মেয়েদের স্বাস্থ্যকথা

মেয়েদের  স্বাস্থ্যকথা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মেয়েদের স্বাস্থ্যকথা, Hospital, palton, Kaukhali.

31/08/2017
21/06/2017

গাইনুরা প্রোকাম্বেন্স চা (Gynura procumbens Tea)
====================================

যারা ডায়বেটিস,উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন ও যাদের রক্তে ট্রাই গ্লিসারাইডের(TG) পরিমান বেশী তাদের জন্য গাইনুরা চা খুবই উপকারি যা আপনি ঘরে বসেই তৈরি করে নিতে পারেন এই মিরাকেল চা। উপকরন ও প্রস্তুত প্রনালীর আগে এই উদ্ভিদ নিয়ে সামান্য আলোকপাত করছি।
Gynura procumbens L. যা Asteraceae পরিবার ভুক্ত একটি উদ্ভিদ। বিজ্ঞানিরা একে wonder plant, Anti-cholesterol plant, longevity spinach (দির্ঘায়ু শাক),Anti-cancer plant হিসেবে অখ্যায়িত করেছেন। এটি প্রোটিন ও পারক্সিডেস এর উৎস। এন্টি ইনফ্লামেটরি, উচ্চ রক্তচাপ,ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে খুবই কার্যকরি প্রাকৃতিক ঔষধ।

উপকরনঃ
Gynura Procumbens এর পরিপক্ক কাচা পাতা,পরিমান মত পানি ও চিনি বা অন্য যে কোন সুইটেনার।

প্রস্তুত প্রনালীঃ
প্রথমে একটি পাত্রে যে কয় কাপ চা তৈরি করবেন সেই পরিমান পানি নেন। তারপর প্রতি কাপের জন্য ২টি পরিপক্ক গাইনুরা পাতা ধুয়ে নিন। এবার পাতাগুলো কুচি কুচি করে কেটে পানিতে দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিয়ে পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিট ধরে ফুটাতে থাকুন যখন পানি হলুদাভ রঙ ধারন করবে তখন চুলা নিভিয়ে চা ছাকুনি দিয়ে ছেকে নিন ও চা এর কাপে আপনার পছন্দমত সুইটেনার দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন গাইনুরা চা বা দির্ঘায়ু চা। কিছুদিন সেবন করার পর আপনি নিজেই টের পেয়ে যাবেন এর উপকারিতা। আমি TG কমানোর জন্য কিছুদিন এই চা পান করে সুফল পেয়েছি তাহলে দেরি কেন এখনই হয়ে যাক এক কাপ গাইনুরা চা।

20/06/2017

দূর্ঘটনাবশত শরীরের কোন অংশ (হাত/পা/আংগুল) আলাদা হয়ে যাওয়া রোগীর জন্য কতটা দুঃখজনক সেটা যার হারায় সে-ই বোঝে।
এরকম দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে সময়মত ব্যবস্থা নিলে অনেক ক্ষেত্রে আলাদা হয়ে যাওয়া অংশ পুনরায় জোড়া লাগানো সম্ভব।
আমরা এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে কি করা উচিত সে সম্পর্কে কিছু কথা বলছি যা আমাদের সবারই জানা প্রয়োজন। আমি মূলত দুটো বিষয় হাইলাইট করব -

১) কিভাবে কেটে যাওয়া অংশ সংরক্ষণ করে রোগীর সাথে স্পেশালাইজড সেন্টারে পাঠানোর ব্যবস্থা করব?
২) আমরা রি-ইম্পল্যান্ট সার্জারির জন্য বাংলাদেশে(ঢাকা) কোথায় রেফার করতে পারি?

First aid to a patient with amputation:

1. Check the person's airway (open if necessary); check breathing and circulation. If necessary, begin rescue breathing, CPR, or bleeding control.
2. Try to calm and reassure the person as much as possible. Amputation is painful and very frightening.
2. Control bleeding by applying direct pressure to the wound. Raise the injured area. If bleeding continues, recheck the source of the bleeding and reapply direct pressure, with help from someone who is not tired. If the person has life-threatening bleeding, a tight bandage or tourniquet will be easier to use than direct pressure on the wound. However, using a tight bandage for a long time may do more harm than good.

**How to preserve the amputated part & transport the part with patient--
--There are two methods of preservation. I am talking about the most accepted method of preservation preferred by Plastic surgeons/Hand surgeons worlwide which has no controversies.

1. Gently wash the severed limb with sterile water or saline solution but do not scrub.
Do not put an amputated limb directly in water/saline, as this may cause damage that could hinder/interrupt reattachment.

2. Wrap(not too tightly) the limb in a moist, clean material. Sterile gauze soaked with sterile saline solution or sterile water is best. If you do not have gauze, compromise by wrapping the limb in the cleanest absorbent material available. Paper towel will work if you do not have gauze or a clean cloth.

3. The put the amputated part in a dry & watertight plastic bag/container.
4. After that put the plastic bag/container in a plastic bag/box which contains ice.

(DO NOT put the severed part directly on ice. DO NOT use dry ice as this will cause frostbite and injury to the part)
5. At last transport the limb with patient to a specialized centre.

The amputaed part may survive 4 to 6 hours if it is not cooled. But it may survive from 24 to 30 hours if preserved in above mentioned method.

13/06/2017

প্রেমিকের সাথে সেক্স করবো কিনা! #প্রশ্নঃ আপু, আমার বয়ফ্রেন্ড আমার সাথে
সেক্স করার জন্য খুব চাপ দিচ্ছে।
আমি এখন এগুলো করতে চাই না…
সেও মানেনা, এমতাবস্থায় আমার করণীয়
কী?? #উত্তরঃ ছেলেটা আপনার সাথে প্রকৃত ভালবাসা/প্রেম
করে না এবং বিয়েও করবেনা…এটা ১০০%
নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি। কারণ যেই
ছেলে
তোমাকে প্রকৃত ভালবাসে সে অবশ্যই তোমাকে
বিয়ে করবে। সে কখনও বিয়ের পূর্বে সেক্সের কথা উচ্চারণ করবেনা।
যে ছেলে তোমার সাথে প্রকৃত প্রেম করে সে
মনে করে-বিয়ের পর আমি তো তাকে পাবো,
তখন প্রাণভরে আদর করবো, ভালবাসা দিবো,
সোহাগ দিবো। .
আর যদি তুমি তার সাথে একবার সেক্স কর,
তাহলে সে আরো ২০-৩০ বার করার পর
আস্তে আস্তে তোমার থেকে সরে চলে যাবে…
এমনকি তুমি গর্ভবতীও হতে পারো। তারপর তুমি ভালবাসা দাবি করলে বলবে-
তুমি খারাপ মেয়ে, অন্যজনের সাথে তোমার
সম্পর্ক আছে, তুমি তাদের সাথেও আমার
মত সেক্স করেছ। সুতরাং তুমি একজন
নষ্টা মেয়ে। আর যদি সেক্স করার সময় সেটা ভিডিও
করে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয় তাহলে
যত মানুষ তোমার সেক্সের ভিডিওটা দেখবে
সব পাপ তোমাকে বহন করতে হবে।
মনে করুন, কোনমতে তোমার বিয়ে হয়ে গেল।
দাম্পত্য জীবনে ঐ ভিডিওটা যদি তোমার
স্বামীর হাতে চলে যায় অথবা কেউ তোমার
স্বামীকে দেখায় তাহলে জীবন হবে
তেজপাতার
থেকেও মুল্যহীন। .
মোট কথা হলো, বিয়ের পূর প্রেমিক বা অন্য
কারো সাথে সেক্স করার মত বোকামী ও বড় ভুল
আর হতে পারেনা। এর মানে জীবন
জাহান্নামের
আগুনে পুড়িয়ে ফেলা। .
সুতরাং সাবধান!
বিয়ের পূর্বে ভুলেও কারো সাথা সেক্স নামক
জঘন্যতম কাজে লিপ্ত হবে না। অন্যথায়
দুনিয়া ও আখিরাতে পরিণাম এবং ফলাফল
অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। এটা 100% সিউর।
আমাদের দায়িত্ব- আপনার জীবনকে সুন্দর
ও শান্তিময় করার বিভিন্ন টিপস দেওয়া।
আর আপনাদের কর্তব্য হলো লাইক দিয়ে
পেইজটাকে জীবিত রাখা। .
√ বিঃদ্রঃ- পোষ্টটা কেমন লেগেছে আপনার?
কমেন্ট (Comment) করতে ভূলবেন না।
আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে T=(thanks).
G=(good).
B=(bad).
N=(nice).
O=(osthisr).
লিখে কমেন্ট করবেন। .
লাইক কমেন্ট না করলে পরবর্তীতে
আমাদের পোষ্ট আপনার হোমপেজে আসবেনা।
এটাই FB এর নিয়ম.....

............হাত নরম ও মসৃণ রাখার টিপসকিন্তু  এতো সব করার পর যখন হাতের ত্বক নষ্ট হয়ে যায়, তখন দেখতেও খুব খারাপ লাগে। তবে ...
10/06/2017

............হাত নরম ও মসৃণ রাখার টিপস

কিন্তু এতো সব করার পর যখন হাতের ত্বক নষ্ট হয়ে যায়, তখন দেখতেও খুব খারাপ লাগে। তবে আপনি যতই কাজ করুন না কেন, হাতের সঠিক যত্ন নিলে হাত(Hand) অবশ্যই নরম ও কোমল থাকবে। আর Hand যেহেতু সবসময়ই খোলা থাকে, একা খুব একটা আবৃত করা যায় না, তাই এর সঠিক যত্নের অবশ্যই প্রয়োজন। আপনার সুন্দর Hand দুটির যত্নে করুন মাত্র তিনটি কাজ।

অলিভ অয়েল ও চিনি
অলিভ অয়েলের সাথে সামান্য চিনি মিশিয়ে দু’হাতে ম্যাসাজ করুন। Hand এর কনুই বা বগল হতে শুরু করে আঙ্গুল Hand এর তালু ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন চিনি পুরোপুরি ভাবে না গলে যাওয়া পর্যন্ত। তারপর ধুয়ে ফেলুন এবং সামান্য অলিভ অয়েল দু’হাতে ম্যাসেজ করে নিন।
ভ্যাসলিন ও মোজা
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হাত(Hand) ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। তারপর হাতে(Hand) সামান্য ভ্যাসলিন নিয়ে ম্যাসাজ ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর পাতলা বা পুরনো Hand মোজা পরে নিন এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর Hand ধুয়ে ফেলুন।

ভিনেগার ও মোজা
হাত(Hand) ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর শুকিয়ে সামান্য পানির সাথে পরিমাণ মতো ভিনেগার মিশিয়ে হাতে(Hand) ম্যাসাজ করুন। এরপর মোজা পরে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে Hand ধুয়ে ফেলুন।

অসাধারণ ১৯ টি টিপস দেরী না করে দেখে নিন।১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবে এটি নিয়মিত করলে ঠোট...
06/06/2017

অসাধারণ ১৯ টি টিপস দেরী না করে দেখে নিন।
১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবে এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
২. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।
৩. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
৪. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।
৫. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।
৬. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
৭. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
৮. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
৯. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
১০. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।
১১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মেৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
১২. মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।
১৩. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।
১৪. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।
১৫. হাত পায়ের সৈন্দৌয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।
১৬. মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।
১৭. নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ
সমস্য থাকবেনা।
১৮. সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
১৯. অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।
(পোস্টটি ভালো লাগলে Like, Comments ও Share করতে ভুল করবেন না। নিজে জানুন ও অন্যকে জানতে সাহয্য করুন। নিয়মিত লাইক, কমেন্টস না করলে এই মুল্যবান পোস্ট গুলো আর আপনার ওয়ালে খুজে পাবেন না। ধন্যবাদ)

19/03/2017

# চোখের নিচের কালি এবং #ফোলা ভাব
কমান ঘরে বসেই #
বেশিরভাগ সময়ই আমরা আমাদের চোখের
নিচের কালি ঢাকার জন্য কনসিলার,
ফাউণ্ডেশন কিনে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ
করি, কিন্তু কখনো কি আমরা আমাদের
চোখের নিচে কেন কালি জমে তার কারণ
খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি? আমাদের
চোখের নিচের ত্বক অনেক বেশি স্পর্শকাতর
এবং এর নিচে অনেক ছোট ছোট রক্তনালী
বয়ে গেছে যারা আস্তে আস্তে বড় হতে
থাকে এবং চোখের নিচের ত্বক কালো হতে
থাকে। চোখের নিচের অংশে ফ্লুইড জমা
হতে থাকার কারণে চোখের নিচটা ফুলে
যেতে থাকে এবং চোখের নিচে কালি পড়ে।
এর পিছনে অনেকগুলো কারণ আছে। আপনি
জেনে অবাক হবেন যে, ঘুম না হওয়া,
কম্পিউটারের মনিটরের সামনে বসে থাকাই
চোখের নিচে কালি পড়া কিংবা চোখ ফুলে
যাওয়ার প্রাথমিক কারণ নয়। বরং
নাসারন্ধ্রিতে সমস্যা, বংশগত সমস্যা,
এলার্জি, মূত্রগ্রন্থিতে সমস্যা কিংবা রক্ত
চলাচলে সমস্যা থাকার কারণেও চোখের
নিচে কালো দাগ পড়ে। মূলত চোখের নিচের
কালি হওয়ার পিছনে তিনটি কারণ থাকে।
•চাপ
চোখের নিচে কালি পড়ার খুব প্রচলিত একটি
কারণ হলো কোন কারণে খুব বেশি চাপে
থাকা।
•পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
কেউ যদি দিনে কমপক্ষে আট ঘণ্টা না ঘুমায়,
তাহলে তার চোখের নিচে কালি পড়ার
সম্ভাবনা থাকে।
•পানিশূন্যতা
শরীর থেকে অনেক বেশি মাত্রায় পানি
বেরিয়ে গেলে ত্বক শুষ্ক এবং শরীর দূর্বল
হয়ে যায়। এর ফলে চোখের নিচে কালি পড়ে।
•সমাধান
এখানে যে ধরণের সমাধানের কথা বলা
আছে, সেগুলো যে সবসময়েই কাজে লাগবে,
তা নয়। তবে এটা কোন ক্ষতির কারণ হবে না।
আসুন জেনে নেই কীভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে
চোখের নিচের কালি দূর করা যায়।
•কয়েক টুকরা শসা এবং আলু নিন। ঠাণ্ডা
পানিতে এগুলো এমনভাবে পেস্ট করে নিন
যাতে একটি তরল মিশ্রণ তৈরি হয়। কিছু তুলা
এই মিশ্রণে ভিজিয়ে নিন এবং চোখের
নিচে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এতে
আপনার চোখের নিচের কালো দাগ কমে
যাবে।
• চোখের নিচে যেখানে কালি পড়েছে,
সেখানে আমলকী তেল লাগিয়ে ঘুমাতে
যেতে পারেন। তাহলে চোখের নিচের কালি
কমে যাবে বলে আশা করা যায়।
মাল্টিভিটামিন খেলে, ক্যালসিয়াম এবং
ম্যাগনেসিয়াম খাওয়াও চোখের নিচে কালি
দূর করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরণের
এলার্জির ওষুধ নাসারন্ধ্রির সমস্যা দূর করতে
পারে। লবণ কম খেলে এবং ধূমপান ছেড়ে
দিলে রক্ত চলাচল বাড়ে। যদি আপনার চোখ
কচলানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে সেটি বাদ
দিন। কেননা এটি আপনার ত্বকের নিচের
রক্ত কণাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আপনি যদি আপনার চোখের নিচের
ফোলাভাব নিয়ে চিন্তিত হন, তাহলে নিচের
সমাধানগুলো পরখ করে দেখতে পারেন।
• সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখে ঠাণ্ডা
পানির ঝাপটা দিলে অনেক উপকার পাওয়া
যায় এবং এটি চোখের নিচের ফোলাভাব
কমাতে সাহায্য করে।
• ব্যবহার করা টিব্যাগ সারারাত ফ্রিজে
রেখে পরদিন সকালে চোখে পনের মিনিট
রাখলে এটি খুব দ্রুত কাজ দেয়।
অবস্থা যদি খারাপ থেকে খারাপের দিকে
যায়, তাহলে সবসময় চোখে কনসিলার ব্যবহার
করুন। যতোটা সম্ভব কম মেকআপ ব্যবহারের
চেষ্টা করুন। আর অবশ্যই দিনে কমপক্ষে আট
ঘণ্টা ঘুমানোর ব্যাপারে কোন কম্প্রোমাইজ
করবেন না।

19/03/2017

Doctor

11/03/2017

মাত্র ১৫ মিনিটে সুন্দর উজ্জ্বল ত্বকঃ

< একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ ময়দা নিন।

> এতে ১ টেবিল চামচ মধু এবং পরিমাণ মতো দুধ দিয়ে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন

> খুব ভালো করে মেশাবেন, পেস্টটি যেন একটু পাতলা ধরণের হয়।

> এরপর এই পেস্টটি একটি ব্রাশের সাহায্যে মুখ ও গলার ত্বকে লাগান। চাইলে হাতে ও পায়েও লাগাতে পারেন।

>১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মাস্কটি ধুয়ে ফেলুন। সামান্য ময়েসচারাইজার লাগিয়ে নিন দেখবেন কি সুন্দর উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে মুখের ত্বক

[পেজটিকে এক্টিভ রাখতে এবং প্রতিটি টিপস আপনার হোম পেজে পেতে Pls পোস্টগুলো লাইক ও শেয়ার করুন।]

নিমের গুণ অপরিসীম। নিমের বহুবিধ এবং ব্যাপক ব্যবহারের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে গ্রাম্য ডাক্তার হিসেবে আখ্যায়িত ক...
10/03/2017

নিমের গুণ অপরিসীম। নিমের বহুবিধ এবং ব্যাপক ব্যবহারের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে গ্রাম্য ডাক্তার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আমাদের গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে রাজধানীতেও অনেক মানুষ চর্মরোগ দূর ও রূপচর্চাসহ নানাবিধ কাজে নিম ব্যবহার করে আসছে। নিমের বীজ পাতা-ছাল-কাঠ সবই উপকারী!

আসুন জেনে নিই নিমের কিছু ঔষধি গুণ-

Address

Palton
Kaukhali
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেয়েদের স্বাস্থ্যকথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category