02/03/2026
😭 সৌদি প্রবাসী এক ভাই কাঁদতে কাঁদতে বললেন…
রাতে হোয়াটসঅ্যাপে কল এল। ওপাশ থেকে ভেঙে পড়া কণ্ঠ—
“হুজুর… আমার স্ত্রীর জন্য রুকইয়াহ করাতে চাই… ও এখন আমার সাথে নেই।”
ভাইটি সৌদি প্রবাসী। অত্যন্ত ভদ্র, দ্বীনদার একজন মানুষ।
তার স্ত্রী—একসময় হিন্দু পরিবারে বড় হওয়া এক মেয়ে। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে হেদায়েত পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। দ্বীন বুঝে, নিজের ইচ্ছায়, ভালোবেসে একজন মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করেন।
নতুন জীবন, নতুন পরিবার, নতুন ঈমান—
সবকিছু নিয়ে তারা সুখেই ছিলেন।
যখন স্বামী দেশে ছিলেন, দু’জনের আমল ভালো ছিল। নামাজ, কুরআন, দাম্পত্য—সব ঠিকঠাক।
মেয়েটির নিজের পরিবারের সাথে তেমন যোগাযোগও ছিল না।
কিন্তু…
স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর থেকে যেন সবকিছু বদলে গেল।
ভাইটি বললেন, “হুজুর, আমার স্ত্রীর মা এখনও হিন্দু। পুরো পরিবারও তাই। ও মুসলিম হওয়ার পর থেকেই তারা খুশি ছিল না। কিন্তু আমি দেশে থাকতে কিছু করতে পারেনি। আমি বিদেশে আসার পর থেকেই শুরু হলো অদ্ভুত পরিবর্তন।”
হঠাৎ— স্ত্রীর আচরণ বদলে গেল, শ্বশুরবাড়ির সাথে অকারণ ঝগড়া, নামাজে গাফিলতি, স্বামীর প্রতি বিরক্তি, একসময় শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে মায়ের কাছে চলে যায়।
ভাইটি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন—
“ও এখন আমার ফোনও ধরে না… আমার সাথে কথা বলতে চায় না… হুজুর, ও কি আবার কুফরির দিকে চলে গেল? ও কি আর মুসলিম নেই?”
ভাবুন তো—একজন মানুষ হেদায়েত পেয়ে ইসলামের পথে এসেছে।
কিন্তু কু-দৃষ্টি, হিংসা, পারিবারিক চাপ, কিংবা কুফরি তান্ত্রিকতার প্রভাবে তার ঈমান ও সংসার দুটোই ঝুঁকির মুখে পড়ে গেছে।
আমরা স্পষ্ট করে বলি—
সব সমস্যাকে যাদু বলা ঠিক নয়। পারিবারিক চাপ, মানসিক দ্বন্দ্ব, সামাজিক আক্রমণ—এসবও বড় কারণ হতে পারে।
আপনার আশেপাশেও কি এমন ঘটনা ঘটছে?
আপনি কী মনে করেন—এটা পারিবারিক চাপ, মানসিক পরিবর্তন, নাকি আধ্যাত্মিক আক্রমণ?
💬 কমেন্টে আপনার মতামত লিখুন।
📢 পোস্টটি শেয়ার করুন—হয়তো কারও ভাঙতে বসা ঈমান ও সংসার বাঁচাতে পারে।
#রুকইয়াহ #জিন #যাদু #বিচ্ছেদ