Yaqeen - يقين

Yaqeen - يقين রুকইয়াহ শারইয়াহ চিকিৎসা ✅তিব্বে নববি
রুকিয়াহ শারইয়াহ হচ্ছে (নববী চিকিৎসা) একমাত্র ইসলামিক চিকিৎসা

🛑 সূরা বাকারা ঘরে থাকলে শয়তান ও যাদু দূরে থাকে! 🛑আপনি কি জানেন—যে ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সেখানে শয়তান অ...
27/03/2026

🛑 সূরা বাকারা ঘরে থাকলে শয়তান ও যাদু দূরে থাকে! 🛑

আপনি কি জানেন—যে ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সেখানে শয়তান অবস্থান করতে পারে না?

রাসূল ﷺ বলেছেন—
❝ তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবর বানিও না। যে ঘরে সূরা বাকারা পড়া হয়, সেখান থেকে শয়তান পালিয়ে যায় ❞
📚 সহিহ মুসলিম

আরেক হাদিসে এসেছে—
❝ সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা বরকত, তা ছেড়ে দেওয়া আফসোস, আর বাতিলপন্থীরা (যাদুকররা) এর মোকাবিলা করতে পারে না ❞
📚 সহিহ মুসলিম
⭕যাদু হলো জ্বীন শয়তানের সাথে যাদুকরের চুক্তি।
শয়তান ঘরে আসতে না পারলে চুক্তি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
শয়তান হতে পারে যাদুর খাদেম বা সেবক অথবা কবিরাজের পাঠানো জ্বীন শয়তান।

⚠️ কেন সূরা বাকারা এত গুরুত্বপূর্ণ?

শয়তানকে ঘর থেকে দূরে রাখে

যাদুর প্রভাব দুর্বল করে

ঘরে বরকত ও রহমত আনে

মানসিক শান্তি বৃদ্ধি করে

✅ কীভাবে আমল করবেন:

প্রতিদিন না পারলে অন্তত ৩ দিনে একবার সূরা বাকারা পড়ুন

ঘরে চালু রেখে তিলাওয়াত শুনতে পারেন

পরিবারসহ নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করুন

🔐 অতিরিক্ত সুরক্ষা:

সকাল-সন্ধ্যার যিকির

আয়াতুল কুরসি

৩ কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস)

❗ গুরুত্বপূর্ণ কথা:

👉 শুধু শুনলেই হবে না—বোঝার চেষ্টা ও আমলও করতে হবে
👉 সমস্যা বেশি হলে অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে রুকইয়াহ করুন

✨ মনে রাখুন:
❝ যে ঘরে কুরআন থাকে, সেখানে অশান্তি টিকতে পারে না ❞

🤲 আল্লাহ আমাদের ঘরকে কুরআনের নূরে ভরিয়ে দিন এবং শয়তান, জ্বীন ও যাদুর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

ঘরের ভিতরের জ্বীন দূর করার শক্তিশালী আমলঘরে অশান্তি, অজানা ভয়, খারাপ স্বপ্ন এগুলো অনেক সময় জ্বীনের প্রভাবের কারণ হতে পার...
26/03/2026

ঘরের ভিতরের জ্বীন দূর করার শক্তিশালী আমল

ঘরে অশান্তি, অজানা ভয়, খারাপ স্বপ্ন
এগুলো অনেক সময় জ্বীনের প্রভাবের কারণ হতে পারে।
ইসলামে এর সমাধান আছে, আলহামদুলিল্লাহ।

✅ ১. সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত
প্রতিদিন বা অন্তত ৩ দিনে একবার পুরো ঘরে পড়ুন।
📖 হাদিসে এসেছে,

যে ঘরে সূরা আল-বাকারা পড়া হয়, সেখানে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না।

✅ ২. আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়া
ঘুমানোর আগে এবং ঘরে প্রবেশের সময় পড়ুন।

✅ ৩. তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) ৩ বার করে
সকাল-সন্ধ্যায় পড়ে শরীরে ফুঁ দিন।

✅ ৪. ঘরে আযান দেওয়া
প্রতিদিন অন্তত ১ বার ঘরে আযান দিন জ্বীন দূরে থাকে।

✅ ৫. “বিসমিল্লাহ” বলে ঘরে প্রবেশ
এতে শয়তান ঘরে ঢুকতে পারে না।
🌿 বিশেষ আমল (রুকইয়াহ পানি)

এক বোতল পানিতে নিচেরগুলো পড়ে ফুঁ দিন:
সূরা ফাতিহা
আয়াতুল কুরসি
শেষ ২ আয়াত (সূরা বাকারা)
তিন কুল

👉 এরপর সেই পানি ঘরে ছিটান এবং পান করুন।

আমাদের চারপাশে সুন্দর মুহূর্ত বা প্রিয় সন্তানদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা এখন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু...
18/03/2026

আমাদের চারপাশে সুন্দর মুহূর্ত বা প্রিয় সন্তানদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা এখন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে, এই সামান্য একটি ছবি বা ভিডিও কীভাবে আমাদের প্রিয়জনদের বড় বিপদে ফেলতে পারে।

ইসলামে 'বদনজর' বা 'আল-আইন' কোনো কুসংস্কার নয়, বরং এটি একটি রূঢ় বাস্তবতা। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, বদনজর লাগা সত্য।

​যখন আমরা কোনো অর্জনের বা সন্তানের হাসিমাখা ছবি পোস্ট করি, তখন হাজার হাজার মানুষের নজর সেখানে পড়ে।

সবার মন বা নিয়ত এক থাকে না। কেউ হয়তো অনেক মুগ্ধ হয়ে দেখে কিন্তু মুখে 'মাশাআল্লাহ' বা 'বারাকাল্লাহ' বলে না, আবার কেউ হয়তো মনের অজান্তেই হিংসা করে ফেলে।

এই মুগ্ধতা বা হিংসা থেকেই তৈরি হয় এক ধরণের নেতিবাচক প্রভাব, যা সরাসরি ওই ব্যক্তি বা শিশুর ওপর পড়ে। এর ফলে দেখা যায়, হাসিখুশি বাচ্চাটি হঠাৎ অকারণে কান্নাকাটি করছে, অসুস্থ হয়ে পড়ছে কিংবা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে।

এমনকি সুন্দর দাম্পত্য জীবনের ছবি দেওয়ার পর হুট করে সংসারে অশান্তি শুরু হওয়াও বদনজরের একটি বড় লক্ষণ।

​সবাই আমাদের ভালো চায় না, আর সবার চোখের দৃষ্টিও পবিত্র হয় না। তাই নিজের নিয়ামতগুলোকে কিছুটা আড়ালে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

নিজের খুশিগুলো সবার সামনে প্রদর্শন না করে বরং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানানো এবং সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দুআগুলোর মাধ্যমে নিজেদের ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

মনে রাখবেন, সস্তায় পাওয়া লাইক বা কমেন্টের চেয়ে আপনার পরিবারের নিরাপত্তা এবং আত্মিক শান্তি অনেক বেশি মূল্যবান।

আপনি যদি একরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রথমে অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার এরকম সমস্যার পেছনে জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কি না। ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন সত্যিই সমস্যাটি মানসিক না আধ্যাত্মিক।

⤵️  #সেল্ফ রুকইয়াহ করুন।▪️যারা সপ্নে খাওয়া বেশি হয় দিনে অসুস্থ থাকেন বন্ধ করার উপায় নাই, সপ্নে যৌনমিলন দেখে ( এই সুরা কা...
13/03/2026

⤵️ #সেল্ফ রুকইয়াহ করুন।

▪️যারা সপ্নে খাওয়া বেশি হয় দিনে অসুস্থ থাকেন বন্ধ করার উপায় নাই, সপ্নে যৌনমিলন দেখে ( এই সুরা কাফ এর আয়াত সংখ্যা ৪৫ মাএ ) এই সুরাটা ১১ বার দৈনিক এক বসায় পড়বেন।

▪️ জাদুটোনা, জ্বিন,ওয়াসওয়াসা, তারা সুরা নূহ পড়বেন এক বাসায় ( ১১ বার)।

▪️ যারা জ্বিনের রুগি তারা সুরা জ্বিন ( ১১ বার পড়বেন দৈনিক।

▪️ যাদের সময় বেশি থাকে হাতে সুরা ইয়াসিন সাথে পড়বেন পারেন। (এটা না পড়লেও চলে পড়লে উপকার বেশি পাবেন।

▪️সকল লক্ষন থাকে, সুরা কাফ,সুরা নূহ, সুরা জ্বিন পড়বেন ( ৭ বার করে প্রতিটা সুরা পড়বেন এক বৈঠকে)

▪️ যদি ১১ করে পড়তে কষ্ট হয়। তারা তিনটা সুরা ৭ বার করে টানা ৩ মাস চালিয়ে যাবেন ইনশা আল্লাহ ৯৯% জাদু নষ্ট হয়ে যাবে। এক বসায় পড়বেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ফলাফলের জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না, কোটি টাকা খরচ করলেও জাদু থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। নিজে কষ্ট করে আমল করুন আল্লাহ সাহায্য করবে করবেই।
অডিও শুনলে তেমন সুস্থ হতে দেখিনি। দীর্ঘ ১২ বছর সুস্থ হয়নি কয়েক হাজার রুগি পেয়েছি। নিয়ত করে নিবেন নিয়তের উপর রুকইয়াহ আপনি যেমন নিয়ত তেমন ফলাফল, সন্দেহ পোষণ করবেন না এতে আপনার চিকিৎসা হবেনা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : আপনার সমস্যা বাড়বে কমবে সেল্ফ রুকইয়াহ চলাকালীন, ভয় পাবেন না ইনশাআল্লাহ এটা ভালো লক্ষণ। জ্বিন যাদুটোনা আপনার ক্ষতি করতে পারবেনা কষ্ট দিবে হয়তো বড় জোর। সুদ্ধ উচ্চারণ করতে হবে আপনার জন্য বাধ্যকতা নয়, আপনি মাজলুম আল্লাহ যানে পড়া বন্ধ করবেন না। আমাদের প্রতিদিন অভিশাপ দিবেন আমরা মাথা পেতে নিবো। আপনাদের সেল্ফ রুকইয়াহ আমরা ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানি করলে আপনি গালিগালাজ করতে পারেন। এটা আমাদের জন্য গালিগালাজ শুনা জায়েজ কারন অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ না হলে চিকিৎসা দেওয়া নিষেধ।

Yaqeen - يقين

ইন্না-লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহী রাজিউন এই ছোট ভাইটি জাদুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে...
07/03/2026

ইন্না-লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহী রাজিউন

এই ছোট ভাইটি জাদুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন

জাদুর প্রভাব দিন দিন কোথায় যাচ্ছে, এখনো কী আমরা সতর্ক হবনা৷ নিয়মিত ইবাদত করুন, সকাল সন্ধার মাসনুন আমল করুন।

সন্দেহজনক কিছু হলে দ্রুত অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন জ্বীন জাদুর সমস্যা আছে কি না।

ডায়াগনোসিস করতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01711-753835

বিস্তারিত জানতে ফলো দিন: Yaqeen - يقين

জিন-জাদুর চিকিৎসার সাথে হিজামার সম্পর্ক কী ❓আসল কারণটি শুনলে অবাক হবেনঅনেকেই অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন— হুজুর, আমার সমস্যা তো...
06/03/2026

জিন-জাদুর চিকিৎসার সাথে হিজামার সম্পর্ক কী ❓আসল কারণটি শুনলে অবাক হবেন

অনেকেই অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন— হুজুর, আমার সমস্যা তো আধ্যাত্মিক বা জিনের আছর, এর জন্য আমি কেন হিজামা করাব? হিজামা তো শরীরের ব্যথার চিকিৎসা!

আপনার এই ধারণাটি ভুল। আপনি হয়তো জানেন না, জিন বা জাদুর সাথে মানুষের রক্তের এক গভীর ও মারাত্মক সম্পর্ক রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "শয়তান মানুষের শরীরে রক্তের শিরা-উপশিরায় চলাচল করে।"

জাদুকর জিনরা মূলত রক্তের মাধ্যমেই আপনার শরীরের বিভিন্ন অর্গানে বিষক্রিয়া ছড়ায় এবং আপনাকে অসুস্থ করে রাখে। হিজামা হলো সেই অদ্বিতীয় চিকিৎসা, যার মাধ্যমে শরীর থেকে দূষিত রক্ত বা টক্সিন বের করে দিয়ে শয়তানের চলাচলের পথ সংকুচিত করে দেওয়া হয়। এটি জাদুর ভৌত কাঠামো নষ্ট করার অন্যতম হাতিয়ার।

বিশেষ করে রমাদান মাসে হিজামা করার গুরুত্ব ও ফযিলত অনেক বেশি। কিন্তু হিজামা করলেই হবে না, জানতে হবে সঠিক সময়। রমাদানের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ— এই বেজোড় দিনগুলোতে হিজামা করা সুন্নাহ এবং চিকিৎসার জন্য অধিক কার্যকরী।

জিন ও জাদুর রোগীরা কেন অবশ্যই হিজামা করাবেন

তবে মনে রাখবেন, হিজামা শরীরের যেকোনো জায়গায় করলেই জাদুর চিকিৎসা হয় না। জিনের সমস্যার জন্য শরীরের কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্ট আছে।

হিজামা নিতে আজই যোগাযোগ করুন।

কে বলে দোয়া কবুল হয় না?মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে...
04/03/2026

কে বলে দোয়া কবুল হয় না?

মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি অত্যন্ত বিনয় ও একাগ্রতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন।

অভাব-অনটনে জর্জরিত এই ব্যক্তিটি নিজের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদছিলেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে হারামের লাইভ ক্যামেরাটি তাঁর ওপর ফোকাস করে। হারাম শরীফের চ্যানেল থেকে সেই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

সৌদি আরবের একজন দানবীর ব্যক্তির চোখে ভিডিওটি পড়লে তিনি সেই কর্মীর সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সমস্ত ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেন।

পরবর্তীতে সেই কর্মীকে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি তখন কোন দোয়াটি পড়ছিলেন? তিনি জানালেন, তিনি অভাব মুক্তির সেই দোয়াটি পড়ছিলেন যা রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মেহমানের আগমনের সময় পড়েছিলেন।

ঘটনাটি হলো, একবার নবীজী ﷺ-এর ঘরে একজন মেহমান এলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে খাবারের খোঁজে লোক পাঠালেন, কিন্তু খবর এলো ঘরে কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করলেন,

​"اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ"

(আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আন্তা)

অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ ও রহমত প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয়।" (আবু দাউদ, সহীহ আল জামে, তাবারানী)

দোয়া করার কিছুক্ষণ পরই নবীজী ﷺ-এর কাছে উপহার হিসেবে একটি ভাজা বকরি এলো।

উলামাদের মতে, অভাব ও সংকটের সময় এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত বরকতময়।

আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কাছে চাইলে তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

© Salman Farsi

রাসূলুল্লাহ (সা.) জ্বিনদের তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করেছেন:১/ ​উড়ন্ত জ্বিন: যাদের ডানা আছে এবং তারা আকাশে উড়তে পারে।২/​সর্প...
03/03/2026

রাসূলুল্লাহ (সা.) জ্বিনদের তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করেছেন:

১/ ​উড়ন্ত জ্বিন: যাদের ডানা আছে এবং তারা আকাশে উড়তে পারে।

২/​সর্প ও কুকুর সদৃশ: যারা সাপ, কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণীর রূপ ধারণ করে বিচরণ করে।

৩/​ভ্রাম্যমাণ জ্বিন: যারা এক জায়গায় স্থির থাকে না, যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ায় এবং মানুষের বসবাসের স্থানে হানা দেয়।

আল-মুস্তাদরাক আলাস সাহিহাইন (ইমাম হাকিম): হাদিস নম্বর ৩৭৬৯। ইমাম হাকিম (রহ.) এই হাদিসটিকে সহিহ (বিশুদ্ধ) বলেছেন।
২. সহিহ ইবনে হিব্বান: হাদিস নম্বর ৬১৫৬।
৩. আল-মু'জামুল কাবির (ইমাম তাবারানি): হাদিস নম্বর ৫৭৩।
৪. শুয়াবুল ঈমান (ইমাম বায়হাকি): হাদিস নম্বর ৫০৮।

​হাদিসের পূর্ণ পাঠ:
​রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সাহাবী আবু সা’লাবা আল-খুশানি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
​"জ্বিন তিন প্রকার: এক প্রকারের ডানা আছে, তারা বাতাসে উড়ে বেড়ায়। এক প্রকার সাপ ও কুকুরের রূপ ধরে থাকে। আর এক প্রকার যাযাবর (ভ্রাম্যমাণ), যারা মানুষের সাথে বসবাস করে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে বেড়ায়।"

🔴

😭 সৌদি প্রবাসী এক ভাই কাঁদতে কাঁদতে বললেন…রাতে হোয়াটসঅ্যাপে কল এল। ওপাশ থেকে ভেঙে পড়া কণ্ঠ—“হুজুর… আমার স্ত্রীর জন্য রুক...
02/03/2026

😭 সৌদি প্রবাসী এক ভাই কাঁদতে কাঁদতে বললেন…

রাতে হোয়াটসঅ্যাপে কল এল। ওপাশ থেকে ভেঙে পড়া কণ্ঠ—
“হুজুর… আমার স্ত্রীর জন্য রুকইয়াহ করাতে চাই… ও এখন আমার সাথে নেই।”

ভাইটি সৌদি প্রবাসী। অত্যন্ত ভদ্র, দ্বীনদার একজন মানুষ।
তার স্ত্রী—একসময় হিন্দু পরিবারে বড় হওয়া এক মেয়ে। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে হেদায়েত পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। দ্বীন বুঝে, নিজের ইচ্ছায়, ভালোবেসে একজন মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করেন।

নতুন জীবন, নতুন পরিবার, নতুন ঈমান—
সবকিছু নিয়ে তারা সুখেই ছিলেন।

যখন স্বামী দেশে ছিলেন, দু’জনের আমল ভালো ছিল। নামাজ, কুরআন, দাম্পত্য—সব ঠিকঠাক।
মেয়েটির নিজের পরিবারের সাথে তেমন যোগাযোগও ছিল না।

কিন্তু…
স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর থেকে যেন সবকিছু বদলে গেল।

ভাইটি বললেন, “হুজুর, আমার স্ত্রীর মা এখনও হিন্দু। পুরো পরিবারও তাই। ও মুসলিম হওয়ার পর থেকেই তারা খুশি ছিল না। কিন্তু আমি দেশে থাকতে কিছু করতে পারেনি। আমি বিদেশে আসার পর থেকেই শুরু হলো অদ্ভুত পরিবর্তন।”

হঠাৎ— স্ত্রীর আচরণ বদলে গেল, শ্বশুরবাড়ির সাথে অকারণ ঝগড়া, নামাজে গাফিলতি, স্বামীর প্রতি বিরক্তি, একসময় শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে মায়ের কাছে চলে যায়।

ভাইটি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন—
“ও এখন আমার ফোনও ধরে না… আমার সাথে কথা বলতে চায় না… হুজুর, ও কি আবার কুফরির দিকে চলে গেল? ও কি আর মুসলিম নেই?”

ভাবুন তো—একজন মানুষ হেদায়েত পেয়ে ইসলামের পথে এসেছে।
কিন্তু কু-দৃষ্টি, হিংসা, পারিবারিক চাপ, কিংবা কুফরি তান্ত্রিকতার প্রভাবে তার ঈমান ও সংসার দুটোই ঝুঁকির মুখে পড়ে গেছে।

আমরা স্পষ্ট করে বলি—
সব সমস্যাকে যাদু বলা ঠিক নয়। পারিবারিক চাপ, মানসিক দ্বন্দ্ব, সামাজিক আক্রমণ—এসবও বড় কারণ হতে পারে।

আপনার আশেপাশেও কি এমন ঘটনা ঘটছে?
আপনি কী মনে করেন—এটা পারিবারিক চাপ, মানসিক পরিবর্তন, নাকি আধ্যাত্মিক আক্রমণ?

💬 কমেন্টে আপনার মতামত লিখুন।
📢 পোস্টটি শেয়ার করুন—হয়তো কারও ভাঙতে বসা ঈমান ও সংসার বাঁচাতে পারে।

#রুকইয়াহ #জিন #যাদু #বিচ্ছেদ

আশিক জ্বীনে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৪ টি লক্ষ্মণ: নিজের সাথে মিলিয়ে নিন। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। দোয়া করুন। বিস্তারিত জানত...
02/03/2026

আশিক জ্বীনে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৪ টি লক্ষ্মণ: নিজের সাথে মিলিয়ে নিন।

আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। দোয়া করুন।

বিস্তারিত জানতে ফলো দিন: Yaqeen - يقين

রুকইয়ার সময় রোগীর চোখে ভাসছে এই গীতাশ্রম মন্দিরের ওপরের মিনার এবং ভিতরে থাকা মূর্তিটি।রাঙামাটির এই মন্দিরের কাছে যাওয়ার ...
01/03/2026

রুকইয়ার সময় রোগীর চোখে ভাসছে এই গীতাশ্রম মন্দিরের ওপরের মিনার এবং ভিতরে থাকা মূর্তিটি।

রাঙামাটির এই মন্দিরের কাছে যাওয়ার পরেই শুরু হয় রিয়েকশন।

যে মূর্তি দেখতে পাচ্ছেন, তার পায়ের নিচে যাদু করা ছিল। ভিতরে যাওয়াই কঠিন। আল্লাহর রহমতে আমরা যখন যাই তখন লোক না থাকায় সহজেই যাদুটা নষ্ট করা গেছে আল হামদুলিল্লাহ।

28/02/2026

তোমরা ৭ টি ধ্বংসাত্মক বস্তু থেকে বেঁচে থাকবে।
তার একটি হলো, যাদু

সহীহ বুখারী, ২৭৬৬

Address

Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yaqeen - يقين posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share