Caregiver Health Center

Caregiver Health Center Serve the patient not the disease

ঘন ঘন প্রস্রাবের হোমিও ঔষধ । ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণ। ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার লক্ষন-⬛️ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার চিকিৎসা ও প্রতিক...
12/10/2025

ঘন ঘন প্রস্রাবের হোমিও ঔষধ । ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণ। ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার লক্ষন-

⬛️ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার চিকিৎসা ও প্রতিকারঃ
********************************************
ঘন ঘন প্রস্রাব বর্তমানে পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই বড় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণের অসুবিধা তখনই হয়, যখন হঠাৎ মূত্রস্থলী সংকুচিত হতে সুরু করে অথবা যখন সংকুচিত হওয়া উচিত তখন না হয়ে অত্যাধিক প্রস্রাবে পরিপূর্ণ হয়ে যায়, যার প্রবল চাপে অনিচ্ছাসত্বেও মূত্র বেরিয়ে আসে। এছাড়া মূত্রনালীকে ঘিরে থাকা পেশী ঠিকমতো তার কাজ না করলেও এই সমস্যা হতে পারে। দিনে ৪-৫ বার প্রস্রাব আসা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু তার থেকে বেশিবার প্রস্রাব হলে সেটা চিন্তার বিষয়। দিনে ৮-৯ বারের বেশি প্রস্রাব হলে এবং রাতে যদি নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

⬛️ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণঃ –
**************************
◼️অনেকে মনে করে থাকেন ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া মানেই ডায়াবেটিস, বিষয়টি কিন্তু তাও নয়। এর পেছনে যেমন ডায়বেটিস থাকতে পারে তেমনি আরো বহু কারণ থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লাডার যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাজ করা শুরু করে তাহলেই অতিরিক্ত প্রস্রাবের চাপ আসে। আর এরকমটা নানা কারণে হতে পারে যেমন: অ্যালকোহল সেবন, ক্যাফিন, ডায়াবেটিস, ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন (Urinary Tract Infection (UTI), পেলভিক রিজিয়ানে কোন অসুবিধা, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রয়া থেকেও হতে পারে।

◼️যুবকদের পর্ণ দেখা বা উত্তেজক চিন্তা।

◼️শীতকাল বা ঠান্ডা-শুষ্ক পরিবেশে মানুষের শরীর ঘামে না, ঐ সময় অতিরিক্ত প্রস্রাব তৈরি করে কিডনী শরীরে পানি ও লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

◼️কিছু রোগের লক্ষণ হিসেবে অতিরিক্ত প্রস্রাব হয়, যেমন – ডায়াবেটিস, প্রস্টেট গ্রন্থির টিউমার, প্রস্রাবে জীবাণু সংক্রমণ ইত্যাদি।-কিডনী অকেজো হবার অন্যতম লক্ষণ হল অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া।-ব্লাডার ক্যান্সার, ব্লাডার বা কিডনিতে পাথর হলে।

◼️মূত্র নালীর সংকোচন হলে এ সমস্যা হতে পারে হতে পারে।

◼️এছাড়া এলকোহল, চা, কফি পান করাও অতিরিক্ত প্রস্রাব হবার জন্য দায়ী।

◼️ইনফেক্শন একটি কারণ। এটি হলে প্রস্রাবের সাথে জ্বালাপোড়া হবে। প্রস্রাব ছাড়াও জ্বালাপোড়া হবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের পেলভিক এরিয়াতে বা তলপেটে জ্বালাপোড়া করছে।

◼️পুরুষদের প্রোস্টেটে ইনফেকশন।

◼️প্রস্রাবের পথে যদি কোন বাধা থাকে তাহলেও ঘন ঘন প্রস্রাব হতে পারে।

◼️মেয়েদের গর্ভে সন্তান আসার প্রথম ৩ মাসে ঘন ঘন প্রস্রাব হতে পারে। মেয়েদের পেলভিক ইনফ্লামেশন হলেও ঘন ঘন প্রস্রাব হতে পারে। যক্ষা বা TB হলেও তলপেটে জ্বালাপোড়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং অতিরিক্ত প্রস্রাব হতে পারে।

◼️প্রস্রাবের থলিতে ক্যান্সার হলেও প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং অতিরিক্ত প্রস্রাব হতে পারে, এমনকি রক্তও বের হতে পারে।

⬛️ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার লক্ষন-
*****************************
◼️প্রস্রাবের প্রচণ্ড চাপ অনুভব।

◼️প্রস্রাবের সময় ব্যাথা, জ্বালাপোড়া ও অসহ্য অনুভূতি।

◼️তল পেটে স্বাভাবিকভাবে অথবা চাপ দিলে ব্যাথা অনুভব।

◼️ঘন ফেনার মত অথবা দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব।

◼️জ্বর-কাঁপুনিসহ অথবা কাঁপুনি ছাড়া।

◼️বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া।

◼️কোমরের পাশের দিকে অথবা পিছনে মাঝামাঝি অংশে ব্যাথা।

◼️প্রস্রাবের চাপে রাতে বার বার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।

⬛️ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার চিকিৎসা ও প্রতিকারঃ

প্রচণ্ড পরিশ্রমের কাজ করা ব্যক্তিরা ৫ লিটার পানি খেলে হয়ত ২ লিটার প্রস্রাব হবে। বিশ্রামে থাকেন বা ঘামেন না তারা ২.৫ লিটার খেলেই ২ লিটার প্রস্রাব হতে পারে তবে এক সাথে ১ গ্লাসের বেশি পানি পান করার দরকার নেই। তবে এর ব্যতিক্রম হলেই চিন্তার বিষয়। কি কারণে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার সমস্যা হচ্ছে সেটি বের করতে হবে এবং সে অনুযায়ী প্রপার হোমিও চিকিৎসা নিতে হবে। ডায়াবেটিস, ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন, প্রোস্টেটে ইনফেকশন, ব্লাডার ক্যান্সার, ব্লাডার বা কিডনিতে পাথর, মূত্র নালীর সংকোচন ইত্যাদি যে কারণই দায়ী থাকুক না কেন সেটি যথাযথ ভাবে নির্ণয় করে প্রপার হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট নিলে ধীরে ধীরে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই একজন উচ্চশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

্রস্রাবের_হোমিও_ঔষধ
্রস্রাবের_কারণ
্রস্রাব_হওয়ার_লক্ষন

♦️🔶 ইউরিক অ্যাসিড বাড়ছে? সতর্ক হোন এখনই ..!!! স্বাস্থ্যই সম্পদ — আর এই সম্পদকে অবহেলা করলে জীবনই অসুস্থ হয়ে পড়ে।অনেকে...
18/06/2025

♦️🔶 ইউরিক অ্যাসিড বাড়ছে? সতর্ক হোন এখনই ..!!! স্বাস্থ্যই সম্পদ — আর এই সম্পদকে অবহেলা করলে জীবনই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

অনেকেই জয়েন্টে ব্যথা, হাত-পায়ে ঝিনঝিনে অনুভব, হাঁটতে কষ্ট এসব সমস্যায় ভোগেন। ভাবেন, ‘বয়স হয়েছে’ — কিন্তু জানেন কি, এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এক নিঃশব্দ শত্রু: ইউরিক অ্যাসিড!

🔥🔥 ইউরিক অ্যাসিড আসলে কী?

দেহে যখন প্রোটিন বা পিউরিনজাত খাবার ভাঙে, তখন একটি উপজাত হিসেবে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। স্বাভাবিক অবস্থায় তা রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে গিয়ে মূত্রের সঙ্গে বের হয়ে যায়। কিন্তু যখন এটি অতিরিক্ত হয়ে যায় বা কিডনি ঠিকমতো বের করতে না পারে, তখন রক্তে এর মাত্রা বেড়ে যায় — যাকে বলে Hyperuricemia।

⚠️ ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী হয়?

🦴 গাঁটে গাঁটে ব্যথা — বিশেষ করে পায়ের বুড়ো আঙুলে

🌡️ জ্বর বা প্রদাহজনিত অনুভব

🦶 পা ফুলে যাওয়া বা লাল হয়ে যাওয়া

⚡ ঝিনঝিনে অনুভূতি বা অসাড়তা

🧠 অনেক ক্ষেত্রে মুড পরিবর্তন বা অস্থিরতা

💔 হার্ট ও কিডনি সমস্যা (দীর্ঘমেয়াদে)

🌿 প্রতিকার কী? জীবনযাপনে কিছু বদলই হতে পারে আশীর্বাদ:

⚪. 🥗 ডায়েট নিয়ন্ত্রণ করুন::

পরিহার করুন: লাল মাংস, অর্গান মিট (যেমন কলিজা), সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, বেশি প্রোটিনজাত খাবার

গ্রহণ করুন: শাকসবজি, ফলমূল (বিশেষ করে আপেল, চেরি), ওটস, দুধ বা দই (কম ফ্যাটযুক্ত)

🟡. 💧 পর্যাপ্ত পানি পান করুন::

দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন, এতে ইউরিক অ্যাসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে সহজে বের হয়ে যায়।

🔴. 🏃‍♂️ নিয়মিত ব্যায়াম করুন::

শরীর সচল থাকলে বিপাকক্রিয়াও স্বাভাবিক থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণেও এটি খুব জরুরি।

🟢. 🚭 ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন::

এগুলো কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে সাহায্য করে।

🔵. 💊 প্রয়োজনে ওষুধ সেবন করুন::

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে “Allopurinol” বা “Febuxostat” জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয় — তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

🧡❤️ শরীরকে ভালোবাসুন, যত্ন নিন
ইউরিক অ্যাসিড শুধু একটি নাম নয়, এটি হতে পারে আপনার ভবিষ্যতের ব্যথা। তাই এখনই সচেতন হোন, নিয়ম মেনে চলুন।

📢 আপনি যদি এই পোস্টটি পড়ে উপকার পান, তাহলে শেয়ার করুন — আপনার একটি শেয়ার কারো জীবনে আলো নিয়ে আসতে পারে। 🌟

গরুর মাংস খেয়ে এলার্জির সমস্যায় ভুগছেন? নো টেনশন হিজামা নিন আর এলার্জি মুক্ত থাকুন।।হিজামা কীভাবে এলার্জি কমাতে সাহায্য ...
12/06/2025

গরুর মাংস খেয়ে এলার্জির সমস্যায় ভুগছেন? নো টেনশন হিজামা নিন আর এলার্জি মুক্ত থাকুন।।
হিজামা কীভাবে এলার্জি কমাতে সাহায্য করে?

💐১. ইমিউন সিস্টেম রেগুলেশন:
হিজামা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে। এলার্জির মূল কারণই হলো ইমিউন সিস্টেমের অতিপ্রতিক্রিয়া। হিজামা এই প্রতিক্রিয়ার মাত্রা কমাতে পারে এবং শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করে।

💐২. টক্সিন রিমুভাল:
হিজামা করার মাধ্যমে শরীরের ‘স্ট্যাগন্যান্ট’ বা জমে থাকা দূষিত রক্ত বেরিয়ে আসে। এই টক্সিনগুলো ইমিউন সিস্টেমকে চাপে ফেলে, যা এলার্জির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। পরিষ্কার রক্ত সঞ্চালন হলে এলার্জি রেসপন্স কমে।

💐3. ইনফ্ল্যামেশন কমানো:
এলার্জির সময় শরীরে হাইস্টামিন এবং অন্যান্য ইনফ্ল্যামেটরি কেমিক্যাল বেড়ে যায়। হিজামা এই প্রদাহ (inflammation) নিয়ন্ত্রণে কার্যকর, যার ফলে এলার্জির উপসর্গ যেমন হাঁচি, চুলকানি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি কম অনুভূত হয়।

💐৪. রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে:
শরীরের নির্দিষ্ট পয়েন্টে হিজামা করার ফলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এতে টিস্যুগুলোর অক্সিজেন ও পুষ্টি গ্রহণ ভালো হয়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী হয়, এবং এলার্জির প্রতি সহনশীলতা বাড়ে।

---

গবেষণায় যা উঠে এসেছে:

❤️১. Clinical Evidence:
২০১৮ সালের একটি গবেষণায় (Al-Bedah et al.) দেখা গেছে, হিজামা ইমিউন সিস্টেম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ডিজঅর্ডার যেমন একজিমা, হাইস্টামিন-জনিত এলার্জি ইত্যাদিতে উপকারী হতে পারে।
Journal of Evidence-Based Complementary & Alternative Medicine-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, হিজামা শরীরের ইমিউন ফাংশন মডুলেট করে এবং প্রদাহ কমায়।

❤️২. Histamine Reduction:
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হিজামা থেরাপির পর রক্তে হাইস্টামিনের মাত্রা হ্রাস পায়। যেহেতু এলার্জির প্রধান উপাদান হলো হাইস্টামিন, তাই এই প্রক্রিয়া এলার্জির উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হতে পারে।

❤️৩. Antioxidant Impact:
একাধিক স্টাডিতে প্রমাণিত হয়েছে হিজামা করার ফলে শরীরে Antioxidant এনজাইম (যেমন SOD, GPx) বেড়ে যায়, যা ফ্রি-র‍্যাডিক্যাল-জনিত কোষ ক্ষতি থেকে ইমিউন সিস্টেমকে রক্ষা করে। এর ফলে এলার্জি সংক্রান্ত প্রদাহ কমে।

---

উপসংহার:

গবেষণার ফলাফলে ইঙ্গিত দেয় যে হিজামা ইমিউন সিস্টেম ব্যালেন্স করে, হাইস্টামিন লেভেল কমায় এবং প্রদাহ হ্রাস করে — যা এলার্জির বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। তবে, এটি একক চিকিৎসা নয় বরং এলার্জি নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাক্তারের পরামর্শে ও অন্যান্য চিকিৎসার পাশাপাশি একটি সহায়ক পদ্ধতি হিসেবে কাজ করতে পারে।

সংগৃহীত।
🏠🏠 তাহিরা হোমিও হল এন্ড থেরাপি সেন্টার
বিমান বন্দর রোড কলোনির মোর যশোর।
☎️☎️01747-903370

পুরুষত্বহীনতা বা IMPOTENCY     *******************************পুরুষত্বহীনতা যা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা  বা দুর্বলতাকে বু...
11/06/2025

পুরুষত্বহীনতা বা IMPOTENCY
*******************************
পুরুষত্বহীনতা যা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতাকে বুঝায়। যা সমাজে প্রকট আকার ধারন করেছে। এতে উঠতি বয়সের যুবকরা হতাশ। এ সমস্যা যে কোন বয়সেই হতে পারে, সে ক্ষেএে লজ্জা, অবহেলা, আজ কাল, না করে জটিল হওয়ার পূর্বেই দ্রুত চিকিৎসা নেয়া আবশ্যক।

★পুরুষত্বহীনতা কি?
ইহা পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।
★শ্রেণীবিভাগঃ পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
১| ইরেকশন ফেইলিউরঃ পুরুষের লিঙ্গের উথানে ব্যার্থতা।
২|পোনিট্রেশন ফেলিউরঃ লিঙ্গের যৌনিদ্বার ছেদনে ব্যার্থতা বা অক্ষমতা।
৩|প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশনঃ সহবাসে দ্রুত বীর্যপাত তথা স্বায়ীত্বের অভাব।

★কারণঃ * অতিরিক্ত কু-অভ্যাস ( হস্তমৈথুন, পর্ণ ছবি,) * যৌনবাহিত রোগ( সিফিলিস, গনোরিয়া).* রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা,* ডায়াবেটিস, *দুশ্চিন্তা,টেনশন, অভসাদ, ও অ-পুষ্টি, *যৌনরোগ বাএইডস ভীতি, * সেক্স-এডুকেশের অভাব. * বয়সের পার্থক্য, *পার্টনারকে অপছন্দ(দেহ-সৌষ্ঠব,ত্বক, মূখশ্রী,আচরন, ব্যক্তিত্ব). * নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসন, * মানসিক ও শারীরিক সম্যসা।

★অনেকই হাতুড়ে ডাক্তার, ক্যান্ভাচারের নিকট থেকে হরমোন ইন্জেকশন, টেবলেট অনুমোদনহীন ক্ষতিকর ঔষধ সেবন করে,এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ায় পুরুষত্বহীনতার আশঙ্কা অনেক বেশী যা থেকে আরোগ্য কঠিন।
*যৌন সমস্যার মধ্যে আরো রয়েছে স্বপ্নদোষ সমস্যা, লিঙ্গ অকেজো,ক্ষুদ্রাকৃতি, লিঙ্গের অসারতা, ইচ্ছা লোপ, বিবাহ ভীতি।
এসব সমস্যায় হোমিওপ্যাথি সবচেয়ে কার্যকর। এর কোনো বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। লজ্জা ও জড়তা ঝেড়ে ফেলে খোলা মনে ডাঃ এর সাথে আলাপ করুন। এ সমস্যা খুবই সাধারণ এবং এর সফল চিকিৎসা রয়েছে।
তাহিরা হোমিও হল এন্ড থেরাপি সেন্টার
মোবাইল 01820978655,
01747-903370

27/05/2025

📍সহবাসে সময় বাড়াতে ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক খাবার!

1. মধু + কালোজিরা 🍯🖤
মধু শরীরে শক্তি বাড়ায়, আর কালোজিরা শরীরের ভেতর থেকে হরমোন ব্যালান্স রাখে।
প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু ও সামান্য কালোজিরা গরম পানিতে মিশিয়ে খান
৭ দিনেই পার্থক্য টের পাবেন!

2. কলা (Banana) 🍌
Potassium-এ ঠাসা এই ফল stamina বাড়ায় আর টেনশন কমায়।
প্রতিদিন একটা কলা—ঘরের মধ্যেই "হিরো পারফরম্যান্স"!
কলা মানেই কল্যাণ!

3. ডিম (Egg) 🥚
ডিমে থাকা ভিটামিন B5, B6 নার্ভ শান্ত রাখে ও সেক্স হরমোন ব্যালান্স করে।
প্রতিদিন ১-২টা সেদ্ধ ডিম—একদম ন্যাচারাল পারফরমার!
"Egg খান, Act করো!"

4. বাদাম (Almonds & Walnuts) 🌰🥜
Zinc ও Healthy Fat s***m count বাড়ায়, আর রক্তপ্রবাহ বাড়ায় সহবাসের সময়।
মুঠোভর্তি বাদাম = ঘণ্টার পর ঘণ্টা কনফিডেন্স!

5. রসুন (Garlic) 🧄
রসুনে থাকা Allicin শরীরের রক্ত সঞ্চালন এত বাড়ায় যে আপনার "পারফরম্যান্স টাইম" স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।
রাতে ঘুমানোর আগে ১ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খান।
টেস্ট খারাপ, কিন্তু রেজাল্ট টপ ক্লাস!

স্মার্ট টিপস ✅

💧 ১. পানি বেশি খান:
শরীর হাইড্রেট থাকলে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়, মানে আপনি বেশি সময় ধরে শক্তি ধরে রাখতে পারেন
"বিছানায় ঘাম, কিন্তু শরীরে পানি কম—এটা চলবে না।

❌ ২. চিনি, কোমল পানীয় ও ফাস্টফুড বাদ দেন:
এইগুলো হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, শরীরে চর্বি জমায়, আর আপনার ন্যাচারাল পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয়।
"চিপস না খেয়ে যদি চ্যাম্পিয়ন হতে পারেন, সেটাই তো রিয়েল প্যাশন!"

‍💪৩. হালকা ব্যায়াম করেন:
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট হাঁটা বা হালকা এক্সারসাইজ করেন, শরীর যখন Active, তখন Bedroom-এ Performance-ও হয় Attractive!
"জিমে না গেলেও, রোকে না থেকেও জিততে পরেন!

🛌 ৪. ঘুম ঠিকমতো হওয়া চাই:
ঘুম কম হলে testosterone কমে যায়। মানে তোমার মুড, শক্তি—সবই ধীরে ধীরে কমে যাবে।
প্রতিদিন অন্তত ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমান।
"Sleep Well = Perform Well!"

☯️ ৫. মানসিক চাপ কমান:
স্ট্রেস, দুশ্চিন্তা আর overthinking—এই তিনটা আপনার সাহসকে খেয়ে ফেলে।
প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করেন! অথবা যা ভালো লাগে তাই করেন — মনে শান্তি থাকলেই শরীর দিবে সাড়া।
"Cool mind, Fire body!"

🙏 শেষ কথা,
প্রাকৃতিক খাবারগুলো যেহেতু রাসায়নিক নয়, তাই এগুলো ধীরে কিন্তু নিরাপদভাবে কাজ করে। শরীরকে কেবল শক্তিশালী না, ভেতর থেকে সুস্থ করে তোলে। সুস্থ শরীরই সবচেয়ে বড় কামশক্তি!

ওষুধ না, খাবারে ভরসা রাখেন! শরীর আর মানসিকতায় পরিবর্তন দেখবেন নিজে নিজেই! 🤲❤️

#পুরুষশক্তি
#সহবাস_সময়_বাড়ান
#ঘরোয়া_টিপস
#স্বাস্থ্যকর_খাবার
#প্রাকৃতিক_সমাধান








আপনি_কি_দাম্পত্য_জীবনে_অসুখী ? 💕 বিভিন্ন খারাপ অভ্যাস এর কারনে যৌন শক্তি নষ্ট করে ফেলেছেন,💝 স্ত্রীর নিকট লজ্জা পাচ্ছেন ব...
19/05/2025

আপনি_কি_দাম্পত্য_জীবনে_অসুখী ?
💕 বিভিন্ন খারাপ অভ্যাস এর কারনে যৌন শক্তি নষ্ট করে ফেলেছেন,💝 স্ত্রীর নিকট লজ্জা পাচ্ছেন বা বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন ? 💗 আর নয় চিন্তা আর নয় লজ্জা।

· সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত
হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর দ্বারা যেসব চিকিৎসা করা সম্ভব তার একটা ধারণা নিচে দেওয়া হল

♦· পুরুষাঙ্গ দৃঢ় করুন।
♦· সহবাসের মনোবল ও শক্তি বাড়ান।
♦ হস্ত মৈথুন করার ফলে যেসব ভাইদের লিঙ্গ ছোট হয়ে গিয়েছে।
♦সেই সাথে লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন।
♦আগের মতো লিঙ্গ দাড়াছে না।
♦বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি করে ফেলেছেন গোপন অঙ্গ কে।
♦বিয়ে করতে ভয় পারছেন,
♦ বউ কে শারীরিক সুখ দিতে পারছেন না, বউ এর কাছে লজ্জিত?
♦মেয়ে লোকের সাথে কথা বলার সময় লিঙ্গ দিয়ে পানি বের হচ্ছে।
♦সহবাসে টাইম কম তাই বউ এর কাছে লজ্জিত।
☞গোপন অঙ্গ লম্বা,মোটা,শক্ত ও দীর্ঘ সময় সহবাস হয় না
☞লিঙ্গ যখন শক্ত হয় মুখে পানি আসে ।
☞লিঙ্গ ডান বা বাম দিকে হেলে যায়।
☞দ্রুত পতনে লিঙ্গ নরম ও ছোট হয়।
☞২য় বার মিলনে লিঙ্গ শক্ত হয় না।
☞নিস্তেজ অবস্থায় বেশী ছোট হয়ে থাকে।
☞মিলনে আগ্রহ থাকলেও স্থায়ী হয় না।
☞যৌন ইচ্ছা শক্তির অভাব।
☞ইচ্ছা আছে শক্তির অভাব।
☎️☎️যোগাযোগ করুন 01820978655,01747903370.

💯🌿🌴বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষের অন্যতমসমস্যা হচ্ছে যৌন সমস্যা। তাই বেশির ভাগ পুরুষই মানসিক চাপে থাকে।অবিবাহিত পুরুষ বিয়ে ক...
26/04/2025

💯🌿🌴বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষের অন্যতম
সমস্যা হচ্ছে যৌন সমস্যা। তাই বেশির ভাগ পুরুষই মানসিক চাপে থাকে।অবিবাহিত পুরুষ বিয়ে করতে ভয় পায়।
🌹অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ।
🌹প্রস্রাবের সাথে ধাতুক্ষয় ।
🌹সহবাসে দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় ।
🌹লিঙ্গ ভালভাবে উত্তেজিত হয় না।
🌹লিঙ্গ ভালভাবে শক্ত হয় না।
🌹বীর্য পাতলা,বীর্যের পরিমাণ কম । 🌹অতিরিক্ত হস্তমৈথুনজনিত সমস্যা ।
🌺🌺🔥🔥উক্ত সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।

,🏠🏠যোগাযোগ: তাহিরা হোমিও হল এন্ড থেরাপি সেন্টার ।
বিমান বন্দর রোড কলোনির মোর বাজার যশোর । ডাঃ মোঃ সোহেল ডিএইচএমএস-ঢাকা,হিজামা এন্ড থেরাপি স্পেশালিস্ট।
☎️☎️০১৮২০-৯৭৮৬৫৫,০১৭৪৭৯০৩৩৭০।
কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঔষধ পৌঁছানো হয়।

17/12/2024

📢📢পাইলস, যাকে অর্শ্বরোগও বলা হয়। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় যা আমরা পাইলস নামে জেনে থাকি। যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ বা প্রদাহ হয় এবং চাপ পড়ে তখন পাইলস বা হেমোরয়েডসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায় অর্শরোগ বলা হয়। এটি মলদ্বারের এক ধরনের জটিল রোগ। পাইলস এর ফলে রক্তনালিগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যেকোন বয়সের মানুষ এ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পাইলস হলে সাধারণত চুলকানি বা রক্তক্ষরণ হয়। মলদ্বারের নিচের অংশে গোল আকারে ফুলে উঠে, ফলে যে কোন সময় সেই জায়গা থেকে রক্তপাত হতে থাকে। এটি খুবই অস্বস্তিকর এবং যন্ত্রনাদায়ক। #পাইলসের প্রকারভেদ
সাধারণত পাইলস দুই প্রকার হয়ে থাকে -

১.অভ্যন্তরীণ পাইলস
২.বাহ্যিক পাইলস
অভ্যন্তরীণ পাইলস এবং বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারে তাদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে। এগুলি সাধারণ এবং মলদ্বারের ভিতরে মলদ্বারের খোলার উপরে ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার (সেমি) এর মধ্যে ঘটে।

#অভ্যন্তরীণ পাইলস:
অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগ চারটি শ্রেণী বা পর্যায়ের হয় যা প্রোল্যাপের উপর ভিত্তি করে।

প্রথম পর্যায় - পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে না বা প্রলেপস হয় না।
দ্বিতীয় পর্যায় - মলমূত্র ত্যাগের পর পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে এবং তারপর আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়।
তৃতীয় পর্যায় - পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে এবং নিজে নিজে ঠিক করতে হয়।
চতুর্থ পযার্য় - পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে বা প্রলেপস হয় এবং তা আর নিজে ঠিক হয় না বা করা যায় না।
#বাহ্যিক পাইলস:
বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারের বাইরের প্রান্তে ছোট ছোট গলদ গঠন করে। এগুলো প্রায়শই চুলকানিদায়ক এবং বেদনাদায়ক হয়ে থাকে।

#পাইলসের কারণ
পাইলসের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে:
১.দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা
২.বার্ধক্যজনিত কারণে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া
৩.পুরনো ডায়রিয়া
৪.মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা
৫.দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা
৬.পারিবারিক ইতিহাস
৭.আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া
৮.ভারি মালপত্র বহন করা
৯.স্থুলতা,
১০.কায়িক শ্রম কম করা
১১.গর্ভকালীন সময়ে
১২.পায়ুপথে যৌনক্রিয়া
১৩.যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস ।
সর্বোপরি পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যে কোনো কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপের ফলে পাইলস সৃষ্টি হয়। #পাইলসের সাধারণ লক্ষণগুলি :

পায়ূ অঞ্চলে ব্যথা এবং চুলকানি।
মল বা মলত্যাগের পর রক্ত।
মলদ্বারের চারপাশে একটি শক্ত গলদা।
#অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগের লক্ষণ:
মল অতিক্রম করার সময় অতিরিক্ত চাপ বা জ্বালা হতে পারে।
মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত।
পাইলস ব্যথা এবং জ্বালা হয়।
#বহিরাগত অর্শ্বরোগের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:
মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি।
মলদ্বারের কাছে বেদনাদায়ক মাংসল গলদ।
বসার সময় ব্যথা বা অস্বস্তি।
#চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন।
🏠🏠তাহিরা হোমিও হল এন্ড থেরাপি সেন্টার কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঔষধ পৌঁছানো হয় ।
☎️☎️০১৭৪৭৯০৩৩৭০

*★*★*★শ্বেতী রোগের কর্যকরি কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ★*★*★শ্বেতী বা ধবল (  Vitiligo /leucoderma)  রোগ কী? শ্বেতী ত্বকের একট...
14/12/2024

*★*★*★শ্বেতী রোগের কর্যকরি কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ★*★*★

শ্বেতী বা ধবল ( Vitiligo /leucoderma) রোগ কী?

শ্বেতী ত্বকের একটি রোগ।

আমাদের ত্বকের মধ্যে মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলানিন, যা ত্বকের স্বাভাবিক রঙে ( pigment) র ভারসাম্য রক্ষা করে। মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয় শ্বেতী। অথাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গোলযোগের জন্য
রক্তে এক ধরনের শ্বেত কণিকা টি-লিম্ফোসাইট বেড়ে যায়, এরাই মেলানোসাইট কোষ কে ধ্বংস করে।

মেলানিন শরীরে কী কাজ করে?

আপনার চুল, ত্বক এবং চোখের রঙ নির্ধারণে মেলানিন একটি বড় ভূমিকা পালন করে। আপনার জিনগুলি, আপনার পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত, আপনি কতটা মেলানিন তৈরি করেন তা মূলত নির্ধারণ করে; ফর্সা (হালকা বর্ণের) ত্বকের লোকের চেয়ে কালো ত্বকের লোকেরা বেশি মেলানিন পান।

মেলানোজেনেসিস নামে পরিচিত বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ মেলানিন তৈরি করে।

বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ শ্বেতীতে আক্রান্ত। প্রয়াত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনও এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাই প্রতি বছর ২৬ জুন তাঁর প্রয়াণ দিবসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘ওয়ার্ল্ড ভিটিলিগো ডে’ বা বিশ্ব শ্বেতী দিবস হিসেবে।

সাধারণত মুখমণ্ডল, কনুই, বুকের ত্বক প্রথমে আক্রান্ত হতে শুরু করে। কখনো কখনো শ্বেতী চোখের পাশ দিয়ে, নাকের দুই পাশে বা ঠোঁটের কোণ বা ওপরের ত্বকেও শুরু হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বেতী খুব একটা ছড়ায় না, একটা বিশেষ জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। আবার কারও এমনভাবে মুখে, বুকে, হাতে, পায়ে ছড়িয়ে পড়ে যে বোঝাই যায় না একসময় শরীরের রং কী ছিল।

সাধারণত দেখা যায় ১০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম শুরু হয়,আবার মহিলাদের মেনোপজের সময়ও দেখা দিতে পারে।

এই রোগ কেন হয় ঃ-

একটাই উত্তর অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার।

এখন প্রশ্ন অটোইমিউন ডিজঅর্ডার কি

যেখানে একজন লোকের ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত তার শরীরকে আক্রমণ করে। আরো সহজ ভাবে বললে, বাইরের কোনো ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর প্রভাব ছাড়াই রোগ সৃষ্টি হয় কারণ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সুস্থ কোষকে ক্ষতিকর মনে করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

সাধারণত ইমিউন সিস্টেম ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মতো জীবাণু থেকে আমাদেরকে সুরক্ষা দেয়- যখন ইমিউন সিস্টেম বুঝতে পারে যে শরীরে আক্রমণকারী প্রবেশ করেছে, তখন এটি এসব শত্রুকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। সাধারণত ইমিউন সিস্টেম শত্রু কোষ ও সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে।

কিন্তু অটোইমিউন রোগের ক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেম শরীরের কোনো অংশকে শত্রু ভেবে ভুল করে এবং অটোঅ্যান্টিবডি নামক প্রোটিন নিঃসরণের মাধ্যমে সুস্থ কোষকে আক্রমণ করে।

ইমিউন সিস্টেম সেনাবাহিনীর মতো

ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব থেকে আমাদেরকে সুরক্ষিত রাখে। অ্যান্টিবডি হলো রক্তের প্রোটিন যা আক্রমণকারীকে নিষ্ক্রিয় করে। এটিকে বলা হয় ইমিউন রেসপন্স। সুস্থ কোষের ওপর এ আক্রমণ শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে । শ্বেতির ক্ষেত্রে ত্বকের মেলানোসাইট কোষ নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়ে মেলানিন তৈরি হতে বাধা সৃষ্টি করে। তাই ত্বকের স্বাভাবিক রঙ ( pigment) না হয়ে সাদা দেখায়।

অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার কেন হয়?

আধুনিক বিশ্বে যে আহার করি তা অধিকাংশ কেমিক্যাল যুক্ত এমনকি বহুল প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি র ঔষধগুলো কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি। পরিবেশ দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শে আসা, জীবন শৈলী সঠিক ভাবে পালন না করা।

শ্বেতি র ক্ষেত্রে দেখা যায় প্লাস্টিকের জুতো পড়ার জন্য, কোমরে জোড়ে বেল্ট বা দড়ি বাঁধার জন্য বা কেটে যাওয়ার জায়গা বা পুড়ে যাওয়ার বা কেমিক্যাল যুক্ত সিঁদুর পড়া, গলা ও হাতে খারাপ রাসায়নিকের দিয়ে গহনা পড়ার জায়গায় মেলামিন তৈরি হচ্ছে না। এগুলো থেকে বিরত থাকলে কোন ঔষধ ছাড়াই ঠিক হয়ে যায়। এটা করে শরীরের ইমিউন সিস্টেম। আবার দেখা যায় বিছিন্ন ভাবে কয়েকটি জায়গায় হলো কিন্তু আর বাড়ছে না, আবার কিছু লোকের ক্ষেত্রে ত্বকের দুই একটি জায়গায় প্রথমে দেখা দিয়ে আস্তে আস্তে সমস্ত শরীরের ছরিয়ে পরলো।
এর কারন ইমিউন সিস্টেম ঠিক ঠাক কাজ করছে না।

প্রথমে ইমিউন সিস্টেম কে ঠিক করতে হবে।

*★*★*★হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমন্ধে বলার আগে করনীয় পরামর্শ ঃ-★*★*

১).আপনার আহারে পরিবর্তন করতে হবে মাছ,মাংস, ডিম সহ দুধ বা দুধের তৈরি কোন খাবার বন্ধ করতে হবে। যেমন টক দই,ছানা বা পনির। যে সব্জিতে আপনার এলার্জেন আছে তা বন্ধ করতে হবে। এলার্জেন মানে, যে সব্জিতে আপনার এলার্জি হয়, তা বন্ধ করবেন।

২). প্রচুর পরিমানে সতেজ শাকসব্জী, পাকা ফল খেতে হবে।

৩). কোন রকম সংরক্ষণ করা খাবার বা কেমিক্যাল যুক্ত খাবার আহার করা উচিত নয়।

৪). খাবার সময় এবং ঘুমানোর সময় নির্দিষ্ট করতে হবে।

৫). প্রতিদিন ১২ ঘন্টা উপবাস ( Firsting) দরকার

৬) মাসে এক বার পূর্ণ দিবস উপবাস দরকার যাতে।যাতে শরীর নিজের শরীর কে মেরামত করতে পারে।

৭).শ্বেতি রোগীরা কখনও কোন সবান, পেট্রোলিয়াম জেলি, কসমেটিক ব্যবহার করবেন না, প্রয়োজনে নিম পাতা জলে ফুটিয়ে, জলের মিশিয়ে স্থান করুন।

৮) টমেটো সহ কোন টক জাতীয় ফল বা টক কোন খাবার খাবেন না।

৯).মানসিক কোন উৎকন্ঠা রাখবেন না

১০). নিজেকে নিজে বেশি বেশি করে ভালোবাসতে হবে।নিজেকে গর্বিত মনে করুন,এটা কোন সংক্রমণ রোগ নয়।একজন থেকে আরেক জনের আক্রান্ত হবে।

১১). পানীয়জল ১২ ঘন্টা কোন তাপার পাত্রে রেখে সারাদিন জল পান করবেন।

১২).যে খাবার গুলো প্রতি দিন খাদ্য তালিকায় রাখবেন ঃ-
ক). ৫০ গ্রাম ছোলা ( চানা বা বুট) আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাবেন। অঙ্কুরত হলে আরো ভালো।

খ). ৫-৬ কাঠ বাদাম ( Almond) খাবেন।

গ). ৫-৬ মিষ্টিকুমড়ার বিচি,তা কাচা বা অল্প ভেজে খাবেন।

ঘ). পাকা পেঁপে ২০০ গ্রামের মতো খাবেন, বা জুস করেও খেতে পারেন। অথবা কাঁচা লাউের ২০০ গ্রাম জুস খেতে পারেন।

১৩). শ্বেতি একটি চর্মরোগ। আর চর্ম, শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় দেখা যায়, শরীরের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা সম্পুর্ণ ভাবে এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে থেকে। সারা জীবনের আর আক্রান্ত হয় না।

★ARS SUL.FLAV 3X ★
শ্বেতি রোগের নির্ভরযোগ্য ঔষধ। মায়াজাম ভিত্তিক বা উপসর্গ ভিত্তিক ঔষধের সাথে এই ঔষধ চলবে।প্রথমে 3X দিয়ে শুরু করুন, তারপর ক্রমবর্ধমান ঔষধের শক্তি বৃদ্ধি করুন। 3X - 6X- 30CH 200CH- 1M পযন্ত শক্তি বাড়াতে পারেন।

নিন্মলিখিত ঔষধ গুলো মধ্যে যে কোন একটি ঔষধ নির্বাচিত করুন।

১).CAUSTICUM 200

যে সমস্ত রোগীর চোখের পাতায়, নাকের ডগায়, হাতের আঙুলে ও নখের ধারে শ্বেতি দেখা দেয়, এরা খুব ভীতু এবং সামান্য কারণে উদ্বিগ্ন হয়। এই সকল রোগীদের ভালো কাজ করে।

২).ACID. NITRIC 200

যে সকল রোগীদের মিউকাস মেমব্রেন এবং চর্ম্মের সন্ধিস্থলে ( যেমন, ঠোঁটের কোনে, নাকের কোনে বা গুহ্যদ্বারে) শ্বেতি দেখা যায় তাদের খুব ভালো কাজ করে।

৩).SEPIA 200

এই ঔষধটি মহিলাদের জন্য বেশি ব্যবহার হয়। শ্বেতির জন্যেও ব্যবহার করা হয়। যে সকল মহিলারা মেনোপজ হওয়ার সময় শ্বেতি রোগে আক্রান্ত হয়,তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। তবে শ্বেতি রোগের সাথে মহিলাদের জরায়ু কোন রোগ থাকলে এই ঔষধ খুব ভালো কাজ করে।

৪).THUJA OC 1M

শ্বেতি রোগীর বংশের কারো শ্বেতি রোগ থাকার ইতিহাস থাকলে, মাসে এক বার এই ঔষধ অবশ্যই প্রয়োগ করবেন

৫).PIPER MENTH 200

শরীরের কোন একটা নির্দিষ্ট স্থানে Skin র উপরে মাছের আঁশের মতো আঁশ উঠে জায়গাটি সাদা হয়ে,অনেক ক্ষেত্রে আপনাআপনি সেরে যায়, কিছু ক্ষেত্রে না সেরে শ্বেতিতে রুপান্তর হয়, সে ক্ষেত্রে এই ঔষধ বিশেষ উপকারী।

৬).CINA 200

শ্বেতি রোগে এই ঔষধ বিশেষ ভুমিকা রাখে। পিনওয়ার্ম বা গুড়ো কৃমি শরীরের পুষ্টিহীনতা জন্য ভীষণভাবে দায়ী। কৃমি শরীরের পুষ্টি উপাদান শোষণ করে শরীরকে দুর্বল করে দেয়। একইসাথে কৃমি শরীরের রক্ত শোষণ করে শরীরে রক্তস্বল্পতা তৈরি করে। এবং অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার হয়। এই অটো ইমিউন ডিজঅর্ডারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে শ্বেতি দেখা যায়, সে ক্ষেত্রে সিনা খুব কর্যকরি ঔষধ, তবে কিছু বিশেষ লক্ষ্মণ লক্ষ্য করতে হবে। ১) সিনা রুগীর জিহ্বা সব সময় পরিস্কার থাকবে।( তা যে রোগ হোক'না কেন।) ২) রুগী রাগী,বয়নাদার ও আবদারে। ৩).রুগী সর্বদা নাক খোঁটে বা নাক ঘোসে।

৭). FILIX MAS 200

এই ঔষধ শ্বেতি রোগের জন্য অনেক সময় ব্যবহার হয়।
ফিতাকৃমির অ্যালারজেনগুলি ছড়িয়ে পরার ফলে রোগীর শরীরে অ্যালার্জি ও ফুসকুড়ির প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।সে থেকে অনেক সময় শ্বেতি রোগ দেখা যায়। যদি দেখা রোগীর ফিতা( TAPE - WORM ) কৃমির ইতিহাস আছে, তা'হলে এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খুবই কর্যকরি

৮).CUPRUM MET 200

সরাসরি শ্বেতির ঔষধ নয়। তবে শরীরে যে সকল খনিজ পদার্থ থাকে তার মধ্যে তামা ( COPPER) একটি বিশেষ ভুমিকা রাখে। আর এই তামা পরিপাক -যন্ত্র, লিভার, কিডনি, সেরিব্রো-স্প্যাইন্যাল সিষ্টেম, নিউমোগ্যাাস্টিক-নার্ভ ও রক্তসঞ্চালকারী যন্ত্রে উপরে কাজ করে। অতএব যে রুগী দীর্ঘ দিন পেটের গন্ডগোলে আক্রান্ত, কিছুতেই পেটের গন্ডগোল থেকে ভালো থাকে না, এবং তারা শ্বেতি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য একটি কর্যকরি ঔষধ।

এছাড়াও আরো হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আছে।

★*★বাহ্য প্রয়োগ ( External Use) ★*★

PSORALIA COR Q (Mother tincture)

JASMINE IOL ( জু্ঁই ফুল তেল) বা ALMOND OIL ( কাঠ বাদাম তেল )

১ঃ৩ মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে। দিনে দুই বার।এবং ঔষধ লাগানোর পর আধ ঘন্টা সূর্যরশ্মিতে থাকতে হবে।

★*★★*বিশেষ কথা জেনে রাখা ভালো। ★* ★★*

শরীর কে রোগ মুক্ত করতে প্রতিদিন আহারে ৫০% খাবার ফল এবং স্যালাট খান অথাৎ কাঁচা পাকা ফল কাঁচা সব্জি খান এতে শরীরে পটাসিয়াম ও সোডিয়াম পরিমাণের সমতা বজায় রাখে। পটাসিয়াম ও সোডিয়াম ১ঃ১ থাকলে কোন রোগ আক্রান্তের হওয়া র সম্ভাবনা কম থাকে । হলেও autophagy মাধ্যমে শরীর তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।

লেখক- ডা: সুব্রত সেনগুপ্ত
রবীন্দ্র নগর, শিলিগুড়ি, ভারত।

13/12/2024

🌷পুরু*ষাঙ্গ বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্যাদি
🌷Standard Pe*nis Size
==================================
🌴উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি।

🌴 তবে আপনার পেনিস যদি লম্বার সর্বনিম্ন 4 (চার) ইঞ্চিও হয়ে থাকে তাহলেও আপনার স্ত্রীকে তৃপ্তি দিতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না। অনেকে আবার এও বলে থাকেন স্ত্রীকে অরগাজম দিতে মাত্র ৩ ইঞ্চি লম্বা পেনিস হলেই যথেষ্ট।
🌴 বড় পেনিস মানেই বেশি মজা, কথাটা ঠিক নয় । আপনার ডিউরেশন কত সেটাই আসল । স্বাভাবিক টাইম ৭-১০ মিনিট।

🌴 পেনিস কখনই একেবারে সোজা হয়না । একটু বাকা থাকেই ।

🌴 পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় অপপ্রচারের কারুনে সবারই এটা একটা ভুল ধারনা হয়ে গেছে ।

🌴 কোন যাদুকরী তেল বা মালিশ পেনিস তেমন বড় করতে সক্ষম নয় । এগুলা ভুয়া । তবে সতেজ রাখার বা করার জন্য মালিশ বা ম্যাসেজ ব্যবহার করতে পারেন আমরা যেমন শরীরের ত্বক সতেজ রাখার জন্য সরিষার তেল বা অনান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি।

🌴বেশি বড় পেনিস হলে মেয়েরা মজা পাওয়ার বদলে ব্যথা পায় । এমনকি সেটা যৌন আতঙ্কেও রুপ নিতে পারে।

🌴ক্ষুদ্র পেনিস বলতে ২.৭৬ ইঞ্চির চেয়ে ছোট পেনিস বুঝায় । সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে ।

🌴গোঁড়া চিকন আগা মোটা বা বাঁকা পেনিস যৌনমিলনে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেনা ।

🌴. স্ত্রী ছাড়াই পেনিস দাঁড়াইয়া যায় এমন কোনো কাজ যেমন: বেগানা নারীর দিকে তাকানো, অশ্লীল সাহিত্য পড়া, কম্পিউটার বা মোবাইলে খারাপ কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন।

🌴 ৪০ দিনের মধ্য পুরুষাঙ্গের গোড়ার চুল কাটুন।

🌴 আপনার যৌন স্বাস্থ্য এর দিকে নজর দিন। এটাও আপনার শরীরেরই অংশ।

🌴যৌন সমস্যার ব্যাপারে ভুল করেও কখনো অবহেলা করবেন না। যে কোনো যৌন সমস্যায় কোনো প্রকার সংকোচ না করে তাৎক্ষণিক ভাবে ডাক্তারের শরনাপর্ন হোন।
প্রয়োজনে হোমিওপ্যাথিক টিপস এর পরামর্শ নিন।আপনার সকল প্রকার যৌন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন।
🌴 সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন এবং সুখী আনন্দময় যৌন জীবন উপভোগ করুন।

⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।মনে রাখবেন জানার কোন শেষ নেই ।

কিভাবে প্রাকৃতিকভাবে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ানো যায়।১. স্বাস্থ্যকর খাদ্য বজায় রাখুন২.পরিপূরক গ্রহণ করুন৩.নিয়মিত ব্যায়া...
11/12/2024

কিভাবে প্রাকৃতিকভাবে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ানো যায়।
১. স্বাস্থ্যকর খাদ্য বজায় রাখুন
২.পরিপূরক গ্রহণ করুন
৩.নিয়মিত ব্যায়াম করুন
৪.মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
৫.ক্ষতিকারক পদার্থ এড়িয়ে চলুন
৬.পর্যাপ্ত ঘুম পান
৭.তাপ এক্সপোজার সীমিত করুন
৮.ঢিলেঢালা, শ্বাস নেওয়া যায় এমন অন্তর্বাস করুন।

📢📢বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষের জন্য সুখবর । যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিন।😢😢রোগ নিয়ে লজ্জা করলে হবে না। জানতে হবে, বুঝতে...
06/12/2024

📢📢বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষের জন্য সুখবর । যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিন।
😢😢রোগ নিয়ে লজ্জা করলে হবে না। জানতে হবে, বুঝতে হবে, সমাধান নিতে হবে। যৌন সমস্যার যথা সময়ে সঠিক চিকিৎসা না নিলে সমস্যাটা দিন দিন আরো বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই লজ্জা না করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।
🏠🏠 তাহিরা হোমিও হল এন্ড থেরাপি সেন্টার
☎️☎️মোবাইল -01820978655
কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঔষধ পৌঁছানো হয়।

Address

Kholoni , Airport , Jashore Sador
Jashore
7400

Telephone

+8801820978655

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Caregiver Health Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Caregiver Health Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category