26/02/2025
শান্তির নোবেলে শান্তি নেই
-সুনীল ঘোষ......................................
শান্তির নোবেলে শান্তি নেই,
বিষবাস্প ছড়াতে ব্যস্ত ইউনূস!
দেশটা আজ নৈরাজ্যে ভরপুর,
অস্ত্র-অর্থ জঙ্গি প্রশিক্ষণে বেপরোয়া কয়েকশ শিক্ষার্থী!
সংঘাত-সংঘর্ষ রাজপথ কাঁপাতে ব্যস্ত তারা,
পাঠগ্রহণের সময় নেই।
লেখাপড়ার চেয়ে রাজনীতি নাকি খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
সুরে সুর মিলিয়ে ইউ কাকু গর্ব করে বলছেন এই তরুণাই গড়বে নতুন বাংলাদেশ।
তারাও হুঙ্কার ছুড়ে বলছে সিনিয়র রাজনীতিবিদদের দরকার নেই,
তারাই নাকি চালাবে দেশ।
নির্বাক রাজনৈতিক মহল-
কার সাথে কে করবে তর্ক?
কথা কইলেই তো লেগে যাচ্ছে ট্যাগ, হয় ফ্যাসিবাদ আ'লীগের দোসর, নইলে ভারতের দালাল!!
এখানেই কী শেষ? একদমই না!
আ'লীগ ডেভিল, জাতীয় পার্টি ডেভিল,ছাত্রদলও নাকি ডেভিল!
দেশপ্রেমিক মাত্র ইউ গং,
গড়ছে যারা কিংস পার্টি।
এতো গেল শীর্ষ বিদ্যাপীঠের ছাওয়াল পাওয়ালদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
প্রাথমিক-মাধ্যমিকে পাঠ্যপুস্তুক দিতে পারেনি দখলদার সরকার,
শিক্ষা উপদেষ্টার সাদা-মাঠা কথা,
কবে দিতে পারবো বই,
জানা নেই আমার!
মান সম্মান হারানোর ভয়ে চুপচাপ ভূমিকায় শিক্ষক সমাজ,
কথা কইলেই গায়ে উঠতে পারে শিক্ষার্থীর হাত,
পদত্যাগে করতে পারে বাধ্য,
তারচেয়ে ভাল নিরব থাকা।
অশান্ত এই পরিবেশে তৎপর কোচিং সেন্টার,
প্রকাশ্যে তারা নেমে পড়েছে গলাকাটা ব্যবসায়,
নিরুপায় সীমিত আয়ের মানুষ
কোমলমতি শিশুর ভবিষ্যৎ এই বুঝি গেল,
দুশ্চিন্তায় ঘুম হয়ে গেছে হারাম।
চোর ডাকাত ছিনতাইকারী দুর্বৃত্তের দাপটে তটস্থ আম-জনতা, সরকারি-বেসরকারি অফিস-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাড়িঘরে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি,
কোথাও নেই নিরাপত্তার বালাই।
নিত্যপণ্যের বাজার দর আকাশ ছুঁইয়েছে,
ঘাটে মাঠে তৃণমূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে বেসামাল সিণ্ডিকেট,
কার কাছে কে করবে জবাবদিহি?
কারোর কোনো দেখা নেই!
এই যখন বাস্তবতা,
তখনো দখলদার সরকার প্রশাসনের দাবি দেশটা তো চলছে বেশ;
আহা বেশ বেশ।।
কিন্তু এভাবে আর কতদিন?
রুখে দাঁড়াও গ্রাম বাংলার কৃষক শ্রমিক আম জনতা,
এ লড়াই জঙ্গিবাদ দখলদার সুদখোরের বিরুদ্ধে,
বাঁচতে হলে লড়তে হবে,
দেশ জাতি স্বাধীন সারভৌমত্ব রক্ষায় এ লড়াইটা শুরু করতেই হবে,
এ লড়াইয়ে জিততেই হবে।
তারিখ-২৭ ফেব্রুয়ারি, রাত:২.২৩ মিনিট