Jessore Medical College

Jessore Medical College Activities of Jessore Medical College......... It's the first & acting page of JMC, running by students of JMC.........

17/05/2021
22/11/2019

১ম মাইগ্রেশনের ভর্তি
২৪ ও ২৫ তারিখ।।
ভর্তি ফি ঃ১৯০০০ টাকা

ভর্তির সম্ভাব্য তারিখ ২৭-৩১ অক্টোবর।। ভর্তি ফি বিশ হাজার টাকা।।প্রয়োজনীয় তথ্যাদি.যে কোন প্রয়োজনে।।+8801714812092student ...
20/10/2019

ভর্তির সম্ভাব্য তারিখ ২৭-৩১ অক্টোবর।।
ভর্তি ফি বিশ হাজার টাকা।।
প্রয়োজনীয় তথ্যাদি.
যে কোন প্রয়োজনে।।
+8801714812092
student section..

২০১৯ সালের ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণকারী ডাক্তারগণঃJuly 3 ডাঃ নিগার নাহিদ দিপু 13th MBBS MMCJuly 12 ডাঃ রোমানা আফরোজ 7th MBBS D...
05/08/2019

২০১৯ সালের ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণকারী ডাক্তারগণঃ

July 3 ডাঃ নিগার নাহিদ দিপু 13th MBBS MMC
July 12 ডাঃ রোমানা আফরোজ 7th MBBS DLMC
July 21 ডাঃ শাহাদাত হোসেন হাজরা 12th MBBS SSMC
July 26 ডাঃ উইলিয়াম ম্রং 9th MBBS MMC
July 26 ডাঃ তানিয়া সুলতানা 47th MBBS SOMC
August 3 ডাঃ রাশেদুজ্জামান রিন্টু 33th MBBS RMC

যারা নিজের জীবন দিয়ে রোগীর সেবা করে গেলেন।
সবার বিদেহী আত্মার জন্য প্রার্থনা করি।

01/08/2019

© Rafee Shams

বোনের ছেলেকে নিয়ে শিশু হাসপাতালে গিয়েছিলাম 'ডেঙ্গু' সন্দেহে। সেখানে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা বুথ খোলা হয়েছে। ডেঙ্গু সন্দেহ করছি, বলার পর তারা সরাসরি NS1 টেস্ট করতে পাঠালো। আলাদা স্লিপ দিয়ে দিল যেটা দেখালে টিকিট কাটা এবং টেস্ট করানোর কাজটা সাথে সাথে করে দেয়া হবে, আলাদা সিরিয়াল লাগবে না। এই টেস্ট তারা বিনামূল্যে করছে এবং ১০ মিনিট এর মধ্যেই রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের কপাল ভালো আমার বোনের ছেলের ডেঙ্গু নেগেটিভ এসেছিলো। কিন্তু ডেঙ্গু পজিটিভ আছে এরকম রোগীর অভাব নেই। এমার্জেন্সিতে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়, তাই সেখানে কিছু সময় থেকে অবস্থাটা বুঝতে চেষ্টা করলাম।

শুধু যে ডেঙ্গু রোগী আসছে তা নয়, এর সাথে অন্যান্য রোগীতো আসছেই। তাদের ট্রিটমেন্ট করতে হচ্ছে। ব্যবস্থাপত্র লিখে দিতে হচ্ছে, এমার্জেন্সি রোগীকে ভর্তির জন্য বেড খালি আছে কিনা সেটারও খোঁজও তাদেরকেই নিতে হচ্ছে। এক বেডে দুজন করে রোগী দেয়ার পরেও কোন বেড ফাঁকা নেই। নতুন কাউকে ভর্তি নেয়া যাচ্ছে না। এরই মধ্যে 'উপর' থেকে ফোন আসছে, অমুক স্যার, তমুক স্যারের রোগীর জন্য বেড দরকার সেই তথ্য টুকে রাখতে হচ্ছে। এরমধ্যে কীভাবে যেন এক সাংবাদিক ঢুকে পড়েছে। তিনি বিভিন্ন তথ্যের জন্য একে ওকে প্রশ্ন করছেন। বাইরে একজন গার্ড ক্রুদ্ধ এবং প্যানিকড স্বজনদের সামলানোর চেষ্টা করছে। সে এক ম্যাসাকার অবস্থা। যে তিন জন মানুষ এই সামগ্রিক অবস্থা হ্যান্ডেল করছে, তাদের ধৈর্য্যের সীমা কতটুকু, আমার জানা ছিলো না। তবে ঐ দুজন ডাক্তার এবং একজন সহকারী যেভাবে সব কিছু সামলাচ্ছে সেটার জন্য কোন প্রশংসা বাক্য যথেষ্ট নয়।

অন্যান্য সরকারি হাসপাতালের অবস্থা আমার জানা নেই, তবে সম্ভবত এর থেকে ভালো হবার সম্ভাবনা নেই। এই মুহুর্তে আমাদের মেয়রদ্বয় যদি 'ডেঙ্গু ভিলেন' হয়ে থাকে, তবে আমাদের সুপার হিরো হচ্ছে আমাদের ডাক্তার এবং নার্সরা। স্বল্প সামর্থ্য, স্বল্প লোকবল নিয়ে তারা যে বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদন করছেন সেটার জন্য কখনোই তাদের ধন্যবাদটুকু দেয়া হবে না, বরঞ্চ ছিদ্রান্বেষণ হতে পারে, হচ্ছে।

আমাদের দেশের সাংবাদিকরা কখনোই খুব একটা সেন্সিবল ছিলেন না। এই ক্ষেত্রে তারা সেন্সিবিলিটি দেখাবেন- এই আশা আমরা করতেই পারি। এখন পর্যন্ত কত মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং কতজন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে- এই তথ্যও তাদের প্রচার করা উচিত যেন মানুষের প্যানিক কিছুটা প্রশমিত হয়। সেই সাথে ডাক্তারদের ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন না করে, সরকারি হাসপাতাল গুলোতে ডাক্তারদের যেসব অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সেগুলো এড্রেস করা উচিত।

এই দেশে কেউই তার কাজটি ঠিক মত করে না। ডাক্তাররা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যে তাদের স্বাভাবিক কাজটা করার চেষ্টা করছে- এর জন্য তাদের প্রতি আলাদা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যেতেই পারে।
Collected

23/05/2019

এটা একজন নন-মেডিক্যাল প্রাক্তন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ছাত্রের লেখা....
পড়ে দেখতে পারেন।
"বাঙ্গালির বুদ্ধি-শুদ্ধি জীবনেও হবে না।
একবারও ভেবে দেখেছেন বিষয়টা? মানুষ গুলো সারাদিন বসে আছে, সবাই তার কাছে আসতেছে বলতেছে, আমার পেটে ব্যথা, আমার মাথা ঘুরায়, আমার হাগা হচ্ছে না, আমার ডাইরিয়া, আমার চুল্কায়,আমার কুঁচকিতে ঘা,আমার বিচি ফুলে গেছে টাইপ কথাবার্তা। জীবনের প্রতিটা দিন মানুষগুলো অন্যের অসুখের কথা চুপচাপ শোনে। আমাকে আপনাকে, চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করে, যেন আমরা ভাল থাকি, সুস্থ্য থাকি। এরা যখন ডিউটিতে থাকে তখনতো করেই, ডিউটি ছাড়াও এখন মোবাইলের যুগ। দিন নাই, রাত নাই "দোস্ত বা ভাই বা আপু আমার গলায় মাছের কাটা ফুটছে, সকালে হাগা ক্লিয়ার হয় নাই পেটটা ভারী হয়ে আছে, আমার শরীর ম্যাজম্যাজ করছে কি করব" টাইপের ফোন দিনে একটাও পায় না এমন ডাক্তার খুঁজে পাওয়া বিরল। এসব কল না ধরলেও বিপদ, এমনিতেই পেশাগত কারনে এরা পারিবার বা বন্ধুদের সাথে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারে না, এসব কল না ধরলে তো আরও মার্কামারা সমাজবিচ্যুত হয়ে যাবে।
এতকিছু করার পরও ওরা খারাপ আমাদের কাছে। তারপরও কিন্তু কিছু একটা হলেই ওদের কাছেই দৌড়াতে হয় আপনি যত বড় কুতুবই হন না কেন। হাগা বন্ধ হলেও ডাক্তার, হাগা বারবার হলেও ডাক্তার। আপনার সমস্যাটা হয়ত সিরিয়াস, আপনি ভুগছেন। কিন্তু এটাও মাথায় রাইখেন শুধু আপনি না, যারা যাচ্ছে হসপিটালে সবার অবস্থাই আপনার মত। ঐ ডাক্তারগুলো সারাদিন এসব নিয়েই আছে। তারাও টায়ার্ড হতে পারে। তারাও আপনার বাড়াবাড়িতে বিরক্ত হতে পারে।
একবার আমার এক বন্ধুকে মহসীন হলের মাঠে কোপাইল চাপাতি দিয়ে। নিয়ে গেলাম ঢাকা মেডিকেলের ইমার্জেন্সিতে। ওর সারা শরীর রক্তে ভেজা, আমাদের জামাকাপড়ও ওর রক্তে চিটচিট করতেছে। কোথাও লাল-লাল মাংস দেখা যাচ্ছে,কোথাও সাদা হাড়। ঢাকা মেডিকেলে গেছি, ঢাকা ভার্সিটির ছেলে মেয়ে আমরা সব। স্বভাবতই গিয়েই হৈ চৈ শুরু করে দিলাম। ওটি তে নিতে দেরী হচ্ছে কেন? ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি। একজন ডাক্তার এসে বলল আপনি আসেন আমার সাথে, আমরা দুইজন ওটিতে ঢুকলাম। দেখি ওটিতে একসাথে দুইটা অপারেশন চলছে। একটা এক্সিডেন্ট কেস। একজনের একটা হাত কেটে ফেলে রাখা একপাশে, চার পাঁচজন সার্জন চেষ্টা করছে তার পা দুটোকে বাঁচাতে। আরেকজনের মুখে চোখ, নাক, মুখ কোনটা যে কোথায় তা বোঝা যাচ্ছে না ঠিকমত। হয়ত ভালমত তাকালে আলাদা করে দেখতে পারতাম। কিন্তু তাকানোর শক্তি বা সাহস আমার ছিল না। আমাকে জিজ্ঞেস করল বলেন এদের আগে আপনার বন্ধুর সেলাইটা করে দেব? আমি উত্তর না দিয়ে বের হয়ে আসলাম। এরা ডাক্তার আমার আপনার মতই মানুষ। এদেরও বিরক্ত লাগে, রাগ হতে পারে, রোগ হতে পারে, খারাপ লাগতে পারে। ভেবে দেখেন অফিসে কতজন লোকের সাথে আপনাকে ডিল করতে হয়? সবাই আপনার কাছে তাদের সমস্যা নিয়ে আসে কি? তারপরও একটা সময়ের পর রাগ হয়, বিরক্ত লাগে। আর ডাক্তারদের অফিসে সবাই নিজেদের সমস্যা নিয়েই যায়।
কিছুদিন আগে মামাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলাম ল্যাব-এইডে। মামা শুরু করল এভাবে "ডাক্তার সাহেব অমুক ইঞ্জিনিয়ার আমার বন্ধু, সে আমাকে আপনার কথা বলল। তাই আপনার কাছে আসলাম।" ডাক্তার বলল অনেক রোগী দেখিতো ঠিক সেভাবে মনে পড়ছে না। জিজ্ঞেস করল আপনার কি হয়েছে সেটা বলেন। মামা বলে "আমার গ্যাস, ১৯৯২ সালে একবার এন্ডসকপি করেছিলাম,অমুক ইঞ্জিনিয়ার আমার বন্ধু, তার বাড়ি অমুক জায়গায়। সে আমাকে আপনার কথা বলল। তাই আপনার কাছে আসলাম।" ডাক্তার বলল "এত আগে! রিসেন্ট কোনো কিছু কি করা হয়েছে? কি ঔষধ খাচ্ছেন?" মামার উত্তর "অমুক ইঞ্জিনিয়ার আমার বন্ধু, সে অমুক খানে চাকরি করে, সে আমাকে আপনার কথা বলল। তাই আপনার কাছে আসলাম।" আমি নিজেই বিরক্ত। ডাক্তারের কথা আর কি বলব। এরা ডাক্তার। এরা বিরক্ত হলে দুনিয়া উলটে যায়। এরা প্রতিদিন এমনই সব রোগী সামলায়। একবার ভেবে দেখেন আপনি একদিনও পারবেন কিনা? না চিকিৎসা করতে হবে না, শুধু ধৈর্য ধরে মানুষের সমস্যা গুলো শুনবেন।
আমরা পয়দা হই ডাক্তারদের হাতে, সারাজীবন তো লেগেই আছে, মরার সময়ও এই মানুষগুলো আমাকে আপনাকে আরও কিছু দিন বাঁচিয়ে রাখতে জান প্রাণ দিয়ে লড়াই করে। একটা মানুষ আপনার সেবা করছে আর আপনি তার সাথে দূর্ব্যবহার করছেন, আপনার মত কৃতঘ্ন মানুষের সেবা করাটা তাদের জন্য কষ্টকর হওয়ারই কথা।
- সংগৃহীত।

১৮.০৫.১৯ ভোররাতে  সেহরী করতে যাওয়ার সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের  কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ...
19/05/2019

১৮.০৫.১৯ ভোররাতে সেহরী করতে যাওয়ার সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. রায়হান এবং ডা. আদনান এর উপর স্থানীয় সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে। সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের স্থানীয় এক কর্মচারীর আত্মীয়, এবং অত্র এলাকায় সুপরিচিত।

এমন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।
সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাই।

দৃস্টিভঙ্গি বদলায় একটু।
04/05/2019

দৃস্টিভঙ্গি বদলায় একটু।

অভিনন্দন।।।
10/04/2019

অভিনন্দন।।।

বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি: স্বাস্থ্যসেবায় অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ৪ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছ....

জরুরী কাজে ঢাকা যাচ্ছি , সহধর্মিনী সাথে। বাংলাদেশ বিমান .. মাত্র চার ঘন্টা লেট ! মহা বিরক্তি নিয়ে আসনে বসলাম .. ‘আকাশ প্...
08/04/2019

জরুরী কাজে ঢাকা যাচ্ছি , সহধর্মিনী সাথে। বাংলাদেশ বিমান .. মাত্র চার ঘন্টা লেট ! মহা বিরক্তি নিয়ে আসনে বসলাম .. ‘আকাশ প্রদীপ ‘..টেক অফ ! হঠাৎ চিৎকার আমার বাচ্চা কে বাঁচান , পেছন ফিরে দেখি ১০/১১ বছরের ছেলে প্রচন্ড খিঁচুনি , দুই হাত বাঁকা হয়ে আছে , সিটবেল্ট খুললাম .. belt sign on , প্লেন ঊর্ধ্বমুখী .. বউ হাত ধরে রাখলো .. ইশারায় আশ্বস্ত করলাম । দু জন cabin crew help করলো , jaw thrust , air way tube !! Seizure এক মিনিট স্হায়ী হলো .. বুঝলাম আবার ও হবে .. তাই হলো .. এবার একটু বেশী , তাৎক্ষনিক জানলাম history of brain tumour operation one year back . মাথায় ঘুরছে convulsion control করতে হবে , কিন্তু কিভাবে ? Pilot worried , co pilot এলো .. emergency box আনালাম.. পেলাম , inj diazepam... দিতে হবে intravenous..মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে turbulence .. 30000ft on air .. cox’bazar sadar hospital ..risk !! সব ভুলে ঠান্ডা মাথায় দিলাম .. inj diazepam 5mg I/V by disposable syringe .. only 20 sec !! Convulsion controlled .. ঘুমিয়ে পড়লো বাচ্চা .. plane land করলো । বৃষ্টিস্নাত রাজধানীতে পা ফেললাম .. পিছনে ভেসে আসছে .. well done good job thank you doc .. সময় কই তাকাবার !! কাল ই তো ভুলে যাবে বাচ্চা র ইনি্জনিয়ার বাবা অথবা উৎকন্ঠিত passenger..it’s our life !!! ‘SOME SUPER HEROS DO’NT WEAR CAPES , THEY CALLED DOCTORS ‘

কৃতজ্ঞতাঃ
Alak Nandy
Anesthesiologist
Associate professor

09/03/2019

Address

Jessore General Hospital, Doratana
Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jessore Medical College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram