12/03/2021
মাজায়/কোমরে ব্যাথার কার্যকরি চিকিৎসা এখন খুলনাতে আমাদের চ্যালেনঞ্জ 😎
-----------------------
এমন মানুষ হয়ত পৃথিবীতে পাবেন না যিনি তার জীবনে একবারও কোমরে ব্যথা অনুভব করেননি। বর্তমান কর্পোরেট যুগে বেশিরভাগ সময়েই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে লম্বা সময় বসে থাকতে থাকতে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হওয়াটা খুব কমন একটা সমস্যা। দোকানদার, ড্রাইভার, গৃহিণী, ব্যাংকার, অফিসের কর্মকর্তা সহ অনেকেরই পরিচয় আছে কোমর ব্যথা বা লো ব্যাক পেইনের সাথে। মেরুদণ্ডের নিচের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের ফলে এ ব্যথার সুত্রপাত হতে পারে। তরুণাস্থির এই পরিবর্তনের সাথে সাথে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে সংবেদনশীলতার পরিবর্তন হয়। সাধারণত এ পরিবর্তন ৩০ বছর বয়স থেকে শুরু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রোগের উপসর্গও বাড়তে থাকে।
কোমর ব্যথার কারণঃ
সাধারণত দেখা যায় মেরুদণ্ডের মাংসপেশি, লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক সমস্যা, কশেরুকার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে কোমর ব্যথা হয়ে থাকে। চলাফেরা, খুব বেশি ভার বা ওজন তোলা, মেরুদণ্ডের অতিরিক্ত নড়াচড়া, একটানা বসে বা দাড়িয়ে কোন কাজ করা, মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া, সর্বোপরি কোমরের অবস্থানগত ভুলের জন্য এ ব্যথা হতে দেখা যায়।
অন্যান্য কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে বয়সজনিত মেরুদণ্ডে ক্ষয় বা বৃদ্ধি, অষ্ট্রিও আথ্র্যাইটিস বা গেঁটে বাত, অষ্ট্রিওপোরেসিস,এনকাইলজিং স্পনডাইলাইটিস, মেরুদণ্ডের স্নায়ুবিক সমস্যা, টিউমার, ক্যান্সার, বোন টিবি, কোমরের মাংসে সমস্যা,বিভিন্ন ভিসেরার রোগ বা ইনফেকশন, বিভিন্ন স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা, মেরুদণ্ডের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুড়ি, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি।
কোমর ব্যথার লক্ষণসমূহঃ
★ কোমরের ব্যথা আস্তে আস্তে বাড়তে পারে বা হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।
★ নড়াচড়া বা কাজকর্মে ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে।
★ ব্যথা কোমরে থাকতে পারে বা কোমর থেকে পায়ের দিকে নামতে পারে অথবা পা থেকে কোমর পর্যন্ত উঠতে পারে।
★ অনেক সময় কোমর থেকে ব্যথা মেরুদণ্ডের পেছন দিক দিয়ে মাথা পর্যন্ত উঠতে পারে।
★ রোগী অনেকক্ষণ বসতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না।
★ ব্যথার সঙ্গে পায়ে শিন-শিন বা ঝিন-ঝিন জাতীয় ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যেকোন এক পায়ে নামতে পারে।
★ অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে রোগীর কোমর ও পায়ের মাংসপেশীর ক্ষমতা কমে আসে এবং শুকিয়ে যেতে পারে, সর্বোপরি রোগী চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
কোমর ব্যথা বা লো ব্যাক পেইন থেকে মুক্তির উপায়ঃ
একটানা বহুদিন এমনকি বহু বছর যাবৎ চিকিৎসা করেও রোগী যখন সুস্থ হয় না, তখন হতাশ হয়ে যান অনেকেই। এছাড়া দীর্ঘদিন পেইন কিলার খাওয়ার ফলে অনেকেরই কিডনীর সমস্যা সহ আরো মারাত্বক অনেক রোগ শরীরে বাসা বাধে।
প্রচন্ড কোমর ব্যথা, দীর্ঘদিন যাবৎ ভুগছেন- এমন অনেকে রোগীই আমাদের থেরাপি নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।
ঠিকানা : ৯/১,কাকলীবাগ, তাড়ের পুকুর, খান জাহান আলী রোড, খুলনা।
সিরিয়ালের জন্য : ০১৮৯২-৯১৯২৯২,০১৭১৫-৩১৮২২২