাথমিক সচেতনতা, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা ও সময়মতো চিকিৎসাই পারে গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটিকে দীর্ঘদিন সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে।

নুসরাত করিম আরিফা
সাবেক নিউট্রিশনিষ্ট ও ডায়েটিশিয়ান,
এম. এ. রশিদ হাসপাতাল,জামালপুর।

এম.এস. এন্ড বি.এসসি (খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান)
সিএনডি (বারডেম), সিসিটিডি (বিইউএইচএস)

স্পেশাল ট্রেনিং :
✔️Obesity management,

✔️ PCOS & Thyroid Disorder
(BNWA)

জীবনের প্রথম ১,০০০ দিন—অর্থাৎ গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত সময়ে—চিনি বা মিষ্টিজাত খাবার সীমিত রাখা ভবিষ্যত...
21/10/2025

জীবনের প্রথম ১,০০০ দিন—অর্থাৎ গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত সময়ে—চিনি বা মিষ্টিজাত খাবার সীমিত রাখা ভবিষ্যতের জন্য অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকার নিয়ে আসে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়টা শিশুর শরীর ও মস্তিষ্ক গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। যদি এই পর্যায়ে চিনি গ্রহণ কমানো যায়, তাহলে শুধু শিশুর ওজন নিয়ন্ত্রণেই সাহায্য হয় না, বরং ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি আজীবনের জন্য কমে যায়।

গবেষণাটি আরও জানায়, প্রাথমিক খাদ্যাভ্যাস শিশুর স্বাদ ও পছন্দ গঠনে বড় ভূমিকা রাখে। তাই ছোটবেলা থেকেই প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে প্রাকৃতিক ও কম চিনি যুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে, শিশুটি বড় হয়ে আরও স্বাস্থ্যসচেতন ও ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখে।

Reference: "Exposure to Sugar Rationing in the First 1000 Days of Life Protected Against Chronic Disease" by Tadeja Gracner, Claire Boone and Paul J. Gertler, Science, 31 Oct. 2024.

18/10/2025
15/07/2025

ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver):[Part-2]

ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) একটি সাধারণ লিভার সমস্যা, বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত ওজন, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে ভুগছেন তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

✅ ফ্যাটি লিভারে করণীয়:

1. ওজন কমানো (Target: 7-10% ওজন হ্রাস)
ধীরে ধীরে ওজন কমানো খুব কার্যকর – দ্রুত ওজন কমালে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।

2. নিয়মিত ব্যায়াম

সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন, দিনে ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটা/এক্সারসাইজ।

অল্প ইনটেনসিটির কার্ডিও ও মসল বিল্ডিং এক্সারসাইজ ভালো।

3. রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ
যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।

4. অতিরিক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা
যেমন: জাংক ফুড, সফট ড্রিংকস, প্যাকেটজাত খাবার, ভাজা খাবার ইত্যাদি।

5. অ্যালকোহল পুরোপুরি পরিহার
যেকোনো ধরনের অ্যালকোহল ফ্যাটি লিভারকে আরও খারাপ করে।

6. নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট করানো
SGPT, SGOT, USG Whole Abdomen ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা।

🥗 ফ্যাটি লিভারে উপযোগী ডায়েট এ যেসব খার
বার রাখা যেতে পারে:

🥦 সবজি: ব্রকলি, পালং শাক, মিষ্টি কুমড়া, গাজর, ঢেঁড়স

🍎 ফল: আপেল, পেয়ারা, কমলা, বেদানা (কলা ও আঙ্গুর পরিমিত খেতে হবে)

🥜 ভালো ফ্যাট: বাদাম, অলিভ অয়েল, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড

🥚 প্রোটিন: ডিমের সাদা অংশ, স্কিন ছাড়া চিকেন/মাছ (গ্রিল/সেদ্ধ), ডাল

🌾 কার্বস: ব্রাউন রাইস, ওটস, লাল আটার রুটি, সবুজ শাকসবজি

🧄 লিভার ফ্রেন্ডলি উপাদান: হলুদ, রসুন, আদা, গ্রিন টি

❌ যা একেবারে এড়িয়ে চলতে হবে:

🚫চিনিযুক্ত পানীয়, কোল্ড ড্রিংকস

🚫বেশি ভাজাপোড়া খাবার

🚫ময়দা জাতীয় খাবার (পরোটা, বিস্কুট, কেক)

🚫ট্রান্স ফ্যাট ও হাই ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ সমৃদ্ধ খাবার

🚫লাল মাংস ও অতি প্রক্রিয়াজাত খাবার (সসেজ)

📌 বিশেষ পরামর্শ:

👉প্রচুর পানি পান করুন (৮-১০ গ্লাস/দিন)

👉রাতে দেরি করে খাওয়া বন্ধ করুন

👉ঘুম ঠিকমতো (৭-৮ ঘণ্টা) হতে হবে

👉কোনো ফুড সাপ্লিমেন্ট নেয়ার আগে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ওজন, বয়স, হরমোনাল সমস্যা বা অন্য কোনো মেডিকেল কন্ডিশন অনুযায়ী ডায়েট প্ল্যান ব্যক্তিভেদে আলাদা।

নুসরাত করিম আরিফা
সাবেক নিউট্রিশনিষ্ট ও ডায়েটিশিয়ান,
এম. এ. রশিদ হাসপাতাল

এম.এস. এন্ড বি.এসসি
(খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান)
সিএনডি (বারডেম), সিসিটিডি (বিইউএইচএস)

স্পেশাল ট্রেনিং :
✔️Obesity management,

✔️ PCOS & Thyroid Disorder
(BNWA)

14/07/2025

❤️ Know about your second Heart ❤️

আপনি কি জানেন- কেন Calf Muscle কে দ্বিতীয় হার্ট বলা হয়?

Calf Muscle কে "দ্বিতীয় হার্ট" বলা হয় কারণ এটি রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পায়ের পেশী বিশেষ করে কাফ পেশী রক্তের চলাচলে সহায়তা করে, বিশেষ করে যখন আমরা হাঁটাচলা করি বা দৌড়াই।

এটি মূলত শিরায় থাকা রক্তকে হৃদয়ের দিকে ফেরত পাঠাতে সহায়তা করে। পেশী সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন শক্তিশালী হয়, যা হৃদয়ের ওপর চাপ কমিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়াকে "পেশী পাম্পিং" বলা হয় এবং এটি হৃদয়ের কাজের সহায়িকা হিসেবে কাজ করে, রক্তকে পুনরায় শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রবাহিত করে।

----------------------------

Calf Muscle কে সুস্থ রাখতে কিছু পরামর্শ:

1. নিয়মিত ব্যায়াম: হাঁটা, দৌড়ানো এবং সাইক্লিংয়ের মতো শারীরিক কার্যকলাপ Calf Muscle কে শক্তিশালী রাখে।

2. পানি পান করা: যথেষ্ট পানি পান করলে শরীরের কার্যক্রম সুষ্ঠু থাকে, যার মধ্যে রক্ত সঞ্চালনও অন্তর্ভুক্ত।

3. স্ট্রেচিং: নিয়মিত স্ট্রেচিং Calf Muscle কে নমনীয় ও শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে।

4. ভাল খাদ্যাভ্যাস: প্রোটিন ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডাল, সবজি, কলা ইত্যাদি পেশীর সুস্থতায় সহায়ক।

সায়েন্টিফিক রেফারেন্স:

1. Sakamoto, K., et al. (2017). "The role of calf muscle pump in venous return and circulatory dynamics." European Journal of Applied Physiology, 117(7), 1331-1341.

2. Stokes, M., et al. (2008). "The Calf muscle pump: its role in venous return and prevention of venous insufficiency." Journal of Musculoskeletal and Neuronal Interactions, 8(4), 349-358.

------------------------------

Calf Muscle এ ঝুঁকি বা সমস্যা কখন তৈরি হয়?

সাধারণত কয়েকটি কারণে তৈরি হতে পারে, যার মধ্যে বেশ কিছু শারীরিক অবস্থা বা আচরণ জড়িত থাকে:

1. অতিরিক্ত চাপ : দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা, অস্বাভাবিকভাবে হাঁটা বা দৌড়ানো পেশীকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলে, যার ফলে পেশীতে টান বা স্ট্রেইন (strain) হতে পারে। এ ধরনের চাপ পেশীর স্নায়ু এবং কোষগুলোর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

2. পেশীর দুর্বলতা বা অব্যবহার: যদি দীর্ঘ সময় ধরে পেশী ব্যবহৃত না হয় (যেমন বসে থাকা বা কম হাঁটা), তবে পেশীর শক্তি কমে যায় এবং এটি অন্যথায় কাজ করার সময় আঘাতের শিকার হতে পারে।

3. কম স্ট্রেচিং: ব্যায়াম করার আগে বা দৌড়ানোর সময় যদি পর্যাপ্ত স্ট্রেচিং না করা হয়, তবে পেশী সহজেই টান নিতে পারে বা আহত হতে পারে। কাফ পেশী বেশ শক্ত এবং টানানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে, বিশেষত যখন প্রস্তুতি সঠিকভাবে নেওয়া হয় না।

4. পানি ও পুষ্টির অভাব: শরীরে পর্যাপ্ত পানি বা পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান না থাকলে পেশী সংকোচন এবং প্রসারণে সমস্যা হতে পারে। এই কারণে পেশীতে টান বা শুষ্কতা সৃষ্টি হতে পারে।

5. ভুল পদ্ধতিতে কাজ করা: শারীরিক কার্যকলাপে ভুল পদ্ধতি অনুসরণ (যেমন ভুলভাবে ব্যায়াম করা) পেশীতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং এটি আঘাতের কারণ হতে পারে।

--------------------------------

ঝুঁকি কমানোর জন্য:

1. সঠিক স্ট্রেচিং: ওয়ার্ম আপের আগে এবং পরে স্ট্রেচিং করতে হবে। এটি পেশীকে নমনীয় করে এবং আঘাত থেকে রক্ষা করে।

2. নিয়মিত ব্যায়াম: কাফ পেশীকে শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি, সাইক্লিং বা মৃদু দৌড়ানো করা যেতে পারে।

3. প্রোটিন ও পুষ্টির প্রতি মনোযোগ: পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, যেমন প্রোটিন এবং খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ খাবার, পেশীর সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

4. পানি ও তরল পান: শরীরের জলীয় ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান করলে পেশীর কার্যক্রম সুষ্ঠু থাকে এবং ঝুঁকি কমে।

সায়েন্টিফিক রেফারেন্স:

1. Hargens, A. R., & Leach, R. E. (2013). "The importance of muscle pump in maintaining venous return and preventing circulatory collapse." Journal of Applied Physiology, 114(4), 527-534.

2. Duffield, R., & McCall, A. (2009). "Calf muscle performance and injury prevention strategies." Journal of Sports Science & Medicine, 8(3), 474-478

--------------------------------

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন??

যদি নিচের কোন এক বা একাধিক উপসর্গ আপনি অনুভব করেন, তবে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত:

১. ব্যথা খুব তীব্র বা স্থায়ী হওয়া

যদি পেশীতে ব্যথা খুব তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সাধারণ বিশ্রাম বা ঘরোয়া চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

২. ফুলে যাওয়া বা শোথ (Swelling)

পেশীতে ফুলে যাওয়া বা শোথ দেখা দিলে, এটি প্রদাহের ইঙ্গিত হতে পারে। ফুলে যাওয়া অতিরিক্ত হলে বা বৃদ্ধি পেলে চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া উচিত।

৩. পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া বা অচল হওয়া

যদি পেশী শক্ত হয়ে যায় এবং হাঁটা বা চলাফেরা করতে না পারেন, এটি পেশী বা টেন্ডনের গুরুতর আঘাতের ইঙ্গিত হতে পারে, যা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা প্রয়োজন।

৪. হাঁটতে বা চলাফেরা করতে সমস্যা হওয়া

যদি পেশীর কারণে হাঁটতে বা চলাফেরা করতে সমস্যা হয়, এবং স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে না পারেন, তাহলে চিকিৎসক দেখানো উচিত।

৫. রক্ত চলাচল সমস্যার লক্ষণ

পায়ের নিচের অংশে শীতলতা, গা dark ় বা নীল ভাব, বা অনুভূতির অভাব দেখা দিলে এটি রক্ত চলাচলের সমস্যা হতে পারে। এটি অবহেলা করলে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হতে পারে, যেমন রক্ত জমাট বাঁধা বা থ্রম্বোসিস।

৬. বিভিন্ন স্থানে অস্বাভাবিক ব্যথা বা অস্বস্তি

যদি পেশীর ব্যথা কোনো কারণে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে বা অস্বাভাবিক রকমের ব্যথা অনুভূত হয় (যেমন পায়ের উরু বা কোমরের দিকে), তাহলে দ্রুত চিকিৎসককে দেখা উচিত।

৭. ক্র্যাম্প বা টান বারবার হওয়া

যদি বারবার ক্র্যাম্প বা পেশীতে টান পড়ে এবং এটি স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে না, তবে এটি একটি গুরুতর ইঙ্গিত হতে পারে, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৮. মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি

পেশীতে আঘাতের কারণে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা হলে মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি হতে পারে। এটি বেশ বিপদজনক এবং দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

৯. পেশীতে ফাটল বা মাংসপেশী ছিঁড়ে যাওয়া

যদি পেশী ফাটে বা আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং সেখান থেকে রক্তপাত হয় বা ব্যাপক অস্বস্তি থাকে, তবে তা জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

প্রাথমিকভাবে আপনি একজন ভাস্কুলার সার্জন দেখাতে পারেন।

Know about your second ❤️

ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) বাংলায় বোঝাতে গেলে, একে বলা যায় "চর্বিযুক্ত যকৃত"। সহজভাবে বললে, যখন আমাদের যকৃতে (liver) স...
10/07/2025

ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) বাংলায় বোঝাতে গেলে, একে বলা যায় "চর্বিযুক্ত যকৃত"। সহজভাবে বললে, যখন আমাদের যকৃতে (liver) স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চর্বি (fat) জমে যায়, তখন তাকে ফ্যাটি লিভার বলে।

✅✅✅ফ্যাটি লিভারের দুটি প্রধান ধরণ আছে:

1.নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (NAFLD):
যারা অ্যালকোহল খান না, কিন্তু খারাপ খাদ্যাভ্যাস, স্থূলতা (মোটা হওয়া), ডায়াবেটিস, বা উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে যকৃতে চর্বি জমে যায়।

2.অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার:
অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করার ফলে যকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাতে চর্বি জমে।

🔎🔎🔎লক্ষণ(কখনও প্রকাশিত,কখনো বা ধীরে প্রকাশিত):

1.সবসময় ক্লান্ত লাগা

2.ডান পাশে পেটের উপরিভাগে ভার বা ব্যথা

3.হজমে সমস্যা / অস্বস্তি

4.ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া

5.ক্ষুধা কমে যাওয়া

6.ত্বকে হলুদ ভাব (যদি লিভারের জটিলতা বাড়ে)

👩‍⚕️🧑‍⚕️👩‍⚕️রক্ত ও স্ক্যান রিপোর্টে যেসব অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে করতে হবে:

➡️SGPT/ALT ও SGOT/AST লেভেল বেড়ে গেছে কি?

➡️আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে লিভারে চর্বি জমার প্রমাণ আছে কি?

➡️লিভার এনজাইম লেভেল অস্বাভাবিক

➡️কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল বেশি

📝📝📝প্রতিকার ও করণীয়:

🔸ওজন কমানো (যদি অতিরিক্ত থাকে)

🔸স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া (কম চর্বিযুক্ত, বেশি সবজি ও ফল)

🔸নিয়মিত ব্যায়াম

🔸অ্যালকোহল পরিহার করা

🔸চিনি ও ফাস্টফুড কম খাওয়া

ফ্যাটি লিভার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে পরিবর্তিত জীবনধারা এবং সঠিক চিকিৎসায় একে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

নুসরাত করিম আরিফা
সাবেক নিউট্রিশনিষ্ট ও ডায়েটিশিয়ান,
এম. এ. রশিদ হাসপাতাল,জামালপুর।

এম.এস. এন্ড বি.এসসি (খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান)
সিএনডি (বারডেম), সিসিটিডি (বিইউএইচএস)

স্পেশাল ট্রেনিং :
✔️Obesity management,

✔️ PCOS & Thyroid Disorder
(BNWA)

Address

Jamalpur Sadar
Jamalpur Sadar Upazila
2200

Opening Hours

Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dietitian Nusrat Karim Arifa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram